বিএনপি জাতিকে সঠিক পথ দেখাবে: তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১৭:০৯:৪৬
বিএনপি জাতিকে সঠিক পথ দেখাবে: তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে বাংলাদেশ আর কখনোই ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে চায় না। শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা ১১টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম সম্পাদক ও কর্মীদের সাথে আয়োজিত এই বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তারেক রহমান তাঁর বক্তৃতায় অতীতের ট্র্যাজেডি এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের উদাহরণ টেনে বলেন যে ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে অতীতের অন্ধকার পথে ফিরে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে ইতিহাসের কিছু বেদনাদায়ক অধ্যায়কে প্রতীকীভাবে তুলে ধরেন। তিনি ১৯৮১ সালের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজা এবং ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের একটি ঘটনার জানাজার কথা উল্লেখ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটকে বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন যে একদিকে যেমন শোকের ইতিহাস রয়েছে, অন্যদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমাদের এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন যে এটি শুধু তাঁর একার জন্য নয়, বরং দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য এক বিশাল শিক্ষা। বিএনপি যদি ভবিষ্যতে সরকার গঠন করার সুযোগ পায়, তবে তারা জাতিকে একটি সঠিক ও ন্যায়ভিত্তিক পথে পরিচালিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন।

প্রতিহিংসার রাজনীতির করুণ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে তারেক রহমান বলেন যে হিংসা এবং প্রতিশোধের রাজনীতি একটি দল বা ব্যক্তির জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা ৫ আগস্টের ঘটনায় দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকলকে প্রতিহিংসার পথ পরিহার করে জাতীয় সংহতি গড়ে তোলার অনুরোধ জানান। তারেক রহমানের মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ; কিন্তু সেই মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই জাতীয় বিভেদে পরিণত না হয়। বিভেদের রাজনীতি কীভাবে একটি জাতিকে অন্তঃসারশূন্য করে ফেলে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে অনেকের মনে হতাশা থাকলেও তারেক রহমান আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে আশার কথা শোনান। তিনি বলেন যে বিএনপির কাছে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সুনির্দিষ্ট চিন্তা ও পরিকল্পনা রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন এবং এই প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যমের ভূমিকাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে জাতিকে বিভক্ত না করে আলোচনার মাধ্যমে যদি মতপার্থক্য নিরসন করা যায়, তবেই একটি সমৃদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


আ’লীগের ভোট কার বাক্সে? শুরু হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের নীরব লড়াই

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১২:০২:৩৮
আ’লীগের ভোট কার বাক্সে? শুরু হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের নীরব লড়াই
ছবি : সংগৃহীত

৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হলেও দলটির কয়েক দশকের তৈরি হওয়া সমর্থক গোষ্ঠী নির্বাচনের জয়-পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের ভোট প্রাপ্তির হার ৩০ শতাংশ থেকে ৪৮ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে। যদিও বর্তমানে গণহত্যার দায়ে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব পলাতক বা কারাবন্দি, তবুও এই বিশাল নীরব ভোটার গোষ্ঠীকে কেন্দ্রে এনে নিজের পক্ষে রাখাটাই এখন বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াতের ‘ভোট শিকার’ কৌশল

আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে এক ধরণের নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেক স্থানে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মামলার হাত থেকে বাঁচার বা নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের মতে, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেই বুঝে দেশপ্রেমিক ভোটাররা বিএনপির পতাকাতলে আসবে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী আরও এক ধাপ এগিয়ে সরাসরি হিন্দু প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রথাগত সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক ভাঙার কৌশল নিয়েছে। খুলনা-১ আসনে ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী করা এবং বাগেরহাটে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের মনোনয়ন দেওয়া এর উজ্জ্বল উদাহরণ।

সংখ্যালঘু ভোট ও জামায়াতের ভোলবদল

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে আওয়ামী লীগের ‘নিশ্চিত ভোট ব্যাংক’ হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে ত্রয়োদশ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নিজেদের ভাবমূর্তি বদলে সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠন ও মনোনয়ন দিয়ে চমক সৃষ্টি করেছে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের মতে, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোটাধিকার থাকা উচিত এবং তারা এবার ‘সুবিবেচনাপ্রসূত’ হয়েই ভোট দেবেন। এই কৌশলটি সফল হলে তা দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ছক আমূল বদলে দিতে পারে।

এনসিপি-র সমালোচনা ও আওয়ামী লীগের অনড় অবস্থান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই ভোট সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে ‘জুলাই গণহত্যার সঙ্গে আপস’ হিসেবে দেখছে। এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামের মতে, ভোটের জন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে যে—‘যে নির্বাচনে নৌকা নেই, সেই নির্বাচনে ভোট নয়’। এই ‘নো বোট, নো ভোট’ প্রচারণা কার্যকর হলে ভোটার উপস্থিতি কমতে পারে, যা বড় দলগুলোর জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আওয়ামী লীগের এই ‘সাইলেন্ট ভোটার’রা কার দিকে ঝুঁকবেন, তার ওপরই নির্ভর করছে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল। রাজনৈতিক দলগুলো এখন শুধু আদর্শ নয়, বরং সংখ্যার লড়াইয়ে নেমেছে, যেখানে আওয়ামী লীগের ভোটই হতে যাচ্ছে তুরুপের তাস।


কেন ৯১-এর পর বদলে গেল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা? জানুন খালেদা জিয়ার সাহসী ভূমিকা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:১১:৩০
কেন ৯১-এর পর বদলে গেল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা? জানুন খালেদা জিয়ার সাহসী ভূমিকা
ছবি : সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য কেবল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং এটি দেশের অস্তিত্ব রক্ষার এক কঠিন লড়াই। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স ও আইপিসিসি (IPCC)-এর মতো বৈশ্বিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশকে পৃথিবীর অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যদিও বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের ভূমিকা ১ শতাংশেরও কম, তবুও এর ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তুলনাহীন। এই দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের যে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আজ দৃশ্যমান, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচিত হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার শাসনকালে (১৯৯১-১৯৯৬ ও ২০০১-২০০৬)।

৯১-এর ট্রমা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বৈপ্লবিক পরিবর্তন

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম এক জাতীয় ট্রমা, যেখানে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ঠিক এক মাসের মাথায় এই ভয়াবহ দুর্যোগের মুখোমুখি হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এই বিপর্যয় রাষ্ট্রকে নতুন করে উপলব্ধি করায় যে, কেবল ত্রাণ বিতরণ করে দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটেই ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো’। এর মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলায় কেবল ‘প্রতিক্রিয়াভিত্তিক’ ব্যবস্থা থেকে সরে এসে ‘ঝুঁকি হ্রাসভিত্তিক’ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সূচনা ঘটে, যা পরবর্তীকালে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতি ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রস্তুতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

নীতিগত সংস্কার ও পরিবেশ শাসনব্যবস্থা

নব্বইয়ের দশকে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করার লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে প্রথম জাতীয় পরিবেশনীতি প্রণয়ন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে আসে ঐতিহাসিক ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন’। এই আইনের মাধ্যমে শিল্পকারখানার জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয় এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরকে আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়। একই সাথে 'ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান' (NEMAP) প্রণয়নের মাধ্যমে মাটি, বায়ু ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষাকে সমন্বিত রূপ দেওয়া হয়।

উপকূলীয় সুরক্ষা ও অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি

দুর্যোগের আগাম প্রস্তুতিতে খালেদা জিয়ার সরকার ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP)-কে আধুনিক ও বিস্তৃত করে।

নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা বাড়ানো হয় এবং সতর্কবার্তার সক্ষমতা ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত উন্নীত করা হয়।

১৯৯১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে এক হাজারের বেশি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, যা আজও দুর্যোগের সময় জীবন রক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।

উপকূলীয় অঞ্চলে ৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি বাঁধ মেরামত ও ‘গ্রিন বেল্ট’ বা সবুজ বেষ্টনী তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরবনের মতো পরিপক্ব বন জলোচ্ছ্বাসের শক্তি ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে সক্ষম।

এর ফলাফল ছিল অভূতপূর্ব। ১৯৭০ সালের তুলনায় পরবর্তী বড় ঘূর্ণিঝড়গুলোতে প্রাণহানির সংখ্যা ৯০ শতাংশেরও বেশি কমে আসে, যা বাংলাদেশকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

খাদ্য নিরাপত্তা ও সাহসী পরিবেশবাদী সিদ্ধান্ত

জলবায়ু পরিবর্তন কেবল দুর্যোগ নয়, বরং এটি দারিদ্র্য ও খাদ্যের সাথে সরাসরি যুক্ত। বেগম জিয়ার আমলে দারিদ্র্যের হার ৫৬ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং খাদ্যশস্যের উৎপাদন বৃদ্ধি জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। ২০০৫ সালে তাঁর সরকারই বাংলাদেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা (NAPA) প্রণয়ন করে।

নগর পরিবেশ সুরক্ষায় তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত ছিল আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত

২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধকরণ, জলাবদ্ধতা ও নদীদূষণ রোধে এটি ছিল অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপ।

২০০৩ সালে ঢাকায় টু-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার বন্ধ করে বায়ুদূষণ ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক জলবায়ু কূটনীতি ও ন্যায়বিচার

আন্তর্জাতিক ফোরামে বেগম খালেদা জিয়া প্রথম সারির নেতা হিসেবে ‘জলবায়ু ন্যায়বিচার’ বা Climate Justice-এর দাবি তোলেন। ১৯৯২ সালের রিও আর্থ সামিট থেকে শুরু করে বিভিন্ন বৈশ্বিক মঞ্চে তিনি বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা রয়েছে বাংলাদেশের মতো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থ ও প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করার। ২০০২ সালে তিনি বলেছিলেন, “কিছু দেশের জন্য এটি জীবনযাত্রার হুমকি হলেও বাংলাদেশের জন্য এটি বেঁচে থাকার প্রশ্ন।”

যদিও প্রশাসনিক দুর্বলতা বা দুর্নীতির মতো চ্যালেঞ্জ কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবায়নকে ব্যাহত করেছে, তবুও ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা আজকের যে আন্তর্জাতিক ক্ষতিপূরণ দাবি—তার অনেকগুলোর বীজ রোপিত হয়েছিল সেই নব্বইয়ের দশকেই। অতীতের এই অভিজ্ঞতা আজ জলবায়ু পরিবর্তনের এই অস্তিত্ব রক্ষার সংকটে আমাদের সঠিক পথ দেখায়।

লেখক : অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারম্যন, ফাউন্ডেশন ফর জিওইন্টেলিজেন্স পলিসি সাপোর্ট


ক্ষমতার মালিক হবে জনগণ, বললেন আমীর খসরু

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৯ ২১:০২:২২
ক্ষমতার মালিক হবে জনগণ, বললেন আমীর খসরু
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের যে আদর্শিক মশাল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছেন, সেই আলোকবর্তিকা নিয়েই এগিয়ে চলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরের দক্ষিণ মধ্য হালিশহর, গোসাইলডাঙ্গা ও মুনিরনগর ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয় প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসনের রুহের মাগফেরাত কামনায়।

আমীর খসরু বলেন, তারেক রহমান ভবিষ্যতে রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে কোনো অস্পষ্টতা বা গোপনীয়তা রাখেননি। তিনি জনগণের সামনে একটি স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রদর্শন উপস্থাপন করেছেন, যেখানে রাষ্ট্রক্ষমতার সুফল কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সরকারের সুবিধা ও ন্যায়বিচার ভোগ করতে পারে, সেই কাঠামোই গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতিতে ক্ষমতার প্রকৃত মালিক জনগণ। জনগণের ভোট ও মতামতের মাধ্যমেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং জনগণের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

আলোচনায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে পুরো জাতি গভীরভাবে শোকাহত। দীর্ঘ সময় ধরে যিনি আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যিনি কর্মীদের সাহস ও দৃঢ়তা জুগিয়েছেন, তিনি ছিলেন আপসহীন রাজনীতির প্রতীক।

তার ভাষায়, বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি নীতিগত অবস্থান থেকে সরে আসেননি। সুযোগ-সুবিধা বা চিকিৎসার বিনিময়ে আপস করার পথ তার সামনে খোলা থাকলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই আপসহীনতাই বিএনপির রাজনীতির মূল শক্তি।

আমীর খসরু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে গণতান্ত্রিক আদর্শের মশাল বেগম খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিয়েছিলেন, সেই মশালই আজ তারেক রহমান বহন করছেন। এই ধারাবাহিকতাই বিএনপির রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর, মোহাম্মদ মুসা, হাজী জাহিদুল হাসান, ছাত্রদলের মহানগর আহ্বায়ক সাইফুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তানভীরসহ আরও অনেক সিনিয়র নেতা।

সভাপতিত্ব করেন মুনিরনগর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দিন শাহিন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন সাবু ও হারুনুর রশিদ।

-রাফসান


নির্বাচনবিরোধীরাই মোসাব্বির হত্যায় জড়িত: সালাহউদ্দিন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৯ ১৯:২৬:৫৫
নির্বাচনবিরোধীরাই মোসাব্বির হত্যায় জড়িত: সালাহউদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যারা নির্বাচন চায় না এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে আগ্রহী, তারাই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীতে মোসাব্বিরের বাসায় গিয়ে তার শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন আহমদ এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ।

তার ভাষায়, পরিকল্পিতভাবে মোসাব্বিরকে টার্গেট করা হয়েছে এবং এর পেছনে নির্বাচনবিরোধী শক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তিনি এ ঘটনাকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার ধারাবাহিক অপচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের দাবি জানান বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, যারা নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়, সেই জাতীয় অপশক্তিরাই এ ধরনের সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এসব ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, পতিত স্বৈরাচারী শক্তি ও তাদের সহযোগীরা সহিংসতা সৃষ্টি করে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে। তার মতে, এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

হত্যাকাণ্ডে নিহত মোসাব্বিরের পরিবারকে দলীয়ভাবে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মোসাব্বিরের স্ত্রী ও সন্তানদের জীবনের সব প্রয়োজন বিএনপি দায়িত্ব নিয়ে দেখবে। পরিবারটি যেন কোনোভাবেই অসহায় অবস্থায় না পড়ে, সে বিষয়ে দল সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন আজিজুর রহমান মোসাব্বির। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সেদিন রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে তেজতুরী বাজার এলাকায় স্টার কাবাবের পেছনে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

-রফিক


ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় ভোটে প্রভাব ফেলে না: মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৯ ১২:১৯:০৪
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় ভোটে প্রভাব ফেলে না: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তবে বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেভাবে অবনতি ঘটছে, তাতে বিএনপি সন্তুষ্ট নয় এবং এটি নির্বাচনী পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেভাবে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতা ঘটছে, তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে এবং তার দলের বহু নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে যাতে এই ধরনের সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সরকারকে আগাম ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় নির্বাচন নিয়ে জনগণের যে প্রত্যাশা, তা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ছাত্র সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন কখনোই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ওপর প্রভাব ফেলেনি এবং ভবিষ্যতেও ফেলবে না। তিনি বলেন, এ দুই ধরনের নির্বাচন ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতায় পরিচালিত হয়, তাই এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

এ সময় তিনি অবহেলিত অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফর ও রাজনৈতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

বিএনপি মহাসচিবের মতে, সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বাস্তব উন্নয়ন অপরিহার্য।

-রফিক


কেন বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করছে বিএনপি? সালাহউদ্দিন আহমদের সোজাসাপ্টা জবাব

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৮:১৮:০৫
কেন বিদ্রোহীদের বহিষ্কার করছে বিএনপি? সালাহউদ্দিন আহমদের সোজাসাপ্টা জবাব
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, পরাজিত ও পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতেই সুপরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের বিচ্ছিন্ন সংঘাত আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারবে না। তাঁর মতে, দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের বিষয়ে নীতিগতভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো অপশক্তিই এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে রুখতে পারবে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রতিকূলতা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সফলভাবেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর ও আচরণবিধি বিতর্ক গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আসন্ন উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এই সফরের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করেছেন যে, শহীদদের চেতনাকে ধারণ করা এবং তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া বিএনপির নৈতিক দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, এই সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো ন্যূনতম সুযোগ নেই। বরং জুলাই অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের কবর জিয়ারত করা একটি জাতীয় প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিনের ভাষ্যমতে, জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমান শহীদদের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন। তিনি মনে করেন, মহান অভ্যুত্থানকে হৃদয়ে ধারণ করার এটাই শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হতে পারে। এই সফরকে কেবল নির্বাচনী প্রচার হিসেবে না দেখে বরং জাতীয় আবেগের সাথে সংহতি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন এই শীর্ষ বিএনপি নেতা।

দলীয় মনোনয়ন ও বিদ্রোহী প্রার্থী সামলানোর চ্যালেঞ্জ আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ সংকটের কথা খোলাখুলিভাবে স্বীকার করেছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, বিএনপির মতো একটি সুবিশাল রাজনৈতিক দলে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি এবং তাদের সবারই সংসদ সদস্য হওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তবে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে এবং আসন সমঝোতার প্রয়োজনে অনেক যোগ্য ও ত্যাগী প্রার্থীকে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করতে হয়েছে।

মনোনয়ন না পাওয়া প্রার্থীদের মনে গভীর কষ্ট রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অভিমানের কারণেই অনেকে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছেন। এই সংকট নিরসনে বিএনপি ইতিমধ্যেই কিছু কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে বিদ্রোহীদের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সালাহউদ্দিন আশা প্রকাশ করেন যে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই দলীয় ঐক্য পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সব অভ্যন্তরীণ বিবাদ মীমাংসা করা সম্ভব হবে।

নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর তোলা অভিযোগের বিষয়েও কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন যে, যদি কোনো দলের এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা অসন্তোষ থাকে, তবে তাদের উচিত সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) তা জানানো। ইসির ওপর দায়ভার ছেড়ে দিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকে আইনি পথে যাওয়ার পরামর্শ দেন।


আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ৬১ ইউপি সদস্য, বিএনপিতে যোগদান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৪:৫৯:০৮
আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ৬১ ইউপি সদস্য, বিএনপিতে যোগদান
ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্থানীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ৬১ জন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য দলীয় অবস্থান পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছেন। বুধবার রাতে আদিতমারী–কালিগঞ্জ এলাকার রাজনীতিতে এই দলবদলকে একটি বড় ঘটনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাত আনুমানিক ১০টার দিকে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং আদিতমারী–কালিগঞ্জ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল–এর বাসভবনে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে নবাগত ইউপি সদস্যরা ফুলের তোড়া দিয়ে রোকন উদ্দিন বাবুলকে শুভেচ্ছা জানান এবং ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির প্রতি তাদের সমর্থন ঘোষণা করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রোকন উদ্দিন বাবুল বলেন, গত প্রায় ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার আদিতমারী ও কালিগঞ্জ উপজেলায় দৃশ্যমান ও টেকসই কোনো উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, উন্নয়নের নামে এই সময়কালে লুটপাট, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং জীবনযাত্রার মান পিছিয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে এই অঞ্চলের রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণসহ গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আধুনিকীকরণ ও স্বাস্থ্যখাতে সেবার মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। নবাগত নেতাদের পাশে পাওয়াকে তিনি নিজের রাজনৈতিক অভিযাত্রার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিএনপিতে যোগদানকারী ইউপি সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থার ভেতরে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি চললেও তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সুযোগ পাননি এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।

-শরিফুল


ব্যবসায়ীদের টাকা নয়, সততার রাজনীতিতে জনগণের সহায়তা চান হান্নান মাসউদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১১:৪৫:৫০
ব্যবসায়ীদের টাকা নয়, সততার রাজনীতিতে জনগণের সহায়তা চান হান্নান মাসউদ
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ তাঁর নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থসহায়তা চেয়েছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিস্তারিত পোস্ট এবং ফটোকার্ড শেয়ার করে তিনি এই আহ্বান জানান। সেখানে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর প্রদান করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর সাথে গড়া জোট থেকে নির্বাচনে লড়াই করতে যাওয়া এই তরুণ নেতা জানান, তিনি এমন একটি রাজনীতি প্রবর্তন করতে চান যেখানে ক্ষমতার চেয়ে সততা এবং স্বার্থের চেয়ে ইনসাফ হবে বড় মানদণ্ড।

হান্নান মাসউদ তাঁর পোস্টে স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী বা বড় ব্যবসায়ীর অর্থে রাজনীতি করতে চান না। তাঁর মতে, বড় অংকের অর্থ বড় শর্ত নিয়ে আসে, যা ভবিষ্যতে জনগণের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতাকে খর্ব করে। তিনি চান না কোনো অদৃশ্য ঋণের চাপে পড়ে হাতিয়ার সাধারণ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হোক। মাসউদ লিখেছেন, "যার অর্থে রাজনীতি চলে, শেষ পর্যন্ত রাজনীতি তার কথাই শোনে—আমি চাই আমার রাজনীতি শুনুক কেবল হাতিয়ার সাধারণ মানুষের কথা।" তাঁর এই অবস্থানকে তিনি একটি ‘নৈতিক অবস্থান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে হাতিয়ার মানুষ নিজেই তাদের প্রতিনিধি গড়ে তুলতে চায়।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনিম জারাও একইভাবে জনগণের কাছ থেকে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন। তবে জোট গঠনের পর তিনি এনসিপি ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হান্নান মাসউদ হাতিয়ায় একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন যেখানে জনপ্রতিনিধি সর্বদা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবদানে এই লড়াই শক্তিশালী হবে এবং এটি ভবিষ্যতে তাঁকে জনগণের কাছে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার নৈতিক অধিকার দেবে। এই অভিনব উদ্যোগ হাতিয়ার রাজনীতিতে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ২০:৫৭:৪১
ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

ব্যালটে সিল দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করা পুলিশ বা প্রশাসনের কাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ এলাকায় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসনের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণ যাতে কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়া নিজের ভোট দিতে পারে, সেই সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, যদি তারা সঠিক পথে চলে তবে জনগণ তাদের মাথায় তুলে রাখবে, অন্যথায় তাদেরও বেনজির আহমেদ ও হারুন অর রশিদের মতো করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন যে, দেশ এখন মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে—যার একটি পক্ষ গোলামি চায় এবং অন্যটি চায় প্রকৃত আজাদী। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি পক্ষ বিদেশের তাবেদারি করতে ব্যস্ত, যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও বিপ্লবীরা চায় বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা। হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, গত দেড় দশক ধরে শেখ হাসিনাকে ‘এজেন্ট’ হিসেবে নিয়োগ করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি কলোনি বা সাব-কন্টিনেন্ট হিসেবে পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে কে পরিচালনা করবে বা কারা সরকার গঠন করবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র এ দেশের জনগণের। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, যেসব আমলা অতীতে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদের হত্যার সাথে জড়িত ছিল এবং যাদের মিডিয়া ‘আগুন সন্ত্রাসী’ হিসেবে প্রচার করেছিল, আজ অনেক মহল তাদের বুকে টেনে নিচ্ছে।

উক্ত সভায় তিনি প্রশাসনের আমলাদের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন যে, যারা আন্দোলনকারী ভাইদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তাদের বিচার নিশ্চিত না করে আবার পুনর্বাসন করার প্রক্রিয়া জনগণ মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন যে, আমরা চাই না বাংলাদেশ আবার অতীতের সেই পরাধীনতায় ফিরে যাক। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই সফর ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেবীদ্বার এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের ওপর এমন সরাসরি চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে এনসিপি তাদের নির্বাচনী প্রচারণা ও জনমতকে আরও সুসংহত করতে চাইছে।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত