পাঠ্যবইয়ে এমন কী বদলালো, যা নিয়ে শুরু আলোচনা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১২:০৬:৩৪
পাঠ্যবইয়ে এমন কী বদলালো, যা নিয়ে শুরু আলোচনা
ছবি: সংগৃহীত

নতুন শিক্ষাবর্ষ ২০২৬ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বিতরণকৃত পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। সর্বশেষ সংস্করণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের ছাত্র জনতার আন্দোলনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা প্রথমবারের মতো পাঠ্যবইয়ের ইতিহাস অংশে স্থান পেল।

সূত্র অনুযায়ী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং **জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি**র সুপারিশের ভিত্তিতে পাঠ্যবইগুলো পুনর্গঠন করেছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের সামনে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি বাস্তবভিত্তিক ও বহুমাত্রিক চিত্র উপস্থাপন করা।

নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে **শেখ হাসিনা**র শাসনামলকে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী রূপে চিহ্নিত করা হয়েছে। বইয়ের ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ অধ্যায়ে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সরকার ধীরে ধীরে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করতে থাকে। পাঠ্যবইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বিরোধী দল ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর দমনপীড়ন, দুর্নীতির বিস্তার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার মাধ্যমে দলীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বইয়ে ধাপে ধাপে ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে উদ্ভূত ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের পটভূমি, বিস্তার ও পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। নবম ও দশম শ্রেণির পাঠে জাতিসংঘ–এর তদন্ত প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত হন, যাদের একটি বড় অংশ ছিল শিশু ও কিশোর।

২০২৬ সালের পাঠ্যবই সংস্কারের অন্যতম আলোচিত সিদ্ধান্ত হলো অষ্টম শ্রেণির সাহিত্য কণিকা বই থেকে শেখ মুজিবুর রহমান–এর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া। পূর্ববর্তী সংস্করণে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ শিরোনামে ভাষণটি পূর্ণাঙ্গভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও নতুন সংস্করণে সেটি আর নেই।

ষষ্ঠ শ্রেণির চারুপাঠ বইয়ের ‘কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও পোস্টারের ভাষা’ অধ্যায়ে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের প্রতীক হিসেবে একটি নতুন কার্টুন সংযোজন করা হয়েছে। এতে আকাশপথ থেকে গুলি ছোড়ার দৃশ্য ব্যবহার করে ক্ষমতা প্রয়োগ ও সহিংসতার ইঙ্গিত তুলে ধরা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়ক হবে বলে পাঠ্যবই প্রণেতাদের ধারণা।

-রাফসান


শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৪:২৩:০৯
শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, যেখানে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস পরিচালনার নতুন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শেখার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নতুন সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, সপ্তাহের মোট ছয়দিন ক্লাস চলবে, যার মধ্যে তিনদিন শিক্ষার্থীদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং বাকি তিনদিন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান সম্পন্ন হবে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, সোমবার ও বুধবার সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাস পরিচালিত হবে।

এই নতুন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার সময়ও শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। অর্থাৎ, শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকছে, যদিও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করবে।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং একই সঙ্গে সরাসরি শিক্ষার কার্যকারিতা বজায় রাখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাইব্রিড পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের সামাজিক ও পারস্পরিক শেখার পরিবেশও অক্ষুণ্ণ রাখবে।

তবে নতুন এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধার সীমাবদ্ধতা, ডিভাইসের প্রাপ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

-রাফসান


এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ২০:০৫:২৮
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের বিষয়ে বিশেষ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৭ দিন আগেই সব পরীক্ষার্থীর হাতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইতোমধ্যে বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ) তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে দ্রুত প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই আদেশে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিতরণ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য দেশের সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

সঠিক সময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ ও বিতরণে কোনো অবহেলা হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই বোর্ড এই ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

/আশিক


সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ১৭:৪০:৫৬
সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরের স্কুল ও কলেজগুলোতে এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে মোট ছয় দিনই সচল থাকবে। তবে এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি সশরীরে (অফলাইন) ক্লাসে উপস্থিত হবে এবং বাকি তিন দিন নিজ নিজ বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষকরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে জোড় ও বিজোড় রোল নম্বর বা দিন ভাগ করে এই অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয় করা হবে।

জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে পরিবহন খরচ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যদিও শিক্ষামন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ৫৫ শতাংশ মানুষ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণ বজায় রাখতে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে এই ‘হাইব্রিড’ বা সমন্বিত মডেলটি বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

/আশিক


কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ২২:০০:২৪
কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সোমবার (৩০ মার্চ) বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকরাও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। সাধারণত প্রতি বছর পরীক্ষার কয়েক মাস আগেই এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাতে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত সংক্রান্ত কোনো সমস্যা না হয়।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রে আসন বিন্যাস এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্র সচিবকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র কোডের সাথে বোর্ডের প্রকাশিত এই তালিকার মিল দেখে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালিকা দেখুন এখতে ক্লিক করুন এখানে…

/আশিক


এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ১০:৪৪:১১
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ১১ দফার একটি বিশেষ নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক জরুরি আদেশে এই নির্দেশনাগুলো প্রদান করা হয়। এতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, পরীক্ষার হলে যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা জালিয়াতি রোধে সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ বা জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

নতুন নির্দেশনায় প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ও কক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা অচল রয়েছে, সেগুলো পরীক্ষা শুরুর আগেই সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে সরবরাহের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের নকল বা অন্য কোনো অসদুপায় অবলম্বন ঠেকাতে কেন্দ্রে প্রবেশের আগে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের তল্লাশির ক্ষেত্রে নারী শিক্ষকদের নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে দেয়াল ঘড়ি স্থাপন এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসসহ পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাউশির আদেশে আরও জানানো হয়েছে যে, কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কোনো শিক্ষক কিংবা পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে কেন্দ্রের প্রধান ফটকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা টাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবসহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

/আশিক


এপ্রিলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা; ১০টি কড়া নির্দেশনাসহ নীতিমালা প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১০:২২:৩২
এপ্রিলে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা; ১০টি কড়া নির্দেশনাসহ নীতিমালা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যদিও পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনাসহ আচরণবিধি প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের পাঁচটি প্রধান বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের একটি পরীক্ষা এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে আরও ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য সময় বরাদ্দ থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা নিয়মানুযায়ী অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তির জন্য বিবেচিত হতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে মেধা তালিকার ভিত্তিতে ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে (৫০ শতাংশ করে) বৃত্তি প্রদান করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের জন্য যে ১০টি কড়া নিয়ম ও আচরণবিধি মেনে চলতে হবে

পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা

১. প্রবেশপত্র ও উপস্থিতি: পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কাউকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।

২. নিষিদ্ধ বস্তু: পরীক্ষার হলে প্রবেশপত্র ছাড়া অন্য কোনো অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৩. ওএমআর শিট পূরণ: উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার (ওএমআর) নির্ধারিত স্থানে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কোনো কিছু লেখা যাবে না।

৪. পরিদর্শকের স্বাক্ষর: উত্তরপত্রে অবশ্যই ইনভিজিলেটর বা কক্ষ পরিদর্শকের স্বাক্ষর থাকতে হবে; অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

৫. অপ্রাসঙ্গিক লেখা: উত্তরপত্রের ভেতর বা বাইরে পরীক্ষার্থীর নাম, ঠিকানা, রোল নম্বর বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা অপ্রয়োজনীয়/আপত্তিকর কোনো কিছু লেখা যাবে না।

৬. খসড়া কাজ: খসড়ার জন্য কোনো অতিরিক্ত কাগজ দেওয়া হবে না। প্রদত্ত উত্তরপত্রেই খসড়ার কাজ করতে হবে এবং পরে তা যথাযথভাবে কেটে দিতে হবে।

৭. নিষিদ্ধ লিখন: উত্তরপত্র ছাড়া টেবিল, স্কেল, নিজ দেহ বা অন্য কোথাও পরীক্ষার্থী কোনো কিছু লিখতে পারবে না।

৮. হল ত্যাগ: প্রশ্নপত্র বিতরণের পর অন্তত এক ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা হলের বাইরে যেতে পারবে না।

৯. উত্তরপত্র জমা: পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র বুঝিয়ে দিয়ে তবেই পরীক্ষার হল ত্যাগ করতে হবে।

১০. কর্তৃপক্ষের নিয়ম: এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য সকল নিয়মাবলি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি

পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে অন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বিনিময় করা যাবে না।

অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না।

উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের কাছে দাখিল না করে পরীক্ষার হল ত্যাগ করা যাবে না।

উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন বা কোনোভাবে বিনষ্ট করা যাবে না।

/আশিক


২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনায় নতুন গাইডলাইন প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৬:৫৩:৫১
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনায় নতুন গাইডলাইন প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটি গঠন নিয়ে নতুন এক বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সোমবার প্রকাশিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী 'কেন্দ্র কমিটি' গঠন করতে হবে। এই কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের (মাধ্যমিক) কাছে পাঠাতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা সদরের কেন্দ্রগুলোর জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একজন সরকারি ও একজন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তবে কোনো কেন্দ্রে সরকারি বিদ্যালয় না থাকলে দুইজন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্য করা যাবে। কেন্দ্রের প্রধান প্রতিষ্ঠান প্রধান পদাধিকার বলে কেন্দ্রসচিব ও কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যদি কোনো কারণে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠান প্রধান এই দায়িত্ব পালনে অপারগ হন, তবে চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে অন্য কোনো অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষককে কেন্দ্রসচিব নিয়োগ দেওয়া যাবে।

উল্লেখ্য যে, কেন্দ্র কমিটির চেয়ারম্যান স্বয়ং কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন। যদি কোনো অনিবার্য কারণে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তবে তাঁর পরিবর্তে একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার সন্তান যদি সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তবে তিনি কোনোভাবেই কেন্দ্রসচিব হতে পারবেন না। ৫ এপ্রিলের সময়সীমার মধ্যে এই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বোর্ডকে অবহিত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

/আশিক


লটারি প্রথা চূড়ান্ত বাতিল! স্কুলে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রীর বড় ঘোষণা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৬:৫১:২৩
লটারি প্রথা চূড়ান্ত বাতিল! স্কুলে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রীর বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে বিতর্কিত ‘লটারি প্রথা’ চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে ভর্তির জন্য বর্তমানের লটারি পদ্ধতি আর কার্যকর থাকবে না। মেধার সঠিক যাচাই ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রথা বাতিলের ফলে স্কুলগুলোতে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা যাচাই করে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। গত কয়েক বছর ধরে লটারি পদ্ধতিতে মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে—এমন দাবির প্রেক্ষিতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সংস্কারের পথে হাঁটল।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে। ২০২৭ সাল থেকে নতুন এই ভর্তি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত রূপরেখা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

/আশিক


শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বিশেষ বার্তা: আমূল বদলে যাচ্ছে ভর্তি প্রক্রিয়া

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৬:৩৭:৩২
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বিশেষ বার্তা: আমূল বদলে যাচ্ছে ভর্তি প্রক্রিয়া
ছবি : সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিকেল ৪টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই প্রেস ব্রিফিং থেকে স্কুল পর্যায়ে বহুল আলোচিত ‘লটারি প্রথা’ বাতিল এবং পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর, লটারি পদ্ধতিতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না—অভিভাবক ও শিক্ষক মহলের এমন দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতেই সরকার পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। আজকের ব্রিফিংয়ে এই নতুন ভর্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা ও বাস্তবায়নের সময়সূচী ঘোষণা করা হতে পারে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের তিনটি শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা উপাচার্য (ভিসি) পদে নতুন নিয়োগের বিষয়টিও আজ চূড়ান্তভাবে জানানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী এই সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা খাতের চলমান সংস্কার ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরবেন। উল্লেখ্য যে, আজ সকালেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, যা শিক্ষা অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: