Banner

একীভূত ব্যাংকে কত টাকা তুলবেন, জানুন নিয়ম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৪:৪২:২৬
একীভূত ব্যাংকে কত টাকা তুলবেন, জানুন নিয়ম
ছবি: সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই একীভূত কাঠামোর আওতায় গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একীভূত হওয়া পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের গ্রাহকরা এখন নিয়মিতভাবে টাকা জমা ও উত্তোলনসহ প্রয়োজনীয় লেনদেন করতে পারছেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ব্যাংক শাখাগুলোতে খোঁজ নিয়ে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি শাখায় পুরোনো ব্যাংকের নামসংবলিত সাইনবোর্ড সরিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন ব্যানার ও সাইনেজ স্থাপন করা হয়েছে। এই একীভূত প্রক্রিয়ার আওতায় এসেছে এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শাখাগুলোতে টাকা জমা ও উত্তোলন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় সাধারণ গ্রাহকরা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা একবারে উত্তোলনের সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পল্টন শাখায় টাকা তুলতে আসা গ্রাহক রহমান জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিজের জমানো অর্থ হাতে পেয়ে তিনি মানসিকভাবে অনেকটা স্বস্তি পেয়েছেন। তার ভাষায়, এই অর্থটি তার জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল।

কত টাকা কীভাবে তুলবেন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত স্কিম অনুযায়ী, দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত থাকলে গ্রাহক যে কোনো সময় পুরো অর্থ একবারে উত্তোলন করতে পারবেন। তবে দুই লাখ টাকার বেশি আমানতের ক্ষেত্রে প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে দুই বছর পর্যন্ত টাকা তোলার সুযোগ থাকবে।

বিশেষ বিবেচনায় রাখা হয়েছে বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থ গ্রাহকদের। ৬০ বছরের বেশি বয়সী আমানতকারী এবং ক্যানসার, কিডনি ডায়ালাইসিসসহ জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসার প্রয়োজনে নির্ধারিত সময়সীমার বাইরেও অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

পুরোনো কাগজপত্রই কার্যকর

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর পূর্ববর্তী চেকবই, ডিপোজিট স্লিপ, ভাউচারসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কাগজপত্র বৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। গ্রাহকদের নতুন করে কোনো ডকুমেন্ট পরিবর্তন বা প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন নেই।

আমানত ও ঋণ সুবিধার কাঠামো

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদের আগে স্থায়ী আমানত ভাঙার সুযোগ থাকবে না। বিদ্যমান আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে নতুন আমানতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত

যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা মামলা নেই, তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কর্মী হিসেবে বিবেচিত হবেন। প্রয়োজনে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ চাকরির শর্তাবলি পুনর্নির্ধারণের ক্ষমতা রাখবে।

উল্লেখ্য, অনিয়ম ও ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে দীর্ঘদিন সংকটে থাকা এসব শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে গত ৫ নভেম্বর ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ–২০২৫ অনুযায়ী প্রশাসক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী সময়ে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসব ব্যাংকে বর্তমানে প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে। বিপরীতে বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার একটি বড় অংশ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত।

সারাদেশে এই ব্যাংকিং নেটওয়ার্কে রয়েছে ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ। ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে একই এলাকায় অবস্থিত একাধিক শাখা একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা ইতোমধ্যে ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকবে এবং এই রেজুলেশন প্রক্রিয়া দেশের ব্যাংকিং খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

-রফিক


সঞ্চয়পত্রে মুনাফা আরও কমলো, জানুন নতুন হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৩:৫৪:১৮
সঞ্চয়পত্রে মুনাফা আরও কমলো, জানুন নতুন হার
ফাইল ছবি

নতুন বছরের শুরুতেই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীদের জন্য এলো খারাপ খবর। ১ জানুয়ারি থেকে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আরও কমানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদনের পর আজ থেকেই এই সংশোধিত মুনাফা হার প্রযোজ্য হয়েছে।

অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জুলাইয়ের আগে যেসব জাতীয় সঞ্চয় স্কিম ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে ইস্যুকালীন নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত আগের মুনাফার হার বহাল থাকবে। তবে মেয়াদ শেষে পুনর্বিনিয়োগ করলে সেক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগের তারিখ অনুযায়ী নতুন মুনাফার হারই কার্যকর হবে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। সরকার প্রতি ছয় মাস অন্তর সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার পর্যালোচনা করে এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তা সমন্বয় করে থাকে।

এবারও বিনিয়োগের অঙ্ক অনুযায়ী মুনাফার হারে ভিন্নতা রাখা হয়েছে। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা এর কম বিনিয়োগে তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাওয়া যাবে। তবে এই সীমার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে। সরকারের আয় ব্যবস্থাপনা ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ কৌশলের অংশ হিসেবেই এই কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় থাকা বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রেও উল্লেখযোগ্য হারে মুনাফা কমানো হয়েছে। আগে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর শেষে যেখানে মুনাফা পাওয়া যেত ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ, নতুন করে তা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ। একই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রেও একই ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার আগে ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, যা এখন কমিয়ে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ করা হয়েছে। আর বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফা ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রেও মুনাফা হ্রাস পেয়েছে। সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে যেখানে ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যেত, নতুন হারে তা হবে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একইভাবে বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রেও বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত আয়ে কাটছাঁট করা হয়েছে। এই স্কিমে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে মুনাফা আগে ছিল ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ, যা এখন কমিয়ে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। বড় অঙ্কের বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশে।

-রফিক


এক ধাপে বড় কমতি স্বর্ণের দামে

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১২:৫৪:৪৩
এক ধাপে বড় কমতি স্বর্ণের দামে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে টানা সমন্বয়ের ধারাবাহিকতায় আবারও দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণ হিসেবে পরিচিত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক ধাপে ২ হাজার ৭৪০ টাকা হ্রাস করা হয়েছে।

বাজুস জানায়, নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়, যা বৃহস্পতিবার থেকেই সারা দেশে কার্যকর হবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে বাজুস।

নতুন ঘোষিত দামের তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা। একই সঙ্গে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য দাঁড়াবে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৪ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায়।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ঘোষিত স্বর্ণমূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। তবে গহনার নকশা, মান ও কারুকাজভেদে এই মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, এর আগেও চলতি মাসের ২৯ ডিসেম্বর স্বর্ণের দামে সমন্বয় এনেছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তির আভাস দেখা যাচ্ছে।

-রফিক


০১ জানুয়ারি ২০২৬ হালনাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১১:৪৬:০০
০১ জানুয়ারি ২০২৬ হালনাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার দর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত লেনদেন নির্বিঘ্ন রাখতে বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিয়মিত সমন্বয় করা হয়। নতুন বছরের প্রথম দিন আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ইউএস ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৩৫ পয়সায়। ইউরোপীয় দেশগুলোর মুদ্রা ইউরো এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দামও আগের মতোই শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

মুদ্রাবাজারের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে,

আজ ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৪ টাকা ৮৯ পয়সা

ইউরোপীয় ইউরোর দর ১৪৩ টাকা ৭১ পয়সা।

প্রবাসী আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মধ্যে কুয়েতি দিনার আজও সবচাইতে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, যার বর্তমান মূল্য ৩৯৮ টাকা ১৯ পয়সা।

এছাড়া সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬৯ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের দর ৩০ টাকা ২২ পয়সায় স্থির রয়েছে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান আজ ১ টাকা ৩৬ পয়সা।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ১৭ পয়সা,

কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ১৫ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮১ টাকা ৬৬ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে চীনা ইউয়ান রেনমিনবির দর ১৭ টাকা ৫৩ পয়সা

জাপানি ইয়েনের মান ৭৮ পয়সা রেকর্ড করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে,

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর ভিত্তি করে এই বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে। তবে ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর ক্ষেত্রে এই হারের সামান্য তারতম্য হতে পারে।

(সূত্র : বাংলাদেশ ব্যাংক)


স্বর্ণের দামে নতুন বছরের শুরুতেই স্বস্তি: আজ থেকে কার্যকর নতুন দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ০৯:৫২:৫৫
স্বর্ণের দামে নতুন বছরের শুরুতেই স্বস্তি: আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
ছবি : সংগৃহীত

খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি জানিয়েছে, এবার ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দর আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায় বিক্রি হবে। তবে স্বর্ণের মূল দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল। এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বরও ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমানো হয়েছিল। স্বর্ণের দামে এমন পতন ঘটলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। দেশে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকায় স্থির রয়েছে। বছরের শুরুতেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমায় বিয়ের মৌসুমে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নতুন বছরে কমল জ্বালানি তেলের দাম: আজ থেকে কার্যকর নতুন মূল্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ০৯:৩২:১৪
নতুন বছরে কমল জ্বালানি তেলের দাম: আজ থেকে কার্যকর নতুন মূল্য
ছবি : সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলো সরকার। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন এই দাম বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা, পেট্রলের দাম ১১৮ টাকা এবং অকটেনের দাম ১২২ টাকা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত মেনে গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বছরের শুরুতেই এই মূল্য সমন্বয় করা হলো।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ৭৫ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে, যার ৭৫ শতাংশই হলো ডিজেল। কৃষি সেচ, পরিবহন ও জেনারেটরে ডিজেলের ব্যাপক ব্যবহার থাকায় এই দাম কমানোর ফলে পরিবহন ব্যয় ও কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত ডিজেল বিক্রির ওপরই বিপিসির লাভ-লোকসান নির্ভর করে, যদিও পেট্রল ও অকটেন বিক্রিতে সংস্থাটি সব সময়ই মুনাফা করে থাকে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে নিয়মিতভাবে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হয়। বাংলাদেশে এই পদ্ধতি চালুর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে দেশের মানুষও তার সুফল পাবেন। নতুন বছরের শুরুতে তেলের দাম কমার এই সিদ্ধান্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কিছুটা সহজ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।


বছর শেষে স্বর্ণের দামে বড় ধস, কাল থেকে কার্যকর নতুন রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ২০:৫৪:১৯
বছর শেষে স্বর্ণের দামে বড় ধস, কাল থেকে কার্যকর নতুন রেট
ছবি : সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম প্রহরেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরণের সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস উল্লেখ করেছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের নতুন দাম হবে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। তবে স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিদায়ী ২০২৫ সালে স্বর্ণের বাজারে অস্বাভাবিক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এই এক বছরে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমেছে। সর্বশেষ গত ২৯ ডিসেম্বরও স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমানো হয়েছিল। স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি; ২২ ক্যারেটের রুপা এখনো ভরিপ্রতি ৬ হাজার ৬৫ টাকাতেই স্থির রয়েছে। বছর শেষে স্বর্ণের এই দর পতন সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন বছরের বিশেষ উপহার হিসেবেই দেখা হচ্ছে।


৩১ ডিসেম্বরের হালনাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ১১:২৪:০১
৩১ ডিসেম্বরের হালনাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার দর
ছবি: সংগৃহীত

আজ বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার হালনাগাদ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। বছরের শেষ দিনে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব স্পষ্টভাবে পড়েছে দেশের মুদ্রাবাজারে। বিশেষ করে মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরোর দর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় আমদানি, প্রবাসী আয় ও বৈদেশিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট খাতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

ব্যাংকিং সূত্র জানায়, এসব বিনিময় হার কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও বৈদেশিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্ধারিত হলেও, নির্দিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার কারণে হার কিছুটা কমবেশি হতে পারে। ফলে বিদেশ ভ্রমণ, আমদানি-রপ্তানি কিংবা রেমিট্যান্স সংক্রান্ত লেনদেনের আগে সর্বশেষ হার জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আজকের তালিকায় সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরো। একদিকে ডলার ছাড়িয়েছে ১২২ টাকা, অন্যদিকে ইউরো ও পাউন্ড যথাক্রমে ১৪৩ ও ১৬৫ টাকার ঘর স্পর্শ করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক সুদের হার, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আমদানি ব্যয়ের চাপ এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে বড় কারণ।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (প্রতি একক)

আজকের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে টাকার দর নিম্নরূপ—

সৌদি রিয়াল ৩২.৬০ টাকা,

মালয়েশিয়ান রিংগিত ৩০.১৫ টাকা,

সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই ডলার ৯৫.১২ টাকা,

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৩৩.২৮ টাকা,কুয়েতি দিনার ৩৯৭.২৩ টাকা,

মার্কিন ডলার ১২২.২৫ টাকা,

দক্ষিণ কোরিয়ান ওন ০.০৮ টাকা,

জাপানি ইয়েন ০.৭৯ টাকা,

ওমানি রিয়াল ৩১৭.৩৪ টাকা,

লিবিয়ান দিনার ২২.৬০ টাকা,

কাতারি রিয়াল ৩৩.৫৮ টাকা,

বাহারাইন দিনার ৩২৫.১৩ টাকা,

কানাডিয়ান ডলার ৮৯.৩২ টাকা,

চীনা রেনমিনবি ১৭.৪৫ টাকা,

ইউরো ১৪৩.৯৩ টাকা,

অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮২.০২ টাকা,

মালদ্বীপিয়ান রুপি ৭.৯০ টাকা,

ইরাকি দিনার ০.০৯ টাকা,

দক্ষিণ আফ্রিকান র‌্যান্ড ৭.৩৩ টাকা,

ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৫.১২ টাকা,

তুর্কি লিরা ২.৮৪ টাকা,

এবং ভারতীয় রুপি ১.৩৫ টাকা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি আমদানি ব্যয় বাড়াতে পারে, যা সরাসরি মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। তবে একই সঙ্গে প্রবাসী আয়ে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত এই বাজারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


সোনার বাজারে সুখবর! কমল দাম যত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ১১:১৫:৩৫
সোনার বাজারে সুখবর! কমল দাম যত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা অস্থিরতার পর দেশের স্বর্ণবাজারে কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। সংগঠনটি স্থানীয় বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যার ফলে ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০৮ টাকা পর্যন্ত দাম হ্রাস পাচ্ছে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বাজুস প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি জানানো হয়।

বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশোধিত এই মূল্যতালিকা আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিশুদ্ধ বা তেজাবি সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও এই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিশ্ববাজারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট goldprice.org-এর তথ্যমতে, বর্তমানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম নেমে এসেছে প্রায় ৪ হাজার ৩৩২ মার্কিন ডলারে। মাত্র কয়েক দিন আগেও, ২৬ ডিসেম্বর আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম ছিল ৪ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি। এই দরপতনের প্রভাব সরাসরি পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে।

ক্যারেটভিত্তিক সোনার নতুন দাম

বাজুস ঘোষিত সর্বশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভরিপ্রতি সোনার দাম এখন নিম্নরূপ-

২২ ক্যারেটের সোনা, যা সর্বোচ্চ মানের হিসেবে বিবেচিত, বিক্রি হবে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকায়।

২১ ক্যারেট সোনার নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা।

১৮ ক্যারেট সোনা কিনতে ভরিপ্রতি গুনতে হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা।

আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা।

রুপার দামে নেই কোনো পরিবর্তন

সোনার দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস এলেও রুপার বাজারে কোনো ধরনের সমন্বয় করা হয়নি। আগের নির্ধারিত দরেই রুপা বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে বাজুস। বর্তমানে বাজারে-

২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরিপ্রতি ৬ হাজার ৬৫ টাকা।

২১ ক্যারেট রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকায়।

১৮ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা।

এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম রয়েছে ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

দেশীয় বাজারে দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণালঙ্কারের উচ্চমূল্যের চাপের মধ্যে এই দামের সামান্য হলেও নিম্নগতি ক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুম ও সামাজিক অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে এই মূল্যহ্রাস বাজারে কিছুটা গতি আনবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

-রফিক


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় রেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ৩০ ১১:৪২:১৯
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় রেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বা টাকার রেট প্রবাসীদের জীবনযাত্রা এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গভীর প্রভাব ফেলে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং রিজার্ভ শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিত বাজার থেকে ডলার ক্রয় করছে। গত কয়েক মাসে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকায় ব্যাংকগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি এখন বেশ সন্তোষজনক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্টারব্যাংক রেট এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী আজকের (৩০ ডিসেম্বর) মুদ্রার গড় বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো:

বৈদেশিক মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকায় বিনিময় হার (গড়)
ইউএস ডলার ১২২.৩০ ৳
সৌদি রিয়াল ৩২.৫৯ ৳
ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৫.১৮ ৳
ইউরোপীয় ইউরো ১৪৪.০১ ৳
সংযুক্ত আরব আমিরাত দেরহাম ৩৩.২৯ ৳
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০.১২ ৳
সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫.৩০ ৳
কুয়েতি দিনার ৩৯৭.৬৪ ৳
কাতারি রিয়াল ৩৩.৫৮ ৳
ওমানি রিয়াল ৩১৭.৬৫ ৳
বাহরাইনি দিনার ৩২৫.১১ ৳
ভারতীয় রুপি ১.৩৬ ৳

(বি.দ্র.: ব্যাংক এবং মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এই রেট সামান্য কম-বেশি হতে পারে। লেনদেনের আগে আপনার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের রেট যাচাই করে নিন।)

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ কমে আসায় এবং মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির এলসি কমে যাওয়ায় মুদ্রাবাজারে এখন আগের মতো অস্থিরতা নেই। বিশেষ করে প্রবাসীদের পাঠানো ডলারের বিপরীতে টাকার মান এখন স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। প্রবাসীদের প্রতি হুন্ডি বা অবৈধ পথ পরিহার করে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ এতে একদিকে যেমন সরকার ঘোষিত আড়াই শতাংশ (২.৫%) নগদ প্রণোদনা পাওয়া যায়, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত

এক ধাপে বড় কমতি স্বর্ণের দামে

এক ধাপে বড় কমতি স্বর্ণের দামে

দেশের স্বর্ণবাজারে টানা সমন্বয়ের ধারাবাহিকতায় আবারও দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের... বিস্তারিত