সাধারণের নাগালের বাইরে সোনার বাজার: মধ্যবিত্তের সোনা কেনার স্বপ্ন কি তবে শেষ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২৯ ০৯:৫৫:২৬
সাধারণের নাগালের বাইরে সোনার বাজার: মধ্যবিত্তের সোনা কেনার স্বপ্ন কি তবে শেষ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল এবং এবার তা সব রেকর্ড ভেঙে ২ লাখ ২৯ হাজার টাকার ঘর ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর করার জন্য নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে। রোববার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য।

নতুন নির্ধারিত দরের তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন থেকে ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৯২ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়াও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা। উল্লেখ্য যে, এই নির্ধারিত মূল্যের সাথে ক্রেতাকে বাধ্যতামূলকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি প্রদান করতে হবে। ফলে মজুরি ও ভ্যাটসহ এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কিনতে সাধারণ ক্রেতার খরচ পড়বে প্রায় ২ লাখ ৫৪ হাজার টাকার বেশি।

সবশেষ গত ২৭ ডিসেম্বরও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল, যা ২৮ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর ছিল। কিন্তু মাত্র একদিনের ব্যবধানে আবারও দামের এই ঊর্ধ্বমুখী উল্লম্ফন সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিস্ময় তৈরি করেছে। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজার ও স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে এই সমন্বয় অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। তবে স্বর্ণের দামের এই মাতামাতির বিপরীতে রুপার দাম আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বর্তমানে ৬ হাজার ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিয়ের মৌসুমে স্বর্ণের এই নজিরবিহীন মূল্য বৃদ্ধি মধ্যবিত্ত পরিবারের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও গভীর করে তুলেছে।


বেতন বৈষম্য কমছে: নতুন পে স্কেলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২০ ১১:৩৪:২৮
বেতন বৈষম্য কমছে: নতুন পে স্কেলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা

উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে চরম হিমশিম খাওয়া নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বড় ধরণের বাড়তি সুবিধা রাখার মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে সরকার। নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এই শ্রেণির কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক অনেক বেশি রাখার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই নবম পে স্কেলের ঐতিহাসিক প্রথম ধাপ কার্যকর হবে, যেখানে সরকারি কর্মীরা বিদ্যমান মূল বেতনের (Basic Salary) ওপর এক ধাক্কায় অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ সমন্বিত বেতন পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে দ্বিতীয় ধাপে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত হয়ে দুই বছরের মধ্যে মূল বেতনের শতভাগ সমন্বয় সম্পন্ন হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এবং বেতন ও চাকরি কমিশনের খসড়া কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, বিশেষ প্রণোদনা, ঝুঁকি ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাগুলো প্রথম বছর একযোগে কার্যকর করা হচ্ছে না। কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ অনুযায়ী, এসব আনুষঙ্গিক ভাতা ও অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা তৃতীয় বছর অর্থাৎ ২০২৮-২৯ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তবে অন্তর্বর্তীকালীন এই সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান আগের সকল ভাতা ও সুবিধা যথানিয়মে বহাল থাকবে।

একসঙ্গে সব সুবিধা কার্যকর করলে সরকারের ওপর আকস্মিক বিশাল আর্থিক ও বাজেট চাপ তৈরি হতে পারে বলেই রাজস্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই কৌশলী পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

সরকারের এই ৩ ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ এবং পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মন্তব্য করেছেন, কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত আয় যেভাবে কমেছে, তাতে এটি অত্যন্ত যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ।

নতুন এই মেগা পে স্কেলের আওতায় প্রশাসন ক্যাডারের পাশাপাশি শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসন, বিচার বিভাগীয় কর্মচারীসহ দেশের সকল সরকারি স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এছাড়াও বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক বেতন বৈষম্য কিছুটা কমিয়ে আনার বিষয়েও বিশেষ সুপারিশ থাকছে। এদিকে, নতুন কাঠামোয় সবচেয়ে বড় সুখবর আসছে দেশের লাখো পেনশনভোগী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য। সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন পেনশনের হার ক্ষেত্রবিশেষে শতভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধির যুগান্তকারী সুপারিশ করেছে।

কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এছাড়া ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির জোরালো সুপারিশ করা হয়েছে, যা আগামী বাজেটেই চূড়ান্ত রূপ পেতে যাচ্ছে।

/আশিক


তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে সোনার মূল্যে বড় ছাড়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২০ ১০:১৫:০২
তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে সোনার মূল্যে বড় ছাড়
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীলতা ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম আকস্মিক কমে যাওয়ার জেরে দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে এক ধাক্কায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছে।

গত শনিবার (১৬ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দর ঘোষণা করা হয়, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই দেশব্যাপী কার্যকর হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত এই বিশেষ হ্রাসকৃত দামেই আজ বুধবার (২০ মে) দেশের বাজারে সোনা কেনাবেচা হবে।

বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ বুধবার থেকে বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা মিলবে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়। উল্লেখ্য, এর মাত্র একদিন আগে গত ১৫ মে সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস; কিন্তু স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দর দ্রুত কমতে থাকায় পরদিনই আবারও বড় ছাড় দিতে বাধ্য হয় সংগঠনটি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার কারণে চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৬৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাজুস, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হলেও কমানো হয়েছে ৩০ বার। অন্যদিকে বিগত ২০২৫ সালেও দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯৩ বার সোনার দাম ওঠানামা করেছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল মাত্র ২৯ বার।

/আশিক


মামলা থেকে বাঁচতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা এখন ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১৯:৫৪:১৭
মামলা থেকে বাঁচতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা এখন ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সাংবাদিক পরিচয়ে সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি নির্যাতনে জড়িত এবং বর্তমানে আইনি মামলার মুখে পড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের একটি অংশ এখন রাজনৈতিক সুবিধা পেতে ভুঁইফোঁড় গণমাধ্যমের কার্ড ও পরিচয় প্রকাশ্যে ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের সফল তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক হাই-ভোল্টেজ প্রেস ব্রিফিংয়ে গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের নামে হওয়া বিভিন্ন মামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য ফাঁশ করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকদের নামে যেসব মামলা দায়ের হয়েছে, সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে ও পর্যালোচনা করতে একটি স্বাধীন ‘মিডিয়া কমিশন’ গঠনের আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে চলছে। এই মেগা কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পরেই সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ ও মন্তব্য করবে। মন্ত্রী আরও জানান, বিগত সময়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিত একটি বিশেষ পর্যালোচনা কমিটি মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের কাছ থেকে সরাসরি লিখিত অভিযোগ সংগ্রহ করে, যেখানে এখন পর্যন্ত মোট ৯২ জন সাংবাদিক তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা থাকার তথ্য প্রমাণ জমা দিয়েছেন।

তবে এই বিপুল সংখ্যক মামলার আইনি মেরিট ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, সব মামলার বাদী কিন্তু সরকার নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত বা স্থানীয় সামাজিক বিরোধ থেকে সাধারণ নাগরিকরা এসব মামলা দায়ের করেছেন। একই সাথে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা হয়েছে, তাদের সবার মূল পেশাগত পরিচয়ও কিন্তু সাংবাদিকতা নয়। অনেকে সরাসরি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রথম সারির পদে যুক্ত থেকে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদের সহিংস কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন এবং এখন বাঁচার তাগিদে বা রাজনৈতিক সুবিধা নিতে সাংবাদিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অপচেষ্টা করছেন।

দেশের গণমাধ্যম জগৎকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কলঙ্কমুক্ত করতে মন্ত্রণালয়ের আগামী দিনের মেগা পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আগামী জুনের মধ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ কমিটি গঠন করে মিডিয়া কমিশনের একটি শক্তিশালী আইনি খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক গণমাধ্যম ব্যবস্থার জন্য একটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক স্থায়ী কাঠামো তৈরি করার মহাপরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তিনি আরও যোগ করেন, ভঙ্গুর ও অকার্যকর হয়ে পড়া প্রেস কাউন্সিলকে ঢেলে সাজিয়ে আরও কার্যকর করা হবে এবং সামগ্রিক গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অরাজকতা দূর করে কঠোর শৃঙ্খলা আনা হবে। সরকারের উচ্চমহলের মতে, বর্তমান গণমাধ্যম ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ও যে চরম অরাজকতা বিরাজ করছে, তা সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলে একটি নিয়মিত, স্বচ্ছ ও পেশাদার কাঠামোর মধ্যে আনার এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

/আশিক


খোলা বাজারে ডলার ও পাউন্ডের দামে নতুন রেকর্ড, হু হু করে বাড়ছে টাকার মান

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১২:১১:৫৯
খোলা বাজারে ডলার ও পাউন্ডের দামে নতুন রেকর্ড, হু হু করে বাড়ছে টাকার মান
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির সুবিধার্থে প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) বৈধ পথে দেশে পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক লেনদেন সহজ করার লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশের ব্যাংকিং চ্যানেল ও খোলা বাজারে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ অফিসিয়াল বিনিময় হার তুলে ধরা হলো

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলারের (US Dollar) বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২১ টাকা ৬৯ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো (Euro) বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকা ০২ পয়সায় এবং ব্রিটেনের পাউন্ডের (UK Pound) মান দাঁড়িয়েছে ১৬৩ টাকা ৯৫ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসা সৌদি রিয়াল (Saudi Riyal) আজ ৩২ টাকা ৭৯ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, আর বরাবরের মতোই সর্বোচ্চ মূল্যে থাকা কুয়েতি দিনারের (Kuwaiti Dinar) বিনিময় হার ৩৯৯ টাকা ৮৬ পয়সা।

এছাড়া অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ১৫ পয়সা, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা এবং ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৪ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে।

দূরপ্রাচ্য ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে কানাডিয়ান ডলার ৮৭ টাকা ০২ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৮ টাকা ২৫ পয়সা।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

/আশিক


আজকের গোল্ড আপডেট: মঙ্গলবার দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে সোনার নতুন দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১১:২৮:০০
আজকের গোল্ড আপডেট: মঙ্গলবার দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে সোনার নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বড় ধরনের পতন ঘটেছে সোনা ও রুপার দামে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ায় বাজুস ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক ধাক্কায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে রেকর্ড দামের পর অবশেষে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার নিচে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত এই নতুন মূল্য দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (১৬ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর ছিল এবং আজ মঙ্গলবারও সেই একই সমন্বিত মূল্যে সোনা কেনাবেচা চলছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা এখন থেকে বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ মে সোনা সর্বশেষ সমন্বয়ের সময় ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে রেকর্ড ৬৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ৩০ বার কমেছে। অন্যদিকে, বিগত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম পরিবর্তন করা হয়েছিল।

সোনার পাশাপাশি মধ্যবিত্তের স্বস্তির খবর দিয়ে এক ধাক্কায় কমেছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৭ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম মোট ৩৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২১ বার বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতার কারণেই সোনা-রুপার বাজারে এই ঘনঘন দামের ওঠানামা চলছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


প্রবাসীদের জন্য আজকের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১০:৩৩:৩৪
প্রবাসীদের জন্য আজকের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বের বুকে ছড়িয়ে থাকা কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির পাঠানো রেমিট্যান্সে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন লেনদেনের সুবিধার্থে আজ সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) দেশের মুদ্রা বাজারে প্রচলিত প্রধান বৈদেশিক মুদ্রাগুলোর অফিশিয়াল বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী এই হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য সমান রেখে গড় বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪২ টাকা ৬০ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে তা ১৪২ টাকা ৭২ পয়সা।

যুক্তরাজ্যের পাউন্ড স্টার্লিং ১৬৩ টাকা ৫৩ পয়সায় কিনে ১৬৩ টাকা ৬০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবের রিয়াল কেনা যাচ্ছে ৩২ টাকা ৫৫ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা ৫৬ পয়সায়।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের রুপির ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য স্থির রয়েছে ১ টাকা ২৮ পয়সায়।

অন্যান্য প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর মধ্যে আজ জাপানি ইয়েন কেনা ও বিক্রি হচ্ছে ০ টাকা ৭৭ পয়সায়।

অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা ৭৯ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৮ টাকা।

সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৪১ পয়সায় কিনে ৯৬ টাকা ৪৭ পয়সায় এবং কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ১৭ পয়সায় কিনে ৮৯ টাকা ২৭ পয়সায় বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো।

প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে এই অফিশিয়াল রেট অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


দেশের বাজারে ৬৫ দফা সমন্বয়: কিছুটা স্বস্তিতে স্বর্ণের ক্রেতারা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১০:২০:০৩
দেশের বাজারে ৬৫ দফা সমন্বয়: কিছুটা স্বস্তিতে স্বর্ণের ক্রেতারা
ছবি : সংগৃহীত

টানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর দেশের বাজারে অবশেষে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। গত শনিবার (১৬ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই মূল্য ঘোষণা করা হয়। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে এবং নির্ধারিত ওই দামেই আজ সোমবার (১৮ মে) বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা। এর আগে সর্বশেষ গত ১৫ মে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করার সময় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা, যা এখন ৪ হাজার টাকারও বেশি কমল।

আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতায় চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৬৫ দফা স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হলেও কমানো হয়েছে ৩০ বার।

বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিদায়ী ২০২৫ সালেও দেশের ইতিহাসে রেকর্ড মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল মাত্র ২৯ বার। মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া স্বর্ণের বাজারে এই দফায় দাম সামান্য কমায় ক্রেতাদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, বাজার এখনো সামগ্রিকভাবে রেকর্ড উচ্চ মূল্যেই অবস্থান করছে।

/আশিক


২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, রুপার ভরিতেও স্বস্তির আভাস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৭ ১০:৪৩:২১
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, রুপার ভরিতেও স্বস্তির আভাস
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে দেশের বাজারে আবারও বড় পতন ঘটেছে স্বর্ণের দামের। স্থানীয় বাজারে খাঁটি বা তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পর্যন্ত কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই দাম কমার ফলে দেশের বাজারে এখন সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়, যা এর আগে ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। শনিবার (১৬ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই মূল্য তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং সেদিন সকাল ১০টা থেকেই দেশজুড়ে এই দর কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভালো মানের ২২ ক্যারেট ছাড়াও ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়। স্বর্ণের দামের এই বড় পতনের সাথে সাথে রুপার দামও কিছুটা কমেছে এবং বর্তমানে বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গত ১৫ মে (শুক্রবার) এক দফায় স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়েছিল বাজুস। সেই ধারাবাহিকতায় ১৬ মে শনিবারে আবারও বড় পতন দেখল এই মহামূল্যবান ধাতু।

বাজুস জানিয়েছে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৬৫ বার স্বর্ণের দামের এই ওঠানামা বা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হলেও কমানো হয়েছে ৩০ বার। অন্যদিকে, বিগত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দামের এই রূপান্তর ঘটেছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার বৃদ্ধি এবং ২৯ বার কমানোর রেকর্ড ছিল।

/আশিক


আজকের টাকার রেট: ১৬ মে ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ১২:৪৫:২৭
আজকের টাকার রেট: ১৬ মে ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের প্রায় কোটি মানুষ কর্মসংস্থানের প্রয়োজনে প্রবাসে অবস্থান করছেন। বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এই বাংলাদেশিদের পাঠানো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই মূলত সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে আজ শনিবার (১৬ মে) দেশের মুদ্রা বাজারের সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।

ইউএস ডলার, পাউন্ড ও ইউরোর দর

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ দেশের বাজারে মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য সমান নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতি ইউএস ডলার কেনা হচ্ছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় এবং বিক্রিও হচ্ছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায়।

ফলে এর গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৫ টাকা ৯৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৬ টাকা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে প্রতি ইউরো কেনা হচ্ছে ১৪৩ টাকা ৭৪ পয়সায় এবং বিক্রি করা হচ্ছে ১৪৩ টাকা ৭৫ পয়সায়।

এশীয় ও অন্যান্য মুদ্রার অবস্থান

এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বিক্রি দুই ক্ষেত্রেই প্রতি ইউনিটের দাম পড়ছে ০.৭৮ টাকা।

বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির বিনিময় হারও অপরিবর্তিত রয়েছে, যেখানে প্রতি ইন্ডিয়ান রুপি কেনা এবং বিক্রি করা হচ্ছে ১ টাকা ২৮ পয়সায়।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সৌদি আরবের মুদ্রা রিয়ালের ক্রয়মূল্য আজ ৩২ টাকা ৫৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ টাকা ৫৬ পয়সা।

অন্যান্য আন্তর্জাতিক মুদ্রার হার

ওশেনিয়া ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ডলার কেনা হচ্ছে ৮৯ টাকা ০৯ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকা ১০ পয়সায়।

কানাডিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য রাখা হয়েছে ৮৯ টাকা ৫৩ পয়সা এবং এর বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ৮৯ টাকা ৫৭ পয়সা।

এ ছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র সিঙ্গাপুরের ডলারের ক্ষেত্রে প্রবাসীরা প্রতি সিঙ্গাপুর ডলারের বিপরীতে ক্রয়মূল্য পাবেন ৯৬ টাকা ৪১ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে এর দাম পড়বে ৯৬ টাকা ৪৭ পয়সা।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজার ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার ওপর ভিত্তি করে যেকোনো সময় বিভিন্ন দেশের মুদ্রার এই বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে। তাই যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ দর যাচাই করে নেওয়া উত্তম।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

বাংলাদেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ জীবিকা এবং ধর্মীয়-সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কুরবানি ঈদের চামড়া শিল্প। প্রতি বছর... বিস্তারিত