অস্বাভাবিক ব্যয়ের কবলে নতুন দুই মেট্রো রেল: খরচের অঙ্ক আগের চেয়েও দ্বিগুণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ০৯:১২:২৭
অস্বাভাবিক ব্যয়ের কবলে নতুন দুই মেট্রো রেল: খরচের অঙ্ক আগের চেয়েও দ্বিগুণ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরা-মতিঝিল মেট্রো রেল নির্মাণে যে ব্যয় হয়েছিল, নতুন দুটি পথে তা দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেল নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে যেখানে ১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছিল, সেখানে নতুন দুই পথে খরচ দাঁড়াচ্ছে কিলোমিটারে ৩ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত নতুন দুই মেট্রো রেল পথে মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই বিপুল ব্যয় ও ঋণের বোঝা মেট্রো রেল নির্মাণকেই বড় ধরণের অনিশ্চয়তার মুখে ফেলছে।

অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও, এখন নির্বাচিত বিএনপি সরকারের ওপর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ভার পড়েছে। নির্মাণকাজ শুরুর অপেক্ষায় থাকা এই দুটি পথের একটি হলো এমআরটি লাইন-১ (কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল), যার দৈর্ঘ্য ৩১ কিলোমিটারের বেশি। অন্যটি হলো এমআরটি লাইন-৫ উত্তর (সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা), যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কিলোমিটার।

বিশ্লেষকদের মতে, মেট্রো রেল নির্মাণে এত বেশি ব্যয়ের প্রধান কারণ হলো দরপত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ কম থাকা। বর্তমানে প্রতিযোগিতা শুধু জাপানি ঠিকাদারদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় খরচ অস্বাভাবিক বাড়ছে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদও জানিয়েছেন যে, প্রকল্পের অর্থায়নে জাপানি ঋণদাতা সংস্থা জাইকা বেশ কিছু প্রকৌশলগত শর্ত জুড়ে দেওয়ায় ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কমে গেছে।

২০১৯ সালে এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা ধরা হলেও ঠিকাদারদের প্রস্তাবিত দর অনুযায়ী তা এখন ৯৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে। অন্যদিকে লাইন-৫ প্রকল্পের প্রাক্কলন ছিল ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা, যা বর্তমানে ৮৮ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছানোর উপক্রম হয়েছে। অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারতে জমি অধিগ্রহণ ও বেতন বাদে প্রতি কিলোমিটার মেট্রো রেল নির্মাণে খরচ হয় মাত্র ১৫০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা। ভারতও বিদেশি ঋণে প্রকল্প করে, কিন্তু তারা এমন কোনো শর্ত মানে না যা ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা নষ্ট করে।

ডিএমটিসিএল কর্মকর্তারা দুটি প্যাকেজে ঠিকাদারদের অস্বাভাবিক দর প্রস্তাবের পেছনে ‘যোগসাজশের’ সন্দেহ করছেন। গত বছরের জুনে কচুক্ষেত থেকে ভাটারা অংশের দরপত্র খোলা হলে দেখা যায়, প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকার বিপরীতে জাপানের তাইসি ও দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং (যৌথ) প্রায় ১৫ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা দর হাঁকিয়েছে, যা প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় ৩৯১ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি।

টাকার অঙ্কে এখানে বাড়তি ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। জাইকার শর্তানুযায়ী ঠিকাদারের দরে ভুল না থাকলে সর্বনিম্ন দরদাতাই কাজ পাবে, কিন্তু অস্বাভাবিক দরের কারণে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাব গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাইকা এই বাড়তি ব্যয়ের বিষয়টি অবগত থাকলেও তাদের ক্রয়সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পথে চলাচলকারী মেট্রো রেল থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আয় হলেও ২০৩০-৩১ সাল পর্যন্ত বছরে ঋণের কিস্তি হিসেবে ৪৬৫ কোটি থেকে ৭৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্প দুটির ভবিষ্যৎ ও ব্যয় কমানোর উপায় জানতে চেয়ে গত জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দিয়েছে ডিএমটিসিএল।

বুয়েটের অধ্যাপক সামছুল হকের মতে, এমন বিপুল ব্যয়ে মেগা প্রকল্প করলে বাংলাদেশ দেউলিয়া হয়ে যাবে। তাই নতুন সরকারের প্রধান কাজ হওয়া উচিত ঋণের শর্ত পরিবর্তন করে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মেট্রো রেলের পাশাপাশি মনোরেল চালু করা হবে। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এখন দেখার বিষয়—তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এই বিশাল ব্যয়ের প্রকল্প নিয়ে কী ধরণের নীতি গ্রহণ করে।

