ভিডিও নেই কেন? ছবি প্রকাশ করেও কেন নিরব ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৬:১০:০৯
ভিডিও নেই কেন? ছবি প্রকাশ করেও কেন নিরব ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর?
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা এবং তাঁর বেঁচে থাকা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে রহস্য দানা বেঁধেছিল, তা নিরসনে এবার নতুন একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম 'টাইমস অব ইসরায়েল' প্রধানমন্ত্রীর একটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছে যে, ছবিটি গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) ধারণ করা হয়েছে। মূলত গত কয়েক দিন ধরে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর গুরুতর আহত হওয়া বা মৃত্যুর যে জোরালো গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, এই ছবি প্রকাশের মাধ্যমে তার একটি পরোক্ষ জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

এর আগে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির হিব্রু সংস্করণে নেতানিয়াহুর অন্তর্ধান নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে প্রায় তিন-চার দিন ধরে নতুন কোনো ভিডিও বা ছবি প্রকাশিত হয়নি এবং তাঁর নামে আসা সাম্প্রতিক বার্তাগুলো ছিল কেবল লিখিত। যেখানে আগে প্রতিদিন একাধিক ভিডিও বার্তা আসত, সেখানে এই দীর্ঘ নিরবতা জনমনে ব্যাপক সন্দেহ তৈরি করেছিল। এছাড়া ৮ মার্চ থেকে তাঁর বাসভবনের চারপাশে নজিরবিহীন নিরাপত্তা এবং ড্রোন হামলা মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের খবর এই জল্পনাকে আরও উসকে দেয়।

রহস্য আরও ঘনীভূত হয় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের নির্ধারিত ইসরায়েল সফর হঠাৎ বাতিল করা হয়। এই সফরের বাতিলের পেছনে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলে অনেকে ধরে নেন। পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর টেলিফোন আলাপের কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে কেবল একটি লিখিত বিবরণ প্রকাশ করাও এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করেছিল।

বর্তমানে প্রকাশিত ছবিটি সেই রহস্যের চাদর কিছুটা সরালেও ইসরায়েল সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখনো কোনো জোরালো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা ভিডিও ফুটেজ সামনে আসেনি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও আলোচনা চলছে যে, পরিস্থিতি কি আসলেই স্বাভাবিক নাকি এর পেছনে অন্য কোনো গভীর সমীকরণ রয়েছে। তবে টাইমস অব ইসরায়েলের প্রকাশিত এই ছবিটি আপাতত উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কিছুটা স্থিতিশীল করার প্রচেষ্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/আশিক


ইরান যুদ্ধের উত্তাপ এবার ইরাকে! পূর্ব সীমান্তে বিশাল সেনাবহর মোতায়েন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৬:০৪:০৮
ইরান যুদ্ধের উত্তাপ এবার ইরাকে! পূর্ব সীমান্তে বিশাল সেনাবহর মোতায়েন
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে চলমান সংঘাতের রেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূর্ব সীমান্তে অতিরিক্ত সেনাসদস্য মোতায়েন করেছে ইরাক। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, শুধু সেনা মোতায়েনই নয়, বরং সীমান্তজুড়ে নজরদারিও বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। ইরাক ও ইরানের সীমান্ত এলাকা মূলত দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ার সুযোগ নিয়ে ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলো নিয়মিত যাতায়াত করে থাকে, যা বর্তমানে বাগদাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সীমান্তের এই বিশেষ তৎপরতার মাধ্যমে বাগদাদ প্রশাসন মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চাইছে। ইরাক কোনোভাবেই চায় না তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো ইরানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরানের ওপর হামলা চালাক। এর মাধ্যমে মূলত ইরাক তার নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ২০২৩ সালে ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তির প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতি প্রমাণ করতে চায় বাগদাদ। ওই চুক্তির আওতায় ইরাক তার উত্তরাঞ্চলে সক্রিয় ইরানি কুর্দি বিদ্রোহীদের তৎপরতা দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছিল।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরাকের উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু স্থানে ইরান ইতোমধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ওই অঞ্চলের কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে মদত দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে ইরাক নিজের ভূমিকে অন্য দেশের যুদ্ধের ময়দান হতে দিতে চায় না। নতুন করে কোনো বড় ধরনের সংঘাত বা অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই ইরাক সরকার সীমান্তে এই বিশেষ সতর্কতা ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে।

/আশিক


ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৩:৫৪:৩০
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১
সোমবার ইসরায়েলের ইয়েহুদ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং দু’জন আহত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ১৯১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে সামরিক বাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। তাদের অনেককে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে অন্তত একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এছাড়া আরও তিনজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বাকি আহতদের অনেকেই বিস্ফোরণের আঘাত, ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়া কিংবা আতঙ্কে আহত হয়েছেন।

এর আগে সোমবার ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের শহর ইহুদ এলাকায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে। ওই হামলায় অন্তত একজন নিহত হন এবং আরও দুজন আহত হন বলে জানা গেছে। হামলার ফলে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটে।

গত প্রায় দশ দিন ধরে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিমান হামলা এবং সামরিক পাল্টা অভিযানের কারণে উভয় পক্ষেই উদ্বেগ ও উত্তেজনা বাড়ছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং জরুরি সেবা বিভাগগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। হাসপাতালগুলোকে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র:আল-জাজিরা


ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১২:৩৩:০৭
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চাঞ্চল্যকর এই দাবির স্বপক্ষে তাসনিম নিউজ নিশ্চিত কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। তারা মূলত মার্কিন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের নাম সম্বলিত একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টের ওপর ভিত্তি করে এই সংবাদ প্রচার করেছে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে সরাসরি কোনো তথ্যপ্রমাণ না থাকলেও তারা বেশ কিছু পরিস্থিতিগত বিষয়কে সামনে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে গত কয়েকদিন ধরে নেতানিয়াহুর নতুন কোনো ভিডিও বার্তা জনসম্মুখে না আসা, তাঁর বাসভবনের চারপাশে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তার খবর এবং জ্যারেড কুশনার ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নির্ধারিত সফর স্থগিত হওয়া। এছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে নেতানিয়াহুর একটি ফোনালাপের রেকর্ড প্রকাশ করা হলেও সেখানে আলোচনার কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নেই। এসব বিষয়কে পুঁজি করেই মূলত নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর সর্বশেষ কর্মকাণ্ড ছিল গত ৭ মার্চ, যখন তিনি বিরশেবা এলাকায় ইরানি হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন। এর আগে গত ২ মার্চও ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল যে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সেই দাবিকে ‘নিছক গুজব’ বলে নাকচ করে দেয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম রহস্য ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর জোরালো দাবি এবং অন্যদিকে ইসরায়েলের নিরবতা—সব মিলিয়ে এক অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। তবে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এখনো এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি। অনেকের মতে, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে এ ধরনের খবর প্রচার করা হয়ে থাকতে পারে, যা গত কয়েক সপ্তাহে বারবার লক্ষ্য করা গেছে।

সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট


খুব শিগগিরই শেষ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের এই আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে কী?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১২:১৫:৪৩
খুব শিগগিরই শেষ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের এই আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে কী?
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাপ্ত হতে পারে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে পরিচালিত এই সামরিক তৎপরতা কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান চরম উত্তেজনা নিরসনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে একযোগে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং কৌশলগত নৌঘাঁটিসহ বিভিন্ন শক্তিশালী সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, 'অপারেশন এপিক ফিউরি' নামক এই বিশেষ অভিযানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, যা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

বর্তমান সামরিক পদক্ষেপকে একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভাবনীয় সামরিক সক্ষমতার কারণেই এই সংঘাত দীর্ঘদিন টেনে নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, ইরানের সামরিক শক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যার ফলে সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের সামনে তিনি মার্কিন সামরিক কৌশলের এই সফলতার চিত্র তুলে ধরেন।

যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সেটিকেও সাময়িক বলে মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে সামান্য অস্থিরতা দেখা দিলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথেই তা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে এবং এই সংঘাতের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

/আশিক


ট্রাম্পের এক ঘোষণাতেই কেল্লাফতে! বিশ্ববাজারে তেলের দামে বিশাল ধস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১১:৫৯:২১
ট্রাম্পের এক ঘোষণাতেই কেল্লাফতে! বিশ্ববাজারে তেলের দামে বিশাল ধস
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ 'খুব দ্রুতই শেষ হবে'—ট্রাম্পের এমন আশ্বাসের পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে অভাবনীয় পতন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইরানকে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ না করার বিষয়ে ট্রাম্পের কঠোর সতর্কবার্তার পর মাত্র এক দিনের ব্যবধানে অস্থির তেলের বাজার অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান যদি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধের কোনো চেষ্টা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর পূর্বের তুলনায় ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী ও বিধ্বংসী হামলা চালাবে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই কৌশলগত পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, এই সামরিক অভিযান মূলত কিছু 'অশুভ শক্তিকে' দমনের লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে এবং তাঁর বিশ্বাস—এই সংঘাত কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

ট্রাম্পের এই ইতিবাচক ও দৃঢ় অবস্থানের প্রভাবে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক লাফে ১০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮.৯২ ডলারে নেমে এসেছে, যা সোমবারও ছিল ১২০ ডলার। একইভাবে নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুডের দাম ১০.২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তেলের বাজারের এই হঠাৎ পতনকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তবে বাজারে বর্তমানে তেলের দাম কমলেও একটি আশঙ্কার দিক এখনো রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান দাম সোমবারের তুলনায় কম হলেও ইসরায়েল-ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার আগের সময়ের তুলনায় এটি এখনো প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। ফলে বাজার পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরেছে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যদি আসলেই ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী দ্রুত শান্ত হয়, তবেই তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


পাকিস্তানের অর্থনীতিতে বড় আঘাত: তেলের সংকটে স্থবির হচ্ছে দেশ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১১:২৬:৫১
পাকিস্তানের অর্থনীতিতে বড় আঘাত: তেলের সংকটে স্থবির হচ্ছে দেশ
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভয়াবহ সংঘাতের সরাসরি প্রভাবে পাকিস্তানে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক নতুন ও কঠোর কৃচ্ছ্রসাধন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি জানান, সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে এখন থেকে পাকিস্তানে সপ্তাহে চার দিন কর্মদিবস নির্ধারণসহ বেশ কিছু সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা পাকিস্তানের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

শাহবাজ শরিফ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া ত্রিমুখী যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানে জ্বালানি সরবরাহের চেইন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এই ভয়াবহ সংকটের মুখে দেশের বাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান সরকার।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে শাহবাজ শরিফ বলেন, বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও এর আশপাশের অঞ্চল এক গভীর সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে বিশেষ করে পশ্চিম সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী প্রধান জেনারেল অসিম মুনিরের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বলে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইরানে সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানান। পাশাপাশি উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলার ঘটনাগুলোকেও তিনি একইভাবে সমালোচনা করেন। শাহবাজ শরিফ জানান, এই সংকটময় মুহূর্তে তিনি বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান তার মিত্রদের পাশে থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

/আশিক


এক লিটার তেলও রপ্তানি হতে দেব না; আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১০:৩০:১৮
এক লিটার তেলও রপ্তানি হতে দেব না; আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন ও চরম সংঘাতের রূপ নিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকে, তবে এই অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে ‘এক লিটার তেলও’ রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না। ইরানের এই হুমকির ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং এর প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে পড়তে শুরু করেছে।

আইআরজিসির এই হুমকির বিপরীতে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাঁর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ইরানকে সতর্ক করে বলেন, তারা যদি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সামান্যতম পদক্ষেপও নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে এমন ভয়াবহ হামলা চালাবে যা তারা এর আগে কখনো কল্পনাও করেনি। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে এ যাবৎকালের চেয়ে ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী হামলার মুখোমুখি হতে হবে এবং তাদের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হবে যা দেশটির পুনরুত্থানকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে।

বর্তমান রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল ইতোমধ্যে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে যুদ্ধ দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে, তবে আইআরজিসি সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি কখন হবে তা ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নির্ধারণ করবে, মার্কিন বাহিনী নয়। তারা আরও দাবি করেছে যে, অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং ভবিষ্যতের পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কোনো ধ্বংসযজ্ঞ চান না, তবে মার্কিন স্বার্থ বিঘ্নিত হলে ইরানকে ‘মৃত্যু, আগুন ও ধ্বংসযজ্ঞের’ মোকাবিলা করতে হবে। ট্রাম্পের এমন অনমনীয় অবস্থান এবং ইরানের পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি এখন এতটাই নাজুক যে, সামান্য ভুল পদক্ষেপ থেকেও একটি বিশাল আঞ্চলিক সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


একের পর এক বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান: নিহতের সংখ্যা বাড়ছে

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১০:১১:২৮
একের পর এক বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান: নিহতের সংখ্যা বাড়ছে
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি জনবহুল আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৪০ জন ইরানি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই রক্তক্ষয়ী হামলার তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারও তেহরানের আকাশ বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে। তবে সর্বশেষ এই বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

বিস্ফোরণের এই ধারা কেবল রাজধানী তেহরানেই সীমাবদ্ধ নেই; সোমবার সারা দিন জুড়ে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর ইরানের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটছে। তেহরানের পাশাপাশি ইসফাহানসহ দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোকেও পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। বিশেষ করে ইসফাহানে অবস্থিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিকটবর্তী এলাকায় হামলা হওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ইসফাহানের গভর্নরের কার্যালয়েও বড় ধরনের হামলা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনার পাশাপাশি ইরানের ঐতিহাসিক নিদর্শনেও আঘাত হেনেছে হামলাকারীরা। বোমা হামলায় ইউনেসকো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত একটি প্রাচীন প্রাসাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা অভিযানে ইরানের সাধারণ নাগরিক ও জাতীয় সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটির সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এক চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

/আশিক


ইসরায়েলের ড্রোন ও সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু হামলা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১০:০৫:২৫
ইসরায়েলের ড্রোন ও সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু হামলা
ছবি : সংগৃহীত

লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও ব্যারাক লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভোরের দিকে তারা ইসরায়েলের সাফেদ শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত গিভা ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করেছে। একই সময়ে তারা সীমান্ত সংলগ্ন ইফতাহ ব্যারাকেও বেশ কিছু রকেট নিক্ষেপ করে।

সামরিক এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় হিজবুল্লাহ আরও জানায় যে, এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) সকালেও তারা হাইফা শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত জিপোরিত সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। এছাড়া ওই দিন সন্ধ্যায় তেল আবিবের সন্নিকটে অবস্থিত তেল হাশোমের সামরিক ঘাঁটিতেও নিখুঁত নিশানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এসব হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাগুলোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছে গোষ্ঠীটি।

বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহর এই অব্যাহত ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করছে। বিশেষ করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানার ঘটনা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গত কয়েক দিন ধরে সীমান্তের উভয় পাশেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে, যা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: