বিশেষ প্রতিবেদন

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর: নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নাকি রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ অক্টোবর ১৮ ১০:২৭:২১
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর: নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নাকি রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা?
জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর এর পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুক্রবারের দিনটি চিহ্নিত হলো এক নতুন অধ্যায়ে। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ নানা রাজনৈতিক দলের নেতা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা। বিকেল পাঁচটা পাঁচ মিনিটে শুরু হওয়া স্বাক্ষরপর্বে দুইজন করে রাজনৈতিক প্রতিনিধি সই করেন, পরে স্বাক্ষর করেন ড. ইউনূস নিজে। এই ঘটনাকে “নতুন বাংলাদেশের সূচনা” বলে আখ্যায়িত করেন প্রধান উপদেষ্টা, বলেন—“এই সনদ শুধু একটি দলিল নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।

তবে সনদ স্বাক্ষরের আগে সংসদ ভবন এলাকায় সংঘর্ষ ও বিক্ষোভে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুরে “জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা” ব্যানারে শত শত মানুষ তিন দফা দাবিতে অবস্থান নেয়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল জুলাই যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সংবিধানে সনদ অন্তর্ভুক্ত করা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ইটপাটকেল, টিয়ারশেল ও সাউন্ডগ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটে, আহত হন বহু মানুষ। সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, এরপর দেরিতে হলেও অনুষ্ঠান শুরু হয়।

ঐতিহাসিক এই আয়োজনে অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর বিতর্ক চলছে। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ হোসেন বলেন, “জুলাই সনদ এখনো পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন নয়।” এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানান, তিন দফা দাবি না মানায় তারা আপাতত স্বাক্ষর করেননি, তবে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনার দ্বার খোলা রাখছেন। তাদের দাবিসনদের আইনি বৈধতা নিশ্চিত করা, ড্রাফট আদেশের প্রাপ্তি ও গণভোটের মাধ্যমে সনদের অনুমোদন।

আখতার হোসেন বলেন, “দাবি পূরণ হলে আমরা স্বাক্ষর করবো, না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবো।” সরকার ও ঐকমত্য কমিশন এনসিপিকে অন্তর্ভুক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও দলটি শেষ পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রাখে, যা রাজনৈতিক ঐক্যের পূর্ণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

বিক্ষোভের মুখে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন শুক্রবার দুপুরে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামার পঞ্চম দফা সংশোধনের ঘোষণা দেয়। নতুন দফায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “২০২৪ সালের জুলাইআগস্ট গণঅভ্যুত্থান কালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান, আহতদের পুনর্বাসন ও শহীদ পরিবারকে আইনি দায়মুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ ক্ষমা চেয়ে বলেন, “এই সংশোধনের মাধ্যমে আমরা শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের দায় স্বীকার করেছি।” তবে কিছু পর্যবেক্ষক মনে করছেন, এই সংশোধন রাজনৈতিক চাপের ফল এবং ভবিষ্যতে এর আইনি প্রয়োগই প্রকৃত পরীক্ষার জায়গা।

বিএনপিমহাসচিবমির্জাফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ঐতিহাসিক সনদ স্বাক্ষরকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জুলাই সনদ কেবল একটি চুক্তি নয়, এটি জনগণের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।” এনসিপির অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় তারা কোথাও ভুল বুঝছে। এই সনদ কারও দলীয় অর্জন নয়, এটি সবার।” ফখরুল আরও যোগ করেন, “আমরা বিশ্বাস করি, এই সনদের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হলোযেখানে প্রতিহিংসা নয়, সংলাপ ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে।” তার মতে, এই সনদের বাস্তবায়নই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ সত্যিই ‘নতুন পথে’ হাঁটতে পারছে কিনা।

অন্যদিকে সনদে স্বাক্ষর করলেও জামায়াতে ইসলামী এর আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আস্থা রেখেই আমরা স্বাক্ষর করেছি। তবে বিলম্ব বা প্রতারণা জাতির সঙ্গে গাদ্দারি হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, নতুন সংকটের নামে কোনো হেজিমনি যেন সৃষ্টি না হয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের এই শর্তযুক্ত অবস্থান একদিকে সরকারের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দরকষাকষির সম্ভাবনাও জিইয়ে রাখে।

স্বাক্ষরপর্ব শেষে বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “এই সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের সূচনা করলাম।” তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় বসে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন উৎসবমুখর করার আহ্বান জানান। ড. ইউনূস বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে যদি নির্বাচনও হয়, তবে তা এমনভাবে হতে হবে যাতে জনগণ বিশ্বাস করতে পারেদেশ বদলেছে।তিনি প্রশ্ন রাখেন, “নিজেদের নির্বাচন নিজেরাই করবো, তাতে পুলিশ এসে কেন ধাক্কাধাক্কি করবে?” প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্য অনেকের কাছে ছিল নতুন রাজনীতির ইঙ্গিতএকটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।

এই সনদে স্বাক্ষর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক মোড় নির্দেশ করেযেখানে দীর্ঘ দমননীতির পর প্রথমবারের মতো বিভিন্ন মতাদর্শের দল এক ছাতার নিচে এসেছে। কিন্তু এনসিপির অনুপস্থিতি, দফা সংশোধনের চাপ এবং মাঠপর্যায়ের অস্থিরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, জাতীয় ঐক্যের এই পথ এখনো মসৃণ নয়। অনেকের মতে, জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের ভিত্তিপ্রস্তরঅথবা আরেকটি রাজনৈতিক পরীক্ষার সূচনা মাত্র।


রমজানের শিক্ষা থেকে ঐক্যের ডাক: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২১ ০৬:৪৩:১৫
রমজানের শিক্ষা থেকে ঐক্যের ডাক: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পবিত্র মাহে রমজানের ত্যাগ, তাকওয়া ও সংযমের শিক্ষা ধারণ করে ঈদুল ফিতরের আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি জাতির উদ্দেশে এই আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন-এ প্রচারিত বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর এসেছে মুসলিম উম্মাহর জন্য ঐক্য, সংহতি, সহমর্মিতা এবং অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে। তিনি সকলকে রমজানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখার আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন, ঈদ কেবল উৎসবের আনন্দ নয়, বরং এটি সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঈদের আনন্দ দেশের প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি পরিবারে এবং প্রতিটি মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছে যাবে। বিশেষ করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের পাশাপাশি বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতিও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, এই পবিত্র উৎসব যেন শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে। তিনি সকলকে ঈদ মোবারক জানিয়ে দেশের সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রগতির জন্য দোয়া কামনা করেন।

সামগ্রিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা কেবল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক আহ্বান, যেখানে রমজানের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে একটি সহমর্মিতাপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

ইশরাত/২০২৬-৫৪৬৩


শ্রমিকদের বেতন-বোনাস শতভাগ পরিশোধ করছে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১১:০৫:১৫
শ্রমিকদের বেতন-বোনাস শতভাগ পরিশোধ করছে সরকার
ছবি: সংগৃহীত

ঈদকে সামনে রেখে দেশের শ্রমবাজারে স্বস্তির বার্তা এসেছে। সরকার নিশ্চিত করেছে যে শ্রমিকদের বেতন ও উৎসব বোনাস সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করা হয়েছে, যার ফলে অতীতের মতো কোনো শ্রমিক অসন্তোষ এবার দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, কেবল নিয়মিত বেতনই নয়, বরং ঈদ বোনাসও শতভাগ পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পাঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং শ্রমিকদের মধ্যে সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সরকার প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। এই উদ্যোগের ফলে কারখানাগুলো সময়মতো শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে সক্ষম হয়েছে, যা অন্যান্য বছরের তুলনায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সফলতার পেছনে সরকারের সদিচ্ছা, নীতিগত অঙ্গীকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক সংকেত।

প্রবাসী শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের ভেতরের শ্রমিকদের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কল্যাণেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও সহায়তায় সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের পর থেকেই এসব কারখানা চালুর কার্যক্রম শুরু হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিদেশগামী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। আগামী মাস থেকে এই প্রশিক্ষণ উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা যায় এবং প্রবাসে গিয়ে শ্রমিকরা কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হন।

শ্রমিকদের প্রতারণা থেকে রক্ষার বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অনেককে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রবাসী শ্রমিকদের পরিবারকেও সচেতন করা হচ্ছে, কারণ কিছু প্রতারক চক্র বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের জিম্মি করে তাদের স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে।

-রাফসান


বৃষ্টির বাধায় কি ম্লান হবে ঈদের আনন্দ? আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ আপডেট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ২১:৪৫:০০
বৃষ্টির বাধায় কি ম্লান হবে ঈদের আনন্দ? আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ আপডেট
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আগামী ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করায় সারা দেশেই ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে আগামী তিন দিন দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আজ সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে সামান্য বাড়তে পারে।

আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) দেশের আট বিভাগেই ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং ওই দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ওই দিনও শিলাবৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। তবে রোববার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে শুরু করবে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা পুনরায় সামান্য বাড়তে পারে। মূলত সোমবারের পর থেকে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

/আশিক


২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ২১:৩৯:৪১
২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা আন্তর্জাতিক চলাচলকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলছে।

ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ ব্যবস্থার অন্যতম সুবিধা হলো, ভ্রমণকারীদের কোনো ধরনের ভিসা আবেদন বা ফি প্রদানের প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্টই ভ্রমণের জন্য প্রধান এবং একমাত্র প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় করে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকরা বার্বাডোস, বাহামাস, ভুটান, মাইক্রোনেশিয়া, গ্রানাডা, গাম্বিয়া, হাইতি, জামাইকা, কুক আইল্যান্ডস, ডোমিনিকা, ফিজি, কিরিবাতি, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, মাদাগাস্কার, মন্টসেরাট, নিয়ু, ভার্জিন আইল্যান্ডস, রুয়ান্ডা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনস এবং ভানুয়াতুসহ একাধিক দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন।

এছাড়াও কিছু দেশ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা অন অ্যারাইভাল’ সুবিধা প্রদান করে, যেখানে ভ্রমণকারীরা গন্তব্যে পৌঁছানোর পরই ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন। এই তালিকায় রয়েছে বলিভিয়া, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, কম্বোডিয়া, কোমোরোস, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, মালদ্বীপ, নেপাল, সিশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, তিমুর-লেসতে, টুভ্যালু ও সামোয়া।

অন্যদিকে, কিছু দেশে ভ্রমণের আগে অনলাইনের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) গ্রহণ করতে হয়। কেনিয়া ও শ্রীলংকা এ ধরনের প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত, যেখানে আগাম অনুমোদন নিয়ে সহজেই ভ্রমণ করা সম্ভব।

ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভিসা নীতির শিথিলতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও পাসপোর্ট শক্তির একটি ইতিবাচক প্রতিফলন। একইসঙ্গে এটি পর্যটন, ব্যবসা এবং শিক্ষা বিনিময়ের সুযোগও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ভিসা ছাড়াই প্রবেশের সুযোগ থাকলেও প্রতিটি দেশের নিজস্ব প্রবেশ শর্ত, অবস্থানের সময়সীমা এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ রয়েছে, যা ভ্রমণের আগে জেনে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সামগ্রিকভাবে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সহজ, গতিশীল এবং বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে, যা বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

-রফিক


জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৯:২১:৫৬
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শুক্রবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে এবং আগামী শনিবার (২১ মার্চ) সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি জানান, দেশের সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, আজ বাংলাদেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার নির্ভরযোগ্য খবর পাওয়া যায়নি।

ধর্মীয় নিয়মানুযায়ী রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে শনিবার থেকে শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালিত হবে। উল্লেখ্য, ১৭ সদস্যের এই জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি প্রতি আরবি মাসের ২৯ তারিখে বৈঠকে বসে চাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করে।

/আশিক


বাড়তি ভাড়া নিলেই কড়া অ্যাকশন: সেতুমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৭:৩৭:০২
বাড়তি ভাড়া নিলেই কড়া অ্যাকশন: সেতুমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঘরমুখী যাত্রীদের ঢল সামলাতে এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে তিনি দাবি করেন, যাত্রীদের কাছ থেকে কোথাও বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না।

মন্ত্রী জানান, সরকার নির্ধারিত ভাড়াই পরিবহনগুলোতে আদায় করা হচ্ছে, তবে কাউন্টার থেকে বাস ছেড়ে যাওয়ার পর মাঝপথ থেকে যাত্রী তোলার সময় কিছু বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব বিচ্যুতি রোধে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইতিমধ্যে মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

সড়ক মন্ত্রী আরও জানান, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে সড়ক, সেতু ও নৌ মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। যত্রতত্র গড়ে ওঠা বাস কাউন্টারগুলোর কারণে সড়কে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে, তা নিরসনে আগামীতে এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি বাতিল করার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কাউন্টার ঘুরে দেখেন এবং সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন। যেখানেই নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

/আশিক


যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৭:১৭:২৬
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আপাতত উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে গুলশানের বাসভবনেই অবস্থান করছেন এবং সেখানেই থাকতে তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে সপরিবারে ঢাকায় ফেরার পর থেকেই তারেক রহমান গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। উল্লেখ্য, এই বাড়িটি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

গত বছর বাড়িটির মালিকানাসংক্রান্ত সকল আইনি দলিল বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় যমুনাকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করার কাজ সম্পন্ন করলেও, প্রধানমন্ত্রী আপাতত তার নিজস্ব বাসভবন থেকেই রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে জানা গেছে।

/আশিক


অমাবস্যা পেরিয়ে প্রতিপদ শুরু: আজ চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নিয়ে যা জানালো জ্যোতির্বিজ্ঞান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:২২:১৭
অমাবস্যা পেরিয়ে প্রতিপদ শুরু: আজ চাঁদ দেখার সম্ভাবনা নিয়ে যা জানালো জ্যোতির্বিজ্ঞান
ছবি : সংগৃহীত

জ্যোতির্বিজ্ঞান ও ভৌগোলিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে এবার বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী শনিবার (২১ মার্চ) উদযাপিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

অমাবস্যা শেষে আজ সকাল ৭টা ২৭ মিনিটে প্রতিপদ শুরু হলেও সূর্যের প্রখর আলোর কারণে খালি চোখে নতুন চাঁদ দেখা অসম্ভব। সাধারণত সূর্যাস্তের পর নির্দিষ্ট উচ্চতা ও কৌণিক দূরত্ব বজায় থাকলেই কেবল চাঁদ দৃশ্যমান হয়, যা আজ ঘটা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভৌগোলিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর কাদের এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ২০ মার্চ (শুক্রবার) থেকে চাঁদের দ্বিতীয় দিন শুরু হবে এবং ওইদিন সন্ধ্যায় দেশের আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে স্পষ্ট চাঁদ দেখা যাবে। এর ফলে ৩০ রোজা পূর্ণ করে আগামী ২১ মার্চ শনিবার দেশজুড়ে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। অন্যদিকে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে বাংলাদেশের একদিন আগে চাঁদ দেখার রীতি থাকলেও সেখানে এবার রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে এবং ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হবে।

তুরস্ক ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোও ইতিমধ্যে ২০ বা ২১ মার্চের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে। যদিও আধুনিক প্রযুক্তিতে চাঁদের অবস্থান নির্ভুলভাবে গণনা করা সম্ভব, তবে শরীয়তে স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পরেই ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে।

/আশিক


রোদ না কি বৃষ্টি? ঈদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের আগে জেনে নিন আবহাওয়ার খবর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:১৭:২৩
রোদ না কি বৃষ্টি? ঈদের কেনাকাটা ও ভ্রমণের আগে জেনে নিন আবহাওয়ার খবর
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় জানানো হয়েছে, ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর ফলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। আজ সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ।

ঈদের আনন্দ আয়োজনের মধ্যেই আগামী কয়েক দিন দেশের আবহাওয়া বেশ পরিবর্তনশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে রোদ ও গরমের আভাস থাকলেও অন্যদিকে হঠাৎ মেঘ জমে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এমনকি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, আবহাওয়াবিদদের মতে এই বৃষ্টিপাতে ঈদের আনন্দে বড় কোনো স্থায়ী বাধার সৃষ্টি হবে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দেশের প্রায় সব বিভাগেই ধাপে ধাপে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশালের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। আগামী ২১ মার্চ বৃষ্টির বিস্তৃতি আরও বাড়তে পারে এবং দেশের আট বিভাগেরই অনেক এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২২ মার্চ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। এই পুরো সময়জুড়েই দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: