গিজার লাগবে না! বিনা খরচে ছাদের ট্যাংকের পানি উষ্ণ রাখার ৫টি ঘরোয়া উপায়

পানির ট্যাংককে বাইরের শীতল হাওয়া থেকে বাঁচাতে বাড়িতে পড়ে থাকা প্যাকেজিং বাবল র্যাপ দারুণ একটি প্রাকৃতিক হিটার হিসেবে কাজ করতে পারে। বাবল র্যাপের ভেতরের ছোট ছোট বাতাসের বুদবুদগুলো ট্যাংককে বাইরের শীতল পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখে। অন্তত দুই বা তিন স্তরে ট্যাংকটি শক্ত করে মুড়িয়ে রাখলে রাতের শিশির বা উত্তুরে বাতাস ট্যাংকের দেয়াল ভেদ করে ভেতরে পৌঁছাতে পারে না। এছাড়া খোলা ছাদে অবস্থিত ট্যাংকগুলোকে একটি টারপলিন, কাঠের শেড কিংবা ছোট টিনের চাল দিয়ে ঢেকে রাখা অত্যন্ত জরুরি। গ্রামাঞ্চলে অনেক সচেতন মানুষ তাঁদের ট্যাংকগুলোকে পুরনো চটের বস্তা বা মোটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখেন, যা রাতের হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা থেকে পানিকে সুরক্ষা দিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
পানির তাপমাত্রা প্রাকৃতিক উপায়ে বাড়াতে আরও একটি চমৎকার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো রঙের ব্যবহার। পানির ট্যাংকটি যদি কালো, গাঢ় নীল বা গাঢ় বাদামি রঙে রাঙানো হয়, তবে তা দ্রুত সূর্যের তাপ শোষণ করতে সাহায্য করে। গাঢ় রং দীর্ঘক্ষণ তাপ ধরে রাখতে সক্ষম হওয়ায় সারা দিন প্রখর সূর্যের আলোতে থাকার ফলে ট্যাংকের পানি ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি বেশি উষ্ণ হয়ে ওঠে। এর জন্য কোনো বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ বা কৃত্রিম সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। এছাড়া ছাদের যে অংশে দিনের সবচেয়ে বেশি সময় রোদ থাকে, ট্যাংকটি সেই নির্দিষ্ট দিকে স্থাপন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সূর্যের এই প্রাকৃতিক উত্তাপ পানির তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয় যা সকালে গোসলের কষ্ট অনেকাংশে কমিয়ে আনে।
দিনের বেলা শোষিত এই প্রাকৃতিক তাপ যাতে রাতে বেরিয়ে না যায়, তার জন্য সূর্যাস্তের পর ট্যাংকটি পুনরায় কোনো মোটা কাপড় বা পুরনো কম্বল দিয়ে ঢেকে দেওয়ার অভ্যাসটি গড়ে তোলা জরুরি। এই পদ্ধতিটি যেমন সস্তা তেমনি দীর্ঘস্থায়ী এবং পরিবেশবান্ধব। শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে এবং বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় করতে এই ছোট ছোট ঘরোয়া কৌশলগুলো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হতে পারে। সামান্য সচেতনতা আর দুই মিনিটের এই পরিশ্রম সারা দিনের জন্য আপনার ব্যবহৃত পানিকে ব্যবহারযোগ্য ও আরামদায়ক উষ্ণতায় ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
সূত্র : নিউজ ১৮
গ্যাসের গন্ধ পেলেই যা করবেন: সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এড়াতে জরুরি টিপস
বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন রান্নাবান্নার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার। পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই সিলিন্ডারের ব্যবহার বেড়েছে। তবে যথাযথ সচেতনতার অভাবে প্রায়ই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং নিয়মিত তদারকি করলে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। আপনার ও আপনার পরিবারের সুরক্ষায় এলপিজি ব্যবহারের জরুরি কিছু সতর্কতা নিচে তুলে ধরা হলো
সিলিন্ডার কেনার সময় সতর্কতা
সব সময় অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করুন। ডেলিভারির সময় অবশ্যই সিলিন্ডারের সিল (Seal) ও সেফটি ক্যাপ পরীক্ষা করে নিন; সিল ভাঙা থাকলে তা গ্রহণ করবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (DFT) দেখে নেওয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন সিলিন্ডার লাগানোর পর সাবানের ফেনা দিয়ে লিক পরীক্ষা করুন, কখনোই দিয়াশলাই বা আগুনের শিখা ব্যবহার করবেন না।
রান্নার সময় ও রক্ষণাবেক্ষণ
রান্নাঘর সব সময় পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের উপযোগী রাখুন। চুলার পাশে প্লাস্টিক, কাগজ বা কাপড়ের মতো দাহ্য বস্তু রাখা থেকে বিরত থাকুন। রান্নার সময় ঢিলেঢালা পোশাক এড়িয়ে চলা এবং রান্না শেষে রেগুলেটরের নব বন্ধ করা একটি ভালো অভ্যাস। এছাড়া প্রতিবছর চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব পরিবর্তন করা এবং উন্নত মানের (ISI সম্বলিত) রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করা উচিত। মনে রাখবেন, সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় খোলা ও শুষ্ক জায়গায় রাখতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়
যদি ঘরে গ্যাসের গন্ধ পান, তবে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করে দিন। সব দরজা-জানালা খুলে দিন যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— গ্যাসের গন্ধ পাওয়া অবস্থায় বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান বা লাইট স্পর্শ করবেন না। কারণ ক্ষুদ্র একটি স্ফুলিঙ্গ থেকেও বড় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। প্রয়োজন হলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাইরে গিয়ে মেইন সুইচ বন্ধ করুন এবং দ্রুত ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।
/আশিক
রোজায় ওজন কমাতে চান? ইফতারে কলা খাওয়ার ৫টি দারুণ কারণ
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় আমাদের শরীর থাকে পরিশ্রান্ত এবং পুষ্টির ক্ষুধায় কাতর। এই সময় পেট খালি থাকায় ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা অবধারিত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতারে শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে এবং পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে সবথেকে সহজলভ্য ও কার্যকরী খাবার হলো কলা। আজ ৬ রমজান (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), ইফতারের টেবিলে কেন নিয়মিত কলা রাখা জরুরি, তার বিশেষ কিছু কারণ নিচে তুলে ধরা হলো।
১. দ্রুত শক্তির সঞ্চার
সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে যে ক্লান্তি আসে, তা দূর করতে কলার বিকল্প নেই। কলায় থাকা মিনারেল ও ভিটামিন খুব দ্রুত রক্তে মিশে গিয়ে শরীরে শক্তির জোগান দেয়।
২. হজম ও পেট পরিষ্কার
একটি মাঝারি মাপের কলায় প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। যারা রোজায় অ্যাসিডিটিতে ভোগেন, তাদের জন্য কলা অত্যন্ত উপকারি।
৩. হাড় ও হার্টের সুরক্ষা
একটি কলায় প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে, যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের ক্ষয় রোধ করে হাড়কে মজবুত রাখতে সহায়তা করে।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ ও রক্তের শর্করা
কলায় ক্যালোরি কম থাকে এবং এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যারা রোজায় ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য ইফতারে কলা হতে পারে আদর্শ একটি ফল।
সহজলভ্য এই ফলটি প্রতিদিন ইফতারে রাখলে তা যেমন শরীরের পানিশূন্যতা ও খনিজ লবণের ঘাটতি মেটাবে, তেমনি আপনাকে রাখবে সারাদিন সতেজ ও প্রাণবন্ত।
সূত্র: হেলথলাইন
ইফতারে প্রশান্তি! মাত্র কয়েক মিনিটে তৈরি করুন তরমুজের বিশেষ শরবত
সারাদিন রোজা রাখার পর এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। বর্তমানে বাজারে তরমুজ প্রায় সারাবছরই মিলছে। ইফতারের টেবিলে ভিন্নতা আর সতেজতা আনতে আপনি অনায়াসেই তৈরি করতে পারেন তরমুজের শরবত। রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তার দেওয়া সহজ এই রেসিপিটি ব্যবহার করে খুব অল্প সময়েই ঘরে এটি প্রস্তুত করা সম্ভব।
উপকরণ
তরমুজ (বীচিসহ ২ কাপ), এক চিমটি বিট লবণ, এক চিমটি গোল মরিচ গুঁড়া, ২ চা চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ চিনি (স্বাদমতো), ৫-৬টি পুদিনা পাতা এবং প্রয়োজনমতো বরফ কুচি (আইস কিউব)।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে তরমুজের খোসা ফেলে দিয়ে গ্রেট করে নিন এবং একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে রস আলাদা করুন। এবার এই রসের সাথে বিট লবণ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়া, লেবুর রস, চিনি ও পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিন। স্বাদ আরও বাড়াতে ব্লেন্ডারে হালকা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। সবশেষে গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি আর উপরে সতেজ পুদিনা পাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
তরমুজে থাকা প্রচুর পরিমাণ পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং লেবু ও পুদিনার মিশ্রণ নিমিষেই ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ইফতারের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে এই স্বাস্থ্যকর পানীয়টি হতে পারে সেরা অনুষঙ্গ।
/আশিক
ইফতারে ছোলার স্বাদ বাড়াতে চান? ট্রাই করুন এই বিশেষ সিক্রেট রেসিপি
রমজান মাসে ইফতারের দস্তরখানে ছোলার উপস্থিতি অনেকটা অপরিহার্য। প্রতিদিনের একই স্বাদের ছোলা ভুনার বদলে সামান্য রান্নার কৌশলে বদল আনলে এটি হয়ে উঠতে পারে আরও বেশি মুখরোচক। বিশেষ করে আলুর মাখা মাখা ভাব আর মশলার সঠিক সংমিশ্রণ ছোলাকে ইফতারের সেরা পদে পরিণত করে। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), ৬ রমজানে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মজাদার ছোলা ভুনার একটি সহজ রেসিপি নিচে তুলে ধরা হলো।
উপকরণ
পরিমাণমতো ছোলা (১ কাপ), একটি সিদ্ধ আলু, আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি, আদা ও রসুন বাটা (১ চা-চামচ করে), হলুদ, মরিচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া এবং স্বাদমতো লবণ ও তেল।
প্রস্তুত প্রণালি
রান্নার অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা আগে ছোলা ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে আদা-রসুন বাটা দিন। রেসিপিটির আসল বিশেষত্ব হলো সিদ্ধ আলু চটকে মশলার সাথে কষিয়ে নেওয়া, যা ঝোলকে করবে ঘন ও মাখা মাখা। সব মশলা দিয়ে পানি যোগ করে কষানোর পর সিদ্ধ ছোলা দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করুন। ঝোল কমে এলে নামিয়ে নিন। পরিবেশনের সময় উপরে পেঁয়াজ বেরেস্তা ও ভাজা শুকনা মরিচ ছিটিয়ে দিলে এটি দেখতে যেমন চমৎকার হবে, খেতেও হবে অতুলনীয়।
সালাদ আর গরম মুড়ির সাথে এই ঘরোয়া ছোলা ভুনা যেমন পুষ্টিকর, তেমনি দীর্ঘক্ষণ রোজা রাখার পর শরীরের ক্লান্তি দূর করতেও সহায়ক। সাধারণ রান্নায় একটু যত্ন যোগ করলেই ইফতারের টেবিল হয়ে ওঠে আনন্দময়।
/আশিক
সেহরি না কি ইফতার? রমজানে চিয়া সিড খাওয়ার সেরা সময় কোনটি?
রমজানে সারাদিন না খেয়ে থাকার পর শরীরকে চনমনে রাখতে এবং হজমের সমস্যা দূর করতে চিয়া সিড হতে পারে আপনার সেরা সঙ্গী। তবে এটি খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া সিড সেহরি এবং ইফতার—উভয় সময়েই খাওয়া যায়, তবে ইফতারে খাওয়াটা অধিকাংশ মানুষের জন্য বেশি কার্যকর। কারণ, ইফতারে এটি খেলে সারাদিনের পানির ঘাটতি বা ডিহাইড্রেশন দ্রুত পূরণ হয় এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাওয়ার ক্রেভিং কমিয়ে দেয়।
সেহরিতে চিয়া সিড
সেহরির অন্তত ২০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানিতে ভেজানো চিয়া সিড খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, যা রোজা রাখা সহজ করে। এছাড়া যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য সেহরিতে এটি খুবই উপকারী। তবে মনে রাখতে হবে, চিয়া সিড কোনো পূর্ণাঙ্গ খাবার নয়। তাই সেহরিতে ডিম, ডাল বা ভাতের মতো সুষম খাবারের পাশাপাশি এটি রাখা উচিত।
ইফতারে চিয়া সিড
ইফতারে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। এটি শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। লাচ্ছি, টক দই বা ফলের সালাদের সাথে অন্তত আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা চিয়া সিড মিশিয়ে খেলে ইফতারের পুষ্টিগুণ বহুগুণ বেড়ে যায়। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তারা ইফতারে চিয়া সিড খেলে পেট দ্রুত ভরে যায় বলে অন্যান্য ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমে আসে। মোট কথা, সুস্থ থাকতে আপনার রমজানের ডায়েট চার্টে এই সুপারফুডটি অনায়াসেই যোগ করতে পারেন।
/আশিক
ইফতারের পর প্রথম টানই হতে পারে শেষ টান! জেনে নিন বিজ্ঞান কী বলে
সারাদিন রোজা রাখার পর এক গ্লাস শরবত বা খেজুর দিয়ে ইফতার না করে যারা প্রথমেই সিগারেটে টান দেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ বিপদ। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরে যখন পুষ্টি ও অক্সিজেনের তীব্র চাহিদা থাকে, ঠিক সেই মুহূর্তে সিগারেটের বিষাক্ত ধোঁয়া শরীরে প্রবেশ করলে তা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ক্ষতি করে। বিশেষ করে ইফতারের পরপরই ধূমপান করলে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যায় এবং রক্তনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে, যা সরাসরি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, খালি পেটে নিকোটিন গ্রহণ করলে হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এছাড়া সিগারেটের কার্বন মনোক্সাইড রক্তে মিশে অক্সিজেন চলাচলে বাধা দেয়, ফলে শরীরের কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না। এতে মাথা ঘোরা, বমিভাব বা সাময়িক চেতনা হারানোর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে, যাকে বিশেষজ্ঞরা ‘নিকোটিন রাশ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। শুধু তাই নয়, ইফতারের পর ধূমপান পাকস্থলীতে অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়িয়ে দিয়ে তীব্র গ্যাস্ট্রিক ও অম্বলের সমস্যা তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, রমজান মাস হতে পারে ধূমপান ছাড়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ। ইফতারের পর শরীর যখন নিজেকে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করে, তখন বিষাক্ত নিকোটিন না দিয়ে পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। এবারের রমজানকে কেবল আধ্যাত্মিক উন্নতির মাস নয়, বরং একটি সুস্থ ও ধূমপানমুক্ত জীবন শুরুর মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
/আশিক
ইফতারের পরই মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির ৫টি সহজ উপায়
পবিত্র রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের মুহূর্তটি প্রশান্তির হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই তা যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ইফতারের কিছুক্ষণ পরই শুরু হওয়া মাথাব্যথা ইবাদত ও বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটায়। এর প্রধান কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া বা ‘লো ব্লাড সুগার’কে দায়ী করেন।
এছাড়াও সারাদিন পানি পান না করায় শরীরে যে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন তৈরি হয়, তা মাথাব্যথাকে আরও তীব্র করে তোলে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত চা বা কফিতে অভ্যস্ত, তাদের শরীরে ক্যাফেইনের ঘাটতি বা ‘ক্যাফেইন উইথড্রয়াল’ মাথাব্যথার একটি বড় কারণ। পাশাপাশি ইফতারের টেবিলে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, তেল-চর্বিযুক্ত এবং মশলাদার খাবার হঠাৎ বেশি পরিমাণে খেলে পরিপাকতন্ত্রে চাপ পড়ে, যা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ সাময়িকভাবে কমিয়ে দিয়ে যন্ত্রণার সৃষ্টি করে।
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইফতারের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি। ইফতার শুরু করা উচিত পানি ও খেজুর দিয়ে এবং একসাথে বেশি না খেয়ে ধীরে ধীরে পরিমিত খাবার গ্রহণ করা উচিত। এতে রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় থাকে। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময় ভাগ করে পর্যাপ্ত পানি, লেবুর শরবত বা ডাবের পানি পান করতে হবে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এবং ভাজাপোড়া কমিয়ে ফল, সালাদ ও স্যুপ জাতীয় হালকা খাবার প্রাধান্য দিলে মাথাব্যথার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়। এছাড়া রমজানে ঘুমের সময়সূচি বদলে যাওয়ার কারণে যে ঘুমের ঘাটতি হয়, তা পূরণে দৈনিক অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
যাদের আগে থেকেই মাইগ্রেন, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তারা এই সময় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। মাথাব্যথা শুরু হলে অন্ধকার ও শান্ত পরিবেশে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া বা কপালে ঠান্ডা পানির কাপড় রাখা সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। তবে যদি ব্যথা তীব্র হয় এবং এর সাথে বমি বা দৃষ্টি ঝাপসা হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং জীবনযাপনে সংযম বজায় রাখলেই ইফতারের আনন্দকে ব্যথামুক্ত রাখা সম্ভব। মনে রাখতে হবে, সচেতনতাই সুস্থ শরীরে ইবাদত করার মূল চাবিকাঠি।
/আশিক
ডায়াবেটিস নিয়েও সুস্থভাবে রোজা: সেহরি ও ইফতারের পূর্ণাঙ্গ গাইড
পবিত্র রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা এবং সচেতনতা প্রয়োজন। সঠিক নিয়ম মেনে চললে যেকোনো শারীরিক অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থভাবে ইবাদত সম্পন্ন করা সম্ভব। বিশেষ করে সেহরি ও ইফতারে খাবারের সঠিক নির্বাচন এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। সেহরি একদম শেষ সময়ের কাছাকাছি সময়ে করা বুদ্ধিমানের কাজ; এতে সারা দিন শরীর যেমন কম ক্লান্ত হবে, তেমনি রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার ঝুঁকিও কম থাকবে। সেহরিতে খাবারের তালিকায় সাদা চালের বদলে লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটস রাখা ভালো। এর পাশাপাশি প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মাছ, মাংস, ডাল এবং শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য প্রচুর শাকসবজি রাখা উচিত। সম্ভব হলে এক গ্লাস দুধ সেহরির ডায়েটে যুক্ত করা যেতে পারে।
ইফতারের শুরুতে সুন্নাহ মেনে একটি খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা যেতে পারে, তবে যাদের কিডনি সমস্যা রয়েছে তাদের খেজুর এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া যেমন—বেগুনি বা চপ জাতীয় খাবার এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো রক্তে চিনির মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে চিড়া, মুড়ি, টক দই বা ডাবের পানি ডায়েটে রাখা যেতে পারে। ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা রোধে ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি যাতে শরীরে খনিজের ভারসাম্য বজায় থাকে।
ওষুধ ও শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রেও ডায়াবেটিক রোগীদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। রোজার সময় নিয়মিত গ্লুকোমিটার দিয়ে রক্তে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত; যদি মাত্রা খুব বেশি বা কম মনে হয়, তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। রোজা শুরুর আগেই ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ এবং সময় সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সাধারণত দিনের বেলার বা সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে সমন্বয় করে দেওয়া হয়। শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, দীর্ঘ সময় নিয়ে তারাবিহর নামাজ পড়লে আলাদা করে আর কোনো ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না। রোজা রেখে খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ না করাই ভালো। তবে যদি রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক কমে যায় বা শরীর খুব বেশি খারাপ লাগে, তবে দেরি না করে রোজা ভেঙে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রাণরক্ষায় জরুরি।
/আশিক
ইফতারে এনার্জি বাড়াতে তৈরি করুন কলা ও পিনাট বাটারের স্পেশাল শেক
শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে নানা স্বাদের শরবত তো থাকেই, তবে এর পাশাপাশি শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে আপনি তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু কলা পিনাট বাটার শেক। এটি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও জোগাবে। এই স্বাস্থ্যকর পানীয়টি তৈরি করাও বেশ সহজ এবং হাতের নাগালে থাকা উপকরণ দিয়েই এটি ঝটপট প্রস্তুত করা সম্ভব।
এই বিশেষ শেকটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ২টি পাকা কলা, ২ কাপ তরল দুধ, আধা কাপ পিনাট বাটার, ২ টেবিল চামচ মধু এবং ২ কাপ আইস কিউব বা বরফ কুচি। পিনাট বাটার প্রোটিনের একটি ভালো উৎস এবং কলা পটাশিয়ামের যোগান দেয়, যা দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে সবগুলি উপকরণ অর্থাৎ কলা, দুধ, পিনাট বাটার, মধু এবং বরফ কিউব একসঙ্গে একটি ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। মিশ্রণটি যখন একদম মসৃণ হয়ে আসবে, তখন গ্লাসে ঢেলে উপর দিয়ে অতিরিক্ত কিছু বরফ কুচি ছড়িয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন। এই পানীয়টি আপনার ইফতারে যেমন ভিন্ন স্বাদ আনবে, তেমনি শরীরকে রাখবে দীর্ঘক্ষণ সতেজ।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ভোটের রাজনীতিতে আসিফ মাহমুদ: ঢাকা দক্ষিণে এনসিপির বড় বাজি
- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী
- গ্যাসের গন্ধ পেলেই যা করবেন: সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এড়াতে জরুরি টিপস
- ৫ আগস্টের পর নিরীহদের আসামি করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- ইউনিভার্সিটির শিক্ষক হলেন ডাকসুর আলোচিত সেই ভিপি প্রার্থী
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- শতাধিক পরিবারকে নিয়ে তালসরা ইসলামি সততা সংগঠনের ইফতার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- অবুঝ নয় জাতি: রাষ্ট্রপতির আচরণ নিয়ে জামায়াত আমিরের কড়া সমালোচনা
- রোজায় ওজন কমাতে চান? ইফতারে কলা খাওয়ার ৫টি দারুণ কারণ
- নতুন দামে আজ থেকেই মিলবে এলপি গ্যাস
- ইফতারে প্রশান্তি! মাত্র কয়েক মিনিটে তৈরি করুন তরমুজের বিশেষ শরবত
- মঈন খানের হাত ধরে নতুন রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন স্থায়ী কমিটির সদস্য
- ৩ দফা দাবিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
- পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল: আলী হোসেন ফকিরের হাতে নতুন মিশন
- ১০ মার্চ থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মাসে পাবে যত টাকা
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া নির্দেশ ছয় সিটি প্রশাসকের কাছে
- ২৪ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- অনলাইনে ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেন টিকিট বিক্রি যেদিন থেকে
- লঘুচাপের প্রভাবে ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা জানাল অধিদপ্তর
- পেঁয়াজুতে এবার চিংড়ির স্বাদ! ইফতারের আড্ডা জমিয়ে দিতে বিশেষ রেসিপি
- যুদ্ধ নাকি সমঝোতা: কোন পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?
- ১৭ বছর পর নতুন মোড়: বিডিআর মামলায় এবার আসামি শেখ হাসিনা
- ল্যাপটপ কি সবসময় চালু রাখেন? অজান্তেই নিজের প্রিয় যন্ত্রটির যে বড় ক্ষতি করছেন
- ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে স্বস্তির খবর দিলেন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
- ইফতারে ছোলার স্বাদ বাড়াতে চান? ট্রাই করুন এই বিশেষ সিক্রেট রেসিপি
- খুলনায় মাঝরাতে ভয়াবহ আগুন: পুড়লো ১০টি মোবাইল ফোনের দোকান
- আজ মঙ্গলবার: রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- ৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
- বিডিআর বিদ্রোহের জট খুলছে: পুনঃতদন্তে নতুন কমিশন গঠনের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রস্তুত ১৩ জেলা: উদ্বোধনের তারিখ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- এনসিপির নির্বাচনী কমান্ড সারজিসের হাতে: আসছে বড় চমক
- ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার হুঁশিয়ারি!
- আজকের ঢাকা: কোথায় কোন কর্মসূচি? যানজট এড়াতে জেনে নিন রুট ম্যাপ
- আজ ৬ রমজান: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- স্থানিয় নির্বাচনের আগে ইসিতে বড় রদবদল
- কালিগঞ্জে জমি দখলের উত্তেজনা: মামলা-জিডির তোয়াক্কা করছে না প্রভাবশালীরা
- রমজানের আগে কারওয়ান বাজারে বড় চমক: স্বস্তির খবর দিলেন ব্যবসায়ীরা
- যুক্তরাজ্যের নতুন বার্তা: ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বদলে যাচ্ছে ভিসা পাওয়ার নিয়ম
- সেহরি না কি ইফতার? রমজানে চিয়া সিড খাওয়ার সেরা সময় কোনটি?
- ইফতারের পর প্রথম টানই হতে পারে শেষ টান! জেনে নিন বিজ্ঞান কী বলে
- তিস্তা পাড়ে আর হাহাকার নয়: সমন্বিত মহাপরিকল্পনার ঘোষণা ত্রাণমন্ত্রীর
- সব পরাশক্তিই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- সংসদ সদস্য থেকে মেয়র হওয়ার দৌড়ে ইশরাক হোসেন!
- ঈদে টানা ছুটির মহা-প্ল্যান! এক নজরে ছুটির ক্যালেন্ডার
- ৫ আগস্টের পর ঢালাও মামলা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অ্যাকশন
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
- স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
- ৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
- সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম
- তালসরায় গাউসিয়া কমিটির মানবিক উদ্যোগ: দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রস্তুত ১৩ জেলা: উদ্বোধনের তারিখ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
- স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী: কুমিল্লা বরুড়াবাসীর স্বপ্ন পূরণ করতে চান জাকারিয়া তাহের
- স্বর্ণের বাজারে টানা দরপতন: দুই দফায় কমল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় অমর একুশে পালন করল কালিগঞ্জবাসী: বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ








