শহীদ জিয়ার ৯০তম জন্মদিনে সমাধিতে বিএনপির শ্রদ্ধা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ১২:৫৬:১৪
শহীদ জিয়ার ৯০তম জন্মদিনে সমাধিতে বিএনপির শ্রদ্ধা
ছবি: সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উদ্যোগে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদ জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের প্রায় চার থেকে সাড়ে চার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের ঢল নামে জিয়া উদ্যানে। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি শহীদ জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পাশাপাশি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান কর্মসূচিতে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা-১২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

নেতারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই নন, তিনি বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। তার আত্মত্যাগ ও আদর্শ আজও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পথনির্দেশক হিসেবে বিবেচিত।

কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

-রফিক


এমপি হতে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেন হান্নান মাসুদ: রাশেদ খান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ২১:৫৫:১৬
এমপি হতে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেন হান্নান মাসুদ: রাশেদ খান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক এবং নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়ে এমপি হওয়ার গুরুতর ও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, ক্ষমতার লোভে কারা শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল।

রাশেদ খান তাঁর ফেসবুক পোস্টে সুনির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে দাবি করেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাত্র দুই দিন পর, অর্থাৎ ৭ আগস্ট থেকেই আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন বৈঠক শুরু করেন সাবেক সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ। পোস্টে বলা হয়, ৭ আগস্ট আনুমানিক রাত সাড়ে আটটায় বেইলি রোডের একটি কেএফসি আউটলেটে হাতিয়া অঞ্চলের আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে তাঁর প্রথম বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন ও তাঁর ভাতিজা রাজুসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, বেইলি রোডের পর গত ১২ ও ১৫ আগস্ট রাজধানীর বাংলামোটরের ‘ওয়াটারফল রেস্টুরেন্ট’-এ দ্বিতীয় দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২২ আগস্ট ‘হোটেল ফার্স’-এ আরেকটি বৈঠক হয়, যার একটি ছবিও তিনি প্রকাশ করেছেন। রাশেদ খানের বিবরণ অনুযায়ী, ওই ছবিতে উপস্থিত ছিলেন চরঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম আজাদ ওরফে পিচ্চি আজাদ, সোনাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেরাজ উদ্দিন, তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন বাবু এবং যুবলীগ নেতা মাহতাব উদ্দিন রতনসহ স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান স্পষ্ট করে বলেন, এসব গোপন বৈঠকের মূল এজেন্ডা বা আলোচ্য বিষয়ই ছিল—কীভাবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সমর্থন ও সমঝোতা নিশ্চিত করে হান্নান মাসুদ হাতিয়ার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। অর্থাৎ, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত শুকানোর আগেই তিনি নিজের আখের গোছাতে আওয়ামী লীগের সাথে এই লিয়াজোঁর বন্দোবস্ত করেছিলেন। পোস্টের শেষাংশে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে রাশেদ খান বলেন, “এবার আমাকে কন—কারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন শুরু করে?” এই বিস্ফোরক পোস্টের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

/আশিক


আওয়ামী লীগের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের ফেরানোর পাঁয়তারা করছে সরকার: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ২১:৫০:৪৭
আওয়ামী লীগের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের ফেরানোর পাঁয়তারা করছে সরকার: আসিফ মাহমুদ
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে ‘জাতীয় বাজেটে তারুণ্যের অংশীদারিত্ব: সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তাঁরা সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন।

সভায় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “সরকার প্রিপেইড মিটারের চার্জ কমানোর নামে আসলে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং এর মাধ্যমে দেশকে আরও বেশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।” দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “দেশ মারাত্মকভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।” এর পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনলাইন বেটিং (জুয়া) সংক্রান্ত নতুন আইন নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির এই মুখপাত্র।

একই সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “জাতীয় বাজেটে যদি তরুণদের প্রকৃত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই সরকারের পরিণতিও আওয়ামী লীগের মতোই হবে।” সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

আলোচনা সভায় এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এক প্রকার আওয়ামী লীগের পাতা ফাঁদে পা দিচ্ছে এবং তাদের পুনর্বাসন বা ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা করছে। সভা শেষে সরকারের এসব নীতির প্রতিবাদে এবং বিভিন্ন দাবিতে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মশাল মিছিল বের করে দলটির নেতাকর্মীরা।

/আশিক


বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১২:২১:৫২
বিএনপির পক্ষ থেকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। এতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ও প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠনের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

অনুমোদিত এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩০ জন সহ-সভাপতি, ৩০ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। এছাড়া কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. কামরুজ্জামান জুয়েল এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে আল মেহেদী তালুকদার দায়িত্ব পেয়েছেন। দপ্তরের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা তুলে ধরা হলো

সভাপতি ও সহ-সভাপতিবৃন্দ

১. সভাপতি: আবদুল মোনায়েম মুন্না

২. সিনিয়র সহ-সভাপতি: রেজাউল কবীর পল

৩. সহ-সভাপতি: জিয়াউর রহমান জিয়া

৪. সহ-সভাপতি: কামাল আনোয়ার আহাম্মদ

৫. সহ-সভাপতি: মাহফুজুর রহমান মাহফুজ

৬. সহ-সভাপতি: জাহাঙ্গীর আলম দুলাল

৭. সহ-সভাপতি: শাহ আলম চৌধুরী

৮. সহ-সভাপতি: সাইদুর রহমান

৯. সহ-সভাপতি: সাব্বির আহমেদ দিপু

১০. সহ-সভাপতি: আবদুল জব্বার খান

১১. সহ-সভাপতি: খন্দকার এনামুল হক এনাম

১২. সহ-সভাপতি: শরীফ উদ্দীন জুয়েল

১৩. সহ-সভাপতি: ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ

১৪. সহ-সভাপতি: রফিক আহমেদ ডলার

১৫. সহ-সভাপতি: সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু

১৬. সহ-সভাপতি: মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ

১৭. সহ-সভাপতি: মাহমুদুস সালেহীন

১৮. সহ-সভাপতি: আতিকুর রহমান আতিক

১৯. সহ-সভাপতি: জাকির হোসেন উজ্জল

২০. সহ-সভাপতি: এইচ এম তসলিম উদ্দিন

২১. সহ-সভাপতি: নাজমুল আলম নাজু

২২. সহ-সভাপতি: মো. আনোয়ারুল হক

২৩. সহ-সভাপতি: আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)

২৪. সহ-সভাপতি: রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)

২৫. সহ-সভাপতি: ফেরদৌস আহমেদ মুন্না

২৬. সহ-সভাপতি: তরিকুল ইসলাম টিটু

২৭. সহ-সভাপতি: ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

২৮. সহ-সভাপতি: মঞ্জুরুল আজিম সুমন

২৯. সহ-সভাপতি: আজিজুর রহমান আকন্দ

৩০. সহ-সভাপতি: নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)

সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ

৩১. সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন

৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিল্লাল হোসেন তারেক

৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ্মোহাম্মদ কামরুজ্জামান

৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মনিরুল ইসলাম সোহাগ

৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবু আতিক আল হাসান মিন্টু

৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শাহ নাসির উদ্দিন রুমন

৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: কফিল উদ্দিন ভূইয়া

৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মঈনুদ্দীন রুবেল

৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আজহারুল ইসলাম মিলন

৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এজমল হোসেন পাইলট

৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ইখতিয়ার রহমান কবির

৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: রবিউল ইসলাম নয়ন

৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজ্জাদুল মিরাজ

৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিঞা মোহাম্মদ রাসেল

৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবদুল করিম সরকার

৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শফিকুল ইসলাম shafik

৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা

৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আবুল মনসুর খান দীপক

৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার আল আশরাফ মামুন

৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আইয়ুব খান

৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শামসুজ্জোহা সুমন

৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: তারেক উজ জামান তারেক

৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: শোয়াইব খন্দকার

৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আশরাফুর রহমান বাবু

৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: আসাদুজ্জামান আসাদ

৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো. আবদুল ওয়াহাব

৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)

৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: এম তমাল আহমেদ

৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাজেদুল ইসলাম

৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)

সহ-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ

৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: হাসান আল মামুন লিমন

৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাসুদ খান পারভেজ

৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল

৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ

৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: গিয়াসউদ্দিন মামুন

৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মামুন হোসেন ভূইয়া

৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রাহাদুল আলম khan

৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: রুহুল ইসলাম মনি

৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: জাহিদ হাসান

৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবু বকর সিদ্দিক পাভেল

৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন

৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাখাওয়াত হোসেন চয়ন

৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান পলাশ

৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আরিফুল হক আরিফ

৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক: প্রকৌ: কামরুল হাসান khan সাইফুল

৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মাহবুবুর রহমান

৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আলমগীর কবির সেলিম

৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ

৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক: এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল

৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক: মো. মাসুদুল হক

৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সাহাবুদ্দিন মুন্না

৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক: সামসুল আলম রানা

৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক: আবুল বাসার সিদ্দিকী

সাংগঠনিক ও অন্যান্য সম্পাদকীয় পদসমূহ

৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. কামরুজ্জামান জুয়েল

৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: এম এ গাফফার

৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আশরাফ ফারুকী হীরা

৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মিজানুর রহমান সুমন

৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: হাবিবুর রহমান হাবিব

৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সোহেল আলম

৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন

৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: সাইদুর রহমান শামীম

৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রবিউল ইসলাম রবি

৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: আরিফুর রহমান সোহেল

৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মাইনুল ইসলাম

৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: খন্দকার রিয়াজ

৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন

৯৭. প্রচার সম্পাদক: আল মেহেদী তালুকদার

৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক: তারেকুর রহমান

৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: আশরাফ জালাল খান মনন

১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: সাইদুর রহমান সোহেল

১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক: আমিনুর রহমান আমিন

১০২. কোষাধ্যক্ষ: রোকনুজ্জামান রোকন

বিষয়ক ও সহ-বিষয়ক সম্পাদকবৃন্দ

১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক

১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. ইউনুস আলী রবি

১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ

১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল

১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ

১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক: কৃষিবিদ সানোয়ার আলম

১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন

১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক: পার্থ দেব মন্ডল

১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: কারীমুল হাই নাঈম

১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক: সাজিদ হাসান বাবু

১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার হোসেন জনি

১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক: মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু

১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক: মাজেদুল ইসলাম রুমন

১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মহিন উদ্দিন রাজু

১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: সাইদুর রহমান রয়েল

১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: মাহমুদুল হাসান বাপ্পী

১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক: খোরশেদ আলম

১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান

১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক: কামরুজ্জামান নান্নু

১২২. ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: সৈয়দ মাহমুদ

১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক: আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার

১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক: খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী

১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক: মো. বেলাল হোসেন

১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: কে এস এম মুসাব্বির শাফী

১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ইমরান আহমেদ প্রিন্স

১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক: শাহজাহান রনি

১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. গালিব হাসান

১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন

১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক: ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল

১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক: মো. জাহিদ হাসান

১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা): খায়রুজ্জামান লিঙ্কন

১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): এ আর মামুন খান

১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ

১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার

১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক: আরাফাত বিল্লাহ খান

১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: হেদায়েত হোসেন ভূইয়া

১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক: রাশেদ আল আমিন শুভ

নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ

১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): আমিনুল ইসলাম khan

১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মাহবুব শিকদার

১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): মহসীন বিশ্বাস

১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): জহিরুল ইসলাম বিপ্লব

১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা): রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু

১৪৬. সদস্য: আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ

১৪৭. সদস্য: নাজিম উদ্দিন মিঠু

১৪৮. সদস্য: মাহমুদুল করিম সজল

১৪৯. সদস্য: সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন

১৫০. সদস্য: মো. এমরান হোসেন শাহীন

১৫১. সদস্য: ফখরুল বিন খালেক।

/আশিক


ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সবার আগে আমি বুক পেতে দেবো: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ২১:৪৪:৩৬
ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সবার আগে আমি বুক পেতে দেবো: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় প্রয়োজনে নিজে রাজপথে নেমে সবার আগে বুক পেতে দেওয়ার তীব্র প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৩ জুন) রাতে জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি দেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের একটি প্রতিষ্ঠান। যারা এই ব্যাংকে নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ আমানত হিসেবে রেখেছেন, প্রকৃত অর্থে এটি তাদেরই ব্যাংক। তিনি আমানতকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বলেন, ব্যাংকের গ্রাহক ও আমানতকারীদের ওপর যদি কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে বা গুলি চালানো হয়, তবে তিনি নিজে সবার আগে সামনে এসে বুক পেতে দেবেন এবং নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এই ব্যাংকটিকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকারের প্রতীক হিসেবেও তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষ অংশে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের একজন চিহ্নিত দোসরকে অন্যায্যভাবে ইসলামী ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের শীর্ষ পদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি তীব্র সমালোচনা করে বলেন, একজন কুখ্যাত ঋণখেলাপির স্বামী কোনোভাবেই ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ ও জনগুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন না।

/আশিক


ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী, বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১৮:১৬:৩৫
ভারত খুনি রাষ্ট্র, বিএসএফ খুনি বাহিনী, বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জানতে চেয়েছেন, অপরাধ বা হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর খুনিরা কীভাবে দেশের সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে যশোরের বেনাপোল সংলগ্ন সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। মূলত সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক নাটকীয়তা কিংবা বিতর্কিত ‘জজ মিয়া’ নাটকের মতো তদন্ত পদ্ধতির তীব্র বিরোধিতা করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অতীতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের বিচার যেভাবে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার যেন কোনোভাবেই সেই পথে না হাঁটে এবং স্থবির হয়ে না পড়ে।

বেনাপোল সীমান্তে স্থানীয় শত শত সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই পরিদর্শনে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা ভারতের সীমান্ত নীতি ও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি ভারতকে ‘খুনি রাষ্ট্র’ এবং বিএসএফকে ‘খুনি বাহিনী’ হিসেবে সম্বোধন করে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের আন্তর্জাতিক ও আইনি বিচার দাবি করেন। একই সাথে গত ৩১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বেনাপোলের বিপরীত পাশে অবস্থিত ভারতের হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার করুণ চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের চরম অভাব থাকায় এই এলাকার মানুষ জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। দেশের ভৌগোলিক ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নতুন করে ঢেলে সাজানোর দাবি উত্থাপন করেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতে, বিজিবিকে কেবল নামমাত্র হালকা অস্ত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের আধুনিক ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম, পেট্রোলিং যান এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা উচিত।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিগত দিনের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কেউ অপরাধী হলেও তাকে কোনো ধরনের বিচার ছাড়া সীমান্তে গুলি করে হত্যা করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন। সীমান্ত হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার নিশ্চিতে ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। সবশেষে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও দেশের এক ইঞ্চি ভূখণ্ড বা সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত মেনে নেওয়া হবে না।

/আশিক


আওয়ামী লীগ নেতাকে পালাতে ৪ কোটির চুক্তি! এমপি মাসউদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১১:৫৯:২৬
আওয়ামী লীগ নেতাকে পালাতে ৪ কোটির চুক্তি! এমপি মাসউদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শীর্ষ মুখ এবং বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। আজ বুধবার (৩ জুন) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং বেপরোয়া আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিরাপদ প্রস্থান সুবিধা দেওয়া এবং হাতিয়ার স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে কোটি কোটি টাকার গোপন চুক্তি ও অর্থ আত্মসাতের বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য তিনি এই পোস্টে ফাঁস করেছেন।

বিএনপি নেতা রাশেদ খানের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থাকা দলটির একাধিক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকের সিংহভাগই হতো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি নির্দিষ্ট অভিজাত হোটেলে। এমন একটি বৈঠকের উদাহরণ টেনে রাশেদ খান লেখেন, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে দেশত্যাগে সহযোগিতা করতে এবং নিরাপদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে ৪ কোটি টাকার একটি বিশাল অঙ্কের সমঝোতার আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষ করে এসে হান্নান মাসউদ তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন—সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা তাৎক্ষণিকভাবে ১ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছেন, তবে চুক্তিটি যেন অন্তত ৩ কোটি টাকায় চূড়ান্ত করা যায় সেই চেষ্টা করতে হবে। সে সময় মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন যে, ওইসব নেতাদের কাছে প্রচুর নগদ অর্থ অলস পড়ে রয়েছে এবং এই মুহূর্তে নিজেদেরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন আছে।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, হান্নান মাসউদের এই সব অন্ধকার লেনদেন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অকাট্য ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী হলেন হাতিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান। গণঅভ্যুত্থানের ক্রান্তিলগ্নে অর্থাৎ গত বছরের ২৭ জুলাইয়ের পর যখন সমন্বয়করা আত্মগোপনে ছিলেন, তখন রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে হান্নান মাসউদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

জিসান মূলত আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে সমন্বয়কদের বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট, ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজ করতেন। শুধু তাই নয়, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান সার্বক্ষণিকভাবে হান্নান মাসউদের দেহরক্ষী বা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তবে অর্জিত ক্ষমতার পর হান্নান মাসউদের রাতারাতি নৈতিক স্খলন, অর্থের প্রতি অতিরিক্ত লোভ এবং প্রশ্নবিদ্ধ আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে জিসান নিজেই তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যান।

পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও গুরুতর রাজনৈতিক অভিযোগ তুলেছেন রাশেদ খান। তাঁর দাবি, সংসদ সদস্য হওয়ার পর আব্দুল হান্নান মাসউদ মনে করতেন হাতিয়ার রাজনীতিতে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলেন মোহাম্মদ আলী।

এই কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে মোহাম্মদ আলীকে দ্রুত গ্রেফতারের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন হান্নান মাসউদ। ব্যক্তিগত একাধিক ঘরোয়া আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি জিসানদের বলেছিলেন যে, নোয়াখালীর অন্য কোনো আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই তাঁর মূল বিরোধ।

একই সঙ্গে নোয়াখালীর আঞ্চলিক রাজনীতিতে একক সম্রাট বা প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতোই বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার বিকল্প নেই—এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথাও তিনি বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তুলে ধরতেন। গণঅভ্যুত্থানের এক অন্যতম শীর্ষ সমন্বয়ক ও বর্তমান তরুণ এমপির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও নেটদুনিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

/আশিক


জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর চরম জুলুম: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১৯:৫৩:০৭
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর চরম জুলুম: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

এলপিজি সিলিন্ডার ও অটোগ্যাসের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধিকে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত জুলুম এবং করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার শামিল বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সিলেটে চাচার পৈশাচিক নির্যাতনে নিহত চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

একদিনেক সংক্ষিপ্ত সফরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে সিলেটে অবস্থান করছেন জামায়াত আমির। সকালে তিনি সরাসরি চলে যান নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার গ্রামের বাড়িতে। সেখানে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মানে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। এটি জনগণের ওপর সরাসরি জুলুম করার শামিল।’

দেশের বর্তমান সার্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা কোনোভাবেই সাধারণ জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের আপামর জনগণ যে ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রত্যাশা করেছিল, বর্তমান প্রশাসনের কাজে বাস্তবে তার সঠিক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

এ সময় সিলেটে চাচার হাতে ফুটফুটে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। তিনি এই পৈশাচিক ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে নিহত শিশুর শোকসন্তপ্ত বাবা-মায়ের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

সফরকালে আমিরে জামায়াতের সাথে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সিলেটের স্থানীয় দায়িত্বশীল ও শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


ভারতের পুশইন চেষ্টার বিরুদ্ধে মাঠে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১৯:৩৭:১৩
ভারতের পুশইন চেষ্টার বিরুদ্ধে মাঠে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন
ছবি : সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইনের’ অভিযোগের প্রতিবাদে এবং সরেজমিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সীমান্ত সফরের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই বিশেষ সফরের ঘোষণা দেন।

ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং স্থানীয় সীমান্ত এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাই তাঁর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।

তিনি লেখেন, "ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (বুধবার, ৩ জুন) যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পরিদর্শনে যাব। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ (পুশ-ইন) করানোর অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে সরেজমিন অবগত হওয়ার চেষ্টা করব। এ উপলক্ষে স্থানীয় গ্রামবাসী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করব।"

জাতীয় নাগরিক পার্টির এই শীর্ষ নেতা সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর জোর দিয়ে আরও বলেন, "বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে যেকোনো সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"

ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যশোর ও বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাবেন। এরপর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি সাদিপুর সীমান্ত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় শেষে দুপুর ১টায় বেনাপোলের পর্যটন হোটেলের লবিতে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তিনি সফরের অভিজ্ঞতা এবং অনুপ্রবেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে দলের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরবেন।

/আশিক


আসিফ ও হাসনাতকে চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ আখ্যা দিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফজলুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ২১:৪০:৫২
আসিফ ও হাসনাতকে চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ আখ্যা দিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফজলুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও অর্থ পাচারের এক গুরুতর বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। এই দুই তরুণ নেতাকে ‘চিটার-বাটপাড় ও অমানুষ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রবীণ এই রাজনীতিকের দেওয়া এমন আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড়ের সৃষ্টি করেছে।

আজ সোমবার (১ জুন) সকালে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল অষ্টগ্রামে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজারো জনতার উদ্দেশ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বিগত গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের কথিত ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন,

"৫ আগস্টের পর দুজন লোক লাইমলাইটে আসে। এর মধ্যে সাবেক এক উপদেষ্টা সরাসরি কুমিল্লার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে গিয়ে ধমকের সুরে বলেছেন—আমাকে অনতিবিলম্বে ১৫ কোটি টাকা দাও, রাজস্ব ভাণ্ডারের টাকা না দিয়ে তোমার কোনো উপায় নাই। আর অন্যজন হাসনাত আব্দুল্লাহ, যিনি এখন ক্ষমতার জোরে এমপি হয়েছেন। তিনি নিজে গিয়ে ডিসিকে বলেছেন—আমার ব্যক্তিগত ফাণ্ডে ১০ কোটি টাকা দিয়ে দাও।"

উপস্থিত জনতার দিকে ইঙ্গিত করে চরম ক্ষোভের সাথে তিনি বলেন, "এরা আসলে চরম অমানুষ, চিটার ও বাটপাড়। এদের মতো ভণ্ড মানুষকে সোজা করার মতো কোনো আধুনিক মেশিন এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আবিষ্কার হয়নি।"

বক্তব্যের এক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে ফজলুর রহমান দাবি করেন, ওই সরকার সুপরিকল্পিতভাবে দেশের চারটি প্রজন্মকে চিরতরে ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যাদের এখনো ৩০ বছর বয়স পার হয়নি, এমন অনভিজ্ঞ তরুণরা উপদেষ্টা হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং দেশ-বিদেশে শত শত কোটি টাকা অবৈধভাবে পাচার করেছে।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ আক্ষেপ করে বলেন, এ দেশে একটি সুদূরপ্রসারী আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে অত্যন্ত গোপন বা গুপ্ত সংগঠন তৈরি করে পরবর্তীতে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল (এনসিপি) গঠন করা হয়েছে। তরুণদের বিপথগামী করার পেছনে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের দায়ী করে ফজলুর রহমান আরও বলেন, "তাদের একমাত্র মূল কাজই হলো কীভাবে চক্রান্ত আর গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনে সাধারণ ছাত্রসমাজকে আবেগ দিয়ে ধোঁকা দিয়ে, বোকা বানিয়ে রাজপথের মিছিলে নামানো যায়।

এই নিরীহ তরুণদের জীবনকে এভাবে অন্ধকারের মুখে ঠেলে দিয়ে তারা মূলত পর্দার আড়ালে নিজেদের আখের গুছিয়েছে এবং বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছে।" দেশের সার্বিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তরুণদের সুন্দর ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনতে এই ধরণের সুবিধাবাদী ও চক্রান্তকারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

/আশিক

পাঠকের মতামত: