তাবলিগের দুই পক্ষকে নিয়ে সরকারের উদ্যোগে শান্তি বৈঠক

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ৩০ ১৬:৫৪:৩৭
তাবলিগের দুই পক্ষকে নিয়ে সরকারের উদ্যোগে শান্তি বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত

তাবলিগ জামাতের দুটি প্রধান গ্রুপ—সাদ ও জুবায়েরপন্থীদের মধ্যে চলমান বিরোধ নিরসনে সাত সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি জানান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে দুই গ্রুপের পক্ষ থেকে দুজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ব ইজতেমাসহ ভবিষ্যতে তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করতে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। গ্রুপ দুটির মধ্যে যেকোনো বিরোধ নিরসনে এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। অচিরেই কমিটি গঠন করে তা কার্যকর করা হবে বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিরোধ মেটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয় ধর্ম উপদেষ্টার কার্যালয়ে। এতে সাদপন্থী ও জুবায়েরপন্থী উভয় পক্ষের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অংশ নেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বক্স চৌধুরী।

বৈঠকে সাদপন্থীরা অভিযোগ করেন, তাদের কাকরাইল মসজিদ থেকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। তারা দাবি করেন, কাকরাইল মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করাই তাদের উদ্দেশ্য। অন্যদিকে কাকরাইল মসজিদ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি জুবায়েরপন্থী মাওলানা মামুনুল হক।

তবে মামুনুল হক বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে যাতে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা না হয়, সে লক্ষ্যে উভয় পক্ষের নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে সাত সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

/আশিক


কেমন পশু কিনলে কুরবানি শুদ্ধ হবে না? শরিয়তের কড়া নির্দেশনা দেখে নিন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ২১:৪০:৫৩
কেমন পশু কিনলে কুরবানি শুদ্ধ হবে না? শরিয়তের কড়া নির্দেশনা দেখে নিন
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামে কুরবানি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত, যা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা নামাজের পাশাপাশি কুরবানি করার সরাসরি নির্দেশ প্রদান করেছেন। সুরা কাওসারে ইরশাদ হয়েছে, "তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ পড়ো এবং কুরবানি করো।"

কুরবানি মূলত ত্যাগের মহিমা ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের প্রতীক। কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, পশুর রক্ত বা গোশত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং বান্দার অন্তরের তাকওয়া বা খোদাভীতিই তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। কুরবানি কেবল একটি ধর্মীয় রীতি নয়, বরং এর মাধ্যমে অভাবী ও দুস্থ মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার এক বড় সামাজিক ও কল্যাণকর দিকও রয়েছে।

কুরবানি কবুল ও শুদ্ধ হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পালন করা অপরিহার্য। বিশেষ করে কুরবানির পশুর শারীরিক সুস্থতা ও নিখুঁত হওয়া জরুরি। ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, অসুস্থ, জীর্ণশীর্ণ কিংবা ত্রুটিযুক্ত পশু দিয়ে কুরবানি আদায় হয় না। যে পশুটি এতই দুর্বল যে জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে না, তা কুরবানির জন্য অনুপযুক্ত। পশুর বাহ্যিক সৌন্দর্য ও শারীরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা ইবাদতের পূর্ণতার অংশ।

কুরবানির পশু নির্বাচনে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি তার মধ্যে অন্যতম হলো পশুর দৃষ্টিশক্তি ও হাঁটাচলার ক্ষমতা। কোনো পশু যদি পুরোপুরি অন্ধ হয় অথবা একটি চোখও নষ্ট থাকে, তবে তা দিয়ে কুরবানি শুদ্ধ হবে না। একইভাবে পঙ্গু বা ল্যাংড়া পশু, যা স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না, তাও কুরবানির অযোগ্য। পশুর হাড় ভেঙে যাওয়া কিংবা মারাত্মক কোনো জখম থাকলেও সেই পশু কুরবানির জন্য গ্রহণ করা যাবে না।

পশুর দাঁত, কান এবং লেজের অবস্থার ওপরও কুরবানির শুদ্ধতা নির্ভর করে। যদি কোনো পশুর সব দাঁত পড়ে যায় অথবা এমন অবস্থা হয় যে সে খাবার চিবিয়ে খেতে পারছে না, তবে তা দিয়ে কুরবানি হবে না। আবার শিং যদি গোড়া থেকে এমনভাবে ভেঙে যায় যে তার প্রভাব মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছেছে, তবে সেই পশুও অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

তবে শিং সামান্য ভাঙা থাকলে কিংবা জন্মগতভাবে শিং না থাকলে কুরবানি করতে কোনো বাধা নেই। এছাড়া কান বা লেজের অর্ধেকের বেশি অংশ কাটা থাকলে সেই পশু পরিহার করা ওয়াজিব। জন্মগতভাবে কান ছোট হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই। এসব নিয়ম মেনে পশু নির্বাচন করলে কুরবানি ত্রুটিমুক্ত ও অর্থবহ হবে।

/আশিক


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ১০:১৫:২০
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ ১৬ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি। প্রতিদিনের মতো আজও ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী সময়ের সামান্য তারতম্যে নামাজের জামাত ও ব্যক্তিগত ইবাদতের সুবিধার্থে এই সূচি অনুসরণ করা জরুরি।

আজকের নামাজের সময়

মঙ্গলবার দুপুরে জোহরের সময় শুরু হয়েছে ১১টা ৫৯ মিনিটে।

বিকেলের নামাজ আসরের সময় শুরু হবে ৪টা ৩১ মিনিটে।

সন্ধ্যার মাগরিবের আজান ও ইবাদতের সময় শুরু হবে ৬টা ৩৩ মিনিটে।

রাতের এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ৫৩ মিনিটে।

আগামীকালের নামাজের সময়

আগামীকাল বুধবার (৬ মে) ভোরে ফজরের সময় শুরু হবে ৪টা ০১ মিনিটে। এছাড়া আগামীকাল ভোরে সূর্যোদয় হবে ৫টা ২৩ মিনিটে। উল্লেখ্য যে, স্থানভেদে ঢাকার সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে দেশের অন্যান্য প্রান্তের সময় নির্ধারণ করতে হয়।

/আশিক


ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৪ ০৮:৩২:৪৪
ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
ছবি: সংগৃহীত

আজ সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ১৫ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি। নতুন দিনের শুরুতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ ঢাকায় ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৪টা ০২ মিনিটে। এরপর সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২২ মিনিটে। দিনের মধ্যভাগে জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে।

বিকেলে আসরের নামাজ আদায় করা যাবে ৪টা ৩২ মিনিট থেকে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৯ মিনিটে। রাতের এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ৫০ মিনিটে।

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, সময়মতো নামাজ আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় মানুষের আত্মিক প্রশান্তি, শৃঙ্খলা ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যকে আরও সুদৃঢ় করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেকেই সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলেন। তাই প্রতিদিনের নামাজের সময়সূচি জেনে রাখা ধর্মীয় অনুশীলনকে সহজ ও নিয়মিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

এদিকে হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বর্তমানে চলছে পবিত্র জিলকদ মাস, যা ইসলামে সম্মানিত চারটি হারাম মাসের একটি। এই মাসে ইবাদত-বন্দেগি ও নফল আমলের প্রতি মুসলমানদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে দেখা যায়।


জান্নাতে পৌঁছেও মানুষের মনে আক্ষেপ থাকবে? কেন এই গভীর আফসোস?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৩ ১৯:৩৪:২০
জান্নাতে পৌঁছেও মানুষের মনে আক্ষেপ থাকবে? কেন এই গভীর আফসোস?
ছবি : সংগৃহীত

জান্নাত এমন এক স্থান যেখানে কোনো দুঃখ বা কষ্ট থাকার কথা নয়। কিন্তু হাদিস ও আলেমদের বর্ণনা অনুযায়ী, জান্নাতিরা একটি বিষয়ে আফসোস করবেন—তা হলো দুনিয়ার সেই সময়গুলো যা আল্লাহর জিকির ছাড়া অতিবাহিত হয়েছে। যখন কিয়ামতের ময়দানে নেক আমলের প্রকৃত মূল্য উন্মোচিত হবে, তখন মানুষ বুঝতে পারবে যে সবচাইতে সহজ অথচ সবচাইতে বেশি সওয়াবের আমল ছিল আল্লাহর জিকির। সামান্য কিছু শব্দ উচ্চারণের মাধ্যমেই হাসিল করা যেত অসীম নেকি ও জান্নাতের সুউচ্চ মর্যাদা।

জিকির: স্বল্প পরিশ্রমে অশেষ প্রতিদান

জিকির এমন এক ইবাদত যার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান, সময় বা শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। মানুষ চাইলে হাঁটতে-চলতে, বসে বা শুয়ে—যেকোনো অবস্থায় নিজের জবানকে আল্লাহর স্মরণে সিক্ত রাখতে পারে। অথচ এই সহজ কাজটিই আমরা দৈনন্দিন ব্যস্ততা বা মোবাইল স্ক্রলিংয়ের মোহে সবচাইতে বেশি অবহেলা করি। অথচ সামান্য সময়ের জিকিরই হতে পারে পরকালীন মুক্তির বড় উসিলা।

সহজ কিছু জিকির ও তার অর্থ

আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে নিচের জিকিরগুলো যুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি

سُبْحَانَ اللّٰهِ (সুবহানাল্লাহ): আল্লাহ অতি পবিত্র, তিনি সব ধরনের ত্রুটি ও অপূর্ণতা থেকে মুক্ত।

الْحَمْدُ لِلّٰهِ (আলহামদুলিল্লাহ): সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা একমাত্র মহান আল্লাহর জন্য।

اللّٰهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার): আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, তাঁর মহিমা সবকিছুর ঊর্ধ্বে।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ): আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ বা উপাস্য নেই।

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ (আস্তাগফিরুল্লাহ): আমি আমার সকল গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

আজই কেন শুরু করবেন?

জীবন অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং সুযোগগুলো সীমিত। আমরা দিনের অনেকটা সময় অপ্রয়োজনীয় কথা বা চিন্তায় ব্যয় করি। অথচ সেই সময়ের সামান্য অংশও যদি জিকিরে ব্যয় হতো, তবে আমাদের আমলনামা নূরে ভরে যেত। জিকির কেবল পরকালেই কাজে লাগে না, এটি দুনিয়াতেও মানুষের হৃদয়কে জীবিত করে এবং মানসিক প্রশান্তি দান করে।

জান্নাতে গিয়ে আফসোস করার আগেই আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কাজের ফাঁকে বা চলার পথে এই ছোট ছোট জিকিরই হতে পারে জান্নাতের উচ্চ মাকাম অর্জনের সহজ উপায়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর জিকিরে জবান সিক্ত রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক ওয়াক্ত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৩ ১০:২০:৪৯
আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক ওয়াক্ত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলাম মানুষের জন্য কেবল একটি ধর্ম নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে প্রতিটি বিধানই মানুষের আত্মিক প্রশান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রতিটি মুসলিমের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা ফরজ। শত ব্যস্ততার মাঝেও পরকালীন সাফল্যের জন্য ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের বিকল্প নেই।

আজকের দিনটি ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বাংলা এবং ১৪ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য রোববার, ৩ মে ২০২৬ তারিখের নামাজের সঠিক সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:

আজকের ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ৩ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে ৫টা ২২ মিনিটে।

জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে।

আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে এবং সবশেষে এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ৫২ মিনিটে।

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোর সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটের বাসিন্দাদের ৬ মিনিট বিয়োগ করে নামাজের সময় হিসেব করতে হবে।

অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনায় ৩ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট, রংপুরে ৮ মিনিট এবং বরিশালে ১ মিনিট যোগ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে হবে। নিয়মিত ও সঠিক সময়ে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০২ ১০:১৬:৪৯
আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

আজ শনিবার (০২ মে ২০২৬), ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে।

বিকেলের আসর নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৩১ মিনিটে এবং মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে।

রাতের এশা নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ৫১ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল রোববার (০৩ মে ২০২৬) ভোরে ফজর নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ০৫ মিনিটে।

আজকের দিনের আবহাওয়া ও সময়ের হিসেবে ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে এবং আগামীকাল ভোরে সূর্যোদয় হবে ৫টা ২৫ মিনিটে।

উল্লেখ্য যে, দূরত্ব ও অবস্থানভেদে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট কম-বেশি হতে পারে। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা থেকে প্রাপ্ত এই সময়সূচি মেনে দৈনন্দিন ইবাদত পালনের জন্য পাঠকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

/আশিক


শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০১ ১০:০৩:৩৯
শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ১ মে ২০২৬। বাংলা তারিখ ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ এবং হিজরি ১২ জিলকদ ১৪৪৭। পবিত্র জুমার দিনে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ঢাকায় ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৪টা ৫ মিনিটে। সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২৪ মিনিটে। দুপুরের জোহরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ১১টা ৫৯ মিনিটে।

বিকেলের আসরের নামাজ আদায় করা যাবে ৪টা ৩১ মিনিট থেকে। এরপর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে। রাতের এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ৫০ মিনিটে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। আগামীকাল শনিবার, ২ মে ফজরের নামাজের সময় অপরিবর্তিত থাকলেও সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২৩ মিনিটে।

এদিকে বিভাগীয় শহরগুলোর জন্য নামাজের সময়সূচিতে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। চট্টগ্রামের মুসল্লিদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।

অন্যদিকে খুলনায় ঢাকার সময়ের সঙ্গে ৩ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট, রংপুরে ৮ মিনিট এবং বরিশালে ১ মিনিট যোগ করতে হবে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, নামাজের নির্ধারিত ওয়াক্ত মেনে ইবাদত করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। বিশেষ করে জুমার দিনে সময়মতো নামাজ আদায় ও বেশি বেশি নফল ইবাদত, দোয়া ও কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

(সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন)


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১০:২৯:৫৫
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬), বৈশাখের তপ্ত রোদের মাঝে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের শুরুর সময় ও সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বিস্তারিত সময় হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি ও সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত

আজ ৩০ এপ্রিল ২০২৬, বাংলা ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ এবং আরবি ১১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকায় আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৯ মিনিটে এবং আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে।

সূর্যাস্তের ঠিক পরেই সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে মাগরিবের আজান দেওয়া হবে এবং এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ৪৯ মিনিটে।

আগামীকাল শুক্রবার (১ মে ২০২৬) ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ৮ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে। স্থানভেদে ঢাকার সময়ের সাথে এক বা দুই মিনিট কম-বেশি হতে পারে।

/আশিক


দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৯ ১২:১৫:৪৫
দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?
ছবি: সংগৃহীত

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ ইসলামের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। এটি শুধু একটি জিকির নয়; বরং নবীপ্রেম, ঈমান, শ্রদ্ধা ও আল্লাহর আনুগত্যের এক অনন্য প্রকাশ। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, দরুদ শরিফ এমন একটি আমল, যা মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, অন্তরে প্রশান্তি আনে এবং আল্লাহর রহমত লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে ওঠে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা নিজেই নবী (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন,“নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পেশ করো।”(সুরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫৬)

ইসলামি গবেষকদের মতে, এই আয়াতের বিশেষত্ব হলো, এখানে আল্লাহ নিজে ও ফেরেশতাদের দরুদ পাঠের কথা উল্লেখ করার পর মুমিনদের একই আমলে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এটি দরুদ শরিফের মর্যাদা ও গুরুত্বকে অত্যন্ত উচ্চ স্তরে উন্নীত করেছে।

দরুদ পাঠে রহমত, গুনাহ মাফ ও মর্যাদা বৃদ্ধি

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করেন, ১০টি গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং তার মর্যাদা ১০ গুণ বাড়িয়ে দেন।(সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১২৯৭)

আলেমরা বলেন, মানুষের জীবনে অনেক আমল রয়েছে, কিন্তু এমন কম আমলই আছে যেখানে অল্প সময়ে এত ব্যাপক প্রতিদানের ঘোষণা এসেছে। তাই দরুদ শরিফকে “বরকতের জিকির” বলেও উল্লেখ করেন অনেক ইসলামি স্কলার।

দুশ্চিন্তা দূর ও মানসিক প্রশান্তির মাধ্যম

উবাই ইবনে কাব (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, কেউ যদি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করে, তাহলে তার দুশ্চিন্তা দূর হবে এবং গুনাহ ক্ষমা করা হবে।(জামে তিরমিজি, হাদিস: ২৪৫৭)

ইসলামি মনোবিশ্লেষকদের মতে, দরুদ পাঠ মানুষের হৃদয়ে নবীজির স্মরণকে জাগ্রত রাখে, যা মানসিক অস্থিরতা কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত দরুদ পাঠ করলে অন্তরে এক ধরনের প্রশান্তি ও ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি হয়।

নবীজির শাফাআত লাভের গুরুত্বপূর্ণ আমল

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় ১০ বার করে নবী (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করবে, সে কিয়ামতের দিন নবীজির শাফাআত লাভ করবে।(তাবারানি, ২/২৬১)

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন তাঁর সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্যক্তি হবে সেই, যে সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠ করেছে।(জামে তিরমিজি, হাদিস: ৪৮৪)

ইসলামি গবেষকদের মতে, কিয়ামতের কঠিন দিনে নবীজির নৈকট্য লাভ করা একজন মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় সৌভাগ্যের বিষয়গুলোর একটি।

দরুদ পাঠ সরাসরি পৌঁছে যায় নবীজির কাছে

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “কেউ যখন আমার ওপর সালাম পাঠায়, আল্লাহ আমার রুহ ফিরিয়ে দেন, যাতে আমি তার সালামের জবাব দিতে পারি।”(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২০৪১)

আরেক বর্ণনায় এসেছে, ফেরেশতারা নবী (সা.)-কে উম্মতের পাঠানো সালামের সংবাদ পৌঁছে দেন।(সিলসিলাহ আস-সহিহাহ: ১৫৩০)

এ কারণে ইসলামি আলেমরা বলেন, দরুদ ও সালাম পাঠ শুধু মুখের উচ্চারণ নয়; বরং এটি রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক দৃঢ় করার একটি মাধ্যম।

দোয়া কবুলের অন্যতম উপায়

রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে দোয়া করতে শুনলেন, কিন্তু সে দরুদ পাঠ করেনি। তখন তিনি বলেন, “এই ব্যক্তি তাড়াহুড়া করেছে।” এরপর তিনি শিক্ষা দেন, দোয়ার শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা ও নবীর ওপর দরুদ পাঠ করতে হবে।(জামে তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৪৭)

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, দরুদ পাঠ দোয়ার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায় এবং বান্দাকে আল্লাহর রহমতের আরও নিকটবর্তী করে।

ঈমান ও নবীপ্রেমের পরিচয়

দরুদ শরিফকে নবীপ্রেমের বাস্তব প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়। একজন মানুষ যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকে বেশি স্মরণ করে। তাই আলেমদের মতে, নিয়মিত দরুদ পাঠ মানুষের হৃদয়ে রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা গভীর করে তোলে এবং সুন্নাহর প্রতি অনুরাগ বাড়ায়।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন,“যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ঈমান আনো, তাঁকে সম্মান করো ও মর্যাদা দাও।”(সুরা আল-ফাতহ, আয়াত: ৯)

কিয়ামতের দিন অনুশোচনা থেকে মুক্তি

হাদিসে এসেছে, কোনো মজলিসে আল্লাহর জিকির ও নবীর ওপর দরুদ পাঠ ছাড়া উঠে গেলে তা কিয়ামতের দিন আফসোসের কারণ হবে।(সহিহ আল-জামি, হাদিস: ২৭৩৮)

তাই ইসলামি শিক্ষাবিদরা বলেন, প্রতিদিনের জীবনে, বিশেষ করে জুমার দিন, নামাজের পর, দোয়ার সময় এবং অবসরে বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল।

দরুদ শরিফের জনপ্রিয় কিছু পাঠ

সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত দরুদ হলো:“সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”

আর বহুল প্রচলিত দরুদে ইবরাহিম হলো:“আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ…”

ইসলামি স্কলারদের মতে, দরুদ শরিফ শুধু আখিরাতের মুক্তির আমল নয়; বরং এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বরকত, মানসিক প্রশান্তি এবং আত্মিক শক্তি অর্জনের এক মহিমান্বিত মাধ্যম।

পাঠকের মতামত:

৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় বহুমুখী খাতের কোম্পানির উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে বিস্তৃত ভিত্তিতে আস্থার ইঙ্গিত... বিস্তারিত