সৌজন্যে : প্রথম আলো


বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ২১:০৯:৪১
বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কনস্টিটিউয়েন্সির ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী তিন বছরের জন্য তিনি চুক্তিভিত্তিক এ দায়িত্ব পালন করবেন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী, আবদুর রহমান খানের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে এই নিয়োগ কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের কর্ম-সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন না। যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত ওয়াশিংটনে তার এই মেয়াদ কার্যকর থাকবে এবং অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য, মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। এর পূর্বে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ২৯ জুন এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে তার নিয়মিত সরকারি চাকরির মেয়াদ সম্পন্ন হয়।

/আশিক


ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাড়ছে খরচ, যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ২০:০০:১৬
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাড়ছে খরচ, যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ
ছবি : সংগৃহীত

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে নতুন চার্জ যুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে। বাহ্যিকভাবে এই চার্জের পরিমাণ সামান্য মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে দেশের সার্বিক ব্যয়ের ওপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে।

এ বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে ‘সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি’ (এসএনএ) চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তিটি স্বাক্ষরের ব্যাপারে মতামত চেয়ে গত ১৮ আগস্ট অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। দ্রুত এই চুক্তি সম্পন্ন না হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে নির্ধারিত ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে কারিগরি ও আইনি জটিলতা তৈরির ঝুঁকি রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের চিঠির তথ্যমতে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুরুতে প্রতি ইউনিটে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছিল। পরবর্তীতে পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে তা অর্ধেক কমিয়ে ০.০০৫ রুপি করা হয়। মূলত আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি নির্ধারণ, মিটারের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সরবরাহ ও ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় এবং গ্রিড পরিচালনার ব্যয় নির্বাহে এই এসএনএ ফি দাবি করা হয়েছে। নেপাল ও ভুটানের ক্ষেত্রেও একই হারে এই চার্জ প্রযোজ্য।

বর্তমানে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় ভারত থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে এনভিভিএন ও পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে মোট ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াটের জন্য নতুন এসএনএ চুক্তি কার্যকর হবে। তবে আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা কেন্দ্র থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্রয়চুক্তিতে ইতোমধ্যে এই ধরনের চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকায় সেটির জন্য আলাদা চুক্তির প্রয়োজন পড়বে না।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আদানি পাওয়ার, এনভিভিএন, পিটিসি ইন্ডিয়া ও সেম্বকর্প—এই চার উৎস থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১ হাজার ৬৪১ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানি করেছে। এতে মূল বিদ্যুৎ বাবদ ১৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং হুইলিং চার্জসহ সর্বমোট ১৭ হাজার ২১১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে শুধু আদানি পাওয়ারের ৮০৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুতের পেছনে খরচ হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি নতুন এই চার্জের ফলে সামগ্রিক বিদ্যুৎ আমদানির খরচও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

/আশিক


বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১৮:১৯:৩৫
বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

একটি উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করার যে কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন, সরকার সেই লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েই কাজ করছে। এজন্য সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর সোবহানবাগে আয়োজিত ‘দক্ষ ও উৎপাদনশীল বাংলাদেশের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান শক্তি। তাদেরকে যদি যথাযথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গড়ে তুলে বিদেশে পাঠানো যায়, তবে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। এই কারণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশে আরও চারটি নতুন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এর পাশাপাশি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি আধুনিক ও মানসম্মত মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এজন্য একটি পৃথক বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে কার্যকর মানব সম্পদে পরিণত করতে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (টিভিইটি) গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে কারিগরি শিক্ষা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। তাই প্রচলিত বা গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার গণ্ডি থেকে বেরিয়ে যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষার দিকে সবাইকে অগ্রসর হতে হবে।

/আশিক


গ্যাস সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাব: রিজভী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১৮:০৯:৩০
গ্যাস সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাব: রিজভী
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব দেশীয় গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহের ওপর পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, চলমান গ্যাস সংকটের পেছনে বৈশ্বিক অস্থিরতা ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে এবং গ্যাস সংকটের প্রভাবে কোথাও কোথাও শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা চলছে। যেসব অঞ্চলে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, সেখানে দ্রুত জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, জনগণের কাছে সরকারের পূর্ণ দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। জনসেবা ও সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে একটি দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, বর্তমান প্রশাসন তা প্রমাণ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


পরিবার নিয়ে বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১৮:০৩:৪৮
পরিবার নিয়ে বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনের সরকারি বাসভবনে উঠেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গভবনে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানায়। পরে অশ্বারোহী দলের এসকর্টে রাষ্ট্রপতির গাড়ি বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল মাঠে পৌঁছায়।

ক্রেডেনশিয়াল মাঠে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেয় প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস দল। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, জনবিভাগের সচিব এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী, প্রেস সচিব সরওয়ার আলম এবং সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান।

আনুষ্ঠানিকতা শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে নিজ কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন। এ সময় তিনি বঙ্গভবনের পরিদর্শন বইয়েও স্বাক্ষর করেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী হিসেবে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে বসবাস করতেন।

/আশিক


এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১২:০৫:২৮
এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ভাইস এডমিরাল থেকে এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত আনুষ্ঠানিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাকে এডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নবপদোন্নতিপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান।

র‍্যাংক ব্যাজ পরানোর সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্য দিয়ে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় এডমিরাল পদে উন্নীত হলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

এর আগে গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে নৌবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড, প্রশিক্ষণ, কৌশলগত পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দেশের বাইরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।

খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন। রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে নৌ-প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চে কমিশন লাভ করেন। নৌবাহিনীর ৮৭-এ ব্যাচে জ্যেষ্ঠতা ও মেধার বিচারে তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবনেও ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন এডমিরাল আজীম। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক—উভয় পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান পাওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে সামরিক দায়িত্বের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেছেন তিনি। এমফিল ডিগ্রির পাশাপাশি স্ট্র্যাটেজিক, ডিফেন্স এবং অপারেশনাল স্টাডিজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশ থেকে প্রথম শ্রেণিসহ তিনটি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স এবং ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের একজন কৃতী গ্র্যাজুয়েট।

দীর্ঘ সামরিক ক্যারিয়ারে এডমিরাল আজীম কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন, বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্ট এবং নৌবাহিনী সদর দপ্তরের পরিচালক নৌ-অপারেশন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নৌবাহিনীর অপারেশনাল ও কৌশলগত পর্যায়ের এসব দায়িত্ব তাকে বাহিনীর বিভিন্ন সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি কাজ করার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

সমুদ্রে কমান্ডের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। বানৌজা ওমর ফারুক, বানৌজা এস আর আমিন, বানৌজা নির্ভয় ও বানৌজা সৈকতসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধজাহাজের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সামরিক কর্মকর্তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এডমিরাল আজীমের। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি লেবানন এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন। নৌবাহিনী প্রধান হওয়ার আগে ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে দায়িত্বকালে বাংলাদেশ-ওমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

পেশাগত দক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এডমিরাল আজীম নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন সম্মাননা ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি) এবং ‘নৌ পারদর্শিতা পদক’ (এনপিপি) অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ও জাতীয় স্কাউট পুরস্কারের ‘রৌপ্য ইলিশ পদক’ পেয়েছেন। তিনবার নৌবাহিনী প্রধানের প্রশংসাসূচক ইনসিগনিয়া লাভের পাশাপাশি ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন’ পুরস্কার, সেরা ব্যক্তিগত গবেষণাপত্র পুরস্কার এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার বিশেষায়িত প্রশিক্ষণে সেরা শিক্ষার্থীর স্বীকৃতিও রয়েছে তার ঝুলিতে।

সামরিক দায়িত্বের বাইরেও এডমিরাল আজীম গবেষণা ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সামরিক কৌশল এবং নৌ-কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে তার একাধিক প্রবন্ধ জার্নাল ও সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে গলফ, বাস্কেটবল, দাবা ও টেবিল টেনিসে আগ্রহী তিনি। বাংলা ও ইংরেজিতে সাবলীল হওয়ার পাশাপাশি মালে ও ফরাসি ভাষায় ব্যবহারিক দক্ষতা রয়েছে তার। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বেগম নুরতাজ আজীমের সঙ্গে বিবাহিত এবং তাদের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

-রফিক


গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১১:৫৬:১২
গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গভবনে গিয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে পৌঁছান তিনি। সেখানে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়।

বঙ্গভবনে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন।

এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

শপথের পরদিন শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার অন্যতম প্রথম রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি।

রোববার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হলো। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এখন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নথি, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব সম্পাদন করবেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি বিএনপির মহাসচিবের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও নতুন দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় ও সরকারের নির্বাহী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগসহ সংবিধান ও আইনে নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বঙ্গভবনে নিয়মিত অফিস শুরু করার মধ্য দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক কার্যক্রমও পূর্ণাঙ্গ দাপ্তরিক রূপ পেল।

-রফিক


গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১১:৫৬:১২
গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গভবনে গিয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে পৌঁছান তিনি। সেখানে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়।

বঙ্গভবনে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন।

এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

শপথের পরদিন শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার অন্যতম প্রথম রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি।

রোববার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হলো। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এখন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নথি, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব সম্পাদন করবেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি বিএনপির মহাসচিবের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও নতুন দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় ও সরকারের নির্বাহী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগসহ সংবিধান ও আইনে নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বঙ্গভবনে নিয়মিত অফিস শুরু করার মধ্য দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক কার্যক্রমও পূর্ণাঙ্গ দাপ্তরিক রূপ পেল।

-রফিক


বিনামূল্যে প্রাথমিক-জরুরি চিকিৎসার অঙ্গীকার সরকারের

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১০:৫৭:০২
বিনামূল্যে প্রাথমিক-জরুরি চিকিৎসার অঙ্গীকার সরকারের
ছবি : সংগৃহীত

সবার জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, জনগণের স্বার্থ ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষার প্রশ্নে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না। বিনামূল্যে প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ৮টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘২য় ঢাকা আন্তর্জাতিক হাঁটু সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির সহযোগিতায় বাংলাদেশ আর্থ্রোস্কোপি অ্যান্ড আর্থ্রোপ্লাস্টি একাডেমি আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে দেশের অর্থোপেডিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সামনে থাকা নতুন ও জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু অবকাঠামো কিংবা প্রযুক্তি যথেষ্ট নয়; দক্ষ জনবল, হালনাগাদ চিকিৎসাজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বিত প্রয়োগ প্রয়োজন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার পরিধিও ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে চিকিৎসকদেরও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নতুন জ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তির সঙ্গে নিয়মিতভাবে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখতে হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, রোবোটিক প্রযুক্তি, উন্নত ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থা এবং সুপার-স্পেশালাইজেশনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা এখন প্রযুক্তিনির্ভর নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে না পারলে ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ ও জটিল রোগের চিকিৎসা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা কঠিন হবে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা বিভাগ, পেশাজীবী সংগঠন এবং বিশেষজ্ঞদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

হাঁটু ও অস্থিসন্ধির চিকিৎসায়ও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এসেছে। আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি থেকে শুরু করে জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট বা আর্থ্রোপ্লাস্টির মতো বিশেষায়িত চিকিৎসায় দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ বলে সম্মেলনে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ধরনের আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন দেশের চিকিৎসকদের নতুন চিকিৎসাপদ্ধতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে বলেও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বিনিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ খাতে এমন বড় বরাদ্দ আগে দেখা যায়নি। তবে শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না; বরাদ্দ করা অর্থের দক্ষ, স্বচ্ছ এবং ফলপ্রসূ ব্যবহার নিশ্চিত করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বিশেষভাবে চিকিৎসাশিক্ষার মানোন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্প্রসারণ এবং রোগীদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান ও দীর্ঘমেয়াদি ফল নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্য খাতে বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ দেওয়াকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, পর্যাপ্ত বিনিয়োগের পাশাপাশি চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার সুযোগ সম্প্রসারণ করা গেলে দেশের রোগীদের বিদেশমুখিতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসাক্ষেত্রে দক্ষতা ও পেশাগত উন্নয়নে উৎসাহ দিতে ছয়জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে ঢাকা আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির পক্ষ থেকে ফেলোশিপ দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে হাঁটুর সুস্থতা, রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে প্রকাশিত ‘সেভ ইয়োর নি’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আর্থ্রোপ্লাস্টি সোসাইটির সভাপতি ডা. এম. আলী।

-রফিক

পাঠকের মতামত: