চ্যাটবটের সঙ্গে ভুলেও শেয়ার করবেন না যে ১০টি তথ্য

চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবট এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ই-মেইল লেখা, তথ্য খোঁজা কিংবা মন খুলে কথা বলার মতো অনেক কাজেই এআই ব্যবহার হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই ভরসার আড়ালে লুকিয়ে আছে নানা ঝুঁকি।
তাদের দাবি, চ্যাটবটের সঙ্গে করা আপনার সব আলাপই গোপন নয়। কারণ, ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্যগুলো সংরক্ষিত, বিশ্লেষিত বা ভবিষ্যতে ফাঁসও হতে পারে। তাই কিছু সংবেদনশীল বিষয় কখনোই চ্যাটবটের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়।
যে ১০টি তথ্য চ্যাটবটের সঙ্গে শেয়ার করবেন না
১. ব্যক্তিগত তথ্য: আপনার পূর্ণ নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর বা ই-মেইল ঠিকানা কখনোই চ্যাটবটে দেবেন না। এই তথ্যগুলো একসাথে করলে সহজেই আপনার পরিচয় শনাক্ত করা যায়, যা প্রতারণা, ফিশিং বা ট্র্যাকিংয়ের ঝুঁকি তৈরি করে।
২. গোপন কথা বা স্বীকারোক্তি: একাকিত্ব কাটাতে অনেকেই চ্যাটবটের সঙ্গে মন খুলে কথা বলেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এআই কোনো বন্ধু বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নয়। আপনার বলা কথা সংরক্ষিত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহার বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ফাঁস হতে পারে।
৩. কর্মস্থলের গোপনীয় তথ্য: অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন তথ্য, নথিপত্র বা ব্যবসায়িক কৌশল কখনোই চ্যাটবটে পেস্ট করা উচিত নয়। চ্যাটবট ইনপুট ব্যবহার করে নিজেকে উন্নত করে, ফলে আপনার শেয়ার করা তথ্য বাইরে চলে যেতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
৪. আর্থিক তথ্য: ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ বা সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরের মতো সংবেদনশীল আর্থিক তথ্য সাইবার অপরাধীদের কাছে মূল্যবান। এসব তথ্য চ্যাটবটে দিলে তা চুরি বা অপব্যবহারের শিকার হতে পারে।
৫. স্বাস্থ্য বা চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য: এআই চ্যাটবট চিকিৎসক নয় এবং ভুল তথ্যও দিতে পারে। আপনার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য, প্রেসক্রিপশন বা চিকিৎসার ইতিহাস শেয়ার করলে তা চুরি হয়ে যেতে পারে। স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সব সময় একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৬. অশ্লীল বা আপত্তিকর বিষয়বস্তু: অনেক চ্যাটবট আপত্তিকর বিষয়বস্তু শনাক্ত করে ব্লক করলেও, আপনার লেখাগুলো রেকর্ড হয়ে যেতে পারে। অশ্লীল বা বেআইনি বিষয়বস্তু শেয়ার করলে আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা থাকে।
৭. পাসওয়ার্ড: কোনো চ্যাটবটের সঙ্গেই আপনার পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন না, এমনকি কথার ছলেও নয়। এটি আপনার ই-মেইল, ব্যাংক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের জন্য একটি নিরাপদ পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।
৮. আইনি জটিলতা: চুক্তি, মামলা-মোকদ্দমা বা আইনি বিবাদের মতো বিষয়ে চ্যাটবটের পরামর্শ নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। চ্যাটবট ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারে, যা ভবিষ্যতে আপনার জন্য আইনি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
৯. সংবেদনশীল ছবি বা নথি: পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা ব্যক্তিগত ছবির মতো সংবেদনশীল নথি কখনোই চ্যাটবটে আপলোড করবেন না। ডিলিট করে দিলেও এসব ফাইলের ডিজিটাল চিহ্ন থেকে যেতে পারে।
১০. যা আপনি অনলাইনে দেখতে চান না: যদি আপনি না চান যে আপনার বলা কোনো কথা ভবিষ্যতে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ুক, তাহলে সেটা চ্যাটবটকে বলবেন না। চ্যাটবটের আলাপ অনেক সময় গোপন থাকে না এবং ভবিষ্যতে তা ব্যবহৃত হতে পারে। তাই এআই চ্যাটবটের সঙ্গে আলাপকালে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
চাঁদে এবার চীনের রোবট সেনা: যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে হিউম্যানয়েড প্রযুক্তির চমক
চাঁদ জয়ের দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলতে এবার এক অনন্য হিউম্যানয়েড রোবট উন্মোচন করেছে চীন। হংকং ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানীদের তৈরি এই রোবটটি মূলত ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর চীনা মহাপরিকল্পনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ২০২৯ সালের ‘চাং-ই-৮’ অভিযানে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন ও স্থাপনের জটিল কাজগুলো সম্পন্ন করবে।
প্রায় ১০০ কেজি ওজনের এই রোবটটির উপরের অংশ মানুষের মতো হলেও নিচের অংশে রয়েছে চার চাকার বিশেষ মডিউল, যা সৌরশক্তিতে চলবে। এটি উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পন্ন, যার ফলে রোবটটি নিজে থেকেই বস্তু শনাক্ত করতে এবং সেটির গতিবিধি অনুসরণ করতে পারবে। কাজের শুরুতেই নিজের পরিকল্পনা নিজে সাজানোর সক্ষমতা থাকায় এটি চাঁদের বন্ধুর পরিবেশে নভোচারীদের আগেই যন্ত্রপাতি সাজিয়ে রাখার কাজ করবে।
মহাকাশ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নাসা তাদের ‘আর্টেমিস ফোর’ অভিযানের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্য নিলেও কারিগরি জটিলতা ও স্পেস এক্স-এর স্টারশিপ প্রজেক্টের ধীরগতি যুক্তরাষ্ট্রকে পিছিয়ে দিচ্ছে। নাসার সাবেক প্রশাসক জিম ব্রাইডেনস্টাইনও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুত অগ্রগতি না হলে চাঁদে মানুষ পাঠানোর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনের পেছনে পড়ে যেতে পারে। চীনের এই রোবট প্রযুক্তি সেই সংকেতই দিচ্ছে।
/আশিক
কেন দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে আপনার শখের আইফোন? ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না
বর্তমান সময়ে আইফোন কেবল উচ্চবিত্তের শৌখিন সামগ্রী নয়, বরং সহজলভ্যতার কারণে অনেক সাধারণ ব্যবহারকারীর হাতেও এই ডিভাইসটি দেখা যাচ্ছে। তবে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহে আইফোন ব্যবহারকারীদের একটি বড় দুঃশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিভাইসের অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া বা ওভারহিটিং সমস্যা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই কৌতুক করে ফোন ঠান্ডা করতে ফ্রিজে রাখার পরামর্শ দিলেও, বাস্তবে এমন কাজ ফোনের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে। মূলত অতিরিক্ত তাপমাত্রা ফোনের কার্যক্ষমতা বা পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয় এবং ব্যাটারি স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আইফোন অতিরিক্ত গরম হওয়ার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। সরাসরি সূর্যের আলো বা তীব্র রোদে দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহার করলে এর তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ফোনে চার্জ থাকা অবস্থায় একটানা গেম খেলা বা ভারী কোনো অ্যাপ ব্যবহার করলে প্রসেসরের ওপর চাপ পড়ে, যা ডিভাইসটিকে উত্তপ্ত করে তোলে। পাশাপাশি ফোনে একসঙ্গে ব্লুটুথ, জিপিএস, ওয়াইফাই এবং উচ্চ গ্রাফিক্সের গেম বা অ্যাপ চালু থাকলেও হিটিং সমস্যা প্রকট হতে পারে। মূলত ডিভাইসের হার্ডওয়্যার যখন অতিরিক্ত প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে, তখনই তাপ উৎপন্ন হয়।
ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমত, ডিভাইসটি উত্তপ্ত অনুভূত হলে দ্রুত সেটিকে সরাসরি রোদের আড়াল করে কোনো ঠান্ডা বা ছায়াযুক্ত স্থানে সরিয়ে রাখুন। ফোনের সাথে যদি খুব মোটা বা ভারী কোনো কাভার ব্যবহার করেন, তবে সেটি খুলে ফেলুন; কারণ ভারী কাভার ফোনের অভ্যন্তরীণ তাপ বের হতে বাধা দেয়। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপগুলো বন্ধ করে দিন এবং প্রয়োজনে 'লো পাওয়ার মোড' চালু করুন, যা ফোনের প্রসেসিং গতি কমিয়ে তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
তবে ফোন ঠান্ডা করার ক্ষেত্রে কিছু প্রচলিত ভুল পদ্ধতি এড়িয়ে চলা একান্ত প্রয়োজন। ফোন কখনোই ফ্রিজে রাখা বা পানিতে ভেজানো যাবে না; এতে ডিভাইসের ভেতরে জলীয় বাষ্প জমে সার্কিট নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া ফোন গরম থাকা অবস্থায় সরাসরি চার্জে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ চার্জিং প্রক্রিয়া নিজেই তাপ উৎপন্ন করে যা বিপদজনক হতে পারে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং সচেতনতাই পারে আপনার মূল্যবান আইফোনটিকে ওভারহিটিং সমস্যা থেকে সুরক্ষিত রাখতে।
/আশিক
স্ক্রিন আসক্তিতে বাড়ছে মানসিক অস্থিরতা: সুস্থ থাকতে আজই বদলান এই অভ্যাস
সকালের শুরুটা এখন অনেকের জন্য একই—ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে ফোন, তারপর মেসেজ, নোটিফিকেশন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তহীন স্ক্রল। দিন শেষে এর পরিণাম চোখ জ্বালা, মাথা ভার আর অকারণ অস্থিরতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তি থেকে পুরোপুরি দূরে থাকা বর্তমানে সম্ভব না হলেও, সচেতন অভ্যাসের মাধ্যমে এই ডিজিটাল ক্লান্তি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
১. দিনের শুরু হোক প্রযুক্তিহীন
ঘুম থেকে উঠেই ফোন ধরার অভ্যাসটি আজই ত্যাগ করুন। দিনের প্রথম এক ঘণ্টা নিজের জন্য রাখুন। হালকা ব্যায়াম, জানালার আলো উপভোগ করা বা এক কাপ চা দিয়ে দিন শুরু করলে মন শান্ত থাকে এবং কর্মস্পৃহা বাড়ে।
২. ২০-২০-২০ নিয়ম ও কাজের বিরতি
দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। তাই প্রতি ৩০–৪০ মিনিট পর কয়েক মিনিটের বিরতি নিন। চোখের চিকিৎসকদের মতে, প্রতি ২০ মিনিট অন্তর ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকলে চোখের পেশি শিথিল হয়।
৩. নোটিফিকেশনের দাসত্ব থেকে মুক্তি
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। বারবার ফোন চেক করার প্রবণতা কমলে মনোযোগ বাড়ে এবং অকারণ মানসিক চাপ কমে যায়। ফোনকে আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখুন, আপনি ফোনের নিয়ন্ত্রণে যাবেন না।
৪. ডিজিটাল ডিটক্স ও ঘুম
ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ বন্ধ করে দিন। স্ক্রিনের নীল আলো বা 'ব্লু লাইট' মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ কমিয়ে ঘুমের মান নষ্ট করে। এর বদলে বই পড়ার অভ্যাস শরীর ও মনকে গভীর ঘুমের জন্য প্রস্তুত করবে।
৫. অফলাইন সংযোগের গুরুত্ব
অনলাইনের ভার্চুয়াল জগতের বাইরেও একটি সুন্দর জীবন আছে। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই বাস্তব সংযোগগুলোই প্রকৃত প্রশান্তি এনে দেয়।
৬. ডিভাইসমুক্ত এলাকা (No-Device Zone)
শোবার ঘর বা ডাইনিং টেবিলের মতো নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ করুন। এটি জীবনে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য তৈরি করবে এবং ডিজিটাল আসক্তি কমাতে সাহায্য করবে। সচেতন ব্যবহারই পারে আমাদের জীবনকে আরও সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলতে।
/আশিক
অ্যাপ নামালেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাফ! সাইবার দস্যুদের নতুন কৌশলে দিশেহারা মানুষ
ডিজিটাল নিরাপত্তার চরম সংকটে সাধারণ মানুষ। গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার ইউনিট জানিয়েছে, হ্যাকাররা এখন ‘রিমোট কন্ট্রোল’ ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে মানুষের ফোনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে। প্রতারকরা সাধারণত ফোনে একটি আকর্ষণীয় এসএমএস বা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে বিশেষ কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করতে প্ররোচনা দেয়।
ওই অ্যাপটি ফোনে ইনস্টল করার সাথে সাথেই ফোনের স্ক্রিন কালো বা ‘ব্ল্যাক’ হয়ে যায়। ব্যবহারকারী কোনো বাটন চেপে ফোনটি সচল করতে পারেন না, আর ঠিক এই সুযোগেই হ্যাকাররা ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে ওটিপি (OTP) ও পাসওয়ার্ড হাতিয়ে টাকা সরিয়ে নিচ্ছে।
অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখে ‘এনবি’ নামের একটি অ্যাপ ডাউনলোড করেছিলেন পিংকি নামের এক নারী। অ্যাপটি ইনস্টল করার পরপরই তার ফোন হ্যাং হয়ে স্ক্রিন ব্ল্যাক হয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার ফোনে মেসেজ আসে যে, তার অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েক লাখ টাকা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হয়েছে।
একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বেসরকারি চাকরিজীবী সৌম্য কান্তি দাশ। তিনি জানান, তার স্কাই ব্যাংকিং অ্যাপে ঢোকার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ফোন ব্ল্যাক হয়ে যায় এবং স্ক্রিনে ‘সিস্টেম আপডেটিং’ লেখা দেখায়। কোনো বাটন কাজ না করায় তিনি কিছুই করতে পারেননি, আর এই সময়ের মধ্যেই তার অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ টাকা ট্রান্সফার করে নেয় হ্যাকাররা।
ডিএমপির সাইবার ইউনিটের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সৈয়দ হারুন অর রশীদ জানান, হ্যাকাররা এমনভাবে ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে যে, ব্যাংকিং সিস্টেমে মনে হয় ব্যবহারকারী নিজেই লেনদেন করছেন। তদন্তে দেখা গেছে, এই চুরির টাকা দেশের বিভিন্ন ব্যাংকিং চ্যানেলে ঘুরে প্রতারক চক্রের অন্য অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে।
পুলিশের ধারণা, এই শক্তিশালী হ্যাকিং চক্রের কার্যক্রম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে চীন পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। চক্রটিকে শনাক্ত করতে সাইবার ইউনিট বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
সাইবার বিশেষজ্ঞ মুশফিকুর রহমান সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছেন, গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর ছাড়া অন্য কোনো অপরিচিত ওয়েবসাইট বা থার্ড পার্টি সোর্স থেকে কখনোই অ্যাপ ডাউনলোড করা উচিত নয়। বিশেষ করে যারা ফোনে নিয়মিত ব্যাংকিং লেনদেন করেন, তাদের ফোনে কোনো ধরনের ‘ফ্রি গেম’ বা ‘ফ্রি অ্যাপ’ না রাখাই ভালো। যদি ভুলবশত কোনো সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক হয়ে যায় বা স্ক্রিন ব্ল্যাক হতে শুরু করে, তবে বিলম্ব না করে দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ (ওয়াইফাই বা ডেটা) বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টি ফোর
৫ মিনিটে ইন্টারনেটের স্পিড দ্বিগুণ করার উপায়: রাউটার রাখুন সঠিক জায়গায়
দামী ইন্টারনেট প্যাকেজ বা হাই-কনফিগারেশনের রাউটার কিনলেই ইন্টারনেটের গতি ভালো পাওয়া যাবে—এমন ধারণা সবসময় সঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাউটার বসানোর জায়গাটিই এখানে মূল ফ্যাক্টর। ওয়াইফাই সিগন্যাল মূলত রেডিও ওয়েভ, যা চোখে দেখা না গেলেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় বাধাগ্রস্ত হয়। দূরত্ব, দেয়াল, আসবাবপত্র বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের কারণে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়ে, যা আপনার ব্রাউজিং বা গেমিং এক্সপেরিয়েন্সকে ধীর করে দেয়।
যেসব জায়গায় রাউটার রাখা ইন্টারনেটের জন্য ‘বিষ’
১. টিভির পেছনে বা খুব কাছে
স্মার্ট টিভির ধাতব অংশ ওয়াইফাই সিগন্যালকে শুষে নেয়। টিভির পাশে বা পেছনে রাউটার রাখলে সিগন্যাল ড্রপ হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
২. বন্ধ আলমারি বা ড্রয়ারের ভেতর
ঘরের সৌন্দর্য রক্ষায় আমরা অনেকেই রাউটারকে ক্যাবিনেট বা আলমারির ভেতর লুকিয়ে রাখি। এতে সিগন্যাল ঠিকমতো ছড়াতে পারে না।
৩. অন্য তলায় বা মেঝেতে
ওয়াইফাই সিগন্যাল সাধারণত ওপর থেকে নিচে ছড়ায়। তাই মেঝেতে বা কার্পেটের ওপর রাউটার রাখলে এর অর্ধেক সিগন্যাল মেঝেই শুষে নেয়।
৪. অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের পাশে
ওভেন, মাইক্রোওয়েভ বা ব্লুটুথ ডিভাইস যেসব ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে, তা ওয়াইফাই সিগন্যালে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়।
সিগন্যাল শক্তিশালী করার গোপন কৌশল
রাউটার রাখার আদর্শ জায়গা হলো ঘরের একদম মাঝখানের কোনো একটি উঁচু এবং খোলা জায়গা। বিশেষজ্ঞরা রাউটারকে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় ফুট উচ্চতায় কোনো সেলফে রাখার পরামর্শ দেন। জানালা বা দরজার খুব কাছে রাউটার রাখবেন না, কারণ এতে সিগন্যাল ঘরের বাইরে চলে যায়। আর যদি রাউটারে একাধিক অ্যান্টেনা থাকে, তবে সেগুলো ভিন্ন ভিন্ন দিকে (একটি সোজা, অন্যটি কাত করে) মুখ করে রাখলে ঘরের কোণায় কোণায় সমানভাবে ইন্টারনেট পৌঁছাবে।
সূত্র: জিও নিউজ
চ্যাটজিপিটি কি অপরাধ শেখায়? সাম্প্রতিক বিতর্ক ও আসল সত্য জেনে নিন
চ্যাটজিপিটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় প্রযুক্তি টুল হলেও এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে রয়েছে কিছু অলঙ্ঘনীয় সুরক্ষা দেয়াল। বিশেষ করে অপরাধ ও সহিংসতা সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নে চ্যাটজিপিটি সরাসরি উত্তর দিতে অস্বীকার করে।
যেসব তথ্য সরাসরি মানুষের শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি করতে পারে, সেই ধরনের কোনো নির্দেশনা এই এআই থেকে পাওয়া সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চ্যাটজিপিটির সহায়তা নিয়েছিল এমন খবর আসার পর সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে যে, এআই কি তবে অপরাধেও সাহায্য করছে? বাস্তবতা হলো, চ্যাটজিপিটির প্রোগ্রামিং এমনভাবে করা হয়েছে যাতে এটি অস্ত্র তৈরি, বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার বা আত্মহানির মতো বিপজ্জনক বিষয়ে কোনো তথ্য প্রদান না করে। বরং এমন কোনো ইনপুট পেলে এটি ব্যবহারকারীকে সতর্কতা বা পেশাদার সহায়তার পরামর্শ দেয়।
নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বা ‘প্রাইভেসি’র ক্ষেত্রেও চ্যাটজিপিটি অত্যন্ত কঠোর। এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ফোন নম্বর, ঠিকানা, ব্যাংক তথ্য কিংবা পাসওয়ার্ডের মতো সংবেদনশীল ডেটা শেয়ার করে না। একইভাবে ভুয়া খবর তৈরি, কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ সাজানো কিংবা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে এমন কনটেন্ট তৈরিতেও এটি সহযোগিতা করে না। রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ভোটারদের প্রভাবিত করার কৌশল বা অপপ্রচারমূলক বার্তা তৈরির বিষয়ে চ্যাটজিপিটির ওপর বিধি-নিষেধ রয়েছে।
মূলত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই সীমাবদ্ধতাগুলো তৈরি করা হয়েছে। তবে অনেক সময় ব্যবহারকারীরা ঘুরিয়ে প্রশ্ন করে সাধারণ তথ্য সংগ্রহ করে সেটিকে অপরাধমূলক কাজে অপব্যবহার করতে পারে। এক্ষেত্রে টুলটির চেয়ে ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্যই বেশি দায়ী। তাই প্রযুক্তির এই যুগে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের যেমন সচেতন হতে হবে, তেমনি পরিবার ও শিশুদের ব্যবহারের ওপরও সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি।
সূত্র: মিডিয়াম, চ্যাটজিপিটি পলিসি
মহাবিশ্বের পঞ্চম শক্তির সন্ধান! সৌরজগতেই মিলতে পারে রহস্যময় নতুন বলের খোঁজ
মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের সামনে এখন এক নতুন দিগন্ত। পরিচিত চারটি প্রাকৃতিক শক্তির বাইরেও মহাবিশ্বে থাকতে পারে এক রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’ (Fifth Force)। নাসা ও হাঙ্গেরির বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই শক্তির অস্তিত্বের প্রমাণ হয়তো আমাদের নিজেদের সৌরজগতেই লুকিয়ে আছে।
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘকাল ধরে মহাবিশ্বের সবকিছুকে চারটি মৌলিক বল—মহাকর্ষ, তড়িৎচুম্বকত্ব, শক্তিশালী পারমাণবিক বল ও দুর্বল পারমাণবিক বল—দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। তবে ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জির মতো জটিল রহস্যগুলো এই চারটি বল দিয়ে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে না। নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী স্লাভা জি তুরিশেভ মনে করেন, সৌরজগতের ভেতরে সূক্ষ্ম ও আধুনিক পরীক্ষা চালালে এই পঞ্চম বলের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ২০১৫ সালে হাঙ্গেরির গবেষণায় পাওয়া ‘প্রোটোফোবিক এক্স বোসন’ কণা এবং সাম্প্রতিক মিউন (Muon) কণার অস্বাভাবিক আচরণ বিজ্ঞানীদের এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
গবেষকদের মতে, মহাবিশ্বের প্রসারণ এবং গ্যালাক্সিগুলো কেন নির্দিষ্ট কাঠামোতে আটকে থাকে—তার সঠিক উত্তর মিলতে পারে এই পঞ্চম বলের মাধ্যমে। তাই এখন দূরের গ্যালাক্সির পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা আমাদের আপন সৌরজগতকেই এই রহস্যভেদের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।
/আশিক
যেসব ফোনে চিরতরে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ: মেটা কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
পুরনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বড় ধরণের দুঃসংবাদ দিল জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তার স্বার্থে মেটা কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে ১০ বা ১২ বছরের পুরনো লাখ লাখ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আর হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করবে না। মূলত পুরনো অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও উন্নত নিরাপত্তা ফিচার চালানো সম্ভব নয় বলেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেটা।
মেটার সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ৬-এর আগের সব অপারেটিং সিস্টেমে হোয়াটসঅ্যাপের সাপোর্ট পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে যারা এখনও অ্যান্ড্রয়েড ৫ বা ৫.১ ভার্সন চালিত ফোন ব্যবহার করছেন, তারা এই তালিকায় সবথেকে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। ৮ সেপ্টেম্বরের পর এসব ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অকেজো হয়ে পড়বে, ফলে চ্যাট হিস্ট্রি বা মিডিয়া ফাইল হারানোর বড় ঝুঁকি তৈরি হবে। মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তারা অ্যাপে যেসব অত্যাধুনিক ফিচার ও এআই প্রযুক্তি যুক্ত করছে, তা চালানোর জন্য উন্নত হার্ডওয়্যার ও নতুন ভার্সনের সফটওয়্যার প্রয়োজন, যা পুরনো মডেলে দেওয়া সম্ভব নয়।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, যারা এখনও পুরনো ফোন ব্যবহার করছেন তারা যেন সময় শেষ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় চ্যাট ব্যাকআপ নিয়ে নতুন কোনো ডিভাইসে শিফট করে ফেলেন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে পুরনো ফোনগুলো থেকে ডেটা রিকভার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এর ফলে ৮ সেপ্টেম্বরের পর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ৬ বা তার পরবর্তী আধুনিক ভার্সনগুলোতে নির্বিঘ্নে ব্যবহার করা যাবে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
১০ হাজার সূর্যের শক্তি এক ব্ল্যাক হোলে! মহাকাশে ‘সিগনাস এক্স-১’-এর তাণ্ডব
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রায় ছয় দশক আগে আবিষ্কৃত এক রহস্যময় দানব এবার তার শক্তির নতুন রূপ দেখাল। পৃথিবীর প্রথম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর ‘সিগনাস এক্স-১’ মহাকাশে যে কণার ধারা (জেট) ছুড়ছে, তার তেজ প্রায় ১০ হাজার সূর্যের মিলিত শক্তির সমান। সম্প্রতি কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ সাময়িকীতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন।
১৯৬৪ সালে যখন এটি প্রথম শনাক্ত হয়, তখন বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব নিয়েই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। কিন্তু বর্তমান গবেষণায় দেখা গেছে, এই ব্ল্যাক হোল থেকে নিঃসৃত জেটগুলো আলোর গতির প্রায় অর্ধেক—অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার বেগে ছুটছে। গবেষক ডক্টর স্টিভ প্রাবুর মতে, একটি ব্ল্যাক হোলে যে পরিমাণ পদার্থ প্রবেশ করে, তার প্রায় ১০ শতাংশ শক্তি এই জেটের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে আসে। এই শক্তিশালী জেটগুলো লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে এবং এদের উজ্জ্বলতা এতই তীব্র যে কণাগুলো আলোর গতির কাছাকাছি পৌঁছে প্রচণ্ড শক্তি বিকিরণ করে, যা আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বেরই বাস্তব প্রতিফলন।
পৃথিবী থেকে প্রায় ৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই কৃষ্ণগহ্বরটি আমাদের সূর্যের তুলনায় প্রায় ২১ গুণ ভারী। এটি ‘এইচডিই ২২৬৮৬৮’ নামক একটি বিশালাকার নক্ষত্রের সঙ্গে জোড়ায় অবস্থান করে এবং প্রতি ৫.৬ দিনে একবার সেই নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্ত শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, নক্ষত্র থেকে আসা বাতাসের প্রবাহ এই জেটগুলোকে ঝরনার পানির মতো বাঁকিয়ে দিচ্ছে, যা থেকে এর গতির অবিশ্বাস্য প্রভাব পরিমাপ করা সম্ভব হয়েছে। ব্ল্যাক হোলের শক্তির এই নতুন সমীকরণ মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আজ সূর্যাস্ত কখন? নামাজের সময় জানুন একনজরে
- শুভেন্দু অধিকারীর পুশব্যাক হুমকির পর বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজরদারির নির্দেশ
- এবার ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন মেগাস্টার শাকিব খান
- রামিসার মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে আজ রাতেই পল্লবীর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- আগামীকাল টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- প্রধানমন্ত্রীর কাছে জাস্টিস কার্ড চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
- চরভদ্রাসনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ পালিত
- ফেসবুকের ট্রেন্ড এবার ফিফার পাতায়: নেইমারের ছবিতে বাংলা ডায়ালগ নিয়ে তোলপাড়
- ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ: শিশু হত্যার প্রতিবাদে এককাট্টা জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা
- ঈদের ছুটিতে মেট্রোর ট্রিপ বিন্যাস ও সময়সূচি বদল
- এক বছরেই সব স্থানীয় নির্বাচন, রক্তপাত বন্ধ করাই ইসির মূল চ্যালেঞ্জ: সিইসি
- এক বছরেই সব স্থানীয় নির্বাচন, রক্তপাত বন্ধ করাই ইসির মূল চ্যালেঞ্জ: সিইসি
- ইউরেনিয়াম দেশেই থাকবে; ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রধান শর্ত উড়িয়ে দিলেন মোজতবা খামেনি
- রামিসার খুনি ২৪ ঘণ্টাতেই গ্রেপ্তার, এবার গুরুত্ব পাচ্ছে তনু হত্যা মামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল, ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
- আমি কন্যাসন্তানের বাবা, খবরটি হৃদয়বিদারক: পল্লবী ট্র্যাজেডিতে স্তব্ধ তারকা ক্রিকেটার
- সচিবালয়ে নতুন দুই মন্ত্রীর সাথে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বড় খবরের আভাস
- ২১ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২১ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- অনুমতি মিলতে লাগবে এক সপ্তাহ: বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে ইরানের নতুন শর্তের বড় ধাক্কা
- ডলার থেকে ইউরো, জেনে নিন আজকের কারেন্সি রেটের লেটেস্ট আপডেট
- পশ্চিমবঙ্গের সব মাদরাসায় এবার বাধ্যতামূলক হলো বন্দে মাতরম গান
- ধর্ষণ ও শিশু হত্যা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, দীর্ঘদিনের নৈতিক অবক্ষয়ের ফল: মির্জা ফখরুল
- পল্লবীর লোমহর্ষক শিশু হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুততম সময়ে শেষ করার ঘোষণা
- আজ বৃহস্পতিবার: ঘরের বাইরে বের হওয়ার আগে জেনে নিন ঢাকার বন্ধ মার্কেটের তালিকা
- আবহাওয়া অফিসের ১২০ ঘণ্টার বিশেষ বার্তা
- চলতি বছরেই ৬৭ বার দামের খেলা! দেশের বাজারে বাজুসের স্বর্ণের মূল্যে নতুন রেকর্ড
- আমেরিকার পর এবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- চুক্তি সইয়ের আগে ইরানের ওপর থেকে এক চুলও নিষেধাজ্ঞা কমাবে না যুক্তরাষ্ট্র
- মাছ-কার্ড বাদ দিয়ে তারেক রহমানেরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চালানো উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- রাজশাহীতে মেগা পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের ঐতিহাসিক ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- কাতার বিশ্বকাপের প্রাইজমানি এক টাকাও নিজের জন্য নেননি ফুটবল জাদুকর মেসি
- তৃতীয় বছরে মিলবে নতুন বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা: নবম পে-স্কেলের ভেতরের খবর
- কালিগঞ্জে মাত্র ৫৪০ টাকায় চাল-ডাল-তেল-চিনির মেগা প্যাকেজ দিল টিসিবি
- চরভদ্রাসন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা
- ঈদুল আজহার পশুর হাটে মূল আকর্ষণ মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের ৭৬ কেজি ওজনের দানব ছাগল
- ইরান এখন বিশ্বমঞ্চে প্রভাবশালী পরাশক্তি: মোজতবা খামেনি
- এক বছরের অপেক্ষা শেষ: চলতি সপ্তাহেই বাজারে আসছে ট্রাম্প ফোন
- মেলোনিকে মেলোডি চকলেট উপহার মোদির: রোমের বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল
- জামায়াতকে এ দেশের মানুষ কখনো ক্ষমতায় বসাবে না: মির্জা ফখরুল
- কোরবানির ঈদের মুখে বিজেপির নতুন নির্দেশিকায় বিপাকে হিন্দু খামারি ও মুসলিম ক্রেতা
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- বিদ্যুৎ খাতের নিজস্ব অনিয়ম ও অপচয়ের খেসারত দিতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের
- ৫ বার চিঠি ও ১০টি মিটিংয়েও শোনেনি অন্তর্বর্তী সরকার: ইউনিসেফ
- ৫ বার চিঠি ও ১০টি মিটিংয়েও শোনেনি অন্তর্বর্তী সরকার: ইউনিসেফ
- ২০ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২০ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পুর্নাংগ বিশ্লেষণ
- শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কুমিল্লায় সুজনের সভা: গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা
- হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরল ঐকমত্য
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিশেহারা পাকিস্তান: সিলেট টেস্টের রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় দিন
- যে ৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আশঙ্কা
- রাজধানীতে আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া
- কৃষক কার্ডে মিলবে ১০ সুবিধা, জানাল সরকার
- ঈদে বাড়ি ফেরা: ট্রেন টিকিটের নতুন আপডেট
- লিভার ফেইলিউরের সাথে লড়ে হেরে গেলেন অভিনেত্রী কারিনা কায়সার








