ডাকসু নির্বাচন ২০২৫

ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা আজ অপরাজেয় বাংলায়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২০ ১১:৪২:৩৫
ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা আজ অপরাজেয় বাংলায়
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আজ বুধবার (২০ আগস্ট) জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করা হতে পারে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।

অন্যদিকে, ডাকসু নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট)। ওইদিন শেষ সময় পর্যন্ত মোট ৯৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন এবং ১০৬ জন প্রার্থী জমা দিয়েছেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমাদানের এ কার্যক্রম চলে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. জসীম উদ্দিন বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে এ পর্যন্ত মোট ৬৫৮টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।

নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৫ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপরের দিন, অর্থাৎ ২৬ আগস্ট প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার রয়েছেন ২০ হাজার ৮৭১ জন এবং ছাত্রী ভোটার রয়েছেন ১৮ হাজার ৯০২ জন। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর।

-রফিক


৬ সিটি পেল নতুন ৬ প্রশাসক: দায়িত্বে বিএনপির একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:৪৮:৫৭
৬ সিটি পেল নতুন ৬ প্রশাসক: দায়িত্বে বিএনপির একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বড় ধরণের পরিবর্তন এনেছে নবনির্বাচিত সরকার। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৬টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির ৬ জন হেভিওয়েট নেতা। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি করা হয়। ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত আমলাদের সরিয়ে এখন সরাসরি রাজনৈতিক নেতাদের এই দায়িত্ব দেওয়া হলো। ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ অনুযায়ী পরবর্তী কাউন্সিলর বা মেয়র নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তারা পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে কাজ করবেন।

প্রশাসক হিসেবে যারা দায়িত্ব পেলেন

১. ঢাকা দক্ষিণ (ডিএসসিসি): মো. আব্দুস সালাম (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও তারেক রহমানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট)।

২. ঢাকা উত্তর (ডিএনসিসি): মো. শফিকুল ইসলাম খান (ঢাকা-১৫ আসনের সাবেক প্রার্থী)।

৩. খুলনা (কেসিসি): নজরুল ইসলাম মঞ্জু (সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক)।

৪. সিলেট (সিসিক): আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি)।

৫. নারায়ণগঞ্জ (নাসিক): মো. সাখাওয়াত হোসেন খান (মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক)।

৬. গাজীপুর (গাসিক): মো. শওকত হোসেন সরকার (গাজীপুর মহানগর বিএনপি সভাপতি)।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়োগের মাধ্যমে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে সরকার। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম মঞ্জুর মতো নেতারা গত সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের কাছে হেরে যাওয়ায় তাদের এই নিয়োগ রাজনৈতিক মহলে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের সাখাওয়াত হোসেন এবং গাজীপুরের শওকত হোসেন সরকার সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পেলেও সিটি করপোরেশনের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয়ভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, পেশাদার আমলাদের জায়গায় রাজনীতিবিদরা এই প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে আসন্ন নির্বাচনের আগে নাগরিকদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন।

/আশিক


হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে: নাসীরুদ্দীন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১০:২৪:১৯
হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে: নাসীরুদ্দীন
ছবি : সংগৃহীত

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুনরায় সক্রিয় হওয়া এবং দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পোস্টটি তিনি কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর প্রোফাইলেও ট্যাগ করেছেন। নাসীরুদ্দীনের এই প্রশ্নটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিজের ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেশ আক্ষেপের সুরে লিখেছেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে। নির্বাচন তো হইলো, এইবার সংস্কার আর বিচার হইব্বে।’ তার এই ছোট কিন্তু শক্তিশালী বার্তার মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, নির্বাচনের ডামাডোলে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়টি যেন আড়ালে চলে না যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দলটি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হলেও সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে তাদের কার্যালয় খোলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই এনসিপির শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে বড় কোনো প্রতিক্রিয়া। এই নির্বাচনে হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা থেকে বিজয় ছিনিয়ে নিলেও ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরাজিত হলেও জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য অর্জনে এবং অপরাধীদের বিচারে তার এই অনড় অবস্থান রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, নতুন সরকার ও নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই ‘সংস্কার ও বিচার’-এর দাবি কতটা জোরালো হয়।

/আশিক


ববি হাজ্জাজের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ খেলাফত মজলিস

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১০:১৬:০৮
ববি হাজ্জাজের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ খেলাফত মজলিস
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল এবং মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলার হুমকিকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের ওপর চটেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক কড়া বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "ঢাকা-১৩ আসনের রেজাল্ট ডাকাতি এবং ববি হাজ্জাজের অব্যাহত মিথ্যাচার অচিরেই এই সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।" বিবৃতিতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ববি হাজ্জাজের দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এর আগে রোববার সকালে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে আহত বিএনপি কর্মীদের দেখতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও হামলার পেছনে মামুনুল হক জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হবে। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিস দাবি করেছে, মামুনুল হকের ‘রিকশা’ প্রতীকের নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নিতেই ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও ‘রেজাল্ট ডাকাতি’ করা হয়েছে। তারা আরও অভিযোগ করেন, ২০ মিনিট ধরে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে মামুনুল হককে বিজয়ী ঘোষণা করার পর রহস্যজনকভাবে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিলেও তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করা নিয়ে দলটির ভেতর তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অতীতেও মাওলানা মামুনুল হককে দমনে মিথ্যা মামলা ও চরিত্রহননের কৌশল নেওয়া হয়েছিল এবং আজ ববি হাজ্জাজের মাধ্যমে সেই একই ফ্যাসিবাদী ধারার পুনরাবৃত্তি করার চেষ্টা চলছে। এমনকি ববি হাজ্জাজের সঙ্গে শেখ হাসিনা পরিবারের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টিও সামনে এনেছে দলটি। খেলাফত মজলিসের মতে, জনগণের স্পষ্ট রায়কে আড়াল করতেই এমন গভীর ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ঢাকা-১৩ আসনসহ সারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

/আশিক


চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ২২:১০:৫২
চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় এক লেগুনা চালককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজবিরোধী আরেকটি বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। দেশের মানুষকে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান আক্ষেপ করে লেখেন, দেশে চাঁদার সংস্কৃতিকে এমনভাবে ‘জাতীয়করণ’ করা হয়েছে যে, এখন মনে হচ্ছে চাঁদা না দেওয়াই বড় অপরাধ। তিনি অভিযোগ করেন যে, নেতৃত্বের জায়গা থেকে যখন পরোক্ষভাবে চাঁদাবাজির বৈধতা দেওয়া হয়, তখন এই খুনের দায় সংশ্লিষ্ট সকলের ওপরেই বর্তাবে। নিরীহ মানুষের জীবন এভাবে রাজপথে ঝরে পড়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এই অশুভ শক্তির হাত থেকে জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার শপথ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিরোধী দলীয় নেতার এই কঠোর বার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন দেশের পরিবহণ সেক্টরে চাঁদাবাজি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, যারা দেশকে ভালোবাসেন, তাদের সবাইকে আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। "আমরা লড়ে যাব ইনশাআল্লাহ"—এই বার্তার মাধ্যমে তিনি রাজপথে কঠোর আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। যাত্রাবাড়ীর এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সাধারণ জনগণের মাঝে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, জামায়াত আমিরের এই ডাক তাতে নতুন করে ঘি ঢেলে দিয়েছে।

/আশিক


হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১০:১৮:৫৫
হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দুই বাক্যের একটি সংক্ষিপ্ত ফেসবুক স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই স্ট্যাটাসটি দেন। আমিরে জামায়াত সেখানে লিখেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’ তার এই পোস্টটি মূলত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দেওয়া একটি বক্তব্যের পরোক্ষ প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমানের ওই স্ট্যাটাসটিতে পৌনে দুই লাখেরও বেশি রিয়্যাক্ট পড়েছে এবং এটি শেয়ার হয়েছে আড়াই হাজারের বেশি বার। একই সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্টটিতে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য করেছেন। এর আগে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘ইনকিলাব মঞ্চ’- এগুলোর বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।” মন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

মন্ত্রীর এই বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখে পোস্ট করেছেন। তাদের এই পাল্টা স্ট্যাটাস প্রকাশের পরপরই তা নেটদুনিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সমর্থক ও সমালোচক উভয় পক্ষের মধ্যে এসব পোস্ট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, যা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভাষাগত ও আদর্শিক বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

/আশিক


জান দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না: ব্যারিস্টার আরমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১৯:১৮:৩০
জান দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না: ব্যারিস্টার আরমান
ছবি : সংগৃহীত

জান দেবেন কিন্তু জুলাই দেবেন না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি ও মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম ওরফে ব্যারিস্টার আরমান। এছাড়াও তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, শহীদ ওসমান হাদী ও শহীদ আবু সাঈদের হত্যার বিচার এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে তার পিতা জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার আরমান নিজের অতীত স্মৃতিচারণ করে বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি আমার পিতাকে ফাঁসি দেওয়ার কয়েকদিন পূর্বে আমাকে গুম করে। দীর্ঘ সময় আমি গুমের শিকার ছিলাম, ফলে আমি জানতেও পারিনি আমার পিতার শেষ পর্যন্ত কী হলো। আমার পরিবারও জানতে পারেনি সেই কঠিন সময়ে আমার ভাগ্যে কী ঘটেছিল। আমি ধরে নিয়েছিলাম আমার মৃত্যু নিশ্চিত, কিন্তু আল্লাহ তাআলা তার অপার করুণায় আমাকে দ্বিতীয় জীবন দান করেছেন। তিনি আরও বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে কয়দিন আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন, আমার সাথে যে জুলুম হয়েছে সেই একই জুলুম যাতে বাংলার মাটিতে আর কারো সাথে না হয় সেজন্য আমি নিজেকে আমৃত্যু নিয়োজিত করবো।

নিজের সংসদীয় দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে আরমান বলেন, আল্লাহ তায়ালার করুণায় এবং মানুষের বিশাল সমর্থন নিয়ে জাতীয় সংসদে জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য যে পবিত্র দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করা হয়েছে, সেই দায়িত্ব যেন ঠিকমতো পালন করতে পারি সেজন্য সবার কাছে আমি দোয়াপ্রার্থী। আমি আজ আমার পিতা শহীদ মীর কাসেম আলীর কবর জিয়ারত করতে এসেছি। আমার পিতার যে আদর্শ ছিল, সেই ইসলামী আদর্শ নিয়ে যেন আমি আজীবন চলতে পারি, সেই কঠিন শপথ নেওয়ার জন্যই আজকে আমি এখানে এসেছিলাম।

ব্যারিস্টার আরমান অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমরা মানুষের সাংবিধানিক অধিকারের জন্য লড়াই করবো এবং প্রয়োজনে আমরা জান দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। আমরা জান দেবো কিন্তু জুলাইয়ের চেতনাকে কোনোভাবেই বিকিয়ে দেবো না ইনশাআল্লাহ। শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের বিচার এই মাটিতে হতে হবে এবং আবু সাঈদের বিচারও এই মাটিতেই হতে হবে। এ সময় অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান, মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা জামাতের আমীর মো: ফজলুল হক সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১১:২৩:২০
সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ভাষা দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান তিনি। বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, “২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের গৌরবময় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’। ১৯৫২ সালে এ দেশের ছাত্র-যুবসমাজ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তোলে।

আন্দোলন দমনে তৎকালীন রাষ্ট্রীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিছিলকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অনেকেই শাহাদাতবরণ করেন। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।” তিনি বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত। এটি ভাষাশহীদদের প্রতি বৈশ্বিক সম্মান ও স্বীকৃতির প্রতীক। বাংলা ভাষাকে যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে সম্প্রসারণ ও সুরক্ষিত রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। তবেই ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশবাসী এমন এক সময়ে ভাষা দিবস পালন করতে যাচ্ছে, যখন বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এসব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।’ বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘দেশের মানুষের প্রত্যাশা—নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। জনগণ যেন জানমাল ও ইজ্জত-আব্রুর নিরাপত্তা বজায় রেখে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।’

তিনি আরো বলেন, “২১ ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজনের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সব শাখা ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

/আশিক


যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১০:৪৭:১৬
যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
আ.লীগ কার্যালয় খুলে টানানো ছবি। ছবি : সংগৃহীত

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টাঙানো হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত দুই মিনিট ১৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যার পর তারাবির নামাজের সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন ৩০ থেকে ৩৫ জন।

এরপর তারা কার্যালয়ের দেয়ালে শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টাঙিয়ে দেন। ওই সময় ‘জয় বাংলা‘ স্লোগান দিতে শোনা যায়। এরপর ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশে হাসবে’, ‘বিপুল ভাই ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান দিতে দিতে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন তারা।

স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ অফিসে তালা ভেঙে ঢুকে পড়া যুবকরা বাঘারপাড়া ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। তারা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজীর অনুসারী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বিতাড়িত হওয়ার পর থেকে বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল।

এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

/আশিক


১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১০:০২:০৩
১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ফুল দেওয়ার সময় চরম হট্টগোলের সম্মুখীন হন। পরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন নবনির্বাচিত এই এমপি।

সংবাদমাধ্যমকে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপির কিছু লোক আমার নেতাকর্মীদের ওপর রীতিমতো হামলা করেছে। আমাকে একপাশে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়।’ নিজের দলের কর্মীদের এমন আচরণে তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপিকে বলব, ১৭ বছর পর তারা ক্ষমতায় এসেছে। লোকাল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। বিএনপির নতুন সরকার এসেছে। আশা করি, তারা দল ও সরকার হিসেবে এসব উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মীদের ব্যাপারে তড়িৎ ব্যবস্থা নেবে।’ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: