হিজবুল্লাহ ও ইরানের যৌথ হামলায় কাঁপল ইসরায়েল: উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সাইরেন

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ২১:৩৫:৪০
হিজবুল্লাহ ও ইরানের যৌথ হামলায় কাঁপল ইসরায়েল: উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সাইরেন
ছবি : সংগৃহীত

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্তে একযোগে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) চালানো এই আকস্মিক হামলার পরপরই দেশটির বিশাল অংশজুড়ে সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই অতর্কিত আক্রমণে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ইসরায়েলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম 'আরুৎজ শেভা' (Arutz Sheva) তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর পাশাপাশি ইরান থেকেও দক্ষিণ নেগেভ অঞ্চল লক্ষ্য করে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে মাঝ আকাশে ভূপাতিত বা ইন্টারসেপ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।

এই মুহূর্ত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ও ইরানের এই যৌথ হামলার ফলে কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে হওয়ায় দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে বা বাঙ্কারে থাকার কঠোর পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান সংঘাত এখন ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে।

সূত্র: আলজাজিরা।


সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীতে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ২১:১৯:০১
সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীতে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা ছাড়িয়ে এবার সৌদি আরবের শিল্পনগরীতে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীর একটি পশ্চিমা মালিকানাধীন পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'ইরনা'-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, গত কয়েক দিনে ইরানের অভ্যন্তরে তিনটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার চরম প্রতিশোধ হিসেবেই এই পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে। বিশেষ করে সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের শিরাজে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কারখানায় ইসরায়েলি হামলার পর তেহরান এই কঠোর পদক্ষেপ নিল। ইসরায়েলের দাবি ছিল, শিরাজের ওই কারখানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপাদন করা হতো।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, জুবাইল শিল্পনগরীর ওই কমপ্লেক্সটিতে হামলার পরপরই ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইরানি গণমাধ্যম ফার্স, নূর এবং তাসনিম ইতিমধ্যে সেই আগুনের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছে। জুবাইল শহরটি সৌদি আরবের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সৌদি আরামকো এবং সাবিক-এর মতো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পশ্চিমা জ্বালানি জায়ান্টদের বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, তারা ইরানের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পারস্য উপসাগরের অপর প্রান্তে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে এক নতুন এবং ভয়াবহ মোড় দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

/আশিক


বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা! ইরানের ৯টি প্রদেশে যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ২১:১১:২৯
বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা! ইরানের ৯টি প্রদেশে যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চরম হুঁশিয়ারির পরপরই ইরানজুড়ে যোগাযোগ অবকাঠামোতে শুরু হয়েছে ভয়াবহ তাণ্ডব। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত থেকে ইরানজুড়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ, মহাসড়ক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইডিএফ আগেই ইরানের সাধারণ নাগরিকদের ১২ ঘণ্টার জন্য ট্রেন এবং রেলপথ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছিল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, গত কয়েক ঘণ্টায় দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে। আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কাশান শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল সেতুতে হামলায় অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, কারাজ শহরে একটি ব্যস্ত রেললাইনে সরাসরি বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। সেখান থেকে এক আহত ব্যক্তিকে উদ্ধারের ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

হামলার পরিধি কেবল রেলপথে সীমাবদ্ধ নেই; পশ্চিমাঞ্চলীয় কোম প্রদেশে সড়কপথের বেশ কিছু সেতু লক্ষ্য করে শক্তিশালী প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি জানিয়েছে, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের তাবরিজ-তেহরান মহাসড়কের একটি বড় অংশ হামলার শিকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া খুজেস্তান প্রদেশের আহওয়াজ শহরের অভ্যন্তরীণ হাসক সড়কেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন-ইসরায়েলি জোট।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তাবরিজ ও জানজান শহরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ক্যারেহ চামান-মিয়ানেহ সড়কটিও উভয় দিক থেকে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, বরং আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা সহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনাও ধ্বংস করা হচ্ছে, যা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: সিএনএন


তেলের মূল কেন্দ্রে আঘাত! খারগ দ্বীপে বিস্ফোরণে কাঁপছে পারস্য উপসাগর

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৮:২০:২৮
তেলের মূল কেন্দ্রে আঘাত! খারগ দ্বীপে বিস্ফোরণে কাঁপছে পারস্য উপসাগর
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড এবং প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপটিতে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে, তবে এর ক্ষয়ক্ষতি বা কারণ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি তেহরান।

খারগ দ্বীপ ইরানের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই কেন্দ্রটি দিয়ে পরিচালিত হয়। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের আঘাত ইরানের জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৩০ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সরাসরি খারগ দ্বীপ ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলকূপ এবং খারগ দ্বীপ নিমেষেই ধ্বংস করে দিতে পারে।

মঙ্গলবার রাতের এই বিস্ফোরণ ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটামের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক দায় স্বীকার বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সূত্র: সিএনএন


যুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি জীবন দিতে রাজি: পেজেশকিয়ান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৮:০৫:৫৮
যুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি জীবন দিতে রাজি: পেজেশকিয়ান
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির জবাবে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তিনি নিজে এবং ইরানের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ নাগরিক দেশের জন্য স্বেচ্ছায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত রয়েছেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক হামলাকে নিরুৎসাহিত করতেই পেজেশকিয়ান এই বিশাল সংখ্যার কথা উল্লেখ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পেজেশকিয়ান তাঁর পোস্টে লিখেছেন, "১ কোটি ৪০ লাখের বেশি ইরানি নাগরিক এই অভিযানে জীবন দিতে প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করেছেন। আমি নিজেও ইরানের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম এবং থাকব।" উল্লেখ্য যে, ৯ কোটি জনসংখ্যার ইরানে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও দমনপীড়নের কারণে জনগণের একটি বড় অংশ ক্ষুব্ধ থাকলেও, বাহ্যিক শত্রুর মুখে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিচ্ছেন দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব।

এদিকে, সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে এক অভিনব আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তরুণ, খেলোয়াড়, শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চারপাশে 'মানবপ্রাচীর' গড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ভিডিও বার্তায় সুপ্রিম কাউন্সিলের (যুব) সচিব আলী রেজা রহিমি বলেন, "বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আমাদের জাতীয় সম্পদ। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে এগুলো রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।"

হোয়াইট হাউসে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া এই সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টায় শেষ হবে, যা বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী বুধবার ভোর ৬টা। এই চরম উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

/আশিক


আবুধাবির এআই সেন্টারকে ‘কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল তেহরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৭:৪৮:৫৫
আবুধাবির এআই সেন্টারকে ‘কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল তেহরান
ছবি : সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে নির্মাণাধীন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণা কেন্দ্র 'স্টারগেট'-এ হামলার সরাসরি হুমকি দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ওপেনএআই (OpenAI), ওরাকল ও এনভিডিয়ার মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তৈরি হওয়া এই বিশাল স্থাপনাটি এখন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।

তাসনিম নিউজ এজেন্সির দাবি অনুযায়ী, ইরান এই এআই কেন্দ্রটিকে একটি 'কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তেহরানের মতে, এই কেন্দ্রটি কেবল প্রযুক্তির জন্য নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে, যা ইরানের জন্য উদ্বেগের কারণ। আন্তর্জাতিক আইনের দোহাই দিয়ে ইরান জানিয়েছে যে, যেকোনো আগ্রাসন বা প্রতিকূল পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই 'স্টারগেট' কেন্দ্রটিকে তাদের মিসাইল সিস্টেমের নিশানার আওতায় আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 'স্টারগেট' প্রকল্পটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত আধিপত্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান ত্রিমুখী সংঘাতের ৩৯তম দিনে এসে এই কারিগরি স্থাপনাটি এখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে চলে এল। আবুধাবিতে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএনএন ও তাসনিম নিউজ এজেন্সি


ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংসের দাবি নেতানিয়াহুর

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১২:৩৩:১৫
ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংসের দাবি নেতানিয়াহুর
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক চাঞ্চল্যকর দাবিতে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের সবচেয়ে বড় পেট্রোকেমিক্যাল কারখানাটি সফলভাবে ধ্বংস করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান সরকারের আয়ের প্রধান উৎসগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। নেতানিয়াহুর মতে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অর্থের উৎসগুলো পরিকল্পিতভাবে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে।

একই সময়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইরানের দুটি বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। আইডিএফের দাবি অনুযায়ী, এই ধ্বংসাত্মক অভিযানের ফলে ইরানের সামগ্রিক পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ৮৫ শতাংশেরও বেশি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এটি ইরানের অর্থনীতির জন্য এক বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইডিএফ আরও দাবি করেছে যে, ইরানের আসালুয়ে এলাকায় অবস্থিত একটি নির্দিষ্ট স্থাপনা দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান তৈরির মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ওই স্থাপনাটি ধ্বংস করার মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করছে ইসরায়েল।

এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে এখনো এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তেলের বাজার এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে এই হামলার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

তথ্যসূত্র : বিবিসি


সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মোজতবা খামেনি? ৩৯ দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১১:১৩:০৮
সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মোজতবা খামেনি? ৩৯ দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গন ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলায় দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নিলেও দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়েছেন। এবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম 'টাইমস'-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি বর্তমানে অচেতন বা সংজ্ঞাহীন অবস্থায় কোম শহরে চিকিৎসাধীন আছেন।

কূটনৈতিক মেমোর বরাতে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি মূলত ২৮ ফেব্রুয়ারির সেই ভয়াবহ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা এতটাই সঙ্কটাপন্ন যে, তিনি ইরান সরকারের কোনো নীতিনির্ধারণী বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারছেন না। এই প্রথমবারের মতো তাঁর সঠিক অবস্থান এবং শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ পেল। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই স্পর্শকাতর নথিটি ইতিমধ্যে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে।

এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সর্বাত্মক যুদ্ধ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) টানা ৩৯ দিনে পা রাখল। দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই লড়াইয়ে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির নতুন নেতৃত্ব সংকটের মুখে থাকায় প্রশাসনিক স্তরেও চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। যুদ্ধের ৩৯তম দিনে এসেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটছে।

মোজতবা খামেনির এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং তাঁর অসুস্থতার খবর ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা কাঠামোতে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করতে পারে। যদি টাইমস-এর এই রিপোর্ট সত্য হয়, তবে ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব এবং চলমান যুদ্ধ কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ইরান সরকারের পক্ষ থেকে মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

/আশিক


কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: বাহরাইনে বাজছে বিপদের সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১০:২৭:৪২
কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: বাহরাইনে বাজছে বিপদের সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাহরাইনে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটির সরকার সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন করে হামলার আশঙ্কায় পুরো দেশজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক জরুরি বার্তায় নাগরিকদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে বা আন্ডারগ্রাউন্ড শেল্টারে অবস্থান নিতে বলা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কায় বাহরাইন সরকার এই আগাম নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এদিকে, ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৯৮তম ধাপের আওতায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের হেলিকপ্টার অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইরাকের বাগদাদ ও উত্তরাঞ্চলীয় এলাকায় ইরানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীর পাঁচটি অবস্থানে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা নিশ্চিত করেছে।

আইআরজিসির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি ইসরায়েলি মালিকানাধীন ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রে এবং ইসরায়েলের অভ্যন্তরে তেল আবিব, হাইফা, বেয়ার শেবা ও পেতাহ টিকভার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তারা আঘাত হেনেছে। নৌবাহিনীর অভিযানে একটি ইসরায়েলি কনটেইনার জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পাশাপাশি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ 'ইউএসএস ট্রিপোলি'কে পিছু হটতে বাধ্য করার দাবিও করেছে তেহরান। অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে যে তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসফাহান ও লোরেস্তান অঞ্চলে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোনসহ একাধিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে পুরো অঞ্চলে এখন যুদ্ধের দামামা বাজছে।

/আশিক


হাইফায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ২১:২১:৪২
হাইফায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর হাইফাতে ইরানের শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এই ভয়াবহ হামলায় ভবনের নিচে চাপা পড়ে চারজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধারকারী দল চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং এই এলাকার অন্য একটি হামলায় আরও চারজন গুরুত্বর আহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকারী সংস্থা সোমবার ভোরের দিকে জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানের পর নিখোঁজ চার ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুই জন ৮০ বছর বয়সী প্রবীণ দম্পতি রয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া বাকি দুটি মরদেহের মধ্যে একজন ৪০ বছর বয়সী ব্যক্তি এবং অন্যজন ৩৫ বছর বয়সী এক নারী। ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানার প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর শেষ মরদেহটি উদ্ধার করা হয়, যা এই ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতাকেই ফুটিয়ে তুলছে।

এর আগে রোববার গভীর রাতে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছিলেন যে, ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে ভবনটি ধসে পড়ার গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছে এবং অন্তত চারজন বাসিন্দা নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান চলাকালীন ভবনটির আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম বা বিস্তারিত পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি স্থানীয় প্রশাসন। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভবনটি কেবল ধ্বংসই হয়নি, বরং আশপাশের অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাতের জেরে হাইফা শহরের সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইরানের এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় এমন সরাসরি আঘাত বেসামরিক নাগরিকদের জীবনকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। উদ্ধারকারী দল তাদের কাজ শেষ করলেও পুরো এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ এখনও চলছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: