নিজের আমলের ফল নিজেই ভোগ করবে মানুষ: হাদিসে কুদসীর শিক্ষা

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ৩০ ০৯:৫৮:৪৬
নিজের আমলের ফল নিজেই ভোগ করবে মানুষ: হাদিসে কুদসীর শিক্ষা
প্রতীকী ছবি

নিচের হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের উদ্দেশে সরাসরি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। এই হাদিসে বান্দার প্রতি আল্লাহর অপরিসীম দয়া, ক্ষমাশীলতা, এবং তার কাছে সব কিছু চাওয়ার শিক্ষা রয়েছে। একইসঙ্গে এতে ন্যায়বিচার, আমলের দায়িত্ব এবং আল্লাহর অসীম ক্ষমতার বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে।

عَنْ أَبِي ذَرٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيمَا رَوَى عَنِ اللَّهِ، تَبَارَكَ وَتَعَالَى أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ يَا عِبَادِي إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا فَلاَ تَظَالَمُوا يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ ضَالٌّ إِلاَّ مَنْ هَدَيْتُهُ فَاسْتَهْدُونِي أَهْدِكُمْ يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ جَائِعٌ إِلاَّ مَنْ أَطْعَمْتُهُ فَاسْتَطْعِمُونِي أُطْعِمْكُمْ يَا عِبَادِي كُلُّكُمْ عَارٍ إِلاَّ مَنْ كَسَوْتُهُ فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ يَا عِبَادِي إِنَّكُمْ تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَنَا أَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْ يَا عِبَادِي إِنَّكُمْ لَنْ تَبْلُغُوا ضَرِّي فَتَضُرُّونِي وَلَنْ تَبْلُغُوا نَفْعِي فَتَنْفَعُونِي يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَتْقَى قَلْبِ رَجُلٍ وَاحِدٍ مِنْكُمْ مَا زَادَ ذَلِكَ فِي مُلْكِي شَيْئًا يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ وَاحِدٍ مَا نَقَصَ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا يَا عِبَادِي لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ قَامُوا فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ فَسَأَلُونِي فَأَعْطَيْتُ كُلَّ إِنْسَانٍ مَسْأَلَتَهُ مَا نَقَصَ ذَلِكَ مِمَّا عِنْدِي إِلاَّ كَمَا يَنْقُصُ الْمِخْيَطُ إِذَا أُدْخِلَ الْبَحْرَ يَا عِبَادِي إِنَّمَا هِيَ أَعْمَالُكُمْ أُحْصِيهَا لَكُمْ ثُمَّ أُوَفِّيكُمْ إِيَّاهَا فَمَنْ وَجَدَ خَيْرًا فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ وَمَنْ وَجَدَ غَيْرَ ذَلِكَ فَلاَ يَلُومَنَّ إِلاَّ نَفْسَهُ ‏"‏ ‏.

আবু যার (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন:

হে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজ সত্তার উপর অত্যাচারকে হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের মধ্যেও তা হারাম বলে ঘোষণা করছি। অতএব তোমরা একে অপরের উপর অত্যাচার করো না।

হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ছিলে দিশাহারা, তবে আমি যাকে সুপথ দেখিয়েছি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে হিদায়াত প্রার্থনা কর, আমি তোমাদের হিদায়াত দান করব।

হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, তবে আমি যাকে খাদ্য দান করি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে আহার্য চাও, আমি তোমাদের আহার করাব।

হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই বস্ত্রহীন, কিন্তু আমি যাকে পরিধান করাই সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে পরিধেয় চাও, আমি তোমাদের পরিধান করাব।

হে আমার বান্দারা! তোমরা রাতদিন অপরাধ করে থাকো। আর আমিই সব অপরাধ ক্ষমা করি। সুতরাং তোমরা আমার কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করো, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিব।

হে আমার বান্দারা! তোমরা কখনো আমার অনিষ্ট করতে পারবে না, যাতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হই এবং তোমরা কখনো আমার উপকার করতে পারবে না, যাতে আমি উপকৃত হই।

হে আমার বান্দারা! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর আমাকে সবচাইতে বেশী ভয় পায়, তোমরা সবাই যদি তার মতো হয়ে যাও তাতে আমার রাজত্ব একটুও বৃদ্ধি পাবে না।

হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের সকল মানুষ ও সকল জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর সবচাইতে পাপিষ্ঠ, তোমরা সবাই যদি তার মতো হয়ে যাও তাহলে আমার রাজত্ব কিছুমাত্র হ্রাস পাবে না।

হে আমার বান্দা! তোমাদের আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত সকল মানুষ ও জিন যদি কোনো বিশাল মাঠে দাঁড়িয়ে সবাই আমার কাছে আবদার করে আর আমি প্রত্যেক ব্যক্তির চাহিদা পূরণ করি তাহলে আমার কাছে যা আছে তাতে এর চাইতে বেশী হ্রাস পাবে না, যেমন কেউ সমুদ্রে একটি সূচ ডুবিয়ে দিলে যতটুকু তাথেকে হ্রাস পায়।

হে আমার বান্দারা! আমি তোমাদের ’আমলই তোমাদের জন্য সংরক্ষিত রাখি। এরপর পুরোপুরিভাবে তার বিনিময় প্রদান করে থাকি। সুতরাং যে ব্যক্তি কোনো কল্যাণ অর্জন করে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে। আর যে তা ব্যতীত অন্য কিছু পায়, তবে সে যেন নিজেকেই দোষারোপ করে।

হাদিসের মূল শিক্ষা

১. জুলুম (অত্যাচার) হারাম: এই হাদিসের প্রথম এবং প্রধান বার্তা হলো, আল্লাহ নিজে তার সত্তার ওপর অন্যায়কে হারাম করে নিয়েছেন এবং বান্দাদের জন্যও তা নিষিদ্ধ করেছেন। এর মাধ্যমে ইসলামে ন্যায়বিচার ও অন্যের অধিকার রক্ষার গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে।

২. আল্লাহর কাছে ভরসা: মানুষ জন্মগতভাবে দিশাহারা, ক্ষুধার্ত ও বস্ত্রহীন। আল্লাহই একমাত্র সত্তা, যিনি এসব প্রয়োজন পূরণ করেন। তাই আমাদের সবকিছু, যেমন—হিদায়াত, রিজিক ও আশ্রয়—শুধুমাত্র তার কাছেই চাইতে হবে।

৩. আল্লাহর ক্ষমা: মানুষ হিসেবে আমরা দিনরাত ভুল করি এবং পাপের মধ্যে ডুবে থাকি। কিন্তু আল্লাহ ক্ষমাশীল। বান্দা যদি আন্তরিকভাবে তার কাছে ক্ষমা চায়, তিনি সব গুনাহ মাফ করে দেন।

৪. আল্লাহর অসীম ক্ষমতা: মানুষের ভালো-মন্দ কাজ আল্লাহর রাজত্বে কোনো পরিবর্তন আনতে পারে না। সবাই যদি পরহেজগার হয়ে যায়, তাতে তার রাজত্ব এক বিন্দুও বাড়বে না। আবার সবাই যদি পাপিষ্ঠ হয়ে যায়, তাতেও তার রাজত্বের কিছু কমবে না।

৫. অসীম ভান্ডার: যদি পৃথিবীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব মানুষ ও জিন একত্রিত হয়ে এক সাথে আল্লাহ্‌র কাছে কিছু চায়, এবং তিনি যদি সবার চাহিদা পূরণ করে দেন, তবুও তার ভান্ডার থেকে কিছুই কমবে না। এর মাধ্যমে আল্লাহর দান ও দয়ার অসীমতা বোঝানো হয়েছে।

৬. নিজের কাজের ফল: মানুষ তার নিজের আমলের ফল নিজেই ভোগ করবে। যদি সে ভালো কাজ করে, তার জন্য আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত। আর যদি খারাপ ফল পায়, তবে নিজেকেই দোষারোপ করা উচিত, অন্য কাউকে নয়।

এই হাদিসটি আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক, তার দয়া, ক্ষমতা এবং মানুষের দায়িত্ব সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ও গভীর বার্তা দেয়।


জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১২:১১:৩০
জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বর্ষপঞ্জির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাস রমজানের শেষ শুক্রবারকে মুসলিম সমাজে ‘জুমাতুল বিদা’ নামে অভিহিত করা হয়। ‘জুমুআ’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত, যার অর্থ শুক্রবার; আর ‘বিদা’ শব্দের অর্থ বিদায় বা শেষ। এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে ‘জুমাতুল বিদা’ বলতে রমজান মাসের শেষ শুক্রবারকে বোঝানো হয়। যদিও এই পরিভাষাটি কোরআন বা হাদিসে সরাসরি উল্লেখিত নয়, তবুও ঐতিহ্যগতভাবে এটি মুসলমানদের কাছে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত।

রমজান নিজেই ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাস। এর সঙ্গে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমা মিলিত হলে দিনটির আধ্যাত্মিক গুরুত্ব আরও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। ফলে মুসলমানরা এই দিনটিকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করেন এবং ইবাদত-বন্দেগিতে অধিক মনোযোগী হয়ে ওঠেন।

হাদিসের বর্ণনায় রমজানের ফজিলত অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, বনি আদমের প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়, তবে রোজা এর ব্যতিক্রম; এটি আল্লাহর জন্য এবং এর প্রতিদান আল্লাহ নিজেই প্রদান করবেন। একইসঙ্গে রোজাদারের মর্যাদা ও তার আমলের বিশেষ গুরুত্বও এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, জুমার দিনের মর্যাদা সম্পর্কেও হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূর্য উদয়ের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমা। এই দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং পৃথিবীতে অবতরণ করানো হয়। এছাড়া জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন বান্দা যদি নামাজরত অবস্থায় দোয়া করে, তা আল্লাহ তাআলা কবুল করেন।

এই দুইটি মহিমাময় উপাদান রমজান এবং জুমা একত্রে মিলিত হওয়ায় জুমাতুল বিদা মুসলমানদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে। অনেকেই এটিকে রমজানের শেষ জুমা হিসেবে আত্মশুদ্ধির চূড়ান্ত সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করেন, যেখানে ইবাদত, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করা হয়।

এই দিনে কিছু সুন্নত আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করা, পরিষ্কার ও উত্তম পোশাক পরিধান, সুগন্ধি ব্যবহার, সময়ের আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া, পায়ে হেঁটে যাওয়া, ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসা এবং খুতবা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করা। পাশাপাশি দরুদ শরিফ বেশি বেশি পাঠ করা এবং অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হজরত আওস ইবনে আওস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে, আগে আগে মসজিদে যায়, মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনে এবং কোনো অনর্থক কাজে লিপ্ত হয় না, তাকে প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের নফল নামাজ ও রোজার সমপরিমাণ সওয়াব প্রদান করা হয়।

সূত্র: আপন দেশ


২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১০:০৯:৪৪
২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ; বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৬ চৈত্র ১৪৩২ এবং ইসলামি হিজরি সনের ৩০ রমজান ১৪৪৭। রমজানের শেষ দিনে মুসল্লিদের জন্য নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ দিনটি ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আজ জুমার নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে। মুসল্লিদের জন্য এটি সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জামাত, যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ একত্রে নামাজ আদায় করে থাকেন।

বিকেলের আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ২৭ মিনিটে, যা দিনের শেষভাগে ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এরপর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে। উল্লেখ্য, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৬টা ০৮ মিনিটে, যা ইফতারের সময় নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রাতের এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ২৬ মিনিটে, যা রমজানের শেষ রাতে তারাবিহ ও অন্যান্য নফল ইবাদতের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে, আগামী দিনের সূচনা নির্দেশ করে ফজরের নামাজ, যা আগামীকাল ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে শুরু হবে। একই সঙ্গে আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ০৫ মিনিটে, যা দিনের সময়চক্র নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজের নির্ধারিত সময় যথাযথভাবে অনুসরণ করা ইসলামী জীবনব্যবস্থার একটি মৌলিক অংশ। বিশেষ করে রমজানের শেষ দিনগুলোতে সময়ানুবর্তিতা ও ইবাদতে মনোযোগ মুসলমানদের জন্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ০৫:২০:৩৯
চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বর্ষপঞ্জি বা হিজরি ক্যালেন্ডার একটি চন্দ্রনির্ভর সময় গণনা পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি মাসের শুরু ও সমাপ্তি নির্ধারিত হয় আকাশে নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমে। ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতসমূহ—বিশেষ করে রমজানের রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো বড় ধর্মীয় আয়োজন—সবকিছুই এই চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

এই কারণেই ইসলাম ধর্মে চাঁদ দেখার মুহূর্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেও নতুন চাঁদ দেখা গেলে আল্লাহর কাছে কল্যাণ, নিরাপত্তা ও ঈমানের জন্য বিশেষ দোয়া করতেন। এটি কেবল একটি আচার নয়, বরং মানবজীবনের সার্বিক শান্তি ও সাফল্যের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল।

নতুন চাঁদ দেখার সময় তিনি যে দোয়া পাঠ করতেন, তা হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে—

আরবি দোয়া:اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ:হে আল্লাহ! এই চাঁদকে আমাদের জন্য উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের কল্যাণসহ। (হে চাঁদ) আমার এবং তোমার প্রতিপালক আল্লাহ।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, সাহাবি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে জানা যায়, রাসুল (সা.) যখনই নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন তিনি এই দোয়াটি পাঠ করতেন। এই দোয়ার মধ্যে শুধু আধ্যাত্মিক আবেদনই নয়, বরং ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের শান্তি, নিরাপত্তা এবং সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার জন্য একটি গভীর বার্তা নিহিত রয়েছে।


এক বছরে দুই রমজান ও তিন ঈদের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ২০:০০:১৭
এক বছরে দুই রমজান ও তিন ঈদের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ
ছবি : সংগৃহীত

ভবিষ্যতের ক্যালেন্ডার এবং মহাকাশ বিজ্ঞানের এক অদ্ভুত সমীকরণ নিয়ে সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন দুবাই অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের প্রধান নির্বাহী হাসান আহমেদ আল হারিরি। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ এবং ২০৩৩ সালে মুসলিম উম্মাহর জন্য অপেক্ষা করছে এক বিরল অভিজ্ঞতা।

ইংরেজি ক্যালেন্ডার এবং হিজরি চন্দ্র বছরের মধ্যে সময়ের পার্থক্যের কারণে ২০৩০ সালে মুসলিমদের মোট ৩৬টি রোজা রাখতে হতে পারে। সাধারণত চন্দ্র বছর ইংরেজি বছরের চেয়ে প্রায় ১১ দিন ছোট হওয়ায় প্রতি বছর রমজান মাস এগিয়ে আসে, যার ফলে এই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সৌদি আরবের কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের জলবায়ু অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মুসনাদ বিষয়টিকে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, ২০৩০ সালের ৫ জানুয়ারি ১৪৫১ হিজরির রমজান মাস শুরু হবে যা ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখে শেষ হবে (৩০টি রোজা)। এরপর একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ১৪৫২ হিজরির রমজান মাস।

অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই বছর আরও ৬টি রোজা পালন করতে হবে, যার ফলে ২০৩০ সালে মোট রোজার সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৬টিতে। গ্লোবাল ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০৩৩ সালেও এই চক্রের প্রভাবে দুবার পূর্ণ রমজান মাস আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে সে বছর মুসলমানরা তিনটি ঈদ (দুটি ঈদুল ফিতর ও একটি ঈদুল আজহা) উদযাপন করতে পারেন।

/আশিক


আজ ১৯ মার্চ ২০২৬: ঢাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি জেনে নিন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:০৫:২১
আজ ১৯ মার্চ ২০২৬: ঢাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি জেনে নিন
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ইমানের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরকালে মহান আল্লাহর দরবারে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও নির্ধারিত ওয়াক্তে ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য আবশ্যক। আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি (৫ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা, ২৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি নিচে তুলে ধরা হলো।

আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৭ মিনিটে এবং শেষ হবে বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে।

আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে ৪টা ২৮ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ০৯ মিনিটে।

মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে এবং শেষ হবে ৭টা ২৩ মিনিটে।

এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ২৪ মিনিটে এবং শেষ হবে রাত ৪টা ৪৩ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল শুক্রবার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ৪৯ মিনিটে এবং শেষ হবে সকাল ৬টা ০৩ মিনিটে।

বিভাগীয় শহরভেদে সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, খুলনার জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে নিতে হবে।

/আশিক


১৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগের নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ০৯:১৩:১৯
১৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগের নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরকালে কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরেও ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ রয়েছে। কর্মব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা এবং ২৮ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।

আজকের দিনে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে ১২টা ১০ মিনিটে, আসর ৪টা ২৭ মিনিটে, মাগরিব ৬টা ০৯ মিনিটে এবং এশার ওয়াক্ত শুরু হবে ৭টা ২৫ মিনিটে।

এ ছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ৪৯ মিনিটে।

বিভাগীয় শহরগুলোর ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সঙ্গে কিছু সময়ের সমন্বয় করতে হবে। চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট সময় যোগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন আপনার শহরের ওয়াক্ত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ০৯:১৪:০৪
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন আপনার শহরের ওয়াক্ত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ইমানের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও ইসলামে ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজের বিধান রয়েছে। মুমিন জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য।

আজ মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি (২৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি), ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জোহর নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১১ মিনিটে।

আসর নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটে।

পবিত্র মাগরিবের আজান ও ইফতারের সময় হবে সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে এবং ইশা নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ২৫ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল বুধবার ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ৫৪ মিনিটে।

ঢাকার সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্যান্য বিভাগীয় শহরের সময় কিছুটা পরিবর্তিত হবে। যেমন, চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটের বাসিন্দাদের ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, সময়ের পার্থক্যের কারণে খুলনার মুসল্লিদের ৩ মিনিট, বরিশালের ১ মিনিট, রাজশাহীর ৭ মিনিট এবং রংপুরের মুসল্লিদের ৮ মিনিট যোগ করে সঠিক নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।

/আশিক


হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ০৯:৩৮:৪৬
হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
ছবি : সংগৃহীত

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম এবং মহিমান্বিত রজনী পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর আজ। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই বিশেষ রাতটি পালন করবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। প্রতি বছর রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে শবে কদর পালন করা হয়। এই পুণ্যময় রাতে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যেমন কিছু বিশেষ আমল রয়েছে, তেমনি বর্জনীয় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলাও অত্যন্ত জরুরি।

পবিত্র এই রাতে করণীয় আমলগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই ইবাদতের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া। মাগরিবের পর থেকে শুরু করে সারা রাত নফল নামাজ আদায় করা, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত এবং বেশি বেশি জিকির-আজকার করা এই রাতের অন্যতম ইবাদত। এ ছাড়া প্রিয়নবী (সা.)-এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ, নিজের কৃত গুনাহের জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চাওয়া এবং মানুষের কাছে কোনো দেনা বা কষ্ট দিয়ে থাকলে তা মিটিয়ে নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি দান-সদকা করা, মা-বাবা ও মুরব্বিদের কবর জিয়ারত এবং সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা উচিত।

অন্যদিকে, এই রাতে কিছু বিষয় বর্জন করাও ইমানি দায়িত্ব। মূল্যবান এই সময়টুকু শুধু ঘুমিয়ে বা অবহেলায় কাটিয়ে দেওয়া এবং আলসেমি করে ইবাদত থেকে দূরে থাকা মোটেও কাম্য নয়। এ ছাড়া মানুষের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ রাখা, যাবতীয় গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়া কিংবা দলবেঁধে আড্ডাবাজি ও হৈ-হুল্লোড় করে ইবাদতের পরিবেশ নষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে আতশবাজি বা গোল্লা ফোটানোর মতো অপ্রয়োজনীয় কাজগুলো এড়িয়ে চলাই এই রাতের পবিত্রতা রক্ষার দাবি।

/আশিক


২৬ রমজান: আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ০৮:৫৩:৫৭
২৬ রমজান: আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

রমজানের পবিত্র মাসে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬) দিনের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। আজকের দিনটি বাংলা সনের হিসাবে ২ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৬ রমজান ১৪৪৭।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ঢাকায় জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ১১ মিনিটে। এরপর বিকেল ৪টা ২৭ মিনিট থেকে শুরু হবে আসরের নামাজের সময়।

সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজ আদায় করা হবে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে। আর রাতের এশার নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৫৪ মিনিটে ফজরের সময় শুরু হবে।

জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ০৭ মিনিটে। আর আগামীকাল সূর্যোদয় ঘটবে সকাল ৬টা ০৮ মিনিটে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয় সূর্যের অবস্থান এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার ওপর ভিত্তি করে। ফলে প্রতিদিন নামাজের সময় কয়েক মিনিট করে পরিবর্তিত হতে পারে।

রমজানের শেষ দশকে মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগি ও নফল নামাজের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। এই সময়ে অধিকাংশ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি তারাবি, তাহাজ্জুদ এবং অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।

পাঠকের মতামত: