স্বর্ণের বাজারে অগ্নিমূল্য: রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় দাম, দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৪ ০৯:৪১:৪৯
স্বর্ণের বাজারে অগ্নিমূল্য: রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় দাম, দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর জোরালো প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের এই অস্বাভাবিক উল্লম্ফনের ফলে স্থানীয় বাজারেও স্বর্ণ ও রুপার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর জোরালো আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূলত তিনটি কারণে স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতি। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র, ভেনেজুয়েলা ও ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক উত্তেজনা। দ্বিতীয়ত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি। এবং তৃতীয়ত, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের ‘নিরাপদ সম্পদ’ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়া। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম বেড়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণ ৪৬০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে স্পট গোল্ডের দাম ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৬০১.৬৩ ডলারে লেনদেন হয়। এর আগে বাজার চলাকালীন এক পর্যায়ে দাম ৪,৬২৯.৯৪ ডলারে উঠেছিল, যা স্বর্ণের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসে ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০.১ শতাংশ কমে ৪,৬১০.৩০ ডলারে থিতু হয়েছে।

অ্যাকটিভট্রেডসের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের সামান্য ঘুরে দাঁড়ানো এবং আসন্ন ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) তথ্যের দিকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক নজর স্বর্ণের দামের ওপর কিছুটা চাপ তৈরি করলেও সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। তিনি মনে করেন, স্বর্ণের দাম ৪,৫০০ ডলারের ওপরে স্থিতিশীল থাকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বছরের প্রথমার্ধেই দাম ৫,০০০ ডলারের স্তর পরীক্ষা করতে পারে।

বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে এমন যেকোনো দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই কড়া হুঁশিয়ারি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি, মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেনে রাশিয়ার চালানো বছরের সবচেয়ে তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যেখানে অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস জানিয়েছেন, নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি পরিবর্তনের তেমন কোনো চাপ নেই। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ বছর অন্তত দুই দফা সুদহার কমানো হতে পারে। সাধারণত সুদহার কমলে এবং ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা ও দাম—উভয়ই বৃদ্ধি পায়।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার বাজারেও বড় ধরনের তেজিভাব দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ২.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৬.৯৪ ডলারে পৌঁছেছে, যা এর আগের রেকর্ড ৮৭.১৬ ডলারের খুব কাছাকাছি। এছাড়া স্পট প্লাটিনাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ২,৩৫২.৮৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ০.৩ শতাংশ বেড়ে ১,৮৪৭.২৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজারের এই অস্বাভাবিক অস্থিরতা মোকাবিলায় এবং লেনদেনে পর্যাপ্ত জামানত নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সচেঞ্জ অপারেটর সিএমই গ্রুপ তাদের মার্জিন নির্ধারণের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছে।


ট্রাম্পের এক ঘোষণা পাল্টে দিল চিত্র: তেলের বাজারে হঠাৎ বড় পতন!

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৪ ২০:০৬:৪২
ট্রাম্পের এক ঘোষণা পাল্টে দিল চিত্র: তেলের বাজারে হঠাৎ বড় পতন!
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে কিছুটা পতন লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই বাজারে এই স্বস্তি ফিরে আসে।

এর ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.৪০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম ১.৭ শতাংশ কমে ৯৭.৪৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে সপ্তাহান্তে দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ভেঙে যাওয়ার পর ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই উত্তেজনার জেরে তেলের দাম দ্রুত ১০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

তবে বর্তমানে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি এনে দিয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আলোচনার অগ্রগতি হলে তেলের দাম আরও কমতে পারে, তবে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকায় দাম পুনরায় বাড়ার শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

/আশিক


তেল সংকটে স্তব্ধ ইস্টার্ন রিফাইনারি! নজিরবিহীন জ্বালানি সংকটের মুখে দেশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৪ ১৮:১৫:১৩
তেল সংকটে স্তব্ধ ইস্টার্ন রিফাইনারি! নজিরবিহীন জ্বালানি সংকটের মুখে দেশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম জ্বালানি পরিশোধন কেন্দ্র ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (ইআরএল) অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের চরম সংকটে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। গত রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল থেকে রিফাইনারির মূল প্ল্যান্ট 'ক্রুড ডিস্টিলেশন ইউনিট' (সিডিইউ) বন্ধ করে দেওয়া হলেও মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাজানি হয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার কারণে তেলবাহী জাহাজ আসতে না পারায় এই নজিরবিহীন সংকটে পড়েছে দেশ।

মঙ্গলবার দুপুরে ইআরএলের সহকারী ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. মনজেদ আলী শান্ত মূল প্ল্যান্ট বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ঠিক কখন থেকে এটি বন্ধ হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। তবে প্রতিষ্ঠানের অন্য এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গত রোববার থেকেই প্ল্যান্টটি অচল হয়ে আছে। বর্তমানে ইআরএলের হাতে কোনো ক্রুড অয়েল মজুদ নেই, যার ফলে তেলের পরবর্তী চালান না আসা পর্যন্ত উৎপাদন শুরুর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে ১৫ লাখ টন ক্রুড পরিশোধন করা হয়, যার সিংহভাগ আসে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এক লাখ টন মারবান ক্রুড আসার পর থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

বিশেষ করে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশে তেল আসা অনিশ্চিত হয়ে যায়। গত ৫ মার্চ থেকে এক লাখ টন তেল নিয়ে 'নর্ডিক পোলাক্স' নামক একটি জাহাজ সৌদি আরবের রাসতানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে। অন্যদিকে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মালিকপক্ষ জাহাজ পাঠাতে রাজি না হওয়ায় 'ওমেরা গ্যালাক্সি' নামক ট্যাংকারের যাত্রাও বাতিল হয়েছে।

এই সংকট কাটাতে বিপিসি বিকল্প উপায়ে সৌদি আরব থেকে তেল আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। 'এমটি নিনেমিয়া' নামক একটি জাহাজ বর্তমানে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরের পথে রয়েছে, যা আগামী ১৯ এপ্রিল বন্দরে পৌঁছানোর কথা।

তবে জাহাজটি দেশে এসে পৌঁছাতে আরও সময়ের প্রয়োজন। ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বিপিসিকে এখন চড়া দামে অতিরিক্ত পরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


৪ হাজার টাকার বেশি দাম কমল স্বর্ণের! জেনে নিন আজকের সর্বশেষ রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৪ ১০:৩৯:২৩
৪ হাজার টাকার বেশি দাম কমল স্বর্ণের! জেনে নিন আজকের সর্বশেষ রেট
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার রেশ ধরে এবার দেশের বাজারেও এই মূল্যবান ধাতুটির দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৪৩২ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর রয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এর আগে এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৫০৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এই দাম বহাল থাকবে। তবে মনে রাখতে হবে, জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্রেতাদের কাছ থেকে ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দরপতনের ফলেই দেশের বাজারে এই স্বস্তির খবর এল।

/আশিক


স্বর্ণের বাজারে বড় ধস! এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে মিলছে মূল্যবান ধাতু

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১১:১০:২৩
স্বর্ণের বাজারে বড় ধস! এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে মিলছে মূল্যবান ধাতু
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের দরপতন শুরু হয়েছে। শক্তিশালী ডলার এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা কমায় বিনিয়োগকারীরা এখন ডলারের দিকে ঝুঁকছেন।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্পট গোল্ড বা তাৎক্ষণিক স্বর্ণের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪,৭১৬.৭০ ডলারে, যা গত ৭ এপ্রিলের পর সবচেয়ে কম। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে জুন ডেলিভারির স্বর্ণের দাম ১ শতাংশ কমে ৪,৭৩৮.৯০ ডলারে নেমে এসেছে। মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুদ্রাস্ফীতির এই আশঙ্কার ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ অদূর ভবিষ্যতে সুদহার কমানোর সম্ভাবনা থেকে সরে আসতে পারে। উচ্চ সুদহারের প্রত্যাশা সাধারণত স্বর্ণের দাম কমিয়ে দেয়। ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তজনা—সব মিলিয়ে স্বর্ণের বাজারে এখন তীব্র নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে।

/আশিক


ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে বাধ্য ব্যাংক! অমান্য করলেই ব্যবস্থা 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ২১:৫৬:০৭
ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে বাধ্য ব্যাংক! অমান্য করলেই ব্যবস্থা 
গ্রাফিক্স: ইত্তেফাক

দেশজুড়ে ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে কঠোর অবস্থানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য এ ধরনের নোট গ্রহণ এবং বিনিময় করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এই নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বা পরিচ্ছন্ন নোট নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো এ ধরনের নোট নিতে অনীহা প্রকাশ করায় বাজারে ময়লা ও ত্রুটিপূর্ণ নোটের আধিক্য বেড়ে গেছে, যা জনসাধারণের লেনদেনে সমস্যা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার মতো ছোট নোটগুলোর বিনিময়ের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশেষ জোর দিয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এখন থেকে গ্রাহকরা যেকোনো ব্যাংকের শাখায় গিয়ে তাদের ছেঁড়া বা ময়লা নোট জমা দিয়ে তার বিপরীতে ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট বুঝে নিতে পারবেন। কোনো ব্যাংক এই সেবা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা গাফিলতি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

/আশিক


স্বর্ণের বাজারে বড় পতন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১১:৫২:০৭
স্বর্ণের বাজারে বড় পতন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে টানা দুই দফা বাড়ার পর অবশেষে বড় ধরনের পতন হয়েছে স্বর্ণের দামে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৪৩২ টাকা পর্যন্ত দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নতুন সমন্বিত দামেই আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবারও স্বর্ণের দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা এখন অনেকটাই কমে এসেছে।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই নতুন দাম কার্যকর থাকবে। তবে জুয়েলারি পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

মান অনুযায়ী স্বর্ণের নতুন দাম

বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের প্রতি ভরির জন্য গুনতে হবে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮৬ টাকা।

/আশিক


আজকের টাকার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৯ এপ্রিলের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১১:৪৬:৩৪
আজকের টাকার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৯ এপ্রিলের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

প্রবাসীদের সুবিধার্থে আজ বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ দেশের বাজারে মার্কিন ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

এর মধ্যে ডলার কেনার দাম ১২২ টাকা ৭০ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো কেনার ক্ষেত্রে ১৪৩ টাকা ৮৫ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১৪৩ টাকা ৯৭ পয়সা দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড কেনার দাম ১৬৫ টাকা ১৯ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১৬৫ টাকা ২৯ পয়সা।

সিঙ্গাপুর ডলার কেনা যাচ্ছে ৯৬ টাকা ৩১ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৯৬ টাকা ৪০ পয়সায়।

কানাডিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৮ টাকা ৬৬ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ৮৮ টাকা ৭০ পয়সা।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা ৬৬ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৬ টাকা ৭১ পয়সায়।

এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রা সৌদি রিয়ালের ক্রয়মূল্য ৩২ টাকা ৭৩ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ৩২ টাকা ৫০ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩১ পয়সা (ক্রয় ও বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রে) এবং জাপানি ইয়েন কেনা হচ্ছে ০.৭৭ টাকায় ও বিক্রি হচ্ছে ০.৭৬৭ টাকায়।

উল্লেখ্য যে, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


আজকের মুদ্রার রেট: জেনে নিন কোন দেশের কত টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১১:২৯:১৫
আজকের মুদ্রার রেট: জেনে নিন কোন দেশের কত টাকা
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা।

প্রবাসীদের সুবিধার্থে এবং সঠিক হিসাবে লেনদেনের জন্য আজকের (১১ এপ্রিল, ২০২৬) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

আজকের বাজার অনুযায়ী, আমেরিকান ডলারের বিনিময় হার ১২২.১৭ টাকা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান দাঁড়িয়েছে ১৬৪.৮১ টাকায়।

ইউরোপীয় মুদ্রা ইউরোর মান আজ ১৪৩.৬২ টাকা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতোই সর্বোচ্চ ৩৯৭.০১ টাকা।

এছাড়া সৌদি রিয়াল ৩২.৭৩ টাকা এবং দুবাই দেরহাম ৩৩.৪২ টাকায় বিনিময় হচ্ছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে মালয়েশিয়ান রিংগিত ৩০.৯৩ টাকা, সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬.৩৩ টাকা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৮.৯২ টাকা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে আজ বাংলাদেশি ১.৩২ টাকা পাওয়া যাচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে বর্তমান দর যাচাই করে নেওয়া ভালো।

/আশিক


ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমলো স্বর্ণের দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ০৯:৪৬:১২
ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমলো স্বর্ণের দর
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব সত্ত্বেও দেশের স্বর্ণবাজারে মূল্যহ্রাসের একটি উল্লেখযোগ্য প্রবণতা দেখা গেছে। টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর এবার স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সংশোধন এনেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা বাজারে নতুন ভারসাম্য তৈরি করেছে।

বাজুসের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং শনিবার পর্যন্ত একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ বা তেজাবি স্বর্ণের দামে পতন ঘটার কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা, ডলারের বিনিময় হার এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতিও এই সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন নির্ধারিত দরে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ভরিতে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৮ টাকায়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮৬ টাকা।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও স্বর্ণের দামের এই পতন মূলত স্থানীয় বাজারের সরবরাহ ও মূল্য সমন্বয়ের ফল। এতে স্বল্পমেয়াদে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি হলেও ভবিষ্যতে আবারও মূল্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বাজুস আরও জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নির্ধারিত মূল্যই কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা বহাল রয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত:

১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

দেশের শেয়ারবাজারে আজকের লেনদেনে নির্বাচিত কিছু কোম্পানি উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ নতুন করে বাড়িয়েছে। দিন শেষে প্রকাশিত... বিস্তারিত