আজ ২৮ ডিসেম্বরের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২৮ ০৯:১০:০৭
আজ ২৮ ডিসেম্বরের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে নামাজের গুরুত্ব বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। কিয়ামতের দিন বান্দার আমলনামার মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই একজন প্রকৃত মুসলমান হিসেবে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা ইমানি দায়িত্ব। আজ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি, ১৩ পৌষ ১৪৩২ বাংলা এবং ৭ রজব ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার মুসুল্লিদের সুবিধার্থে আজকের নামাজের সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো।

ঢাকার নামাজের সময়সূচি (২৮ ডিসেম্বর ২০২৫):

জোহর: দুপুর ১২:০৫ মিনিট

আসর: বিকেল ৩:৪৩ মিনিট

মাগরিব: সন্ধ্যা ৫:২৫ মিনিট

এশা: সন্ধ্যা ৬:৪২ মিনিট

ফজর (আগামীকাল সোমবার): ভোর ৫:২০ মিনিট

ঢাকার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য প্রধান বিভাগীয় শহরগুলোর সময়ের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো। নিজ নিজ এলাকার নামাজের সঠিক সময় জানতে এই মিনিটগুলো সমন্বয় করে নিতে হবে।

যেসব এলাকার সময় বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

যেসব এলাকার সময় যোগ করতে হবে:

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

ইসলামি বিধান অনুযায়ী ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নত, ওয়াজিব এবং নফল নামাজেরও বিশেষ ফজিলত রয়েছে। তবে শত প্রতিকূলতা কিংবা ব্যস্ততার মধ্যেও ফরজ নামাজ সঠিক সময়ে আদায় করাই হলো প্রকৃত কামিয়াবি। শীতের এই ভোরে এবং দিনভর পবিত্রতার সাথে ইবাদত সম্পন্ন করতে এই সময়সূচিটি আপনাকে সাহায্য করবে।


যাদের ওপর রোজা ফরজ নয় এবং তাদের করণীয়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৩:৩৪:২৬
যাদের ওপর রোজা ফরজ নয় এবং তাদের করণীয়
ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাসে সিয়াম পালন ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান ফরজ ইবাদত। প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও মুকিম প্রত্যেক মুসলমানের ওপর রোজা রাখা আবশ্যিক। তবে ইসলাম একটি বাস্তবধর্মী জীবনব্যবস্থা; তাই মানবিক ও শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনায় রেখে কিছু শ্রেণির মানুষের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই ছাড় কোনো অবহেলা নয়, বরং শরিয়তের করুণা ও ভারসাম্যের প্রকাশ।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন যে, অসুস্থ বা সফররত ব্যক্তি পরবর্তীতে অন্য দিনে রোজা পূরণ করবে। সূরা আল-বাকারা (১৮৪–১৮৫) আয়াতে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ফিকহবিদদের ব্যাখ্যায় দেখা যায়, যেসব ওজর সাময়িক, সেসব ক্ষেত্রে কাজা করতে হয়; আর যেসব অক্ষমতা স্থায়ী, সেক্ষেত্রে ফিদিয়া প্রযোজ্য।

প্রথমত, অসুস্থ ব্যক্তির কথা বলা যায়। যদি রোজা রাখলে রোগ বৃদ্ধি পায়, আরোগ্য বিলম্বিত হয় অথবা তীব্র দুর্বলতার আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। তবে সুস্থ হয়ে গেলে সেই রোজাগুলো কাজা করতে হবে। ইসলাম মানুষের ক্ষতি চায় না; বরং কষ্ট থেকে রক্ষা করাই এর উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয়ত, সফররত ব্যক্তির জন্যও রোজা ভঙ্গের অনুমতি রয়েছে। শরিয়তের আলোচনায় সাধারণভাবে প্রায় ৮০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্ব অতিক্রম করলে তাকে মুসাফির ধরা হয়। সফরে রোজা রাখা কষ্টকর হলে ভাঙা উত্তম, তবে পরে কাজা করতে হবে। যদি কেউ চার দিনের বেশি কোনো স্থানে থাকার নিয়ত করেন, তাহলে তিনি মুকিম গণ্য হবেন এবং রোজা রাখতে হবে।

তৃতীয়ত, ঋতুস্রাব ও প্রসবোত্তর রক্তস্রাব চলাকালে নারীদের জন্য রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে সহিহ হাদিসে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। ঋতু শেষে তাদের রোজা কাজা করতে হবে, তবে নামাজের কাজা করতে হয় না। এটি শরিয়তের একটি স্বীকৃত ও সর্বসম্মত বিধান।

চতুর্থত, দীর্ঘস্থায়ী রোগী, যাদের আরোগ্যের সম্ভাবনা নেই এবং রোজা রাখা একেবারেই অসম্ভব, তাদের ওপর রোজা ফরজ নয়। তারা প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন অভাবীকে খাদ্য প্রদান করবেন। এটিই ফিদিয়া নামে পরিচিত। এ ক্ষেত্রে কাজা নেই, কারণ শারীরিক সক্ষমতা স্থায়ীভাবে অনুপস্থিত।

পঞ্চমত, অতি বৃদ্ধ ব্যক্তি, যিনি রোজা পালনে সম্পূর্ণ অক্ষম, তার ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য। তিনি প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে আহার করাবেন। যদি মানসিক সক্ষমতাও না থাকে, তবে তার ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা অবশিষ্ট থাকে না।

ষষ্ঠত, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীর বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যদি রোজা রাখলে মা বা সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। পরবর্তীতে তারা কাজা করবেন। তবে যদি কেবল সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কায় রোজা ভাঙা হয়, অধিকাংশ আলেমের মতে কাজার পাশাপাশি ফিদিয়াও প্রদান করতে হবে।

এছাড়া শিশু, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এবং মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির ওপর রোজা ফরজ নয়। তবে তারা যদি সুস্থ ও সক্ষম হন, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে রোজা ফরজ হয়ে যায়।

সব মিলিয়ে দেখা যায়, ইসলাম রোজাকে একটি মহান ইবাদত হিসেবে নির্ধারণ করলেও মানুষের সামর্থ্যকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিয়েছে। সাময়িক অক্ষমতা থাকলে কাজা, আর স্থায়ী অক্ষমতায় ফিদিয়া এই দুই ব্যবস্থার মাধ্যমে শরিয়ত ভারসাম্য রক্ষা করেছে।

অতএব, যাদের ওপর রোজা ফরজ নয়, তাদের জন্য নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী কাজা বা ফিদিয়া আদায় করাই কর্তব্য। আল্লাহ তায়ালা সহজতা পছন্দ করেন এবং বান্দার কষ্ট চান না। রমজানের শিক্ষা কেবল উপবাস নয়; বরং তাকওয়া, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের বিকাশ।


উত্তম রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য হাদিসের আলোকে দোয়া

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১৩:২৭:৪৩
উত্তম রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য হাদিসের আলোকে দোয়া
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে ন্যায়পরায়ণ ও দয়ালু নেতৃত্বের গুরুত্ব অত্যন্ত গভীরভাবে আলোচিত হয়েছে। একটি সুপরিচিত দোয়ায় রাসূলুল্লাহ মুহাম্মদ (সা.) উম্মতের জন্য এমন রাষ্ট্রপ্রধানের কামনা করেছেন, যিনি জনগণের প্রতি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দোয়াটি হলো-اللهم لَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَاউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা তুসাল্লিত আলাইনা মান লা ইয়ারহামনা

অর্থ: “হে আল্লাহ, আমাদের ওপর এমন কাউকে কর্তৃত্ব দান করবেন না, যে আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে না।”

এই দোয়ার বর্ণনা পাওয়া যায় জামে তিরমিজি–তে (হাদিস নম্বর ৩৪০২)। আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি কেবল ব্যক্তিগত কল্যাণের দোয়া নয়; বরং সামষ্টিক কল্যাণ ও ন্যায়ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থার জন্য একটি মৌলিক প্রার্থনা।

ইসলামে শাসনক্ষমতা একটি আমানত। কুরআন ও হাদিসে বারবার উল্লেখ করা হয়েছে যে, শাসকের প্রধান দায়িত্ব হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠা, দুর্বলদের সুরক্ষা এবং সমাজে ভারসাম্য রক্ষা। দয়াহীন ও জুলুমকারী নেতৃত্ব সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে এই আশঙ্কা থেকেই এ ধরনের দোয়ার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়।

ইতিহাসে দেখা যায়, ন্যায়পরায়ণ শাসকের সময় সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামী ঐতিহ্যে খলিফায়ে রাশেদিনদের উদাহরণ প্রায়ই তুলে ধরা হয় ন্যায়, জবাবদিহি ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে।

সমসাময়িক বিশ্বে রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা সামনে আসে। এই প্রেক্ষাপটে উম্মাহর জন্য এমন নেতৃত্ব কামনা করা, যারা দয়া, ন্যায় ও ক্ষমাশীলতার গুণে সমৃদ্ধ তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

এই দোয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, নেতৃত্ব শুধু প্রশাসনিক দক্ষতা নয়; বরং নৈতিকতা, মানবিকতা ও জবাবদিহিতার সমন্বয়।


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ০৯:৩২:৫১
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬; বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৯ মাঘ ১৪৩২ এবং হিজরি সনের পবিত্র ২৩ শাবান ১৪৪৭। রমজান মাসের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, এই সময়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে প্রতিটি নামাজের ওয়াক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আজ সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলায় মুসল্লিদের যাতায়াত ও ইবাদতের সময় সমন্বয় করাটা জরুরি। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী,

আজ ঢাকায় জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে। যারা সকালে ভোট দিয়ে ফিরবেন বা দুপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তারা এই সময়ের মধ্যেই জোহরের নামাজ আদায় করে নিতে পারেন।

আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে। ভোটগ্রহণের শেষ সময় যেহেতু বিকেল সাড়ে ৪টা, তাই ভোটাররা ভোট দিয়ে ফিরেই আসরের ইবাদতে শামিল হতে পারবেন।

আজকের সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫১ মিনিটে এবং মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে ৫টা ৫৫ মিনিটে। দিনের ভোটগণনা এবং উত্তেজনার মধ্যেই মুসল্লিরা মাগরিবের জামাতে শরিক হতে পারবেন।

এরপর এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৭টা ১০ মিনিটে। যারা দীর্ঘ সময় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন বা ফলাফল দেখার অপেক্ষায় থাকবেন, তাদের জন্য এশার সময়টি দীর্ঘ হওয়ায় ইবাদত সম্পন্ন করা সহজ হবে।

আগামীকাল শুক্রবারের ফজর শুরু হবে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে। শাবান মাসের এই ফজিলতপূর্ণ সময়ে নামাজের এই সূচি অনুযায়ী ইবাদত পালন করা মুমিনদের জন্য বরকতময় হবে।


রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১৯:২৪:৪৯
রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ সময় নেক আমলের প্রতিদান বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। ইবাদতের এ মৌসুমে ওমরাহ আদায়ের বিশেষ মর্যাদা সম্পর্কে সুস্পষ্ট বর্ণনা এসেছে সহিহ হাদিসে। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের ওমরাহকে এমন এক উচ্চতায় স্থান দিয়েছেন, যা মুমিনের অন্তরে গভীর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, “রমজানে আদায়কৃত ওমরাহ আমার সঙ্গে হজ করার সমান।”এই হাদিসটি সহিহ বুখারি–তে বর্ণিত হয়েছে (হাদিস নম্বর ১৭৮২)। আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এখানে সওয়াবের দিক থেকে তুলনা করা হয়েছে, ফরজ হজের বিধান বাতিল করা হয়নি। অর্থাৎ, রমজানের ওমরাহ ফরজ হজের বিকল্প নয়; তবে ফজিলত ও প্রতিদানের বিচারে তা অত্যন্ত মহিমান্বিত।

রমজানে ওমরাহর বিশেষ ফজিলত

প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের ওমরাহকে এমন এক উচ্চতায় স্থান দিয়েছেন, যা মুমিনের অন্তরে গভীর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

১️) সওয়াবের বহুগুণ বৃদ্ধি

রমজান এমন সময় যখন প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি পায়। ওমরাহ নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত; ফলে এ মাসে তা আদায় করলে সওয়াবের পরিমাণ অসীমভাবে বৃদ্ধি পায়।

২️) গুনাহ মোচনের সুবর্ণ সুযোগ

হাদিসে এসেছে, একটি ওমরাহ পরবর্তী ওমরাহ পর্যন্ত সংঘটিত ছোট গুনাহসমূহ মাফের মাধ্যম হয়। রমজানের বরকত যুক্ত হলে বান্দার জন্য তওবা ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ আরও প্রসারিত হয়।

৩️) রুহানিয়াতের গভীর অনুভব

রমজানে মসজিদুল হারাম–এ কোরআন তিলাওয়াত, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদের ধ্বনি এক অপার্থিব আবহ তৈরি করে। একইভাবে মসজিদে নববী–তে ইবাদতের পরিবেশ হৃদয়কে আধ্যাত্মিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।

৪️) লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা

রমজানের শেষ দশকে মক্কায় অবস্থান করলে কদরের রাত ইবাদতের সুযোগ পাওয়া যায়। কুরআনে বর্ণিত এই রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।

৫️) তাকওয়া অর্জনের বাস্তব অনুশীলন

রোজা আত্মসংযম শেখায়, আর ওমরাহ ধৈর্য ও আনুগত্যের শিক্ষা দেয়। এই দুইয়ের সমন্বয়ে একজন মুসলমান তাকওয়ার উচ্চতর স্তরে পৌঁছাতে পারেন।

৬️) দোয়া কবুলের অনুকূল পরিবেশ

হাজরে আসওয়াদ, মুলতাজ্জাম, মিজাবে রহমাহ প্রভৃতি স্থান দোয়া কবুলের জন্য প্রসিদ্ধ। রমজানের বরকত যুক্ত হলে দোয়ার গ্রহণযোগ্যতার আশা আরও বৃদ্ধি পায়।

রমজানে মক্কা–মদিনার পরিবেশ

রমজানে মক্কার বাতাসেও যেন ইবাদতের আবেশ অনুভূত হয়। ইফতারের সময় হাজার হাজার মুসল্লির একসঙ্গে রোজা ভাঙার দৃশ্য হৃদয়গ্রাহী। তারাবীহ নামাজে দীর্ঘ কিরাত, তাহাজ্জুদের আবেগঘন মুহূর্ত এবং সারারাত জেগে থাকা ইবাদতকারীদের দৃশ্য মুসলমানের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে।

মদিনায় রাউজায়ে রাসূল (সা.)–এ দরুদ ও সালামের ধ্বনি এক শান্তিময় অনুভূতি সৃষ্টি করে। এ সময় অনেকেই জীবনের নতুন দিকনির্দেশনা খুঁজে পান।

কেন রমজানের ওমরাহ জীবন বদলে দেয়

অনেক হাজি ও ওমরাহকারী অভিজ্ঞতায় বলেছেন, রমজানের ওমরাহর পর তাঁদের জীবনদৃষ্টিতে পরিবর্তন এসেছে। ইবাদতের নিবিড় পরিবেশ, তওবার আবেগ এবং দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে সাময়িক বিচ্ছিন্নতা মানুষকে নিজের সঙ্গে নতুনভাবে পরিচিত হতে সহায়তা করে।

এ সময় আত্মসমালোচনার সুযোগ তৈরি হয়, নফস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় হয়।

রমজানে ওমরাহর প্রস্তুতি

রমজানের সফর সাধারণ সময়ের তুলনায় বেশি ভিড়পূর্ণ ও শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই কিছু বিশেষ প্রস্তুতি জরুরি-

স্বাস্থ্যসচেতনতা বজায় রাখা

পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রামের ব্যবস্থা

ইবাদতের সময়সূচি পরিকল্পনা

ভিড়ের মাঝে ধৈর্য ও সহনশীলতা

রমজানের ওমরাহ শুধু একটি সফর নয়; এটি আত্মার পরিশুদ্ধি, ঈমানের নবায়ন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিরল সুযোগ।


ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল: পার্থক্য কী?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১৪:২৪:০০
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল: পার্থক্য কী?
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে সালাত বা নামাজ কেবল একটি ইবাদত নয়; এটি মুসলিম জীবনের কেন্দ্রীয় অনুশাসন। ইসলামী শরিয়াহ ও ফিকহশাস্ত্র অনুযায়ী নামাজের বিধান গুরুত্ব ও বাধ্যবাধকতার ভিত্তিতে চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত এবং নফল। এই বিভাজন মূলত দলিলের শক্তি, শরিয়তগত বাধ্যবাধকতা এবং পালন না করলে পরিণতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে।

ফরজ নামাজ: অপরিহার্য দায়িত্ব

ফরজ হলো সেই আমল, যা কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট দলিল দ্বারা প্রমাণিত এবং প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য অবশ্যপালনীয়। ফরজ নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করলে ব্যক্তি গুরুতর গুনাহগার হিসেবে বিবেচিত হন। ইসলামী আইনবিদদের মতে, ফরজ অস্বীকার করা ঈমানের জন্যও বিপজ্জনক হতে পারে।

প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশা ফরজের অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে জুমার নামাজও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষদের জন্য ফরজ।

ওয়াজিব নামাজ: ফরজের নিকটবর্তী গুরুত্ব

ওয়াজিব নামাজ ফরজের চেয়ে একধাপ নিচে হলেও তা পালন করা আবশ্যক। ইসলামী ফিকহে ওয়াজিব প্রমাণিত হয় এমন দলিল দ্বারা, যা ফরজের মতো স্পষ্ট নয় কিন্তু যথেষ্ট শক্তিশালী। ওয়াজিব ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করলে গুনাহ হয়, তবে ফরজ ত্যাগের মতো কঠোর পর্যায়ে নয়।

বিতরের নামাজ ওয়াজিব হিসেবে বিবেচিত। একইভাবে দুই ঈদের নামাজও বহু আলেমের মতে ওয়াজিব।

সুন্নত নামাজ: রাসূলুল্লাহ (সা.)–এর নিয়মিত আমল

সুন্নত হলো সেই নামাজ, যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিয়মিত আদায় করতেন এবং সাহাবাদেরকে তা পালনে উৎসাহিত করেছেন। সুন্নত আবার দুই প্রকার সুন্নতে মুয়াক্কাদা (নিয়মিত পালিত) এবং সুন্নতে গাইরে মুয়াক্কাদা (অনিয়মিত)।

সুন্নতে মুয়াক্কাদা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করা অনুচিত এবং তিরস্কারযোগ্য হলেও সরাসরি গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ফজরের দুই রাকাত সুন্নত এবং জোহরের আগে-পরে নির্দিষ্ট সুন্নত নামাজ।

নফল নামাজ: অতিরিক্ত সওয়াবের সুযোগ

নফল নামাজ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। এগুলো ফরজ ও সুন্নতের বাইরে অতিরিক্ত ইবাদত হিসেবে আদায় করা হয়। নফল আদায় করলে বিশেষ সওয়াব পাওয়া যায়, তবে তা না পড়লে কোনো গুনাহ হয় না।

তাহাজ্জুদ, ইশরাক, দুহা (চাশত) এবং অন্যান্য স্বেচ্ছা ইবাদত নফলের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য নফল নামাজ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

নামাজের এই চারস্তরীয় শ্রেণিবিন্যাস ইসলামী শরিয়তের সূক্ষ্ম বিধানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। প্রতিটি স্তরের গুরুত্ব বুঝে ইবাদত আদায় করলে একজন মুসলিম তাঁর ধর্মীয় দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন। ফরজ ও ওয়াজিব যথাযথভাবে আদায় করা অপরিহার্য, আর সুন্নত ও নফল ইবাদত মানুষকে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়।


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ০৯:১৩:০৫
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

আজ বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি (২৮ মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ২২ শাবান ১৪৪৭ হিজরি)। ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

জোহর: ১২টা ১৬ মিনিট

আসর: ৪টা ১৩ মিনিট

মাগরিব: ৫টা ৫৫ মিনিট

এশা: ৭টা ০৮ মিনিট

ফজর (আগামীকাল): ৫টা ১৯ মিনিট

বিভাগীয় সময়ের পার্থক্য (ঢাকার সময়ের সাথে)

বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: ০৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

যোগ করতে হবে

রংপুর: ০৮ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

খুলনা: ০৩ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ০৮:৫৯:৩০
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল রুকন বা স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মুমিনের ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। পরকালে বা কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষের কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। তাই দৈনন্দিন জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বাংলা এবং ২১ শাবান ১৪৪৭ হিজরি।

ফজর: ৫টা ১৮ মিনিট (নামাজের শেষ সময় ৬টা ৩৫ মিনিট)

জোহর: ১২টা ১৩ মিনিট

আসর: ৪টা ১২ মিনিট

মাগরিব: ৫টা ৫১ মিনিট

এশা: ৭টা ০৬ মিনিট

উল্লেখ্য যে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নামাজের সময় কিছুটা পরিবর্তিত হয়। উপরোক্ত সময়সূচি মূলত ঢাকার সময়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় একইভাবে কার্যকর হবে। তবে এলাকাভেদে সময়ের ১ থেকে ১০ মিনিটের ব্যবধান হতে পারে।


জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৯ ০৯:১২:৪৫
জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত 
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে ইমান বা বিশ্বাসের পরপরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। পরকালে হাশরের ময়দানে বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা মুমিন মুসলমানের জন্য অপরিহার্য।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সময়সূচি

জোহর: দুপুর ১২টা ১৩ মিনিট

আসর: বিকেল ৪টা ১৪ মিনিট

মাগরিব: সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিট

এশা: রাত ৭টা ০৭ মিনিট

ফজর (আগামীকাল মঙ্গলবার): ভোর ৫টা ১৮ মিনিট

ঢাকার সময়ের সাথে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে নিন

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

উল্লেখ্য যে, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অবস্থান ভেদে সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে। মাগরিবের নামাজ সূর্যাস্তের পরপরই আদায় করা সুন্নত।


হজযাত্রীদের জন্য সুখবর:হজের অনেক আগেই ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৯:৫৩:২৮
হজযাত্রীদের জন্য সুখবর:হজের অনেক আগেই ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র হজের প্রস্তুতি আরও সহজ ও নিখুঁত করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকেই হজের ভিসা ইস্যু করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সাধারণত হজের কয়েক মাস আগে ভিসা দেওয়া হলেও এবার কয়েক মাস আগেই এই প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘গালফ নিউজ’ এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে আগমনের অনেক মাস আগেই যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা এবং সেবার মান বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষ্যেই এই আগাম ভিসা ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত একটি বিস্তারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমের প্রাথমিক প্রস্তুতি মূলত শুরু হয়েছিল ৮ জুন ২০২৫ তারিখ থেকেই। ওই দিন বিশ্বব্যাপী হজ বিষয়ক অফিসগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠানো হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘নুসুক মাসার’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে পবিত্র স্থানগুলোর (মিনা-আরাফাত) ক্যাম্পসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের অ্যাক্সেস দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় পাচ্ছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গত বছরের ১লা রবিউল আউয়াল থেকেই আবাসন ও মৌলিক সেবাসংক্রান্ত প্রাথমিক চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের মধ্যেই সকল দেশের সাথে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক এবং হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়াও চলতি জমাদিউল আউয়াল মাসে বড় পরিসরের সেবাচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে একটি বিশেষ হজ সেবা প্রদর্শনীরও আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষের। মূলত হজযাত্রীরা যাতে কোনো প্রকার বিড়ম্বনা ছাড়াই হজের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্যই কয়েক মাস হাতে রেখেই ভিসা কার্যক্রম শুরুর এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দিল সৌদি আরব।

পাঠকের মতামত: