নতুন বাংলাদেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’ ভোট কেন জরুরি? জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঐতিহাসিক গণভোটে দেশের নাগরিকদের ‘হ্যাঁ’ বাক্সে সিল দেওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি রাষ্ট্র সংস্কারের এই চূড়ান্ত পর্বে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এই ভাষণে তিনি দেশের বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের রূপরেখা তুলে ধরেন। ড. ইউনূস স্পষ্ট করে বলেন যে, একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত এবং নিপীড়নহীন বাংলাদেশ গড়ার যে আকাঙ্ক্ষা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নের চাবি এখন সাধারণ মানুষের হাতে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দেওয়ার মাধ্যমেই সেই নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রা শুরু হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, এই রায়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐকমত্যের একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হবে। এর ফলে কোনো ক্ষমতাসীন সরকার আর একক সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারবে না। এছাড়া সংবিধানের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এখন থেকে কেবল জনগণের সরাসরি সম্মতির ভিত্তিতেই সম্ভব হবে, যা সংসদীয় স্বৈরাচার বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ড. ইউনূস এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন যে, আগামীতে কোনো ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন থাকতে পারবেন না। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতার দাপট ও স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে প্রধান উপদেষ্টা বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে জাতীয় সংসদে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতি নির্বাচিত করার বিধান চালু করা হবে, যা রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে বিরোধী দলের গঠনমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে বিচার ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে এবং পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে তিনি জানান যে, আর সব ক্ষমতা একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুঞ্জীভূত থাকবে না। এমনকি রাষ্ট্রপতি চাইলেই আর দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো বড় অপরাধীকে নিজের ইচ্ছামতো ক্ষমা করতে পারবেন না, যা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ সহায়ক হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীকে আবেগঘন কণ্ঠে আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে দিতে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দেওয়া অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, এই গণভোট কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি নাগরিকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা থেকে মুক্তির এক বড় হাতিয়ার। প্রতিটি ভোটারকে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পবিত্র ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি তাঁর ভাষণ শেষ করেন। তাঁর এই ভাষণটি এমন এক সময়ে এলো যখন দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার দফায় দফায় আলোচনা চলছে।
ফুরিয়ে আসছে প্রাকৃতিক গ্যাস: ১২ বছরের লাইফলাইন দিল জ্বালানিমন্ত্রী
দেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে জাতীয় সংসদে এক গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) সংসদে বগুড়া-৪ আসনের সরকারি দলীয় সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে এবং বর্তমান হারে গ্যাস সরবরাহ বজায় থাকলে দেশের অবশিষ্ট মজুত দিয়ে আগামী ১২ বছর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।
জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট মজুত আনুমানিক ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। এই বিশাল মজুতের মধ্যে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২২.১১ টিসিএফ গ্যাস ইতিমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের হাতে অবশিষ্ট গ্যাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭.৬৩ টিসিএফ। যদি বর্তমানের দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় থাকে, তবে এই মজুত দিয়ে বড়জোর ১২ বছর দেশের প্রয়োজন মেটানো যাবে।
তবে দেশের এই সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে নতুন গ্যাস সম্পদ অনুসন্ধানে সরকার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পেট্রোবাংলার ড্রিলিং ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ধাপে ধাপে মোট ৫০টি এবং পরবর্তীতে আরও ১০০টি কূপ খননের বিশাল এক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনার আওতায় এখন পর্যন্ত ২৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি কূপগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
অনুসন্ধান কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাপেক্স ইতোমধ্যে ব্লক-৭ ও ৯-এ প্রায় ৩ হাজার ৬০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক ডাটা সংগ্রহ সম্পন্ন করেছে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াকরণ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় অত্যাধুনিক ৩ডি সিসমিক জরিপ শুরু করতে যাচ্ছে।
মন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, ভোলার চর ফ্যাশনে ৬৬০ বর্গকিমি, জামালপুরে ৬৫০ বর্গকিমি, তিতাস ও নরসিংদী এলাকায় ৬৩২ বর্গকিমি এবং সিলেট অঞ্চলের লামিগাঁও ও গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ৮৮২ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে ৩ডি সিসমিক জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও অনুসন্ধান জোরদার করে দেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
/আশিক
ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
বাংলাদেশে ১৪৪৭ হিজরি সালের নতুন মাস গণনায় গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এসেছে। দেশের কোথাও গতকাল (১৮ এপ্রিল) জিলকদ মাসের চাঁদ দৃশ্যমান না হওয়ায় ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী শাওয়াল মাস ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। এর ফলে আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জিলকদ মাস শুরু হবে বলে নিশ্চিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ইসলামি চান্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুসারে, প্রতিটি মাসের সূচনা নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর। যেহেতু শনিবার দেশের আকাশে নতুন চাঁদ দেখা যায়নি, তাই রবিবার (১৯ এপ্রিল) শাওয়াল মাসের শেষ দিন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় সোমবার থেকে নতুন মাস জিলকদ শুরু হচ্ছে, যা মুসলিম বিশ্বে হজের পূর্ববর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস হিসেবে বিবেচিত।
জিলকদ মাস শেষ হওয়ার পর শুরু হবে জিলহজ, যা ইসলামের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ মাস। কারণ এই মাসের ১০ তারিখে উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, যদি জিলকদ মাস ২৯ দিনে শেষ হয়, তাহলে ১৯ মে জিলহজ মাস শুরু হবে এবং ২৮ মে দেশে ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, জিলকদ মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হলে ঈদ উদযাপিত হবে ২৯ মে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জিলকদ মাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি চারটি সম্মানিত মাসের একটি, যেগুলোতে যুদ্ধ-বিগ্রহ পরিহার ও ইবাদতে মনোযোগ দেওয়ার বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে। ফলে এই মাসকে কেন্দ্র করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে ইবাদত-বন্দেগির আগ্রহও বৃদ্ধি পায়।
-রফিক
বিগত দুই সরকার ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: টিকা নিয়ে বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী!
সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে গত দুই সরকারের ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’কে ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং উন্নত ল্যাব ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়ায় শহর ও গ্রামের স্বাস্থ্যসেবায় যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, তা দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের এনএইচএস-এর জেনারেল প্র্যাকটিশনার (GP) আদলে প্রতিটি উপজেলা এবং পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ক্রমান্বয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “আজকের স্বাস্থ্যসেবা ভবিষ্যতের বিনিয়োগ।”
হামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জরুরি ভিত্তিতে টিকা কর্মসূচি নেওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। যারা সন্তান হারিয়েছেন, তাদের প্রতি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি প্রতিটি হাসপাতালকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে কর্মদক্ষতার জন্য ছয়জন চিকিৎসককে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, দেশে চলমান হাম পরিস্থিতিকে ‘মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ফর পিপলস হেলথ’ (ডিপিপিএইচ)।
ডিআরইউ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, হামের বিস্তার বর্তমানে অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতির নামান্তর। ডা. মুশতাক হোসেনসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা এই সংকট মোকাবিলায় হাসপাতালের সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং শিশুদের রাতকানাসহ হাম-পরবর্তী জটিলতা রোধে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
/আশিক
মধ্যরাত থেকে তেলের বাজারে আগুন! কোন জ্বালানির দাম কত বাড়ল?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব এবার পড়ল দেশের বাজারেও। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) থেকে সারা দেশে বর্ধিত এই নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন এই দাম অনুযায়ী, রোববার থেকে দেশের সকল ফিলিং স্টেশন ও পরিবেশক পর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রি করতে হবে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ নির্ধারিত দামের তুলনায় এবারের বৃদ্ধি বেশ উল্লেখযোগ্য।
নতুন সমন্বয়ে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা হয়েছে। কেরোসিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা বেড়ে ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়েছে। অকটেনের দাম লিটারে সর্বোচ্চ ২০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বেড়ে ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
হঠাৎ জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ভাড়া, কৃষি উৎপাদন ব্যয় এবং নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন করে বড় ধরনের চাপ পড়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞরা। সরকার আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দোহাই দিলেও সাধারণ ভোক্তাদের জন্য এই বাড়তি খরচ জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
চিকিৎসকের ব্যবহার ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর: ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী
দেশের জেলা ও উপজেলাভিত্তিক হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং উন্নত ল্যাব প্রায় সবকিছুই ঢাকা কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে এসে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি স্বীকার করেন যে, শহর ও গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার এই বৈষম্য দূর করার কাজটি এক মাস বা এক বছরে সম্ভব নয়, তবে সরকার ধাপে ধাপে এটি অর্জনের পথে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের মহান পেশার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, চিকিৎসকগণ রোগে-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু এবং বিপদের প্রকৃত সঙ্গী। একজন চিকিৎসকের আন্তরিক ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়তে চায় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সরকারের মূল নীতি হচ্ছে 'প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর' বা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।
দেশের মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে হয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি উপজেলা পর্যায়ে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগের নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাদের (UH&FPO) স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি এবং প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করেন।
দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার ক্রমান্বয়ে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে। বিগত সরকারের আমলে সারাদেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়ার ঘটনাকে ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ও ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জানান যে, বর্তমান সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী কর্মদক্ষতার জন্য ৬ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
কোচিং বাণিজ্য নির্মূলে হার্ডলাইনে সরকার! ডেমরায় প্রতিমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সকালে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষা খাত থেকে ‘কোচিং বাণিজ্য’ চিরতরে নির্মূল করতে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশকে দারুণভাবে ব্যাহত করছে। এসব স্কুল ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলোর দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য সরকার একটি বিশাল ও বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। খুব শিগগিরই এই প্রকল্পের কাজ মাঠ পর্যায়ে শুরু হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার্থীরা সঠিক পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং বৃত্তি পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
/আশিক
জামায়াত একটি ভদ্র দল! সংসদে তাদের শৃঙ্খলায় মুগ্ধ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী একটি ভদ্র দল।
সংসদে তারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং সবার সঙ্গে মার্জিত ব্যবহার করে। এমনকি তারা সংসদের নিয়মকানুন মেনে চলেন এবং পাশের লোকের সঙ্গেও কথা বলেন না।” তিনি বিএনপি ও জামায়াতকে অতীতের মতো মিলেমিশে রাজনীতি করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, এখন আর দলবাজি বা রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করার সময় নেই। আওয়ামী লীগের পতনের উদাহরণ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, অন্যায়, অবিচার ও লুটপাট করলে কী পরিণতি হয়, তা আজ স্পষ্ট।
তিনি বর্তমান সরকারকে ‘মাফিয়া সরকার’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের বিদায় করার জন্য ছাত্রসমাজকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। স্পিকার হুঁশিয়ারি দেন যে, মাফিয়া বিরোধী শক্তির মধ্যে ঐক্য ভাঙলে আবারও লুণ্ঠনের রাজত্ব কায়েম হতে পারে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে বিএনপির দায়িত্ব এখন সবচেয়ে বেশি। আওয়ামী লীগের মতো সম্পদ লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করা হবে না—জনগণকে এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, আগামী দিনে স্থানীয় সরকারসহ যেকোনো নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি ভোলা-৩ আসনের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
/আশিক
আগামী হজে আরও বড় চমক? হজযাত্রীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নতুন বার্তা
আসন্ন বছরের হজের খরচ আরও কমিয়ে আনার এবং হজযাত্রীদের নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শনে যান এবং সেখানে হজযাত্রীদের সাথে সরাসরি কুশল বিনিময় করে সার্বিক তদারকি ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে হজযাত্রীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই এই হজ ব্যবস্থার সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও সীমিত সময়ের মধ্যে সরকার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে জনপ্রতি অন্তত ১২ হাজার টাকা খরচ কমাতে সক্ষম হয়েছে। আগামী বছর যাতে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে দেশের মানুষকে পবিত্র হজে পাঠানো যায়, সে লক্ষ্যে সরকার এখন থেকেই কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হজযাত্রীদের নিরাপদ সফর ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কাছে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া চান। তিনি বলেন, “আল্লাহ যেন আমাদের তৌফিক দেন যাতে আমরা সামনের সব বিপদ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিমানেই হজযাত্রীদের নিয়ে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
/আশিক
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই
দেশের প্রশাসনিক অঙ্গনে এক শূন্যতা তৈরি করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান। শুক্রবার ভোরে রাজধানীর Square Hospital-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার জীবনাবসান ঘটে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ থাকার পর গত শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মাহবুবুর রহমানের কর্মজীবন ছিল দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক। ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের কাস্টমস ও এক্সাইজ ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচে সহকারী কমিশনার হিসেবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন তিনি। সেই শুরু থেকে ধাপে ধাপে দায়িত্ব পালন করে দেশের রাজস্ব ও বাণিজ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি দেশের বিভিন্ন কাস্টম হাউস, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেন। ডেপুটি কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার এবং অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তাকে উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিয়ে যায়।
সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন একজন দায়িত্বশীল, কর্মঠ এবং নীতিনিষ্ঠ কর্মকর্তা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার বিচক্ষণতা এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা তাকে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়।
তার মৃত্যুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সেবায় দীর্ঘ সময় অবদান রেখে বিদায় নেওয়া এই কর্মকর্তা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেন।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের দাবি কি ভুল? তেলের বাজারে আগুনের সংকেত
- অবরোধ থাকলে আলোচনা নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি না বলে দিল ইরান
- আগামী ৫ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? শিলাবৃষ্টি নিয়ে বিশেষ বার্তা জারি
- পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি
- আইপিএলের কোটি টাকা প্রত্যাখ্যান! পিএসএল-কে কেন বেছে নিলেন মঈন আলী?
- আওয়ামী লীগের জায়গায় কেবল বিএনপি বসেছে: বিস্ফোরক নাহিদ ইসলাম
- মাথা উঁচু রেখেই যুদ্ধ শেষ করতে চাই: আমেরিকার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্টের বার্তা
- মৌলভীবাজার ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্রস্তাব! রাশেদ খানের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তোলপাড়
- চুক্তিতে না এলে ধ্বংস হবে ইরান: ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি
- ফুরিয়ে আসছে প্রাকৃতিক গ্যাস: ১২ বছরের লাইফলাইন দিল জ্বালানিমন্ত্রী
- শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়বে ইরান! সেনাপ্রধান আমির হাতামির রণহুঙ্কার
- ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে! বড় ঘোষণা নাহিদ ইসলামের
- তেলের পর এবার গ্যাসের ধাক্কা! রোববার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর নতুন দাম
- ১৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৯ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- তপ্ত গরমেও চুল থাকবে রেশমি ও ঝলমলে! জেনে নিন ৫টি সহজ টিপস
- নেতানিয়াহুর ফাঁদে পা দিয়েছেন ট্রাম্প! কমলা হ্যারিসের বিস্ফোরক অভিযোগ
- ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি! সন্ধ্যার মধ্যেই যে অঞ্চলে শুরু হতে পারে ঝড়ের তান্ডব
- হাম রুখতে দেশজুড়ে কাল থেকে ‘মেগা’ টিকাদান কর্মসূচি
- যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না ইরান! যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
- আড়াই দশকের লুকোচুরি শেষ? ইরানের জব্দ করা বিশাল সম্পদের চাঞ্চল্যকর অংক প্রকাশ
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন ১৯ এপ্রিলের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিগত দুই সরকার ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: টিকা নিয়ে বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী!
- মধ্যরাত থেকে তেলের বাজারে আগুন! কোন জ্বালানির দাম কত বাড়ল?
- মার্কিন নতুন প্রস্তাব এখন তেহরানের টেবিলে! কী আছে সেই নথিতে?
- কাঠফাটা রোদ না কি স্বস্তির বৃষ্টি? যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- আজ রোববার রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- ইরানের বাণিজ্য বন্ধে মার্কিন রণতরীর অবরোধ! হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের মেঘ
- ব্রাজিলের কিংবদন্তির হাতে বাংলাদেশের জার্সি: এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতদের সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে: ডা. শফিকুর রহমান
- রোববার সকাল থেকেই অন্ধকারে থাকবে যেসব এলাকা
- চিকিৎসকের ব্যবহার ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর: ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী
- নেতানিয়াহুর গালে ট্রাম্পের ‘চপেটাঘাত’! লেবানন দখল পরিকল্পনায় বড় বাধা
- কুমিল্লায় কেন্দ্রীয় পদ ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
- কুমিল্লা সাড়ে সাত লাকসামে খালের বাঁধ কেটে ২৫০ বিঘা জমি অবমুক্ত
- ট্রাম্প বেশি কথা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির মুখে বিস্ফোরক ইরান!
- গুলিবর্ষণের শিকার দুটি জাহাজ: হরমুজ রুটে কেন আবার মারমুখী আইআরজিসি?
- প্রকৃতির তাণ্ডব! ধান কাটার ভরা মৌসুমে ৫ জেলায় শোকের মাতম
- দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও দাফন হয়নি খামেনির! কোথায় হবে সমাধি?
- লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর মুকুন্দ মধুসূদন পুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
- দিনের আলোয় দেখা মিলল ঈদের চাঁদের! শুরু হলো কোরবানির ক্ষণগণনা
- বিদেশেও সংরক্ষিত হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি: লন্ডনে বিশিষ্টজনদের বিশেষ সভা
- নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের দূরদর্শী পরিকল্পনা!
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ইসরাইলে ১৩ লক্ষ্যবস্তুতে হিজবুল্লাহর হামলা
- "ইরানের কাছে হেরে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যে আর ফিরতে পারবে না আমেরিকা"
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, ২৫০ জন নিখোঁজ
- পাঁচ জেলায় শুরু হবে ই-হেলথ সেবা কার্যক্রম, মিলবে যেসব সুবিধা
- তেলের দামে বড় পতন
- আজ ১৩ এপ্রিলের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর
- হরমুজে নতুন শর্ত, ইরানের প্রস্তাবে চমক








