অমুক্তিযোদ্ধাদের ধরতে বড় অভিযান: বিপাকে হাজারো ভুয়া গেজেটধারী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৮:০৭:৩৭
অমুক্তিযোদ্ধাদের ধরতে বড় অভিযান: বিপাকে হাজারো ভুয়া গেজেটধারী
ছবি : সংগৃহীত

সরকার ভুয়া তথ্য দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা এবং ভারতীয় তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তকারীদের বিরুদ্ধে এক কঠোর শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই তথ্য তুলে ধরেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) গঠনের পর থেকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার নাম সরকারি তালিকা থেকে চিরতরে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সংসদে স্পষ্ট করেন যে, অমুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করার এই কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যারা ভারতের তালিকায় ভুল তথ্য দিয়ে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন, তাদের পরিচয় শনাক্তকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত ও যথাযথ শুনানি শেষে ৪৮১ জনের নাম গেজেট ও তালিকা থেকে বাতিলের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে।

আহমেদ আযম খান বলেন, জামুকার উপকমিটি প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে এবং শুনানিতে কেউ অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তার সনদসহ রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, রংপুর-৪ আসনসহ দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে একই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পবিত্র তালিকাটিকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বিতর্কহীন করতেই এই শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

/আশিক


তারুণ্য ও উদ্ভাবনে জোর, ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সফর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৪ ১১:০৩:০১
তারুণ্য ও উদ্ভাবনে জোর, ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সফর
ছবি : সংগৃহীত

সরকার গঠনের পর দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা সোয়া ১০টার দিকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে পৌঁছালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সিন্ডিকেট সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসজুড়ে নেওয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা।

সফরের মূল আকর্ষণ ছিল ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি এবং তরুণদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান।

অনুষ্ঠানে দেশের উদীয়মান স্টার্টআপ খাতের বর্তমান অবস্থা, বিনিয়োগের সুযোগ, প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের অগ্রগতি তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সফল স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব। সেখানে বিভিন্ন উদ্যোক্তা নিজেদের সফলতার গল্প, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি মুক্ত মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তরুণরা সরাসরি নিজেদের ভাবনা, প্রশ্ন ও উদ্ভাবনী পরিকল্পনা তুলে ধরার সুযোগ পান।

এ ছাড়া নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ এবং ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ, মেন্টরশিপ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা আরও সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের বিকাশে স্টার্টআপ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের দ্বিতীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর। এর আগে গত ১২ মে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে আয়োজিত ‘Transforming Higher Education in Bangladesh: Roadmap to Sustainable Excellence’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলেন। ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী কার্যক্রমে সরকারের অংশগ্রহণকে উচ্চশিক্ষা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রফিক


সবাই মিলে স্বৈরাচার হটিয়েছি, এবার আসুন দেশ গড়ি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৩ ১৯:৪৫:২৫
সবাই মিলে স্বৈরাচার হটিয়েছি, এবার আসুন দেশ গড়ি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে, ঠিক একইভাবে এখন সবাইকে মিলেমিশে দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় সাগরদী খালের পাড়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে দেশের সব ধর্মের ও সব পেশার মানুষ যেভাবে একসঙ্গে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছিল, ঠিক কদিন আগেও দেশের আপামর জনতা রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা যদি সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারি, তবে তার সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিক ভোগ করবে। প্রধানমন্ত্রী বধ্যভূমি এলাকায় একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির সূচনা করেন এবং পরে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা কেবল সরকার বা সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য সামাজিক সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, বৃক্ষরোপণের এই দিনে সবাইকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখব। তিনি দেশের নাগরিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যার যার ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও কার্যালয়ের চারপাশের আঙিনা সুন্দর ও দূষণমুক্ত রাখার পরামর্শ দেন।

ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন সাগরদী খালের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খালের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও। পার্কে ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষ অনেক সময় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন কিংবা টিস্যু পেপার খালের পানিতে ফেলে দেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সবাইকে এসব বর্জ্য নির্দিষ্ট বিনে ফেলার অনুরোধ জানান এবং সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মাইকিং করার নির্দেশনা দেন।

খালের পানি দূষণমুক্ত রাখার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, খালের অপর পাড়ে কিছু আবাসিক ভবনের সুয়ারেজ ও ড্রেনেজ লাইনের সংযোগ সরাসরি খালের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি সিটি কর্পোরেশনকে দ্রুত একটি সমন্বিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, খালের পানিতে ময়লা পানি বা বর্জ্যের সংযোগ দেওয়া বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিজেদের ঘর গোছানোর মতো করে যদি আমরা নিজেদের এলাকা বা দেশ পরিষ্কার না রাখি, তবে এর ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের ওপরই পড়বে। নিজের দেশের সম্পদ নষ্ট করে অন্য দেশের সুন্দর জায়গা দেখে আফসোস করার কোনো মানে হয় না।

পরিবেশ সুরক্ষার এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন এবং খালের দুপাড়ে বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত করে তোলেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সার্কিট হাউসে গিয়ে জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন করেন। সফরসূচি অনুযায়ী বিকেলে শিল্পকলা একাডেমিতে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে তাঁর বরিশাল সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

/আশিক


আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শেষে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৩ ১৮:২৪:০৮
আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শেষে যা বললেন অর্থমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন একটি ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে এবং বর্তমানে এই ঋণের শর্ত ও নীতিমালা নির্ধারণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে আইএমএফ মিশনের প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে সফরকারী একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উল্লেখ করেন, নতুন এই ঋণ সহায়তার অংশ হিসেবে আইএমএফ পর্যায়ক্রমে কিছু অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার নিজস্ব বিবেচনা অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরও জানান যে, জনগণের প্রতি একটি রাজনৈতিক সরকারের যেসব দায়বদ্ধতা থাকে, আইএমএফের প্রতিনিধি দল সেটিকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছে।

বৈঠকের বরাত দিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের শেয়ারবাজারের উন্নয়ন এবং কর ও জিডিপির অনুপাত বৃদ্ধি সহ অর্থনীতির বেশ কিছু সূচকের অগ্রগতিতে আইএমএফ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এসব খাতে আরও দৃশ্যমান সংস্কার ও উন্নতির তাগিদ দিয়েছে দাতা সংস্থাটি।

নতুন এই ঋণ কর্মসূচির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে অর্থমন্ত্রী জানান। তিনি নিজেই সেই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

/আশিক


শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী জেলে যেতে হবে: শামা ওবায়েদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৩ ১৮:১৮:৩২
শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী জেলে যেতে হবে: শামা ওবায়েদ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের আদালতে সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে আলাপকালে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বিবৃতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শামা ওবায়েদ বলেন, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কী বক্তব্য দিচ্ছেন, তা বাংলাদেশ সরকারের কাছে গুরুত্ব পাওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশের আইনি পরিভাষায় তিনি একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবেই বিবেচিত।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, আইন সবার জন্য সমান এবং যেকোনো অপরাধী বা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করলে দেশের বিদ্যমান আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে যার কাছেই আত্মসমর্পণ করুন না কেন, আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাকে প্রথমেই কারাগারে যেতে হবে বলে তিনি জানান।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কেও কথা বলেন শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, ভারতের সাথে বাংলাদেশের নিয়মিত যে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক আলোচনা ও যোগাযোগ বজায় রয়েছে, সেখানে এই বিষয়টি সবসময়ই গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত থাকে।

/আশিক


সেনাসদস্যদের সাথে মাটিতে বসে গল্প ও মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৩ ১৮:১১:০৫
সেনাসদস্যদের সাথে মাটিতে বসে গল্প ও মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ জুলাই) এই পরিদর্শনকালে তিনি সেনাসদস্যদের যুদ্ধকালীন রণকৌশল, বনাঞ্চলে পরিচালিত বিশেষ অনুশীলন এবং আধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, পরিদর্শনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে মহড়ার বিভিন্ন কারিগরি দিক ও বাহিনীর রণপ্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানান।

বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ধাপ প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখেন। এ সময় যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের ড্রোন চিহ্নিত ও তা নিষ্ক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের মহড়া প্রদর্শন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই প্রযুক্তির পরিচালন প্রক্রিয়া এবং এর কৌশলগত গুরুত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

মহড়া পর্যবেক্ষণকালে প্রধানমন্ত্রী জঙ্গল পরিখায় অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছে যান এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা শোনার পাশাপাশি তিনি কিছু সময় সেনাসদস্যদের সাথে মাটিতে বসে কথা বলেন। পরে তিনি সেনাসদস্যদের সাথে একই কাতারে বসে যুদ্ধকালীন পরিবেশে প্রস্তুতকৃত খাবার দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশবাসীর গভীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা, যেকোনো সংকট মোকাবিলা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর সদস্যদের দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কঠোর শৃঙ্খলা, কর্মদক্ষতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে সেনাবাহিনী জনগণের হৃদয়ে একটি অনন্য মর্যাদা তৈরি করেছে। জনগণের এই বিশ্বাস ও আস্থা অক্ষুণ্ণ রাখতে তিনি নিয়মিত পেশাদার প্রশিক্ষণ গ্রহণ, আধুনিক প্রযুক্তির আত্মীকরণ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

নিজের পারিবারিক পটভূমি স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সেনা পরিবারে বড় হওয়ার কারণে সেনাসদস্যদের মাঝে এলে তিনি শৈশবের স্মৃতি অনুভব করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাদের পেশাগত দক্ষতা ও সুনাম আরও বৃদ্ধি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন, সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পেশাগত মানোন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত ও বাস্তবমুখী সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

এই প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সাথে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৩ ১০:৩৮:১৩
বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি
ছবি : সংগৃহীত

সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো বরিশাল সফরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একদিনের সরকারি এই সফরকে কেন্দ্র করে বরিশালসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে সফরের শুরু থেকেই প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ সফরে অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নিয়ে নতুন ঘোষণা আসতে পারে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে যাত্রা করে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক হয়ে প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল জেলার গৌরনদীর ভূরঘাটা এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।

স্বাগত পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গৌরনদী পৌরসভা অভিমুখে যাত্রা করে। সফরপথজুড়ে মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা স্লোগান, ব্যানার ও শুভেচ্ছা জানিয়ে সরকারপ্রধানকে অভ্যর্থনা জানান। ফলে পুরো এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

সরকারি সফরের সূচি অনুযায়ী, দিনের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের নবখননকৃত সরিকল খালের তীরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এরপর একই এলাকায় আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারের কাছে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও সরকারি সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ জোরদার হবে।

সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সিটি করপোরেশনের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি সংলগ্ন সাগরদী খালের পাশে আয়োজিত আরেকটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলাধার সংরক্ষণ এবং নগর সবুজায়নকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

দিনের শেষভাগে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত একটি সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সব কর্মসূচি শেষে সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী সড়কপথেই ঢাকায় ফিরবেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সফরপথজুড়ে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বরিশালের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামো, নদী ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি, কর্মসংস্থান এবং নগর উন্নয়নসংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে নতুন গতি আসবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করছেন, সরকারপ্রধানের এই সফর বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

-রফিক


প্রত্যর্পণ চুক্তিতে ফিরলে সরাসরি কারাগারে যেতে হবে শেখ হাসিনাকে, ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১২ ১৮:৩৮:১৩
প্রত্যর্পণ চুক্তিতে ফিরলে সরাসরি কারাগারে যেতে হবে শেখ হাসিনাকে, ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

২৪-এর ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত দুই বছর ধরে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর সরাসরি আদালতে বা আইনের কাছে আত্মসমর্পণের কোনো ধরনের আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে যদি দুই দেশের বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ফেরত আনা হয়, তবে তাঁকে সরাসরি গ্রেপ্তার হয়ে বাধ্যতামূলকভাবে কারাগারেই যেতে হবে।

আজ রোববার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এই আইনি ব্যাখ্যা ও কড়া বার্তা প্রদান করেন।

সম্প্রতি গত ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক দীর্ঘ ও চাঞ্চল্যকর সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন যে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের দিকে তিনি ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে সশরীরে আদালতের মুখোমুখি হবেন এবং স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা সমস্ত নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান, তাঁরা যেন সবাই গোপন আস্তানা থেকে বেরিয়ে এসে ওই সময়ে তাঁর সঙ্গে একযোগে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

রয়টার্সে প্রকাশিত শেখ হাসিনার এই রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে ফেরত দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে জোর কূটনৈতিক অনুরোধ জানিয়েছে। এখন মূল আইনি প্রশ্নটা হচ্ছে, তিনি যেহেতু বর্তমানে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে ও নজরদারিতে রয়েছেন, তাই তাঁর নিজের ইচ্ছায় বা নিজে নিজে বাংলাদেশে আসার কোনো সুযোগই নেই।

হয় দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তির (এক্সট্রাডিশন ট্রিটি) আওতায় তাঁকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আইনি প্রক্রিয়ায় হ্যান্ডওভার (হস্তান্তর) করা হবে, অথবা তাঁকে পুশব্যাক করা হবে।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, মূলত দেশে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের উসকে দিয়ে দেশকে নতুন করে অস্থিতিশীল করার এক অপকৌশল হিসেবেই শেখ হাসিনা ভারত থেকে এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও স্পষ্ট করেন যে, জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে শেখ হাসিনাকে চূড়ান্ত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একই মামলায় তাঁর সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যিনিও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।

এই অবস্থায় দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার কোনো ধরনের আইনি জামিন পাওয়ার সুযোগ আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমাদের দেশের বিচারিক ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির জামিন পাওয়ার নজির নেই। সুতরাং, শেখ হাসিনাকে যদি প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয় বা তাঁকে গ্রেপ্তার করা যায়, তবে সংগত কারণেই তিনি প্রথমে সরাসরি জেলে যাবেন। জেলে যাওয়ার পর তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন কি পারবেন না, সেই আইনি বিষয়ের নিষ্পত্তি হবে।”

আইনের জটিল ধারা উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারার বিধান স্বচক্ষে তুলে ধরে বলেন, “সেকশন ২১-এর ৩ উপধারায় পরিষ্কার করে বলা আছে, ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় ঘোষণার ৩০ দিনের পর আর কোনো আপিল দায়ের করার আইনি সুযোগ থাকবে না। ফলে, যদি আপিল করার নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার কারণে সুযোগ না থাকে, তবে তাঁর এই মৃত্যুদণ্ডের সাজাই সরাসরি বহাল থাকবে। আর যদি বিশেষ আইনি প্রক্রিয়ায় আপিল করা যায়, তবে উচ্চ আদালতে আপিল নিষ্পত্তি সাপেক্ষে রায়ের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার মামলার বাইরেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান অন্যান্য চাঞ্চল্যকর মামলার হালনাগাদ অগ্রগতি তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি জানান, আজ থেকে ১৩ বছর আগে ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের বিশাল সমাবেশকে কেন্দ্র করে তৎকালীন সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চালানো নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার দীর্ঘ তদন্তকাজ অবশেষে সফলভাবে শেষ হয়েছে।

আগামী ২১ জুলাই ধার্য তারিখে এই ঐতিহাসিক মামলার আনুষ্ঠানিক ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। এ ছাড়া গত ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার আরও ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকাজ একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং সেগুলোও দ্রুতই বিচারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

/আশিক


তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর: বিনা জামানতে মিলবে ১০ লাখ টাকার ঋণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১২ ১৮:০৯:০২
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর: বিনা জামানতে মিলবে ১০ লাখ টাকার ঋণ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের উদীয়মান ও নতুন তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকিং খাত থেকে সহজ শর্তে অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু শক্তিশালী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করেছেন, নতুন ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা এখন থেকে কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই মাত্র ৭ শতাংশ সর্বোচ্চ সুদে ১০ লাখ টাকা এবং জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিশেষ ঋণ সুবিধা লাভ করবেন।

রোববার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম কার্যদিবসে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের একটি লিখিত প্রশ্নের আনুষ্ঠানিক জবাবে অর্থমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় সংসদের এই বিশেষ বৈঠকটি শুরু হয়। (উল্লেখ্য, মূল তথ্যে স্পিকারের নামের সাথে বীরবিক্রম পদবি যুক্ত থাকলেও তিনি মূলত একজন বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বর্তমানে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন)।

সংসদকে বিস্তারিত জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতের নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের সামগ্রিক তহবিলের আকার পূর্বের মাত্র ১০০ কোটি টাকা থেকে একলাফে পাঁচ গুণ বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এই বর্ধিত ও বিশেষ তহবিল থেকেই নতুন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ এবং জামানত জমা দিয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন, যা কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, দেশে নতুন আইডিয়ার উদ্ভাবনী স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের আর্থিক টানাপোড়েন দূর করতে ও ঋণপ্রাপ্তি আরও সহজলভ্য করতে ৫০০ কোটি টাকার একটি পৃথক ‘স্টার্টআপ ফান্ড’ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু করা হয়েছে। এই বিশেষ তহবিল থেকে তরুণ আইটি ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ নামমাত্র সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণের অভাবনীয় সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া স্টার্টআপ খাতে কেবল ঋণের বোঝাই নয়, বরং সরাসরি ইক্যুইটি বিনিয়োগের (অংশীদারিত্বমূলক পুঁজি) সুযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে দেশের ৩৯টি শীর্ষ তফসিলি ব্যাংকের যৌথ অংশীদারিত্বে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, পিএলসি’ নামে একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন করা হয়েছে। এই বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যোগ্য ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলো সরাসরি ইক্যুইটি অর্থায়ন বা মূলধনী সহায়তা লাভ করবে, যা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি মজবুত করবে।

দেশের বিশাল বেকার যুবসমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের স্বল্প সুদে ঋণ সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত ১ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল বিগত ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই সফলভাবে তার মেয়াদ শেষ করেছে।

বর্তমানে এই সফল যুব ঋণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ও পরিধি আরও ধরে রাখতে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার সম্পূর্ণ নতুন ও বৃহৎ একটি বিশেষ তহবিল গঠনের কাজ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা দ্রুতই আলোর মুখ দেখবে।

/আশিক


প্রাথমিক বৃত্তির ফল আজ, যেভাবে জানবেন রেজাল্ট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১২ ১০:০২:২৫
প্রাথমিক বৃত্তির ফল আজ, যেভাবে জানবেন রেজাল্ট
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আজ রোববার (১২ জুলাই) প্রকাশ করা হচ্ছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল। একাধিকবার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ পরিবর্তনের পর শিক্ষা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ফলে দেশের লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

ফল প্রকাশ উপলক্ষে দুপুর ১২টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল, নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হবে।

দুই মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমেও দ্রুত নিজেদের ফল জানতে পারবেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, টেলিটক, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক কিংবা এয়ারটেল—যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে খুব সহজেই ফল জানা যাবে। এজন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে প্রথমে DPE লিখে একটি স্পেস দিতে হবে, এরপর পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে লিখতে হবে DPE 123456 এবং সেটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি এসএমএসে শিক্ষার্থীর নাম ও ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

অনলাইনের মাধ্যমে বিস্তারিত ফলাফল দেখতে চাইলে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ বা ‘ফল দেখুন’ বাটনে ক্লিক করলে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যাবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইন সার্ভারে অতিরিক্ত চাপ এড়াতে ফল প্রকাশের পর কিছু সময় ধৈর্য ধরে চেষ্টা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নির্ভরযোগ্য সরকারি মাধ্যম থেকেই ফল সংগ্রহ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: