ঢাকায় অবতরণ, প্রথম যোগাযোগ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে

বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরার পরপরই তারেক রহমান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ঢাকায় অবতরণের পর বিমানবন্দরে নেমেই তিনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর সঙ্গে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৩৬ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট বাংলাদেশ বিমান–এর বিজি ২০২ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দীর্ঘদিন পর তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিমানবন্দরে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ।
বিমান থেকে নেমে ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা। সেখানে এক আবেগঘন মুহূর্তে অপেক্ষারত তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু তাকে গোলাপ ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানান। পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি।
ভিআইপি লাউঞ্জেই অবস্থানকালে তারেক রহমান মোবাইল ফোনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন। আলাপকালে তিনি অধ্যাপক ইউনূসের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং দেশে ফেরার পুরো প্রক্রিয়ায় গৃহীত নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ ও আলোচনার সূচনা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিএনপি সূত্রের মতে, এটি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে এসেছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পরিবারসহ তার দেশে ফেরা রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
-রফিক
সংস্কার থেকে সরে এলে আবারও চব্বিশ হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের মূল দাবি থেকে বর্তমান সরকার সরে এলে দেশে আবারও গণ-অভ্যুত্থান হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি অভিযোগ করেন, সময়ের পরিবর্তন ও ক্ষমতার চেয়ারে বসার সাথে সাথেই সরকারের মানসিকতা বদলে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ স্পষ্ট করে বলেন, সরকারকে কাঠামোগত পরিবর্তনের জায়গায় একনিষ্ঠ হতে হবে; অন্যথায় ২০২৪ সালের মতো আরেকটি অভ্যুত্থান ঘটা অনিবার্য।
হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, যারা ২০২৪ সালে রাজপথে নেমেছিল, তারা কাউকে সংসদ সদস্য বা উপদেষ্টা বানানোর জন্য আন্দোলন করেনি। বরং তারা রাষ্ট্র ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যেই জীবন বাজি রেখেছিল। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি পুরোনো শাসন ব্যবস্থা এবং সিস্টেম অক্ষুণ্ণ রাখা হয়, তবে যেকোনো ব্যক্তিই ভবিষ্যতে ‘হাসিনা’ হয়ে উঠতে পারেন। তাঁর ভাষায়, হাসিনা কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং এটি অনেকগুলো ফ্যাসিবাদী চিন্তাধারার একটি সমষ্টি। তাই ব্যক্তি পরিবর্তন নয়, বরং কাঠামোগত সংস্কারই ছিল গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত উদ্দেশ্য।
আলোচনা সভায় সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের বিরোধিতার তীব্র সমালোচনা করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি উল্লেখ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যারা অতীতে নিজেরাই ভুক্তভোগী ছিলেন, এখন তারাই সংস্কারের বিরোধিতা করছেন, যা অত্যন্ত অসম্মানজনক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ক্ষমতার আসনে বসে কেন তারা আগের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছেন? মেজরিটি বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি বা তারা কোনো লাভবান হয়নি। উল্টো রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই কেবল সুবিধাভোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্র যেন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে এবং সাধারণ মানুষ যেন আর আশাহত না হয়। অন্যথায় জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে আরেকটি বড় ধরনের গণজাগরণের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
/আশিক
নর্দমা থেকে ফ্যাসিবাদ তুলে আনার চেষ্টা রুখে দেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারের বর্তমান জ্বালানি নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, সরকারি দলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ যেন তেলের ওপর ভাসছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করেন যে, পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য যানবাহন ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকলেও সরকার রিজার্ভের মিথ্যা দাবি করে প্রকৃত সত্য আড়াল করার চেষ্টা করছে। এমনকি সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বলেও তিনি দাবি করেন।
বর্তমান সংসদের গঠন প্রকৃতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদে যারা স্থান পেয়েছেন তাদের প্রায় সকলেই কোনো না কোনোভাবে মজলুম। তাঁদের মধ্যে কেউ জেল খেটেছেন, কেউ আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন, আবার কেউ ফাঁসির মঞ্চ বা নির্বাসন থেকে ফিরে এসেছেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত সংসদ যদি জনগণের দুঃখ না বোঝে, তবে আর কে বুঝবে? তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৫৪ বছর ধরে যে ফ্যাসিবাদ বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রেখেছিল, ২০২৪ সালের বিপ্লবীরা তাকে বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলেছে। এখন যারা সেই নর্দমা থেকে পুনরায় ফ্যাসিবাদকে তুলে আনতে চাইছে, তরুণ প্রজন্ম ও জামায়াতে ইসলামী তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে জামায়াত আমির ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেনি, তারা চেয়েছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। তিনি দাবি করেন, বিগত নির্বাচনে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হা’ ভোটের মাধ্যমে জামায়াতকে সমর্থন দিলেও সেই জনরায়কে ‘হাইজ্যাক’ ও ‘ডাকাতি’ করা হয়েছে। তাঁর মতে, যেদিন থেকে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। সংসদ এই রায় মানুক আর না মানুক, জামায়াতে ইসলামী ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে রাজপথে ফিরে যাবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।
দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যারা নিজেদের দলের ভেতরে গণতন্ত্র ও ইনসাফের চর্চা করতে পারে না, তারা দেশের ১৮ কোটি মানুষকে নিরাপত্তা বা গণতন্ত্র উপহার দিতে পারবে না। সংসদে উপস্থিত জামায়াতের ৭৭ জন সদস্য জনগণের অধিকার রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং জাতির ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবে না বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। জাগপা-র মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদের ফিরে আসা যেকোনো মূল্যে রুখে দেওয়া হবে।
/আশিক
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টাকে রাজপথে নামার ডাক দিলেন নাহিদ ইসলাম
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগগুলো রক্ষায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তৎকালীন সকল উপদেষ্টাকে রাজপথে নামার ডাক দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক আহ্বান জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর যে রক্তের বিনিময়ে সংস্কারের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, বর্তমান বিএনপি সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত না করে সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ করছে। বিশেষ করে গুম প্রতিকার, মানবাধিকার কমিশন এবং বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করে সরকার পুনরায় একটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে হাঁটছে বলে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।
নাহিদ ইসলাম সরাসরি ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ সাবেক উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা যে সংস্কারের অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন, সেগুলো এখন বাতিল হচ্ছে অথচ তারা মুখ খুলছেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'-এর মাধ্যমে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে তারা নিজেদের ক্যারিয়ারে ফিরে যেতে পারেন না।
সংসদের ভেতরে উপযুক্ত সমাধান না পাওয়ায় রাজপথেই এখন এর ফয়সালা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদেরও এই দায় নিতে হবে এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের সাথে রাজপথে আন্দোলনে অংশ নিতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বদলে বিএনপি সরকার জনগণের আস্থা হারাচ্ছে বলেও তিনি হুশিয়ারি দেন।
/আশিক
তারেক রহমানের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? হাসনাত আব্দুল্লাহর রহস্যময় পোস্ট
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা নিয়ে এক বিস্ফোরক প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে গত ২৯ নভেম্বরের একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি টেনে উল্লেখ করেন যে, সেই সময় তারেক রহমান দেশে ফেরার আকুতি জানালেও বলেছিলেন যে এটি তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। এমপির প্রশ্ন, গত ২৫ ডিসেম্বর দলের অনেকের দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও তিনি যখন দেশে ফিরলেন, তখন সেই সিদ্ধান্তটি আসলে কাদের ছিল এবং গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলের মতো স্পর্শকাতর বিষয়েও কি সেই অদৃশ্য শক্তির প্রভাব রয়েছে?
ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ সরাসরি জানতে চান, তারেক রহমান কি প্রকৃতপক্ষেই নিজের স্বাধীন সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন, নাকি নেপথ্যে এমন কেউ রয়েছেন যাদের সাধারণ জনগণ চেনে না। তিনি আরও গভীর প্রশ্ন তোলেন যে, দেশে ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে যদি অন্যদের প্রভাব থাকে, তবে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও কি তিনি সেই একই শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছেন?
সবশেষে এনসিপির এই নেতা সেই নেপথ্যের কারিগরদের পরিচয় স্পষ্ট করার দাবি জানান, যাদের সিদ্ধান্তের ওপর তারেক রহমানের দেশে ফেরা থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নির্ভর করছে বলে তিনি মনে করেন। তার এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
/আশিক
উত্তাল রাজধানী! গণভোটের রায়ে সরকারের বাধার মুখে ১১ দলের বিক্ষোভ
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল সোয়া ৫টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সমাবেশে যোগ দিতে দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের হাতে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’ ও ‘গণভোট মানতে হবে’ লেখা সম্বলিত শত শত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে, যেখান থেকে সরকারবিরোধী ও গণভোটের স্বপক্ষে তীব্র স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
সমাবেশে ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে এবং তারা দেশের গণতন্ত্রের ওপর একতরফা ফ্যাসিবাদী প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, জনস্বার্থ রক্ষা এবং জনগণের রায় প্রতিষ্ঠিত করতে রাজপথের আপসহীন আন্দোলন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
এর আগে গত বুধবার বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি দলের কর্মকাণ্ডে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত গণভোটের রায়কে বর্তমান সরকার সুকৌশলে উপেক্ষা করছে। এই প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে সংসদের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলো সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।
/আশিক
আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই: সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, সংবিধান সংস্কারের চূড়ান্ত রায়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটায় এখন আন্দোলনের পথই তাদের একমাত্র বিকল্প। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ সংক্রান্ত নোটিশের ওপর দুই ঘণ্টার আলোচনা শেষে স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হুশিয়ারি দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সংসদের ভেতরেই সমাধান চেয়েছিলাম এবং জনগণের রায়কে সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু স্পিকার ও সরকারি দল তা গ্রহণ না করে জনগণের অভিপ্রায়কে অবমূল্যায়ন করেছে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতের তিনটি গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে গ্রহণ করা হলেও এবার সরকারি ও বিরোধী দল একমত থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষিত হয়েছে।
এই অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তারা সংসদ ‘গিভ আপ’ করেননি, বরং জনগণের দাবি আদায়ে সংসদের অংশ হিসেবেই লড়াই চালিয়ে যাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা আরও জানান, জামায়াতসহ ১১টি দল দ্রুত বৈঠকে বসে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ইনশাআল্লাহ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এই আন্দোলন কোনো দল বা ব্যক্তির স্বার্থে নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক চরিত্র রক্ষা ও প্রকৃত সংবিধান সংস্কারের স্বার্থে।”
এর আগে সংসদে আলোচনার পর স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধী দল ওয়াকআউট করলে স্পিকার জানান, একটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে এবং সেখানে তারা তাদের উত্তর পাবেন। তবে বিরোধী দল সেই আশ্বাসে সন্তুষ্ট না হয়ে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
/আশিক
সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় এবং প্রস্তাব নিয়ে সৃষ্ট টানাপোড়েনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর একটি পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবটি 'চাপা দেওয়ার' অভিযোগ তুলে বিরোধী দলগুলো তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করে। এর পরপরই কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি সরাসরি অভিযোগ করে লেখেন, ‘Hypocrisy by Majority- where truth and pretension are infused.’ অর্থাৎ, সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভণ্ডামিতে সত্য এবং ছদ্মবেশ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ এখানে ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’ বলতে সংসদে থাকা সরকারি দল বা ট্রেজারি বেঞ্চকেই ইঙ্গিত করেছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বিরোধী শিবিরের এই ক্ষোভ সংসদীয় কার্যক্রমে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির এই ওয়াকআউট এবং পরবর্তী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলল।
/আশিক
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পরিবারের রক্ত আছে: সংসদে আবেগঘন জামায়াতের আমির
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের একটি মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি নিজেকে 'শহীদ পরিবারের সন্তান' হিসেবে দাবি করেছেন। মূলত গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করতে গিয়ে তিনি এই ব্যক্তিগত পরিচয় তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও মানুষের পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। স্পিকারকে সম্বোধন করে তিনি বলেন, "আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, তার পরিবারের সদস্যদের রক্তও সেই তালিকায় মিশে আছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেকে শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিলেও, জাতীয় সংসদের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে এবারই প্রথম এমন দাবি করলেন তিনি। তার এই বক্তব্য সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে, কারণ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার মুখ থেকে এ ধরনের পারিবারিক পরিচয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
/আশিক
নিয়ম সবসময় শাসকের অনুসারী: হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে নিয়মের জটিলতা ও সংসদীয় মারপ্যাঁচে পড়া নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিয়মের বেড়াজালে কখনো কখনো যেমন স্পিকারকে আটকে দেওয়া হয়, তেমনি সংসদ সদস্যদেরও নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়। হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, নিয়ম সবসময় শাসকদের অনুকূলে চলে; যখন তা পক্ষে থাকে তখন তাকে নিয়ম বলা হয়, আর বিপক্ষে গেলে তাকে প্রথা বা ‘কাস্টম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাংবিধানিক ও অসাংবিধানিক যুক্তির মারপ্যাঁচে সংসদ বর্তমানে ঘুরপাক খাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার নির্বাচনী এলাকা দেবীদ্বারের ১ লাখ ৭২ হাজার ভোটারের আস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এলাকার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির প্রস্থ মাত্র ১২ ফুট। সংকীর্ণ হওয়ার কারণে এই রাস্তায় দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা একসঙ্গে পার হতেও প্রচণ্ড সমস্যায় পড়ে। সড়কটি ওই এলাকার ১১টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, এই সড়কটি প্রশস্ত করা গেলে ওই অঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে শিল্প-কারখানা ও কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা স্থানীয়দের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত এই সড়কটি উন্নত করা হলে কুমিল্লা, ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমে আসবে। সার্বিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে ১২ ফুটের এই সংকীর্ণ সড়কটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ হাইওয়েতে রূপান্তরের জন্য তিনি স্পিকারের মাধ্যমে জোরালো আবেদন জানান।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংসের দাবি নেতানিয়াহুর
- ভ্যাকসিন কিনতে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে ইরানের থাবা, ১৫ মার্কিন সেনা আহত
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- কৌশলগতভাবে তেহরানের কাছে পরাজিত ট্রাম্প: ইরান
- আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন
- গীতি কবিতায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন সিরাজিয়া পারভেজ টুটুল
- সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মোজতবা খামেনি? ৩৯ দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
- ভোর ৫টার ঝটিকা অভিযান: ধানমন্ডি থেকে যেভাবে ধরা পড়লেন শিরীন শারমিন
- কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: বাহরাইনে বাজছে বিপদের সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
- সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সংসদ: ডাবল শিফট অধিবেশনে ১৩৩ বিলের লড়াই
- মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
- সোনার বাজারে আগুন, ভরি ছাড়াল যত
- এক রাতের মধ্যেই ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার হুমকি ট্রাম্পের
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, সময় মেনে ইবাদত করুন
- এক রাতে তিন বড় ম্যাচ, টিভিতে আজকের যত খেলা
- ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা
- ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন সূচনা, ভারত সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় এশিয়ার দেশগুলো
- গভীর রাতে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন আটক
- চার ঘণ্টায় ইরান অচল করার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
- কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, আহত ১৫ মার্কিন সেনা
- টঙ্গীর মিলগেট বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ও তেলের বাজার: নতুন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বিশ্ব
- চাঁদের ‘অন্ধকার অংশ’ দেখতে যাচ্ছে মানুষ: ৫০ বছর পর প্রথম রোমাঞ্চকর যাত্রা
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- হাইফায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর নতুন মোড়: ৩ জনের ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ
- সংস্কার থেকে সরে এলে আবারও চব্বিশ হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- পর্দার আড়ালে কী ঘটেছিল? এপস্টেইন নথিতে জিজি হাদিদের নাম
- লালমাইতে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ৩ বসতঘর
- নর্দমা থেকে ফ্যাসিবাদ তুলে আনার চেষ্টা রুখে দেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
- সিসিটিভি ফুটেজে ফাঁস: ইসরায়েলের পারমাণবিক নকশা কি ইরানের হাতে?
- হরমুজ সংকট নিরসনে একটি শর্ত দিল ইরান
- খেলাপি ঋণের পাহাড়: সাড়ে ৫ লাখ কোটির তথ্য দিলেন আমির খসরু
- একনেকের প্রথম বৈঠক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৬ প্রকল্প অনুমোদন
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও কৃতী শিক্ষার্থী সম্মাননা অনুষ্ঠিত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানের দুই ধাপের পরিকল্পনা, কী আছে এতে
- ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে হাহাকার, লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত
- সতর্ক হোন! ডায়াবেটিসের এই লক্ষণগুলো অবহেলা করলে বাড়ছে বড় ঝুঁকি
- ফুটবল বিশ্বকে চমকে দেওয়া আল্টিমেটাম: বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে না ইরানকে?
- মধ্যপ্রাচ্যে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব: শান্তির পথে কি হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?
- হুমকির শেষে আল্লাহর নাম: ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্ট ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
- তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা, লক্ষ্যবস্তু বিশ্ববিদ্যালয়
- যৌথ হামলায় নিহত ইরানি শীর্ষ কমান্ডার: উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি








