বাজুসের নতুন ঘোষণা: ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছালো স্বর্ণ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১১ ১১:৩২:০৬
বাজুসের নতুন ঘোষণা: ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছালো স্বর্ণ
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এতে করে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি প্রতি দাম বেড়েছে ২ হাজার ৫০৭ টাকা, যা আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন দামে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা— যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইসঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।” সংগঠনটি আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, সর্বশেষ গত ১ নভেম্বর বাজুস ভরিপ্রতি ১,৬৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা, যা ২ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও দাম সমন্বয় হওয়ায় বাজারে স্বর্ণের মূল্য বেড়ে পৌঁছেছে এক নতুন রেকর্ডে।

বাজুসের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত মোট ৭৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে ৫১ বার দাম বেড়েছে এবং ২৩ বার কমেছে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ৬২ বার, যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো এবং ২৭ বার কমানো হয়েছিল।

-রাফসান


আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১০:৫৩:৫৭
আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি মানুষ আছেন প্রবাসে। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, দেশের মুদ্রা বাজারে ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২.৩০ টাকা। বিক্রির দাম ১২২.৩০ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২২.৩০ টাকা।

ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৯৬ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৫ টাকা ০১ পয়সা। মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে। (১৯ ফেব্রুয়ারি সমন্বয়কৃত দাম অনুসারে)*

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, ইউএস ডলার কেনা হচ্ছে ১২২.৩০ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১২২.৩০ টাকায়।

পাউন্ড কেনার রেট ১৬৫.৯২ টাকা এবং বিক্রির রেট ১৬৫.৯৮ টাকা।

ইউরো কেনা হচ্ছে ১৪৪.৯৬ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৪৫.০১ টাকায়।

জাপানি ইয়েন কেনা ও বিক্রি উভয়ই হচ্ছে ০.৮০ টাকায়।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬.৬৩ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৬.৬৮ টাকায়।

সিঙ্গাপুর ডলার কেনা হচ্ছে ৯৬.৮৯ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৯৬.৮৮ টাকায়।

কানাডিয়ান ডলার কেনা হচ্ছে ৮৯.৬৮ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯.৬৯ টাকায়।

ইন্ডিয়ান রুপি কেনা ও বিক্রি উভয়ই হচ্ছে ১.৩৫ টাকায় এবং সৌদি রিয়েল কেনা হচ্ছে ৩২.৬১ টাকায় ও বিক্রি হচ্ছে ৩২.৫০ টাকায়।

/আশিক


আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ০৯:১৭:৪৯
আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে। ওইদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। নতুন এই দাম ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকেই সারা দেশে কার্যকর হয়েছে। আজ শনিবারও (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশের বাজারে একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমায় স্বর্ণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হারে ভিন্নতা হতে পারে। এদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

/আশিক


আবারও স্বর্ণের বাজারে  বড় উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৬:৫২:৫৮
আবারও স্বর্ণের বাজারে  বড় উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা Reuters জানিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বিকাল ৩টা ৪১ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৩২ দশমিক ৪৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারস ১ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৫২ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। ফিউচারস বাজারে তুলনামূলক বেশি উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগাম প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের ‘সেফ হ্যাভেন’ সম্পদে বিনিয়োগে উৎসাহিত করছে। ঐতিহাসিকভাবে সংকটকালীন সময়ে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যা মূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

বিনিয়োগ ব্যাংক Goldman Sachs জানিয়েছে, তাদের মৌলিক পূর্বাভাস অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ ক্রয় কার্যক্রম পুনরায় জোরদার হলে এবং যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য সুদহার হ্রাসের পরিবেশে বিনিয়োগকারীরা বিকল্প সম্পদে ঝুঁকলে চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ধীরে ধীরে আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে সুদহার কমার প্রত্যাশা ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।

বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পাশাপাশি বৈশ্বিক মুদ্রানীতি, ডলার সূচকের গতিপ্রকৃতি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা স্বর্ণবাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে স্বর্ণের দামে আরও ঊর্ধ্বগতি দেখা যেতে পারে।

-রাফসান


হু হু করে কমল সোনার দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ০৯:৫২:৪২
হু হু করে কমল সোনার দাম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। বুধবার সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘোষিত এই মূল্য আজ শুক্রবার থেকে কার্যকর থাকবে।

বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দর হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, ডলার বিনিময় হার এবং দেশীয় সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা। এখানে এক ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

তবে নির্ধারিত দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। ফলে গহনার চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ডিজাইন, কারুকাজ ও মানভেদে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়। সে সময়ও ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৩০ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ দফা দাম বৃদ্ধি এবং ১২ দফা হ্রাস করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে রেকর্ডসংখ্যক ৯৩ বার মূল্য পরিবর্তন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।

স্বর্ণের বাজারে ওঠানামা চললেও রুপার দামে আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। চলতি বছরে রুপার দাম ১৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছে এবং ৭ বার কমেছে। গত বছর মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দাম বেড়েছিল।

-রাফসান


বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ০৯:৪৮:০২
বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা বিনিময়ের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। আমদানি-রপ্তানি, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিদিনের বিনিময় হার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার হালনাগাদ বিনিময় হার প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলার প্রতি ১২২ টাকা ৪২ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। ইউরোপীয় অঞ্চলের একক মুদ্রা ইউরোর দর দাঁড়িয়েছে ১৪৩ টাকা ৯৬ পয়সা। যুক্তরাজ্যের মুদ্রা ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৬৪ টাকা ৬২ পয়সা।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার প্রতি ৮৬ টাকা এবং কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ৩৯ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে। এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েনের মূল্য ৭৯ পয়সা, চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৭৪ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৪৪ পয়সায় নির্ধারিত হয়েছে।

ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫২ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে। মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের দর ৩১ টাকা ২৯ পয়সা। মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৬৩ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৩ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। ওমানি রিয়াল ৩১৮ টাকা ৩৯ পয়সা এবং কুয়েতি দিনার সর্বোচ্চ ৩৯৯ টাকা ৮ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে।

ইউরোপীয় অঞ্চলের সুইডিশ ক্রোনা প্রতি ১৩ টাকা ৪৭ পয়সায় নির্ধারিত হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সুদের হার, জ্বালানি বাজার ও রিজার্ভের অবস্থার ওপর নির্ভর করে মুদ্রার দর প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়। ফলে আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী, ব্যাংকিং খাত ও প্রবাসীদের জন্য প্রতিদিনের আপডেট জানা গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, উল্লিখিত হার আন্তর্জাতিক অনলাইন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি ও ব্যাংকভেদে বাস্তব লেনদেনে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে এবং যে কোনো সময় বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।

-রাফসান


স্বর্ণের বাজারে টানা উত্থান: বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় খবর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৯:৪৩:১৬
স্বর্ণের বাজারে টানা উত্থান: বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় খবর
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃহস্পতিবারও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। আগের সেশনে ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধির পর নতুন করে দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকছেন। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনা মূল্যায়ন করছেন। খবর রয়টার্সের।

স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,০১২ দশমিক ৮৩ ডলারে পৌঁছেছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারস ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫,০৩১ দশমিক ২০ ডলার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়লে স্বর্ণের চাহিদা সাধারণত বৃদ্ধি পায়। কারণ বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে গিয়ে তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগে অর্থ স্থানান্তর করেন।

এদিকে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার-সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ অবস্থানও স্বর্ণবাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। সুদের হার কমার সম্ভাবনা থাকলে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে, আর কড়াকড়ি নীতি থাকলে দাম চাপে পড়ে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ও মার্কিন মুদ্রানীতির ইঙ্গিতই এখন স্বর্ণবাজারের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।

/আশিক


রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৭:১৮:২৩
রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার
ছবি : সংগৃহীত

রোজার প্রথম দিনেই রাজধানীর বাজারে মুরগির মাংসের দাম বেড়েছে। জাতভেদে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কেজিতে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কারওয়ান বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে। সেই সঙ্গে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা ও খাশির মাংস ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা ও লাল লেয়ার মুরগি ৩৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেটের সততা মুরগির আড়তের কর্মচারী সুমন সাংবাদিকদের বলেন, সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। সপ্তাহখানেক আগে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন দাম ২০০ টাকা। দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৬৮০ টাকা থাকলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৭ ১৫০ টাকায়। আর ২৮০ টাকার লাল মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা কেজিতে।

এদিকে বাজারে লেবু ৬০ থেকে ১২০ টাকা হালি, শশা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি ও বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সেই সঙ্গে আলু ২০ টাকা ও পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

/আশিক


শুল্ক ছাড়ের সুফল নেই: জাহাজ ডুবি ও সিন্ডিকেটে উত্তপ্ত খেজুরের বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১২:৩৪:৪২
শুল্ক ছাড়ের সুফল নেই: জাহাজ ডুবি ও সিন্ডিকেটে উত্তপ্ত খেজুরের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

সরকার আমদানিতে বড় ধরনের শুল্ক ছাড় দিলেও তার সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। পবিত্র রমজানের শুরুতে খেজুরের দাম নাগালের মধ্যে থাকার আশা থাকলেও বর্তমানে তা কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এমনকি গত বছরের তুলনায় এবার খেজুরের দাম আরও বাড়তি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি থাকায় জাহাজ বার্থিং পেতে বিলম্ব হয়েছে, যা সাপ্লাই চেইনকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এর পাশাপাশি থাইল্যান্ড উপকূলে ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ইরাকি খেজুরসহ একটি জাহাজ ডুবে যাওয়ায় বাজারে বড় ধরনের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কয়েক দিন আগেও যে ইরাকি খেজুর ১৫০ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হতো, বর্তমানে সেই খেজুর ১৮০-১৮৫ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। ১০ কেজির কার্টন পাইকারি ২ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকা হয়েছে।

দেশের মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে সরকার খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করেছে, যা ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে শুল্ক কমানোর কারণে দাম কমার কথা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফালোভী কারসাজির কারণে এর প্রতিফলন বাজারে নেই। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খেজুর আমদানিকারক ও বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, "থাইল্যান্ড উপকূলে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ইরাকি খেজুরবাহী একটি জাহাজ ডুবে গেছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে চার দিনের কর্মবিরতির ফলে সৃষ্ট জাহাজ জটে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে জনপ্রিয় ইরাকি খেজুরের সরবরাহ কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খুচরা বিক্রেতাদের অধিক মুনাফা করার প্রবণতাই এই অকাল দাম বাড়ার পেছনে বড় কারণ। তবে আমদানিকৃত খেজুরের পরিমাণ চাহিদার চেয়ে বেশি হলে রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বাজার দ্রুতই স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সামগ্রিকভাবে বাজারে খেজুরের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সৌদি আরব, তিউনিসিয়া বা আরব আমিরাতের মতো বড় উৎসগুলো থেকে আসা প্রিমিয়াম খেজুরের দাম সেভাবে বাড়েনি। তবে নিম্নবিত্তের জন্য জনপ্রিয় জাতগুলোর দাম এখন আকাশচুম্বী।

বাজারে খেজুরের বর্তমান মূল্য তালিকা

বস্তা খেজুর (বাংলা খেজুর): ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি।

জাহিদি খেজুর: ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি।

দাবাস খেজুর: ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি।

বরই খেজুর: ৪৮০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি।

কালমি খেজুর: ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি।

সুক্কারি খেজুর: ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি।

মাবরুম খেজুর: ৮৫০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি।

মরিয়ম খেজুর: ১,১০০ থেকে ১,৪০০ টাকা কেজি।

মেডজুল খেজুর: ১,২০০ থেকে ১,৮০০ টাকা কেজি।

/আশিক


নবম পে-স্কেল কি পিছিয়ে যাচ্ছে? যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১১:১২:৪১
নবম পে-স্কেল কি পিছিয়ে যাচ্ছে? যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

নবম জাতীয় বেতন কমিশন বা পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার মাঝে নতুন বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও বিবেচনা করে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, সুপারিশগুলো না দেখে এখনই কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়; বরং এটি কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য, তা যাচাই করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করা হবে। গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কমিশন চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক এবং আগামী ১ জুলাই (২০২৬-২৭ অর্থবছর) থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার কথা জানিয়েছে।

বর্তমানে দেশের প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর বেতনের জন্য সরকারের ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। কমিশনের নতুন সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। তবে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, দেশের বর্তমান রাজস্ব ঘাটতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাতের কারণে এই বিশাল আর্থিক ব্যয়ভার বহন করার আগে সরকার অত্যন্ত সতর্কভাবে পা ফেলতে চায়।

/আশিক

পাঠকের মতামত: