জুলাই আন্দোলন দমনে পুলিশ সারাদেশে ৩ লাখের বেশি গুলি ছুড়েছিল

২০২৫ সেপ্টেম্বর ২৯ ২০:৫৭:৫৬
জুলাই আন্দোলন দমনে পুলিশ সারাদেশে ৩ লাখের বেশি গুলি ছুড়েছিল
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ/ফাইল ছবি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে তৎকালীন পুলিশ সারাদেশে ৩ লাখ ৫ হাজার ১১ রাউন্ড গুলি ছুড়েছিল। এর মধ্যে শুধু রাজধানী ঢাকা শহরেই ব্যবহার করা হয়েছিল ৯৫ হাজার ৩১৩ রাউন্ড গুলি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সর্বশেষ সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দি গ্রহণ শেষে শুনানি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত প্যানেলে এই জবানবন্দি দেওয়া হয়।

ব্যবহৃত মারণাস্ত্র ও নির্দেশনার অভিযোগ

তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর বলেন, তার তদন্তকালে তিনি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার ওপর ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি সংক্রান্ত ২২৫ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন পান। এতে দেখা যায়, এলএনজি, চাইনিজ রাইফেল, শর্টগান, রিভলবার ও পিস্তলসহ বিভিন্ন ধরনের মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

আলমগীর জানান, তিনি ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা ও নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনও পেয়েছেন। এছাড়া র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহার সংক্রান্ত প্রতিবেদন পান গত ১৪ জানুয়ারি।

তদন্ত কর্মকর্তা জবানবন্দিতে অভিযোগ করেন, পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং রাজসাক্ষী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন গত বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে আন্দোলন দমনে শান্তিপূর্ণ ছাত্র-জনতার ওপর ব্যাপক মাত্রায় প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন।


ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন

২০২৬ মে ১৭ ১২:৫৭:২২
ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন
ছবি : সংগৃহীত

আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে সফলভাবে চলমান রাষ্ট্রীয় হামের টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘ফৌজদারি অবহেলা’ আখ্যা দিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একই সাথে ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই জনস্বার্থমূলক রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘ আড়াই দশক ধরে চলে আসা হামের টিকাদান কর্মসূচিকে হঠাৎ করে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে বেসরকারি বা প্রাইভেট খাতে দেওয়ার একটি অশুভ ও অপরাধমূলক প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল।

এই হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে দেশে আবারও নতুন করে হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যার ফলে ইতিমধ্যে শতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এবং বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম জানান, এই জাতীয় স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের পেছনে যাদের অবহেলা ও সম্পৃক্ততা রয়েছে, তা উদঘাটনে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা জরুরি।

রিটে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ (ডিজিএইচএস) সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, নূরজাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আরজি জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল একই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই রিট দায়ের করা হলো বলে নিশ্চিত করেছেন পিটিশনার।

/আশিক


১৩ বছর পর কাঠগড়ায় দীপু মনি: শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার শুরু আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে

২০২৬ মে ১৪ ১২:১২:০৯
১৩ বছর পর কাঠগড়ায় দীপু মনি: শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার শুরু আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে
ছবি : সংগৃহীত

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং সাংবাদিক দম্পতি ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে কড়া নিরাপত্তায় কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে আজ এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ৭ মে প্রসিকিউশন পক্ষ দীপু মনিসহ এই তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করার আবেদন জানালে আদালত আজ তাঁদের হাজির করার দিন ধার্য করেছিলেন।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ট্রাইব্যুনালে জানান, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার সময় তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানকে বৈধতা দিতে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে ভূমিকা রেখেছিলেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু তাঁদের টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে এই সমাবেশকে উসকানিমূলক হিসেবে প্রচার করে গণহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন এবং আগামী ৭ জুন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

এই মামলায় বর্তমানে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হয়েছিলেন। তদন্ত সংস্থা এখন পর্যন্ত ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই বিপুল সংখ্যক নিহতের ঘটনাকেই মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনাল বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

/আশিক


গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

২০২৬ মে ১১ ১১:৪৮:২২
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

গর্ভের অনাগত সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশ করাকে অসাংবিধানিক এবং নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে এক যুগান্তকারী রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার (১১ মে) এই পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেন। রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছেন যে, ভ্রূণের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা ও সামাজিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, যা মানুষের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের অনৈতিক চর্চা বন্ধে কার্যকর মনিটরিং ও জবাবদিহিতার অভাব ছিল। শুধুমাত্র নির্দেশিকা জারি করাই যথেষ্ট নয়; বরং কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও ডিজিটাল নজরদারি ছাড়া এই চর্চা বন্ধ করা সম্ভব নয়। আদালত মনে করেন, লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের (১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২) সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। এই ডাটাবেজে নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সব রিপোর্ট সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। আদালত এই নির্দেশনাকে ‘কনটিনিউয়াস ম্যানডামাস’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যার অর্থ হলো এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত নিয়মিত তদারকি করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে আইনজীবী ইশরাত হাসানের দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় এল। রায়ে আদালত ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে বলেন যে, উন্নত সমাজ গঠনে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

/আশিক


জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়

২০২৬ মার্চ ০৯ ১৭:১৯:৩৫
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আইনজীবী সাইমুম রেজা তালুকদার। আজ সোমবার (৯ মার্চ) তিনি চিফ প্রসিকিউটর বরাবর নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জমা দেন। চিফ প্রসিকিউটর তাঁর এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।

ব্যক্তিগত কারণ এবং নিজের আগের পেশায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে সাইমুম রেজা তালুকদার বলেন, মূলত শিক্ষকতা বা পূর্বের পেশাগত জীবনে ফেরার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ নেই। গত রবিবার ছিল ট্রাইব্যুনালে তাঁর শেষ কর্মদিবস। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার পতনের পর ৮ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগের আগে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাইমুম রেজা তালুকদার রামপুরা, লক্ষ্মীপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় এই পদে নিয়োগ দিয়েছিল, যার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি গত কয়েক মাস আইনি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এদিকে সাইমুম রেজা তালুকদারের বিদায়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমে নতুন করে আরও দুইজন প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন মর্জিনা রায়হান মদিনা ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

/আশিক


মির্জা আব্বাসকে ‘গডফাদার’ বলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

২০২৬ মার্চ ০৮ ১১:৩৩:৫৪
মির্জা আব্বাসকে ‘গডফাদার’ বলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে এই আবেদন জমা দেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই বিবাদী একের পর এক মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে আসছেন।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এবং সেই নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত হন। অভিযোগ রয়েছে যে, নির্বাচনের সময় থেকেই তিনি মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবমাননাকর ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন।

তবে নির্বাচনে পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে তাঁর এই অপপ্রচার ও হুমকির মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ ফেসবুকে এবং বেশ কিছু অনলাইন নিউজ মিডিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয় যেখানে তিনি মির্জা আব্বাসকে 'বাংলাদেশের ক্রিমিনাল র‍্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আবেদনে বাদী দাবি করেছেন যে, মির্জা আব্বাসের মতো একজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও নিন্দনীয় বক্তব্য তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। এই বক্তব্যগুলো ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হওয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে মির্জা আব্বাসের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অভিযুক্তের এমন আচরণ সব ধরনের শিষ্টাচার ও সভ্য সমাজের রীতিনীতি বহির্ভূত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। মির্জা আব্বাস ও মামলার বাদী নিজে এই ঘটনায় বিস্মিত ও সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন যাতে ইচ্ছাকৃতভাবে মানহানি করার এই কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।

/আশিক


দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর

২০২৬ মার্চ ০৫ ১৬:০৪:১৪
দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর
ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন, আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির করেন আইনজীবী আসলাম মিয়া। পরে তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। ওইদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

/আশিক


টিউলিপকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৬ ১৭:২২:০৭
টিউলিপকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ
ছবি : সংগৃহীত

ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি এবং ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই নজিরবিহীন আদেশ প্রদান করেন।

এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর শুনানিতে জানান যে, টিউলিপ সিদ্দিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই আবাসন কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের কাছ থেকে অবৈধ পারিতোষিক হিসেবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণ করেছেন। হস্তান্তরযোগ্য নয় এমন একটি প্লটে ওই কোম্পানিকে বহুতল ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি এই ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয় যে, টিউলিপ সিদ্দিক এই মামলার আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগেই দেশত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ সিদ্দিকসহ রাজউকের সাবেক দুই আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুলশানের একটি সংরক্ষিত প্লট জালিয়াতি ও ফ্ল্যাট ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে দুদক। ১৯৬৩ সালের সরকারি লিজ চুক্তি অনুযায়ী যে প্লটটি ৯৯ বছরের মধ্যে হস্তান্তর বা বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল, সেই প্লটেই অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে এই ব্রিটিশ এমপির বিরুদ্ধে এবার আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পথে হাঁটল আদালত।

/আশিক


১৭ বছর পর নতুন মোড়: বিডিআর মামলায় এবার আসামি শেখ হাসিনা

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১২:০৮:৩২
১৭ বছর পর নতুন মোড়: বিডিআর মামলায় এবার আসামি শেখ হাসিনা
ছবি : সংগৃহীত

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক মামলায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। এবার এই মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মির্জা আজমসহ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) বোরহান উদ্দিন গণমাধ্যমকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন জানান, বিস্ফোরক মামলার দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ২০০ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সাক্ষীর জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তৎকালীন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল। তিনি আরও জানান, সাক্ষীদের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

২০০৯ সালের সেই অভিশপ্ত দিনে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলাটি এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায় ৮৫০ জন আসামির এই মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে আছে। উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন। ১৭ বছর পর নতুন করে শীর্ষ নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

/আশিক


২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৩:৪৫:০৩
২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
ছবি: সংগৃহীত

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট কয়েকটি সড়ক ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপত্তা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে।

শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রোড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। অন্য কোনো পথ দিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর বা চাঁনখানপুল হয়ে বের হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জনসমাগম সুশৃঙ্খল থাকে।

নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা সন্দেহজনক বস্তু বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বিদেশি কূটনীতিকদের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সর্বসাধারণের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করা হবে।

তিনি আরও জানান, দিবসটি ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারিতে থাকবেন। বিশেষায়িত ইউনিট যেমন সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মোবাইল নজরদারি টিমের মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, যাতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন থাকে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

প্রশাসন সকলকে নির্দেশনা মেনে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত: