টাকার বিপরীতে আজকের ডলার-ইউরো-পাউন্ড রেট, কী বাড়ল

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১৪:১৬:১৫
টাকার বিপরীতে আজকের ডলার-ইউরো-পাউন্ড রেট, কী বাড়ল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের গুরুত্ব অপরিসীম, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিক নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ সচল রাখছেন। এই প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রবাসী আয়, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী, ব্রিটিশ পাউন্ড ও ইউরোর দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে পরিবর্তনের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে মার্কিন ডলারের দর তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে।

বর্তমান হিসাবে, প্রতি মার্কিন ডলার ক্রয়মূল্য ১২১.৯০ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৩.২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬০.৪৮ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৪.৭৮ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

ইউরোর ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে ক্রয়মূল্য ১৩৯.৯৩ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪৩.৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া জাপানি ইয়েনের ক্রয়মূল্য ০.৭৬ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ০.৭৯ টাকা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৩.৮১ থেকে ৮৪.৭৬ টাকা, হংকং ডলার ১৫.৫৫ থেকে ১৫.৭৩ টাকা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৩.৭১ থেকে ৯৬.২৩ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। এছাড়া কানাডিয়ান ডলার ৮৭.৬০ থেকে ৮৮.৬১ টাকা পর্যন্ত রয়েছে।

আঞ্চলিক মুদ্রার মধ্যে ভারতীয় রুপির ক্রয়মূল্য ১.৩১ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১.৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়াল ৩২.৪৮ থেকে ৩২.৮৪ টাকা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০.২১ থেকে ৩০.৫৯ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরো ও পাউন্ডের দর বৃদ্ধির পেছনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার এবং জ্বালানি বাজারের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে ডলারের তুলনামূলক স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিতে পারে।

প্রবাসীদের জন্য এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের প্রেরিত অর্থের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে আমদানি নির্ভর অর্থনীতিতে এই হার পণ্যের মূল্য ও বাজার পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলে।

সূত্রঃ এনসিসি ব্যাংক


জ্বালানি সংকটের মেঘ কাটছে! কালই চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ডিজেলের বিশাল চালান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১১:৫২:১৬
জ্বালানি সংকটের মেঘ কাটছে! কালই চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ডিজেলের বিশাল চালান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা ও মজুত সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার জোরালো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের সফল কূটনৈতিক তৎপরতা এবং বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানির ফলে এপ্রিল মাসেই ডিজেল ও অপরিশোধিত তেলের বেশ কয়েকটি বড় চালান দেশে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবারই (৩ এপ্রিল) প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুটি বড় জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে। এছাড়া পুরো মাসজুড়ে পর্যায়ক্রমে আরও কয়েক লাখ টন জ্বালানি তেল আসার সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে থাকা ডিজেলের মজুতের সঙ্গে এই নতুন আমদানি যুক্ত হলে সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মধ্যপ্রাচ্যের ওপর একক নির্ভরশীলতা কমাতে সরকার এখন নাইজেরিয়া, কাজাখস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো থেকে তেল সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছে। এমনকি রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগে সেখান থেকেও ডিজেল আমদানির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ আরও নিশ্চিত করেছে যে, শুধু ডিজেল নয়, অকটেন ও পেট্রোলের মজুত নিয়েও কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসে ৩৭ হাজার টন অকটেনের চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় বেসরকারি শোধনাগার থেকেই আসছে ৩০ হাজার টন। বাকি চাহিদা আমদানিকৃত তেল দিয়ে মেটানো হচ্ছে। অন্যদিকে, ৪৪ হাজার টন পেট্রোলের চাহিদার বড় অংশই স্থানীয় উৎস থেকে মেটানো সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ বর্তমানে সচল রয়েছে।

যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপও সফল হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী ছয়টি জাহাজকে ওই গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে আসার বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সৌদি আরবের লোহিত সাগর তীরবর্তী বন্দর থেকে বিকল্পভাবে কেনা এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল আগামী মাসের শুরুতেই দেশে পৌঁছাবে। বিপিসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক যেকোনো সংকট মোকাবিলায় বর্তমানে তিন মাসের অগ্রিম মজুত গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

/আশিক


এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:৩৬:২৬
এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এর ফলে দেশে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা দেশের স্বর্ণের বাজারের ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড।

বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা। বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতা এবং ডলারের দাপট কমে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে যাওয়াকেই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তবে স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী হলেও রুপার দাম বর্তমানে অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। আগের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মতে, স্বর্ণের এই উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে, যা উৎসব ও বিয়ের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

/আশিক


রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম! ৪ দিনেই দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ২১:৩৩:৩৭
রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম! ৪ দিনেই দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাম
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা চতুর্থ দিনের মতো স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এর ফলে দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামের ক্ষেত্রে এক নতুন রেকর্ড।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৩% বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৭৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত ১৯ মার্চের পর সর্বোচ্চ। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্স ১.৭% বেড়ে ৪,৭৫৫.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মূলত মার্কিন ডলারের দরপতন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ডলার দুর্বল হওয়ায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

দেশের বাজারে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৩ হাজার ১৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বিশ্ববাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকলে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ০৭:২৭:০৬
স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে, যা ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে। স্বর্ণের দাম নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন সর্বশেষ ঘোষণায় জানিয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন দামে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে এবং পরদিন বুধবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি অব্যাহত রয়েছে, যা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একটি ইঙ্গিত দেয়।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের বিনিময় হার এবং দেশীয় সরবরাহ পরিস্থিতির সম্মিলিত প্রভাবেই এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭১ টাকা। একইভাবে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ২১২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ক্ষেত্রে প্রতি ভরি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬২ টাকা।

উল্লেখযোগ্যভাবে, মাত্র কয়েকদিন আগেই স্বর্ণের দামে আরেক দফা সমন্বয় করা হয়েছিল। গত ২৮ মার্চ বাজুস প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায় নির্ধারণ করেছিল। সেই সময় ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা।

এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে স্বর্ণবাজার বর্তমানে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে এই ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

-রাফসান


৩ মাসে ৫০ বার সমন্বয়! স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতা থামবে কবে?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ২১:০৫:০৪
৩ মাসে ৫০ বার সমন্বয়! স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতা থামবে কবে?
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণের বাজারে বইছে অস্থিরতার ঝড়। চলতি বছরের মাত্র তিন মাসেই স্বর্ণের দাম পরিবর্তনের ‘অর্ধশতক’ পূর্ণ হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে দাম সমন্বয় করায় এ বছর মোট ৫০ বার দাম ওঠা-নামার রেকর্ড তৈরি হলো। নতুন তালিকায় ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, এই ৫০ বারের মধ্যে ২৯ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২১ বার। গত বছরের এই সময়ে মাত্র ১৭ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট যে এবারের বাজার কতটা টালমাটাল। বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান জানিয়েছেন, এই অস্থিরতার পেছনে দেশি কোনো কারণ নেই; বরং বিশ্ববাজারে কাগজের কলমে লেনদেন (পেপার ট্রেডিং) এবং মজুদদারির কারণেই এই পরিস্থিতি। স্বর্ণ পাচার রোধ এবং দেশি ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কমাতে বিশ্ববাজারের সাথে তাল মিলিয়ে এই ঘনঘন সমন্বয় করতে হচ্ছে।

বর্তমানে ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারের এই প্রবণতা চলতে থাকলে বছরের বাকি মাসগুলোতে দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা বলা কঠিন। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মানুষ স্বর্ণের দিকে ঝুঁকলেও বাস্তবের চেয়ে ‘কাগজে কলমে’ স্বর্ণের মজুদ বেশি থাকা নিয়ে বাজারে এক ধরণের সংশয়ও তৈরি হয়েছে।

/আশিক


চলতি বছর ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয়: আজ কততে ঠেকেছে ২২ ক্যারেট?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ১০:১৪:০৭
চলতি বছর ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয়: আজ কততে ঠেকেছে ২২ ক্যারেট?
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়ের পর স্বর্ণের দাম কিছুটা কমলেও বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়লেও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শনিবার (২৮ মার্চ) যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল, আজ মঙ্গলবারও সেই রেটেই কেনাবেচা চলছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকায়। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত মোট ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২১ বার কমেছে। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার বাজারেও চলছে অস্থিরতা। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২৯ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ বার দাম বেড়েছে এবং ১৩ বার কমেছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারেও ধাতু দুটির দাম বারবার ওঠানামা করছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

/আশিক


টাকা পাঠানোর আগে দেখে নিন আজকের সেরা রেট, লাভবান হবেন প্রবাসীরা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ১০:৩৮:৫৪
টাকা পাঠানোর আগে দেখে নিন আজকের সেরা রেট, লাভবান হবেন প্রবাসীরা
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববাজারের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে প্রতিদিনের মতো আজও বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) ২০২৬-এর বাজার দর অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক লেনদেনের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

একই সাথে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর বিনিময় মূল্য ১৪০ টাকা ১৩ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬২ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

প্রবাসী অধ্যুষিত দেশগুলোর মুদ্রার বিনিময় হারেও আজ বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ৩১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং কুয়েতি দিনারের মূল্য ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

এছাড়া এশীয় দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০ টাকা, সিঙ্গাপুরি ডলার ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সা এবং ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩৩ পয়সা দরে কেনাবেচা হচ্ছে।

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার আজ ৮৫ টাকা ৬৮ পয়সা নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান গতির কারণে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে তারা এও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই লেনদেনের আগে সর্বশেষ বাজার দর যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

/আশিক


সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ১০:১৮:০৩
সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ দফায় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। শনিবার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় এবং সেদিন বিকেল ৪টা থেকেই নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস আজ সোমবারও দেশের বাজারে এই নতুন রেকর্ড দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই নতুন মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের বাজারে রুপার দাম বর্তমানে অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় ও স্থানীয় চাহিদার কারণে স্বর্ণের দামে এমন বড় উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

/আশিক


রেমিট্যান্সে সর্বকালের সব রেকর্ড ভঙ্গ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ২২:০৭:৩৩
রেমিট্যান্সে সর্বকালের সব রেকর্ড ভঙ্গ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) নতুন এক মাইলফলক তৈরি হয়েছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৮ দিনেই দেশে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ বা ৩.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা একক কোনো মাসের হিসেবে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার (২৯ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঐতিহাসিক অর্জনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা চলতি মাসের ২৮ দিনেই ছাড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। জুলাই থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। রেমিট্যান্সের এই জোয়ার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুধু মাসিক বা নির্দিষ্ট সময়ের হিসেবেই নয়, পুরো অর্থবছরের হিসেবেও এবার রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো একটি একক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উৎসাহমূলক পদক্ষেপ এবং প্রবাসীদের দেশপ্রেমের প্রতিফলন হিসেবে এই অর্জনকে দেখা হচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: