নেসেটে মোদিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে স্বাগত জানালেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ আখ্যা দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মোদি ইসরায়েলে পৌঁছালে নেতানিয়াহু তাঁকে জেরুজালেমে স্বাগত জানিয়ে বলেন যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তিনি এর আগে কখনো এতটা আবেগাপ্লুত হননি।
নেতানিয়াহু মোদিকে ইসরায়েলের একজন মহান বন্ধু এবং বিশ্বমঞ্চের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বর্ণনা করে দুই দেশের মধ্যকার এই জোটকে আরও সুসংহত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। গাজায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে যখন বিশ্বজুড়ে নেতানিয়াহু ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছেন এবং যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭২ হাজার ৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে মোদির এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য যে ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় ভারত এর বিরোধিতা করলেও এবং দীর্ঘদিন ফিলিস্তিনিদের কড়া সমর্থক থাকলেও ১৯৯২ সালে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। তবে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি ও বাণিজ্য খাতে সহযোগিতার মাধ্যমে এই সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে ইসরায়েল ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে একটি অসাধারণ জোট বিদ্যমান এবং দুই নেতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।
গত বছর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের নয়াদিল্লি সফরের সময় দুই দেশ একটি বড় বিনিয়োগ চুক্তি সই করেছিল যার ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন ডলারে। বর্তমানে দুই দেশের পারস্পরিক বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে যা প্রমাণ করে যে ঐতিহাসিক বৈরিতা ভুলে ভারত ও ইসরায়েল এখন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য কৌশলগত অংশীদারে পরিণত হয়েছে।
/আশিক
মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পিছু নিল ইরান! হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি
ইসলামাবাদে যখন শান্তি আলোচনার চূড়ান্ত মুহূর্ত ঘনিয়ে আসছে, ঠিক তখনই পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার পারদ চড়ল। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কড়া নজরদারিতে রেখেছে।
এই স্পর্শকাতর তথ্যটি তাৎক্ষণিকভাবে ইসলামাবাদে থাকা ইরানি প্রতিনিধি দলকেও জানানো হয়েছে, যা আলোচনার টেবিলে নতুন করে চাপের সৃষ্টি করতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শনিবার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের সাংবাদিক বারাক রাভিদ মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। যদিও ইরানের তাসনিম বার্তা সংস্থা এক অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্যটি অস্বীকার করেছে।
তবে মেরিন ট্রাফিক ও ভেসেল ফাইন্ডারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস মাইকেল মারফি’ দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। মজার বিষয় হলো, জাহাজটির গন্তব্য দেখানো হয়েছে ‘সিঙ্গাপুর’।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের এই মুভমেন্ট এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা বর্তমানে মার্কিন বা ইসরায়েলি কোনো জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহার করতে দেবে না।
ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনার প্রধান লক্ষ্য যেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, সেখানে এই সামরিক তৎপরতা নতুন কোনো সংঘাতের উসকানি কি না—তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিশ্লেষণ।
/আশিক
তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের চাপ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু, রাজি হলেন কেবল ট্রাম্প!
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক প্রশাসনের ওপর তীব্র চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।
শুক্রবার ‘দ্য ব্রিফিং উইথ জেন পসাকি’ অনুষ্ঠানে তিনি জানান, বারাক ওবামা, জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং জো বাইডেন—সবাই নেতানিয়াহুর এই সরাসরি যুদ্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে কেরির দাবি অনুযায়ী, একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্পই এই প্রস্তাবে শেষ পর্যন্ত সম্মতি দিয়েছিলেন।
নেতানিয়াহুর পরিকল্পনাটি ছিল একটি ‘চার দফা প্রস্তাব’, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটিতে সরকার পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা। জন কেরি জানান, বিষয়টি নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে মতভেদ থাকলেও ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুসারে, এই ধারাবাহিকতার চূড়ান্ত রূপ দেখা যায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার নিহতের খবর পাওয়া যায়, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি করে।
এই হামলার জবাবে ইরানও থেমে থাকেনি; তারা ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধাক্কা দেয়। টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীনের মতো দেশগুলোর মধ্যস্থতায় অবশেষে একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
এই প্রেক্ষাপটেই আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশ স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে ঐতিহাসিক সংলাপে বসতে যাচ্ছে। জন কেরির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন সারা বিশ্বের নজর ইসলামাবাদের এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের দিকে।
/আশিক
সৌদিতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের বহর: বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি না কি শান্তি রক্ষা?
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন এক মেরুকরণ দেখা দিয়েছে। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর একটি শক্তিশালী দল যুদ্ধবিমানসহ সৌদি আরবে পৌঁছেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, সৌদি আরবের ইস্টার্ন সেক্টরের কিং আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে এই বহরটি অবতরণ করেছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এই সামরিক দলে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি রয়েছে প্রয়োজনীয় সহায়তাকারী বিমান। দুই দেশের মধ্যে গত ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ অনুযায়ী, যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। মূলত দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অপারেশনাল সমন্বয় বাড়ানো এবং কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধিই এই মোতায়েনের প্রধান লক্ষ্য।
তবে এই মোতায়েনের নেপথ্যে আরও একটি বড় কারণ রয়েছে। ইসলামাবাদে আজ শনিবার শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান একটি বিশেষ ‘আয়রন এসকর্ট’ বা আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছে।
ইরানি প্রতিনিধিদলকে তেহরান থেকে নিরাপদে ইসলামাবাদে নিয়ে আসার দায়িত্ব নিয়েছে পাকিস্তান, যাতে আকাশপথে ইসরায়েলি হামলার কোনো ঝুঁকি না থাকে। এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলো শুক্রবার সকাল থেকেই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানের বন্দর আব্বাসের নিকটবর্তী আকাশসীমায় অবস্থান করছে।
সি-১৩০ হারকিউলিস এবং আকাশেই জ্বালানি ভরার উপযোগী আইএল-৭৮ ট্যাঙ্কার বিমানের উপস্থিতি নিশ্চিত করছে যে, পারস্য উপসাগর থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত পুরো এলাকা এখন পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর কড়া নজরে।
/আশিক
শিগগিরই খুলছে হরমুজ প্রণালি! বিশ্বকে বড় বার্তা দিলেন ট্রাম্প
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই এই প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেবে।
তবে কাজটি যে সহজ হবে না, সেটিও অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে নয় বরং অন্যান্য দেশের সহযোগিতায় এই নৌপথটি উন্মুক্ত করতে চায়, যদিও নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম তিনি প্রকাশ করেননি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই তেহরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রাখে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং এলপিজি এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়, ফলে এই অবরোধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও এখনো জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় তেলের দাম আকাশচুম্বী এবং বিশ্ববাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
ট্রাম্প এই পরিস্থিতির জন্য ন্যাটো মিত্রদের ওপরও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, নৌপথটি নিরাপদ রাখতে ইউরোপীয় দেশগুলো যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে না। রয়টার্সের তথ্যমতে, ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে ট্রাম্পের সাথে বৈঠকের পর ইউরোপীয় দেশগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এখন মিত্রদের কাছ থেকে কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি চায়।
হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি এবং লাখো মানুষের বাস্তুচ্যুতির পর এই নাজুক যুদ্ধবিরতি কতটা স্থায়ী হয় এবং হরমুজ প্রণালি কবে নাগাদ পুরোপুরি সচল হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
শান্তি আলোচনার মাঝে অর্থের প্যাঁচ! ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে লুকোচুরি
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার হাই-ভোল্টেজ আলোচনার মাঝেই ৬০০ কোটি ডলারের (৬ বিলিয়ন) বিশাল এক তহবিল ঘিরে নাটকীয়তা শুরু হয়েছে। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেছেন, কাতারসহ বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা এই জব্দকৃত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। তেহরান এই পদক্ষেপকে ‘আন্তরিকতার লক্ষণ’ হিসেবে স্বাগত জানালেও মার্কিন কর্মকর্তারা এই দাবি দ্রুত নাকচ করে দিয়েছেন।
রয়টার্সের তথ্যমতে, এই অর্থ ছাড়ের বিষয়টি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের শর্তের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মূলত ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর দক্ষিণ কোরিয়ায় তেল বিক্রির এই অর্থ আটকে যায়।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় এই ৬০০ কোটি ডলার কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হলেও, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর বাইডেন প্রশাসন পুনরায় তা স্থগিত করে। মার্কিন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট অবস্থান ছিল যে, এই অর্থ কেবল মানবিক প্রয়োজনে (খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম) ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে।
বর্তমানে ইসলামাবাদে চলমান সংলাপে এই তহবিল ছাড়ের বিষয়টি তেহরানের অন্যতম প্রধান দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ইরানের দাবির সপক্ষে বক্তব্য এবং অন্যদিকে ওয়াশিংটনের অস্বীকৃতি—এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান চলমান কূটনৈতিক আলোচনার জটিলতাকেই আরও স্পষ্ট করছে। মার্কিন প্রশাসনের এই অস্বীকৃতি ইসলামাবাদের ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনার স্থায়ী সমাধানকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানে: অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ!
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে সারা বিশ্বের দৃষ্টি এখন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদকে বর্তমানে একটি দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল যখন ইরানের প্রতিনিধিদলের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে, তখন থেকেই দেশটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিমানবন্দরে ইরানের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তেহরানের এই শক্তিশালী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বিমানবন্দর থেকে প্রতিনিধিদলটি বের হওয়ার পর পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস ইউনিট এবং এলিট কমান্ড ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশাল কনভয় তাদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যায়।
এই আলোচনার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে পাকিস্তান সরকার ইসলামাবাদে দুই দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া শহরজুড়ে প্রায় ১০ হাজার অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে কোনো কূটনৈতিক সফরের ক্ষেত্রে বিরল।
বর্তমানে ইসলামাবাদের অতি গুরুত্বপূর্ণ ‘রেড জোন’ এলাকা, যেখানে সরকারি ভবন ও বিভিন্ন দূতাবাস অবস্থিত, তা পুরোপুরি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল বিকেল পর্যন্ত রেড জোনে সাংবাদিকদের প্রবেশের সুযোগ থাকলেও এখন সেখানে সব ধরনের যান চলাচল ও সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
রেড জোনের সীমানার বাইরে এখন দেশি-বিদেশি অসংখ্য সংবাদকর্মীর ভিড় জমেছে। আল জাজিরার ভাষ্যমতে, এই বৈঠককে সফল করতে পাকিস্তান কোনো ধরনের ত্রুটি রাখতে চাইছে না। তবে আলোচনার টেবিলে দুই পরাশক্তি শেষ পর্যন্ত কতটুকু ছাড় দেবে, তা নিয়েই এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
/আশিক
পাকিস্তানগামী বিমানে শিশুদের ছবি! কী বোঝাতে চাইলেন গালিবাফ?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির লক্ষ্য নিয়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। ইরানের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তবে বর্তমানে আলোচনার টেবিলের চেয়েও বেশি চর্চা হচ্ছে গালিবাফের সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা একটি বিশেষ ছবি নিয়ে।
স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, তাঁর বিমানে বেশ কিছু আসন খালি রাখা হয়েছে এবং সেই আসনগুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ইরানের মিনাব এলাকার একটি স্কুলে হামলায় নিহত শিশুদের ছবি ও তাদের ব্যবহৃত কিছু ব্যক্তিগত সরঞ্জাম। ছবির ক্যাপশনে তিনি অত্যন্ত আবেগঘনভাবে লিখেছেন, ‘ফ্লাইটে আমার সঙ্গীরা, মিনাব ১৬৮।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার সময় মিনাব এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, যেখানে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। নিহত সেই শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং বিশ্ববাসীর কাছে তাদের স্মৃতি তুলে ধরতেই গালিবাফ এই প্রতীকী উদ্যোগ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গালিবাফের এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের একটি বড় অংশ বিষয়টিকে অত্যন্ত মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল শোক প্রকাশ নয় বরং শান্তি আলোচনার আগে ইরান যে বেসামরিক হতাহতের বিষয়টি বিশ্ব দরবারে জোরালোভাবে তুলতে চায়, এটি তারই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা। ইসলামাবাদে আলোচনা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে এমন একটি ছবি চুক্তির গতিপ্রকৃতি ও দুই পক্ষের অবস্থানের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল, শুরু হচ্ছে মূল পর্ব
বিশ্বের সব নজর এখন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি দলকে বহনকারী একটি সরকারি বিমান আজ সকালেই ইসলামাবাদে অবতরণ করেছে।
এই শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
দুই পক্ষই ইসলামাবাদে পৌঁছালেও তাদের মধ্যে বিদ্যমান ‘অবিশ্বাস’ কাটেনি। গালিবাফ বিমানবন্দরে নেমেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু আমেরিকানদের ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই।”
ইসলামাবাদকে বর্তমানে একটি দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ‘রেড জোন’ এলাকা পুরোপুরি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও যান চলাচল নিষিদ্ধ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখান থেকে তারা এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
পাকিস্তান ও চীনের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই সংলাপে মূলত ৬ সপ্তাহের যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও লেবানন পরিস্থিতি ও পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে বড় ধরনের মতবিরোধ বজায় রয়েছে।
/আশিক
ওয়াশিংটনে মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল-লেবানন: শান্তির পথে বড় মোড়
মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক মোড় দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার প্রথমবারের মতো সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন।
এই ফোনালাপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার একটি আনুষ্ঠানিক পথ তৈরি হলো। এই সংলাপে বৈরুতে থাকা মার্কিন দূত মিশেল ইসাও যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে এই বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেখানে মূলত একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সরাসরি শান্তি আলোচনার রূপরেখা ও তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একটি বড় শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তারা লেবানন সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা শুরু করতে সম্মত হলেও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি বা আলোচনায় বসবে না। ইসরায়েলের ভাষায়, হিজবুল্লাহ একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ এবং তারা শান্তির পথে প্রধান বাধা।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো অঞ্চল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং হিজবুল্লাহর পাল্টা রকেট নিক্ষেপে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
গত মাসে ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকে লেবাননে ১ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত ৮ এপ্রিল মাত্র ১০ মিনিটের ঝটিকা বিমান হামলায় ৩০৩ জন নিহতের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক নিন্দার ঝড় তোলে।
প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সাফ জানিয়েছেন, লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেই তারা শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে। এখন সবার নজর মঙ্গলবারের ওয়াশিংটন বৈঠকের দিকে, যা এই অঞ্চলের ভাগ্যের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সাধারণ দর্শকের বেশে বেইলি রোডে প্রধানমন্ত্রী! সপরিবারে দেখলেন শিশুদের নাটক
- মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পিছু নিল ইরান! হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি
- এক দিনে ২০০ হামলা! লেবাননে ইসরায়েলি তাণ্ডবে থমকে যেতে পারে শান্তি আলোচনা
- যুক্তরাষ্ট্রে ওপেনএআই সিইওর বাসায় হামলা
- তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের চাপ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু, রাজি হলেন কেবল ট্রাম্প!
- ইমামকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে কাইয়ুম নামে এক ব্যক্তি আটক
- সেই আলোচিত তরুণীর নতুন রাজনৈতিক যাত্রা! বিএনপির মনোনয়ন নিলেন
- বিশ্বজুড়ে এখন ‘থ্যাংক ইউ পাকিস্তান’! পাল্টে গেল শাহবাজ সরকারের ভাবমূর্তি
- সৌদিতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের বহর: বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি না কি শান্তি রক্ষা?
- ১১ উপজেলায় একযোগে যাত্রা শুরু! কৃষক কার্ড নিয়ে বড় ঘোষণা
- শিগগিরই খুলছে হরমুজ প্রণালি! বিশ্বকে বড় বার্তা দিলেন ট্রাম্প
- গুরুতর আহত হয়েও ইরান চালাচ্ছেন নতুন সর্বোচ্চ নেতা
- শান্তি আলোচনার মাঝে অর্থের প্যাঁচ! ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে লুকোচুরি
- কফিশপ নয়, ডেটিংয়ের জন্য এখন কবরস্থানই পছন্দ জেন-জিদের!
- তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই: জামায়াত আমির
- সাবধান! ফোনের এই অ্যাপগুলো এখনই মুছে ফেলুন, না হলে সব শেষ
- সড়কে রক্তক্ষয়ী মাস! লাশের মিছিলে যোগ হলো ৫৩২ প্রাণ
- নিউজিল্যান্ড সিরিজে পূর্ণ শক্তির টাইগার দল! অধিনায়ক মিরাজ
- বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানে: অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ!
- পাকিস্তানগামী বিমানে শিশুদের ছবি! কী বোঝাতে চাইলেন গালিবাফ?
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
- ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল, শুরু হচ্ছে মূল পর্ব
- যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানিসংকট: ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ওয়াশিংটনে মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল-লেবানন: শান্তির পথে বড় মোড়
- আজকের মুদ্রার রেট: জেনে নিন কোন দেশের কত টাকা
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন সমীকরণ: ইরানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিচ্ছে চীন!
- আজ শনিবার: রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকান বন্ধ থাকবে
- পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়লেই মিলবে ইরানের সাথে চুক্তি: ট্রাম্প
- চাঁদ জয় করে ফিরল ‘আর্টেমিস-২’: প্রশান্ত মহাসাগরে নাসার ঐতিহাসিক অবতরণ
- লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
- আজকের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
- ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমলো স্বর্ণের দর
- আজকের লাইভ খেলা, কখন কোথায় দেখবেন
- শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ, জানুন এলাকা
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান
- পর্দার আড়ালে চীনের মাস্টারস্ট্রোক: রক্ষা পেল যুদ্ধবিরতি
- বিল পাসের পর 'বুঝলাম না' বলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- সৌদি লিগে ‘রোনালদো-পক্ষপাত’! রেফারিদের নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড
- ইরান না কি ইসরায়েল, কে জিতল? ইসরায়েলিদের জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- যুদ্ধ না কি শান্তি? যেকোনো একটি বেছে নাও: ইরান
- চলতি অধিবেশনে চতুর্থবার ওয়াকআউট: বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তুঙ্গে
- কালো সোনার মহাকাব্য: যেভাবে ‘তেল’ হয়ে উঠল বিশ্ব শাসনের মূল চাবিকাঠি
- শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলবে: হিজবুল্লাহ প্রধান
- ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি: লেবানন ইস্যুতে আলোচনার শুরুতেই হোঁচট
- ১৬ বছরের লুটপাটে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী
- ঢাকাসহ ৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরগুলোতে সতর্কতা
- বিপাকে বাংলাদেশি জাহাজ: হরমুজ প্রণালিতে বাধা দিল ইরান
- রাডার থেকে উধাও যুক্তরাষ্ট্রের ২০ কোটি ডলারের ড্রোন: নেপথ্যে কি ইরান?
- আওয়ামী প্রশ্ন: নিষিদ্ধের রাজনীতি নাকি ফ্যাসিবাদী কাঠামোর ব্যবচ্ছেদ?
- যুদ্ধবিরতির আড়ালে আগুন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, বাড়ছে মানবিক বিপর্যয়
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- আল জাজিরার লাইভ: ইরান থেকে সফলভাবে ফিরেছেন মার্কিন পাইলট
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা








