সব সময় শীত লাগছে? জানুন যে ভিটামিনের অভাবে শরীরে বেশি শীত অনুভূত হয়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:৪০:১৯
সব সময় শীত লাগছে? জানুন যে ভিটামিনের অভাবে শরীরে বেশি শীত অনুভূত হয়
ছবি : সংগৃহীত

বাইরের তাপমাত্রা খুব একটা কম না থাকলেও অনেকের সব সময় অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে অতিরিক্ত শীত অনুভূত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে ভিটামিন বি১২-এর তীব্র ঘাটতি। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানান, ভিটামিন বি১২ রক্তে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ভিটামিনের অভাবে শরীরে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়, যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়। এর সরাসরি প্রভাব হিসেবে হাত-পা সবসময় ঠান্ডা থাকা এবং শরীরে অস্বাভাবিক শীত অনুভূত হওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আরও উল্লেখ করেছেন যে, কেবল ভিটামিন বি১২ নয়, আয়রনের অভাবও রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি বাড়িয়ে শীতের অনুভূতি তীব্র করতে পারে। পাশাপাশি শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি থাকলে পেশি দুর্বল হয়ে যায়, যা ঠান্ডার প্রতি শরীরকে আরও সংবেদনশীল করে তোলে। এছাড়া থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘হাইপোথাইরয়েডিজম’ বলা হয়, শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপ উৎপাদন কমে যাওয়ায় স্বাভাবিক আবহাওয়ায়ও হাড়কাঁপানো শীত লাগতে পারে।

শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি থাকলে হাত-পা ঠান্ডা থাকার পাশাপাশি দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া এবং মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হলে অবহেলা না করে রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। এছাড়া প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, দুধ, মাছ, মাংস এবং প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি রাখার মাধ্যমে এই পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শীতের এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে সুষম খাদ্যাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই।


শীতে বারবার প্রস্রাবের বেগ: সাধারণ ঘটনা নাকি কিডনি রোগের সংকেত?

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ২০:২০:৫৭
শীতে বারবার প্রস্রাবের বেগ: সাধারণ ঘটনা নাকি কিডনি রোগের সংকেত?
ছবি : সংগৃহীত

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের মধ্যেই বারবার প্রস্রাবের বেগ আসার প্রবণতা দেখা দেয়। সাধারণত এটি শরীরের একটি স্বাভাবিক অভিযোজন প্রক্রিয়া। ঠান্ডায় শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে রক্তনালী সংকুচিত হয় এবং কিডনিতে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়, ফলে প্রস্রাব তৈরির পরিমাণও বাড়ে। এছাড়া শীতে ঘাম কম হওয়ায় শরীরের অতিরিক্ত তরল প্রস্রাবের মাধ্যমেই বের হয়ে আসে। তবে এই পরিবর্তনগুলো সাময়িক হলেও সবসময় একে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩৫ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে রাতের ঘনঘন প্রস্রাব কিডনির ওপর বাড়তি চাপের ইঙ্গিত হতে পারে। ঠান্ডায় রক্তনালী সঙ্কুচিত হয়ে রক্তচাপ বেড়ে গেলে কিডনি দুর্বল হতে শুরু করতে পারে। কিডনি যখন তার কার্যকারিতা হারায়, তখন প্রস্রাব ঘন করার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে রাতে বারবার বাথরুমে যেতে হয়। এছাড়া যদি প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, থেমে-থেমে প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা দেখা দেওয়া কিংবা মুখ ও পা ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

যাদের পরিবারে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগের ইতিহাস আছে, তাদের জন্য এই সতর্কতা আরও বেশি জরুরি। শীত চলে যাওয়ার পরও যদি এই সমস্যা চলতে থাকে, তবে ইউরিন টেস্ট বা রক্তের ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির অবস্থা যাচাই করে নেওয়া উচিত। মনে রাখবেন, কিডনির রোগ সাধারণত নীরবেই শরীরে বাসা বাঁধে, তাই প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে রাখা সুস্থ থাকার প্রধান চাবিকাঠি।


সুস্থ থাকতে চায়ের সঙ্গে এই ৫ খাবারের বিচ্ছেদ জরুরি: আজই সতর্ক হোন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৮:৫১:৩৬
সুস্থ থাকতে চায়ের সঙ্গে এই ৫ খাবারের বিচ্ছেদ জরুরি: আজই সতর্ক হোন
ছবি : সংগৃহীত

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এক কাপ গরম চা। তবে চায়ের তৃপ্তি তখনই বিষাদে রূপ নিতে পারে, যখন এর সাথে ভুল কোনো খাবার যুক্ত হয়। চায়ের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত ট্যানিন এবং অক্সালেট কিছু খাবারের পুষ্টিগুণ শুষে নিতে বাধা দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরে পুষ্টির অভাব ও হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

চায়ের সঙ্গে যা এড়িয়ে চলবেন

১. ডাল, গাঢ় রঙের শাক-সবজি কিংবা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের আয়রন শোষণে চা বাধা দেয়। তাই এ জাতীয় খাবার খাওয়ার অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টা পর চা পান করা নিরাপদ।

২. আমরা অনেকেই চায়ের সাথে সিঙ্গাড়া বা বেসনের চপ পছন্দ করি। কিন্তু এই ভারী ও চর্বিযুক্ত খাবার চায়ের উপাদানের সাথে মিশলে পেট ফোলা এবং বদহজমের কারণ হতে পারে।

৩.চায়ের সাথে টক জাতীয় ফল বা ফলের সালাদ খেলে পেটে তীব্র অ্যাসিডিটি এবং অস্বস্তি হতে পারে।

৪. ঠান্ডা দই বা পনির জাতীয় খাবারের সাথে গরম চা পেটের ভেতর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ কমিয়ে দেয় এবং হজমে ব্যাঘাত ঘটায়।

৫.খুব ঝাল বা অ্যাসিডিক খাবার চায়ের সাথে মিশলে পাকস্থলীকে অতিরিক্ত উত্তেজিত করে তোলে, যা বুক জ্বালাপোড়া ও বদহজমের ঝুঁকি বাড়ায়।

চায়ের সঠিক উপকারিতা পেতে হলে এই খাবারগুলো থেকে চা পানকে আলাদা রাখা জরুরি। সামান্য সচেতনতাই আপনার প্রিয় পানীয়টিকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।


শীতকালে বাংলাদেশের ভ্রমণের ৫ সেরা জায়গা:  ২০২৬ সালের ট্রাভেল গাইড

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১১:৪৯:২৫
শীতকালে বাংলাদেশের ভ্রমণের ৫ সেরা জায়গা:  ২০২৬ সালের ট্রাভেল গাইড
ছবি : সংগৃহীত

শীতকালে বাংলাদেশ যেন তার রূপের ডালি সাজিয়ে বসে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের এই সময়ে পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু নতুন নিয়ম এবং সুযোগ তৈরি হয়েছে। আপনার তালিকার ৫টি জায়গার বর্তমান অবস্থা ও বিশেষ আপডেটগুলো নিচে তুলে ধরা হলো

১. সেন্ট মার্টিন (বিশেষ আপডেট ২০২৬): এ বছর সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে কিছু কড়াকড়ি রয়েছে। সরকার ঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত পর্যটকরা দ্বীপে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটক যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন ২ হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন না এবং জাহাজগুলো এখন সরাসরি কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া জেটি থেকে ছাড়ছে (টেকনাফ রুট আপাতত বন্ধ)। রাত্রিযাপনের জন্য আগেভাগে হোটেল বুকিং নিশ্চিত করা জরুরি।

২. কক্সবাজার: বিশ্বের দীর্ঘতম এই সৈকতে এখন ভিড় বেশি থাকলেও মেরিন ড্রাইভ দিয়ে হিমছড়ি বা ইনানী যাওয়া অনেক সহজ হয়েছে। ২০২৬ সালে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন সার্ভিস পর্যটকদের জন্য যাতায়াত আরও আরামদায়ক করে তুলেছে।

৩. সাজেক ভ্যালি ও রাঙামাটি: মেঘের রাজ্য সাজেকে এখন তীব্র শীত। সকালে কুয়াশার চাদরে ঢাকা সাজেক দেখতে হলে ভোরে ‘হেলিপ্যাড’ এলাকায় যাওয়া মিস করবেন না। রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে হাউস বোটের অভিজ্ঞতা এখন পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ।

৪. সিলেট ও শ্রীমঙ্গল: শীতের সকালে শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে হাজার হাজার পরিযায়ী পাখির দেখা মিলছে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ভ্রমণে এখন গাইড নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বন্যপ্রাণী সুরক্ষায়।

৫. সুন্দরবন: ২০২৬ সালে সুন্দরবনে বোট সাফারি আরও আধুনিক হয়েছে। শীতকালে বাঘ বা হরিণের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। কটকা বা কচিখালী পয়েন্টে এখন পর্যটকদের জন্য বিশেষ ওয়াচ টাওয়ার সংস্কার করা হয়েছে।

ভ্রমণের জন্য কিছু প্রো-টিপস

ট্রাভেল পাস: সেন্ট মার্টিন যাওয়ার জন্য এখন সরকারি অনলাইন পোর্টাল থেকে ‘ট্রাভেল পাস’ বা কিউআর কোড সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।

পাহাড়ি এলাকায় (সাজেক/বান্দরবান) তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যেতে পারে, তাই ভালো মানের শীতের কাপড় সাথে রাখুন।


শীতেও ত্বক থাকবে মাখনের মতো নরম: জানুন জাদুকরী কিছু সহজ টিপস

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১০:৫৮:২৭
শীতেও ত্বক থাকবে মাখনের মতো নরম: জানুন জাদুকরী কিছু সহজ টিপস
ছবি : সংগৃহীত

শীতের ঠান্ডা বাতাস আর কম আর্দ্রতা আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে একে করে তোলে রুক্ষ ও নিস্প্রাণ। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় হিটার ব্যবহার করেন বা গরম পানিতে গোসল করেন, তাদের ত্বকের সুরক্ষা স্তর বা ব্যারিয়ার দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সঠিক নিয়ম মেনে চললে এই তীব্র শীতেও ত্বক রাখা সম্ভব প্রাণবন্ত ও সুস্থ।

শীতে ত্বকের সুরক্ষায় প্রধান করণীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে সাধারণ সাবানের বদলে গ্লিসারিন বা অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করা উচিত। মুখ ধোয়া বা গোসলের পর ত্বক পুরোপুরি শুকানোর আগেই ঘন ময়েশ্চারাইজার (ক্রিম বা বাটার) লাগানো জরুরি, যা ত্বকের গভীরে আর্দ্রতা আটকে রাখে। অনেকে শীতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন না, যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মেঘলা দিনেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের বার্ধক্য ত্বরান্বিত করে, তাই SPF ৩০ বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

খাদ্যাভ্যাস ও পোশাকের সতর্কতা কেবল বাইরে থেকে মাখলেই হবে না, ত্বক ভালো রাখতে ভেতর থেকেও পুষ্টি প্রয়োজন। শীতে তৃষ্ণা কম লাগলেও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলা বা মাল্টা ডায়েটে রাখতে হবে। এছাড়া খসখসে উলের কাপড় সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে এলে চুলকানি হতে পারে, তাই ভেতরে সুতির কাপড় পরা বুদ্ধিমানের কাজ। যদি ত্বক অতিরিক্ত ফেটে যায় বা জ্বালাপোড়া করে, তবে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। শীতের এই চ্যালেঞ্জ জয় করতে নিয়মিত যত্ন আর সচেতনতাই প্রধান চাবিকাঠি।

সূত্র : Valley Dermalotogy Specialists


দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তির ৫ সহজ উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১০:৫০:১৪
দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তির ৫ সহজ উপায়
ছবি : সংগৃহীত

ঠান্ডা কিংবা গরম কিছু মুখে দিলেই কি দাঁতে শিরশিরানি অনুভূত হচ্ছে? দাঁত বাইরে থেকে ঝকঝকে দেখালেও ভেতরে ভেতরে এনামেল ক্ষয়ের কারণে আপনি হয়তো বড় ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের প্রতিদিনের কিছু ছোট ছোট ভুল অভ্যাসই দাঁতের এই সংবেদনশীলতা বা সেন্সিটিভিটির প্রধান কারণ।

দাঁতের ক্ষতি করছে যে ৫ অভ্যাস

১. ভুল পদ্ধতিতে ব্রাশ: অনেকে মনে করেন জোরে ব্রাশ করলে দাঁত পরিষ্কার হয়, কিন্তু বাস্তবে এতে দাঁতের এনামেল স্তর চিরতরে ক্ষয়ে যায়। নরম ব্রিসেলের ব্রাশ ব্যবহারই এর একমাত্র সমাধান।

২. অ্যাসিড ও চিনি যুক্ত খাবার: সোডা, এনার্জি ড্রিংক কিংবা লেবুর রস দাঁতের এনামেলকে নরম করে ফেলে। এসব খাওয়ার পর স্ট্র ব্যবহার করা বা মুখ ভালো করে ধুয়ে নেওয়া জরুরি।

৩. পর্যাপ্ত জল পান না করা: লালারস হলো দাঁতের প্রাকৃতিক সুরক্ষা। জল কম খেলে লালা কমে যায়, ফলে মুখে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে দাঁতের ক্ষতি হয়।

৪. ঘরোয়া হোয়াইটেনিং টোটকা: বেকিং সোডা বা লেবু দিয়ে দাঁত সাদা করার চেষ্টায় আসলে এনামেল পুড়ে যায়। সামাজিক মাধ্যমের এসব জনপ্রিয় ট্রিকস দীর্ঘমেয়াদে দাঁতের বারোটা বাজায়।

৫. টুথপেস্ট নির্বাচনে ভুল: সাধারণ টুথপেস্ট সব সময় এনামেল সুরক্ষা দিতে পারে না। সেন্সিটিভিটি থাকলে বিশেষায়িত ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা প্রয়োজন।

দাঁতের সমস্যা একদিনে হয় না, তবে সচেতনতা শুরু করতে হয় আজ থেকেই। এই ৫টি বিষয়ে নজর দিলে আপনিও ফিরিয়ে পেতে পারেন দাঁতের স্বাভাবিক শক্তি ও উজ্জ্বলতা। মনে রাখবেন, দাঁতের যত্ন কেবল সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি সুস্থ শরীরের অবিচ্ছেদ্য অংশ।


শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর জানুন বিশেষজ্ঞ মত

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ২০:০৯:৫৮
শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর জানুন বিশেষজ্ঞ মত
ছবি : সংগৃহীত

হাড়কাঁপানো এই শীতে রাতের বেলা হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে থাকা অনেকের জন্যই বড় বিড়ম্বনা। লেপ বা কম্বল মুড়ি দিলেও অনেকের পা গরম হতে দীর্ঘ সময় লাগে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই রাতে উলের বা সুতির মোজা পরে ঘুমান। চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাসের যেমন কিছু চমৎকার সুফল রয়েছে, তেমনি অসতর্কতায় এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, পা গরম থাকলে শরীরের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয়, যা মস্তিষ্ককে দ্রুত ঘুমানোর সংকেত দেয়। ফলে অনিদ্রায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য মোজা পরে ঘুমানো বেশ কার্যকর।

এছাড়া শীতকালে অনেকেরই গোড়ালি ফাটার সমস্যা প্রকট হয়। রাতে পায়ে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে মোজা পরলে পায়ের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং চামড়া নরম হয়। বিশেষ করে যাদের ঠান্ডায় আঙুল নীল হয়ে যায় বা অবশ লাগে—যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় 'রেনল্ডস ডিজিজ' বলা হয়—তাদের ক্ষেত্রে মোজা পরে ঘুমানো রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তবে ঝুঁকির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অতিরিক্ত টাইট বা ইলাস্টিকযুক্ত মোজা রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যার ফলে পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা ফোলা ভাব দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেছেন যে, সারাদিন ব্যবহার করা নোংরা মোজা পরে ঘুমালে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে সিন্থেটিক মোজায় পা ঘামলে দুর্গন্ধ ও চর্মরোগ হতে পারে। তাই নিরাপদ থাকতে সব সময় পরিষ্কার ও ঢিলেঢালা সুতির মোজা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুদের ক্ষেত্রে শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকায় মোজা পরানোর বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। যাদের মোজা পরলে অস্বস্তি হয়, তারা ঘুমানোর আগে কুসুম গরম পানিতে পা ধুয়ে নিতে পারেন অথবা বিছানায় গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার করে আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করতে পারেন।


জিরা-মেথি-আজওয়াইন-সওফ এর পানি খাওয়ার যাদুকরী উপকার

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১৮:৫০:২৫
জিরা-মেথি-আজওয়াইন-সওফ এর পানি খাওয়ার যাদুকরী উপকার
ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক জীবনযাত্রায় হজমজনিত সমস্যা, অম্বল, গ্যাস ও ওজন নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ বাড়তে থাকায় আয়ুর্বেদভিত্তিক ভেষজ পানীয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ নতুন করে বেড়েছে। এর মধ্যে জিরা, মেথি, আজওয়াইন ও সওফ দিয়ে তৈরি উষ্ণ পানি বর্তমানে একটি আলোচিত স্বাস্থ্য পানীয় হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

হজম ব্যবস্থায় কীভাবে কাজ করে

আয়ুর্বেদিক ব্যাখ্যায় এই চার উপাদান হজম অগ্নিকে সক্রিয় করতে সহায়তা করে। জিরা ও সওফ পরিপাক রস নিঃসরণে সহায়ক বলে পরিচিত, যা পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমাতে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে আজওয়াইনের উষ্ণ প্রকৃতি অন্ত্রে জমে থাকা গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে এবং মেথি অন্ত্রের গতিশীলতা উন্নত করে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ও বিপাকক্রিয়া

এই ভেষজ পানীয় শরীরের বিপাকক্রিয়া সক্রিয় রাখতে সহায়তা করতে পারে বলে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের ধারণা। নিয়মিত সেবনে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে থাকার প্রবণতা কমে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে, যা ওজন ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হিসেবে বিবেচিত।

ডিটক্স ও লিভার সহায়তা

ভেষজ উপাদানগুলোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ শরীরের ভেতরে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করতে পারে। আয়ুর্বেদ মতে, এই পানীয় লিভারের কার্যক্ষমতা সমর্থন করে এবং পাকস্থলীর অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

রক্তে শর্করা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ

মেথিতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে শর্করার ওঠানামা ধীর করতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়। পাশাপাশি জিরা ও আজওয়াইনের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ত্বক, হরমোন ও অন্যান্য সম্ভাব্য উপকার

এই পানীয় ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে বলে অনেকে দাবি করেন। নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনজনিত অস্বস্তি ও মাসিককালীন ব্যথা লাঘবে এটি সহায়ক হতে পারে বলেও আয়ুর্বেদে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সওফ শ্বাসনালীর আরাম দিতে পারে, যা হালকা কাশি বা ঠান্ডাজনিত সমস্যায় উপকারী।

সেবন পদ্ধতি

আয়ুর্বেদিক পরামর্শ অনুযায়ী, জিরা, মেথি, আজওয়াইন ও সওফ সমপরিমাণে পানিতে রাতভর ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে হালকা গরম অবস্থায় পান করা যেতে পারে। বিকল্পভাবে শুকনো উপাদান গুঁড়া করে অল্প পরিমাণ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়েও সেবন করা যায়।

সতর্কতা ও বিশেষ পরামর্শ

চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, আজওয়াইনের অতিরিক্ত উষ্ণ প্রকৃতির কারণে এই পানীয় মাত্রাতিরিক্ত গ্রহণ করা উচিত নয়। গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত সেবন না করাই নিরাপদ।

সব মিলিয়ে, জিরা-মেথি-আজওয়াইন-সওফ পানীয় আয়ুর্বেদিক দৃষ্টিতে একটি সহায়ক স্বাস্থ্য পানীয় হলেও এটি কোনো রোগের একমাত্র চিকিৎসা নয়। সঠিক মাত্রা, নিয়মিততা এবং ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থার বিবেচনাই এর উপকারিতা নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্রঃ গুগল


জমি রেজিস্ট্রিতে ১১৫ বছরের প্রথা ভাঙল: দলিল সরবরাহ নিয়ে নতুন নিয়ম জানুন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:২৯:৩৩
জমি রেজিস্ট্রিতে ১১৫ বছরের প্রথা ভাঙল: দলিল সরবরাহ নিয়ে নতুন নিয়ম জানুন
ছবি : সংগৃহীত

জমি বা সম্পত্তি রেজিস্ট্রির পর মূল দলিল ও নকল পেতে দীর্ঘদিনের যে অবর্ণনীয় ভোগান্তি, তার অবসান ঘটাতে ঐতিহাসিক এক পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা জেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিস। ১৯০৮ সালে জমি রেজিস্ট্রি প্রথা চালুর পর গত ১১৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দলিলের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে চালু করা হয়েছে বিশেষ হেল্পলাইন ও মেসেজ সার্ভিস। এখন থেকে ঢাকা জেলার আওতাধীন ২৩টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসের গ্রাহকরা নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করেই জানতে পারবেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত দলিলটি কবে নাগাদ হাতে পাবেন।

ঢাকা জেলা সাবরেজিস্ট্রার অহিদুল ইসলাম সোমবার সংবাদমাধ্যমকে জানান, জমি রেজিস্ট্রির পরপরই গ্রাহককে দেওয়া রসিদে একটি বিশেষ সিল মেরে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দপ্তরের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ফোন নম্বর থাকছে। গ্রাহক চাইলে যেকোনো সময় ফোন করে দলিলের অগ্রগতি জানতে পারবেন। এছাড়া আগামী বছরের শুরু থেকেই জমি ক্রেতা বা গ্রহীতার মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করে দলিল প্রস্তুত হওয়ার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয় মেসেজ বা কল করার ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। যারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে নম্বর দিতে চাইবেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক করা হবে না।

অহিদুল ইসলাম আরও জানান, অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে এবং সেবাপ্রার্থীদের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে প্রতি মঙ্গলবার তিনি গণশুনানির আয়োজন করছেন। এছাড়া ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি ও হেল্প ডেস্কসহ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যে পুরোনো বালাম বহি স্ক্যান করে ডিজিটাল অটোমেশনে নিয়ে আসার জন্য বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন সার্ভিসে বর্তমানে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত মেধাবী কর্মকর্তারা যুক্ত হওয়ায় এই খাতের দীর্ঘদিনের নেতিবাচক ইমেজ দ্রুতই বদলে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দলিল জালিয়াতি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা রেজিস্ট্রারের এই ঝটিকা সফর ও তদারকি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। এখন থেকে দলিল পাওয়ার জন্য মাসের পর মাস দপ্তরে ঘুরে বেড়ানোর দিন শেষ হতে চলেছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।


শীতে নাক বন্ধ? অস্বস্তি থেকে মুক্তির ৮ উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১০:৪৭:৫৯
শীতে নাক বন্ধ? অস্বস্তি থেকে মুক্তির ৮ উপায়
ছবি : সংগৃহীত

শীতের রুক্ষতা, ধুলোবালি কিংবা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া এক অসহ্য যন্ত্রণা। ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারা কিংবা রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটা—এই সমস্যাগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, বিশেষজ্ঞরা বলছেন কিছু সহজ ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপায়ে দ্রুত এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

নাক খোলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো স্যালাইন পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করা। নেটি পট বা স্প্রে ব্যবহার করে নাকের ভেতর জমে থাকা মিউকাস ও অ্যালার্জেন বের করে দিলে দ্রুত আরাম মেলে। এছাড়া গরম পানির ভাপ নিলে নাকের ভেতরের মিউকাস নরম হয়ে যায়, যা শ্বাস নেওয়া সহজ করে। শরীর হাইড্রেটেড রাখা বা পর্যাপ্ত পানি পান করাও এক্ষেত্রে অপরিহার্য, কারণ এটি মিউকাসকে পাতলা রাখতে সাহায্য করে।

ঘুমানোর সময় মাথার নিচে বাড়তি বালিশ ব্যবহার করে মাথা একটু উঁচুতে রাখলে মিউকাস সহজে নিচে নেমে আসে এবং রাতে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়। এছাড়া নাকের পাশে গরম বা ঠান্ডা সেঁক দেওয়া সাইনাসের চাপ কমাতে জাদুর মতো কাজ করে। হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, যা নাকের প্রদাহ কমাতে সহায়ক। তবে নাকের স্প্রে বা ডিকনজেস্ট্যান্ট ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে, কারণ ৩-৫ দিনের বেশি ব্যবহারে হিতে বিপরীত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আর এই সহজ কৌশলগুলো মেনে চললে নাক বন্ধের মতো সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সুস্থ থাকতে সচেতনতাই বড় হাতিয়ার।

সূত্র: এনডিটিভি

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত