ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চাঞ্চল্যকর এই দাবির স্বপক্ষে তাসনিম নিউজ নিশ্চিত কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। তারা মূলত মার্কিন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের নাম সম্বলিত একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টের ওপর ভিত্তি করে এই সংবাদ প্রচার করেছে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে সরাসরি কোনো তথ্যপ্রমাণ না থাকলেও তারা বেশ কিছু পরিস্থিতিগত বিষয়কে সামনে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে গত কয়েকদিন ধরে নেতানিয়াহুর নতুন কোনো ভিডিও বার্তা জনসম্মুখে না আসা, তাঁর বাসভবনের চারপাশে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তার খবর এবং জ্যারেড কুশনার ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নির্ধারিত সফর স্থগিত হওয়া। এছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে নেতানিয়াহুর একটি ফোনালাপের রেকর্ড প্রকাশ করা হলেও সেখানে আলোচনার কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নেই। এসব বিষয়কে পুঁজি করেই মূলত নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তবে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর সর্বশেষ কর্মকাণ্ড ছিল গত ৭ মার্চ, যখন তিনি বিরশেবা এলাকায় ইরানি হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন। এর আগে গত ২ মার্চও ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল যে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়াসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সেই দাবিকে ‘নিছক গুজব’ বলে নাকচ করে দেয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম রহস্য ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর জোরালো দাবি এবং অন্যদিকে ইসরায়েলের নিরবতা—সব মিলিয়ে এক অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। তবে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এখনো এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি। অনেকের মতে, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে এ ধরনের খবর প্রচার করা হয়ে থাকতে পারে, যা গত কয়েক সপ্তাহে বারবার লক্ষ্য করা গেছে।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
খুব শিগগিরই শেষ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের এই আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে কী?
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাপ্ত হতে পারে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে পরিচালিত এই সামরিক তৎপরতা কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান চরম উত্তেজনা নিরসনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে একযোগে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং কৌশলগত নৌঘাঁটিসহ বিভিন্ন শক্তিশালী সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, 'অপারেশন এপিক ফিউরি' নামক এই বিশেষ অভিযানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, যা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
বর্তমান সামরিক পদক্ষেপকে একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভাবনীয় সামরিক সক্ষমতার কারণেই এই সংঘাত দীর্ঘদিন টেনে নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, ইরানের সামরিক শক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যার ফলে সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের সামনে তিনি মার্কিন সামরিক কৌশলের এই সফলতার চিত্র তুলে ধরেন।
যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সেটিকেও সাময়িক বলে মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর মতে, যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে সামান্য অস্থিরতা দেখা দিলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথেই তা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে এবং এই সংঘাতের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
ট্রাম্পের এক ঘোষণাতেই কেল্লাফতে! বিশ্ববাজারে তেলের দামে বিশাল ধস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ 'খুব দ্রুতই শেষ হবে'—ট্রাম্পের এমন আশ্বাসের পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে অভাবনীয় পতন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইরানকে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ না করার বিষয়ে ট্রাম্পের কঠোর সতর্কবার্তার পর মাত্র এক দিনের ব্যবধানে অস্থির তেলের বাজার অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান যদি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধের কোনো চেষ্টা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর পূর্বের তুলনায় ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী ও বিধ্বংসী হামলা চালাবে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই কৌশলগত পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, এই সামরিক অভিযান মূলত কিছু 'অশুভ শক্তিকে' দমনের লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে এবং তাঁর বিশ্বাস—এই সংঘাত কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
ট্রাম্পের এই ইতিবাচক ও দৃঢ় অবস্থানের প্রভাবে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক লাফে ১০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮.৯২ ডলারে নেমে এসেছে, যা সোমবারও ছিল ১২০ ডলার। একইভাবে নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুডের দাম ১০.২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.০৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তেলের বাজারের এই হঠাৎ পতনকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তবে বাজারে বর্তমানে তেলের দাম কমলেও একটি আশঙ্কার দিক এখনো রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান দাম সোমবারের তুলনায় কম হলেও ইসরায়েল-ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার আগের সময়ের তুলনায় এটি এখনো প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। ফলে বাজার পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরেছে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যদি আসলেই ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী দ্রুত শান্ত হয়, তবেই তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
পাকিস্তানের অর্থনীতিতে বড় আঘাত: তেলের সংকটে স্থবির হচ্ছে দেশ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভয়াবহ সংঘাতের সরাসরি প্রভাবে পাকিস্তানে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক নতুন ও কঠোর কৃচ্ছ্রসাধন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি জানান, সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে এখন থেকে পাকিস্তানে সপ্তাহে চার দিন কর্মদিবস নির্ধারণসহ বেশ কিছু সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা পাকিস্তানের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
শাহবাজ শরিফ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া ত্রিমুখী যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানে জ্বালানি সরবরাহের চেইন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এই ভয়াবহ সংকটের মুখে দেশের বাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান সরকার।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে শাহবাজ শরিফ বলেন, বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও এর আশপাশের অঞ্চল এক গভীর সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে বিশেষ করে পশ্চিম সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী প্রধান জেনারেল অসিম মুনিরের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বলে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইরানে সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানান। পাশাপাশি উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলার ঘটনাগুলোকেও তিনি একইভাবে সমালোচনা করেন। শাহবাজ শরিফ জানান, এই সংকটময় মুহূর্তে তিনি বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান তার মিত্রদের পাশে থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
/আশিক
এক লিটার তেলও রপ্তানি হতে দেব না; আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন ও চরম সংঘাতের রূপ নিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকে, তবে এই অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে ‘এক লিটার তেলও’ রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না। ইরানের এই হুমকির ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং এর প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে পড়তে শুরু করেছে।
আইআরজিসির এই হুমকির বিপরীতে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাঁর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ইরানকে সতর্ক করে বলেন, তারা যদি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সামান্যতম পদক্ষেপও নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে এমন ভয়াবহ হামলা চালাবে যা তারা এর আগে কখনো কল্পনাও করেনি। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে এ যাবৎকালের চেয়ে ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী হামলার মুখোমুখি হতে হবে এবং তাদের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হবে যা দেশটির পুনরুত্থানকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে।
বর্তমান রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল ইতোমধ্যে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে যুদ্ধ দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে, তবে আইআরজিসি সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি কখন হবে তা ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নির্ধারণ করবে, মার্কিন বাহিনী নয়। তারা আরও দাবি করেছে যে, অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং ভবিষ্যতের পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কোনো ধ্বংসযজ্ঞ চান না, তবে মার্কিন স্বার্থ বিঘ্নিত হলে ইরানকে ‘মৃত্যু, আগুন ও ধ্বংসযজ্ঞের’ মোকাবিলা করতে হবে। ট্রাম্পের এমন অনমনীয় অবস্থান এবং ইরানের পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি এখন এতটাই নাজুক যে, সামান্য ভুল পদক্ষেপ থেকেও একটি বিশাল আঞ্চলিক সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
একের পর এক বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান: নিহতের সংখ্যা বাড়ছে
ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি জনবহুল আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৪০ জন ইরানি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই রক্তক্ষয়ী হামলার তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারও তেহরানের আকাশ বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে। তবে সর্বশেষ এই বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি।
বিস্ফোরণের এই ধারা কেবল রাজধানী তেহরানেই সীমাবদ্ধ নেই; সোমবার সারা দিন জুড়ে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর ইরানের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটছে। তেহরানের পাশাপাশি ইসফাহানসহ দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোকেও পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। বিশেষ করে ইসফাহানে অবস্থিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিকটবর্তী এলাকায় হামলা হওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ইসফাহানের গভর্নরের কার্যালয়েও বড় ধরনের হামলা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনার পাশাপাশি ইরানের ঐতিহাসিক নিদর্শনেও আঘাত হেনেছে হামলাকারীরা। বোমা হামলায় ইউনেসকো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত একটি প্রাচীন প্রাসাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা অভিযানে ইরানের সাধারণ নাগরিক ও জাতীয় সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটির সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এক চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
/আশিক
ইসরায়েলের ড্রোন ও সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু হামলা
লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও ব্যারাক লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভোরের দিকে তারা ইসরায়েলের সাফেদ শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত গিভা ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ঘাঁটিতে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করেছে। একই সময়ে তারা সীমান্ত সংলগ্ন ইফতাহ ব্যারাকেও বেশ কিছু রকেট নিক্ষেপ করে।
সামরিক এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় হিজবুল্লাহ আরও জানায় যে, এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) সকালেও তারা হাইফা শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত জিপোরিত সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। এছাড়া ওই দিন সন্ধ্যায় তেল আবিবের সন্নিকটে অবস্থিত তেল হাশোমের সামরিক ঘাঁটিতেও নিখুঁত নিশানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এসব হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাগুলোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছে গোষ্ঠীটি।
বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহর এই অব্যাহত ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করছে। বিশেষ করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানার ঘটনা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গত কয়েক দিন ধরে সীমান্তের উভয় পাশেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে, যা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
/আশিক
যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চীন ও রাশিয়া: তেহরানের পাশে তিন শক্তি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে চীন, রাশিয়া ও ফ্রান্স। এই তিন পরাশক্তি যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে সরাসরি তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি জানিয়েছেন, চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ইরান তাদের প্রধান শর্ত স্পষ্ট করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হলে সবার আগে ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের বিদেশি আগ্রাসন চিরতরে বন্ধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে বড় ধরনের হামলা চালায়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কেবল ইসরায়েল নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামোগুলো লক্ষ্য করেও পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এর ফলে সংঘাতটি দ্রুত পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক চরম অস্থিরতার সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক মহলের আশঙ্কা ছিল, এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
তবে পরিস্থিতির মোড় ঘোরার ইঙ্গিত দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আশাব্যঞ্জক মন্তব্য করেছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধ খুব দ্রুতই সমাপ্ত হতে যাচ্ছে। এমনকি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সব ধরনের সামরিক তৎপরতা পুরোপুরি থেমে যেতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর বিশ্বজুড়ে সংঘাত থামার নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে, যদিও তেহরানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার খবর পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের কোনো সর্বোচ্চ নেতা টিকবেন না: ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন না। রোববার (৮ মার্চ) ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ কর্তৃক মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইরানের এই শীর্ষ পদে স্থায়িত্ব পেতে ওয়াশিংটনের ‘অনুমোদন’ বা সম্মতির প্রয়োজন হবে।
ট্রাম্প বলেন, “তাকে আমাদের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। যদি তিনি আমাদের অনুমোদন না পান, তবে তিনি বেশি দিন টিকতে পারবেন না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি ভবিষ্যতে অন্য কোনো মার্কিন সরকারকে একই সমস্যার সমাধানে নতুন করে যুদ্ধ বা সামরিক অভিযানে জড়াতে দেখতে চান না। ট্রাম্পের ভাষায়, “আমি চাই না পাঁচ বছর পর মানুষকে আবারও একই পরিস্থিতিতে ফিরতে হোক... বা তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র চলে আসুক।” তিনি এর আগে মোজতবা খামেনিকে ‘লাইটওয়েট’ বা অযোগ্য হিসেবেও অভিহিত করেছিলেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ট্রাম্পের এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন যে, নতুন নেতা নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এখানে বিদেশি কোনো শক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। রোববার এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, “আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কাউকে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি সম্পূর্ণভাবে ইরানের জনগণের সিদ্ধান্ত।” তিনি আরও যোগ করেন যে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছে এবং ট্রাম্পের বরং এই যুদ্ধের ধ্বংসলীলার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর ৯ দিন পর ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করা হয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশ্লেষক বারবারা স্লাভিনের মতে, ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব এবং মোজতবা খামেনিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা আগামী দিনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
/আশিক
তুরস্ক লক্ষ্য করে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তজনা এবার তুরস্কের আকাশসীমায় পৌঁছেছে। ইরান থেকে তুরস্ক লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে আঙ্কারা। সোমবার (৯ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। তবে ইরান শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরান থেকে ছোড়া হয়েছিল এবং এটি ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। তবে তুরস্কের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার আগেই পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন থাকা ন্যাটোর শক্তিশালী বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এটি মাঝ আকাশেই ধ্বংস করে দেয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস হওয়ার পর এর কিছু অবশিষ্টাংশ তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ গাজিয়ানতেপ এলাকায় আছড়ে পড়ে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তুরস্কের সরকারি কর্মকর্তারা এই ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, দেশের আকাশসীমা এবং নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় তুর্কি সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। আঙ্কারা স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যে, দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার অধিকার তুরস্ক সংরক্ষণ করে।
অন্যদিকে, ইরান এই হামলার অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ‘সাজানো’ বলে দাবি করেছে। সোমবার তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘেই বলেন, গত এক সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস বা আজারবাইজানে ইরান থেকে কোনো ধরনের সামরিক আক্রমণ চালানো হয়নি। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্কে ফাটল ধরাতে শত্রুপক্ষ এই ধরনের হামলার নাটক সাজাতে পারে। ইরান বারবার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বললেও তুরস্কের এই দাবি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- খুব শিগগিরই শেষ হচ্ছে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের এই আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে কী?
- ট্রাম্পের এক ঘোষণাতেই কেল্লাফতে! বিশ্ববাজারে তেলের দামে বিশাল ধস
- নারীপ্রধান পরিবারে খুশির জোয়ার: ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- পাকিস্তানের অর্থনীতিতে বড় আঘাত: তেলের সংকটে স্থবির হচ্ছে দেশ
- ২৪ ঘণ্টায় ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত
- এক লিটার তেলও রপ্তানি হতে দেব না; আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
- জ্বালানি রেশনিংয়ে স্থবির রাজধানী: গণপরিবহন সংকটে যাত্রী ভোগান্তি
- একের পর এক বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান: নিহতের সংখ্যা বাড়ছে
- ইসরায়েলের ড্রোন ও সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু হামলা
- ইন্টারনেট ছাড়াই পাঠানো যাবে মেসেজ: আসছে জ্যাক ডরসির ‘বিটচ্যাট’
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আকাশচুম্বী দামের পর এবার কমছে স্বর্ণের ভরি: নতুন দর জানাল বাজুস
- যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চীন ও রাশিয়া: তেহরানের পাশে তিন শক্তি
- ৩৭ হাজার পরিবারে পৌঁছাচ্ছে বিশেষ ভাতা: উদ্বোধন আজ সকালে
- রমজানের ২০তম দিনে নামাজের ওয়াক্ত ও ইফতারের সময়
- জ্বালানি তেলের মজুদ বাড়াতে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি শুরু
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেই গড়ব নতুন বাংলাদেশ: খুলনার ইফতারে শপথ এনসিপির
- দেশের প্রধান সব তেল ডিপোর সুরক্ষায় নামছে সেনাবাহিনী
- আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের কোনো সর্বোচ্চ নেতা টিকবেন না: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- মহাকাশে দানবীয় ডিম? নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় নীহারিকা
- হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে কোলেস্টেরল বশে রাখুন: বিশেষজ্ঞ টিপস
- টানা তিন হারে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ নারী দল: বাটলারে বিদায় ঘণ্টা?
- তুরস্ক লক্ষ্য করে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা
- টাকা না কি খাদ্যপণ্য? ফ্যামিলি কার্ডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
- হাদির খুনিদের ফেরত দিতে ভারতকে বলা হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়
- দেবিদ্বারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত: যথাযোগ্য মর্যাদায় আলোচনা সভা
- কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়
- ইরানের নতুন অধ্যায়ে রাশিয়ার সমর্থন; মোজতবা খামেনিকে পুতিনের বিশেষ বার্তা
- চান্দিনায় ৫টি ফুট ওভারব্রিজই অকেজো; জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার
- ডিজিটাল নীরবতায় ইরান: দশম দিনে পড়ল পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট
- ৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- টানা বাড়ার পর সোনার দামে রেকর্ড পতন, নতুন দর ঘোষণা
- পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ
- শিশুর টাং টাই কী? কখন চিকিৎসা জরুরি
- জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে জি৭র জরুরি পদক্ষেপ
- শত্রুপক্ষের সহযোগীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের হুঁশিয়ারি ইরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে পরিকল্পনার কথা জানালেন আইজিপি
- মক্কা-মদিনায় আটকা ৩৫০০ বাংলাদেশি: যুদ্ধের কবলে ওমরাহ যাত্রীদের কান্না
- ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী চালু, পাবেন যত টাকা
- ক্ষমতা গ্রহণ করেই রণক্ষেত্রে নতুন নেতা: তেহরানের প্রথম বড় মুভমেন্ট
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
- অস্পষ্ট শব্দ ও ভিড়ে কথা শুনতে কষ্ট: জানুন শ্রবণশক্তি হ্রাসের লক্ষণ
- ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাত: উপসাগরীয় তিন দেশে ইরানের নজিরবিহীন আক্রমণ
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাবির নতুন সিদ্ধান্ত
- ঢাকার ৫টি বস্তিসহ দেশের ১৪ উপজেলায় পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু
- বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম
- বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি
- ইরান যুদ্ধ, পরিচয়ের রাজনীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের নতুন সমীকরণ
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- রোববার থেকে দেশে চালু হচ্ছে নতুন নিয়মে তেল বিক্রি
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
- পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষিকাকে মারধর! সাতক্ষীরায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
- আকাশচুম্বী দামের পর এবার কমছে স্বর্ণের ভরি: নতুন দর জানাল বাজুস
- আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়
- খামেনি কি বেঁচে আছেন? সাহারা মরুভূমিতে থাকার ছবির আসল সত্য ফাঁস
- রামাদান মাসে কোরানের হাফেজ দের নিয়ে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সেহেরি আয়োজন
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ৪ মার্চ ২০২৬
- টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি








