আগেভাগে জানুন আগামী বছরের ছুটির দিন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১০ ১১:০০:৩২
আগেভাগে জানুন আগামী বছরের ছুটির দিন
ছবি: সংগৃহীত

উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। রোববার (৯ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে আগামী বছরের সাধারণ, নির্বাহী আদেশ ও ঐচ্ছিক ছুটির বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করে। নতুন তালিকা অনুযায়ী ২০২৬ সালে মোট ২৮ দিন সরকারি ছুটি থাকবে, যার মধ্যে ১১ দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) হিসেবে পড়বে। ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসবের ছুটি আগের বছরের মতোই প্রায় অপরিবর্তিত থাকছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে ৫ দিন, ঈদুল আজহায় ৬ দিন এবং শারদীয় দুর্গাপূজায় ২ দিন ছুটি থাকবে। মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সাধারণ ছুটির ৭ দিন এবং নির্বাহী আদেশের ৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাবে।

সাধারণ ছুটির দিনগুলো হলো ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২০ মার্চ জুমাতুল বিদা, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১ মে মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমা (একই দিনে), ২৮ মে ঈদুল আজহা, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন।

নির্বাহী আদেশে ঘোষিত ছুটির মধ্যে রয়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি শবে বরাত, ১৭ মার্চ শবে কদর, ঈদুল ফিতরের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং পরে ২২ ও ২৩ মার্চ, মোট চার দিন, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ঈদুল আজহার আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন, ২৬ জুন আশুরা এবং ২০ অক্টোবর দুর্গাপূজার মহানবমী।

এ ছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মুসলমানদের জন্য ১৭ জানুয়ারি শবে মিরাজ, ২৪ মার্চ ঈদের পরের তৃতীয় দিন, ১ জুন ঈদুল আজহার পরের চতুর্থ দিন, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৪ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী পূজা, ১৫ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রি ব্রত, ৩ মার্চ দোলযাত্রা, ১৭ মার্চ হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ১০ অক্টোবর মহালয়া, ১৮ ও ১৯ অক্টোবর দুর্গাপূজার সপ্তমী ও অষ্টমী, ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ৮ নভেম্বর শ্যামাপূজা।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভস্ম বুধবার, ২ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত পূণ্য সপ্তাহ, ৫ এপ্রিল ইস্টার সানডে, এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর বড়দিনের আগে ও পরের দিন ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য ১ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, ৩০ এপ্রিল ও ২ মে বুদ্ধপূর্ণিমা, ২৯ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ২৬ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ২৫ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা থাকবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর জন্য ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে ঐচ্ছিক ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীরা বছরে তাদের নিজ ধর্ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। বছরের শুরুতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে, এবং প্রয়োজনে সাধারণ বা নির্বাহী ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে এই ছুটি নেওয়া যাবে। তবে ব্যাংক, হাসপাতাল, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর মতো বিশেষ দপ্তরগুলো জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব আইন অনুযায়ী ছুটি নির্ধারণ করবে।

-রফিক


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রেড অ্যালার্ট! দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ২১:১৩:২১
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রেড অ্যালার্ট! দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ
ছবি : সংগৃহীত

দেশে বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ২৬ জনের শরীরে এই রোগ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭০৯ জনে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতেই ৬৮৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহে রয়েছেন। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫৮৫ জনের শরীরে হামের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। সংক্রমণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ২৬৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হলেও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯৩০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে।

/আশিক


আবহাওয়া অফিসের রেড অ্যালার্ট! ৪ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ২০:২০:৩৭
আবহাওয়া অফিসের রেড অ্যালার্ট! ৪ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা শহরসহ দেশের ৪টি জেলায় আজ দিবাগত রাতে ৮০০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর ও কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই চার জেলার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া আবহাওয়ার অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগে আগামী দুই দিন এই বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

/আশিক


হাসনাত আব্দুল্লাহর তোপ ও মন্ত্রীর সাফাই: জ্বালানি নিয়ে সরগরম জাতীয় সংসদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ২০:১১:২৮
হাসনাত আব্দুল্লাহর তোপ ও মন্ত্রীর সাফাই: জ্বালানি নিয়ে সরগরম জাতীয় সংসদ
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিকে ঘিরে জাতীয় সংসদে আজ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি জানান, অস্বাভাবিক শর্ত ও উচ্চমূল্যের কারণে এই চুক্তিটি এখন পর্যালোচনার টেবিলে রয়েছে।

সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত একটি শক্তিশালী জাতীয় কমিটি এই চুক্তিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছে। বিশেষজ্ঞ, আইনজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের সমন্বয়ে গঠিত ওই কমিটির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অনেক বেশি দামে এই চুক্তিটি সই করেছিল। এই সংকট সমাধানে সরকার এখন আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হওয়া অথবা আদানির সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে শর্ত সংশোধনের পথ বিবেচনা করছে।

অন্যদিকে, দেশে চলমান তেল সংকট ও পেট্রল পাম্পে দীর্ঘ লাইন নিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, জ্বালানি সরবরাহ সচল রয়েছে। তবে ইরান সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে জনমনে ভীতি তৈরি হওয়ায় ‘প্যানিক বায়িং’ বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা বেড়েছে। এর ফলে পাম্পগুলোতে ভিড় এবং দ্রুত তেল শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এছাড়া গ্রীষ্মকালীন বিদ্যুৎবিভ্রাট সামাল দিতে সরকার ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


সংসদে ১৩৩ অধ্যাদেশের মহাযজ্ঞ! ৯৮টি পাস, বাতিল হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৯:৪৭:৫৪
সংসদে ১৩৩ অধ্যাদেশের মহাযজ্ঞ! ৯৮টি পাস, বাতিল হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আজ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নীতি-নির্ধারণী মুহূর্তের সাক্ষী হলো দেশ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট আজ সংসদে পেশ করা হয়েছে। এই রিপোর্টটি উপস্থাপন করেন ১৩ সদস্যের বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।

বিশেষ কমিটির এই রিপোর্টে ১৩৩টি অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপান্তর, সংশোধন এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে সরাসরি বাতিল বা রহিতকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো ধরণের পরিবর্তন ছাড়াই হুবহু বিল আকারে সংসদে উত্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৫টি অধ্যাদেশ বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছুটা সংশোধন করে পেশ করার জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি।

তবে ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে কমিটির ভেতরেই মতভেদ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করে পরবর্তীতে অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল হিসেবে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪টি অধ্যাদেশ সরাসরি রহিতকরণ বা বাতিলের জন্য দ্রুত বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই ২০টি অধ্যাদেশের বিষয়ে বিশেষ কমিটির বিরোধী দলের তিন সদস্য—মুজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান ও জি এম নজরুল ইসলাম ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত পোষণ করেছেন।

যে ১৬টি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে আসছে না এবং ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাইয়ের তালিকায় রাখা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় রয়েছে। যেমন—গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫। এছাড়াও রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন অধ্যাদেশ, তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং মাইক্রো ফাইনান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ-২০২৬-কেও অধিকতর শক্তিশালী করার তালিকায় রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, ৪টি অধ্যাদেশ সরাসরি রহিতকরণ ও হেফাজতের জন্য সংসদে বিল আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে—জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ-২০২৪, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬।

জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে গঠিত এই শক্তিশালী বিশেষ কমিটিতে আরও উপস্থিত ছিলেন মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, নূরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান, ওসমান ফারুক, মাহবুব উদ্দিন, আব্দুল বারী, নওশাদ জমির এবং ফারজানা শারমীন। জয়নুল আবেদীন আজ জাতীয় সংসদে এই বিশেষ কমিটির রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এসব বিশাল সংখ্যক অধ্যাদেশের চূড়ান্ত ভাগ্য এখন জাতীয় সংসদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে।

/আশিক


আদানির চুক্তি এখন ‘গলার কাঁটা’! বড় অ্যাকশনে যাচ্ছে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৯:৩৭:০৯
আদানির চুক্তি এখন ‘গলার কাঁটা’! বড় অ্যাকশনে যাচ্ছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে করা আলোচিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিকে ‘গলার কাঁটা’ হিসেবে অভিহিত করে তা পুনর্বিবেচনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি জানান, অস্বাভাবিক শর্ত ও উচ্চমূল্যের কারণে ২০১৭ সালে সম্পাদিত এই চুক্তিটি এখন দেশের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী জানান, চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি তাদের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ শেষ করেছে। কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা এই চুক্তিতে বিদ্যুতের দাম দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অনেক বেশি ধরা হয়েছে।

এই সংকট সমাধানে সরকার এখন দুটি পথ খোলা রেখেছে: প্রথমত, আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হওয়া অথবা আদানির সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে শর্ত সংশোধন ও দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। জাতীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দেশের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৫ বছর মেয়াদি এই চুক্তির শুরু থেকেই স্বচ্ছতা ও উচ্চমূল্য নিয়ে জনমনে তীব্র বিতর্ক ছিল। ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির কেন্দ্র থেকে বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে, তবে বর্তমান সরকারের এই পদক্ষেপ চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

/আশিক


সংসদে বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৯:৩২:০০
সংসদে বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার চেয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অধিবেশন চলাকালে একটি ইংরেজি দৈনিকের সংবাদের সূত্র ধরে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, ওই সংবাদে দেখা গেছে—সংসদে উপস্থিত একজন সংসদ সদস্য ওয়াজ মাহফিলে তাঁর এবং আরও দুজন নারী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অত্যন্ত 'কদাকার ও কুৎসিত' ভাষা ব্যবহার করেছেন। তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, "এই সংসদে উপস্থিত আমি এবং আমার আরও দুজন নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধে যে ধরণের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, আমি এ বিষয়ে আপনার কাছে বিচার চাইছি।" স্পিকারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

/আশিক


মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১২:৫৭:০৬
মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সব দোকান, শপিংমল ও বাণিজ্যিক বিতান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে দেশে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে সহযোগিতা করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আজ থেকেই ঢাকাসহ সারা দেশের সব বিপণিবিতান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে হোটেল, ফার্মেসি, কাঁচাবাজার এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকানগুলো এই নিয়মের আওতাবহির্ভূত থাকবে।

/আশিক


সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১১:৫৩:৩১
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, জ্বালানি সাশ্রয় এবং কর্মপরিবেশ উন্নত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়–এর নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে, যা সরকারি কর্মসংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা স্বাক্ষর করেন মোসা. তানিয়া ফেরদৌস, যিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বৃহস্পতিবার জারি করা নোটিশে জানানো হয়, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিজ নিজ অফিস কক্ষে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই সময়সীমাকে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, দাপ্তরিক কর্মসূচি এমনভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে নির্দিষ্ট এই সময় বাধাগ্রস্ত না হয়। মূল উদ্দেশ্য হলো অফিস শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং কর্মদিবসের শুরুতে সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

নির্দেশনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক আলো ব্যবহার সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা জ্বালানি খরচ কমাতে সহায়ক হবে।

অফিস চলাকালীন প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কক্ষ ত্যাগের সময় সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুমসহ অন্যান্য স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস শেষে সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অফিস কক্ষ, করিডোর, সিঁড়ি এবং টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা কর্মপরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই নির্দেশনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রতিটি দপ্তর ও সংস্থাকে ভিজিল্যান্স টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই টিম নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে।

-রফিক


স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কী কী লাগবে? জেনে নিন নিবন্ধনের সহজ ধাপ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১১:১৫:৫২
স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কী কী লাগবে? জেনে নিন নিবন্ধনের সহজ ধাপ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের জিডিপিতে কৃষির অনবদ্য ভূমিকা থাকলেও দীর্ঘকাল কৃষকদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের অভাব ছিল। সেই অভাব পূরণে বর্তমান সরকার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে চালু হতে যাচ্ছে আধুনিক ‘ডিজিটাল কৃষি কার্ড’। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ৮ বিভাগের ১১টি উপজেলার ১১টি স্থানে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। প্রথম ধাপে ২০ হাজার কৃষক এই সুবিধার আওতায় আসছেন, যেখানে কার্ডধারী কৃষকরা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন।

কৃষি কার্ডে মিলবে ১০ ধরনের মেগা সুবিধা

১. সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ সহায়তা।

২. মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সংগ্রহ।

৩. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে কৃষিঋণ।

৪. শস্য ও কৃষি বিমার বিশেষ সুবিধা।

৫. সরকারি কৃষি প্রণোদনা সরাসরি গ্রহণ।

৬. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা নিশ্চিতকরণ।

৭. উৎপাদিত ফসল সরাসরি সরকারের কাছে বিক্রির সুযোগ।

৮. আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে বিশেষ সহায়তা।

৯. উন্নত চাষাবাদের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ।

১০. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার দরের আগাম পূর্বাভাস।

নিবন্ধন ও কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া

স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের এনআইডির কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সচল মোবাইল নম্বর, জমির দলিল (বা বর্গা চাষের প্রমাণপত্র) এবং ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রয়োজন হবে। কার্ড পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার (SAAO) সাথে যোগাযোগ করে প্রাথমিক তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পরবর্তীতে তথ্য যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে এই স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হবে।

সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই কার্ডটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। কার্ডের জন্য কারো সাথে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য কৃষকদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রান্তিক কৃষকদের আশা, এই কার্ডের সঠিক বাস্তবায়ন হলে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন বিপ্লব সূচিত হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: