জাওয়াদ নির্ঝরের দাবি: শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে ভারতে গিয়েছিলেন হাছান মাহমুদ

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ৩০ ১৭:০৩:২৭
জাওয়াদ নির্ঝরের দাবি: শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে ভারতে গিয়েছিলেন হাছান মাহমুদ
ছবি: জাওয়াদ নির্ঝর।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারতে গিয়েছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ—এমন দাবি করেছেন সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর। তবে সেখানে গিয়েও তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলেও দাবি তার।

বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি পোস্টে এ তথ্য তুলে ধরেন সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর।

তার ভাষ্যমতে, “সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ভারত গেছিল হাসিনার সাথে দেখা করতে। দেখা না পেয়ে ফিরে এসেছে। ৩৫৯ দিন আগে শেখ হাসিনা ভারত পালিয়ে যায়। তারপর তাকে আর কোথাও দেখা যায়নি। কোনো নেতাকর্মী তার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারেনি।”

তিনি আরও দাবি করেন, ভারতে অবস্থান করলেও শেখ হাসিনা হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ইমো’র মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন এবং এসব প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় আছেন।

তবে এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কিংবা হাছান মাহমুদের কাছ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

/আশিক


ডিজিটাল সেবা সত্ত্বেও কেন দালাল ধরে লাইসেন্স পেতে হয়, প্রশ্ন জাইমা রহমানের

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১২ ১৯:৩৬:২২
ডিজিটাল সেবা সত্ত্বেও কেন দালাল ধরে লাইসেন্স পেতে হয়, প্রশ্ন জাইমা রহমানের
ছবি : সংগৃহীত

বিআরটিএ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের সড়কব্যবস্থা ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার সার্বিক চিত্র তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। ডিজিটাল প্রক্রিয়া সত্ত্বেও কেন সেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হয় এবং সাধারণ মানুষ কেন দালালের ওপর নির্ভরশীল হতে বাধ্য হন—তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিস্তারিত পোস্টে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে শৈশবের খেলনা গাড়ির স্টিয়ারিং ধরে থাকা একটি ছবি যুক্ত করে এই পোস্ট দেন জাইমা রহমান। এতে তিনি জানান, দশ বছর আগে লন্ডনে প্রথম ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়ার পর সম্প্রতি বাংলাদেশে জীবনের দ্বিতীয় ড্রাইভিং পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পরীক্ষা পদ্ধতির পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল লাইসেন্স পাওয়া নয়, বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহারের সামগ্রিক পরিবেশ এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো তাঁকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।

দেশের তরুণ ও সাধারণ চালকদের মৌলিক ক্ষোভের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে জাইমা রহমান লিখেন, নাগরিক হিসেবে সবাই নিয়ম মেনে চলতে চাইলেও সড়কব্যবস্থা নিরাপদ বা অনুমানযোগ্য নয়। পর্যাপ্ত পারাপারের সুবিধা ছাড়া দ্রুতগতির পথ পার হওয়া, হঠাৎ শেষ হয়ে যাওয়া ফুটপাত কিংবা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে চলা বাস-রিকশা-মোটরসাইকেলের মাঝেই চালক ও পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। বাস বা গাড়ির ফিটনেস এবং চালকের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ আছে কি না, তা নিয়ে যাত্রী বা সাধারণ চালকদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।

বিআরটিএর ডিজিটাল সেবা উদ্যোগের প্রশংসা করলেও এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রীকন্যা। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রক্রিয়া তখনই সার্থক হয়, যখন তা মানুষের ভোগান্তি কমায়। কিন্তু সেবা অনলাইনে শুরু হলেও সমাধানের জন্য যদি শেষ পর্যন্ত অফিসে যেতে হয়, তবে তা লেনদেন বা ঘুষের নতুন সুযোগ তৈরি করে। এ ছাড়া, জটিল প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণ মানুষ দুর্নীতির পথ বেছে নিতে বাধ্য হন, যা বর্তমানে কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা না হয়ে একটি স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে।

সড়কে আইন প্রয়োগের বৈষম্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন, নিয়ম ভঙ্গ করা গাড়ি বা বেপরোয়া চালনা দেখে নতুন চালকরা হতাশ হন এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেন। ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল-কলেজের তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ইতিহাস টেনে জাইমা রহমান বলেন, প্রায় আট বছর পার হয়ে গেলেও আন্দোলনকারীদের তুলে ধরা উদ্বেগগুলো এখনও সমাধান হয়নি।

সড়ক নিরাপত্তাকে শুধু লাইসেন্স, ফিটনেস বা শাস্তির ফ্রেমে না দেখে সাধারণ মানুষ—যেমন শিক্ষার্থী, নারী, ডেলিভারি রাইডার বা বাসচালকের দৈনন্দিন চাহিদার আলোকে দেখার আহ্বান জানান তিনি। জাইমা রহমান জোর দিয়ে বলেন, আইন প্রয়োগকে ন্যায্য করা, হয়রানি ছাড়া অভিযোগ জানানোর পরিবেশ তৈরি করা এবং সংযোগ বা প্রভাব না থাকলেও সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। সর্বোপরি, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে পুরো ভাবনার কাঠামোটিকেই নতুন করে সাজাতে হবে।

/আশিক


১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ২০:২৬:১৭
১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি
ছবি : সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়ার বর্তমান সময়ে নিজের আসল অস্তিত্ব প্রমাণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেসবুক মার্কেটপ্লেস বা বিভিন্ন গ্রুপে এখন এমন অনেক অ্যাকাউন্ট দেখা যায়, যেগুলোর ছবি অস্বাভাবিক নিখুঁত এবং বিক্রেতার আচরণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা চ্যাটবটের মতো। এই ধরনের ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও অনলাইনের প্রতারণা ঠেকাতে এবার নতুন ভিডিও সেলফি ভেরিফিকেশন প্রযুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে মেটা।

মেটার এই বিশেষ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো ফেসবুক ব্যবহারকারী সত্যি কোনো প্রকৃত মানুষ কি না, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্টটির পেছনে একজন জীবিত মানুষ আছেন কি না এবং তিনি কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে স্ক্যাম করছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই স্বয়ংক্রিয় পরিচয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে ব্যবহারকারীকে একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও সেলফি রেকর্ড করতে হয়। এরপর মেটার উন্নত এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই ভিডিওর মুখের অবয়ব প্রোফাইলের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে কোনো প্রতারণা বা জালিয়াতির রেকর্ড আছে কি না, তাও পরীক্ষা করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।

মেটা কর্তৃপক্ষের তৈরি এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি মূলত মার্কেটপ্লেস, ফেসবুক ডেটিং এবং বিভিন্ন গ্রুপে স্ক্যাম বা প্রতারণা কমানোর লক্ষ্যেই বিশেষভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। আপাতত ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টগুলোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা যাচাইয়ে এই সুবিধা বা নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।

অনলাইন প্রতারণা কমাতে এই উদ্যোগ সহায়ক হলেও অনেকের মনে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীকে তাদের সংবেদনশীল বায়োমেট্রিক তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে দিতে হচ্ছে। যদিও মেটা দাবি করেছে, যাচাইকরণ শেষে এসব ডেটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সুরক্ষিত রাখা বা মুছে ফেলা হয়।

পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন ধাপে রোলআউট করা হচ্ছে। মেটার মতে, এটি প্রযুক্তি বাজারের নিরাপত্তার মানদণ্ড বাড়াতে সাহায্য করবে, যার ফলে ভবিষ্যতে ফেসিয়াল ভেরিফিকেশনহীন বা ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে সহজেই শনাক্তযোগ্য ও সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

/আশিক


এমপি গাজী নজরুলকে আরও ২টি বিয়ে করার পরামর্শ দিলেন রফিক উল্লাহ আফসারী

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২১ ২০:০১:৩০
এমপি গাজী নজরুলকে আরও ২টি বিয়ে করার পরামর্শ দিলেন রফিক উল্লাহ আফসারী
ছবি : সংগৃহীত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ফাঁস হওয়া অন্তরঙ্গ ভিডিও এবং ব্যক্তিগত মুহূর্তের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ও সমালোচনা করেছেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী। একই সঙ্গে তিনি এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিকভাবে আরও দুটি বিয়ে করার প্রকাশ্য পরামর্শ দিয়েছেন।

গত সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিজস্ব এক ভিডিও বার্তায় এসব চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন এই ধর্মীয় বক্তা।

ভিডিও বার্তায় মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী বলেন, "উচিত হচ্ছে আমার গাজী নজরুল ইসলাম ভাইয়ের আরও দুইটা বিয়ে করা। এটা হালাল জিনিস, এতে লজ্জার বা শরমের কিছু নেই। কিন্তু যারা স্বামী-স্ত্রীর এ ধরনের ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল করছেন, তাদের একদিন হাশরের ময়দানে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।"

বক্তব্যে ইসলামের সাহাবিদের বৈবাহিক জীবনের নানা ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ইসলামের অত্যন্ত স্বাভাবিক ও পবিত্র শিক্ষা। বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার একদমই ব্যক্তিগত মুহূর্তের গোপন ভিডিও অন্যায়ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা বা বিব্রত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বা নীতিসম্মত কাজ হতে পারে না বলে তিনি জোর দাবি করেন।

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করে মাওলানা আফসারী আরও বলেন, "গাজী নজরুল ইসলাম ভাই, সাতক্ষীরা শহরের সম্মানিত এমপি, একামতে দ্বিনের অতন্দ্র প্রহরী এবং কোটি কোটি তৌহিদী মুসলমানের কলিজার টুকরা। তাদের স্বামী-স্ত্রীর ভেতরের ভিডিও ভাইরাল করে আপনারা ঠিক কী ধরনের শান্তি পেলেন?"

একই সাথে মূলধারার গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ঘটনাটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন এটি বিরাট কোনো অপরাধ। যারা এসব চরিত্রহননের অপকর্মের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের আল্লাহর দরবারে কঠোর শান্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করে দেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ জুলাই) রাতে সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের এক তরুণীর সঙ্গে একটি অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা মুহূর্তের মধ্যেই দেশজুড়ে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

/আশিক


শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ: শফিকুল আলম

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৪ ২১:৫৩:৪৪
শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ: শফিকুল আলম
ছবি : সংগৃহীত

দুর্নীতি ও গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে সফলভাবে শনাক্ত করার পর এই পদক্ষেপ নেয়। ইন্টারপোলের রেড নোটিশধারী সাবেক এই শীর্ষ কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ হিসেবে আখ্যায়িত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন...!!’ যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা...!’

বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়েছিল। সেই আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বিচারাধীন থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ও মূল কমান্ডিং দায়িত্বে ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের দেওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় শাপলা চত্বরের ঘটনার জেরে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে সর্বমোট ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম প্রধান হুকুমদাতা ও অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের এবং পরিবারের নামে গড়ে তোলা তাঁর বিশাল অবৈধ সম্পদ ও নজিরবিহীন দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা কর্তৃক ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। সাবেক এই প্রভাবশালী পুলিশ প্রধানকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, আর্থিক দুর্নীতি এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচারের পথ এখন আরও বেশি সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী ও নিহতের পরিবারগুলো।

/আশিক


ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম রিলসে বড় পরিবর্তন, মেটা আনছে নতুন ‘সিরিজ’ ফিচার

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৪ ১৯:৪৪:২৮
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম রিলসে বড় পরিবর্তন, মেটা আনছে নতুন ‘সিরিজ’ ফিচার
ছবি : সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা তাদের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম রিলসের জগতে এক বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। মূলত ছোট দৈর্ঘ্যের ভিডিওভিত্তিক কনটেন্টগুলোকে আরও বেশি গোছানো, সুসংগঠিত এবং দীর্ঘমেয়াদি দর্শকসম্পৃক্ততার আওতায় আনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি এবার চালু করতে যাচ্ছে ‘সিরিজ’ নামের সম্পূর্ণ নতুন একটি বিশেষ সুবিধা। এই আকর্ষণীয় ফিচারের মাধ্যমে ভিডিও নির্মাতারা বা ক্রিয়েটররা তাঁদের একই বিষয়ভিত্তিক অথবা ধারাবাহিক গল্পের রিলসগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সিরিজের অধীনে পর্ব বা পার্ট অনুযায়ী সাজিয়ে রাখার সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে বিশ্বজুড়ে নির্দিষ্ট কিছু সীমিতসংখ্যক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ওপর এই ফিচারের কার্যকারিতা ও সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের প্রবল ধারণা, এই ফিচারটি যখন সাধারণ ব্যবহারকারী ও সব নির্মাতাদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, তখন যাঁরা বিশেষ করে ধারাবাহিক বা পর্বভিত্তিক কনটেন্ট তৈরি করেন, তাঁদের ভিউ, রিচ ও ফলোয়ারের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মেটার নতুন এই ফিচারটি মূলত বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও স্মার্ট উপায়ে কাজ করবে। যেমন—নির্মাতারা চাইলে তাঁদের একদম নতুন তৈরি করা রিলসের পাশাপাশি প্রোফাইলে থাকা পুরোনো ভিডিওগুলোকেও যেকোনো সময় একটি নির্দিষ্ট সিরিজের অন্তর্ভুক্ত করে সাজাতে পারবেন। এছাড়া ক্রিয়েটরদের প্রোফাইলে এই সিরিজগুলোর জন্য সম্পূর্ণ আলাদা বা একটি ডেডিকেটেড বিভাগ যুক্ত থাকবে, যা দর্শকদের পছন্দের কনটেন্ট খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। দর্শকদের জন্য এটি একটি স্মার্ট ওয়াচিং অভিজ্ঞতা দেবে; কারণ কোনো একজন দর্শক একটি পর্ব বা পার্ট যেখানে দেখা শেষ করবেন, পরবর্তীতে তিনি ঠিক সেখান থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার পরের পর্বটি দেখা শুরু করার সুযোগ পাবেন।

এতদিন পর্যন্ত রিলস ভিডিও দেখার মূল অভিজ্ঞতাই ছিল স্ক্রল করে দ্রুত এক ভিডিও থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অন্য ভিডিওতে চলে যাওয়া। কিন্তু এই নতুন ‘সিরিজ’ ফিচারের মাধ্যমে মেটা মূলত ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখার একটি সুদূরপ্রসারী ও কৌশলগত বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নিয়েছে। একটি পর্ব দেখার পর ব্যবহারকারীর মনে পরবর্তী পর্ব দেখার যে স্বাভাবিক কৌতুহল তৈরি হবে, তা দর্শকদের বারবার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাপে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করবে।

পাশাপাশি মেটা আরও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই নতুন সিরিজ ফিচারের মাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়ের নতুন ও বিকল্প পথ তৈরি হতে পারে। তবে রিলস সিরিজের মাধ্যমে মনিটাইজেশন বা আয়ের এই পুরো প্রক্রিয়াটি ঠিক কেমন হবে এবং কীভাবে কাজ করবে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষ্কার করে খোলসা করেনি মেটা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, প্ল্যাটফর্মে ধারাবাহিক কনটেন্ট গুছিয়ে সাজানোর চেষ্টা মেটার জন্য এটাই প্রথম নয়; এর আগে ২০২০ সালেও ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ইনস্টাগ্রামে ‘গাইডস’ নামের একটি ফিচার চালু করেছিল তারা। তবে বর্তমান সময়ে রিলসের ব্যাপক জনপ্রিয়তার যুগে এই ‘সিরিজ’ ফিচারটি ক্রিয়েটর ইকোনমি বা কনটেন্ট নির্মাতাদের উপার্জনের ক্ষেত্রে নতুন ও ইতিবাচক হাওয়া দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে বড় ভাই ওমর হাদির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ২১:৩৯:০৭
শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে বড় ভাই ওমর হাদির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে
ছবি : সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতি ও ভুক্তভোগী পরিবারটির অভ্যন্তরীণ বলয়ে তীব্র পাল্টাপাল্টি বিতর্ক ও ব্যক্তিগত অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে খোদ নিহত ওসমান হাদির আপন বড় ভাই শরীফ ওমর হাদির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে জোরালো সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এই খুনের ঘটনার পর থেকে আইনি তদন্তের সমান্তরালে রাজনৈতিক অঙ্গনেও এক নতুন নাটকীয় মোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে বলেন, শরীফ ওসমান হাদির এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আর্থিক ও পেশাগতভাবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন তাঁর বড় ভাই ওমর হাদি। তিনি তথ্যপ্রমাণ উল্লেখ করে দাবি করেন, ওসমান হাদির মৃত্যুর পর অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওমর হাদি লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি বিশেষ সুবিধাজনক ও আকর্ষণীয় বা ‘লুকরেটিভ’ পদে চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন।

ফারুক হাসান রাজনৈতিক দূরদর্শিতার জায়গা থেকে প্রশ্ন তোলেন, ওমর হাদি যদি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আসলেই মনে-প্রাণে দায়ী মনে করতেন, তবে তিনি কেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনেই লন্ডনে এই বিশেষ কূটনৈতিক পদে নিয়োগ গ্রহণ করলেন? এই চরম বৈপরীত্যের কারণে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে ওমর হাদিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।

এর ঠিক আগের দিন, মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ওমর হাদি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে দুটি পৃথক পোস্টের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল নকশাকারী হিসেবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কয়েকজন প্রভাবশালী উপদেষ্টা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের দিকে সরাসরি আঙুল তোলেন।

তিনি তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন যে, নিহত শহীদ ওসমান হাদিকে ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকা থেকে রাজনৈতিকভাবে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে ক্রমাগত ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল এবং এই ষড়যন্ত্রের সাথে খোদ আমিরে জামায়াতের একজন ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি বর্তমান প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখেন যে, হাদি হত্যার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার করতে ব্যর্থ হলে সরকার প্রধানকেও ব্যক্তিগতভাবে বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে।

প্রাসঙ্গিক তথ্য ও সরকারি নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ওমর বিন হাদিকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে ‘দ্বিতীয় সচিব’ পদে সম্পূর্ণ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছিল। বর্তমানে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের চেয়ে দুই পক্ষের এই ধরনের তীব্র পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি ও চাঞ্চল্যকর পারিবারিক অভিযোগের বিষয়টি সাধারণ জনমনে গভীর কৌতূহল, রহস্য এবং চরম রাজনৈতিক উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

/আশিক


মহিষটির চুল দারুণ! ট্রাম্পের নামে ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটের আসল সত্য ফাঁস

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৫ ১২:২৫:১৮
মহিষটির চুল দারুণ! ট্রাম্পের নামে ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটের আসল সত্য ফাঁস
ছবি : সংগৃহীত

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে নামকরণ করা নারায়ণগঞ্জের রাবেয়া এগ্রো ফার্মের অ্যালবিনো (সাদা) জাতের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রকাণ্ড ও বিরল এই মহিষটিকে নিয়ে রয়টার্স এবং দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোও বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তবে এই আন্তর্জাতিক উন্মাদনার মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পৃক্ততার দাবি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ (Truth Social)-এর একটি স্ক্রিনশট ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়। ওই স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই বাংলাদেশের এই ভাইরাল মহিষটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে ট্রাম্পের বরাতে লেখা ছিল— ‘বাংলাদেশে আমার নামে একটি মহিষ রয়েছে, মহিষটির চুল দারুণ, হয়তো আমার চেয়েও ভালো।’

এই স্ক্রিনশটটি ব্যবহার করে বিশেষ করে ভারতীয় ফেসবুক পেজ ‘প্রথম কলকাতা’ একটি পোস্ট শেয়ার করে, যেখানে দাবি করা হয় যে ট্রাম্প মহিষটির প্রশংসা করেছেন এবং বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে পোস্টটি হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের বন্যায় ভেসে যায়।

তবে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফ্যাক্টচেকিং বা তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘রিউমার স্ক্যানার’ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে এই ধরনের কোনো পোস্ট কখনোই করা হয়নি। ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও এডিটেড (ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি)।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের এই মহিষটিকে নিয়ে যে সাড়া পড়েছিল, সেই বাস্তব ঘটনাকে পুঁজি করে কোনো চক্র ট্রাম্পের নামে এই ভুয়া পোস্টের স্ক্রিনশট তৈরি করে নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। মূলত, মহিষটির আন্তর্জাতিক খ্যাতি সত্য হলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটি নিয়ে পোস্ট করার দাবিটি সম্পূর্ণ গুজব।

/আশিক


মেয়র হতে চান নীলা ইসরাফিল: ঢাকা দক্ষিণের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মুখ

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১০:৩৭:৫৩
মেয়র হতে চান নীলা ইসরাফিল: ঢাকা দক্ষিণের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মুখ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী নীলা ইসরাফিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি নির্বাচনী পোস্টার শেয়ার করে তিনি এই ঘোষণা দেন। তাঁর এই আকস্মিক ঘোষণা ঢাকা দক্ষিণ সিটির রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে নীলা ইসরাফিল উল্লেখ করেন যে, সবার ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি মেয়র পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি তাঁর পোস্টে বলেন, "আমি বিশ্বাস করি একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা আমাদের অধিকার।" একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার করে তিনি নগরবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। এনসিপির সাবেক এই নেত্রীর নির্বাচনী মাঠে নামার সিদ্ধান্ত ডিএসসিসি নির্বাচনে নতুন কোনো মেরুকরণ তৈরি করে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

নীলা ইসরাফিলের এই ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর অনুসারীরা সাধুবাদ জানাচ্ছেন। পরিচ্ছন্ন এবং নিরাপদ নগরী গড়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছেন, তা সাধারণ ভোটারদের কতটা আকৃষ্ট করতে পারে এখন সেটিই দেখার বিষয়। ডিএসসিসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তাঁর এই প্রচারণামূলক পোস্টার রাজনৈতিক অঙ্গনে আগাম নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে।

/আশিক


ফেসবুক পেজ নিয়ে ডাকসু ভিপি ও ছাত্রদল নেতার পাল্টাপাল্টি তোপ: উত্তাল ঢাবি

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১০:১০:৫০
ফেসবুক পেজ নিয়ে ডাকসু ভিপি ও ছাত্রদল নেতার পাল্টাপাল্টি তোপ: উত্তাল ঢাবি
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। ছবি: কোলাজ ইত্তেফাক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খানের মধ্যে শুরু হওয়া ‘পেজ পলিটিক্স’ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এখন টক অব দ্য ক্যাম্পাসে পরিণত হয়েছে।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে আবিদুল ইসলাম খান সরাসরি সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারী ফেসবুক পেজ নিয়ন্ত্রণ ও অর্থায়নের অভিযোগ তোলার পর, শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর কড়া জবাব দিয়েছেন ডাকসু ভিপি।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম তাঁর ফেসবুক পোস্টে আবিদুলের অভিযোগকে ‘সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, দেশের চলমান সংকট, ছাত্রদলের অপকর্ম এবং ক্যাম্পাস দখলের অপতৎপরতা আড়াল করতেই তাঁর বিরুদ্ধে এই পরিকল্পিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি লিখেছেন, সরকার ও ছাত্রদল মিলে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের কণ্ঠ রোধ করতে চায় এবং ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেছিলেন যে, সাদিক কায়েম ‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ (DU Insiders) নামক পেজ দিয়ে অন্যদের হেনস্তা করছেন। প্রমাণ হিসেবে তিনি সাদিকের একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন।

এর জবাবে সাদিক কায়েম জানান, ওই পেজের অ্যাডমিন তাঁর হলের ছোট ভাই এবং ওমরায় থাকাকালীন তিনি সৌজন্যবশত অনেককেই মেসেজ দিয়েছিলেন, যার মধ্যে স্বয়ং আবিদুলও ছিলেন। সাদিক আরও দাবি করেন, ‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ নামে হুবহু আরেকটি নকল পেজ খুলে ডাকসু প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেই অশালীন পোস্ট করা হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে তাঁরা আগেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ প্রোপাগান্ডা পেজ চালানোর অভিযোগ আনেন। তিনি ‘ডিপার্টমেন্ট অব বাকশাল’, ‘ডাকসু কণ্ঠস্বর’ (বর্তমান দ্য ডেইলি ডাকসু), ‘কাঁঠেরকেল্লা’, ‘লন্ডন বিডি টিভি’সহ বেশ কয়েকটি পেজের নাম উল্লেখ করে বলেন, এআই দিয়ে ভুয়া ছবি বানিয়ে এবং বিকৃত প্রচারণা চালিয়ে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সারা দেশে ধর্ষণ, হত্যা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং ডাকসু প্রতিনিধিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসব অন্যায়ের উপযুক্ত জবাব দেবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: