হামলা হলে ‘নরকের দ্বার’ খুলে যাবে! যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের চরম হুঁশিয়ারি

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১১:২১:০৪
হামলা হলে ‘নরকের দ্বার’ খুলে যাবে! যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের চরম হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের কোনো অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে ‘নরকের দ্বার খুলে যাবে’। শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) ইরানের প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার আলী আব্দোল্লাহি, যিনি ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি-র মধ্যে সমন্বয় করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকিকে ‘আগ্রাসী ও যুদ্ধোন্মাদ’ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামোর ওপর ধ্বংসাত্মক ও ধারাবাহিক আঘাত হানা হবে। বর্তমানে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, যার আওতায় শত শত ব্যালিস্টিক, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে, এই যুদ্ধে প্রথমবারের মতো মার্কিন সেনাদের হতাহতের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মিডল ইস্ট আই-এর বরাতে জানা গেছে, যুদ্ধ শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং অন্তত ৩৬৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২৪৭ জন সেনাসদস্য, ৬৩ জন নৌবাহিনীর নাবিক, ১৯ জন মেরিন কর্পস এবং ৩৬ জন বিমানবাহিনীর সদস্য রয়েছেন।

তবে একই দিনে দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় হতাহতদের সংখ্যা এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত কি না, তা এখনো স্পষ্ট করেনি পেন্টাগন। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন এক চরম রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতির দিকে মোড় নিচ্ছে, যেখানে উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর বিধ্বংসী আক্রমণের হুমকি দিচ্ছে।

/আশিক


মার্কিন ‘এমকিউ-১’ ড্রোন ভূপাতিত! রণক্ষেত্রে পাল্টা চাল ইরানের

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ১০:২৬:৩২
মার্কিন ‘এমকিউ-১’ ড্রোন ভূপাতিত! রণক্ষেত্রে পাল্টা চাল ইরানের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ইসফাহান প্রদেশের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের দায়ে একটি মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির বিশেষায়িত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ড্রোনের পাশাপাশি বুশেহর ও খোমেইন প্রদেশের আকাশেও বেশ কিছু ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল ধ্বংস করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার খবরের পর এই ড্রোন ধ্বংসের ঘটনাকে চলমান সংঘাতের নতুন ধাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। আইআরজিসি’র দাবি অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে তারা এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অন্তত ১৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন করা মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোনগুলো ক্রমাগত ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে, যার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, ড্রোন ভূপাতিত করার খবরের মাঝেই ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং আইআরজিসি’র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে এই সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করেছে।

আইডিএফের মতে, শনিবার দিনের আলোতে চালানো এই হামলায় তেহরানের পার্শ্ববর্তী গবেষণা কেন্দ্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও ইরান সরকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার চরমপত্রের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশকে এক ভয়ংকর রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতাকে আরও উসকে দিচ্ছে।

/আশিক


এবার খোদ ইসরায়েলের ভেতরেই আঘাত হানল ইরানের মিসাইল!

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ২০:৫৯:২৭
এবার খোদ ইসরায়েলের ভেতরেই আঘাত হানল ইরানের মিসাইল!
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) মধ্য ইসরায়েলে ইরান থেকে ছোড়া একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

এই হামলার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের বিশেষ তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দলগুলো দ্রুত আক্রান্ত স্থানে মোতায়েন করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে, এই মুহূর্তে সেখানে ব্যাপক উদ্ধার তৎপরতা চলছে এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মাত্রা নিরূপণের চেষ্টা করা হচ্ছে। সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ নাগরিকদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে যাতে উদ্ধারকাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

জরুরি উদ্ধারকাজ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জনসাধারণকে আক্রান্ত এলাকা বা এর আশেপাশে জমায়েত না হওয়ার জন্য জরুরি অনুরোধ জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে হোম ফ্রন্ট কমান্ডের প্রতিটি নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

ইরান থেকে এই সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হামলার পর থেকে মধ্য ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং যেকোনো পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামরিক বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা


দুবাই মেরিনায় ইরানের মিসাইল হামলা!

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ১২:১৩:৫৮
দুবাই মেরিনায় ইরানের মিসাইল হামলা!
দুবাইয়ের মেরিনাতে ইরানের হামলা। ছবি: সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়ের সবচেয়ে অভিজাত এলাকা দুবাই মেরিনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে চালানো এই হামলায় পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ছোড়া ড্রোন ও মিসাইলগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা করে আমিরাত কর্তৃপক্ষ, তবে একটি প্রতিহত করা মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ দুবাই মেরিনার একটি আবাসিক ভবনে গিয়ে আঘাত হানে। দুবাই মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মেরিনায় ধ্বংসাবশেষ পতনের ঘটনায় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও জানমালের আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার আবুধাবির হাবসান গ্যাস স্থাপনায় ইরানের ভয়াবহ এক হামলায় একজন মিসরীয় নাগরিক নিহত এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজন পাকিস্তানি ও দুজন মিসরীয় নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

হাবসান হলো দেশটির সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসেসিং কেন্দ্র, যেখানে হামলার পর বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয় এবং স্থাপনাটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত শুরু করে তেহরান।

শুরুর দিকে এই হামলা শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে ইরান বাণিজ্যিক ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোকেও নিশানায় পরিণত করছে। দুবাই মেরিনায় আজকের এই হামলায় বিশেষ কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করা হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

/আশিক


যুদ্ধ এখন ইরানি ভূখণ্ডে! মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের প্রবেশে চরমে উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ১১:৩৩:০৭
যুদ্ধ এখন ইরানি ভূখণ্ডে! মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের প্রবেশে চরমে উত্তেজনা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের মাটিতে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের দুঃসাহসিক অভিযান এবং আকাশপথে ইরানের ভয়াবহ প্রতিরোধের মুখে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ইরান যুদ্ধের ৩৫তম দিনে (শুক্রবার, ৩ এপ্রিল) নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করতে গিয়ে ইরানি বাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে মার্কিন উদ্ধারকারী দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দ্য টেলিগ্রাফ ও সিবিএস নিউজের বরাতে ইয়াহু নিউজ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার পর তার দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে শুক্রবার রাতে এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়। উদ্ধার অভিযানে দুটি সামরিক হেলিকপ্টার এবং নিম্ন উচ্চতায় উড়ন্ত জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান অংশ নেয়।

তবে ইরানি বাহিনীর অতর্কিত হামলায় উদ্ধারকারী দুটি হেলিকপ্টারই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও তারা শেষ পর্যন্ত নিরাপদে ইরাকের দিকে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে, তবে একটি হেলিকপ্টারের ক্রুরা ছোট অস্ত্রের গুলিতে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা ঘটে যখন এফ-১৫ই বিমানের পাইলটদের উদ্ধার করতে গিয়ে একটি এ-১০ ওয়ারথগ (A-10 Warthog) যুদ্ধবিমান ইরানি বাহিনীর হামলার শিকার হয়। জীবন বাঁচাতে ওই বিমানের পাইলট সাগরে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন, যাকে পরবর্তীতে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

দ্য টেলিগ্রাফের তথ্যমতে, এফ-১৫ই বিমানের একজন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা গেলেও দ্বিতীয়জনের অবস্থান এখনো অজানা। ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমে ওই নিখোঁজ সেনাকে খুঁজে বের করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে চিরুনি তল্লাশি চালানোর দৃশ্য প্রচার করা হচ্ছে। বর্তমানে দ্বিতীয় পাইলটের খোঁজে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের এই বিপজ্জনক উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অব্যাহত রয়েছে।

/আশিক


ইরানের ক্লাস্টার বোমায় কাঁপছে ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ১০:১০:১২
ইরানের ক্লাস্টার বোমায় কাঁপছে ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের পর এবার দেশটির মধ্যাঞ্চলেও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরান যুদ্ধের ৩৫তম দিনে চালানো এই হামলায় তেল আবিবসহ মধ্য ইসরায়েলের বেশ কিছু শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে রোশ হাইয়িন এলাকার একটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্টে ভয়াবহ আগুন ধরে গেছে। এ ছাড়া এই হামলায় শহরের একটি উচ্চ-ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনে আঘাত হানায় বিশাল এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, পেতাহ তিকভা শহরের একটি ভবন এবং বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবের বেশ কিছু রাস্তায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বড় ধরনের গর্ত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বানি ব্রাক এলাকায় একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জানালার কাঁচ ভেঙে ৪৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যেখানে বর্তমানে জরুরি উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে গিভাতায়িম এলাকাতেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানের ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছবোমার আঘাতে রামাত গানে একটি ভবন ধসে পড়েছে।

এদিকে দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমি এলাকার একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার ফলে সেখানে তীব্র অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে এই বৃহৎ আকারের হামলা চালিয়েছে।

হামলার পর পুরো মধ্যাঞ্চলে সাইরেন বাজিয়ে সতর্কতা জারি করা হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়। বর্তমানে ইসরায়েলি উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। এই হামলার ভয়াবহতায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন চূড়ান্ত যুদ্ধের দিকে মোড় নিয়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইরানের আকাশসীমায় একের পর এক মার্কিন বিমান ধ্বংস

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ০৯:৩৮:২৬
ইরানের আকাশসীমায় একের পর এক মার্কিন বিমান ধ্বংস
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের ৩৫তম দিন, গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর জন্য এক চরম বিপর্যয়ের দিন হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো এই দিনটিকে ‘মার্কিন-ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। উদ্ভূত এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ফ্লোরিডার পূর্বনির্ধারিত সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে জরুরি ভিত্তিতে হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছেন এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির আপডেট নিচ্ছেন।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শনিবার এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর দাপট চূর্ণ করা হয়েছে। এদিন ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, পাঁচটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার পাশাপাশি দুটি সামরিক হেলিকপ্টারে সরাসরি আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, খোমেইন ও জানজান প্রদেশের আকাশে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইসফাহানের আকাশে দুটি ‘এমকিউ-৯’ (MQ-9) অ্যাটাক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া বুশেহর প্রদেশের আকাশে একটি ‘হার্মিস’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তেহরান। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুরুতে ক্ষয়ক্ষতি অস্বীকার করে সব বিমান অক্ষত থাকার দাবি করলেও, পরবর্তীতে ইরান ঘটনার অকাট্য ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে দেয়।

এর পরপরই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করে যে, দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘এফ-১৫ই’ (F-15E) মডেলের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে থাকা দুজন ক্রুর মধ্যে পাইলটকে উদ্ধার করা গেলেও কো-পাইলট এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

একই দিনে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি ‘এ-১০ ওয়ার্টহগ’ (A-10 Warthog) কমব্যাট বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই বিমানেরও একজন ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন। ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের ডিফেন্স সিস্টেমের ট্র্যাকিংয়ের মুখে পড়ে বিমানটি সাগরে আছড়ে পড়ে।

নিখোঁজ সেনাসদস্যদের উদ্ধারে যাওয়া দুটি ‘ব্ল্যাক হক’ হেলিকপ্টার লক্ষ্য করেও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে গুলি চালানো হয়, তবে হেলিকপ্টারগুলো বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বিস্ময়কর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে—বিধ্বস্ত বিমানের পাইলটদের জীবিত ধরে দিতে পারলে সাধারণ মানুষকে বড় অংকের পুরস্কার দেওয়া হবে। আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের নতুন ‘মজিদ ইনফ্রারেড-গাইডেড সিস্টেম’ ব্যবহারের ফলে ইরানের আকাশসীমা এখন শত্রুপক্ষের জন্য সাক্ষাৎ মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী উদ্ধার অভিযান সচল রাখলেও নিখোঁজ ক্রুদের ভাগ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

/আশিক


খামেনির উত্তরসূরির চিঠি! ট্রাম্পের হুমকির মুখে নতুন মোড়

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ২২:০৭:৩০
খামেনির উত্তরসূরির চিঠি! ট্রাম্পের হুমকির মুখে নতুন মোড়
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধংদেহী নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) প্রকাশিত এই চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্পের এই যুদ্ধ কি আদেও ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বা মার্কিনিদের স্বার্থ রক্ষা করছে? রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেজেশকিয়ান এই যুদ্ধের মাধ্যমে মার্কিন জনগণের অর্জন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে পেজেশকিয়ান দাবি করেন, ইরান কখনোই আগ্রাসন বা উপনিবেশবাদের পথ বেছে নেয়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোতে সামরিক ঘাঁটি গেড়ে সরাসরি হুমকি তৈরি করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে তিনি 'বৈধ আত্মরক্ষা' হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান বা ইউরোপের সাধারণ মানুষের প্রতি ইরানিদের কোনো শত্রুতা নেই; বরং বিশ্ব রাজনীতির ক্ষমতাবানদের অর্থনৈতিক লালসার কারণেই ইরানকে শত্রু হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি যুদ্ধের বদলে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানান।

তবে পেজেশকিয়ানের এই চিঠির পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ইরানকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে সহিংস শাসনব্যবস্থা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র আসা মানেই বিশ্বশান্তি ধ্বংস হওয়া। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুদ্ধের এক মাসেই ইরানের অধিকাংশ সামরিক শক্তি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এবং এই সংঘাত এখন সমাপ্তির পথে।

/আশিক


১০টি শক্তিশালী মিসাইল! ইসরায়েলের বুক কাঁপিয়ে দিল ইরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:৪৬:৪৬
১০টি শক্তিশালী মিসাইল! ইসরায়েলের বুক কাঁপিয়ে দিল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাত এখন এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চল লক্ষ্য করে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন প্রায় ১০টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দেয় তেহরান। ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তেল আবিব, শেফেলা এবং এর আশপাশের এলাকায় সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বেজে ওঠে এবং বাসিন্দারা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, বেশ কিছু স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র বা এর ধ্বংসাবশেষ আঘাত হেনেছে, যেখানে বর্তমানে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। বিশেষ করে একটি ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা মাঝআকাশে বিস্ফোরিত হয়ে ছোট ছোট অসংখ্য বোমা ছড়িয়ে দেয়। এই হামলার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ‘বিস্তৃত ও জোরালো হামলা’ শুরু করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় পরিস্থিতি চরম অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই দীর্ঘায়িত সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১,৩৪০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর প্রতিশোধ নিতে ইরান কেবল ইসরায়েল নয়, বরং জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর ওপরও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজার ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

সূত্র: আনাদোলু


শত্রুদের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালি! সাগরে যুদ্ধের নতুন ছক কষছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ২০:৫২:১২
শত্রুদের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালি! সাগরে যুদ্ধের নতুন ছক কষছে ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কৌশলগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি তেহরানের নিয়ন্ত্রণে। বুধবার (১ এপ্রিল) এক বিশেষ বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, এই জলপথটি ইরানের শত্রুদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ থাকবে এবং এটি বর্তমানে তাদের নৌবাহিনীর দৃঢ় ও কর্তৃত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন দাবি করছেন যে ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে, ঠিক তখনই আইআরজিসি এই শক্তিশালী বার্তা দিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের দাবিকে কার্যত নাকচ করে দিল।

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, বুধবার ভোর থেকে তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৮৯তম পর্যায়ের অংশ হিসেবে পাঁচটি বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এসব অভিযানে কাদির ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রসহ আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার দাবি করেছে তারা।

বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের মধ্যাঞ্চলে ‘অ্যাকুয়া ১’ নামক ইসরায়েলি একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বর্তমানে অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে। ইরানের এই সিরিজ হামলা এটাই প্রমাণ করে যে, তাদের নৌবাহিনী এখনও শত্রুর বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতছাড়া হয়নি।

তবে এই যুদ্ধকালীন কঠোর পরিস্থিতির মধ্যেও মিত্র ও বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর জন্য নমনীয়তা দেখাচ্ছে ইরান। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো ছাড়া বাকিদের জন্য হরমুজে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে তেহরান। এর অন্যতম বড় উদাহরণ হলো বাংলাদেশে আটকে পড়া জাহাজগুলোর মুক্তি।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজ পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিল। বর্তমানে উভয় পক্ষই এই ছয়টি জাহাজ নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেও বাংলাদেশের জাহাজের এই মুক্তি বড় এক কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: