পার পিস ৫০ টাকা: জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট নিয়ে উমামা ফাতেমার রহস্যময় পোস্ট

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমার একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি রহস্যময় ও চরম ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে তিনি ‘জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট’ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে উমামা কিছুটা উপহাসের সুরে লেখেন, ‘‘জুলাইয়ের এই এক মাস জুলাই সবার থাকবে, ঠিকাছে?’’
এর পরপরই তিনি চলমান পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করে আরও লেখেন, ‘‘১ মাস পর থেকে জুলাই আমার সম্পত্তি। আমি সবাইকে জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা। ভোট করার সময় সার্টিফিকেট প্রাপ্তদের সঙ্গে জোট করব। দারুণ সব টাইটেল হবে, লেটস সে— ‘জুলাইয়ের ফিনিক্স পাখি’, ‘জুলাইয়ের আবাবিল পাখি’, ‘জুলাইয়ের ইমাম’, ‘জুলাইয়ের মাস্টারমাইন্ড’।’’
নিজের এই অভিনব প্রস্তাবের পর অনুসারীদের মতামত জানতে চেয়ে পোস্টের শেষদিকে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘‘কেমন লাগল আইডিয়াটা?’’
ব্যঙ্গাত্মক ও রূপক ভাষায় দেওয়া এই পোস্টে উমামা ফাতেমা ঠিক কাকে বা কোন পক্ষকে উদ্দেশ করে এমন তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেছেন, কিংবা এর পেছনে সুনির্দিষ্ট কী প্রেক্ষাপট কাজ করছে, সে বিষয়ে তাঁর পোস্টে সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
উমামার এই স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর থেকেই নেটদুনিয়ায় রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। সাধারণ ব্যবহারকারী ও রাজনৈতিক সচেতন মহল থেকে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নেটিজেনদের একাংশ এটিকে জুলাই বিপ্লবের কৃতিত্ব নেওয়ার চলমান রাজনৈতিক ইঁদুর-দৌড় এবং ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা উপাধি ধারণের সস্তা প্রতিযোগিতার প্রতি এক চিলতে কড়া বাস্তবসম্মত ব্যঙ্গ (স্যাটায়ার) হিসেবে দেখছেন। আবার অনেকেই এই পোস্টের অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক বার্তা ও আগামী দিনের জোট গঠনের সমীকরণ নিয়ে নিজস্ব ঢঙে নানা ব্যাখ্যা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ দাঁড় করাচ্ছেন।
/আশিক
আমরা সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করব, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়: জামায়াত আমির
বিনা ট্যাক্সের গাড়ি না কেনা এবং সরকারি প্লট সুবিধা না নেওয়ার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত সরকারি ফ্ল্যাট ব্যবহারে কোনো অপরাধ বা প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (১ জুলাই) জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত বাজেট পরবর্তী এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় দেশবাসীর সামনে বলেছিলাম, সরকারি সুযোগ-সুবিধা যতটা না নিলে না হয় আমরা চেষ্টা করব। কিন্তু কেউ যদি এটা নিতে চায়, এখানে কোনো অপরাধ নাই। তবে আমরা সেটা রক্ষা করে চলার চেষ্টা করছি।’
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের সময় দেশবাসীর সামনে ওয়াদা করেছিলাম, আমাদের কেউ নির্বাচিত হলে—এমপি হোক, মন্ত্রী হোক, যাই হোক—আমরা বিনা ট্যাক্সের গাড়ি কিনব না। সরকারি কোনো প্লটের সুবিধা নেব না। কিছু বন্ধু ওই গুড়ের সঙ্গে কিছু লবণ না ছিটাইলে আরাম পায় না।’
সরকারি ফ্ল্যাট নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা যা বলেছি স্পষ্ট বলেছি, অস্পষ্ট কোনো কথা বলিনি। এখানে লাগায়ে দিছে ফ্ল্যাট নেব না। এখন সরকারি ফ্ল্যাট এমপিদের জন্য ডেজিগনেটেড। এটা সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য। এটা কি সরকার আমাকে দিয়ে দিচ্ছে নাকি? ওইটা যত সময় সংসদ কার্যকর থাকবে, তত সময় উনি এটা ব্যবহার করবেন। সরকারি দল, বিরোধীদল সবাই ব্যবহার করবে। যখন সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে, তখন আর কেউ এক সেকেন্ড এখানে থাকার কোনো নৈতিক এবং বৈধ অধিকার নাই, ছেড়ে দিতে হবে। এটাকে নিয়ে আবার বিভিন্ন ধরনের জল ঘোলা করা হয়।’
/আশিক
ইরান সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে তেহরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধিদল
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহিল সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনির বিদায়, জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া বিশেষ আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আগামী ৩ জুলাই প্রতিনিধিদলটি ঢাকা ত্যাগ করবে এবং ৯ জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করবে।
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক জরুরি বিবৃতিতে দলটির পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি’র নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন এমপি, ড. মো. কেরামত আলী এমপি এবং ডা. এসএম খালিদুজ্জামান। এই সফরকালে প্রতিনিধিদলটি ইরানের বর্তমান সরকার, নতুন নেতৃত্ব এবং শোকাহত জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা, শোক ও সংহতি প্রকাশ করবে।
জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি জামায়াত নেতারা দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, এই বিশেষ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ইরানের সাধারণ জনগণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক রাজনৈতিক বোঝাপড়া এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আগামী দিনগুলোতে আরও সুদৃঢ় হবে। একই সাথে, এমন একটি আন্তর্জাতিক ও গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ইরান সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে দলটি।
/আশিক
নাহিদ ইসলাম কোনো ব্যক্তি নয়, একটি ইতিহাস: ড. ইউনূস
সাভারে ইউনূস সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ১৬তম ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দুই দিনব্যাপী চলা এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মঞ্চে তার আগমন এবং তাকে বিশ্ববাসীর সামনে পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক আবেগঘন মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘নাহিদ ইসলাম কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি নিজেই একটি আস্ত ইতিহাস।’
রোববার (২৮ জুন) বর্ণাঢ্য এই সম্মেলনের সমাপনী দিনে নাহিদ ইসলাম অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মঞ্চ আলো করেন। এর আগে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন ইউনূস সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈশ্বিক এই আয়োজনে বিশ্বের ৩৭টি ভিন্ন দেশ থেকে মোট ২১৯ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও চিন্তাবিদ অংশ নেন, যাদের সামনে বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্বের সাহসিকতার গল্প তুলে ধরা হয়।
নাহিদ ইসলামকে উপস্থিত সুধীজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় ড. ইউনূস অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলেন, ‘আমাদের মাঝে আজ এখানে যোগ দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। সে কোনো সাধারণ ব্যক্তি নয়, সে একটি জীবন্ত ইতিহাস। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করা মাত্র একজন ছাত্র একটি প্রতাপশালী সরকারের পতন ঘটিয়ে ছেড়েছে। রাষ্ট্রযন্ত্রের সেনাবাহিনী, পুলিশ কিংবা আধাসামরিক বাহিনীর মতো বড় বড় শক্তিও সেই স্বৈরাচারী সরকারকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। সেই রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আর সেই পুরো গণ-অভ্যুত্থানের সামনে থেকে বুক চিতিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিল এই তরুণ নাহিদ ইসলাম।’
আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তরুণ রাজনৈতিক নেতা নাহিদ ইসলাম ড. ইউনূসের বৈশ্বিক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ড. ইউনূসের উদ্ভাবিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম এবং সামাজিক ব্যবসার অনন্য ধারণা আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ও পরিচিত। তিনি আরও যোগ করেন, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশ যখন এক চরম নেতৃত্বহীনতা ও সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন তরুণদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের হাল ধরতে সম্মত হন ড. ইউনূস। তিনি আন্দোলনে অংশ নেওয়া দেশের কোটি তরুণকে সংকটের দিনে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
বক্তব্যের শেষ অংশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নাহিদ ইসলামের পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন সরকার গঠনের সময় নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেই সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সরকারের নীতিগত অবস্থান থেকে পদত্যাগ করে সরাসরি দেশের মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’ নামক নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ড. ইউনূস অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে জানান যে, দেশের সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বাধীন দলটি ছয়টি সংসদীয় আসনে জয়লাভ করেছে এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদে তাদের দলের সংরক্ষিত আসনে দুজন নারী সংসদ সদস্যও প্রতিনিধিত্ব করছেন।
/আশিক
বাংলাদেশের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে ভারত: চরমোনাই পীর
বাংলাদেশের সাথে ভারত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ‘পুশইন’ করার মাধ্যমে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংগঠনের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সমাপনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর তাঁর বক্তব্যে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে তারা দেশবাসীকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা বাস্তবায়নে এখন তারা ব্যর্থ হচ্ছে। বিশেষ করে ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের মধ্যে কোনো ধরনের সদিচ্ছা দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে বর্তমান জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দলও জনগণের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে সরকারকে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যদি জনকল্যাণে কোনো ভালো কাজ করে, তবে ইসলামী আন্দোলন সবসময় তাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, যদি বিগত স্বৈরাচারী আমলের মতো করে আবারও দেশ চালাতে চাওয়া হয়, তবে আমরা দেশবাসীকে সাথে নিয়ে রাজপথে তীব্র গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হব। উক্ত সমাপনী অধিবেশনে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদসহ কেন্দ্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের নতুন দায়িত্বশীলদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়; যেখানে সংগঠনটির নতুন মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
/আশিক
জাকাত হলো দেশের অর্থনীতির ‘হিডেন ইকোনমি’: কেন এমন বললেন বিজেপি চেয়ারম্যান?
বাংলাদেশে জাকাত ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং প্রকৃত অভাবী মানুষদের চিহ্নিত করতে একটি দেশব্যাপী ডিজিটাল ডেটাবেইস তৈরি এবং ‘জাকাত টেলিভিশন’ চালুর দূরদর্শী প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান এবং ভোলা-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই উদ্ভাবনী ধারণার কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে জাকাত হচ্ছে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় কিন্তু অনুদ্বঘাটিত খাত বা ‘হিডেন ইকোনমি’। অথচ দুর্ভাগ্যবশত দেশে প্রতি বছর ঠিক কত টাকা জাকাত আদায় বা বণ্টন করা হয়, তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ও পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই।
ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ তাঁর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনায় বলেন, দেশের প্রতিটি নির্বাচনী আসনে মাঠপর্যায়ে কারা সত্যিকার অর্থে জাকাত পাওয়ার যোগ্য, তাদের নাম, পরিচয় ও আর্থিক অবস্থার বিবরণ সম্বলিত একটি নির্ভরযোগ্য ডেটাবেইস তৈরি করা উচিত। প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে যদি গড়ে ২০ হাজার করে অভাবী মানুষ চিহ্নিত করা হয়, তবে দেশজুড়ে খুব সহজেই ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষের একটি নিখুঁত ও কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করা সম্ভব। এই ডেটাবেইসটি তৈরি হলে দেশে এবং বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী দাতারা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই খুব সহজে ও নিরাপদে প্রকৃত হকের মানুষের কাছে তাদের জাকাতের অর্থ সরাসরি পৌঁছে দিতে পারবেন।
বিশেষ করে প্রবাসীদের জাকাত দেওয়ার প্রবল আগ্রহের কথা উল্লেখ করে ভোলা-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, প্রবাসে থাকা বহু বাংলাদেশি প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ জাকাত দিতে চান, কিন্তু দেশে উপযুক্ত ও প্রকৃত অভাবী ব্যক্তি খুঁজে পাওয়ার কোনো সহজ বা প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম না থাকায় তারা অনেক সময় তা পারেন না। এই সমস্যা দূর করতে একটি ডেটাবেইস-ভিত্তিক ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ তৈরি করার পাশাপাশি জাকাত ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের মাঝে আরও জনপ্রিয় ও সচেতনতা বাড়াতে একটি ডেটা-ড্রিভেন ‘জাকাত টেলিভিশন’ চ্যানেল চালুর জোর দাবি জানান তিনি।
সংসদে পেশকৃত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক বিভিন্ন দিকগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করে পার্থ বলেন, এই বাজেটটিই প্রমাণ করে একটি স্বৈরাচারী সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মানসিকতার মধ্যে মূল পার্থক্য ঠিক কোথায়। বর্তমান বাজেটে দেশের এতিম, অসহায় নারী, বিপন্ন মানুষ এবং শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের কল্যাণে সরকারের সুস্পষ্ট চিন্তাভাবনা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দেশের ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, আমাদের প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে রাতারাতি বা একদিনের ব্যবধানে সম্পূর্ণ ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় রূপান্তর হওয়া সম্ভব না হলেও, সরকারকে দেশের অর্থনীতিতে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পরিধি সম্প্রসারণে অত্যন্ত সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং বা শরিয়াহ-ভিত্তিক অর্থায়ন এখন শুধু মুসলিম দেশেই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। খোদ যুক্তরাজ্য (ইউকে) এবং মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ এখন ইসলামী অর্থায়নকে রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহিত করছে, তাই বাংলাদেশেও এই খাতকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়া দরকার।
অতীতে দেশের কিছু ইসলামী ব্যাংকে ঘটে যাওয়া বড় ধরনের অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির অভিযোগ প্রসঙ্গে পার্থ সাফ জানান, মূল সমস্যাটি ইসলামী ব্যাংকিংয়ের শরিয়াহ ব্যবস্থার মধ্যে ছিল না, বরং সমস্যা ছিল সেই সব অসাধু ব্যক্তিদের মধ্যে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক লুটপাট করেছে। ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সঠিক সম্প্রসারণ দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনবে এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও বরকত বয়ে আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সবশেষে দেশের রাজস্ব আদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অতীতের চরম দুর্বলতা ও ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে বিজেপি চেয়ারম্যান বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারগুলোর আমলে রাষ্ট্রীয় প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় যেভাবে লাগামহীন দুর্নীতি ও অর্থ পাচার হয়েছে, তার ফেসেই মূলত দেশের রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল।
তৎকালীন সময়ে জাতীয় উন্নয়নের পরিবর্তে পরিকল্পিতভাবে ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করাই ছিল নীতিনির্ধারকদের মূল লক্ষ্য। তবে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে দাবি করেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গত চার মাসের শাসনকালে দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের ব্যাংক লুট বা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। তাই এই ইতিবাচক ধারা বজায় রেখে একটি প্রকৃত কল্যাণরাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকারকে পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ দেওয়া উচিত বলে তিনি আইনসভায় আহ্বান জানান।
/আশিক
অন্ধ বিরোধিতার কালচার আমি সমর্থন করি না: জামায়াত আমির
দেশের প্রচলিত ও সনাতন রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন চেয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ওপর জোর দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারি দল সব ক্রেডিট বা কৃতিত্ব একচেটিয়াভাবে নিজেদের পকেটে পুরবে আর বিরোধীদল সব ভালো উদ্যোগে স্রেফ অন্ধ বিরোধিতা করে যাবে— ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে এই ক্ষতিকর রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে তিনি মোটেও সমর্থন করেন না।
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকারি দলকেও যেমন দেশের প্রধান প্রধান বিরোধীদলকে যথাযথ সম্মান করতে হবে, ঠিক তেমনি দেশ গঠনে নিজের অবস্থান থেকে গঠনমূলক ও যথাযথ ভূমিকা রাখা বিরোধীদলেরও অন্যতম প্রধান নৈতিক দায়িত্ব।
এদিন সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাবটিকে সরাসরি সমর্থন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই স্বাধীন দেশ আমাদের সবার। আমরা কাগজে-কলমে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির কথা বলে থাকি। তবে আমরা এবার সত্যিকার অর্থেই একটি কার্যকর স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি চোখের সামনে দেখতে চাই এবং মাঠপর্যায়ে তার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। এই রূপরেখা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যতটুকু করণীয় রয়েছে, আমরা সরকারকে পূর্ণ আশ্বস্ত করছি যে দেশের স্বার্থে আমরা সব ধরনের নীতিগত সহযোগিতা করব।’
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী যে দুটি দেশ সফর করেছেন, উভয় রাষ্ট্রকেই বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি দেশের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতির নেতিবাচক দিকটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ মূলত একটি আমদানিনির্ভর দেশ। আমাদের বৈশ্বিক রপ্তানির চেয়ে বার্ষিক আমদানি অনেক বেশি এবং এই দুইয়ের মধ্যকার ব্যবধানটা অত্যন্ত বড়। বর্তমানে আমাদের সামগ্রিক রপ্তানির মূল চালিকাশক্তি হলো তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্প ও বৈদেশিক জনশক্তি।
এই দুটি খাতের বাইরে আমাদের রপ্তানি বাজারকে আরও বহুমুখী বা ডাইভার্সিফাই করার যথেষ্ট বড় সুযোগ রয়েছে। আর এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দরকার সুনির্দিষ্ট স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পরিকল্পনা। আমরা আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই রাষ্ট্রীয় সফরে এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মাথায় রেখেই বন্ধুভাবাপন্ন দুটি দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’
বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশের সামগ্রিক পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে আরও বলেন, পৃথিবীর অন্য সব দেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে সম্পূর্ণ পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের স্বাধীন ফরেন পলিসি বা পররাষ্ট্রনীতিতে অন্য কোনো রাষ্ট্র বা বাহ্যিক শক্তি এসে হস্তক্ষেপ করুক, এটি আমরা দেশের নাগরিক হিসেবে কখনো মেনে নেব না। আমাদের কাছে সবার আগে দেশের স্বার্থ। এরপর কারও সাথে নতুন কোনো চুক্তি হোক বা দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব, সেটা হতে হবে সম্পূর্ণ পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।
আমরা আমাদের কোনো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না, তবে অন্য কারও স্বার্থের কারণে আমরা নিজেরাও দেশের কোনো ক্ষতি মেনে নেব না। এই সুক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করেই যেন আগামীর পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হয়। সবশেষে দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বচ্ছতা ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির স্বার্থে বিদেশের সঙ্গে সম্পাদিত সরকারের সব মৌলিক ও স্ট্র্যাটেজিক চুক্তি জাতীয় সংসদে পেশ করার জোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই পবিত্র সংসদ যেন সব ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়। সংসদকে বাইপাস বা পাশ কাটিয়ে কোনো গোপন চুক্তি যেন না করা হয়, দেশের সবকিছু হোক সংসদের ভেতরে এবং জনগণের সামনে।
/আশিক
হয়রানির ভয়ে মানুষ এখন পুলিশের কাছে যেতে চায় না: শিশির মনির
দেশের বর্তমান বিচারপ্রক্রিয়া ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার গভীর সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং একটি মামলা নিষ্পত্তিতে বছরের পর বছর সময় লেগে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ এখন চরম হয়রানির আশঙ্কায় পুলিশের কাছে যেতে রীতিমতো ভয় পায়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির তাঁর বক্তব্যে বলেন, কোনো ভদ্র ও সাধারণ মানুষ সহজে মামলা-মোকদ্দমার ঝামেলায় জড়াতে চান না। কারণ দেশের প্রচলিত ব্যবস্থায় একটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে যে বিপুল পরিমাণ সময় লাগে, সাধারণ একজন মানুষের পক্ষে ততটা ধৈর্য বা সামর্থ্য ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে মানুষ এখন আইনের আশ্রয় নিতে বা পুলিশের কাছে মামলা করতে এক ধরনের ভয় পায় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত আস্থা খুঁজে পায় না।
দেশের সামগ্রিক বিচারব্যবস্থায় মামলার জট ক্রমেই পাহাড়সম হচ্ছে জানিয়ে তিনি এক উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগেই বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২৩৬টি মৃত্যুদণ্ডের আপিল মামলা ঝুলে রয়েছে। দেশের আদালতগুলো প্রতিদিন নিয়মিত পরিচালিত হওয়ার পরও বর্তমান গতিতে আগামী ১০ বছরেও এই বিপুল সংখ্যক স্পর্শকাতর মামলার সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে না।
আইনজীবী শিশির মনির আরও যোগ করেন, দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিচার পেতে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের সাধারণ মানুষ এখন প্রায়ই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে। কিন্তু বাস্তবসম্মতভাবে বিচারিক কাজ পরিচালনা করা তো প্রধানমন্ত্রীর প্রধান কাজ নয়। জনগণ যখন প্রচলিত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় আর কোনো সহজ উপায় বা আলোর মুখ খুঁজে পায় না, তখনই নিরুপায় হয়ে এমনটি করে থাকে।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও দেশে বছরের পর বছর ধরে চলা নির্যাতন, বিচারহীনতা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার নেতিবাচক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে তারা একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও সম্পূর্ণ জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। রিমান্ড বা হেফাজতে নির্যাতনের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় বন্ধ করা এবং যেকোনো অপরাধের ভুক্তভোগীদের প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তারা।
উক্ত আলোচনা সভায় বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি, মানবাধিকারকর্মী, সংবাদকর্মী, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধিকার-এর পরিচালক (প্রোগ্রামস) মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং পুরো কর্মসূচিটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও অ্যাডভোকেসি) তাসকিন ফাহমিনা।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি বক্তা হিসেবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিনিধিদল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ড. ফয়েজুল হাকিম, দ্য ডেইলি ওয়াদারের সম্পাদক-ইন-চিফ শফিকুল আলম, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।
/আশিক
১ টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তফা দেব: হাসনাত আবদুল্লাহ
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে যেকোনো গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সব ধরনের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করে যদি তাঁর বিরুদ্ধে মাত্র এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণও কেউ দিতে পারে, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় সংসদ থেকে ইস্তফা দেবেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনাকালে সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি এই কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
এদিন জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা চলাকালীন কার্যপ্রণালী বিধির ২৭৪ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেওয়ার জন্য ফ্লোর চেয়ে দাঁড়ান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
এরপর ডেপুটি স্পিকার তাকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য ১ মিনিট সময় বরাদ্দ দিলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তিনি অতীতে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের কোথাও এমন কোনো শব্দ উচ্চারণ বা বাক্য ব্যবহার করেননি যে তাঁকে যেন সরকারি বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত না করা হয়। বরং তিনি এটি বলতে চেয়েছিলেন যে, তাঁর কোনো ব্যক্তিগত বক্তব্যের কারণে বা রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তাঁর নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষকে যেন কোনোভাবে সরকারি উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা না হয়।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আজকেও এই সংসদে আমরা দেখেছি বিগত জুলাই বিপ্লব সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে কিছু তির্যক কথা বলা হয়েছে যে, আমরা নাকি আগে রিকশায় চড়তাম এবং এখন বড় বড় গাড়িতে চড়ি। এই প্রসঙ্গে সংসদে উপস্থিত ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে দেশের সব প্রধান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা যেমন ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ ও মিলিটারি সম্পূর্ণরূপে আপনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তাই আপনাদের মতো অত্যন্ত দায়িত্বশীল জায়গা থেকে স্রেফ মৌখিক অভিযোগের সুরে কোনো দোষারোপ না করে, এই সমস্ত রাষ্ট্রীয় সংস্থার মাধ্যমে সুক্ষ্ম তদন্ত পরিচালনা করুন। সেই নিরপেক্ষ তদন্তে যদি আমার বিরুদ্ধে ১ টাকার দুর্নীতি কিংবা কোনো প্রকার অসৎ উপায়ের বিন্দুমাত্র প্রমাণ কেউ দিতে পারে, তবে আমরা এই সংসদ থেকে সরাসরি পদত্যাগ করব।
/আশিক
বিএনপি ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরে হাঁটছে: জামায়াত আমির
গণহত্যার বিচারের নামে দীর্ঘসূত্রিতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি বজায় রেখে বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদের পথ অনুসরণ করছে বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকাল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে’ ১১ দলের এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গুম, খুন ও নির্যাতনের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় বসার পর তাদের সুর পাল্টে গেছে।
এমনকি নিজেদের কর্মী খুনের ঘটনার প্রতিও দলটির কোনো দায় বা দরদ নেই উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যাদের নিজস্ব কর্মীদের প্রতি মমতা নেই, তারা দেশের ২০ কোটি মানুষের জন্য কী করবে? বিএনপিকে ‘ফ্যাসিবাদের রাজপথের অনুসারী’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, তারা এখন একদলীয় শাসন ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে, যার ফলে দেশে আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠছে।
সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারাও খুনিদের বিচারে দীর্ঘসূত্রিতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালানোর জন্য বর্তমান বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। মজলুম অবস্থায় আওয়ামী লীগের গণহত্যার বিচার চাইলেও ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি বিচারহীনতার সংস্কৃতি টিকিয়ে রেখেছে বলে মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় নেতা। একই সমাবেশে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদত্যাগ দাবি করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দেন যে, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাকে সরতে হবে এবং এসব অপরাধের সঠিক বিচার করতে না পারলে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর টিকতে পারবে না।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পার পিস ৫০ টাকা: জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট নিয়ে উমামা ফাতেমার রহস্যময় পোস্ট
- ঢাকার ১১০ কিমি নদী পথে চলবে বিদ্যুৎচালিত যান, মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি জানলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন: আরও সস্তা হলো সোনা
- চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম একই ঐতিহাসিক কিট দ্বিতীয়বার ব্যবহার করছে আর্জেন্টিনা
- নেতানিয়াহু প্রশাসন গুরু ট্রাম্পের কথা না শুনলে ইরানই শিক্ষা দেবে: আব্বাস আরাগচি
- আমরা সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করব, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়: জামায়াত আমির
- ফুটবল বিশ্লেষকদের চোখে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ: ফাইনালের পথে সম্ভাব্য যত প্রতিপক্ষ
- ১৪৪ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপের নিচে মিলল অলৌকিক প্রাণ: ভেনেজুয়েলায় ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার
- মাসজুড়ে ৮ থেকে ৯ দিন বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস, উত্তরাঞ্চলসহ ৩ বিভাগে বন্যার আগাম সতর্কতা
- এইচএসসিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা: কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ও প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন
- ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য নীতির আগুনে পুড়ছে বিশ্ব, একমাত্র ‘স্পষ্ট বিজয়ী’ হিসেবে উদয় চীনের
- অসলো চুক্তি লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের মানচিত্র বদলে দেওয়ার গোপন ছক ফাঁস
- দীর্ঘ ২৮ বছর পর নকআউটে নরওয়ে: আইভরি কোস্টের বিপক্ষে আজ মাঠে নামছেন হালান্ড
- পিছিয়ে পড়েও মেজাজ হারাননি আনচেলত্তি, ড্রেসিংরুমের সেই গোপন বার্তা ফাঁস
- ১৯৭৪ থেকে ১৯৯০: বিশ্বমঞ্চে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দ্বৈরথের রোমাঞ্চকর চার অধ্যায়
- দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ
- নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও গৃহ পুননির্মাণে সহায়তা প্রদান
- ভারতীয় ভিসা আবেদনে বড় পরিবর্তন
- নম্বর লুকিয়ে প্রোফাইল শেয়ারের ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ: নাম বুকিং শুরু আজই
- প্রায় ১৫০ বছরের পুরোনো আইন বাতিল করে পাস হলো জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬
- ইরান সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে তেহরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধিদল
- ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের পরবর্তী রোডম্যাপ: সেমিফাইনালে সুপার ক্লাসিকোর আভাস
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
- ৬০ দিনের মধ্যে কেটে গেল ১৪ দিন, তবুও আলোর মুখ দেখেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি
- ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থনৈতিক অভিযাত্রা: পাস হলো দেশের অন্যতম বড় জাতীয় বাজেট
- স্বর্ণের পর এবার কমল রুপার দাম, প্রকাশ নতুন তালিকা
- ভিসা সহজ হতেই বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের সর্বশেষ দাম
- আজ ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- ব্রাজিলকে নিয়ে ভুল ভবিষ্যদ্বাণী, জার্মান অর্থনীতিবিদকে নেইমারের খোঁচা
- ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত কেন গুরুত্বপূর্ণ
- দোহায় আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক, দাবি ট্রাম্পের
- দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের খবর নাকচ ইরানের
- আজকের খেলার সূচি, কোন ম্যাচ কখন দেখবেন
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন এক নজরে
- মহাকাশের ৩ স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে গেল চীন
- হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হবে জুড়ীতে পাটোয়ারী
- একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতের টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে: সংসদে অর্থমন্ত্রী
- করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে মধ্যবিত্তদের বড় স্বস্তি দিল সরকার
- হিউস্টনে আজ ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গ করতে পারে জাপানের যে ৫টি মারাত্মক কৌশল
- জাপানের বিরুদ্ধে নামার আগে দাদির ভিডিও দেখে ক্যামেরার সামনেই কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস
- তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে চীনের পূর্ণ সমর্থন, ভারতের উদ্বেগ নিয়ে বেইজিংয়ের কড়া বার্তা
- শর্ত পূরণ আর তারিখ চূড়ান্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: তেহরান
- আর থাকবে না দীর্ঘ লোডশেডিং, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টার ঘোষণা
- ২ গোলের লিড হারিয়েও হারের ক্ষত বুকে নিয়ে জাপানের মুখোমুখি হচ্ছে সেলেসাওরা
- সংসদে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসের বাণী: দেশ ও জনগণের ক্ষতি হয় এমন কোনো চুক্তি নয়
- জুনে ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ: পাঁচ মাস মিলিয়ে যা ছিল, এক মাসেই তার দ্বিগুণের বেশি মৃত্যু
- একাদশ গোপন রেখে জাপানের বিরুদ্ধে রহস্য জিইয়ে রাখলেন ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি
- যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইরানি জনগণের ‘বিশাল বিজয়’: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
- তরুণরা নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, চাকরির জন্য বছর পার করতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী
- দোহায় আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক, দাবি ট্রাম্পের
- দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের খবর নাকচ ইরানের
- নকআউটে ব্রাজিল, কবে-কোথায় ম্যাচ? প্রতিপক্ষ কারা
- স্বর্ণের পর এবার কমল রুপার দাম, প্রকাশ নতুন তালিকা
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের সর্বশেষ দাম
- সোনার বাজারে ধ্বস, ১ লাখ ৮২ হাজার টাকায় মিলবে ভরি
- ভূমিকম্পের আগেই ফোনে সতর্কবার্তা, যেভাবে চালু করবেন এই ফিচার
- মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলা
- সৌদিতে প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
- সৌদিতে যেতে পারবেন না ৩ দেশের ভ্রমণকারীরা
- হরমুজ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথ নাকচ করলেন নেতানিয়াহু
- ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থনৈতিক অভিযাত্রা: পাস হলো দেশের অন্যতম বড় জাতীয় বাজেট
- আশুরার রোজা কেন এত ফজিলতপূর্ণ? জেনে নিন
- ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত কেন গুরুত্বপূর্ণ








