জুলাই-আগস্টে বড় বন্যার শঙ্কা, সতর্ক এফএফডব্লিউসি

বর্ষা মৌসুমের মধ্যভাগে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, উজানের অব্যাহত ভারী বৃষ্টিপাত এবং দেশের প্রধান নদীগুলোতে প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় চলতি জুলাই ও আগস্ট মাসে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে বড় ধরনের বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উজানের অতিবৃষ্টির প্রবণতা বেড়েছে, ফলে চলতি বর্ষায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান জানান, বাংলাদেশে ঐতিহাসিকভাবে জুলাই ও আগস্ট মাসই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময় হিমালয় ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজানে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা এবং অন্যান্য প্রধান নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যদি একই সময়ে একাধিক নদী অববাহিকায় উচ্চ প্রবাহ সৃষ্টি হয়, তাহলে নিম্নাঞ্চলে বড় ধরনের প্লাবনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
তিনি বলেন, জলবায়ুগত পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টির ধরণও বদলে যাচ্ছে। স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টির প্রবণতা বাড়ায় নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে। এ কারণেই চলতি বর্ষা মৌসুমে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে এফএফডব্লিউসি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের ভয়াবহ বন্যার ইতিহাসেও জুলাই-আগস্ট মাসই সবচেয়ে সংকটপূর্ণ সময় হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায় এবং প্রায় ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। একইভাবে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যা টানা দুই মাসেরও বেশি সময় স্থায়ী হয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে এবং এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
এছাড়া ২০০৪ সালে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর উচ্চ প্রবাহ একই সময়ে মিলিত হওয়ায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ২০২২ সালের সিলেট অঞ্চলের বন্যা এবং ২০২৪ সালের বড় বন্যায় সম্মিলিতভাবে এক কোটিরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব অভিজ্ঞতা থেকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চলতি মৌসুমেও উজানের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে এফএফডব্লিউসি জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হতে শুরু করেছে। যদিও আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে ভারী বৃষ্টিপাত না হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে, আপাতত মেঘনা অববাহিকায় বড় ধরনের পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। তবে উজানে নতুন করে ভারী বর্ষণ শুরু হলে পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীগুলোর জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। উপকূলীয় নদ-নদীর ক্ষেত্রে প্রায় তিন দিন আগে সম্ভাব্য পরিস্থিতির পূর্বাভাস দেওয়া যায়। উন্নত প্রযুক্তি ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এদিকে আবহাওয়ার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বঙ্গোপসাগরে চলতি মাসে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি সেটি শক্তিশালী হয়, তাহলে উপকূলীয় জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক জলাবদ্ধতা ও স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই উপকূলীয় জনগণকে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ বুলেটিন নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সর্বশেষ বন্যা পূর্বাভাস অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী ব্যবস্থার পানি কিছুটা কমলেও আগামী চার দিনের মধ্যে আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও বাড়তে পারে, যদিও তা আপাতত বিপৎসীমার নিচেই থাকবে।
অন্যদিকে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জে সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। বর্তমানে নীলফামারীর ডালিয়া, লালমনিরহাটের তিস্তার তারাপুর পয়েন্ট, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ, সুনামগঞ্জের মারকুলি এবং নেত্রকোনার কলমাকান্দায় কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে নিজ নিজ সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
-রফিক
২০০৬ সালের ভিসানীতিতে বড় সংস্কার
বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ আকর্ষণ এবং পর্যটন শিল্পকে আরও গতিশীল করতে প্রায় দুই দশক পুরোনো ভিসা কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে সরকার। ২০০৬ সালের বিদ্যমান ভিসা নীতিমালার পরিবর্তে একটি আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও সেবাকেন্দ্রিক ভিসানীতি-২০২৬ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশিদের প্রবেশ, অবস্থান ও প্রস্থানের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন ভিসানীতির খসড়া উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে নীতিমালাটি আরও পরিমার্জনের জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির কার্যক্রমে প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত নীতিমালা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, নতুন নীতিমালার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, পর্যটন, শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনশক্তির জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করা। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করা হবে এই নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসানীতি-২০২৬ কেবল বিদেশিদের জন্য প্রবেশ প্রক্রিয়া সহজ করার নথি নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত নীতিমালাও। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশমুখী করা, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগমন বাড়ানো এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তরকে উৎসাহিত করার বিষয়গুলো এতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, অতীতে বাংলাদেশ মূলত ‘পারস্পরিকতার নীতি’ বা রেসিপ্রোসিটি অনুসরণ করে ভিসা প্রদান করত। অর্থাৎ কোনো দেশ বাংলাদেশের নাগরিকদের যেভাবে ভিসা দিত, বাংলাদেশও প্রায় একই ধরনের নীতি অনুসরণ করত। তবে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধু পারস্পরিকতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিলে অনেক ক্ষেত্রেই দেশের সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। তাই নতুন নীতিতে অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জাতীয় উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তার ভাষায়, কোনো দেশের একজন বিনিয়োগকারী বা উদ্যোক্তা বাংলাদেশে এলে সেটি দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় ভিসা ব্যবস্থাকে আরও নমনীয় ও বিনিয়োগ-সহায়ক করার দিকেই অগ্রসর হচ্ছে সরকার। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন ভিসানীতিতে মোট ৩৪টি পৃথক ভিসা ক্যাটাগরি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসা, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পর্যটন, শিক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা, প্রযুক্তি, কূটনৈতিক সফর, স্বল্পমেয়াদি পেশাগত কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আগত বিদেশিদের জন্য আলাদা ক্যাটাগরি থাকবে। যদিও প্রতিটি ক্যাটাগরির বিস্তারিত শর্ত, মেয়াদ ও যোগ্যতা চূড়ান্ত পর্যালোচনার পর প্রকাশ করা হবে।
-রাফসান
পে স্কেলের গেজেট কবে? যা জানা গেল
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার নীতিগতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এবং চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও প্রশাসনিক বিষয় পর্যালোচনার কাজ এখনও চলছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পে স্কেলের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত। বর্তমানে এর আর্থিক প্রভাব, সরকারি ব্যয়ের সক্ষমতা, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং বেতন ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে শেষ মুহূর্তের মূল্যায়ন চলছে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে জুলাই মাসের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার পে স্কেল একবারে নয়, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এটি কতটি ধাপে কার্যকর হবে, কোন গ্রেডে কত শতাংশ বা কত টাকা বেতন বৃদ্ধি পাবে এবং বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সূচি কী হবে—এসব বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার সময় রাজস্ব ব্যয়, সরকারি আর্থিক সক্ষমতা, মূল্যস্ফীতি, কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদি বাজেট ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয় একসঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। ফলে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের আগে একাধিক দফায় অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা চলছে।
এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ইতিবাচক খবর হলো, গেজেট প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হলেও নতুন পে স্কেলের কার্যকারিতা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গণনা করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে গেজেট প্রকাশের পর সংশোধিত হারে বকেয়াসহ বেতন-ভাতা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। যদিও বিষয়টি এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর মতে, বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পাশাপাশি হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা, ই-জিপিএফ, ট্রেজারি সফটওয়্যার এবং সরকারি বেতন ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোও নতুন স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে হালনাগাদ করা হচ্ছে, যাতে বাস্তবায়নের সময় কোনো প্রশাসনিক জটিলতা না তৈরি হয়।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা মোকাবিলা এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি সরকারের রাজস্ব ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। ফলে বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ সরকারি পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় নতুন বেতন কাঠামোর দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সংগঠনও দীর্ঘদিন ধরে নতুন পে স্কেল ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছে।
তবে এ পর্যন্ত সরকার নতুন পে স্কেলের গ্রেডভিত্তিক বেতন, ইনক্রিমেন্ট, বাস্তবায়নের ধাপ কিংবা গেজেট প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি। ফলে এসব বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্যের পরিবর্তে সরকারি গেজেট ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
-রফিক
২০০৬ সালের পুরোনো আইন ভেঙে নতুন ‘ভিসানীতি-২০২৬’ অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা
দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান ২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালা সংশোধন করে নতুন ‘ভিসানীতি-২০২৬’ অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক উত্থাপিত এই নতুন নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। তিনি জানান, নীতিমালাটিকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও কার্যকর করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভিসা নীতি সহজ করার মূল প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘‘আগে আমাদের নীতি ছিল পুরোপুরি পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে। অর্থাৎ, অন্য একটি দেশ আমাদের নাগরিকদের যত দিনের বা মেয়াদের ভিসা দিত, আমরাও তাদের নাগরিকদের ঠিক তত দিনের জন্যই ভিসা দিতাম। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের বর্তমান বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের কিছু জায়গায় নিজেদের প্রয়োজনেই উদার হওয়া দরকার। একজন বিদেশি ব্যবসায়ী যদি বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, তা আমাদের দেশের জন্যই সুবিধা। বর্তমান সরকার চাচ্ছে দেশে একটা ইকোনমিক থ্রাস্ট (অর্থনৈতিক গতিশীলতা) আসুক।’’
তিনি আরও জানান, দেশে পুঁজির সংকট কাটাতে বাইরের উদ্বৃত্ত বা সারপ্লাস পুঁজি দেশে টানার লক্ষ্যেই ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নীতিমালায় বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নতুন এই নীতিমালায় ভিসার ক্যাটাগরি বা শ্রেণী বিন্যাস করে মোট ৩৪টি টাইপ (ধরণ) করা হয়েছে।
গঠিত উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মূলত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বা সিকিউরিটি ইস্যুগুলো দেখবে। এছাড়া বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ও এই কমিটিতে রয়েছে, যাতে তারা নিজ নিজ খাতের স্বার্থ ও চাহিদার প্রতিফলন ঘটিয়ে এই পলিসিটাকে চূড়ান্ত রূপ দিতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই নীতিমালার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতকে উৎসাহিত করা, বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখে পারস্পরিকতার ভিত্তিতে একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা সম্ভব হবে।
/আশিক
তীব্র লোডশেডিংয়ের মাঝেই বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন পদক্ষেপ
সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলের ঢালাও অভিযোগ এবং দেশজুড়ে চলমান তীব্র লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে এক জরুরি মতবিনিময় সভা করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল জুম প্ল্যাটফর্মে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনলাইন এই বৈঠকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অস্বাভাবিক ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের মূল কারণ উদঘাটন এবং মাঠ পর্যায়ে লোডশেডিংয়ের বাস্তব চিত্র ও গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিকল্প জ্বালানি নিশ্চিতের লক্ষ্যে সোলার সিস্টেমে ‘নেট মিটার’ স্থাপনের সর্বশেষ হালনাগাদ পরিস্থিতি ও অগ্রগতিও সভায় গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়।
আলোচনা শেষে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং গ্রাহকদের হয়রানি ও ভোগান্তি কমাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই বৈঠকটি শুরু হয়। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
জানা গেছে, মন্ত্রিসভার এই নিয়মিত বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পক্ষ থেকে উত্থাপিত নীতিগত সিদ্ধান্ত, নতুন খসড়া আইন, প্রশাসনিক নীতি এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনার কথা রয়েছে।
চলমান এই বৈঠক শেষ হওয়ার পর সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সেখানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকের গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, অনুমোদন ও দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করবেন।
/আশিক
ফিলিস্তিনের সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন ভবিষ্যতেও থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী যেকোনো ধরনের অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচারকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস ওয়াই রামাদানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থী মুসলিম রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের দেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে জনমত গঠন ও কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের নীতিগত ও নৈতিক সমর্থন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
বৈঠকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। তাদের বাংলাদেশে আগমন ও পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে ‘অন-অ্যারাইভাল ভিসা’ প্রদানে বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানোর অনুরোধ জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত আরও প্রস্তাব করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে কোনও ফিলিস্তিনি নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার আবেদন করলে যাচাইয়ের সুবিধার্থে সেই আবেদনের অনুলিপি ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসে পাঠানো যেতে পারে। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসি ও বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের জনগণের কল্যাণে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’
গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইনচার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রথম সচিব নূর এইচ ও আলাইদি উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
জুলাই মাসে দেশের বেসরকারি খাতে ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম বাড়বে নাকি কমবে—সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এদিন জুলাই মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করবে। নতুন এই মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে সারা দেশে কোটি কোটি গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক গ্রাহকের মাসিক জ্বালানি ব্যয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।
বিইআরসি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকো ঘোষিত সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (Saudi CP)-এর সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে জুলাই মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়।
কমিশনের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর শহীদ প্রকৌশলী ভবনের ষষ্ঠ তলায় বিইআরসির শুনানি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে কমিশনের আনুষ্ঠানিক আদেশ তাদের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে, যাতে ভোক্তা, এলপিজি অপারেটর এবং পরিবেশকরা নতুন মূল্য সহজেই জানতে পারেন।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম এবং ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামাই মূলত বাংলাদেশের এলপিজির মূল্য নির্ধারণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ফলে প্রতি মাসে সৌদি সিপি ঘোষণার পর বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বিইআরসি নতুন দর নির্ধারণ করে থাকে। এ কারণে প্রতি মাসের শুরুতে এলপিজির দাম বাড়া বা কমা নিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
সবশেষ গত ২ জুন বিইআরসি এলপিজির মূল্য কমিয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। অর্থাৎ এক ধাপে সিলিন্ডারপ্রতি ৫৫ টাকা কমানো হয়েছিল, যা ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়।
একই সময় যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও সমন্বয় করা হয়। লিটারপ্রতি অটোগ্যাসের মূল্য ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা পরিবহন খাতের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
বাংলাদেশে পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধার বাইরে থাকা বিপুল সংখ্যক পরিবার রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র শিল্প, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং পরিবহন খাতেও এলপিজির ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে বিইআরসির নতুন মূল্য ঘোষণা শুধু গৃহস্থালির ব্যয় নয়, বরং সামগ্রিক বাজারব্যবস্থা ও ভোক্তা পর্যায়ের জীবনযাত্রার খরচেও প্রভাব ফেলতে পারে।
-রাফসান
৩১২ থেকে ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত জাপানি ঋণ, কোন সংকটে পাশে দাঁড়াচ্ছে টোকিও?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে আসা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) একটি প্রতিনিধি দল। বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার ও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকার মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইনসমূহ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের অন্যতম বড় খবর ছিল বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাপানের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের পূর্বনির্ধারিত ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা বাড়িয়ে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে টোকিও ইতিবাচক সাড়া দেয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (Bangladesh–Japan Economic Partnership Agreement—EPA) দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে জাপানি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে যে, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি অত্যাধুনিক প্যাট্রোল বোট (পাহারাদার জাহাজ) উপহার হিসেবে প্রদান করা হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান মাথাব্যথা ‘রোহিঙ্গা সংকট’ নিয়েও গভীর আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে আশ্রিত লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে সম্পূর্ণ নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাপানের অব্যাহত মানবিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে টোকিওকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
ফলপ্রসূ এই আলোচনা শেষে জাপানি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানায়। প্রধানমন্ত্রীও কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে দ্বিপাক্ষিক সফরে জাপান যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান।
অন্যদিকে জাপানের পক্ষে ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যুরোর পরিচালক হিরোসে আইকো, জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো এবং জাইকার বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।
/আশিক
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই: শামা ওবায়েদ
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান বা বলার মতো কোনো নতুন অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তির সব শর্ত ও নিয়ম মেনেই শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে; তবে আপাতত এই প্রক্রিয়ায় কোনো বাড়তি বা নতুন অগ্রগতি নেই।
দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি ব্যাখ্যা করে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’—এই নীতিতে বিশ্বাসী এবং বিশ্বের সব দেশের সাথেই সুদৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিবিড় হওয়ার বিষয়টি অন্য কোনো তৃতীয় দেশের জন্য চিন্তার কারণ হওয়া উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া এশিয়ার পরাশক্তি চীনের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘২+২ মেকানিজম’ এবং বিশেষ ‘অর্থনৈতিক করিডর’ স্থাপনের বিষয়টি বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানোর বিষয়ে বড় অগ্রগতি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্তত ১০টি দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ সফলভাবে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আইনি প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগিয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, এই রাষ্ট্রীয় সফরটি মূলত দুই মুসলিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- জুলাই-আগস্টে বড় বন্যার শঙ্কা, সতর্ক এফএফডব্লিউসি
- খামেনির ৬ দিনের রাষ্ট্রীয় বিদায়ে থাকছে যেসব আনুষ্ঠানিকতা
- ২০০৬ সালের ভিসানীতিতে বড় সংস্কার
- যে ৮ জেলায় সন্ধ্যার আগে ঝড়ের সতর্কবার্তা
- স্থানীয় নির্বাচনে একক পথে হাঁটতে চায় এনসিপি
- আরাগচি-গালিবাফকে ঘিরে হত্যার পরিকল্পনা ইসরায়েলের, ইরানকে আগাম সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের
- পে স্কেলের গেজেট কবে? যা জানা গেল
- রোনালদোর ম্যাচসেরা পুরস্কার ঘিরে তুমুল বিতর্ক
- সপ্তাহজুড়ে শেয়ারবাজারে গতি, সূচকে শক্তিশালী উত্থান
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- খামেনির কফিন ঘিরে আবেগে ভাসছে তেহরান
- আজকের খেলার সূচি, মাঠে নামছে মেসির আর্জেন্টিনা
- আজ শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ
- আজ শুক্রবারের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন
- শীর্ষ দলগুলোর ওলটপালট, বিশ্বকাপের মাঝেই সিংহাসন হারাল আর্জেন্টিনা
- ২০০৬ সালের পুরোনো আইন ভেঙে নতুন ‘ভিসানীতি-২০২৬’ অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা
- ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় নানিয়ারচর সেনা জোনের আর্থিক সহায়তা প্রদান
- কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসি শুরু আজ: পরীক্ষার্থী ৯৫ হাজার ৭০২ জন
- দিবাগত রাত ১টার মধ্যেই ১৪ অঞ্চলে ঝড়ের তণ্ডব ও সতর্কসংকেত জারি
- নতুন নেতার অধীনেই ওয়াশিংটনকে রুখতে তেহরানের রণপ্রস্তুতি
- তীব্র লোডশেডিংয়ের মাঝেই বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন পদক্ষেপ
- সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে বড় ধাক্কা? জেনে নিন সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম
- আপনার বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম: মনিকে ট্যাগ করে ছাত্রদল সভাপতি
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু
- স্বপ্ন এবার সত্যি হলো: ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজস্ব স্টেডিয়াম উদ্বোধন করে শাহরুখের বার্তা
- ক্রোয়াট দেয়াল ভাঙার চ্যালেঞ্জ, সমালোচনার জবাব দিতে পারবেন কি রোনালদো?
- নরওয়ের বিপক্ষে এখনো জয়হীন ব্রাজিল! ৫ জুলাই কি ভাঙবে সেই রেকর্ড?
- উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারকে নিয়ে ইরানের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন শাহবাজ শরিফ
- ফিলিস্তিনের সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন ভবিষ্যতেও থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ২ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন মূল্য
- এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
- ১৮ দিনেও মেলেনি রাজুর সন্ধান, পথ চেয়ে দিন কাটছে বৃদ্ধ মা-বাবার
- গণভোটের রায় অমান্য করে সংশোধনের পথে সরকার, রাজপথে নামছে জামায়াত
- ৩১২ থেকে ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত জাপানি ঋণ, কোন সংকটে পাশে দাঁড়াচ্ছে টোকিও?
- শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই: শামা ওবায়েদ
- লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে চূড়ায় এমবাপ্পে
- পার পিস ৫০ টাকা: জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট নিয়ে উমামা ফাতেমার রহস্যময় পোস্ট
- ঢাকার ১১০ কিমি নদী পথে চলবে বিদ্যুৎচালিত যান, মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি জানলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন: আরও সস্তা হলো সোনা
- চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম একই ঐতিহাসিক কিট দ্বিতীয়বার ব্যবহার করছে আর্জেন্টিনা
- নেতানিয়াহু প্রশাসন গুরু ট্রাম্পের কথা না শুনলে ইরানই শিক্ষা দেবে: আব্বাস আরাগচি
- আমরা সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করব, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়: জামায়াত আমির
- ফুটবল বিশ্লেষকদের চোখে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ: ফাইনালের পথে সম্ভাব্য যত প্রতিপক্ষ
- ১৪৪ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপের নিচে মিলল অলৌকিক প্রাণ: ভেনেজুয়েলায় ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার
- মাসজুড়ে ৮ থেকে ৯ দিন বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস, উত্তরাঞ্চলসহ ৩ বিভাগে বন্যার আগাম সতর্কতা
- এইচএসসিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা: কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ও প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন
- ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য নীতির আগুনে পুড়ছে বিশ্ব, একমাত্র ‘স্পষ্ট বিজয়ী’ হিসেবে উদয় চীনের
- এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
- দোহায় আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক, দাবি ট্রাম্পের
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন মূল্য
- দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের খবর নাকচ ইরানের
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের সর্বশেষ দাম
- স্বর্ণের পর এবার কমল রুপার দাম, প্রকাশ নতুন তালিকা
- সোনার বাজারে ধ্বস, ১ লাখ ৮২ হাজার টাকায় মিলবে ভরি
- ভূমিকম্পের আগেই ফোনে সতর্কবার্তা, যেভাবে চালু করবেন এই ফিচার
- মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলা
- সৌদিতে প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথ নাকচ করলেন নেতানিয়াহু
- সৌদিতে যেতে পারবেন না ৩ দেশের ভ্রমণকারীরা
- হরমুজ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
- ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থনৈতিক অভিযাত্রা: পাস হলো দেশের অন্যতম বড় জাতীয় বাজেট
- খামেনির কফিন ঘিরে আবেগে ভাসছে তেহরান








