সুস্থ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করতে ৫টি মারাত্মক ভুল এড়িয়ে চলুন

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল একটি সময়। এই পর্যায়টি যেমন আনন্দ ও উত্তেজনার বার্তা নিয়ে আসে, তেমনি মা ও শিশু উভয়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হয়। অনেক নারী এই সময়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করলেও প্রায়ই ভুল তথ্য, অহেতুক ভয় কিংবা সামাজিক চাপের কারণে কিছু সাধারণ কিন্তু মারাত্মক ভুল করে ফেলেন। এই ভুল সিদ্ধান্তগুলো অনেক সময় মা ও গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গর্ভাবস্থায় সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে অধিকাংশ জটিলতা এড়িয়ে একটি সুস্থ ও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা সম্ভব।
গর্ভাবস্থায় অন্যতম প্রধান ভুল হলো প্রসবপূর্ব চেকআপ বা নিয়মিত ডাক্তারি পরীক্ষা এড়িয়ে চলা কিংবা এতে বিলম্ব করা। নিয়মিত চেকআপ মিস করলে শিশুর সঠিক বৃদ্ধি যেমন পর্যবেক্ষণ করা যায় না, তেমনি মায়ের রক্তচাপের ওঠানামা কিংবা রক্তে শর্করার মাত্রার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে এই পরীক্ষাগুলো করালে গর্ভাবস্থাকালীন যেকোনো জটিলতা প্রাথমিক পর্যায়েই নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। পুষ্টির বিষয়েও অনেক সময় অজ্ঞতা বা ভুল খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করতে দেখা যায়। প্রচলিত একটি ধারণা হলো ‘দুজনের জন্য খেতে হবে’, যা আসলে বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। গর্ভাবস্থায় খাবারের পরিমাণের চেয়ে খাবারের গুণগত মানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া বেশি জরুরি। প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং বিশেষ করে ফলিক অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করা আবশ্যক। যেকোনো নতুন ডায়েট শুরুর আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া তাই অপরিহার্য।
আরেকটি আশঙ্কাজনক ভুল হলো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বা ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবহার করা। গর্ভাবস্থায় সাধারণ ব্যথানাশক বা ঠান্ডা লাগার ওষুধও ভ্রূণের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এমনকি অনেক ভেষজ উপাদানও গর্ভাবস্থায় হিতে বিপরীত ফল দিতে পারে। তাই কোনো ওষুধ গ্রহণের আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ছাড়পত্র নেওয়া উচিত। পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম একদম বন্ধ করে দেওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মাঝারি মাত্রার শারীরিক সক্রিয়তা, যেমন নিয়মিত হাঁটাচলা, প্রসবপূর্ব যোগব্যায়াম বা হালকা স্ট্রেচিং গর্ভকালীন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকা বরং রক্তচাপ বৃদ্ধি বা প্রসবকালীন জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
পরিশেষে, মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য এবং চাপের বিষয়টি অনেক সময় গুরুত্ব পায় না, যা একটি বড় ধরণের অবহেলা। গর্ভাবস্থায় মানসিক চাপ বা উদ্বেগ স্বাভাবিক মনে হলেও এটি সরাসরি মায়ের ঘুম ও হরমোনের ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর প্রভাব পড়তে পারে শিশুর বিকাশের ওপরও। তাই শারীরিক অসুস্থতার মতোই মানসিক অবস্থার বিষয়েও চিকিৎসকের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা প্রয়োজন। সঠিক পুষ্টি, নিয়মিত চিকিৎসা সেবা, পরিমিত ব্যায়াম এবং দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপনই পারে একজন মা ও তাঁর অনাগত শিশুর জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে।
হাম রুখতে দেশজুড়ে কাল থেকে ‘মেগা’ টিকাদান কর্মসূচি
হামের মহামারি রুখতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। দেশের বর্তমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা এবং ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার চার সিটি করপোরেশনে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং এই রোগে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর। এই সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করে বলেছেন, বিগত দুই সরকারের আমলে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া ছিল একটি ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ এবং এটি একটি ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে টিকা কর্মসূচি গ্রহণ করায় পরিস্থিতির বড় ধরনের অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অভিভাবকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, যেসব শিশুর বর্তমানে জ্বর রয়েছে, তাদের সুস্থ হওয়ার পর টিকা দিতে হবে। এছাড়া হামের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৪ সপ্তাহ পার না হলে শিশুকে এই বিশেষ টিকা দেওয়া যাবে না। সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে হামের সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।
/আশিক
ডায়াবেটিস কি তবে শেষ? ছোলার পানির জাদুকরী ক্ষমতা!
ডায়াবেটিস বর্তমানে একটি দুরারোগ্য ব্যাধি হিসেবে দেখা দিলেও জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এবং ঘরোয়া অভ্যাসের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের কাছে থাকা সাধারণ ছোলাই হতে পারে এই সমস্যার দারুণ সমাধান। বিশেষ করে ছোলা ভেজানো পানি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অবিশ্বাস্য ভূমিকা পালন করে।
ছোলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন রাতে দুই মুঠো ছোলা পরিমাণমতো পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ভেজানো ছোলার পানি নিয়মিত পান করলে পেটের মেদ কমার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ছোলার পানির পাশাপাশি মেথি ভেজানো পানিও অত্যন্ত কার্যকর। মেথিতে থাকা ফাইবার কার্বোহাইড্রেট এবং চিনি শোষণের গতি কমিয়ে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। এ ছাড়া দারুচিনির ব্যবহার ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বা রান্নায় সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্যদিকে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য করলার রস একটি ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে কাজ করে। করলার মধ্যে থাকা চারাটিন এবং মোমর্ডিসিন উপাদান সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে আধা কাপ করলার রস পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তবে এসব ঘরোয়া উপাদানের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়াম করা জরুরি, কারণ শারীরিক পরিশ্রম পেশিকে রক্ত থেকে চিনি ব্যবহার করতে সাহায্য করে। যেকোনো ঘরোয়া পদ্ধতি শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
/আশিক
কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
কিডনিতে পাথর হওয়া বর্তমানে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার পেছনে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম অক্সালেট নামক পাথরের ক্ষেত্রে অক্সালেটযুক্ত খাবারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পালং শাক, বিট, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, চকোলেট, চা এবং সয়া জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে।
এই খাবারগুলো অতিরিক্ত গ্রহণ করলে শরীরে অক্সালেটের মাত্রা বেড়ে যায় এবং তা মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হওয়ার সময় ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে স্ফটিক তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে বড় পাথরে পরিণত হয়। তবে এসব খাবার খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বরং পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, অক্সালেটযুক্ত খাবারের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে অক্সালেটের শোষণ কমে যায়, যা পাথর তৈরির ঝুঁকি হ্রাস করে।
কিডনি সুস্থ রাখতে শুধুমাত্র অক্সালেট নিয়ন্ত্রণই যথেষ্ট নয় বরং সামগ্রিক জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি পাথর প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এছাড়া খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন কমিয়ে সুষম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত। ফলমূল ও শাকসবজির মতো ক্ষারধর্মী খাবার মূত্রের স্বাভাবিক পিএইচ মান ধরে রাখতে এবং সাইট্রেটের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়ক।
পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ স্থূলতা ও ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে কিডনি পাথরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
হাম হলে কী করবেন? জরুরি নির্দেশনা জানুন
দেশে সংক্রামক রোগ হিসেবে হাম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামে আক্রান্ত হলে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা এবং পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ অবহেলা করলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাম ধরা পড়লে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। একই সঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৪ থেকে ৭ দিন আলাদা ঘরে আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।
রোগীর শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা ডাবের পানি, ফলের রস এবং স্যুপের মতো সহজপাচ্য তরল খাবার বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না দেখা দেয়।
হামের কারণে জ্বর ও শরীর ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
এছাড়া রোগীর ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা রাখা এবং মাস্ক ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
হামের সময় চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা কষ জমা একটি সাধারণ উপসর্গ। এ ক্ষেত্রে ফুটিয়ে ঠান্ডা করা পরিষ্কার পানি ও তুলা দিয়ে আলতোভাবে চোখ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিলে রোগীর আরাম পেতে সহায়তা করে।
চিকিৎসাবিদরা আরও বলেন, হাম হলে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা উচিত। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিলে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। যেমন শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত জ্বর বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো টিকাদান। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
সামগ্রিকভাবে, সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই হামকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে এবং আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৮ জনে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৩৩ জনে। এর মধ্যে শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৫৭৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৯ জন। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ৫ হাজার ২৪১ জন শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ জ্বরের সাথে শরীরে লালচে র্যাশ বা দানা দেখা দিলে সেটিকে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি চললেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত তরল নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
/আশিক
হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
তীব্র গরমে শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও শরীরে র্যাশের মতো উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই লক্ষণগুলোর অনেকটাই হামের মতো মনে হলেও সব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে হাম শনাক্ত হচ্ছে না। বিশেষ করে নবজাতক থেকে ৬ মাস বয়সি শিশুরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের আলাদা ওয়ার্ডে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে অনেক শিশু হাসপাতালে আসার পাশাপাশি কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা অভিভাবকদের জন্য চরম সতর্কবার্তাস্বরূপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বরের সঙ্গে পাতলা পায়খানা বা শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে সেটিকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি শিশুর অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পাতলা পায়খানা শুরু হয়, তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এছাড়া সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা এবং ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। সরকারি টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে শিশুদের বড় ধরনের বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
/আশিক
সতর্ক হোন! ডায়াবেটিসের এই লক্ষণগুলো অবহেলা করলে বাড়ছে বড় ঝুঁকি
ডায়াবেটিস বর্তমানে অনেকের কাছেই এক সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তবে কেবল নিয়মিত ওষুধ সেবন বা খাবার নিয়ন্ত্রণ করলেই এই রোগ পুরোপুরি আয়ত্তে রাখা সম্ভব হয় না। অনেক সময় রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকলেও শরীরের অভ্যন্তরে এমন কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটতে থাকে, যা শুরুতে আমাদের নজরে আসে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ল্যাবরেটরির রিপোর্টের ওপর নির্ভর না করে নিজের শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোর দিকে নিয়মিত নজর রাখা জরুরি। কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসজনিত বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা আগেভাগেই শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর কিছু প্রাথমিক সংকেত দেয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো ঘনঘন তৃষ্ণা পাওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব হওয়া। এছাড়া পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি শরীর সারাদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে, তবে বুঝতে হবে রক্তে শর্করার ওঠানামা আপনার জীবনীশক্তি কমিয়ে দিচ্ছে।
খাদ্যাভ্যাসে কোনো পরিবর্তন না আনা সত্ত্বেও যদি শরীরের ওজন হঠাৎ কমে যায় বা বেড়ে যায়, তবে সেটিকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা ডায়াবেটিসের একটি গুরুতর লক্ষণ, কারণ উচ্চ শর্করা সরাসরি চোখের লেন্সের ওপর প্রভাব ফেলে।
শরীরের কোনো অংশে ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া বা ঘা যদি সহজে শুকাতে না চায়, তবে তা ডায়াবেটিসের জটিলতার স্পষ্ট ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ শর্করার ফলে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে হাত-পা ঝিনঝিনি করা, জ্বালাপোড়া বা অবশ হওয়ার মতো অনুভূতি তৈরি হয়। এছাড়া ত্বকের অস্বাভাবিক শুষ্কতা, বারবার সংক্রমণ হওয়া বা চুলকানিও এই রোগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। এমনকি হঠাৎ খুব বেশি ক্ষুধা পাওয়া কিংবা খাওয়ার রুচি একেবারে চলে যাওয়াও রক্তে শর্করার ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ হতে পারে।
ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ জীবনযাপন করতে হলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরের এই ভাষাহীন সংকেতগুলো বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লিখিত লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘসময় ধরে স্থায়ী হয়, তবে কালক্ষেপণ না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, প্রাত্যহিক জীবনের ছোট ছোট শারীরিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকলেই ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব।
সূত্র: আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন, মায়ো ক্লিনিক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
যেসব শিশুকে দেওয়া যাবে না হামের টিকা! স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা
অসুস্থ বা জ্বর থাকা শিশুদের এই মুহূর্তে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। তবে যেসব শিশু বর্তমানে উচ্চ জ্বর, তীব্র সংক্রমণ বা শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছে, তাদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া আগে হামের টিকা নিয়ে যাদের মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়েছিল বা যারা ক্যানসারের চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি স্টেরয়েড সেবনের কারণে দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতায় ভুগছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া টিকা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। যারা সম্প্রতি রক্ত বা রক্তজাত পণ্য গ্রহণ করেছে, তাদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে।
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে আগে হামের টিকা নেওয়া শিশুরাও অংশ নিতে পারবে। প্রথম ধাপে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
/আশিক
ক্যানসার দমনে নিমের অবিশ্বাস্য শক্তি! গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
নিমগাছের ভেষজ গুণাবলি এবার অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াটিক) ক্যানসার মোকাবিলায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিমের মধ্যে থাকা 'গেডুনিন' এবং 'নিম্বোলাইড' নামক দুটি প্রাকৃতিক যৌগ ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে অত্যন্ত কার্যকর। টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্সেস সেন্টারের গবেষকদের মতে, গেডুনিন যৌগটি ক্যানসার কোষের বৃদ্ধির জন্য দায়ী 'সনিক হেজহগ' নামক সিগন্যালিং পাথওয়েকে বাধা দেয়, যা অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ কেমোথেরাপির তুলনায় বেশি কার্যকর এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও অনেক কম।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিমের উপাদান ইঁদুর ও কোষের ওপর পরীক্ষায় ক্যানসার কোষের বিস্তার প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। এটি সুস্থ কোষের ক্ষতি না করেই টিউমার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া রোধ করে। তবে গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এই গবেষণাটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই ক্যানসারের বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে শুধু নিমের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মূলধারার চিকিৎসা (সার্জারি বা কেমোথেরাপি) চালিয়ে যাওয়া অপরিহার্য। ভবিষ্যতে ক্যানসারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন নতুন ওষুধ তৈরিতে নিমের এই গুণাবলি বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ক্যানসার ছাড়াও নিমের আরও বহুবিধ স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা দেয়। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ ব্রণ ও এগজিমা সারাতে কার্যকর। এছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও নিমের জুড়ি মেলা ভার। তবে নিমের নির্যাস বা ক্যাপসুল ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ২০ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পরীক্ষার্থী চার বছর ধরে কমেছে
- আবারও বাড়ছে বিদ্যুতের দাম! আবাসিক গ্রাহকদের পকেটে বাড়তি চাপের আশঙ্কা
- বিচার বিভাগে ডিজিটাল বিপ্লব! বগুড়ায় ‘ই-বেইল বন্ড’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- টাকার মান আজ কত? ২০ এপ্রিলের সর্বশেষ মুদ্রা বিনিময় হার জেনে নিন
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর: বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ঘোষণা
- ১৪৭ কিমির বাউন্সারে কিউইদের নাজেহাল করলেন নাহিদ: ব্যাকফুটে নিউজিল্যান্ড
- তেলের বাজারে আগুন! ট্রাম্পের জাহাজ জব্দের ঘোষণায় অস্থির বিশ্ব
- ২১ ঘণ্টার ব্যর্থ মিশন কি এবার সফল হবে? ট্রাম্পের দূতদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ
- ইরানকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়া হবে: ট্রাম্প
- ওমান সাগরে মার্কিন কমান্ডো হামলা! ইরানি জাহাজ দখল নিয়ে রণক্ষেত্র মধ্যপ্রাচ্য
- ভ্যান্সকে ছাড়াই ইরানের মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! প্রতিনিধিদলে থাকছেন যারা
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- আজ সোমবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও এলাকা বন্ধ! বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- নামাজে অবহেলা নয়: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সময়
- প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলায় তারেক রহমান! বগুড়ায় উৎসবের আমেজ
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের দাবি কি ভুল? তেলের বাজারে আগুনের সংকেত
- অবরোধ থাকলে আলোচনা নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি না বলে দিল ইরান
- আগামী ৫ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? শিলাবৃষ্টি নিয়ে বিশেষ বার্তা জারি
- পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি
- আইপিএলের কোটি টাকা প্রত্যাখ্যান! পিএসএল-কে কেন বেছে নিলেন মঈন আলী?
- আওয়ামী লীগের জায়গায় কেবল বিএনপি বসেছে: বিস্ফোরক নাহিদ ইসলাম
- মাথা উঁচু রেখেই যুদ্ধ শেষ করতে চাই: আমেরিকার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্টের বার্তা
- মৌলভীবাজার ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্রস্তাব! রাশেদ খানের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তোলপাড়
- চুক্তিতে না এলে ধ্বংস হবে ইরান: ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি
- ফুরিয়ে আসছে প্রাকৃতিক গ্যাস: ১২ বছরের লাইফলাইন দিল জ্বালানিমন্ত্রী
- শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়বে ইরান! সেনাপ্রধান আমির হাতামির রণহুঙ্কার
- ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে! বড় ঘোষণা নাহিদ ইসলামের
- তেলের পর এবার গ্যাসের ধাক্কা! রোববার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর নতুন দাম
- ১৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৯ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- তপ্ত গরমেও চুল থাকবে রেশমি ও ঝলমলে! জেনে নিন ৫টি সহজ টিপস
- নেতানিয়াহুর ফাঁদে পা দিয়েছেন ট্রাম্প! কমলা হ্যারিসের বিস্ফোরক অভিযোগ
- ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি! সন্ধ্যার মধ্যেই যে অঞ্চলে শুরু হতে পারে ঝড়ের তান্ডব
- হাম রুখতে দেশজুড়ে কাল থেকে ‘মেগা’ টিকাদান কর্মসূচি
- যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না ইরান! যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
- আড়াই দশকের লুকোচুরি শেষ? ইরানের জব্দ করা বিশাল সম্পদের চাঞ্চল্যকর অংক প্রকাশ
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন ১৯ এপ্রিলের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিগত দুই সরকার ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: টিকা নিয়ে বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী!
- মধ্যরাত থেকে তেলের বাজারে আগুন! কোন জ্বালানির দাম কত বাড়ল?
- মার্কিন নতুন প্রস্তাব এখন তেহরানের টেবিলে! কী আছে সেই নথিতে?
- কাঠফাটা রোদ না কি স্বস্তির বৃষ্টি? যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- আজ রোববার রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, ২৫০ জন নিখোঁজ
- ইসরাইলে ১৩ লক্ষ্যবস্তুতে হিজবুল্লাহর হামলা
- ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- পাঁচ জেলায় শুরু হবে ই-হেলথ সেবা কার্যক্রম, মিলবে যেসব সুবিধা
- তেলের দামে বড় পতন
- হরমুজে নতুন শর্ত, ইরানের প্রস্তাবে চমক
- আজ বুধবার: কেনাকাটার আগে জেনে নিন ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় জানুন








