সড়কে আঁকা সাদা ও হলুদ দাগের মানে কী? জানুন গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সংকেতের বিস্তারিত

সত্য নিউজ: আমরা প্রতিদিন রাস্তায় চলাচল করি, কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছি—রাস্তার উপর আঁকা সাদা ও হলুদ দাগগুলোর মানে কী? অনেকেই এই দাগগুলো দেখে বিভ্রান্ত হন। বিশেষ করে যখন দেখি কখনও সাদা, কখনও হলুদ, কখনও টানা আবার কখনও কাটা কাটা দাগ—তখন অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে: এই দাগগুলো আমাদের কী বার্তা দিচ্ছে? আসলে এই দাগগুলো নিছক রঙিন লাইন নয়, বরং প্রতিটি দাগই হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রাফিক সংকেত, যা যানবাহন চালকদের সঠিকভাবে দিকনির্দেশনা দিতে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সহায়তা করে।
সাদা দাগ
রাস্তায় ব্যবহৃত সাদা দাগ সাধারণত দুটি ধরনের হয়ে থাকে:১. একটানা সাদা দাগ: এটি চালককে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেয় যে, তিনি তার গাড়ির লেইন পরিবর্তন করতে পারবেন না। এই দাগ সাধারণত ব্যস্ততম শহরের মূল রোড বা হাইওয়েতে দেখা যায় যেখানে যান চলাচলের গতি বেশি থাকে। আবার রাস্তার দুই পাশে দেখা যায় একটানা সাদা দাগ, যার অর্থ হচ্ছে—এটি রোডের সীমানা নির্দেশ করছে এবং চালকের গাড়ি এই সীমানা অতিক্রম করা নিষেধ। এটি সড়ক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. কাটা কাটা সাদা দাগ: এই দাগ চালককে অনুমতি দেয় নিরাপদ পরিস্থিতিতে লেইন পরিবর্তনের। তবে এটি করতে হলে রাস্তা খালি ও নিরাপদ থাকতে হবে। এই দাগ দেখে চালক বুঝবেন—তার ডান বা বাম পাশে অন্য লেইনে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। লেইন পরিবর্তনের সময় অবশ্যই টার্নিং লাইট জ্বালিয়ে পেছনের গাড়িগুলোকে সতর্ক করতে হবে।
হলুদ দাগ
হলুদ দাগ সাধারণত রাস্তায় যেখানে উভয়দিক থেকে গাড়ি চলাচল করে—অর্থাৎ একই রাস্তায় যাওয়া ও আসার ব্যবস্থা রয়েছে—সেখানে ব্যবহৃত হয়। এই দাগ মূলত ওভারটেক সম্পর্কিত ট্রাফিক নির্দেশনা দেয়। হলুদ দাগও তিন ধরনের হয়ে থাকে:
১. কাটা হলুদ দাগ: এই দাগ দেখলে বুঝতে হবে—গাড়ি ওভারটেক করা যাবে, তবে সামনে থেকে আসা ট্র্যাফিক সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। এটি সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম ব্যস্ত সড়কে থাকে।
২. একটানা একটি হলুদ দাগ: এর অর্থ হলো, ওভারটেক করা সম্ভব হলেও সতর্ক থাকতে হবে এবং হলুদ দাগের সীমানা অতিক্রম না করে ওভারটেক করতে হবে।
৩. একটানা দুটি হলুদ দাগ: এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা সংকেত। এই দাগ মানে হলো—ওভারটেক সম্পূর্ণ নিষেধ। এমন দাগ সাধারণত ব্যস্ততম বা দ্রুতগামী হাইওয়ে সড়কে দেখা যায় যেখানে সামান্য ভুল প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
কেন এ নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ?এই সাদা ও হলুদ দাগগুলো চালকদের জন্য শুধু দিকনির্দেশনা নয়, বরং জীবনরক্ষাকারী সতর্কবার্তা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য—বাংলাদেশে অধিকাংশ চালকেরই এই সংকেতগুলোর সঠিক অর্থ জানা নেই, অথবা তারা তা অগ্রাহ্য করেন। ফলে প্রায়শই দেখা যায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা, যানজট ও প্রাণহানির ঘটনা।
সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত এসব চিহ্ন সম্পর্কে জানা এবং তা মেনে চলা। সরকারেরও উচিত চালকদের মধ্যে ট্রাফিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো, বিশেষ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার পূর্বে এই চিহ্নগুলো সম্পর্কে প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনায় নতুন গাইডলাইন প্রকাশ
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার কেন্দ্র কমিটি গঠন নিয়ে নতুন এক বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সোমবার প্রকাশিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী 'কেন্দ্র কমিটি' গঠন করতে হবে। এই কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের (মাধ্যমিক) কাছে পাঠাতে হবে।
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা সদরের কেন্দ্রগুলোর জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং একজন সরকারি ও একজন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তবে কোনো কেন্দ্রে সরকারি বিদ্যালয় না থাকলে দুইজন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্য করা যাবে। কেন্দ্রের প্রধান প্রতিষ্ঠান প্রধান পদাধিকার বলে কেন্দ্রসচিব ও কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যদি কোনো কারণে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠান প্রধান এই দায়িত্ব পালনে অপারগ হন, তবে চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে অন্য কোনো অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষককে কেন্দ্রসচিব নিয়োগ দেওয়া যাবে।
উল্লেখ্য যে, কেন্দ্র কমিটির চেয়ারম্যান স্বয়ং কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন। যদি কোনো অনিবার্য কারণে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তবে তাঁর পরিবর্তে একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার সন্তান যদি সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তবে তিনি কোনোভাবেই কেন্দ্রসচিব হতে পারবেন না। ৫ এপ্রিলের সময়সীমার মধ্যে এই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বোর্ডকে অবহিত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
/আশিক
লটারি প্রথা চূড়ান্ত বাতিল! স্কুলে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রীর বড় ঘোষণা
দেশের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে বিতর্কিত ‘লটারি প্রথা’ চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে ভর্তির জন্য বর্তমানের লটারি পদ্ধতি আর কার্যকর থাকবে না। মেধার সঠিক যাচাই ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রথা বাতিলের ফলে স্কুলগুলোতে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা যাচাই করে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। গত কয়েক বছর ধরে লটারি পদ্ধতিতে মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে—এমন দাবির প্রেক্ষিতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সংস্কারের পথে হাঁটল।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে। ২০২৭ সাল থেকে নতুন এই ভর্তি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত রূপরেখা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।
/আশিক
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বিশেষ বার্তা: আমূল বদলে যাচ্ছে ভর্তি প্রক্রিয়া
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিকেল ৪টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই প্রেস ব্রিফিং থেকে স্কুল পর্যায়ে বহুল আলোচিত ‘লটারি প্রথা’ বাতিল এবং পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর, লটারি পদ্ধতিতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না—অভিভাবক ও শিক্ষক মহলের এমন দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতেই সরকার পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। আজকের ব্রিফিংয়ে এই নতুন ভর্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা ও বাস্তবায়নের সময়সূচী ঘোষণা করা হতে পারে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের তিনটি শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা উপাচার্য (ভিসি) পদে নতুন নিয়োগের বিষয়টিও আজ চূড়ান্তভাবে জানানো হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় জানানো হয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী এই সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা খাতের চলমান সংস্কার ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরবেন। উল্লেখ্য যে, আজ সকালেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, যা শিক্ষা অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের লাগাম টানছে সরকার; আর চলবে না ইচ্ছেমতো টিউশন ফি!
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে সরকারি নজরদারিতে আনতে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কোনো নির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা না থাকার সুযোগ নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান এতদিন ইচ্ছেমতো টিউশন ফি আদায় ও কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এবার সেই সুযোগ বন্ধ হতে যাচ্ছে। নতুন এই নীতিমালার আওতায় প্রতিটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলেরই কোনো বৈধ নিবন্ধন নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নীতিমালায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর শিক্ষাপঞ্জি, ছুটি এবং টিউশন ফি সরাসরি সরকার নির্ধারণ করে দেবে। প্রতিটি স্কুলে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক হবে এবং এই কমিটিই প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও নিরীক্ষা (অডিট) সম্পাদন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেবে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকতে হবে এবং আন্তর্জাতিক কারিকুলাম অনুসরণ করলেও সেগুলো নিয়ন্ত্রক কাঠামোর বাইরে থাকবে না। খসড়া নীতিমালায় শিক্ষার্থী সংখ্যা ও অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে স্কুলগুলোকে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’—এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ হলো, এসব প্রতিষ্ঠানের ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থী বাংলাদেশি হওয়া সত্ত্বেও তারা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে প্রায় অন্ধকার। অনেক শিক্ষার্থী বিদেশের ইতিহাস-ভূগোল মুখস্থ করলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস বা জাতীয় সংগীত সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখে না। এছাড়া বছরের পর বছর অস্বাভাবিক হারে বেতন বৃদ্ধি এবং ভর্তি ফির নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অনেক স্কুল পুনঃভর্তি ফি বা সেশন ফি আদায় চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন নীতিমালায় এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সংখ্যা মাত্র ১৫৯টি বলা হলেও বিভিন্ন বেসরকারি সূত্রের মতে এই সংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এই বিশাল সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতার আওতায় আনা হবে। পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও নীতিমালায় গুরুত্ব পাচ্ছে। শিক্ষা অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ড এই পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত বইয়ের বোঝা কমানোর পাশাপাশি অভিভাবকদের আর্থিক হয়রানি থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়।
/আশিক
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ: শিক্ষার্থীদের মানতে হবে ১০ নিয়ম
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই নীতিমালাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। আসন্ন এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার হলে পালনীয় ১০টি বিশেষ নির্দেশনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিয়মগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ না করলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিলের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।
প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকেই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এছাড়া পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং অননুমোদিত কাগজপত্র সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) শিটে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না এবং উত্তরপত্রে অবশ্যই হল পরিদর্শকের (ইনভিজিলেটর) স্বাক্ষর থাকতে হবে, অন্যথায় উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
পরীক্ষার্থীদের আচরণের বিষয়ে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, উত্তরপত্রের কোথাও নাম, ঠিকানা বা কোনো ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা যাবে না।
খসড়া কাজের জন্য আলাদা কোনো কাগজ দেওয়া হবে না; যা করার উত্তরপত্রেই করতে হবে এবং পরে তা কেটে দিতে হবে।
এছাড়া টেবিল, স্কেল বা নিজ শরীরে কিছু লেখা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর অন্তত এক ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী হলের বাইরে যেতে পারবে না।
পরীক্ষা শেষ হলে উত্তরপত্রটি দায়িত্বরত শিক্ষকের কাছে জমা দিয়ে তবেই হল ত্যাগ করতে হবে।
পরীক্ষা চলাকালীন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরও কিছু কড়া নিয়ম জারি করা হয়েছে। হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা, প্রশ্নপত্র বা অন্য মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করা এবং অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা বা দেখানোর কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। কেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত উত্তরপত্রের কোনো পৃষ্ঠা পরিবর্তন বা নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সঠিক মান বজায় রাখতেই এই আধুনিক ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
/আশিক
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ
দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা অনুমোদন করেছে সরকার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ের একটি সভায় ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা–২০২৬’ পর্যালোচনা করে তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য একটি সুসংগঠিত কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার আয়োজন, পরিচালনা এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় পরিচালিত হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা চূড়ান্ত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় আলোচনা ও পর্যালোচনার পর ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা–২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে এই নীতিমালা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যে অনুমোদিত নীতিমালাটি সংযুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করা এবং তাদের উৎসাহিত করার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
-রাফসান
রমজান উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশ
পবিত্র মাহে রমজান এবং আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সব বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারা দেশের সব ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে আগামী সোমবার (৯ মার্চ) থেকে ক্লাস বন্ধ থাকবে।
রোববার (৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে যানজট ও জনভোগান্তি কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুবিধার দিকটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয় শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে। ওই বৈঠকে দেশের বিভিন্ন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী সোমবার (৯ মার্চ) থেকে সরকার ঘোষিত ঈদের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত স্কুলগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
তবে শ্রেণি কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মূল্যায়ন যেন ব্যাহত না হয় সে বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদেশি কারিকুলামভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আবশ্যিক পরীক্ষাসমূহ পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং শিক্ষাব্যবস্থায় সমন্বয় বজায় রাখতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলা মাধ্যম ও ইংলিশ মিডিয়ামসহ সব ধরনের কোচিং সেন্টারের কার্যক্রমও এই সময়ের মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, রমজান মাসে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করা এবং নগরজীবনের চাপ কমাতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে রমজান মাসে যানজট, ভিড় এবং সময় ব্যবস্থাপনার সমস্যা বেশি দেখা যায়। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং নগরবাসীর জন্য কিছুটা স্বস্তি সৃষ্টি হতে পারে।
তবে তারা মনে করছেন, শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে। এজন্য অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
-শরিফুল
সব স্কুল ও কলেজের জন্য জারি হলো ১০ দফা নতুন নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের সুস্থ জীবনযাপন ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে তাদের আওতাধীন সব স্কুল ও কলেজে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ বাস্তবায়ন করা হবে।
গত ৫ মার্চ মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ সংক্রান্ত ১০ দফা বাস্তবায়ন নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার তত্ত্বাবধানে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন প্রণীত একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল অনুসরণ করে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী মাউশির অধীন সব স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে একদিনের বিনামূল্যের প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণের শিরোনাম হবে ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, মানসিক চাপ মোকাবিলা, শৃঙ্খলাবোধ এবং ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসেই এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করবে। এতে নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করবেন।
প্রশিক্ষণ শেষে কার্যক্রমকে নিয়মিতভাবে চালু রাখার জন্য প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি মনিটরিং পুল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী এই মনিটরিং টিম শিক্ষার্থীদের দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রম তদারকি করবে এবং নিয়মিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।
এছাড়া ম্যানুয়ালের পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনে উল্লেখিত নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য কাউন্সেলিং সেবাও চালু করা যাবে। তবে এই মনিটরিং টিমের কার্যক্রম প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও গাইডলাইনের নির্ধারিত সীমার মধ্যেই পরিচালিত হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রতি বছর নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদেরও এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে পর্যায়ক্রমে ব্যাচভিত্তিক প্রশিক্ষণ আয়োজনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত করা যেতে পারে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল, জেলা, উপজেলা ও থানার শিক্ষা কর্মকর্তাদের সক্রিয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সমন্বয়কের সঙ্গে যোগাযোগ করারও সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী পর্যায়ে নিয়মিত অনুশীলন পর্যবেক্ষণের কাজে বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত থাকবে। স্কুল পর্যায়ে স্কাউটস সদস্য এবং কলেজ পর্যায়ে রোভার স্কাউট সদস্যরা এ কার্যক্রমে সহায়তা করবে।
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলা, মানসিক চাপ মোকাবিলার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক সামাজিক আচরণ বিকাশে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিক সুস্থতা ও সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।
-রাফসান
বেসরকারি শিক্ষকদের বড় ধামাকা: পকেটে আসছে বাড়তি টাকা
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এক সুখবর দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। উৎসব ভাতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বড় ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালথমিক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানায়, যার ফলে আসন্ন ঈদ বা উৎসবগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারীরা আগের চেয়ে বেশি আর্থিক সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রা গেছে, উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত ২৮৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে। এই প্রস্তাবনাটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে একটি ডি-অফিশিয়াল (ডিও) লেটার প্রস্তুত করা হয়েছে। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পরপরই এই প্রস্তাবটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় হওয়া মাত্রই শিক্ষক-কর্মচারীরা বর্ধিত হারে উৎসব ভাতা পাবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিক্ষকদের উৎসব ভাতা একবারে না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। প্রথম ধাপে ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় দ্রুত সাড়া দিলে শিক্ষকরা খুব শীঘ্রই এই সুফল ভোগ করতে পারবেন। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা হিসেবে পাচ্ছেন, যার পেছনে সরকারের বার্ষিক ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করা হলে সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়াবে ১ হাজার ৭১৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শুধুমাত্র স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। অন্যদিকে, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা খাতের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রয়োজন হবে ৯৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সারসংক্ষেপ ইতোমধ্যে তৈরি করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
নতুন এই উদ্যোগের ফলে সারা দেশের লাখ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে উৎসব ভাতার এই ১০ শতাংশ বৃদ্ধি শিক্ষকদের জন্য একটি বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ইরানের দুঃসময়ে পুতিনের ঘোষণা; মস্কো থাকবে ‘নির্ভরযোগ্য অংশীদার’ হয়ে
- নাতাঞ্জে ফের মহাপ্রলয়: মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় কাঁপছে ইরানের পরমাণু কেন্দ্র
- সংসদে সমাধান না হলে রাজপথই শেষ ভরসা: গণভোট নিয়ে অনড় অবস্থানে জামায়াত
- রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর খবর: ভারতসহ এশিয়ার টার্গেট এখন ইরান
- প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রথম ঈদ: উৎসব, ঐক্য ও প্রত্যাশার বাংলাদেশ
- হরমুজ উত্তেজনার প্রভাব, ইরান তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্ত
- বিরোধী দলীয় নেতার ঈদের শুভেচ্ছা: সরকারি বাসভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন
- রমজানের শিক্ষা থেকে ঐক্যের ডাক: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- হরমুজের সংকট মোকাবেলায় ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনায় ট্রাম্প
- চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের অস্ত্র কারখানায় আগুন
- তেলের দামের ধাক্কায় সংকটে ভারতীয় বিমান খাত, রুট বন্ধের সতর্কতা
- ঈদের আনন্দ ম্লান: যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশ্ব
- ইসরায়েলে প্রথমবার 'নাসরুল্লাহ' মিসাইল ব্যবহার করল ইরান
- জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন
- ইসরায়েলকে বড় জরিমানা ফিফার, কারণ কী
- শ্রমিকদের বেতন-বোনাস শতভাগ পরিশোধ করছে সরকার
- ট্রাম্প ও মিত্রদের জন্য ‘অপ্রত্যাশিত চমক’ প্রস্তুত রয়েছে- ইরান
- ইরান যুদ্ধে আটকে পড়ে পালানোর পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
- সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন দেশের যেসব জায়গায়
- ‘বিশ্বকে রক্ষা করছি’ নেতানিয়াহুর দাবি
- আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা
- ২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়
- ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
- জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে আর ছাড় নয়: ইরান
- চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)
- কাতারের জ্বালানি কমপ্লেক্সে হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতার সীমিত অংশ
- ইরানের হামলায় ইসরাইলের তেল শোধনাগারে আগুন
- ‘আমি বেঁচে আছি’- গুজব ভেঙে সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু
- ইরান মিশনের পর জরুরি অবতরণ মার্কিন F-35, F-35 ক্ষতিগ্রস্ত?
- গ্যাস শক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে ইরানের আঘাত: বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তার নতুন ঢেউ
- ‘কোরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে নিজেই বদলে গেলাম’
- যুদ্ধের মাঝেই হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের মাস্টারপ্ল্যান
- যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত নেই: পেন্টাগনের ব্রিফিংয়ে ইরান ধ্বংসের নতুন নীল নকশা
- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে ড্রোন হানা: ওয়াশিংটনের সামরিক ঘাঁটিতে আতঙ্ক
- বৃষ্টির বাধায় কি ম্লান হবে ঈদের আনন্দ? আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ আপডেট
- ২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন
- এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে দুই নতুন সংগঠন
- কুমিল্লা শেষ সময়ে জমজমাট আতর-টুপির বাজার
- ক্যাম্পাসের ব্যস্ততা পেরিয়ে ঈদের ছুটিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আনন্দ
- ‘আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে’: ইরানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী
- ইরান হামলার নিন্দা, আমিরাতের পাশে মিশর
- কালিগঞ্জের পল্লীতে ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- এক বছরে দুই রমজান ও তিন ঈদের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ
- জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ
- মধ্যপ্রাচ্যে মহাপ্রলয় রুখতে ইউরোপের আল্টিমেটাম
- ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ধস: সোনার দামে বাজুসের ঐতিহাসিক রেকর্ড পতন
- কাতারের গ্যাসে ইরানের আগুন: অন্ধকারে ডুবতে পারে বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ এলাকা
- বাড়তি ভাড়া নিলেই কড়া অ্যাকশন: সেতুমন্ত্রীর
- সৌদিতে আজ কি দেখা যাবে ঈদের চাঁদ? সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
- বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!
- ‘৫০তম অভিযান’ ঘোষণা ইরানের, রণক্ষেত্র চার দেশে
- কালিগঞ্জের পল্লীতে ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- ঈদুল ফিতর ২০২৬: প্রধান জামাতের সময় ও জাতীয় ঈদগাহের সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
- আজ ডিএসইর সেরা ১০ গেইনার কোনগুলো
- ১৪৪৭ হিজরির রমজান কি ২৯ দিনে শেষ হবে? সৌদি সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- ১৬ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- পবিত্র রমজানের ২৫তম দিন; ১৫ মার্চের নামাজের সঠিক সময়সূচি জানুন
- হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
- শেয়ারবাজারে দরপতনে এগিয়ে যেসব শেয়ার
- সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
- ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে পাবেন, জানুন বিস্তারিত
- ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; ৪ জেলায় কালবৈশাখীর বড় সতর্কবার্তা








