সারজিস আলমের দুই নথিতে দুই রকম আয়, হলফনামা নিয়ে প্রশ্ন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা তার হলফনামা ও আয়কর নথি পর্যালোচনায় আয় ও সম্পদের তথ্যে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে, যা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
২৭ বছর বয়সী এই তরুণ নেতা হলফনামায় নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং বার্ষিক আয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন ৯ লাখ টাকা। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে দাখিল করা ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামায় ঘোষিত আয়ের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি। একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে দুটি সরকারি নথিতে ভিন্ন ভিন্ন আয়ের তথ্য উপস্থাপন করায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আয়ের পাশাপাশি সম্পদের ঘোষণাতেও রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী সারজিস আলমের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা হলেও হলফনামায় প্রদত্ত সম্পদের হিসাব উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এতে করে তার প্রকৃত সম্পদের চিত্র নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
হলফনামায় অস্থাবর সম্পদ হিসেবে তিনি নগদ ৩ লাখ ১১ হাজার ১২৮ টাকা এবং ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত ১ লাখ টাকার তথ্য দিয়েছেন। এছাড়া তার মালিকানায় রয়েছে ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং সমপরিমাণ মূল্যের আসবাবপত্র। হলফনামায় কোনো স্বর্ণালংকারের উল্লেখ নেই।
স্থাবর সম্পদের বিবরণে বলা হয়েছে, দানসূত্রে প্রাপ্ত সাড়ে ১৬ শতাংশ কৃষিজমি তার মালিকানায় রয়েছে। জমিটির অর্জনকালীন মূল্য মাত্র সাড়ে ৭ হাজার টাকা হলেও বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ৫ লাখ টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, স্থাবর ও অস্থাবর সব সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা।
-রাফসান
ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
ব্যালটে সিল দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করা পুলিশ বা প্রশাসনের কাজ নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ এলাকায় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসনের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণ যাতে কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়া নিজের ভোট দিতে পারে, সেই সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, যদি তারা সঠিক পথে চলে তবে জনগণ তাদের মাথায় তুলে রাখবে, অন্যথায় তাদেরও বেনজির আহমেদ ও হারুন অর রশিদের মতো করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন যে, দেশ এখন মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে—যার একটি পক্ষ গোলামি চায় এবং অন্যটি চায় প্রকৃত আজাদী। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি পক্ষ বিদেশের তাবেদারি করতে ব্যস্ত, যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও বিপ্লবীরা চায় বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা। হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, গত দেড় দশক ধরে শেখ হাসিনাকে ‘এজেন্ট’ হিসেবে নিয়োগ করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি কলোনি বা সাব-কন্টিনেন্ট হিসেবে পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে কে পরিচালনা করবে বা কারা সরকার গঠন করবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র এ দেশের জনগণের। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, যেসব আমলা অতীতে জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্রদের হত্যার সাথে জড়িত ছিল এবং যাদের মিডিয়া ‘আগুন সন্ত্রাসী’ হিসেবে প্রচার করেছিল, আজ অনেক মহল তাদের বুকে টেনে নিচ্ছে।
উক্ত সভায় তিনি প্রশাসনের আমলাদের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন যে, যারা আন্দোলনকারী ভাইদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তাদের বিচার নিশ্চিত না করে আবার পুনর্বাসন করার প্রক্রিয়া জনগণ মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন যে, আমরা চাই না বাংলাদেশ আবার অতীতের সেই পরাধীনতায় ফিরে যাক। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই সফর ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেবীদ্বার এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনের ওপর এমন সরাসরি চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে এনসিপি তাদের নির্বাচনী প্রচারণা ও জনমতকে আরও সুসংহত করতে চাইছে।
বিচার না করে নির্বাচনে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: রিফাত
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে এবং বিপ্লবীদের সুরক্ষায় নতুন করে মাঠে নামছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশিদ অভিযোগ করেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে সরকারের ভেতরে ও বাইরে নানা মহল ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একজন আসামিকে ধরতে পারছে না—এটি গভীর সন্দেহের উদ্রেক ঘটায়। আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তাদের পেছনের কুশীলবদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আগের তিন দফা দাবিতে কিছুটা পরিবর্তন এনে নতুন তিন দফা পেশ করা হয়। প্রথম দফায় মাহাদী ও সুরভির নিঃশর্ত মুক্তি এবং দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি চাওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব কর্মকাণ্ডের জন্য ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’ জারির দাবি জানানো হয়েছে। তৃতীয় দফায় বিপ্লবে অবদান রাখা সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্থায়ী কমিশন গঠন এবং ২০০৯ সাল থেকে বঞ্চিত সেনা কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের দাবি তোলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দুটি বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথমত, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যেসব এলাকায় ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেই থানার তৎকালীন ওসি এবং সংশ্লিষ্ট এসপিদের তালিকা তৈরি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে। দ্বিতীয়ত, দায়মুক্তি অধ্যাদেশ নিশ্চিত করতে ছাত্র নেতারা আইন ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে এবং বড় রাজনৈতিক জোটগুলোর প্রধানদের সঙ্গে ইশতেহার নিয়ে আলোচনা করবেন। রিফাত রশিদ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যারা বিপ্লবীদের হত্যার বিচার না করে নির্বাচনের মাঠে নামার চেষ্টা করবেন, বাংলাদেশের জনগণ তাঁদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।
উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের ৪ দিনের ‘মেগা সফর’: রুট ম্যাপ দেখে নিন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলায় চার দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ সফর শুরু করবেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি নিশ্চিত করা হয়েছে। সফরটি মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তারেক রহমান তাঁর এই সফরে উত্তরবঙ্গের ৯টি জেলা চষে বেড়াবেন এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সাধারণ মানুষের খোঁজ নেবেন।
চূড়ান্ত সময়সূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন এবং ওই রাতে বগুড়ায় অবস্থান করবেন। পরদিন ১২ জানুয়ারি তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে যাবেন এবং রাত্রিযাপনের জন্য রংপুরে ফিরে আসবেন। সফরের শেষ দিন অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি তিনি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফিরে আসবেন। এই দীর্ঘ সফরে তিনি মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ আবু সাঈদ এবং বেগম খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা মজুমদারসহ দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতার সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানের আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারগুলোর ওপর, যাদের সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ও সহমর্মিতা জানাবেন। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সফরকালে নির্বাচন কমিশনের জারি করা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হবে না। একই সঙ্গে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই উত্তরবঙ্গ সফর তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
গণতন্ত্রের মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে: খসরু
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বর্তমানে দেশের গণতন্ত্রের ‘টর্চ বিয়ারার’ বা পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জিয়া পরিষদ আয়োজিত এক দোয়া-মাহফিল ও শোকসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আমির খসরু বলেন, গণতন্ত্রের যে মশাল শহীদ জিয়ার হাতে শুরু হয়েছিল এবং যা দীর্ঘ সময় বেগম খালেদা জিয়া বহন করেছেন, এখন সেই মশাল তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তিনিই এখন জাতিকে পথ দেখাচ্ছেন।
খালেদা জিয়াকে এক আপসহীন নেতা হিসেবে বর্ণনা করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যারা অতীতে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার লোভে আপস করেছে কিংবা যারা এখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তারাই মূলত গণতন্ত্রের প্রকৃত শত্রু। একমাত্র বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কোনো ধরনের আপস করেননি এবং দীর্ঘ সময় ধরে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে নিজের লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বেগম জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়ই কেটেছে ত্যাগ, আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে, যার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
অনুষ্ঠানে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং জাতির মধ্যে শৃঙ্খলা ফেরানোর আহ্বান জানান। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান। শোকসভায় বক্তারা জিয়া পরিবারের ত্যাগ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার আহ্বান জানান।
জকসু নির্বাচনে বোটানিতে ফল প্রকাশ, ভোটে চমক
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের অংশ হিসেবে বোটানি বিভাগের ভোটের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার ৭ জানুয়ারি দুপুরে কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিভাগের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।
ফলাফলে দেখা যায়, বোটানি বিভাগে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন মোট ৬৫টি ভোট। অপরদিকে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী রাকিব অর্জন করেছেন ২১৬ ভোট, যা ভিপি পদে স্পষ্ট ব্যবধান নির্দেশ করে।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ভোটের ফলাফলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র উঠে এসেছে। শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল আলীম পেয়েছেন ১৪৩ ভোট। বিপরীতে, ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ভোটের হিসাব আরও কাছাকাছি ছিল। এই পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ রানা পেয়েছেন ১২০ ভোট। অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী তানজিল পেয়েছেন ১৩৮ ভোট, যা এজিএস পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বোটানি বিভাগের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি ও অংশগ্রহণকে কমিশন সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছে।
-রাফসান
বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির শীর্ষ নেতা
বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–তে যোগ দিয়েছেন মীর আরশাদুল হক। বুধবার ৭ জানুয়ারি বিএনপির মিডিয়া সেল আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, তিনি দলটির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার দুপুর ২টার দিকে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মীর আরশাদুল হক। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ মীর আরশাদুল হক এর আগে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)–এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একইসঙ্গে তিনি দলটির চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বেও ছিলেন, যা তাকে স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল।
এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ এক বিবৃতির মাধ্যমে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল হক। ওই ঘোষণার মাধ্যমে তিনি দলীয় রাজনীতি থেকে সরে আসার কারণ ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হলো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মীর আরশাদুল হক এনসিপিতে থাকার সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া সেলের সক্রিয় সংগঠক, শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য এবং পরিবেশ সেলের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। এসব দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি দলটির সাংগঠনিক ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসন থেকে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মীর আরশাদুল হক। দল থেকে পদত্যাগের মাধ্যমে সেই মনোনয়ন কার্যত বাতিল হয়ে যায় এবং একইসঙ্গে তিনি বিএনপির প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানান।
-রাফসান
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা
বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য অর্থনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক গণতন্ত্রের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে টেকসই রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর রুহের মাগফেরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া যে গণতান্ত্রিক চেতনা ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, সেই দায়িত্ব এখন তারেক রহমান–এর হাতে ন্যস্ত। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও শৃঙ্খলা ও ঐক্যের মধ্যে থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও ত্যাগের কারণেই দেশের মানুষ এক সময় স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল। অথচ আজ যারা বিএনপির রাজনীতির বিরোধিতা করছে, অতীতে তারাই স্বৈরাচারী শক্তির সঙ্গে আপস করে রাজনীতি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপি বিশ্বাস করে, রাষ্ট্রের সম্পদ ও সুযোগ যদি কেবল একটি গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে, তবে গণতন্ত্র অর্থহীন হয়ে পড়ে। এ কারণেই অর্থনৈতিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের ইশতেহার প্রণয়ন করা হবে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করেই।
তিনি বলেন, এই ৩১ দফা সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।
সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সবাই একমত পোষণ করেন যে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আগামী দিনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
-রফিক
নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে দেশ ধ্বংস হবে: ডা. তাহের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় দলটির আমিরের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াত নেতারা। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন যে, প্রশাসন বর্তমানে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।
ডা. তাহের ইইউ প্রতিনিধিদের জানান, জামায়াতে ইসলামী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তবে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে পক্ষপাতিত্বের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে, যা একটি ‘পাতানো নির্বাচনের’ ইঙ্গিত হতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি আবারও কোনো পাতানো নির্বাচন হয়, তবে দেশ ধ্বংসের দিকে চলে যাবে।” ইইউ প্রতিনিধিদের কাছে তিনি আরও পরিষ্কার করেন যে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এককভাবে নয়, বরং সব দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।
নির্বাচনী জোট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের জানান, এনসিপিকে (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ১০টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন। তিনি জানান, তাদের ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইইউ প্রতিনিধিদলটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে আলোচনা করেছিল।
ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবার আমাদের ভোট: হাসনাত আবদুল্লাহ
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শক্তিকে জয়ী করতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বিরাল্লা এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী পদযাত্রায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের নয়, বরং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, লুটেরা এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার নির্বাচন।”
নির্বাচনী প্রচারণাকালে ভোটারদের উদ্দেশ্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যারা দুর্নীতি করে, টেন্ডারবাজি ও মামলাবাজি করে সমাজকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তাদের প্রত্যাখ্যান করার সময় এসেছে। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কোনো পেশিশক্তি বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালায়, তবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। জনগণের ভোটাধিকার ও জনমতের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এনসিপি যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
পথসভায় তিনি ভোটারদের প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ইনসাফ কায়েম এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে ভোটারদের সচেতন থাকতে হবে। এ সময় ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় এনসিপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে, যা ওই এলাকার নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে বিরাল্লার পদযাত্রাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়, যেখানে আধিপত্যবাদ বিরোধী স্লোগানে মুখরিত ছিল রাজপথ।
পাঠকের মতামত:
- কৃষ্ণগহ্বরের তাণ্ডবে ফুটছে আদি মহাবিশ্ব: শুরুর জগত নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান সামরিক সম্পর্ক এখন তুঙ্গে: রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন গণবিজ্ঞপ্তি জারি, বেসরকারি স্কুল-কলেজের জন্য বড় সুখবর
- চট্টগ্রামের খতনা করাতে গিয়ে চিরতরে ঘুমিয়ে পড়ল ৭ বছরের রোহান
- ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- ২৬ কেন্দ্রের ফলে পাশা উল্টে গেল: জকসু নির্বাচনের নাটকীয় মোড়
- শীতে বারবার প্রস্রাবের বেগ: সাধারণ ঘটনা নাকি কিডনি রোগের সংকেত?
- সদরপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র, গুলি ও ককটেল উদ্ধার
- ভিপি পদে রিয়াজুল বনাম রাকিব: জকসু নির্বাচনের ২০ কেন্দ্রের ফল এক নজরে
- তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৩ বিভাগ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪-৬ ডিগ্রিতে
- সুস্থ থাকতে চায়ের সঙ্গে এই ৫ খাবারের বিচ্ছেদ জরুরি: আজই সতর্ক হোন
- বিচার না করে নির্বাচনে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: রিফাত
- স্যার আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?: মোদির অনুরোধে যা বললেন ট্রাম্প
- ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অনড়: আসিফ নজরুল
- ছড়িয়ে পড়েছে নিপাহ ভাইরাস: মৃত্যুর হার ১০০ শতাংশে পৌঁছানোয় রেড অ্যালার্ট
- উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের ৪ দিনের ‘মেগা সফর’: রুট ম্যাপ দেখে নিন
- গণতন্ত্রের মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে: খসরু
- জকসু নির্বাচনে বোটানিতে ফল প্রকাশ, ভোটে চমক
- বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির শীর্ষ নেতা
- ৭ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
- ডিএসইতে আজ দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারে আজকের শীর্ষ লাভবান ১০ কোম্পানি
- জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা
- অলিম্পিক ও কেডিএসের নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
- ডিএসইতে বন্ড আপডেট, চার ট্রেজারি বন্ডের রেকর্ড ডেট
- সূচক বাড়ছে, ভলিউম ৯ কোটির বেশি, কী বোঝায়
- বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- শীতকালে বাংলাদেশের ভ্রমণের ৫ সেরা জায়গা: ২০২৬ সালের ট্রাভেল গাইড
- নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে দেশ ধ্বংস হবে: ডা. তাহের
- বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে বুলবুলের বিস্ফোরক তথ্য
- আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
- ৬ বিভাগের ফলাফলে ভিপি পদে মাত্র ৫৭ ভোটের ব্যবধান: টানটান উত্তেজনা জবিতে
- শীতেও ত্বক থাকবে মাখনের মতো নরম: জানুন জাদুকরী কিছু সহজ টিপস
- দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তির ৫ সহজ উপায়
- টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সূচি
- বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না গেলে বড় জরিমানার মুখে বাংলাদেশ
- আজ ০৭ জানুয়ারি নামাজের সময়সূচি
- আজ বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি জেনে নিন বের হওয়ার আগে
- চার জোনে বিভক্ত হচ্ছে সেন্ট মার্টিন
- যে ১০ জেলায় আজও শৈত্যপ্রবাহের রেড অ্যালার্ট
- নবম পে স্কেলে আকাশছোঁয়া বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ: কার পকেটে ঢুকবে বাড়তি টাকা?
- জকসু নির্বাচনের প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ভিপি-জিএস পদে কে কোথায়?
- ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবার আমাদের ভোট: হাসনাত আবদুল্লাহ
- নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ছক: বেরিয়ে এলো হাদি খুনের রোমহর্ষক তথ্য
- সোনা ও প্লাটিনামের পাহাড় কি আকাশেই ভাসছে? গ্রহাণু নিয়ে গবেষকদের অবাক দাবি
- দুদকের নজরদারিতে সারজিস আলম
- নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় ছড়াচ্ছেন তারা কড়া নজরদারিতে: শফিকুল আলম
- প্রস্রাবের রং কি বদলে যাচ্ছে? কিডনি বিকল হওয়ার আগাম লক্ষণ জানুন
- শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর জানুন বিশেষজ্ঞ মত
- ৯ম পে স্কেলে আমূল পরিবর্তন, সরকারি চাকরিতে বেতনে বড় সুখবর
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে
- কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য লম্বা ছুটি ঘোষণা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী
- বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- পেটের আলসার: কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- ৪ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে আজ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী তালিকা
- স্বর্ণের দামে নতুন বছরের শুরুতেই স্বস্তি: আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- কাত্তালী টেক্সটাইলের শেয়ারে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর
- অবশেষে অবসান হলো অপেক্ষার: বিশেষ আহ্বান নিয়ে হাজির ড. ইউনূস
- ০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- আবহাওয়া অফিসের বড় দুঃসংবাদ, ধেয়ে আসছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত
- গয়না কেনার আগে দেখে নিন আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশে
- এক নজরে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বশেষ NAV








