খারগ দ্বীপে হামলা করলে কেউ জীবিত ফিরবে না: ইরানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৭:২৬:২২
খারগ দ্বীপে হামলা করলে কেউ জীবিত ফিরবে না: ইরানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলার দুঃসাহস দেখালে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক কড়া বিবৃতিতে ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "খারগ দ্বীপে যারাই হামলা চালাবে, তারা আর জীবিত ফিরে যাবে না।" ইরান ইন্টারন্যাশনাল ও আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

খারগ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু এবং দেশটির সিংহভাগ তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি করা হয়। ইব্রাহিম রেজাই স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই দ্বীপে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব হবে নজিরবিহীন ও কঠোর। তেহরানের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় শত্রুরা ইরানের এই দ্বীপটি দখলের নীল নকশা তৈরি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কেবল হামলাকারীকেই নয়, বরং সহযোগিতাকারী ওই আঞ্চলিক দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো’ মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারও এই সতর্কবার্তায় সুর মিলিয়ে বলেছেন, শত্রুর প্রতিটি গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইরান। যদি কোনো পক্ষ সামান্যতম উসকানিমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ও নিরলস ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে খারগ দ্বীপকে কেন্দ্র করে ইরানের এই চরম হুঁশিয়ারি পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে।

/আশিক


যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে:  ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ১০:৪৮:২৩
যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে:  ট্রাম্প
ছবি : রয়টার্স

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন খাদের কিনারায়। শান্তি স্থাপনের লক্ষে তেহরানের দেওয়া পাল্টা শর্তগুলোকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে পুরো শান্তি চুক্তিটি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে।

শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং মার্কিন নৌ অবরোধ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি তেলের বিশ্ববাজারের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চেয়েছে তারা। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই দাবিগুলোকে সরাসরি ‘আবর্জনা’ বলে নাকচ করে দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের কারণে গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সাময়িক স্থিতিশীলতা এখন চরম হুমকির মুখে।

এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে তেলের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড। এরই মধ্যে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর, যারা অবৈধভাবে ইরানি তেল চীনে পাঠাতে সহায়তা করছে।

ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ ন্যায্য এবং যেকোনো সামরিক আগ্রাসনের জবাব দিতে তাদের বাহিনী প্রস্তুত। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে যে সমঝোতা না হলে তারা পুনরায় আরও কঠোর সামরিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকে হাঁটবে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বের নজর এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

সূত্র : রয়টার্স


ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ২১:২৬:৪১
ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যুদ্ধ এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে সরাসরি আঘাত হানছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ৪.৬৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯.৯৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রায় ১০০ ডলারের দোরগোড়ায়।

ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে 'পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য' বলে প্রত্যাখ্যান করার পরপরই এই অস্থিরতা শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক তেলের চুক্তি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা যেকোনো সময় পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে।

এদিকে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে অভিহিত করেছেন। ইরান পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের পাল্টা প্রস্তাব পাঠালেও ট্রাম্প তা নাকচ করে দেন। তেহরানের দাবি—অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত না করা পর্যন্ত স্থিতিশীলতা ফিরবে না। বাকেই জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের প্রস্তাবগুলো ছিল ‘বৈধ ও উদার’, কিন্তু ওয়াশিংটন তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই অনড় অবস্থানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে জ্বালানি খাত। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট চাহিদার ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। এই পথে সামান্য ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কাতেই বিশ্ববাজারে দামের এই উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

/আশিক


ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১৯:৩০:৫৯
ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার নেপথ্যে ইসরায়েলের এক সুদূরপ্রসারী ‘নীলনকশা’ ফাঁস করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রভাবশালী কূটনীতিক শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার ‘আল মুকাবালা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান যুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে সাজানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।

শেখ হামাদের মতে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ১৯৯০-এর দশক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করে আসছিলেন। আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো সরাসরি যুদ্ধে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও, নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনকে একটি ‘ভ্রম’ বা অলীক স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে, এই যুদ্ধ হবে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানি সরকারের পতন ঘটবে।

সাক্ষাৎকারে শেখ হামাদ অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে জানান, এই যুদ্ধের ডামাডোলে নেতানিয়াহু মূলত তার ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ বা বৃহত্তর ইসরায়েলের ধারণা বাস্তবায়ন করছেন। ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থীদের এই পরিকল্পনায় প্রতিবেশী আরব ভূখণ্ড দখল করে দেশের সীমানা সম্প্রসারণের চিন্তা রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি ‘জোরপূর্বক আঞ্চলিক জোট’ তৈরির চেষ্টা চলছে, যা আগামী কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

হরমুজ প্রণালির বর্তমান সংকটকে যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফল হিসেবে অভিহিত করে তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোকে একটি ‘যৌথ প্রতিরক্ষা জোট’ গঠনের আহ্বান জানান। শেখ হামাদ স্মরণ করিয়ে দেন যে, গত বছরই তিনি সামরিক হামলা এড়াতে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সমাধানের পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাবে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা


মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১৭:৫৫:১৪
মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন করে অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। পাল্টা জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শর্তগুলোকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিক জবাব ওয়াশিংটনকে পাঠিয়েছেন। ইরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুরো অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা।

বাকেই জোর দিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বাড়তি সুবিধা চাইছি না। আমাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ বৈধ—অবরোধ প্রত্যাহার, জলদস্যুতামূলক আচরণ বন্ধ এবং জব্দ করা সম্পদ ফেরত পাওয়া।" এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করাকেও তাদের প্রস্তাবের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লিখেছেন, "আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার পছন্দ হয়নি। এই প্রস্তাব পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য!" যদিও ট্রাম্পের প্রস্তাবে কী ছিল বা ইরানের কোন শর্তে তিনি ক্ষুব্ধ, তার বিস্তারিত কোনো পক্ষই এখনো প্রকাশ করেনি।

রোমের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির বিশ্লেষক আন্দ্রেয়া দেসি এই পরিস্থিতিকে ‘মোটেও ইতিবাচক নয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

/আশিক


গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১২:৩২:৫৯
গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?
ছবি : সংগৃহীত

এলিয়েন এবং ইউএফও (UFO) নিয়ে মানুষের চিরন্তন রহস্যের তৃষ্ণা মেটাতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ নির্দেশে তৈরি করা হয়েছে একটি ডেডিকেটেড ওয়েবসাইট, যেখানে অবমুক্ত করা হচ্ছে ভিনগ্রহের প্রাণী সংক্রান্ত গোপন সব নথি ও ছবি। তবে বিশাল এই তথ্যভাণ্ডারে রোমাঞ্চ থাকলেও এলিয়েনদের অস্তিত্ব নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অকাট্য প্রমাণ মেলেনি।

গত ফেব্রুয়ারিতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিনগ্রহের প্রাণী ও ইউএফও সংক্রান্ত সব সরকারি ফাইল জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের ধারাবাহিকতায় ‘ওয়ার ডটগভ স্ল্যাশইউএফও’ (war.gov/ufo) নামে নতুন একটি পেজ চালু করেছে যুদ্ধ বিভাগ। এখানে এফবিআই, নাসা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েক দশকের জমানো অসংখ্য ফাইল ও রহস্যময় ছবি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

পুরো ওয়েবসাইটটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা সাধারণ মানুষের কৌতূহল বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইলগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে সেখানে অতিপ্রাকৃত কোনো দাবির পক্ষে জোরালো প্রমাণ নেই। মূলত সরকারি আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ব্যাখ্যাতীত ঘটনাগুলোকে কীভাবে নথিবদ্ধ করা হয়, এটি তারই একটি দালিলিক সংকলন। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ইরান যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতি থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই কি এই 'এলিয়েন কার্ড' ব্যবহার করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নও উঠছে।

দীর্ঘদিন ধরে ইউএপি (Unidentified Anomalous Phenomena) নিয়ে মার্কিন সরকারের গোপনীয়তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও ২০১৭ সালে 'এএটিআইপি' (AATIP) প্রকল্পের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক গবেষণার বিষয়টি সামনে আসে। বর্তমানে যুদ্ধ বিভাগের অধীনে ‘অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস’ (AARO) এই গবেষণার কাজগুলো তদারকি করছে। যদিও এর আগে প্রকাশিত ভিডিওগুলোর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি, তবুও সরকারি প্রতিবেদনে সেগুলোকে ভিনগ্রহের মহাকাশযান বলতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছিল।

নতুন এই ফাইলগুলো প্রকাশের ফলে এলিয়েন রহস্যের জট আদৌ খুলবে কি না তা নিয়ে সংশয় থাকলেও, কৌতূহলী মানুষের কাছে এটি এখন ইন্টারনেটের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।

/আশিক


আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১১:৫৬:১১
আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য আলোচনাকে 'আত্মসমর্পণ' হিসেবে দেখতে নারাজ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। রোববার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সংলাপ মানে পিছু হটা নয়, বরং এটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জনগণের অধিকার আদায়ের একটি কৌশলগত লড়াই।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই তার বৈধ অধিকার থেকে এক চুলও সরবে না এবং শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না। তার মতে, আলোচনার টেবিলে বসা মানেই পরাজয় মেনে নেওয়া নয়; বরং এর মূল লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় মোকাবিলা করা এবং দৃঢ়ভাবে জাতীয় অধিকার নিশ্চিত করা।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক আগ্রাসন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো আলোচনার একমাত্র বিষয় হতে হবে 'যুদ্ধ বন্ধ'। পারমাণবিক কর্মসূচির মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো কেবল সংঘাত থামার পরই আলোচনায় আসতে পারে।

অন্যদিকে, ইরানের এই অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান আবারও যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবিগুলো মানতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম মজুত এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ নিরসনে তেহরান কোনো সন্তোষজনক সমাধান দেয়নি। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইরান গত পাঁচ দশক ধরে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণের পুরনো কৌশল অনুসরণ করে আসছে।

/আশিক


বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি মেগা বৈঠক: আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইস্যু

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১১:৩৬:৩৫
বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি মেগা বৈঠক: আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইস্যু
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় বেইজিং পৌঁছাবেন বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসবেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সফরে ইরান ইস্যুতে চীনা প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ‘চাপ দেবেন’ ট্রাম্প। বিশেষ করে ইরানের তেল বিক্রি এবং তেহরানের সামরিক ও বেসামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য পণ্য ক্রয়ের বিষয়ে বেইজিংয়ের ওপর কঠোর অবস্থান নিতে পারে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে দুই নেতার উপস্থিতিতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং শুক্রবার এই সফর শেষ হবে।

কেলি এই সফরকে ‘অত্যন্ত প্রতীকী তাৎপর্যপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা এবং মার্কিন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে পারস্পরিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। উল্লেখ্য, এই সফরটি বছরের শুরুর দিকে হওয়ার কথা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ মাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

মার্কিন প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই সফরে চীন কর্তৃক ইরানকে ‘অর্থায়নের’ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলবেন। সম্প্রতি মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট অভিযোগ করেছেন, ইরান সন্ত্রাসবাদের বড় পৃষ্ঠপোষক হওয়া সত্ত্বেও চীন তাদের উৎপাদিত জ্বালানির ৯০ শতাংশ ক্রয় করছে, যা প্রকৃতপক্ষে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে শক্তিশালী করছে।

অন্যদিকে, ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি পরিবহনে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে কথা বলবেন ট্রাম্প।

ইরান ইস্যুর পাশাপাশি এই আলোচনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চীনের অবস্থান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং মার্কিন প্রযুক্তি খাতের জন্য অপরিহার্য ‘রেয়ার আর্থ মিনারেলস’ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

মার্কিন প্রতিনিধিদলে বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং কয়েকটি কৃষিভিত্তিক কোম্পানির কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয় তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। চীন এই সফরকে যুদ্ধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ হিসেবে দেখলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা


যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১০:৫৩:৪৬
যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান ও সেনাদের লক্ষ্য করে নজিরবিহীন আক্রমণ চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সোমবার (১১ মে) এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর অন্তত ২৪টি সফল হামলা পরিচালনা করেছে। মূলত ইসরায়েল কর্তৃক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, এই আক্রমণগুলোতে খিয়াম, দেইর সেরিয়ান, তায়র হারফা ও নাকোরার মতো সীমান্ত এলাকাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাসমাবেশ, মেরকাভা ট্যাংক, ডি-নাইন বুলডোজার এবং নতুন স্থাপিত কমান্ড সেন্টারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই অভিযানে ড্রোন, রকেট, কামানের গোলা এবং অত্যাধুনিক গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। বেশ কিছু হামলায় ‘সুনিশ্চিত আঘাত’ হানার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, লেবানন থেকে ড্রোনের অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় রোববার গভীর রাতে আপার গ্যালিলি অঞ্চলে দফায় দফায় বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা একটি ‘সন্দেহজনক আকাশযান’ ভূপাতিত করেছে এবং একে হিজবুল্লাহ কর্তৃক যুদ্ধবিরতি সমঝোতার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৯৩ জন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ১৪ ও ১৫ মে ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সীমান্তের এই রণক্ষেত্র আলোচনার পরিবেশকে জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ২১:৫৯:১৯
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব
ছবি : সংগৃহীত

তেল আবিবের রাজপথে আবারও উত্তাল জনতা। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকশ মানুষ। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতভর চলা এই বিক্ষোভে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে ইরান ও লেবানন সংকট, অন্যদিকে কট্টর অর্থোডক্স ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ থেকে ছাড় দেওয়ার বিতর্কিত ইস্যুটি নেতানিয়াহু সরকারকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত ডেভিড আলকান বর্তমান সরকারকে একটি “বিপর্যয়” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অনবরত মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তার মতে, বাইরের শত্রু ইরানের চেয়েও ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ ফাটল এখন রাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীর সামরিক সেবায় অংশ না নেওয়ার মানসিকতাকে তিনি জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’-এর মতো স্লোগান শোভা পাচ্ছে। অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে “বিবি এসকোবার” নামেও স্লোগান দেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের ময়দানের চাপের চেয়েও এখন নেতানিয়াহুর বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজপথের এই গণঅসন্তোষ।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

পাঠকের মতামত: