আদানির চুক্তি এখন ‘গলার কাঁটা’! বড় অ্যাকশনে যাচ্ছে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৯:৩৭:০৯
আদানির চুক্তি এখন ‘গলার কাঁটা’! বড় অ্যাকশনে যাচ্ছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে করা আলোচিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিকে ‘গলার কাঁটা’ হিসেবে অভিহিত করে তা পুনর্বিবেচনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি জানান, অস্বাভাবিক শর্ত ও উচ্চমূল্যের কারণে ২০১৭ সালে সম্পাদিত এই চুক্তিটি এখন দেশের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী জানান, চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি তাদের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ শেষ করেছে। কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা এই চুক্তিতে বিদ্যুতের দাম দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অনেক বেশি ধরা হয়েছে।

এই সংকট সমাধানে সরকার এখন দুটি পথ খোলা রেখেছে: প্রথমত, আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হওয়া অথবা আদানির সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে শর্ত সংশোধন ও দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। জাতীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দেশের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৫ বছর মেয়াদি এই চুক্তির শুরু থেকেই স্বচ্ছতা ও উচ্চমূল্য নিয়ে জনমনে তীব্র বিতর্ক ছিল। ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির কেন্দ্র থেকে বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে, তবে বর্তমান সরকারের এই পদক্ষেপ চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

/আশিক


সংসদে বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৯:৩২:০০
সংসদে বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সহকর্মীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার চেয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অধিবেশন চলাকালে একটি ইংরেজি দৈনিকের সংবাদের সূত্র ধরে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, ওই সংবাদে দেখা গেছে—সংসদে উপস্থিত একজন সংসদ সদস্য ওয়াজ মাহফিলে তাঁর এবং আরও দুজন নারী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অত্যন্ত 'কদাকার ও কুৎসিত' ভাষা ব্যবহার করেছেন। তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, "এই সংসদে উপস্থিত আমি এবং আমার আরও দুজন নারী সহকর্মীর বিরুদ্ধে যে ধরণের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, আমি এ বিষয়ে আপনার কাছে বিচার চাইছি।" স্পিকারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

/আশিক


মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১২:৫৭:০৬
মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সব দোকান, শপিংমল ও বাণিজ্যিক বিতান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে দেশে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে সহযোগিতা করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আজ থেকেই ঢাকাসহ সারা দেশের সব বিপণিবিতান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে হোটেল, ফার্মেসি, কাঁচাবাজার এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকানগুলো এই নিয়মের আওতাবহির্ভূত থাকবে।

/আশিক


সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১১:৫৩:৩১
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, জ্বালানি সাশ্রয় এবং কর্মপরিবেশ উন্নত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়–এর নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে, যা সরকারি কর্মসংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা স্বাক্ষর করেন মোসা. তানিয়া ফেরদৌস, যিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বৃহস্পতিবার জারি করা নোটিশে জানানো হয়, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিজ নিজ অফিস কক্ষে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই সময়সীমাকে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, দাপ্তরিক কর্মসূচি এমনভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে নির্দিষ্ট এই সময় বাধাগ্রস্ত না হয়। মূল উদ্দেশ্য হলো অফিস শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং কর্মদিবসের শুরুতে সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

নির্দেশনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক আলো ব্যবহার সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা জ্বালানি খরচ কমাতে সহায়ক হবে।

অফিস চলাকালীন প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কক্ষ ত্যাগের সময় সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুমসহ অন্যান্য স্থানে অপ্রয়োজনীয় আলো ব্যবহার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস শেষে সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অফিস কক্ষ, করিডোর, সিঁড়ি এবং টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা কর্মপরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই নির্দেশনাগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রতিটি দপ্তর ও সংস্থাকে ভিজিল্যান্স টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই টিম নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে।

-রফিক


স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কী কী লাগবে? জেনে নিন নিবন্ধনের সহজ ধাপ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১১:১৫:৫২
স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কী কী লাগবে? জেনে নিন নিবন্ধনের সহজ ধাপ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের জিডিপিতে কৃষির অনবদ্য ভূমিকা থাকলেও দীর্ঘকাল কৃষকদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের অভাব ছিল। সেই অভাব পূরণে বর্তমান সরকার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে চালু হতে যাচ্ছে আধুনিক ‘ডিজিটাল কৃষি কার্ড’। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ৮ বিভাগের ১১টি উপজেলার ১১টি স্থানে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। প্রথম ধাপে ২০ হাজার কৃষক এই সুবিধার আওতায় আসছেন, যেখানে কার্ডধারী কৃষকরা প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন।

কৃষি কার্ডে মিলবে ১০ ধরনের মেগা সুবিধা

১. সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ সহায়তা।

২. মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সংগ্রহ।

৩. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে কৃষিঋণ।

৪. শস্য ও কৃষি বিমার বিশেষ সুবিধা।

৫. সরকারি কৃষি প্রণোদনা সরাসরি গ্রহণ।

৬. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা নিশ্চিতকরণ।

৭. উৎপাদিত ফসল সরাসরি সরকারের কাছে বিক্রির সুযোগ।

৮. আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে বিশেষ সহায়তা।

৯. উন্নত চাষাবাদের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ।

১০. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবহাওয়া ও বাজার দরের আগাম পূর্বাভাস।

নিবন্ধন ও কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া

স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের এনআইডির কপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সচল মোবাইল নম্বর, জমির দলিল (বা বর্গা চাষের প্রমাণপত্র) এবং ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রয়োজন হবে। কার্ড পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার (SAAO) সাথে যোগাযোগ করে প্রাথমিক তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পরবর্তীতে তথ্য যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে এই স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হবে।

সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই কার্ডটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। কার্ডের জন্য কারো সাথে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য কৃষকদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রান্তিক কৃষকদের আশা, এই কার্ডের সঠিক বাস্তবায়ন হলে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন বিপ্লব সূচিত হবে।

/আশিক


আইনের তোয়াক্কা নেই! ড. ইউনূসের বিশ্ববিদ্যালয়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:৫৭:৩৭
আইনের তোয়াক্কা নেই! ড. ইউনূসের বিশ্ববিদ্যালয়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
ছবি : সংগৃহীত

সদ্যোবিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের মেয়াদে দেশে একটি মাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার নাম ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’। এটি নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ট্রাস্টের একটি উদ্যোগ। যেখানে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে, সেখানে গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই অনুমোদন পেয়ে যায়।

এই রকেট গতি এখন আর কারো কাছে বিস্ময় নয়, কারণ ওই সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। তবে বিস্ময়ের বিষয় হলো, শান্তিতে নোবেলজয়ী এই ব্যক্তিত্বের একমাত্র ‘শিক্ষাকীর্তি’টি অনুসন্ধান করতে গিয়ে পাওয়া গেছে আইন লঙ্ঘনের ন্যক্কারজনক এক চিত্র।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ৬ ধারার ৯ উপধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, প্রস্তাবিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য অন্যূন পাঁচ কোটি টাকা যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসের ঠিকানা লেখা আছে বাড়ি-৬, মেইন রোড, দিয়াবাড়ী দক্ষিণ, তুরাগ, ঢাকা-১২৩০।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নথি ও ম্যাপ অনুযায়ী এই এলাকাটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ভেতরে। ফলে আইন অনুযায়ী গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পাঁচ কোটি টাকা জমা হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ১৭ মার্চের অনুমোদনপত্রে দেখা যায়, সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে মাত্র দেড় কোটি টাকা জমা রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকার আইন তোয়াক্কা না করে সাড়ে তিন কোটি টাকা কম জামানতে কেন এই অনুমোদন দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই অনিয়মের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব আব্দুল খালেক জানান, তিনি নতুন যোগ দিয়েছেন এবং অনুমোদনের সময় তিনি ছিলেন না। অন্যদিকে, তৎকালীন সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের অবসরে থাকায় তিনি দাবি করেছেন যে ৫ কোটির বদলে কেন দেড় কোটি টাকা জমা রাখা হয়েছে তা তার মনে পড়ছে না। তৎকালীন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি, তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ড. ইউনূস একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং গ্রামীণ মানুষের জীবন উন্নয়নে তার অনেক অবদান রয়েছে।

গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসান একেক সময় একেক রকম কথা বলছেন। প্রথমে তিনি দাবি করেন যে তারা কোনো আইন লঙ্ঘন করেননি এবং হয়তো পূর্বাচল গাজীপুরের মধ্যে হওয়ায় দেড় কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে আবার ইউজিসির একটি চিঠির ছবি পাঠিয়ে দাবি করেন যে তারা পাঁচ কোটি টাকাই জমা দিয়েছেন, যদিও মন্ত্রণালয়ের মূল নথিতে দেড় কোটি টাকার শর্তই বহাল আছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষ থেকে এই আবেদনের পর বিদ্যুৎ গতিতে সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ইউজিসি মাত্র এক মাসের মাথায় পরিদর্শন করে পজিটিভ রিপোর্ট দেয় এবং প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের অনুমোদন শেষে মাত্র তিন মাসের মাথায় ১৭ মার্চ পরিপত্র জারি করা হয়। অথচ রাজধানীর পূর্বাচলে সাউথ পয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টো গ্রান্ডেসহ ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইল সব প্রক্রিয়া শেষ করার পরও বছরের পর বছর ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে।

উত্তরায় বর্তমানে ৮ তলা দুটি ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী সেপ্টেম্বরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। 'জিরো প্রভার্টি' ও 'জিরো আনএমপ্লয়মেন্ট' এর মতো মহৎ লক্ষ্যের কথা বলা হলেও খোদ সরকারপ্রধানের প্রতিষ্ঠানের জন্য আইন শিথিল করার এই ঘটনাটি এখন বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ


দেশের ৯ জেলায় কালবৈশাখীর আঘাত! ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:৩৯:৫১
দেশের ৯ জেলায় কালবৈশাখীর আঘাত! ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের নয়টি জেলার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত এই বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে চলতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে এসব এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এই পূর্বাভাস জানানো হয়েছিল।

এদিকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোনো কোনো এলাকায় বিজলি চমকানোর পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও শঙ্কা রয়েছে। তবে দেশের বাকি অংশগুলোর আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা বেশি। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

/আশিক


১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান! শিক্ষা খাতে বড় বদল আনছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ২১:২৫:৫৩
১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান! শিক্ষা খাতে বড় বদল আনছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি ঘোষণা করেছেন যে, দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হবে। সংসদ নেতা হিসেবে এটিই ছিল তাঁর প্রথম প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে তিনি সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

অধিবেশনের নির্ধারিত ৩০ মিনিটে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীরের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সরকারের শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘জনগণের রায়ে আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছি। যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি যেমন কৃতজ্ঞতা রয়েছে, তেমনি যারা ভোট দেননি—সবার জন্যই সমানভাবে কাজ করা আমার সাংবিধানিক দায়িত্ব। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে।’

শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিন, এক বছর এবং পাঁচ বছর মেয়াদী পৃথক কর্মপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে স্কুল ড্রেস বিতরণের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসারেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে স্মার্ট ট্যাব প্রদান করা হবে।

এছাড়া ডিজিটাল ক্লাসরুম প্রসারের লক্ষ্যে ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কাজ চলছে। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৪১৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসায় উচ্চগতির বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ১৭২ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষায়িত ইতালিয়ান ও জাপানি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

/আশিক


সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির: সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ সংসদে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ২১:০৪:৫১
সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির: সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ সংসদে
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক বিরল ও ঐতিহাসিক নজির স্থাপিত হলো। দীর্ঘ ৫৩ বছরের পথচলায় এই প্রথমবারের মতো সরকারি দল বা ট্রেজারি বেঞ্চের কোনো সদস্যের আনা মুলতবি প্রস্তাব আলোচনার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই ঘোষণা দেন।

সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ বিধি অনুযায়ী ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ মুলতবি প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের লড়াই ও জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের ফসল এই সনদটি আমাদের ভবিষ্যতের পথরেখা।

এটি একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যেখানে সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন আইন-কানুন পরিমার্জনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা রয়েছে। এই সনদের প্রকৃত বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে সংসদের নিয়মিত কার্যক্রম মুলতবি রেখে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করে কার্যপ্রণালি বিধির ৬৫(২) বিধি অনুযায়ী আলোচনার অনুমতি প্রদান করেন। তিনি জানান, সংসদীয় ইতিহাসে সরকারি দলের পক্ষ থেকে মুলতবি প্রস্তাব আসার ঘটনা এটিই প্রথম।

সংসদের বর্তমান কাজের অবস্থা বিবেচনা করে আগামী ৫ এপ্রিল রবিবার দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসেবে এই প্রস্তাবের ওপর অনধিক দুই ঘণ্টা আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে এই নতুন অধ্যায়টি গণতন্ত্রের চর্চায় এক বিশেষ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

/আশিক


সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ১৮:১৭:৩৯
সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই হিসাব তুলে ধরেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।

এই পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকার সমান। পাচার হওয়া এই অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং-চীন। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি (এমএলএটি) স্বাক্ষরের বিষয়ে ইতোমধ্যে সম্মতি মিলেছে এবং বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে চিহ্নিত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই মামলাগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে পুলিশের সিআইডি, এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে।

সম্পদ জব্দের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংসদ নেতা জানান যে, বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক দেশে এ পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের নির্দেশে বিদেশে মোট ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার সম্পদ বর্তমানে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

মামলার হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ১৪১টি মামলা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টি মামলার চার্জশিট দাখিল এবং ছয়টি মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং দমনে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সংঘটিত এই অর্থনৈতিক অনিয়মের একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং চিহ্নিত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার বলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুনর্ব্যক্ত করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: