অস্বাভাবিক ব্যয়ের কবলে নতুন দুই মেট্রো রেল: খরচের অঙ্ক আগের চেয়েও দ্বিগুণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ০৯:১২:২৭
অস্বাভাবিক ব্যয়ের কবলে নতুন দুই মেট্রো রেল: খরচের অঙ্ক আগের চেয়েও দ্বিগুণ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরা-মতিঝিল মেট্রো রেল নির্মাণে যে ব্যয় হয়েছিল, নতুন দুটি পথে তা দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেল নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে যেখানে ১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছিল, সেখানে নতুন দুই পথে খরচ দাঁড়াচ্ছে কিলোমিটারে ৩ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত নতুন দুই মেট্রো রেল পথে মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই বিপুল ব্যয় ও ঋণের বোঝা মেট্রো রেল নির্মাণকেই বড় ধরণের অনিশ্চয়তার মুখে ফেলছে।

অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও, এখন নির্বাচিত বিএনপি সরকারের ওপর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ভার পড়েছে। নির্মাণকাজ শুরুর অপেক্ষায় থাকা এই দুটি পথের একটি হলো এমআরটি লাইন-১ (কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল), যার দৈর্ঘ্য ৩১ কিলোমিটারের বেশি। অন্যটি হলো এমআরটি লাইন-৫ উত্তর (সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা), যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কিলোমিটার।

বিশ্লেষকদের মতে, মেট্রো রেল নির্মাণে এত বেশি ব্যয়ের প্রধান কারণ হলো দরপত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ কম থাকা। বর্তমানে প্রতিযোগিতা শুধু জাপানি ঠিকাদারদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় খরচ অস্বাভাবিক বাড়ছে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদও জানিয়েছেন যে, প্রকল্পের অর্থায়নে জাপানি ঋণদাতা সংস্থা জাইকা বেশ কিছু প্রকৌশলগত শর্ত জুড়ে দেওয়ায় ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কমে গেছে।

২০১৯ সালে এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা ধরা হলেও ঠিকাদারদের প্রস্তাবিত দর অনুযায়ী তা এখন ৯৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে। অন্যদিকে লাইন-৫ প্রকল্পের প্রাক্কলন ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা, যা বর্তমানে ৮৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছানোর উপক্রম হয়েছে। অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারতে জমি অধিগ্রহণ ও বেতন বাদে প্রতি কিলোমিটার মেট্রো রেল নির্মাণে খরচ হয় মাত্র ১৫০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা। ভারতও বিদেশি ঋণে প্রকল্প করে, কিন্তু তারা এমন কোনো শর্ত মানে না যা ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা নষ্ট করে।

ডিএমটিসিএল কর্মকর্তারা দুটি প্যাকেজে ঠিকাদারদের অস্বাভাবিক দর প্রস্তাবের পেছনে ‘যোগসাজশের’ সন্দেহ করছেন। গত বছরের জুনে কচুক্ষেত থেকে ভাটারা অংশের দরপত্র খোলা হলে দেখা যায়, প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকার বিপরীতে জাপানের তাইসি ও দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং (যৌথ) প্রায় ১৫ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা দর হাঁকিয়েছে, যা প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় ৩৯১ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি।

টাকার অঙ্কে এখানে বাড়তি ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। জাইকার শর্তানুযায়ী ঠিকাদারের দরে ভুল না থাকলে সর্বনিম্ন দরদাতাই কাজ পাবে, কিন্তু অস্বাভাবিক দরের কারণে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাব গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাইকা এই বাড়তি ব্যয়ের বিষয়টি অবগত থাকলেও তাদের ক্রয়সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পথে চলাচলকারী মেট্রো রেল থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আয় হলেও ২০৩০-৩১ সাল পর্যন্ত বছরে ঋণের কিস্তি হিসেবে ৪৬৫ কোটি থেকে ৭৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্প দুটির ভবিষ্যৎ ও ব্যয় কমানোর উপায় জানতে চেয়ে গত জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দিয়েছে ডিএমটিসিএল।

বুয়েটের অধ্যাপক সামছুল হকের মতে, এমন বিপুল ব্যয়ে মেগা প্রকল্প করলে বাংলাদেশ দেউলিয়া হয়ে যাবে। তাই নতুন সরকারের প্রধান কাজ হওয়া উচিত ঋণের শর্ত পরিবর্তন করে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মেট্রো রেলের পাশাপাশি মনোরেল চালু করা হবে। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এখন দেখার বিষয়—তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এই বিশাল ব্যয়ের প্রকল্প নিয়ে কী ধরণের নীতি গ্রহণ করে।

সৌজন্যে : প্রথম আলো


তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সোহানুর রহমান
সোহানুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৬:৩১:২৪
তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ফাইল ছবি।

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। তাই অযথা আতঙ্কিত হয়ে পেট্রোল পাম্পে ভিড় না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আগামীকাল থেকে তেল মজুত বা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক উত্তেজনার কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই উদ্বেগের বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, “যে সংশয়টি জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ বিশ্ব পরিস্থিতিতে যুদ্ধের আবহ রয়েছে। কিন্তু আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়ানোরও প্রয়োজন নেই।”

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত কয়েকদিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতাই স্বীকার করেছেন যে তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। এই প্রবণতা পরিস্থিতিকে অকারণে জটিল করে তুলতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত তেল মজুতের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্যই আগামীকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি আমাদের জন্য একটি চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই এ ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে। তারপরও আমরা চেষ্টা করব যেন দেশের মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং তেলের দাম বাড়াতে না হয়।”

শেষে প্রতিমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরিস্থিতি জটিল না করে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করা উচিত। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।


রমজান ও ঈদে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে: ইশরাক হোসেন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৬:২৪:৪১
রমজান ও ঈদে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে: ইশরাক হোসেন
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশের বাজার পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পাইকারি ও খুচরা বাজার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

বাজার পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, পবিত্র এই মাসে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে পণ্য কেনাবেচায় ন্যায্যমূল্য বজায় রাখা জরুরি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঈদকে পুঁজি করে কোনো অসাধু চক্র যাতে অবৈধভাবে পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি ব্যবস্থা চালু থাকবে। জনস্বার্থে এই অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

পণ্যমূল্যের পাশাপাশি জনজীবনের অন্যান্য সমস্যা নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। বিশেষ করে বর্তমান গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার এই সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আসন্ন ঈদের আগেই যাতে সাধারণ মানুষ নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সুবিধা পায়, সে জন্য কার্যকর ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

/আশিক


ভোট কারচুপি না হলে প্রতিপক্ষ এত ভোট পেত না: মির্জা আব্বাস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১২:৩৮:৩৩
ভোট কারচুপি না হলে প্রতিপক্ষ এত ভোট পেত না: মির্জা আব্বাস
ছবি : সংগৃহীত

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মিথ্যার আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, মুরুব্বিদের শিক্ষা অনুযায়ী মিথ্যা বলা যেমন মহাপাপ, তেমনি কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে বদনাম করাও বড় অপরাধ। তিনি সবাইকে এই ধরনের নেতিবাচক কাজ থেকে দূরে থাকার এবং অন্যদেরও দূরে রাখার আহ্বান জানান।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রমনা থানা বিএনপি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায়।

বক্তব্য চলাকালে মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচন ও ভোট কারচুপি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে যদি ডিজিটাল জালিয়াতি বা ইঞ্জিনিয়ারিং না হতো, তবে তাঁর এলাকায় প্রতিপক্ষের এত ভোট পাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ওই আসনের নির্দিষ্ট একটি ওয়ার্ডে তাঁর প্রতিপক্ষের কোনো আত্মীয় আছে কি না তা তারা বলতে পারবে না, অথচ তিনি নিজে নাম ধরে বলে দিতে পারবেন কারা তাঁকে ভোট দিয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা রাত জেগে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। তা না হলে সব কেন্দ্রে ব্যালট সিল মেরে নিয়ে যাওয়া হতো। একটি বিশেষ কৌশলে নির্বাচন পরিচালনা করে এখন দোষ বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মির্জা আব্বাস তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁর এলাকায় পরাজিত হওয়ার কোনো ইতিহাস নেই এবং আওয়ামী লীগের আমলে যে কোনো প্রকৃত নির্বাচন হয়নি তা সবারই জানা। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় অসংখ্য বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজন থাকায় তাঁর ভোটের কোনো অভাব নেই। তাই তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রকৃত ভোট না পেয়েও কীভাবে প্রতিপক্ষ এত বিপুল ভোট পেল? তিনি দাবি করেন যে, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে তা তিনি প্রমাণ করতে সক্ষম।

রমনা থানা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনের সঞ্চালনায় এই ইফতার মাহফিলে ঢাকা মহানগর ও স্থানীয় বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


আপসহীন সংগ্রামের স্বীকৃতি: অদম্য নারী পুরস্কারে ভূষিত প্রয়াত খালেদা জিয়া

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১২:২৫:২৯
আপসহীন সংগ্রামের স্বীকৃতি: অদম্য নারী পুরস্কারে ভূষিত প্রয়াত খালেদা জিয়া
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হতে যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষ কার্যক্রম ‘অদম্য নারী পুরস্কার’-এর আওতায় তাঁকে এই মরণোত্তর সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দীর্ঘ আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অকুতোভয় নেতৃত্ব প্রদান এবং গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করতে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই বিশেষ পুরস্কারে মনোনীত করা হয়েছে। আগামীকাল রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মূল অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মোট পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে পাঁচজন অদম্য নারীকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি এবারের তালিকায় রয়েছেন অর্থনৈতিক সাফল্যে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মোছা. ববিতা খাতুন এবং সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর। এছাড়া নির্যাতনের বিভীষিকা কাটিয়ে নতুনভাবে জীবন গড়া মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিনকেও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।

/আশিক


ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট: আজ মিলছে ১৬ মার্চের আসন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৬ ১১:০৩:৪৬
ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট: আজ মিলছে ১৬ মার্চের আসন
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের আসনের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। শুক্রবার (৬ মার্চ) অগ্রিম টিকিট বিক্রির চতুর্থ দিন।

আজ বিক্রি হচ্ছে আগামী ১৬ মার্চের ট্রেনের টিকিট। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার শতভাগ অনলাইনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে অঞ্চলভেদে ভিন্ন সময়ে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর ১৬ মার্চের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। আর দুপুর ২টায় পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর একই দিনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।

কোন তারিখে কোন টিকিট

ঈদুল ফিতরের আগে ট্রেনের ১৩, ১৪ ও ১৫ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ মার্চ। এছাড়া ৬, ৭, ৮ ও ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে যথাক্রমে ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের অগ্রিম টিকিট। এ ছাড়া ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে। সেদিন পাওয়া যাবে ২৩ মার্চের অগ্রিম টিকিট। এরপর ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে যথাক্রমে ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ মার্চের ট্রেনের টিকিট।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কেনার পদ্ধতি

যাত্রীরা মোবাইল অ্যাপ ‘রেল সেবা’ অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজেই অগ্রিম ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট কিনতে প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

লগইন করার পর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রার প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন এবং ভ্রমণের শ্রেণি নির্বাচন করে ‘Find Ticket’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর পরবর্তী পেজে ট্রেনের নাম, ট্রেন ছাড়ার সময় এবং আসন খালি আছে কি না—এসব তথ্য দেখা যাবে। সেখান থেকে পছন্দের ট্রেনের ‘View Seats’ অপশনে গিয়ে খালি আসন থাকলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী সিট নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘Continue Purchase’ বাটনে ক্লিক করে টিকিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

টিকিটের মূল্য পরিশোধ করা যাবে ভিসা কার্ড, মাস্টারকার্ড বা বিকাশের মাধ্যমে। পেমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হলে একটি ই-টিকিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে এবং একই সঙ্গে যাত্রীর ই-মেইলেও টিকিটের কপি পাঠানো হবে।

পরবর্তীতে ই-মেইল থেকে টিকিটটি প্রিন্ট করে এবং সঙ্গে একটি ফটো আইডি নিয়ে যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট স্টেশন থেকে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

/আশিক


সংহতির বার্তা নাকি কৌশলী কূটনীতি? প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিশেষ আলাপ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৬ ১০:৪৯:২৩
সংহতির বার্তা নাকি কৌশলী কূটনীতি? প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিশেষ আলাপ
ছবি : সংগৃহীত

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর সামরিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে দুই নেতার মধ্যে এই একান্ত ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সালেহ শিবলী জানান, আলাপকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) দেশগুলোর প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন। জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করার জন্য এবং তার আন্তরিক উদ্বেগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

প্রেস সচিব আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ যত্ন নেওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সালেহ শিবলী আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম আল হাশিমি এবং ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান।

প্রেস সচিব বলেন, ফোনালাপ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ইউএই প্রেসিডেন্ট এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এই ফোনালাপের জন্য এবং তার দেশের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, আঞ্চলিক সংঘাত যেন আরও ছড়িয়ে না পড়ে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর এর মারাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় অবিলম্বে সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের ওপর উভয় পক্ষই গুরুত্বারোপ করেছেন।

শিবলী আরও জানান, বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিরসন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজতে সংলাপ ও কূটনৈতিক পন্থার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন দুই নেতা।

/আশিক


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ; জারি হলো ১২ দফার নতুন গাইডলাইন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১৯:২০:২২
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ; জারি হলো ১২ দফার নতুন গাইডলাইন
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সব প্রতিষ্ঠানের জন্য ১২টি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

উপসচিব তানিয়া আফরোজের সই করা এই নির্দেশনায় কর্মকর্তাদের জন্য ১২টি বিশেষ করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

২. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।

৩. অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।

৪. এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা অবশ্যই ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।

৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

৭. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।

৮. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন: লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

৯. যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।

১০. সরকারি গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।

১১. জ্বালানি তেল ও গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে।

১২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, বৈশ্বিক এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

/আশিক


জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান: এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১৮:৫৫:৩৬
জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান: এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর ২০ জন স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিম্নবর্ণিত ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্ব স্ব নামের পার্শ্বে উল্লিখিত ক্ষেত্রে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা—

১. বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান

২. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, মুক্তিযুদ্ধ

৩. মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ

অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

৫. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চিকিৎসাবিদ্যা

৬.ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সাহিত্য

৭. এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), সংস্কৃতি

৮. বশির আহমেদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতি

৯. জোবেরা রহমান (লিনু), ক্রীড়া

১০. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), পল্লী উন্নয়ন

১১. ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা

১২. এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সমাজসেবা/ জনসেবা

১৩. মো. সাইদুল হক, সমাজসেবা/ জনসেবা

১৪. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সমাজসেবা/ জনসেবা

১৫. মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা

১৬. কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), জনপ্রশাসন

১৭. মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পি এইচ ডি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ

১৮. অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ

১৯. অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ

২০. আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু), পরিবেশ সংরক্ষণ

/আশিক


ঈদযাত্রায় বিশেষ স্বস্তি: ছুটির ক্যালেন্ডারে নতুন পরিবর্তন আনল সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১২:৩৭:৩৩
ঈদযাত্রায় বিশেষ স্বস্তি: ছুটির ক্যালেন্ডারে নতুন পরিবর্তন আনল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে নির্বাহী অদেশে আরও একদিন ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চও ছুটি থাকবে। এর ফলে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা ৭ দিন ছুটি থাকবে।

সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৮ মার্চও ছুটি থাকবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: