বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির শীর্ষ নেতা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৫:১৫:০১
বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির শীর্ষ নেতা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–তে যোগ দিয়েছেন মীর আরশাদুল হক। বুধবার ৭ জানুয়ারি বিএনপির মিডিয়া সেল আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, তিনি দলটির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার দুপুর ২টার দিকে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মীর আরশাদুল হক। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ মীর আরশাদুল হক এর আগে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)–এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একইসঙ্গে তিনি দলটির চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বেও ছিলেন, যা তাকে স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ এক বিবৃতির মাধ্যমে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল হক। ওই ঘোষণার মাধ্যমে তিনি দলীয় রাজনীতি থেকে সরে আসার কারণ ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মীর আরশাদুল হক এনসিপিতে থাকার সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া সেলের সক্রিয় সংগঠক, শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য এবং পরিবেশ সেলের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। এসব দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি দলটির সাংগঠনিক ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসন থেকে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মীর আরশাদুল হক। দল থেকে পদত্যাগের মাধ্যমে সেই মনোনয়ন কার্যত বাতিল হয়ে যায় এবং একইসঙ্গে তিনি বিএনপির প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানান।

-রাফসান


আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ৬১ ইউপি সদস্য, বিএনপিতে যোগদান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৪:৫৯:০৮
আওয়ামী লীগ ছাড়লেন ৬১ ইউপি সদস্য, বিএনপিতে যোগদান
ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্থানীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ৬১ জন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য দলীয় অবস্থান পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছেন। বুধবার রাতে আদিতমারী–কালিগঞ্জ এলাকার রাজনীতিতে এই দলবদলকে একটি বড় ঘটনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাত আনুমানিক ১০টার দিকে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং আদিতমারী–কালিগঞ্জ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল–এর বাসভবনে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে নবাগত ইউপি সদস্যরা ফুলের তোড়া দিয়ে রোকন উদ্দিন বাবুলকে শুভেচ্ছা জানান এবং ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির প্রতি তাদের সমর্থন ঘোষণা করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রোকন উদ্দিন বাবুল বলেন, গত প্রায় ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার আদিতমারী ও কালিগঞ্জ উপজেলায় দৃশ্যমান ও টেকসই কোনো উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, উন্নয়নের নামে এই সময়কালে লুটপাট, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং জীবনযাত্রার মান পিছিয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে এই অঞ্চলের রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণসহ গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আধুনিকীকরণ ও স্বাস্থ্যখাতে সেবার মান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। নবাগত নেতাদের পাশে পাওয়াকে তিনি নিজের রাজনৈতিক অভিযাত্রার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিএনপিতে যোগদানকারী ইউপি সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থার ভেতরে থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি চললেও তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সুযোগ পাননি এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।

-শরিফুল


ব্যবসায়ীদের টাকা নয়, সততার রাজনীতিতে জনগণের সহায়তা চান হান্নান মাসউদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১১:৪৫:৫০
ব্যবসায়ীদের টাকা নয়, সততার রাজনীতিতে জনগণের সহায়তা চান হান্নান মাসউদ
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ তাঁর নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষের কাছে অর্থসহায়তা চেয়েছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিস্তারিত পোস্ট এবং ফটোকার্ড শেয়ার করে তিনি এই আহ্বান জানান। সেখানে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর প্রদান করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর সাথে গড়া জোট থেকে নির্বাচনে লড়াই করতে যাওয়া এই তরুণ নেতা জানান, তিনি এমন একটি রাজনীতি প্রবর্তন করতে চান যেখানে ক্ষমতার চেয়ে সততা এবং স্বার্থের চেয়ে ইনসাফ হবে বড় মানদণ্ড।

হান্নান মাসউদ তাঁর পোস্টে স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী বা বড় ব্যবসায়ীর অর্থে রাজনীতি করতে চান না। তাঁর মতে, বড় অংকের অর্থ বড় শর্ত নিয়ে আসে, যা ভবিষ্যতে জনগণের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতাকে খর্ব করে। তিনি চান না কোনো অদৃশ্য ঋণের চাপে পড়ে হাতিয়ার সাধারণ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হোক। মাসউদ লিখেছেন, "যার অর্থে রাজনীতি চলে, শেষ পর্যন্ত রাজনীতি তার কথাই শোনে—আমি চাই আমার রাজনীতি শুনুক কেবল হাতিয়ার সাধারণ মানুষের কথা।" তাঁর এই অবস্থানকে তিনি একটি ‘নৈতিক অবস্থান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে হাতিয়ার মানুষ নিজেই তাদের প্রতিনিধি গড়ে তুলতে চায়।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনিম জারাও একইভাবে জনগণের কাছ থেকে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন। তবে জোট গঠনের পর তিনি এনসিপি ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হান্নান মাসউদ হাতিয়ায় একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন যেখানে জনপ্রতিনিধি সর্বদা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবদানে এই লড়াই শক্তিশালী হবে এবং এটি ভবিষ্যতে তাঁকে জনগণের কাছে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার নৈতিক অধিকার দেবে। এই অভিনব উদ্যোগ হাতিয়ার রাজনীতিতে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ২০:৫৭:৪১
ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

ব্যালটে সিল দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করা পুলিশ বা প্রশাসনের কাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ এলাকায় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসনের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণ যাতে কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়া নিজের ভোট দিতে পারে, সেই সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, যদি তারা সঠিক পথে চলে তবে জনগণ তাদের মাথায় তুলে রাখবে, অন্যথায় তাদেরও বেনজির আহমেদ ও হারুন অর রশিদের মতো করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন যে, দেশ এখন মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে—যার একটি পক্ষ গোলামি চায় এবং অন্যটি চায় প্রকৃত আজাদী। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি পক্ষ বিদেশের তাবেদারি করতে ব্যস্ত, যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও বিপ্লবীরা চায় বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা। হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, গত দেড় দশক ধরে শেখ হাসিনাকে ‘এজেন্ট’ হিসেবে নিয়োগ করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি কলোনি বা সাব-কন্টিনেন্ট হিসেবে পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে কে পরিচালনা করবে বা কারা সরকার গঠন করবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র এ দেশের জনগণের। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, যেসব আমলা অতীতে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদের হত্যার সাথে জড়িত ছিল এবং যাদের মিডিয়া ‘আগুন সন্ত্রাসী’ হিসেবে প্রচার করেছিল, আজ অনেক মহল তাদের বুকে টেনে নিচ্ছে।

উক্ত সভায় তিনি প্রশাসনের আমলাদের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন যে, যারা আন্দোলনকারী ভাইদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তাদের বিচার নিশ্চিত না করে আবার পুনর্বাসন করার প্রক্রিয়া জনগণ মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন যে, আমরা চাই না বাংলাদেশ আবার অতীতের সেই পরাধীনতায় ফিরে যাক। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই সফর ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেবীদ্বার এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের ওপর এমন সরাসরি চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে এনসিপি তাদের নির্বাচনী প্রচারণা ও জনমতকে আরও সুসংহত করতে চাইছে।


বিচার না করে নির্বাচনে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: রিফাত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৮:২৯:৩৮
বিচার না করে নির্বাচনে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: রিফাত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ । ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে এবং বিপ্লবীদের সুরক্ষায় নতুন করে মাঠে নামছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশিদ অভিযোগ করেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে সরকারের ভেতরে ও বাইরে নানা মহল ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একজন আসামিকে ধরতে পারছে না—এটি গভীর সন্দেহের উদ্রেক ঘটায়। আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তাদের পেছনের কুশীলবদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আগের তিন দফা দাবিতে কিছুটা পরিবর্তন এনে নতুন তিন দফা পেশ করা হয়। প্রথম দফায় মাহাদী ও সুরভির নিঃশর্ত মুক্তি এবং দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি চাওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব কর্মকাণ্ডের জন্য ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ জারির দাবি জানানো হয়েছে। তৃতীয় দফায় বিপ্লবে অবদান রাখা সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্থায়ী কমিশন গঠন এবং ২০০৯ সাল থেকে বঞ্চিত সেনা কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের দাবি তোলা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে দুটি বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথমত, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যেসব এলাকায় ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেই থানার তৎকালীন ওসি এবং সংশ্লিষ্ট এসপিদের তালিকা তৈরি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে। দ্বিতীয়ত, দায়মুক্তি অধ্যাদেশ নিশ্চিত করতে ছাত্র নেতারা আইন ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে এবং বড় রাজনৈতিক জোটগুলোর প্রধানদের সঙ্গে ইশতেহার নিয়ে আলোচনা করবেন। রিফাত রশিদ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যারা বিপ্লবীদের হত্যার বিচার না করে নির্বাচনের মাঠে নামার চেষ্টা করবেন, বাংলাদেশের জনগণ তাঁদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।


উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের ৪ দিনের ‘মেগা সফর’: রুট ম্যাপ দেখে নিন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৭:২০:১০
উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের ৪ দিনের ‘মেগা সফর’: রুট ম্যাপ দেখে নিন
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলায় চার দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ সফর শুরু করবেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি নিশ্চিত করা হয়েছে। সফরটি মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তারেক রহমান তাঁর এই সফরে উত্তরবঙ্গের ৯টি জেলা চষে বেড়াবেন এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সাধারণ মানুষের খোঁজ নেবেন।

চূড়ান্ত সময়সূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন এবং ওই রাতে বগুড়ায় অবস্থান করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে যাবেন এবং রাত্রিযাপনের জন্য রংপুরে ফিরে আসবেন। সফরের শেষ দিন অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি তিনি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফিরে আসবেন। এই দীর্ঘ সফরে তিনি মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ আবু সাঈদ এবং বেগম খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা মজুমদারসহ দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতার সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানের আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর ওপর, যাদের সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ও সহমর্মিতা জানাবেন। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সফরকালে নির্বাচন কমিশনের জারি করা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হবে না। একই সঙ্গে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই উত্তরবঙ্গ সফর তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে বড় ভূমিকা রাখবে।


গণতন্ত্রের মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে: খসরু

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৭:১২:০০
গণতন্ত্রের মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে: খসরু
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বর্তমানে দেশের গণতন্ত্রের ‘টর্চ বিয়ারার’ বা পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জিয়া পরিষদ আয়োজিত এক দোয়া-মাহফিল ও শোকসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আমির খসরু বলেন, গণতন্ত্রের যে মশাল শহীদ জিয়ার হাতে শুরু হয়েছিল এবং যা দীর্ঘ সময় বেগম খালেদা জিয়া বহন করেছেন, এখন সেই মশাল তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তিনিই এখন জাতিকে পথ দেখাচ্ছেন।

খালেদা জিয়াকে এক আপসহীন নেতা হিসেবে বর্ণনা করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যারা অতীতে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার লোভে আপস করেছে কিংবা যারা এখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তারাই মূলত গণতন্ত্রের প্রকৃত শত্রু। একমাত্র বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কোনো ধরনের আপস করেননি এবং দীর্ঘ সময় ধরে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে নিজের লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বেগম জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়ই কেটেছে ত্যাগ, আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, যার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।

অনুষ্ঠানে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং জাতির মধ্যে শৃঙ্খলা ফেরানোর আহ্বান জানান। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান। শোকসভায় বক্তারা জিয়া পরিবারের ত্যাগ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার আহ্বান জানান।


জকসু নির্বাচনে বোটানিতে ফল প্রকাশ, ভোটে চমক

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৫:২৩:৫০
জকসু নির্বাচনে বোটানিতে ফল প্রকাশ, ভোটে চমক
ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের অংশ হিসেবে বোটানি বিভাগের ভোটের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার ৭ জানুয়ারি দুপুরে কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিভাগের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।

ফলাফলে দেখা যায়, বোটানি বিভাগে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন মোট ৬৫টি ভোট। অপরদিকে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী রাকিব অর্জন করেছেন ২১৬ ভোট, যা ভিপি পদে স্পষ্ট ব্যবধান নির্দেশ করে।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ভোটের ফলাফলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র উঠে এসেছে। শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল আলীম পেয়েছেন ১৪৩ ভোট। বিপরীতে, ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৬৯ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ভোটের হিসাব আরও কাছাকাছি ছিল। এই পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ রানা পেয়েছেন ১২০ ভোট। অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী তানজিল পেয়েছেন ১৩৮ ভোট, যা এজিএস পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বোটানি বিভাগের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি ও অংশগ্রহণকে কমিশন সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছে।

-রাফসান


জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৪:৫২:০২
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক গণতন্ত্রের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে টেকসই রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর রুহের মাগফেরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া যে গণতান্ত্রিক চেতনা ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, সেই দায়িত্ব এখন তারেক রহমান–এর হাতে ন্যস্ত। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও শৃঙ্খলা ও ঐক্যের মধ্যে থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও ত্যাগের কারণেই দেশের মানুষ এক সময় স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল। অথচ আজ যারা বিএনপির রাজনীতির বিরোধিতা করছে, অতীতে তারাই স্বৈরাচারী শক্তির সঙ্গে আপস করে রাজনীতি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপি বিশ্বাস করে, রাষ্ট্রের সম্পদ ও সুযোগ যদি কেবল একটি গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে, তবে গণতন্ত্র অর্থহীন হয়ে পড়ে। এ কারণেই অর্থনৈতিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের ইশতেহার প্রণয়ন করা হবে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করেই।

তিনি বলেন, এই ৩১ দফা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।

সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সবাই একমত পোষণ করেন যে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আগামী দিনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

-রফিক


নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে দেশ ধ্বংস হবে: ডা. তাহের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১১:৪২:০০
নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে দেশ ধ্বংস হবে: ডা. তাহের
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় দলটির আমিরের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াত নেতারা। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন যে, প্রশাসন বর্তমানে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।

ডা. তাহের ইইউ প্রতিনিধিদের জানান, জামায়াতে ইসলামী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তবে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে পক্ষপাতিত্বের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে, যা একটি ‘পাতানো নির্বাচনের’ ইঙ্গিত হতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি আবারও কোনো পাতানো নির্বাচন হয়, তবে দেশ ধ্বংসের দিকে চলে যাবে।” ইইউ প্রতিনিধিদের কাছে তিনি আরও পরিষ্কার করেন যে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এককভাবে নয়, বরং সব দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।

নির্বাচনী জোট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের জানান, এনসিপিকে (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ১০টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন। তিনি জানান, তাদের ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইইউ প্রতিনিধিদলটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে আলোচনা করেছিল।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত