সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই হিসাব তুলে ধরেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।
এই পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকার সমান। পাচার হওয়া এই অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং-চীন। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি (এমএলএটি) স্বাক্ষরের বিষয়ে ইতোমধ্যে সম্মতি মিলেছে এবং বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে চিহ্নিত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই মামলাগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে পুলিশের সিআইডি, এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে।
সম্পদ জব্দের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংসদ নেতা জানান যে, বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক দেশে এ পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের নির্দেশে বিদেশে মোট ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার সম্পদ বর্তমানে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
মামলার হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ১৪১টি মামলা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টি মামলার চার্জশিট দাখিল এবং ছয়টি মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং দমনে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সংঘটিত এই অর্থনৈতিক অনিয়মের একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং চিহ্নিত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার বলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুনর্ব্যক্ত করেন।
/আশিক
রণক্ষেত্র পেরিয়ে ফিরছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬ জাহাজ! বড় ঘোষণা ইরানের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যে আটকে পড়া বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজের জন্য সুখবর মিলেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের এই জাহাজগুলো পার হওয়ার বিশেষ অনুমতি দিয়েছে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।
ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বাংলাদেশের সাথে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উভয় পক্ষ জাহাজগুলো দ্রুত ও নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটি ইরান বন্ধ করে দিয়েছিল এবং কেবল তাদের মিত্র দেশের জাহাজগুলোকে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছিল। বাংলাদেশের এই জাহাজগুলো পার হওয়ার অনুমতি পাওয়াকে বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
মোজাম্মেলের অবৈধ টাকায় পলাতক পুলিশ কর্তাদের বিলাসী জীবন!
পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া এবং সেই অর্থ দিয়ে বিদেশে পলাতক দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিলাসী জীবনযাপনের খরচ জোগানোর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মোজাম্মেল হকের এই বিশাল সাম্রাজ্যের ভাগ পাচ্ছেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশিদ এবং এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামসহ অন্তত ১০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। বর্তমানে বিদেশে পলাতক এই কর্মকর্তাদের আয়ের কোনো বৈধ উৎস না থাকলেও মোজাম্মেলের পাঠানো টাকায় তারা ভারত, ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে রাজকীয় জীবন যাপন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গাজী মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ হলো ‘আনন্দ পুলিশ হাউজিং সোসাইটি’ নামক একটি আবাসন প্রকল্প। নামের সাথে ‘পুলিশ’ শব্দ যুক্ত করে ব্যবসায়িক সুবিধা নিলেও প্রকল্পটির কোনো সরকারি অনুমোদন নেই বলে জানা গেছে। রূপগঞ্জ, কুমিল্লা ও সুনামগঞ্জের অনেক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন যে, মোজাম্মেল হক ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে তাদের পৈতৃক জমি ও মাছের প্রজেক্ট দখল করে নিয়েছেন। রূপগঞ্জের হাজি সোলাইমান মিয়ার মতো অনেক ভুক্তভোগী আজও কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি এবং দ্বারে দ্বারে ঘুরেও প্রতিকার মেলেনি। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, মোজাম্মেল হক সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে খুশি রাখতে তাঁর হাউজিং প্রকল্পে একটি প্লট উপহার দিয়েছিলেন, যেখানে বেনজীর একটি বাড়িও নির্মাণ করেন। সেই বাড়িটি সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জব্দ করেছে। মূলত বেনজীরের নামের অপব্যবহার করে নিজের অবৈধ কার্যক্রম আড়াল করতেই চতুর মোজাম্মেল এই কৌশল নিয়েছিলেন। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ নজিরবিহীন দুর্নীতির অভিযোগে সপরিবারে দেশান্তরী। অভিযোগ রয়েছে, মোজাম্মেল হক শুধু পুলিশ কর্মকর্তাদেরই নয়, বেশ কয়েকজন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকেও নিয়মিত অর্থ পাঠাচ্ছেন।
এই বিশাল দুর্নীতি ও অর্থপাচারের নেপথ্যে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপরাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুকের মতে, যথাযথ মনিটরিংয়ের অভাবেই এসব কর্মকর্তা নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ছেন। তাঁরা জানেন যে অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব, যা অন্যদেরও উৎসাহিত করছে। গাজী মোজাম্মেলের সম্পদের উৎস এবং বিদেশে অর্থপাচারের পথ খতিয়ে দেখতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার দাবি তুলেছেন সচেতন নাগরিক ও সুধীসমাজ।
/আশিক
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মন্ডলের সরাসরি পরিকল্পনার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, শাপলা চত্বরের সেই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ জন নিহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে, তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি কি না তা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। গত বছরের ১৪ মে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষিতে গত সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সবুজবাগ থেকে ডিবি পুলিশ আব্দুল জলিল মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "তদন্তে উঠে এসেছে যে আব্দুল জলিল মন্ডলের সার্বিক পরিকল্পনাতেই শাপলা চত্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ওইসব বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল।" তিনি আরও জানান, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং নিহতদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। দ্রুতই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
দেশবাসী তাকিয়ে আছে, প্রকল্পের টাকা লুটপাট করলে রক্ষা নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী
দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, সরকারি প্রকল্পের টাকা লুটপাটের বিন্দুমাত্র সুযোগ দেওয়া হবে না এবং এমন কিছু ঘটলে সরকার তা কঠোরভাবে দমন করবে।
নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশবাসী তাকিয়ে আছে আমরা হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প দিয়ে দেশকে কী দিতে পারছি। তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, আগামী ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। ১৯৮১ সাল পর্যন্ত চলমান খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। তবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে বিশেষজ্ঞ এবং প্রকৌশলীদের মাধ্যমে সঠিক খাল বাছাই এবং দক্ষ লোকবল নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক লড়াই এবং জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই সরকার হঠাৎ করে ক্ষমতায় আসেনি; ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই শাসনামলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
/আশিক
ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে কালবৈশাখীর হানা: বজ্রসহ বৃষ্টির বড় আপডেট
দেশের ১৩টি জেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বড় একটি অংশে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা এই ঝড়ের সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়তে পারে এমন জেলাগুলোর তালিকায় রয়েছে—ঢাকা, পাবনা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট। আবহাওয়া অফিস এই অঞ্চলগুলোর নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। ছোট নৌযান ও লঞ্চগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে এবং ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়ার অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের বাড়তি অংশ অবস্থান করছে। এছাড়া দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজমান। এই পরিস্থিতির কারণে দেশের সব বিভাগেই আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে আগামী দুই দিন দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
/আশিক
এপ্রিলে বাড়ছে না তেলের দাম!
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট এবং তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক আনুষ্ঠানিক আদেশে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, আগামী এপ্রিল মাসে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। অর্থাৎ, বর্তমান মার্চ মাসের নির্ধারিত দামেই এপ্রিল মাসেও তেল কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।
মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব এনামুল হকের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে জানানো হয়, ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা দরে বিক্রি হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের নিয়ম থাকলেও, এপ্রিলের জন্য দাম অপরিবর্তিত রাখার এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়ানোর যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, সেই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার এই ঘোষণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই নতুন (অপরিবর্তিত) মূল্য কার্যকর থাকবে।
/আশিক
৫৫% মানুষের চাওয়া কি পূরণ হবে? অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন ঘোষণা
বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ও সশরীরে—এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা চলছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে একটি পরিসংখ্যান চালিয়েছে যেখানে দেখা গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছেন যেন ক্লাসগুলো অনলাইনে নেওয়া হয়। তবে পুরোপুরি অনলাইন ক্লাসের বিপক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, "সম্পূর্ণ অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীরা অসামাজিক হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।" তাই সশরীরে ক্লাসের গুরুত্ব বজায় রেখে কীভাবে অনলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।
জ্বালানি তেল সংকটের এই সময়ে স্কুল পর্যায়ের এই দ্বিমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিস্তারিত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। সেখানে গঠনমূলক আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান মন্ত্রী। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব থেকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখতেই এই বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার।
/আশিক
দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
দেশে চলমান ‘মব কালচার’ বা মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা আর বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ঘোষণা দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সংসদ অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান সময়ের ‘মব কালচার’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান যে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মব কালচারের শিকার হয়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমনকি গত ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজেও এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন বলে সংসদে জানান। এই কালচার বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ কী—তা জানতে চান তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার থাকবে না। বিশেষ করে দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা রাস্তা অবরোধ করার যে প্রবণতা আগে দেখা গিয়েছিল, তা আর কোনোভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মব এবং সুসংগঠিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর করা মূলত পরিকল্পিত অপরাধ, যা মব কালচারের সংজ্ঞায় পড়ে না। এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা প্রকাশের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া, সেমিনার বা শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ করার অধিকার সবার আছে। সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু মবের দোহাই দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা হবে না।
/আশিক
সংসদে জাইমা রহমান: ভিভিআইপি গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি
জাতীয় সংসদের ভিভিআইপি লাউঞ্জে বসে সোমবার (৩০ মার্চ) সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার পর তিনি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন এবং সামনের সারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন নিশ্চিত করেছেন যে, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান অধিবেশনের শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ করে প্রশ্নোত্তর পর্বটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। সংসদ কক্ষে তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য—স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধী দলের সদস্যরাও অধিবেশনে অংশ নিচ্ছিলেন।
অধিবেশন চলাকালে জাইমা রহমানের হাতে একটি ল্যাপটপ দেখা যায়, যেখানে তাঁকে বেশ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য যে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেও তিনি তাঁর মা ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে ভিভিআইপি গ্যালারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তরুণ এই ব্যারিস্টারের ঘন ঘন সংসদে উপস্থিতি এবং সশরীরে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ রাজনৈতিক মহলে বেশ ইতিবাচক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান
- কুমিল্লায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আমিরাত? হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার বড় পরিকল্পনা
- মেক্সিকোর মাটিতেই ইতিহাস! ৪ দশক পর বিশ্বকাপের টিকিট পেল ইরাক
- হরমুজ প্রণালির মুখে আগুন! ইরানের বাণিজ্যিক বন্দরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা
- রণক্ষেত্র পেরিয়ে ফিরছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬ জাহাজ! বড় ঘোষণা ইরানের
- আমিরাতে ড্রোন হামলার ধ্বংসাবশেষে প্রাণ গেল বাংলাদেশির!
- এএন-২৬ এর অভিশপ্ত ইতিহাস! আবারও ২৯টি প্রাণ কেড়ে নিল পুরনো মডেলের বিমান
- বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!
- মেসি-ম্যাজিকে বিধ্বস্ত জাম্বিয়া! বিশাল জয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- যুদ্ধের ১ মাস: ১৬ হাজার গোলাবারুদ আর ৮০০ বিমান হামলায় বিধ্বস্ত ইরান!
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- ৩ সপ্তাহেই কি থামছে ইরান যুদ্ধ? হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা
- আজ শনিবার: রাজধানীতে যেসব কর্মসূচি রয়েছে
- মোজাম্মেলের অবৈধ টাকায় পলাতক পুলিশ কর্তাদের বিলাসী জীবন!
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দেখে নিন: বুধবার ঢাকার কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- কুয়েত বিমানবন্দরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা! জ্বালানি ডিপোতে আগুনের লেলিহান শিখা
- হরমুজ প্রণালি: ট্রাম্পের গলার কাঁটা? কেন এই জলপথ ইরানকে দিচ্ছে বাড়তি শক্তি
- ২০২৬ বিশ্বকাপেও নেই ৪ বারের চ্যাম্পিয়নরা
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বড় ক্ষয়ক্ষতি
- পাঁচদিন বৃষ্টির আভাস, কী বলছে আবহাওয়া অফিস
- ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
- নফল নামাজসহ আজকের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে পুতিন-আল নাহিয়ানের আলোচনা
- যুদ্ধ থামাতে প্রস্তুত ইরান, তবে শর্তে সমাধান
- আজকের খেলার সূচি, কোন ম্যাচ কখন
- বুধবার চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- মোজতবা খামেনি কোথায়, যা জানা গেল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিকে টার্গেটের হুমকি ইরানের
- যুদ্ধ থামতে পারে দ্রুত ও হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে: ট্রাম্প
- শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
- ৩ মাসে ৫০ বার সমন্বয়! স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতা থামবে কবে?
- পেনাল্টি বঞ্চিত বাংলাদেশ? রেফারির বাঁশিতেই হারল লাল-সবুজরা!
- মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পরিবারের রক্ত আছে: সংসদে আবেগঘন জামায়াতের আমির
- মেজর জেনারেল এসঘাঘি নিহত! সপরিবারে প্রাণ হারালেন ইরানের শীর্ষ সেনাকর্তা
- দেশবাসী তাকিয়ে আছে, প্রকল্পের টাকা লুটপাট করলে রক্ষা নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপন
- কুমিল্লার বরুড়ায় দা দিয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক
- এবার ইরাকে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা!
- ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে কালবৈশাখীর হানা: বজ্রসহ বৃষ্টির বড় আপডেট
- এপ্রিলে বাড়ছে না তেলের দাম!
- সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে চীন-পাকিস্তান জোট! হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের নাটকীয় পিছুটান?
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- রিয়াদের ৭০ শতাংশ জ্বালানি মজুদের ওপর আঘাত: যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কি ইরানের হাতে?
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা








