রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দাম এখন আকাশচুম্বী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২৪ ০৯:০৩:১০
রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দাম এখন আকাশচুম্বী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইতিহাসে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম সব রেকর্ড ছাড়িয়ে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার টাকার গণ্ডি অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন দর নির্ধারণের কথা জানিয়েছে। সংগঠনের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বর্ধিত মূল্য বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে যা মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এক বড় দুঃসংবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাজুসের নতুন দর তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে উন্নত মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৬ টাকায় বিক্রি হবে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকায়। তবে বাজুস স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিক্রয়মূল্যের সাথে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে যা গ্রাহকের চূড়ান্ত খরচের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেবে।

পরিসংখ্যান বলছে যে চলতি বছরটি স্বর্ণের বাজারের জন্য ছিল অত্যন্ত অস্থির। এ নিয়ে ২০২৩ সালে মোট ৮৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে ৬২ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ২৭ বার কমানো সম্ভব হয়েছে। গত ২২ ডিসেম্বরও স্বর্ণের দাম এক দফা বাড়ানো হয়েছিল তবে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আবারও বড় অংকের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের সংকটকে এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রূপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম এখন ৫ হাজার ১৩২ টাকা যা আগের তুলনায় ভরিতে ১৭৫ টাকা বেশি। রূপার অন্যান্য মানের দামও একইভাবে সমন্বয় করা হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১২ বার রূপার দাম পরিবর্তন করা হয়েছে যার মধ্যে বেশিরভাগ সময়ই দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। বিয়ের মৌসুমের আগে স্বর্ণ ও রূপার এমন লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম হয়েছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন যে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীলতা বজায় থাকলে নিকট ভবিষ্যতে দাম কমার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।


অর্থনীতির চাকা ঘুরাচ্ছে প্রবাসীরা: জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সের বড় উল্লম্ফন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২২ ২০:৫৩:০১
অর্থনীতির চাকা ঘুরাচ্ছে প্রবাসীরা: জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সের বড় উল্লম্ফন
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬ সালের শুরুতেই দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরণের ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছেন প্রবাসীরা। জানুয়ারির প্রথম ২১ দিনেই দেশে ২.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৩৩ কোটি ১০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তাঁরা, যা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এক নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই মাসে প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ দেশে আসছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে, প্রবাসীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা দেশের রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি অত্যন্ত শুভ লক্ষণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে এক বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারির প্রথম ২১ দিনে দেশে এসেছিল ১৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছর একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ প্রায় ৮৩ কোটি ডলার বেশি। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ কেবল সচলই নয়, বরং অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষ করে ২১ জানুয়ারি এক দিনেই প্রবাসীরা ১১ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা এক দিনের হিসেবে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্রের মতে, বর্তমান অর্থবছরের জুলাই থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৮৫৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৭০ শতাংশ বেশি।

চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাবাহিকতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ডিসেম্বর মাসটি ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল একটি মাস। ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে কোনো একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের জন্য এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে নভেম্বর মাসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া আগস্ট ও জুলাই মাসেও ২৪০ কোটি ডলারের উপরে রেমিট্যান্স আসার ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। জানুয়ারির প্রথম তিন সপ্তাহের এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই মাস শেষেও রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলারের কোটা স্পর্শ করতে পারে, যা দেশের আমদানি ব্যয় মেটাতে এবং টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে।


২০২৬ সালে স্বর্ণের দাম কি ছুঁবে ৫৪০০ ডলার? গোল্ডম্যানের পূর্বাভাস জানুন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২২ ১৪:৪৯:৩৬
২০২৬ সালে স্বর্ণের দাম কি ছুঁবে ৫৪০০ ডলার? গোল্ডম্যানের পূর্বাভাস জানুন
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং মুদ্রানীতিগত অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে স্বর্ণ আবারও বিনিয়োগকারীদের প্রধান আশ্রয়স্থলে পরিণত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় বেসরকারি খাত ও উদীয়মান অর্থনীতির কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রবণতাকে গুরুত্ব দিয়ে বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস স্বর্ণের দামের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস আরও ঊর্ধ্বমুখী করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানায়, গোল্ডম্যান স্যাকস ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স স্বর্ণের লক্ষ্যমূল্য ৪ হাজার ৯০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪০০ ডলার নির্ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্বর্ণবাজারে আরও শক্তিশালী মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিল।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বর্তমান গতিপথ এই পূর্বাভাসকে বাস্তবসম্মত করে তুলছে। বুধবার আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৮২ ডলারে, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তর। চলতি বছর এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ইতোমধ্যে ১১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে এই মূল্যবান ধাতুটি প্রায় ৬৪ শতাংশ উল্লম্ফনের মাধ্যমে নজিরবিহীন প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছিল।

গোল্ডম্যান স্যাকস বুধবার প্রকাশিত এক বিশ্লেষণ নোটে উল্লেখ করেছে, বৈশ্বিক নীতিগত ঝুঁকি, আর্থিক অস্থিরতা এবং ডলারনির্ভর সম্পদের ঝুঁকি মোকাবিলায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে একটি কার্যকর হেজ হিসেবে দেখছেন। প্রতিষ্ঠানটির মতে, ২০২৬ সালেও এই বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ থেকে সরে আসবেন না; বরং দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান ধরে রাখবেন।

শুধু বেসরকারি খাত নয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়নীতিও স্বর্ণের বাজারে বড় ভূমিকা রাখছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো গড়ে প্রায় ৬০ টন স্বর্ণ কিনতে পারে। বিশেষ করে উদীয়মান বাজারগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বর্ণের অংশ বাড়ানোর কৌশল অব্যাহত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ইউরোপীয় ব্যাংক কমার্জব্যাংক–ও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে এনে চলতি বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের লক্ষ্যমূল্য বাড়িয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯০০ ডলার নির্ধারণ করেছিল। একাধিক শীর্ষ ব্যাংকের অভিন্ন পূর্বাভাস স্বর্ণবাজারে দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে আরও দৃঢ় করছে।

সূত্র:রয়টার্স


দুটি ব্যাংক রেখে বাকিগুলো একীভূত! কী হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২২ ১০:২৫:২৭
দুটি ব্যাংক রেখে বাকিগুলো একীভূত! কী হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে কাঠামোগত সংস্কারের পথে বড় ধরনের পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বেসরকারি পাঁচটি ব্যাংক একীভূতকরণের পর এবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকেও একীভূত করার প্রস্তাব সরকারের কাছে তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গভর্নরের মতে, দেশের অর্থনীতির তুলনায় বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকারকে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক রেখে বাকিগুলো একীভূত করার সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বর্তমানে দেশে ৬১টি ব্যাংক কার্যক্রম চালাচ্ছে, যেখানে বাস্তবে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই অর্থনীতির জন্য যথেষ্ট।

গভর্নর মনে করেন, ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে আনা গেলে তদারকি ও সুশাসন নিশ্চিত করা অনেক সহজ হবে। তিনি বলেন, অতিরিক্ত ব্যাংক থাকার ফলে নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হচ্ছে এবং অনিয়মের সুযোগ বাড়ছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট তুলে ধরে গভর্নর বলেন, দীর্ঘদিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, আর্থিক অনিয়ম, পরিবারকেন্দ্রিক আধিপত্য এবং দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামোর কারণে এই খাত প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যমতে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যার বড় একটি অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরিবারকেন্দ্রিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে দুই থেকে আড়াই হাজার কোটি মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। গভর্নরের মতে, ব্যাংক পরিচালনায় ব্যক্তিগত স্বার্থনির্ভর সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না এবং এটি পুরো ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে তোলে।

সুশাসনের অভাবেই ব্যাংকিং খাতের এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে মন্তব্য করে তিনি জরুরি ভিত্তিতে সর্বস্তরে সংস্কারের ওপর জোর দেন। খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে জানান, সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ কার্যকর না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ঝুঁকি আবারও ফিরে আসতে পারে।

এ সময় গভর্নর জানান, ব্যাংকিং খাতকে সুরক্ষিত রাখতে একটি ‘ব্যাংক রেজল্যুশন ফান্ড’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই তহবিলের মাধ্যমে ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই কাঠামোর আওতায় শুধু ব্যাংক নয়, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ক্যাশলেস সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে গভর্নর বলেন, নগদ লেনদেনই রাজস্ব ফাঁকির সবচেয়ে বড় মাধ্যম। তাঁর মতে, ক্যাশবিহীন লেনদেন ব্যবস্থা চালু করা গেলে বছরে দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব। এজন্য তিনি শিক্ষার্থীদের শুরু থেকেই আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান গভর্নর প্রায় ধসে পড়া ব্যাংকিং খাতকে পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর মতে, ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত সংকটচিত্র এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি স্পষ্ট।

আলোচনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরীফ মোশাররফ হোসেন বলেন, খেলাপি ঋণের উচ্চ হার ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর। ভবিষ্যতে ব্যাংকিং খাতকে আরও কঠোর নজরদারির আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশন ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

-রফিক


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (২২ জানুয়ারি ২০২৫)

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২২ ১০:২১:০২
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (২২ জানুয়ারি ২০২৫)
ছবি: সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার অবমূল্যায়নের প্রবণতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরোর বিপরীতে টাকার দর আরও বেড়েছে, যা আমদানি ব্যয়, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক লেনদেনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

ব্যাংকিং সূত্র অনুযায়ী, আজ এক মার্কিন ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৩৪ পয়সা, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। একইভাবে ইউরোর দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪২ টাকা ২৭ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য পৌঁছেছে ১৬৩ টাকা ৮৩ পয়সায়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ডলারের আন্তর্জাতিক শক্তিশালী অবস্থান এবং আমদানি নির্ভরতার কারণে টাকার ওপর এই চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর ক্ষেত্রেও তুলনামূলকভাবে উচ্চ হার বজায় রয়েছে। সৌদি রিয়াল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম যথাক্রমে ৩৩ টাকা ৩২ পয়সা ও ৩৩ টাকা ৩১ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। কুয়েতি দিনার, বাহরাইন দিনার এবং ওমানি রিয়ালের মতো শক্তিশালী মুদ্রাগুলোর বিপরীতে টাকার মান উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ও ব্রুনাই ডলারের বিনিময় হার সমানভাবে ৯৫ টাকা ২৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। মালয়েশিয়ান রিংগিতের দর রয়েছে ৩০ টাকা ১৬ পয়সা এবং চীনা রেনমিনবির দর ১৭ টাকা ৫৫ পয়সা। জাপানি ইয়েন ও দক্ষিণ কোরিয়ান ওনের মতো মুদ্রায় হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও সামগ্রিক প্রবণতা টাকার জন্য অনুকূল নয়।

আফ্রিকা ও ইউরোপের অন্যান্য মুদ্রার ক্ষেত্রেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকান রেন্ডের দর ৭ টাকা ৪৫ পয়সা এবং লিবিয়ান দিনারের দর ২২ টাকা ৫১ পয়সায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে কানাডিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিপরীতে টাকার মান যথাক্রমে ৮৮ টাকা ৩৬ পয়সা ও ৮২ টাকা ২৮ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই বিনিময় হার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই প্রবাসী আয় প্রেরণ, বৈদেশিক ভ্রমণ কিংবা আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত হালনাগাদ হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নীতিগত সমন্বয় ও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্কতা প্রয়োজন।


আজকের স্বর্ণের দাম: ২২ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২২ ১০:০০:৫৫
আজকের স্বর্ণের দাম: ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের বাজারেও এই মূল্যবান ধাতুর দাম এক নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এক ভরি স্বর্ণের দাম আড়াই লাখ টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই বিশাল পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। গত বুধবারই এই নতুন দাম সমন্বয় করে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আজ বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশের সাধারণ গ্রাহকদের জন্য এই নতুন রেট অনুযায়ী স্বর্ণ কেনাবেচা করতে হবে।

বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, অর্থাৎ মাত্র এক দিনের ব্যবধানে ভরিতে দাম বেড়েছে ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে চান, তাঁদের এখন থেকে প্রতি ভরির জন্য ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা পরিশোধ করতে হবে, যা আগে ছিল ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে এই মানের স্বর্ণ ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২১ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন থেকে প্রতি ভরির দাম পড়বে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা। বাজুস স্পষ্ট জানিয়েছে যে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন দাম কঠোরভাবে কার্যকর থাকবে।

তবে কেবল স্বর্ণের নির্ধারিত দাম দিলেই গ্রাহকদের হিসাব শেষ হবে না, এর সঙ্গে আরও কিছু অতিরিক্ত খরচ আইনত যুক্ত হবে। বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করতে হবে। এর পাশাপাশি গহনা তৈরির জন্য বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি হবে ৬ শতাংশ। তবে গহনার ডিজাইন, শৈল্পিক কারুকাজ এবং মানের ওপর ভিত্তি করে এই মজুরির তারতম্য হতে পারে। সব মিলিয়ে এক ভরি গহনা কিনতে হলে ক্রেতাদের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে আরও বেশ কিছুটা বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হবে। তেজাবি স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকলে এবং বিশ্ববাজার অস্থির থাকলে সামনের দিনগুলোতে গহনার বাজারে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


সোনা ও রুপার বাজারে ফের রেকর্ড; কাল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২১ ২১:৫১:১৮
সোনা ও রুপার বাজারে ফের রেকর্ড; কাল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বাংলাদেশের বাজারেও এই মূল্যবান ধাতু দুটির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এক ভরি সোনার দাম আড়াই লাখ টাকার গণ্ডি অতিক্রম করেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এই নতুন মূল্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।

বাজুস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই তারা সোনার দাম সমন্বয়ের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকায়। এর আগে সোনার দাম এর চেয়ে কম থাকলেও এক লাফে ৮ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় গয়নার বাজারে বড় ধরণের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোনার নতুন বাজারদর নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, অন্যান্য মানের সোনার দামও সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা এখন থেকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকায় বিক্রি হবে। মূলত বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় তেজাবি সোনার সরবরাহ ও মূল্যের ওপর ভিত্তি করেই বাজুস এই দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে।


২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার: নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত বাড়ছে?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২১ ১৭:২১:৫৫
২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার: নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত বাড়ছে?
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জীবনযাত্রায় বড় ধরণের ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে জাতীয় বেতন কমিশন একটি নতুন পে স্কেলের সুপারিশমালা প্রস্তুত করেছে। এই প্রস্তাবে সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মূল বেতনে আমূল পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। জাতীয় বেতন কমিশন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই কাঠামোতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রাখা হলেও মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই এই সুপারিশমালা তৈরি করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন পে স্কেল অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে ২০তম গ্রেডে কর্মরত একজন কর্মচারীর সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। বর্তমান ব্যবস্থার তুলনায় এটি একটি বড় ধরণের লাফ। সংশ্লিষ্টদের হিসাব অনুযায়ী, মূল বেতনের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা যোগ হলে রাজধানী ঢাকায় কর্মরত ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মাসিক মোট বেতন দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪২ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মূল বেতনেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সর্বোচ্চ মূল বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের মূল বেতন ৮৬ হাজার টাকা এবং জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবদের মূল বেতন যথাক্রমে ৮২ হাজার ও ৭৮ হাজার টাকা। নতুন এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই কর্মকর্তাদের মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন উৎসব ও যাতায়াত ভাতাতেও বড় ধরণের পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে কমিশন। বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন, যা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাতায়াত ভাতার ক্ষেত্রেও বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। বর্তমানে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীরা যাতায়াত ভাতা পেলেও নতুন প্রস্তাবে ১০ম গ্রেডকেও এই ভাতার আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে অন্যান্য ভাতাসমূহ বর্তমানের মতোই বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।

নতুন পে স্কেলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর একটি হলো পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়া। যেসব অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাঁদের পেনশন প্রায় ১০০ শতাংশ বা দ্বিগুণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি প্রবীণ ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রধান এবং সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান জানিয়েছেন, কমিশনের প্রতিবেদনটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, নতুন এই বেতন কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অত্যন্ত ‘ভালো প্রস্তাব’ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে দেশে ২০১৫ সালের পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর নতুন এই পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে তা সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


২১ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২১ ১১:১৫:২৯
২১ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রার মূল্যের ক্রমাগত ওঠানামা এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার নতুন বিনিময় হার প্রকাশিত হয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের তথ্যের ভিত্তিতে টাকার মানে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের আধিপত্য এবং স্থানীয় চাহিদার কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্যমান কিছুটা সমন্বিত হয়েছে।

মার্কিন ডলার ও ইউরোপীয় মুদ্রার সর্বশেষ দর বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বর্তমান অবস্থান ১২২ টাকা ৩৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, ইউরোপীয় অঞ্চলের মুদ্রা ইউরোর বিনিময় হার রেকর্ড করা হয়েছে ১৪২ টাকা ২৭ পয়সা। এছাড়া ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যমান আজ ১৬৩ টাকা ৮৩ পয়সায় গিয়ে ঠেকেছে।

উন্নত অর্থনীতির অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে কানাডিয়ান ডলার ৮৮ টাকা ৩৬ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮২ টাকা ২৮ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাবাজারের চিত্র বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রধান উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মানেও আজ বৈচিত্র্য দেখা গেছে।

সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মান আজ ৩৯৭ টাকা ৮৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সৌদি আরবের রিয়াল আজ ৩৩ টাকা ৩২ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

এছাড়া দুবাই দিরহাম ৩৩ টাকা ৩১ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৭ টাকা ৮৪ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

বাহরাইন দিনারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৩২৫ টাকা ২৪ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল আজ ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা রেকর্ড করা হয়েছে।

এশীয় ও অন্যান্য দেশের মুদ্রার অবস্থান এশীয় দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিংগিতের বিনিময় হার আজ ৩০ টাকা ১৬ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ২৬ পয়সা।

ব্রুনাই ডলারের মানও সিঙ্গাপুর ডলারের সমান অর্থাৎ ৯৫ টাকা ২৬ পয়সা।

দক্ষিণ কোরিয়ান ওন এর মান দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৮ টাকা এবং জাপানি ইয়েন শূন্য দশমিক ৭৯ টাকা।

আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির মান আজ ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং পাকিস্তানি মুদ্রা হিসেবে পরিচিত তুর্কি লিরা ২ টাকা ৮২ পয়সায় অবস্থান করছে।

এছাড়া লিবিয়ান দিনার ২২ টাকা ৫১ পয়সা এবং ইরাকি দিনার মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৯ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার র‍্যান্ড আজ ৭ টাকা ৪৫ পয়সা এবং মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া ৭ টাকা ৯১ পয়সা হিসেবে বিনিময় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

চীনের মুদ্রা রেনমিনবি বা ইউয়ান আজ ১৭ টাকা ৫৫ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, এই বিনিময় হারগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হলেও ব্যাংক এবং মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে লেনদেনের সময় সামান্য তারতম্য হতে পারে। মূলত ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব তারল্য ও গ্রাহক সেবার ভিত্তিতে এই দরের চেয়ে কিছুটা বেশি বা কম দামে মুদ্রা কেনাবেচা করে থাকে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা আমদানিকারকদের এলসি খোলার ক্ষেত্রে এই বিনিময় হারগুলো একটি প্রধান নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।


দুনিয়ার সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল বিশ্ববাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২১ ১০:০৪:৫২
দুনিয়ার সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল বিশ্ববাজার
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রচেষ্টা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারিকে কেন্দ্র করে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই ভূরাজনৈতিক উত্তজনা ও সম্ভাব্য বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় বিশ্ব ইতিহাসে স্বর্ণের দাম আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা মার্কিন মুদ্রার ওপর আস্থা হারিয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়ায় এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮২১ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের এক পর্যায়ে এই দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮৪৩ দশমিক ৬৭ ডলারে গিয়ে ঠেকে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ লাখ ৯২ হাজার ৮০৬ টাকার সমান। শুধু স্পট মার্কেট নয়, আগামী ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহের জন্য নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দামও ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮১৩ দশমিক ৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট কাইল রডা এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে উদ্যোগ নিয়েছেন এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য ডেনমার্কের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন, তাতে বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিনিয়োগকারীরা এখন ডলার এবং বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদী ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে দিচ্ছেন। মার্কিন মুদ্রার তুলনায় স্বর্ণ এখন অনেক বেশি নিরাপদ ও আস্থাশীল মনে করছেন বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা। এই প্রভাবের ফলে গত তিন সপ্তাহের মধ্যে ইউরো এবং সুইস ফ্রাঁ-র বিপরীতে ডলারের মান সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারে টানা তৃতীয় দিনের মতো পতন অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতার ঢেউ সরাসরি আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা অতিক্রম করেছে।

আজ থেকে কার্যকর হওয়া স্বর্ণের নতুন মূল্য তালিকা

২২ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা।

২১ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা।

১৮ ক্যারেট (প্রতি ভরি): ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি (প্রতি ভরি): ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক বৈদেশিক ও বাণিজ্যিক নীতি যদি অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে। এটি একদিকে যেমন বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে দেবে, তেমনি বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে। স্বর্ণের এই রেকর্ড উচ্চতা কেবল অলঙ্কার শিল্পে নয়, বরং সামগ্রিক বিনিয়োগ বাজারে এক নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি করছে।

পাঠকের মতামত: