ভিডিও নেই কেন? ছবি প্রকাশ করেও কেন নিরব ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৬:১০:০৯
ভিডিও নেই কেন? ছবি প্রকাশ করেও কেন নিরব ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর?
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা এবং তাঁর বেঁচে থাকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে রহস্য দানা বেঁধেছিল, তা নিরসনে এবার নতুন একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম 'টাইমস অব ইসরায়েল' প্রধানমন্ত্রীর একটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছে যে, ছবিটি গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) ধারণ করা হয়েছে। মূলত গত কয়েক দিন ধরে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর গুরুতর আহত হওয়া বা মৃত্যুর যে জোরালো গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, এই ছবি প্রকাশের মাধ্যমে তার একটি পরোক্ষ জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

এর আগে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির হিব্রু সংস্করণে নেতানিয়াহুর অন্তর্ধান নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে প্রায় তিন-চার দিন ধরে নতুন কোনো ভিডিও বা ছবি প্রকাশিত হয়নি এবং তাঁর নামে আসা সাম্প্রতিক বার্তাগুলো ছিল কেবল লিখিত। যেখানে আগে প্রতিদিন একাধিক ভিডিও বার্তা আসত, সেখানে এই দীর্ঘ নিরবতা জনমনে ব্যাপক সন্দেহ তৈরি করেছিল। এছাড়া ৮ মার্চ থেকে তাঁর বাসভবনের চারপাশে নজিরবিহীন নিরাপত্তা এবং ড্রোন হামলা মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের খবর এই জল্পনাকে আরও উসকে দেয়।

রহস্য আরও ঘনীভূত হয় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের নির্ধারিত ইসরায়েল সফর হঠাৎ বাতিল করা হয়। এই সফরের বাতিলের পেছনে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলে অনেকে ধরে নেন। পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর টেলিফোন আলাপের কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে কেবল একটি লিখিত বিবরণ প্রকাশ করাও এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করেছিল।

বর্তমানে প্রকাশিত ছবিটি সেই রহস্যের চাদর কিছুটা সরালেও ইসরায়েল সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখনো কোনো জোরালো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা ভিডিও ফুটেজ সামনে আসেনি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও আলোচনা চলছে যে, পরিস্থিতি কি আসলেই স্বাভাবিক নাকি এর পেছনে অন্য কোনো গভীর সমীকরণ রয়েছে। তবে টাইমস অব ইসরায়েলের প্রকাশিত এই ছবিটি আপাতত উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কিছুটা স্থিতিশীল করার প্রচেষ্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/আশিক


যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, আর বিল দিচ্ছে পুরো বিশ্ব: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৯:৪৬:৩৫
যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, আর বিল দিচ্ছে পুরো বিশ্ব: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র নিজেই যুদ্ধ শুরু করে এখন সেই যুদ্ধের খরচের ‘বিল’ পুরো বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।

বাঘায়ি উল্লেখ করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর আগপর্যন্ত কৌশলগত হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নিরাপদ ছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে বেআইনি ও বর্বর যুদ্ধ শুরু করার ফলেই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে তেলের ট্যাংকার আটকে গেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরানি মুখপাত্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ও সংকটের সম্পূর্ণ দায় ইরানের ওপর চাপাতে চাইছে। ওয়াশিংটন যুদ্ধকে এমন একটি বয়ানে হাজির করছে যেন চলমান পরিস্থিতি তেহরানের পদক্ষেপেরই ফল। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু করেছে ওয়াশিংটন, অথচ সেই সংঘাতের যাবতীয় আর্থিক ও কৌশলগত খেসারত দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বিশ্ববাসীকে।

সূত্র : ইরনা


ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রিতে খামেনির নাম যেভাবে সামনে এল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৮:৩৯:১৭
ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রিতে খামেনির নাম যেভাবে সামনে এল
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের কেনসিংটন এলাকায় ইসরায়েলি দূতাবাসের মাত্র ৫০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সংশ্লিষ্ট দুটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ডের সম্মিলিত ক্রয়মূল্যের এই সম্পত্তি দুটি বন্ধকী ঋণের কিস্তি খেলাপি হওয়ায় ব্রিটিশ সরকারের অনুমোদনে রিসিভারশিপের আওতায় নিলামে তোলা হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সানডে টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, কেনসিংটনের প্যালেস গ্রিনের ৩-এ নম্বর ভবনের নিবন্ধিত মালিক ইরানি ব্যাংকার আলি আনসারি, যাঁকে মোজতবা খামেনির গোপন আন্তর্জাতিক সম্পদ নেটওয়ার্কের মূল অর্থদাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ।

বিক্রির তালিকায় ওঠা পাঁচ বেডরুমবিশিষ্ট ৩ হাজার ৯৪৪ বর্গফুটের একটি ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের বর্তমান দর চাওয়া হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের কিছু কম, যা ২০১৬ সালে আনসারি ১ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ডে কিনেছিলেন। অন্য অ্যাপার্টমেন্টটি এখনো প্রকাশ্যে তালিকায় না আসলেও দুটি ফ্ল্যাটের অবস্থান নিয়েই মূল কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

প্রিন্স অব ওয়েলসের সরকারি বাসভবনের কাছাকাছি এবং ইসরায়েলি দূতাবাসের পেছনের অংশের ঠিক মুখোমুখি হওয়ায় তাত্ত্বিকভাবে এই ফ্ল্যাটগুলো থেকে নজরদারি বা তথ্য সংগ্রহের ঝুঁকি ছিল বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন; যদিও এমন ব্যবহারের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া আনসারির আইনজীবী অবশ্য খামেনি বা আইআরজিসির সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক যোগাযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঋণদাতা ও সংশ্লিষ্ট বকেয়া পরিশোধের পর বিক্রির অবশিষ্ট অর্থ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা পর্যন্ত জব্দ থাকবে বলে জানা গেছে।

সূত্র : দ্য সানডে টাইমস


৩ ইরানি ট্যাংকারে আঘাতের পর মার্কিন ড্রোন জাহাজে হামলার দাবি তেহরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ২১:১১:৪৪
৩ ইরানি ট্যাংকারে আঘাতের পর মার্কিন ড্রোন জাহাজে হামলার দাবি তেহরানের
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করা একটি মার্কিন ড্রোন জাহাজে (চালকবিহীন জাহাজ) হামলার দাবি করেছে ইরান। তবে ইরানের এই দাবিকে পুরোপুরি ‘ডাহা মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এর মাত্র এক দিন আগেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার জবাবে তিনটি ইরানি তেলের ট্যাংকারে আঘাত হেনেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনা নতুন করে চরমে পৌঁছেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংঘাত জুনে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছালেও আলোচনা থমকে যাওয়ায় তা টেকসই হয়নি। এক মাস কিছুটা শান্ত থাকার পর সম্প্রতি সংঘাত আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে; সপ্তাহের শুরুতেই দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি ইরানের অর্থ লেনদেনকারী আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা ও চাপ জোরদার করেছে।

বিপরীতে ইরানের নেতৃত্বও নতি স্বীকার না করে ‘ডার্ক ফ্লিট’ বা গোপন নৌবহরের মাধ্যমে তেল বিক্রি সচল রেখে অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার চেষ্টা করছে। মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা দেশগুলো (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি) যখন দেশটিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালিতে প্রভাব খাটিয়েই কৌশলগত চাপ তৈরি করে চলেছে তেহরান।

/আশিক


আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমাও ফেলেছি: আই২৪ নিউজে নেতানিয়াহুর দম্ভোক্তি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ২০:৫৪:২৩
আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমাও ফেলেছি: আই২৪ নিউজে নেতানিয়াহুর দম্ভোক্তি
ছবি : সংগৃহীত

গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কাতারে সরাসরি বিমান ও বোমা হামলা চালানোর কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সম্প্রতি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘আই২৪ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত দম্ভভরে বলেন, ‘আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমা হামলাও চালিয়েছি। যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি। আর তারাও আমার ওপর হামলা করেছে।’ শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাক্ষাৎকারটির ভিডিও প্রকাশ করে কাতারকে একটি ‘শত্রুভাবাপন্ন’ রাষ্ট্র হিসেবেও আখ্যা দেন তিনি। নেতানিয়াহু দাবি করেন, যুদ্ধ চলাকালে তেল আবিবের নীতি ও সিদ্ধান্তে কাতার কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠকে বসা হামাসের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। ওই হামলায় হামাসের পাঁচ নেতাসহ কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। হামলার প্রথম বার্ষিকীর মাত্র কয়েক দিন আগে নেতানিয়াহুর এই স্বীকারোক্তিমূলক সাক্ষাৎকার প্রকাশ নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে কাতার; এমনকি ২০১২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই দেশটিতে হামাসের রাজনৈতিক দপ্তর পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে দোহার দাবি। গত বছর পরিচালিত ইসরায়েলি হামলাকে কাতারের পক্ষ থেকে ‘কাপুরুষোচিত’ এবং আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসসহ ইরান, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও জর্ডানের মতো দেশগুলোও তখন কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কঠোর নিন্দা জানিয়েছিল।

সূত্র: আলজাজিরা


চীন-নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ বিপর্যয়: গিরং বন্দরে চলছে জটিল উদ্ধার তৎপরতা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ১৯:৩৮:০১
চীন-নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ বিপর্যয়: গিরং বন্দরে চলছে জটিল উদ্ধার তৎপরতা
ছবি : সংগৃহীত

হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় চীন ও নেপাল সীমান্তের গিরং স্থলবন্দর কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দুর্যোগের পর রোববার প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীদের তিব্বতের ক্ষতিগ্রস্ত সীমান্ত এলাকাটি পরিদর্শনের অনুমতি দেয় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্যস্ত এই বন্দরের প্রধান পাঁচতলা কাস্টমস ভবনটি পানির তোড়ে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে; পূর্বের বহু স্থাপনার মধ্যে কেবল একটি পানির ট্যাংকের ধ্বংসাবশেষ অবশিষ্ট রয়েছে। একসময়কার ২০ মিটার উঁচু প্রবেশদ্বারে এখন চীনের জাতীয় পতাকা টানিয়ে রাখা হয়েছে এবং চারপাশে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়ে উদ্ধারকর্মীরা ভারী খননযন্ত্র ও বেলচা নিয়ে নিখোঁজদের অনুসন্ধানে কাজ চালাচ্ছেন।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত গিরং স্থলবন্দর এলাকায় কাদামাটির পুরু স্তর, নতুন করে ভূমিধসের ঝুঁকি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে তল্লাশি অভিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এলাকাটিতে প্রবেশের একমাত্র স্থলপথটি সম্প্রতি চালু হওয়ার পর অস্থায়ী খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর চেষ্টা চলছে। চীনা কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটিকে সাতটি জোনে ভাগ করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে, যার মধ্যে চারটি অংশের কাজ শেষ হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট সংঘটিত এই প্রলয়ংকরী বন্যায় চীন ও নেপাল মিলিয়ে প্রাণহানি ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৫ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে তিব্বত অংশে ৩১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজ ৫৩১ জনের মধ্যে ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

তিব্বত ও নেপালের মধ্যকার এই সীমান্ত পথটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছাড়াও হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কৈলাস পর্বত তীর্থযাত্রার প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিব্বত অংশে নিখোঁজ বিদেশিদের একটি বড় অংশই ছিলেন ভারতীয় হিন্দু তীর্থযাত্রী। নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৯ জন ভারতীয়ের শনাক্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে, যাদের সন্ধানে পরিবারগুলো উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

/আশিক


অস্ত্রের ঘাটতির তথ্য ফাঁস: পেন্টাগনের ৫০ শীর্ষ কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ১৯:২৩:৪৯
অস্ত্রের ঘাটতির তথ্য ফাঁস: পেন্টাগনের ৫০ শীর্ষ কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাস্ত্রের ঘাটতি দেখা দেওয়ার সংবেদনশীল তথ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর চরম তোলপাড় শুরু হয়েছে ওয়াশিংটনে। এই গোপন তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ ৫০ জন কর্মকর্তার ওপর পলিগ্রাফ (মিথ্যা শনাক্তকরণ) পরীক্ষা চালিয়েছে পেন্টাগন। প্রভাবশালী মার্কিন দৈনিক ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত আগস্ট মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের ধারাবাহিকভাবে এই লাই ডিটেক্টর পরীক্ষার মুখোমুখি করা হয়। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার তথ্য জনসমক্ষে চলে আসায় অভ্যন্তরীণ তদন্ত জোরদার ও ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে কঠোর বার্তা দেওয়াই ছিল এর উদ্দেশ্য। এ বিষয়ে পেন্টাগনের মুখপাত্র শিন পারনেল স্পষ্ট জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ফাঁসকে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে।

এদিকে অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে তথ্য ফাঁসে জড়িতদের ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমান সংঘাত বা ভবিষ্যতের যেকোনো যুদ্ধ পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে প্রায় সীমাহীন অস্ত্রের মজুদ রয়েছে এবং দেশটির প্রতিরক্ষা কারখানাগুলো এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ গতিতে নতুন গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্র প্রস্তুত করছে।

/আশিক


ওয়াশিংটনকে ‘যন্ত্রণাদায়ক জবাবের’ নতুন হুঁশিয়ারি শীর্ষ নেতার

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ১৮:০৯:২২
ওয়াশিংটনকে ‘যন্ত্রণাদায়ক জবাবের’ নতুন হুঁশিয়ারি শীর্ষ নেতার
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সার্বভৌম স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর নতুন করে কোনো আগ্রাসন চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও দ্রুত, কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক জবাব দেওয়া হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ (কালিবাফ)। রোববার পার্লামেন্টের আনুষ্ঠানিক অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ইরানের পক্ষ থেকে শত্রুর আঘাতের পরিমাপে কেবল ‘সমানুপাতিক জবাব’ দেওয়ার দিন শেষ হয়ে গেছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে তেহরানের চালানো অভিযানকে তিনি সম্ভাব্য বৃহত্তর পদক্ষেপের কেবল সূচনা বলে উল্লেখ করেন।

গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জেনে রাখা উচিত যে যেকোনো নতুন আগ্রাসনের ক্ষেত্রে ইরান এখন আর আত্মরক্ষার প্রচলিত সীমায় আটকে থাকবে না; বরং আরও অনেক বেশি বিধ্বংসী ও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তিনি দাবি করেন, মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের সফল হামলা ওয়াশিংটনকে কৌশলগতভাবে কোণঠাসা ও চাপে ফেলেছে। একই সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের দুর্বলতা ও বাস্তব ক্ষয়ক্ষতির চিত্র আড়াল করতে যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দিয়ে বিভ্রান্তিকর ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করে বিশ্বজুড়ে অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাতের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়, যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্থাপনায় উপর্যুপরি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পরবর্তী সময়ে জুন মাসে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও উভয় পক্ষই চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আনে। ফলে হরমুজ প্রণালির নৌ-নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া থমকে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই বৈরী শক্তির মধ্যে তীব্র সংঘাত ও সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু


মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে তেল আবিবের বড় লক্ষ্য প্রকাশ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৪ ২১:৫৩:৫২
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে তেল আবিবের বড় লক্ষ্য প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা উৎখাত করাই ইসরায়েলের প্রধান লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্য এখন তাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তেল আবিবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) জেনারেল স্টাফ ফোরামের সঙ্গে রোশ হাশানার এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল। নেতানিয়াহুর মতে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব ক্রমাগত সামরিক চাপে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং এখন কেবল টিকে থাকার লড়াই চালাচ্ছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিরতরে এই হুমকি দূর করার সক্ষমতা তেল আবিবের রয়েছে এবং তেহরানের সরকার পতন ঘটানো এখন কোনো অসম্ভব বিষয় নয়, বরং পুরোপুরি বাস্তবসম্মত। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পরিচালিত সামরিক অভিযানের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে তিনি শত্রুদের সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যেন কেউ সংঘাতে না জড়ায়। এর আগে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজও একই সুরে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, ইসরায়েলে কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে ইরানের শাসনব্যবস্থার সব অবকাঠামো এবং জ্বালানি স্থাপনায় সরাসরি আঘাত হানা হবে।

অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননের আলি তাহের রিজ এলাকায় হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে আইডিএফ, যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর পাল্টা জবাবের হুমকি দিয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, আসন্ন ইহুদি ধর্মীয় উৎসব ও ৭ অক্টোবরের তৃতীয় বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিদেশে অবস্থানরত ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর হামলার ছক কষছে ইরানের কুদস ফোর্স ও হামাস। তেহরান সরাসরি লড়াইয়ের বাইরে গিয়ে অন্য কোনো ময়দানে বড় ধরনের আঘাত হেনে মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে মনে করছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা নেতৃত্ব।

সূত্র : দ্য টাইমস অব ইসরায়েল


নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৪ ২১:০৩:৪০
নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে ইরান আকস্মিক কোনো সামরিক বা কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিউনিশিয়ায় দায়িত্ব পালন করা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জোয়ি হুড। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে জানান, আগামী নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই সময়ের মধ্যে তেহরান যেকোনো বড় ধরনের অপ্রত্যাশিত আঘাত হানতে পারে।

জোয়ি হুড উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টদের নির্বাচনী সময়ে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে ইরানের। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের শাসনামল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের আবহেই ইরান এ ধরনের চাপ তৈরির নজির তৈরি করেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে; আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়ে ইরান মার্কিন অর্থনীতিতে আঘাত হানতে পারে। কারণ মার্কিন সাধারণ ভোটাররা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।

বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না জানিয়ে সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, উভয় দেশের মধ্যে চরম কূটনৈতিক অচলাবস্থা বিরাজ করছে। এ অচলাবস্থা কাটাতে তৃতীয় কোনো মধ্যস্থতাকারী দেশের পক্ষ থেকে বড় ধরনের জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ সংকট উত্তরণে মক্কা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মত দেন। উপসাগর ও উত্তর আরব সাগরে ওই দেশগুলোর নৌবহর পাঠিয়ে হরমুজ প্রণালির সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া গেলে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা রোখার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নৌ-অবরোধের ওপর নির্ভরতাও বহুলাংশে কমে আসবে।

সূত্র: আল জাজিরা

পাঠকের মতামত: