গাজায় দুর্ভিক্ষ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, ক্ষুধার বলি ৩১৩ জন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ০৮:৫৭:১৭
গাজায় দুর্ভিক্ষ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, ক্ষুধার বলি ৩১৩ জন
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসরায়েলের অবরোধ ও হামলার কারণে গাজায় দুর্ভিক্ষ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন অনাহারে মারা গেছেন। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ক্ষুধায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৩ জনে, যাদের মধ্যে ১১৯ জন শিশু।

বুধবার (২৭ আগস্ট) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (ইউএনএসসি) কর্মকর্তারা জানান, গাজার খাদ্যসংকট ও দুর্ভিক্ষ ‘মানবসৃষ্ট’ এবং ‘পরিকল্পিত বিপর্যয়’।

জাতিসংঘের উপ-মানবিক প্রধান জয়েস মুসুয়া বলেন, গাজা সিটির উত্তর-মধ্যাঞ্চলে দুর্ভিক্ষ নিশ্চিত হয়ে গেছে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই দুর্ভিক্ষ দক্ষিণের দেইর এল-বালাহ ও খান ইউনিস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি জানান, বর্তমানে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ অনাহার ও মৃত্যুর মুখে রয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষে এই সংখ্যা ৬ লাখ ৪০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। মুসুয়া বলেন, “গাজায় কার্যত কেউ ক্ষুধার প্রভাবের বাইরে নেই।”

তিনি আরও জানান, পাঁচ বছরের নিচে অন্তত ১ লাখ ৩২ হাজার শিশু তীব্র পুষ্টিহীনতার ঝুঁকিতে রয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩ হাজারেরও বেশি শিশু শিগগিরই প্রাণঘাতী অবস্থায় পড়তে পারে। তার মতে, “এটি কোনো খরা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফল নয়, এটি সৃষ্ট দুর্ভিক্ষ—যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মৃত্যু, ধ্বংস ও বাস্তুচ্যুতির পরিণতি।”

ইসরায়েল ‘ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন’ (আইপিসি) নামের দুর্ভিক্ষ পর্যবেক্ষণ সংস্থার গাজা সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এডেন বার টাল প্রতিবেদনটিকে ‘ত্রুটিপূর্ণ, অপেশাদার ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ঘাটতি রয়েছে’ বলে দাবি করেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইউএনএসসি-র বাকি ১৪ সদস্য আইপিসি-র কাজকে সমর্থন জানিয়ে যৌথ বিবৃতিতে ‘তাৎক্ষণিক, নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানায়।

মানবিক সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রধান ইঙ্গার আশিং নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, গাজায় দুর্ভিক্ষ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তার মতে, “এটি পরিকল্পিত দুর্ভিক্ষ, মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ। শিশুদের পদ্ধতিগতভাবে অনাহারে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।” আশিং আরও জানান, গাজার ক্লিনিকগুলোতে এখন হাড়জিরজিরে শিশুদের নীরবতা বিরাজ করছে, কারণ তাদের কান্নার শক্তিও নেই।

তিনি বলেন, শিশুদের আঁকায় এখন আর শান্তি বা স্কুলে যাওয়ার আশা দেখা যায় না, দেখা যায় শুধু খাবারের আকুতি, এমনকি মৃত্যুর ইচ্ছাও। এক শিশুর আঁকায় লেখা ছিল: ‘আমি চাই জান্নাতে যেতে, যেখানে আমার মা আছেন। সেখানে ভালোবাসা আছে, খাবার আছে, পানি আছে।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ওয়াশিংটনে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, সাবেক মধ্যপ্রাচ্য দূত জ্যারেড কুশনারসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক করেছেন। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের ‘সুনির্দিষ্ট সমাপ্তি’ আশা করছেন। বৈঠকের বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন পরিকল্পনা স্পষ্ট না হলে গাজায় পুনরুদ্ধার কার্যত অসম্ভব হবে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই জানিয়েছে, তারা দীর্ঘ মেয়াদে গাজায় সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে।

সূত্র: আল জাজিরা


ইয়েমেনের সানায় ইসরায়েলের হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ২১:২৫:৪৫
ইয়েমেনের সানায় ইসরায়েলের হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি
ছবিঃ সংগৃহীত

হুথি বিদ্রোহীদের দাবি, ইসরায়েল বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হামলা চালিয়েছে। ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটির ওপর চার দিন আগেও ইসরায়েল প্রাণঘাতী বোমাবর্ষণ করেছিল। হুথিদের সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, ‘রাজধানী সানায় ইসরায়েলি হামলা’ হয়েছে, তবে বিস্তারিত তথ্য তারা জানায়নি।

অন্যদিকে, ইয়েমেনের সানায় হুথিদের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েল। এক সামরিক বিবৃতিতে ইসরায়েল জানায়, তাদের বাহিনী হুথি ‘সন্ত্রাসী সরকারের একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, হুথিরা নিয়মিতভাবে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে এবং লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে জাহাজগুলোতে আক্রমণ চালাচ্ছে। এসব হামলা ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করছে ও বৈশ্বিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ব্যাহত করছে’। ইসরায়েল বলছে, হুথিদের এসব হামলার জবাবেই তারা সামরিক অভিযান চালাচ্ছে।

অপরদিকে, হুথিরা দাবি করে, ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে তারা নিয়মিতভাবে ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে।

ইসরায়েলের হামলায় গত সোমবার সানায় অন্তত ১০ জন নিহত ও ৯০ জনের বেশি আহত হয়েছিল বলে হুথি নিয়ন্ত্রিত শহরটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সেই সময় হুথিদের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর কথা বলেছিল, যার মধ্যে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদও ছিল।

হুথিরা বুধবার ইসরায়েলে নতুন একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা সেটিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হুথিরা নিয়মিত ইসরায়েলের দিকে হামলা চালাচ্ছে এবং লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। ২০১৪ সাল থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে হুথিদের হাতে। তারা ইরানের নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলবিরোধী জোটের একটি অংশ, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

/আশিক


পুলিশের পোশাকে বিড়াল, হৃদয় জয় করে থানায় রাজত্ব করছে ‘নারুতো’

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১২:১৯:০১
পুলিশের পোশাকে বিড়াল, হৃদয় জয় করে থানায় রাজত্ব করছে ‘নারুতো’
ছবিঃ সংগৃহীত

চিলির মাগাল্লানেস অঞ্চলের পোরভেনির শহরের একটি ছোট্ট বিড়াল এখন পুরো থানা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশের পোশাক গায়ে চাপিয়ে তার নাম হয়েছে ‘নারুতো’, আর সে এখন থানার একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় সে এখন বেশ জনপ্রিয়।

একদিন কুকুরের তাড়া খেয়ে ভয়ে কাঁপছিল বিড়ালটি। তখন পুলিশ কর্মকর্তা ক্রিশ্চিয়ান গারিদো তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এরপর থেকে ঠান্ডায় কাঁপতে থাকা বিড়ালটির ঠাঁই হয় থানার ভেতরেই। কর্মকর্তারা আদর করে তার নাম দেন ‘নারুতো’।

ধীরে ধীরে নারুতো সবার প্রিয় হয়ে ওঠে এবং সে এখন প্রতিটি রুমে গিয়ে সবার সঙ্গে খেলাধুলা করে। তাকে পরিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি ছোট্ট পুলিশ ভেস্ট। সেই ভেস্ট পরেই সে এখন অফিসের এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে ঘুরে বেড়ায়।

কর্মকর্তারা আদর করে তাকে ‘ক্যাটবিনেরো’ নামেও ডাকেন। নারুতো শিশুদের কাছেও সমান জনপ্রিয়, প্রতিদিনই অনেকে তাকে দেখতে যায়।

দর্শনার্থীরাই নারুতোর জন্য এই পোশাক ও বিভিন্ন ডাকনামের পরামর্শ দিয়েছেন। এখন থানায় আসা শিশু ও ভুক্তভোগীদের জন্য নারুতো এক প্রকার মানসিক সাপোর্ট হিসেবে কাজ করছে। ভয়ে কাঁপতে থাকা মানুষের কাছে গিয়ে সে বসে পড়ে, তাদের আদর করতে দেয় এবং সবার মুখে হাসি ফোটায়। এ কারণে অনেকে তাকে ‘থেরাপি ক্যাট’ হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন।

ভিডিও লিঙ্ক


গাজার অবরোধের জবাবে ইয়েমেনের সামরিক অভিযান: আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে হামলা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১১:৩৮:৫৭
গাজার অবরোধের জবাবে ইয়েমেনের সামরিক অভিযান: আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে হামলা
ছবিঃ সংগৃহীত

ইয়েমেনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইসরায়েলের আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে আঘাত

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী অধিকৃত ইয়াফা অঞ্চলের আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) এই উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযানে হাইপারসনিক ‘ফিলিস্তিন-২’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে।

সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায় এবং ‘লাখ লাখ দখলদার ইহুদি’ আশ্রয়কেন্দ্রে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

‘গাজার অবরোধের সরাসরি প্রতিক্রিয়া’জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এই হামলাকে গাজায় চলমান অবরোধ, দুর্ভিক্ষ ও আগ্রাসনের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যখন জাতিসংঘ গাজার মানবিক সংকটকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তখন ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ কমাতে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী এই হামলাকে ‘অত্যাচারিত ফিলিস্তিনি জনগণ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন’ হিসেবে ঘোষণা করে। একইসঙ্গে তারা আরব ও ইসলামি বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানায়, গাজায় চলমান গণহত্যা ও অবরোধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে।

বিবৃতিতে ইয়েমেনকে ‘ঈমান ও প্রতিরোধের দেশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, “ইয়েমেন বিজয়ীদের ভূমি। যত বাধাই আসুক না কেন, ফিলিস্তিনের প্রতি দায়িত্ব পালনে ইয়েমেন কখনোই পিছু হটবে না।” ইয়াহিয়া সারির ভাষায়, “যতদিন না অবরোধ উঠে যায় এবং আগ্রাসন বন্ধ হয়, ততদিন পর্যন্ত ইয়েমেন গাজার পাশে থাকবে।”

/আশিক


বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজে কিম ও পুতিন, বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১০:৫৩:১৯
বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজে কিম ও পুতিন, বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা
ছবিঃ সংগৃহীত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর একটি বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হচ্ছে। চীন-জাপান যুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই ‘বিজয় দিবস’ কুচকাওয়াজে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ আরও ২৬টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত থাকবেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের জন্য এটি একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য, কারণ এই কুচকাওয়াজে কিম ও পুতিনকে শি জিনপিংয়ের পাশে দেখা যাবে।

নতুন সামরিক কাঠামো ও শক্তি প্রদর্শন

এই কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো চীনা সেনাবাহিনীর নতুন সামরিক কাঠামো তুলে ধরা হবে। এতে শত শত বিমান, ট্যাংক ও ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে। হাজার হাজার সেনা এবং সাবেক যোদ্ধারা বেইজিংয়ের তিয়ানআনমেন স্কয়ার দিয়ে মার্চ করবেন। ৭০ মিনিটের এই কুচকাওয়াজ বিশ্বজুড়ে শক্তিগুলোর নজর কাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন সক্রিয়তা ও জাপানের অনুরোধ

এদিকে, চীন যখন এই কুচকাওয়াজের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে যাচ্ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রও কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, তিনি আবার কিম জং উনের সঙ্গে দেখা করতে চান। একইসঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পুতিনের সঙ্গেও ট্রাম্পের আলোচনা চলছে। অক্টোবরের শেষে ট্রাম্প ওই অঞ্চলে সফর করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

অন্যদিকে, জাপান ইউরোপীয় ও এশীয় দেশগুলোকে অনুরোধ করেছে, যেন তারা চীনের এই কুচকাওয়াজে যোগ না দেয়। ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে পুতিনের সঙ্গে মতবিরোধ থাকায় পশ্চিমা দেশগুলোর বেশিরভাগ নেতা এই আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কিম জং উনের বিরল সফর

কিম জং উন ছয় বছর পর বেইজিংয়ে আসছেন। সর্বশেষ তিনি ২০১৯ সালে চীন সফর করেছিলেন। এর আগে, ২০১৮ সালে তিনি এক বছরের মধ্যে তিনবার চীন সফর করেছিলেন, যা তার স্বভাবের তুলনায় বিরল ছিল। কারণ তিনি সচরাচর বিদেশ সফরে যান না।

/আশিক


ছেলের আত্মহত্যার জন্য দায়ী ChatGPT’: কাঠগড়ায় OpenAI

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১০:৪৪:২৪
ছেলের আত্মহত্যার জন্য দায়ী ChatGPT’: কাঠগড়ায় OpenAI
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ বছর বয়সী আদাম রেইন-এর বাবা-মা তাদের ছেলের আত্মহত্যার জন্য OpenAI ও এর সিইও স্যাম আল্টম্যান-কে দায়ী করে মামলা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, চ্যাটবটটি তাদের ছেলেকে আত্মহত্যা করার পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছিল এবং তার সুইসাইড নোটের খসড়া তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, মাত্র ছয় মাসের ব্যবহারে ChatGPT নিজেকে আদামের একমাত্র বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করেছিল, যার ফলে সে পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। একাধিকবার আদাম চ্যাটবটে লিখেছিল, “আমি চাই আমার ফাঁসটি ঘরে রেখে দিই যেন কেউ দেখে এবং আমাকে থামানোর চেষ্টা করে।” এমন পরিস্থিতিতে চ্যাটবট তাকে তার পরিবারের কাছে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিল।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, ChatGPT-র ‘সহমতপূর্ণ’ আচরণ আদামের ক্ষতিকর ও আত্মবিধ্বংসী চিন্তাভাবনাগুলোকে আরও উৎসাহিত করেছে।

OpenAI-এর প্রতিক্রিয়া

OpenAI রেইন পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং মামলার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। তারা স্বীকার করেছে যে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা কথোপকথনে তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর হয়নি। কোম্পানি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে AI ব্যবহারকারীদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য পাওয়া সহজ হয়।

আদালতে দায়ের করা মামলায় OpenAI-এর কাছে কিছু নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে:

ChatGPT ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে হবে।

কিশোরদের জন্য পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকতে হবে।

আত্মহত্যা বা আত্মহানি সংক্রান্ত কথোপকথন শুরু হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

কোম্পানিকে একটি স্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক দ্বারা ত্রৈমাসিক সম্মতি নিরীক্ষার আওতায় আনতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর ফ্লোরিডার এক মা তার ১৪ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যুর জন্য Character.AI-কে দায়ী করে মামলা করেছিলেন। এই ধরনের বেশ কিছু মামলার মধ্যে এটি একটি, যেখানে পরিবারগুলো অভিযোগ করছে যে AI চ্যাটবট তাদের সন্তানদের আত্মহত্যায় প্রভাবিত করেছে।

সূত্র: সিএনএন


গাজা সিটি খালি করার নির্দেশ: ট্যাংক নিয়ে নতুন এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ০৮:৪৬:০৯
গাজা সিটি খালি করার নির্দেশ: ট্যাংক নিয়ে নতুন এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা
গাজা সীমান্তে ইসরায়েলের ট্যাংক। ছবি : রয়টার্স

ইসরায়েলি সেনারা গাজা সিটির আরও গভীরে প্রবেশ করেছে এবং শহরটি খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) গভীর রাতে উত্তর গাজার ইবাদ-আলরহমান এলাকায় ট্যাংক নিয়ে ঢুকে তারা গোলাবর্ষণ শুরু করে। এতে অনেকে আহত হন এবং বহু পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। ইসরায়েলের এই পদক্ষেপে গাজায় নতুন করে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশে শহরটি খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। তাদের দাবি, গাজা সিটি হলো হামাসের শেষ ঘাঁটি এবং এটি দখলের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে গাজার ২২ লাখ বাসিন্দার অর্ধেকই এই শহরে বাস করেন, এবং ইসরায়েল তাদের সবাইকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে।

৬০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা সাদ আবেদ বলেন, “হঠাৎ খবর এলো এবাদ-আলরহমানে ট্যাংক ঢুকেছে। বিস্ফোরণের শব্দ বাড়তে থাকায় মানুষ পালিয়ে আমাদের এলাকায় চলে আসে। যুদ্ধবিরতি না হলে ট্যাংক আমাদের বাড়ির সামনে চলে আসবে।”

তবে গাজার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতারা এই নির্দেশ মানতে রাজি হননি। তাদের মতে, দক্ষিণে পালানো মানেই মৃত্যুদণ্ড।

বুধবার (২৮ আগস্ট) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি মুখপাত্র আভিচাই আদ্রেয়ি এক বিবৃতিতে বলেন, গাজা সিটি খালি করা অনিবার্য। তিনি দাবি করেন, দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের শরণার্থী শিবিরগুলোতে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা রয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, বাস্তুচ্যুতদের জন্য প্রায় ১৫ লাখ নতুন তাঁবু প্রয়োজন হবে।

এদিকে, হোয়াইট হাউসে বুধবার গাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক আহ্বান করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, এ বছরের মধ্যেই যুদ্ধের অবসান ঘটবে বলে ওয়াশিংটন প্রত্যাশা করে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সারের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি ট্যাংক জাবালিয়া থেকে সরে গেলেও পূর্ব গাজার শেজাইয়া, জেইতুন ও সাবরা এলাকায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে চার বছরের এক শিশুও রয়েছে। ইসরায়েলি সেনারা দাবি করেছে, তারা ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংস করছে এবং হামাস যোদ্ধাদের নির্মূল করছে।

ইসরায়েলের ভেতরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ তীব্র হচ্ছে। মঙ্গলবার দেশজুড়ে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে যুদ্ধ বন্ধ এবং হামাসের হাতে বন্দীদের মুক্তির দাবি জানায়। যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সর্বশেষ ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে ইসরায়েল এখনো সাড়া দেয়নি, যদিও হামাস গত সপ্তাহে এতে সম্মতি জানিয়েছিল।

তথ্যসূত্র : রয়টার্স, আল জাজিরা


যেকোনো সময় ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন সংঘাত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ২১:৪৩:৪৩
যেকোনো সময় ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন সংঘাত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো সময় নতুন করে আরেকটি সংঘাত শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, সম্ভাব্য সেই যুদ্ধের জন্য তেহরান প্রস্তুত হচ্ছে এবং ‘সবকিছুই সম্ভব।’ মঙ্গলবার সৌদি সংবাদমাধ্যম আশারক আল-অওসাতকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আরাঘচি জেদ্দায় মুসলিম দেশগুলোর সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক চলাকালে এই সাক্ষাৎকার দেন।

তিনি দাবি করেন, গত জুন মাসে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল ইরানকে নিয়ে তাদের কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। আরাঘচি বলেন, “আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছি। তারা ভাবছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের থামানো সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, ১২ দিন পর ইসরায়েলই শর্তহীনভাবে যুদ্ধ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল, এবং যেহেতু তাদের প্রস্তাব শর্তহীন ছিল, তাই আমরা তা গ্রহণ করেছি।

আরাঘচি সতর্ক করে বলেন, যারা ইসরায়েলের সঙ্গে লড়াই করে, তাদের শক্তিশালী হতে হবে এবং কোনো দেশ ইসরায়েলকে ছাড় দিতে পারবে না।

তিনি আরও দাবি করেন, ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর সময় আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) ইরানের তেল স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে একটি তেলভিত্তিক যুদ্ধে টানতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছি যেন যুদ্ধ গালফ অঞ্চলে না ছড়ায়। গালফের সীমান্তবর্তী দেশগুলোকে ইসরায়েলের নীতির দিকে নজর দিতে হবে, ইরানের দিকে নয়।”

আরাঘচি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনকারী সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান ও কাতারের মতো দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা যেন ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং বাণিজ্য বন্ধ করে। তিনি এটিকে গাজার জন্য একটি ‘প্রায়োগিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, গাজার বাসিন্দাদের কেবল বিবৃতির চেয়ে কার্যকর সহায়তা বেশি প্রয়োজন। তাদের প্রথমে খাদ্য, পানি ও ওষুধ দরকার, এরপর শান্তি, ন্যায় ও অবরোধের অবসান আসবে।

সূত্র : দ্য জেরুজালেম পোস্ট


বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের ভাষা এক, আমি কী করব?: মমতা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ২১:১২:৫৮
বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের ভাষা এক, আমি কী করব?: মমতা
ছবিঃ সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও ভাষার ইস্যুকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) আক্রমণ করেছেন। মঙ্গলবার বর্ধমানে একটি প্রশাসনিক সভায় তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভাষা এক হলে আমি কী করব? বাংলায় কথা বললে কাজ পাওয়া যায় না, হোটেলে জায়গা মেলে না, পড়াশোনার সুযোগও বন্ধ হয়ে যায়। এটা আমরা মেনে নেব না।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে অনেকের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি একে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (এনআরসি) একটি গোপন রূপ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, “মানুষের নাগরিকত্ব নিয়ে খেলা হচ্ছে, ভোটার তালিকা থেকে বাঙালিদের বাদ দেওয়ার ফন্দি চলছে।”

মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে বলেন, “নির্বাচন কমিশনকে আমি প্রণাম করি, কিন্তু বিজেপির ললিপপ হয়ে গেলে চলবে না।” তিনি অভিযোগ করেন, কমিশন ভোটের সময় বিজেপির একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, “তিনি কেন বলবেন, বাংলায় চোর আছে তাই টাকা বন্ধ হয়েছে? যদি চুরি নিয়েই প্রশ্ন থাকে, তাহলে উত্তরপ্রদেশ বা মহারাষ্ট্রে তাকানো হোক।”

মমতা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার বৈষম্যমূলক আচরণের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে আর্থিকভাবে বঞ্চিত করছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেত্রীর এই ধারাবাহিক আক্রমণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর কাছে তার বার্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিজেপির পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে এর আগে শাসক দল দাবি করেছে, মমতা জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছেন।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা


আফগানিস্তান থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, ৪৭ জনকে হত্যা করল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১৯:৫২:২৬
আফগানিস্তান থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, ৪৭ জনকে হত্যা করল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী
ছবিঃ সংগৃহীত

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে বেলুচিস্তানে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ৪৭ জন সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দেশটির নিরাপত্তা সূত্র এই ঘটনা নিশ্চিত করেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ভারতীয় প্রক্সি তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসীদের একটি বড় দল ঝোব জেলার সাম্বাজা এলাকা দিয়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী তাদের গতিবিধি বুঝতে পেরে হামলা চালায়।

এই অভিযানে ৪৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই আফগান নাগরিক।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান শাসকরা ফিরে আসার পর থেকেই পাকিস্তানে সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তানের সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে এই ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসলামাবাদ-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (পিআইসিএসএস)’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন মাসে পাকিস্তানে মোট ৭৮টি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এসব হামলায় শতাধিক ব্যক্তি নিহত এবং অসংখ্য আহত হন। নিহতদের মধ্যে সন্ত্রাসীদের চেয়ে নিরাপত্তাকর্মী ও বেসামরিক নাগরিকের সংখ্যাই বেশি ছিল।

/আশিক

পাঠকের মতামত: