সন্ত্রাস দমনে গোপন অভিযানে সেনাবাহিনী, ঈদে দুর্ঘটনায় ৪০% হ্রাস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ১৯ ১৯:৩৪:৩৮
সন্ত্রাস দমনে গোপন অভিযানে সেনাবাহিনী, ঈদে দুর্ঘটনায় ৪০% হ্রাস

নির্বাচনে নির্দেশনা পায়নি সেনাবাহিনী, মব ভায়োলেন্স দমনে সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছে—সংবাদ সম্মেলনে জানালেন কর্নেল শফিকুল ইসলাম

ঢাকা সেনানিবাস থেকে:আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এখনো পর্যন্ত সেনাবাহিনীর কাছে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টরেটের (স্টাফ কর্নেল) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "বর্তমানে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো দায়িত্বের বিষয়ে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে অফিসিয়াল নির্দেশনা পাইনি। তবে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা পেলেই সেনাবাহিনী যথারীতি নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবে।"

মব ভায়োলেন্স নিয়ে সেনাবাহিনীর অবস্থানমব ভায়োলেন্সের বর্তমান অবস্থা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকাসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে কর্নেল শফিকুল বলেন, "জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী যেকোনো পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী বরাবরই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রংপুরে সম্প্রতি সংঘটিত ঘটনায় সময়মতো সেনাবাহিনী মোতায়েনের ফলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সার্বিকভাবে মব ভায়োলেন্সের মাত্রা অনেকটা কমে এসেছে।"

ঈদুল আজহায় সফল টহল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাঈদুল আজহা উপলক্ষে সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও কার্যক্রম প্রসঙ্গে কর্নেল শফিকুল বলেন, "ঈদের সময় আমাদের সদস্যরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বাস, রেল ও লঞ্চ টার্মিনালে নিরবচ্ছিন্নভাবে টহল দিয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করে গতি নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নারী অফিসাররাও সমানভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।"

তিনি আরও জানান, "১২৫৫টি যানবাহনের ভাড়ার অনিয়ম চিহ্নিত করে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা যাত্রীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর সিনসিয়ারিটি, সততা ও পরিশ্রমের কারণেই এ সফলতা সম্ভব হয়েছে।"

সড়ক দুর্ঘটনায় উল্লেখযোগ্য হ্রাসসেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা জানান, "বিগত বছরের তুলনায় এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা এবং গুরুতর আহতের সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে এসেছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।"

জাতীয় পতাকা বিক্রেতাকে সহায়তাসম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল ম্যাচে জাতীয় পতাকা বিক্রির সময় এক বিক্রেতার সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শফিকুল বলেন, "ঘটনাটি দুঃখজনক ও বিচ্ছিন্ন। পরবর্তীতে আমরা সেই পতাকা বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে তাকে সমবেদনা জানাই এবং ১ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করি, যাতে সে তার ব্যবসা সচল রাখতে পারে।"

সীমান্ত পরিস্থিতি ও সেনাবাহিনীর পর্যবেক্ষণভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে পুশইন সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এই বিষয়টি বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং কোস্ট গার্ড সক্রিয়ভাবে দেখছে। সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে, স্থায়ী-অস্থায়ী ক্যাম্প ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রয়োজন হয়নি।"

সন্ত্রাস দমনে গোপন অভিযান চলমানশীর্ষ সন্ত্রাসীদের ধরতে সেনাবাহিনীর কোনো তালিকা বা বিশেষ ব্যবস্থা আছে কি না জানতে চাইলে কর্নেল শফিকুল বলেন, "সন্ত্রাস দমন ও গ্রেফতারের সময় আমরা গোপনীয়তা বজায় রাখি। ভবিষ্যতেও এই ধরনের আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

—আশিক নিউজ ডেস্ক


তারেক রহমানের শপথে ওম বিড়লা: বন্ধুত্বের নতুন বার্তা দিচ্ছে ভারত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৮:৫৯:৫৮
তারেক রহমানের শপথে ওম বিড়লা: বন্ধুত্বের নতুন বার্তা দিচ্ছে ভারত
ওম বিড়লা, লোকসভার স্পিকার, ভারত

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিতব্য নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেবেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই শপথ অনুষ্ঠানে ওম বিড়লার অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান দৃঢ় ও স্থায়ী বন্ধুত্বের এক অনন্য প্রতিফলন।

ভারত সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি তাদের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন নির্বাচিত সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে। ভারতের মতে, তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ জনগণের বিপুল সমর্থন লাভ করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সরকার ফেরাকে ইতিবাচকভাবে দেখছে দিল্লি। ওম বিড়লার এই সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দুই দেশের নতুন বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের এক শক্তিশালী সূচনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ১৭ ফেব্রুয়ারির এই হাইভোল্টেজ শপথ অনুষ্ঠানে ওম বিড়লার উপস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বিশেষ বার্তা প্রদান করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচনের মাধ্যমে আত্মমর্যাদা ফিরল পুলিশের: প্রেস সচিব

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৭:৪৯:১৫
নির্বাচনের মাধ্যমে আত্মমর্যাদা ফিরল পুলিশের: প্রেস সচিব
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনের মাধ্যমে পুলিশ তার হারানো আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে পুলিশ অত্যন্ত ইতিবাচক এবং কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী কোনো সহিংসতা বা বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার কোনো ঘটনা এবার ঘটেনি, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিরল উদাহরণ।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’র ব্যবহার হয়েছে এবং প্রধান উপদেষ্টা নিজে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বসে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি সরাসরি ১৭টি ভোটকেন্দ্রে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছেন। সাংবাদিক বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, এবারের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি যেন তাঁরা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।

এদিকে, হাতিয়ায় সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে শফিকুল আলম জানান, সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়েও ব্রিফিংয়ে তথ্য দেওয়া হয়। তিনি জানান, শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত সকল দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নতুন সরকারের এই শুরুটা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

/শআ


রাষ্ট্রপতি নাকি সিইসি? শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালেন আইন উপদেষ্টা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৭:৪২:১৭
রাষ্ট্রপতি নাকি সিইসি? শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালেন আইন উপদেষ্টা
ছবি : সংগৃহীত

আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং একই দিন বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই শপথ পরিচালনা করতে পারেন বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেছেন।

আইন উপদেষ্টা আরও জানান, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে। এবারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঐতিহ্যে বড় পরিবর্তন আসছে। সাধারণত বঙ্গভবনে এই অনুষ্ঠান হলেও এবার তা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (সাউথ প্লাজা) বিকেল ৪টায়। বিএনপির পক্ষ থেকে এই বিশেষ অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে এখন পর্যন্ত জানা গেছে।

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য দক্ষিণ প্লাজাকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং ‘জুলাই সনদ’-এর মতো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর সাক্ষী এই সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ। এ ছাড়া প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে তিনি জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে কোনো বিদেশি প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত কি না, সে বিষয়ে তাঁর জানা নেই বলে উল্লেখ করেছেন।

/আশিক


আদালতের গ্রিন সিগনাল পেলেই ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৭:৩০:২৮
আদালতের গ্রিন সিগনাল পেলেই ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশে কোনো ধরনের তড়িঘড়ি করেনি এবং আইনের মধ্য থেকেই সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়েই ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ফলাফল ঘোষণার পর ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে পুনর্বিবেচনার যে দাবি তোলা হয়েছে, সেটিকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসি আনোয়ারুল ইসলাম। তবে তিনি এও উল্লেখ করেছেন যে, কোনো অভিযোগকারীর আইনের দ্বারস্থ হতে কোনো বাধা নেই। যদি আদালত থেকে ভোট পুনর্গণনার কোনো নির্দেশনা আসে, তবে কমিশন সেই অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি আরও যোগ করেন, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন পুরোপুরি সফল হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

বক্তব্যের শেষ দিকে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এই নির্দিষ্ট আসনের ব্যাপারে কমিশন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পুরো বিষয়টি পর্যালোচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী এমন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতাগুলো কমিশন কীভাবে সামলায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

/এনএ


রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৭:২০:৩৬
রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের পূর্ব সিদ্ধান্ত স্থগিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে আগামী ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশের সকল মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। মূলত রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ছুটি নিশ্চিত করতেই এই কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ধারাবাহিক ধর্মীয় ছুটির কারণে টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর আগামীকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) খুলছে স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নির্বাচন উপলক্ষে গত ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি পড়ে। আজ রবিবার শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ফলে আজ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ক্লাস হয়নি। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই মাঘী পূর্ণিমা এবং ৪ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাতেও ছুটি ছিল।

বার্ষিক ছুটির তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৪ দিন ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৮ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান শুরু হয়ে ঈদুল ফিতর, জুমাতুল বিদা এবং স্বাধীনতা দিবসসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে টানা ১৯ দিন স্কুল বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ে এই ছুটি শুরু হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই। দীর্ঘ এই বিরতির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবার নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।

শিক্ষাবর্ষের বাকি সময়ের ছুটির বিষয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে এবার টানা ১২ দিনের বিরতি থাকবে। এই ছুটি চলবে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত, যার মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপূজা, প্রবারণা পূর্ণিমা এবং ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমে এক দিন করে ছুটি থাকবে। যথারীতি প্রতিষ্ঠানপ্রধানের হাতে সংরক্ষিত দুই দিনের ছুটি রাখা হয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক দিবস এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উপলক্ষে নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

/আশিক


নির্বাচন ছিল উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ: ঢাকাকে বড় স্বীকৃতি দিল রাশিয়া

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১২:০৩:২১
নির্বাচন ছিল উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ: ঢাকাকে বড় স্বীকৃতি দিল রাশিয়া
বাংলাদেশের সিইসির এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন শিয়ান ফেডারেশনের সিইসি পাভেল আন্দ্রেয়েভ। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক পরিবেশ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর ছিল বলে জানিয়েছে রাশিয়ান ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি)। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার রুশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই পর্যবেক্ষণের কথা জানানো হয়। ১১-১২ ফেব্রুয়ারি কমিশনার পাভেল আন্দ্রেয়েভের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে এই ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন।

রাশিয়ার পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিরা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের আটটি কেন্দ্রের ৪০টিরও বেশি ভোটকক্ষ পরিদর্শন করেন। ভোটগ্রহণ শুরুর প্রস্তুতি থেকে শুরু করে ব্যালট গণনা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাঁদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর এটি ছিল সাধারণ মানুষের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একটি নির্বাচন, যা ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে অনেক ভোটারকে সন্তানদের নিয়ে কেন্দ্রে আসতে দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছেন।

পর্যবেক্ষক দল আরও জানায়, বাংলাদেশের নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি ছিল অত্যন্ত সুদৃঢ় এবং প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা জাতীয় আইন মেনেই দায়িত্ব পালন করেছেন। ৯ লাখের বেশি পুলিশ ও সেনা সদস্যের উপস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল নিশ্ছিদ্র, যা ভোটারদের মধ্যে ভরসা জুগিয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব ফেলেনি বলে তারা মন্তব্য করেন। এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠকে পাভেল আন্দ্রেয়েভ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের রাশিয়ার স্টেট ডুমা নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

/আশিক


এমপিদের বেতন-ভাতা কত জানেন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৯:২০:০৮
এমপিদের বেতন-ভাতা কত জানেন
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সংসদ গঠনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ২৯৭ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এর মধ্য দিয়ে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ হিসেবে শপথ ও সংসদ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পথ সুগম হয়েছে।

বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের বেতন, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারিত হয়েছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট (রিমিউনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার, ১৯৭৩’ অনুযায়ী। এই আইন সময়ের সঙ্গে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে; সর্বশেষ বড় সংশোধন আনা হয় ২০১৬ সালে।

মাসিক বেতন ও ভাতা কাঠামো

বর্তমান বিধান অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্যের মূল মাসিক বেতন ৫৫ হাজার টাকা। নির্বাচনী এলাকা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত ১২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা প্রদান করা হয়। আপ্যায়ন বাবদ মাসে ৫ হাজার টাকা এবং পরিবহন খাতে ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। এই পরিবহন ভাতার আওতায় জ্বালানি ব্যয়, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং চালকের বেতন অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া অফিস পরিচালনা খরচ হিসেবে ১৫ হাজার টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বিবিধ খরচের জন্য ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অর্থাৎ মূল বেতনের বাইরে দায়িত্ব পালনের বাস্তব খরচ মেটাতে পৃথক ভাতা নির্ধারিত রয়েছে।

যানবাহন ও ভ্রমণ সুবিধা

সংসদ সদস্যরা শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য করমুক্তভাবে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানির সুযোগ পান। পাঁচ বছরের দায়িত্বকাল পূর্ণ হলে একই সুবিধায় পুনরায় একটি গাড়ি আমদানির অনুমতি রয়েছে।

ভ্রমণ সংক্রান্ত সুবিধার মধ্যে বিমান, রেল বা নৌপথে যাতায়াত করলে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ পর্যন্ত ভাতা প্রাপ্য। সড়কপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিলোমিটারপ্রতি নির্ধারিত হারে ভাতা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য বছরে এক লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্রমণ ভাতা অথবা বিকল্প হিসেবে ট্রাভেল পাসের সুযোগ রয়েছে।

দৈনিক ভাতা ও অধিবেশন সুবিধা

দায়িত্বস্থলে অবস্থানকালে প্রতিদিন ৭৫০ টাকা দৈনিক ভাতা এবং ৭৫ টাকা যাতায়াত ভাতা প্রযোজ্য। সংসদ অধিবেশন বা সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থাকলে দৈনিক ভাতা ৮০০ টাকা এবং যাতায়াত ভাতা ২০০ টাকা নির্ধারিত।

চিকিৎসা ও বীমা সুবিধা

সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা সুবিধা পান। মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসাভাতাও বরাদ্দ রয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার সরকারি বীমা প্রযোজ্য।

অতিরিক্ত সুবিধা

সংসদ সদস্যদের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত একটি ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। টেলিযোগাযোগ সুবিধার অংশ হিসেবে বাসভবনে সরকারি খরচে টেলিফোন সংযোগ প্রদান করা হয় এবং মাসিক টেলিফোন ভাড়া ও কল খরচ বাবদ ৭ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ থাকে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো সংসদ সদস্যদের প্রাপ্ত ভাতাগুলো আয়করমুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

সব মিলিয়ে দেখা যায়, মূল বেতনের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের কার্যকরতা নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্যদের জন্য একাধিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত রয়েছে। নতুন সংসদ গঠনের প্রেক্ষাপটে এসব সুবিধা নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

-রাফসান


শপথে যে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৮:৪৪:০০
শপথে যে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় অর্জনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর নেতৃত্বে নতুন সরকার আগামী মঙ্গলবার শপথ নিতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং সরকার গঠনে প্রস্তুত বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব তুলে ধরতে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাতে সরকারের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর অন্তর্ভুক্তি নতুন সরকারের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন এ এম এম নাসির উদ্দীন, যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি জোট দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে, যা নতুন সরকারকে শক্তিশালী সংসদীয় সমর্থন দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শপথ অনুষ্ঠানে একাধিক দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নতুন প্রশাসনের কূটনৈতিক সক্রিয়তার সূচক। এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়, নতুন সরকারের প্রথম পদক্ষেপগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

-রফিক


জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর এবার শপথের পালা: চূড়ান্ত হলো দিনক্ষণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২১:১২:৪৯
জাতীয় নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর এবার শপথের পালা: চূড়ান্ত হলো দিনক্ষণ
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এবার নতুন সরকার গঠনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন শেষে এক নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা হতে যাচ্ছে।

বঙ্গভবন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে প্রথমে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ ভবনে এই শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ হওয়ার পর একই দিন বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত হবে মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠান। সেখানে রাষ্ট্রপতি নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বঙ্গভবন ও জাতীয় সংসদ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন এবং কারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব নিচ্ছেন, তা নিয়ে এখন দেশজুড়ে চলছে টানটান উত্তেজনা। সোমবারের এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৬ সালের এই নতুন নির্বাচিত সরকার।

পাঠকের মতামত: