স্বাস্থ্য টিপস
সুস্থ থাকতে আটার রুটিতে মেশান ৩ উপাদান, দেখুন ম্যাজিক!

খাবারের তালিকায় আটার রুটি অনেকেরই পছন্দের। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হিসেবে অনেকেই ভাতের পরিবর্তে আটার রুটিকে প্রাধান্য দেন। যদি আপনিও তাদের একজন হয়ে থাকেন, তবে জেনে নিন, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে আটার রুটিতে মেশাবেন কোন তিনটি বিশেষ উপকরণ।
ভাত ও রুটির পুষ্টিগুণে খুব বেশি পার্থক্য নেই, উভয়ই শস্যজাতীয় খাবার এবং কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ। তবে ভাতের চেয়ে রুটি সহজে হজম হয় না, যে কারণে পেট বেশিক্ষণ ভরিয়ে রাখে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।
রুটির পুষ্টিগুণ বাড়াবে যে ৩ উপাদান
আটার রুটিপ্রেমীদের জন্য পুষ্টিবিদরা রুটি তৈরিতে তিনটি বিশেষ উপাদান মেশানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। একেক দিন একেকটি উপাদান মিশিয়ে রুটি তৈরি করলে স্বাদের যেমন পার্থক্য হবে, তেমনি বাড়বে রুটির পুষ্টিগুণও।
১। কালোজিরা: প্রকৃতির এক বিস্ময়কর বীজ হলো কালোজিরা, যা মৃত্যু ছাড়া সব রোগের ওষুধ হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে রয়েছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক এবং বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
ব্যবহারের উপায়: স্বাভাবিকভাবে গোল রুটি তৈরি করে তাতে কালোজিরা ছিটিয়ে দিন। এরপর কালোজিরা যেন রুটি থেকে বের হয়ে না যায়, সেজন্য বেলন-পিঁড়িতে আরেকবার রুটিটি বেলে নিন।
২। তিল: একই পদ্ধতিতে আটার রুটিতে তিল ব্যবহার করতে পারেন। তিলে থাকা প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন বি ও ই, ক্যালসিয়াম ও আয়রন-এর মতো উপাদান রুটির পুষ্টিগুণ আরও বাড়িয়ে তুলবে।
৩। বিভিন্ন ধরনের বাদাম: আটার রুটি তৈরি করতে বিভিন্ন ধরনের বাদামও মেশাতে পারেন। বাদাম কুচি করে কিংবা ব্লেন্ডারে পাউডার করে আটার মিশ্রণে মিশিয়ে রুটি তৈরি করুন। এতে করে এই রুটি সারাদিন আপনাকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে কাজ করবে।
দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিশ্চিত হাম রোগীর গ্রাফ
রাজধানীসহ সারা দেশে আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে হাম (Measles)। প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ও এর উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৪৯৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন ও প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০৫ জনে। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত মাত্র দুই মাসে দেশজুড়ে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৯১১ জনে। এছাড়া ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে আরও ৮৯ জনের শরীরে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত দেশে ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৮৫৬ জনে।
প্রতিবেদনে দেশের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত তীব্র উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪২ হাজার ৮৬৮ জন হাম রোগী। এর মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৮ হাজার ৯৮০ জন। মে মাসের তীব্র গরমের মধ্যে শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ দ্রুত বাড়তে থাকায় অভিভাবক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
/আশিক
যে রোগ হলে খেতে ইচ্ছা করে মাটি, চক, চুল। জানুন চিকিৎসা
মানুষ সাধারণত খাবার হিসেবে যেসব জিনিস গ্রহণ করে, সেগুলো শরীরের পুষ্টি ও শক্তির চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন একটি ব্যাধি রয়েছে, যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি নিয়মিতভাবে মাটি, চক, কাগজ, চুল, বরফ, সাবান বা বালির মতো অখাদ্য ও পুষ্টিহীন জিনিস খেতে থাকেন। এই অস্বাভাবিক খাওয়ার প্রবণতাকে বলা হয় “পিকা”।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পিকা একটি মানসিক ও খাদ্যাভ্যাসজনিত ব্যাধি বা ইটিং ডিসঅর্ডার। এটি শুধু অদ্ভুত আচরণ নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি, মানসিক চাপ বা স্নায়ুবিক সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পিকা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এমন জিনিস খেতে চান, যা সাধারণ খাদ্য হিসেবে বিবেচিত নয় এবং যেগুলোর কোনো পুষ্টিগুণও নেই। এই প্রবণতা একদিন বা দুইদিনের নয়; বরং সাধারণত এক মাস বা তার বেশি সময় ধরে চলতে থাকে।
পিকা রোগ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় শিশুদের মধ্যে, বিশেষ করে কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে। এছাড়া গর্ভবতী নারী, অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বা বিকাশজনিত সমস্যায় ভোগা মানুষের মধ্যেও এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে আয়রন, জিঙ্ক বা অন্যান্য খনিজ উপাদানের ঘাটতি পিকার অন্যতম বড় কারণ হতে পারে। অনেক সময় অপুষ্টি, দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ, উদ্বেগ, শৈশবের মানসিক আঘাত বা আচরণগত সমস্যার কারণেও এই ব্যাধি তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসা গবেষণায় দেখা গেছে, পিকা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের অখাদ্য জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন। কেউ মাটি খান, কেউ কাগজ বা চক চিবান, আবার কেউ বরফ, সাবান বা চুল খাওয়ার প্রবণতায় ভোগেন। এই অভ্যাস অনেক সময় গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, পিকা রোগের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো এর শারীরিক জটিলতা। অখাদ্য বস্তু খাওয়ার ফলে পেটে সংক্রমণ, অন্ত্রে বাধা, পরিপাকতন্ত্রে ক্ষতি, দাঁতের সমস্যা এবং বিষক্রিয়া পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ করে সীসাযুক্ত বস্তু খেলে লেড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে চিকিৎসাবিদরা এটিও মনে করিয়ে দেন যে, দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে মাটি বা অন্য কিছু মুখে দেওয়ার প্রবণতা স্বাভাবিক আচরণের অংশ হতে পারে। আবার কিছু সংস্কৃতিতে বিশেষ ধরনের মাটি খাওয়ার প্রচলন থাকলেও তা সবসময় পিকা হিসেবে ধরা হয় না।
পিকা রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকরা সাধারণত রোগীর আচরণ, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক পরীক্ষা মূল্যায়ন করেন। অনেক ক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষা করে আয়রন বা জিঙ্কের ঘাটতি আছে কি না তা দেখা হয়।
এই রোগের নির্দিষ্ট কোনো একক ওষুধ নেই। চিকিৎসকদের মতে, পিকার পেছনের মূল কারণ শনাক্ত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি পুষ্টির ঘাটতি থাকে, তাহলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়। আর মানসিক বা আচরণগত সমস্যা থাকলে কাউন্সেলিং ও থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত শনাক্ত করা গেলে পিকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময় সম্ভব। তাই দীর্ঘদিন ধরে অখাদ্য কিছু খাওয়ার প্রবণতা দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
করোনার চেয়েও ভয়ংকর? রহস্যময় ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সতর্কতা
করোনার ক্ষত শুকোতে না কাটতেই বিশ্বজুড়ে নতুন এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে জানিয়েছে, এই রহস্যময় ভাইরাসটি সাধারণ অ্যাডিনোভাইরাসের চেয়েও বেশি সংক্রামক এবং দ্রুত রূপ বদলাতে সক্ষম। আগে গবাদি পশুর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন এটি মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার ক্ষমতা অর্জন করেছে, যা বড় ধরনের মহামারির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আমেরিকা ও জার্মানির গবেষকরা দেখেছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি একটি অত্যন্ত স্থিতিশীল আরএনএ (RNA) ভাইরাস, যা উচ্চ তাপমাত্রাতেও টিকে থাকতে পারে। পশু খামারের কর্মীদের শরীরে এই ভাইরাসের অ্যান্টিবডি মেলায় এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সংক্রমণ শুরু হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের লিভারে থাকা ‘অ্যাপোলিপোপ্রোটিন ডি’ এই ভাইরাসের বিস্তারকে আরও মারাত্মক করে তোলে। এটি শরীরের শক্তির উৎস মাইটোকন্ড্রিয়াকে আক্রমণ করে কোষের মৃত্যু ঘটায়, ফলে রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্রুত ভেঙে পড়ে।
প্রাথমিক উপসর্গ সাধারণ ফ্লুর মতো মনে হলেও এটি শরীরের ভেতরে অত্যন্ত দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম। যদিও এটি এখনও বৈশ্বিক মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েনি, তবে এর বিবর্তন ও অভিযোজন ক্ষমতা বিজ্ঞানীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, একে সাধারণ ফ্লু হিসেবে অবহেলা করার সুযোগ নেই। এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে এবং কার্যকর প্রতিষেধক তৈরিতে এখন থেকেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ শুরু হয়েছে।
/আশিক
হামে মৃত্যুর মিছিলে শিশুদের সংখ্যাই বেশি! স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
দেশে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হামের প্রকোপ। গত ৫৬ দিনে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধলক্ষ ছাড়িয়ে গেছে, আর প্রাণ হারিয়েছে ৩৫০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (১০ মে সকাল ৮টা থেকে ১১ মে সকাল ৮টা) হাম সন্দেহে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নথি অনুসারে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। গত এক দিনে নতুন করে ১ হাজার ৩৪৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৫০০ জনে। এই ৫৬ দিনে মোট ৩৫০ জন মারা গেছে, যাদের মধ্যে ৬৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামের কারণে হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। মৃতদের একটি বড় অংশই শিশু।
হামের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে ঢাকা বিভাগে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৭১৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জনের, যা সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম (৬,৫৫৫ জন) এবং তৃতীয় স্থানে রাজশাহী (৪,৩৭৩ জন)। অন্যদিকে, রংপুর বিভাগে আক্রান্ত (৪১৮ জন) ও মৃত্যু (৪ জন) উভয়ই সবচেয়ে কম।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৯৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৩১ হাজার ৯৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানেও কয়েক হাজার রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি না করলে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
/আশিক
নীরব ঘাতক কিডনি রোগ: যেসব লক্ষণ অবহেলা করলে পস্তাতে হতে পারে
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমান সময়ে কিডনি রোগের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। কিডনিকে বলা হয় শরীরের 'ছাঁকনি', যার প্রধান কাজ রক্ত থেকে বর্জ্য অপসারণ করা। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, কিডনি বিকল হতে শুরু করলেও অনেক সময় প্রাথমিক অবস্থায় কোনো লক্ষণ ধরা পড়ে না। ফলে রোগটি যখন শনাক্ত হয়, তখন তা অনেকটা জটিল পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
কিডনি সমস্যার প্রধান লক্ষণসমূহ
কিডনি সঠিকভাবে কাজ করতে না পারলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হতে পারে না, যার ফলে সারাক্ষণ ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভূত হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি জমার কারণে চোখ, পা কিংবা গোড়ালি ফুলে যাওয়া কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান সংকেত। এছাড়া প্রস্রাবে অস্বাভাবিক ফেনা হওয়া (প্রোটিন ক্ষরণ), রং পরিবর্তন বা অতিরিক্ত দুর্গন্ধ হওয়া সতর্কবার্তার লক্ষণ। ক্ষুধার অভাব, বমি ভাব এবং ত্বকে হঠাৎ চুলকানি বা খসখসে ভাব দেখা দিলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ব্যথার অবস্থান ও ধরন
কিডনির ব্যথা এবং সাধারণ কোমর ব্যথার মধ্যে অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনির ব্যথা মূলত পিঠের নিচের দিকে পাঁজরের ঠিক নিচে অনুভূত হয়। পাথর থাকলে এই ব্যথা হঠাৎ তীব্র হয়ে কুঁচকি বা তলপেট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে, সংক্রমণ হলে ব্যথা ধীরে ধীরে শুরু হয়ে তীব্রতর রূপ নেয়।
প্রস্রাবের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া কিংবা রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া কিডনি বিকলের ইঙ্গিত দিতে পারে। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা লালচে আভা বা রক্ত দেখা দিলে তা মারাত্মক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
যদি কোমর বা পাঁজরের ব্যথা এক থেকে দুই দিনের বেশি স্থায়ী হয় এবং এর সাথে জ্বর বা কাঁপুনি থাকে, তবে দ্রুত ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান, লবণ কম খাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
/আশিক
অবিবাহিতদের ক্যানসার ঝুঁকি বেশি! গবেষণায় উঠে এল ভয়ংকর তথ্য
২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের স্বাস্থ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এক ভীতিকর চিত্র খুঁজে পেয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় অনেক বেশি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকির মাত্রা আরও ভয়াবহ, যা প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
গবেষণায় নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ক্ষেত্রে ভয়াবহ পার্থক্যের কথা বলা হয়েছে। যেমন, অবিবাহিত পুরুষদের মলদ্বারের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার বিবাহিতদের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে, অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি দেখা গেছে।
গবেষকদের মতে, বৈবাহিক জীবন মানুষের জীবনযাত্রায় এক ধরনের শৃঙ্খলা আনে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ এবং একে অপরের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার ফলে বিবাহিতরা পরোক্ষভাবে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম হন।
তবে বিশেষজ্ঞরা এই গবেষণার ফলকে সতর্কতার সাথে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, বিয়ে করলেই যে ক্যানসার হবে না—বিষয়টি তেমন নয়। এটি মূলত একটি সামাজিক ও আচরণগত নির্দেশক মাত্র।
যারা অবিবাহিত রয়েছেন, গবেষকরা তাঁদের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখা তাঁদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই গবেষণার ফলাফল বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়
কিডনি বা মূত্রনালির পাথর হওয়া আধুনিক জীবনযাত্রায় একটি কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় শরীরের ভেতর জমে থাকা খনিজ ও লবণের এই শক্ত কণাকেই আমরা পাথর বলে থাকি।
হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা রক্ত—শরীরের এই নীরব সংকেতগুলো হতে পারে কিডনি বা মূত্রনালির পাথরের লক্ষণ। সময়মতো সচেতন না হলে এই ক্ষুদ্র স্ফটিকই হয়ে উঠতে পারে অসহনীয় যন্ত্রণার কারণ। কেন তৈরি হয় এই পাথর আর কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব? দেখে নিন একনজরে
প্রস্রাবে থাকা খনিজ ও বর্জ্য পদার্থ যখন ঠিকমতো শরীর থেকে বের হতে পারে না, তখন সেগুলো জমাট বেঁধে স্ফটিক বা পাথরে পরিণত হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে খনিজ পদার্থগুলো সহজে জমাট বাঁধার সুযোগ পায়।
অতিরিক্ত লবণ, লাল মাংস (Red Meat) এবং অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার (যেমন পালংশাক, বাদাম) বেশি খেলে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রনালির স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হয় এবং পাথর তৈরির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
পরিবারে কারও এই সমস্যা থাকলে ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম না করাও একটি কারণ।
পাথর ছোট থাকলে অনেক সময় টের পাওয়া যায় না। কিন্তু বড় হলে কোমরের এক পাশে বা তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এর সঙ্গে বমিভাব বা জ্বরও থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা এই রোগ প্রতিরোধের সবথেকে বড় অস্ত্র। পাশাপাশি খাবারে বাড়তি লবণের ব্যবহার কমানো এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লেবুর শরবত বা সাইট্রাস জাতীয় ফল রাখা অত্যন্ত কার্যকর।
শরীরের নীরব সংকেতগুলো অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতাই পারে আপনাকে বড় ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে।
/আশিক
হৃদরোগ আসার আগেই শরীর দেয় সংকেত: জেনে নিন রক্তনালির গোপন সংক্রামক
আপনার হার্টের রোগ কোনো ঘোষণা দিয়ে আসে না, তবে শরীর নিঃশব্দে এক বিশেষ সংকেত পাঠাতে থাকে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, হৃদরোগ হানা দেওয়ার অনেক আগেই রক্তনালির ভেতরের অত্যন্ত সংবেদনশীল আস্তরণ বা ‘এন্ডোথেলিয়াম’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একেই বলা হয় ‘এন্ডোথেলিয়াল ডিসফাংশন’। এটি কোনো সরাসরি রোগ নয়, বরং ধমনিতে চর্বি জমা বা ব্লকেজ তৈরির প্রাথমিক পর্যায়।
রক্তনালির সুরক্ষাবলয় ভেঙে যায় যেভাবে
শরীরের প্রতিটি রক্তনালির ভেতরে এন্ডোথেলিয়াম নামক একটি আস্তরণ থাকে, যার কাজ হলো রক্তনালিকে নমনীয় রাখা এবং রক্ত চলাচলের পথ সুগম করা। এই স্তরটি শরীরকে প্রয়োজনীয় ‘নাইট্রিক অক্সাইড’ সরবরাহ করে। কিন্তু ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে এই স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদন কমে যায় এবং রক্তনালিগুলো শক্ত ও সরু হতে শুরু করে।
কেন এটি বিপজ্জনক?
এন্ডোথেলিয়াম স্তরটি নষ্ট হয়ে গেলে রক্তনালির ভেতরে প্রদাহ শুরু হয় এবং এর নিচে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে ‘প্লাক’ তৈরি করে। এই প্লাকই মূলত ধমনিতে ব্লকেজ সৃষ্টি করে, যা থেকে পরবর্তী সময়ে হার্ট অ্যাটাক বা ব্রেন স্ট্রোক ঘটে। গবেষকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ শর্করা এবং ধূমপায়ীদের নিকোটিন এই স্তরটিকে সবচেয়ে দ্রুত ধ্বংস করে।
বাঁচার উপায় কী?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এন্ডোথেলিয়াল ডিসফাংশন প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন এবং রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে রক্তনালির এই আস্তরণকে সুস্থ রাখা যায়।
/আশিক
তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকার মহৌষধ: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?
তীব্র তাপদাহে সারা দেশের জনজীবন এখন বিপর্যস্ত। এই অসহনীয় গরমে সুস্থ থাকাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং দ্য টাইমস ম্যাগাজিনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তীব্র গরমে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার কিছু কার্যকর উপায় নিচে দেওয়া হলো।
তীব্র রোদে ঘর ঠান্ডা রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দিনের বেলা রোদের তাপ বেশি থাকলে জানালা বন্ধ রেখে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন। তবে সন্ধ্যার পর বাইরের বাতাস যখন কিছুটা ঠান্ডা হয়, তখন সব জানালা খুলে দিয়ে ঘরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করুন। ঘরে অপ্রয়োজনীয় লাইট বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র বন্ধ রাখলে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে।
অনেকেই মনে করেন ফ্যান সব সময় আরাম দেয়, কিন্তু তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে গেলে ফ্যান সরাসরি ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রিতে সেট করে সাথে একটি ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ বিলও কম আসে।
গরমে আরাম পেতে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরার বিকল্প নেই। নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন এবং বাইরে থেকে ফিরে ঘাম শুকিয়ে শরীর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝেমধ্যে চোখে-মুখে পানির ঝাপটা বা স্প্রে ব্যবহার করলে প্রশান্তি পাওয়া যায়।
তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। আপনার প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় হয়, তবে বুঝতে হবে শরীর পানিশূন্যতায় ভুগছে। ডাবের পানি বা বাড়িতে তৈরি লেবুর শরবত এ সময় শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এই গরমে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার (যেমন চিপস) পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা-কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে ফেলে। এছাড়া উচ্চ ফ্যাটযুক্ত দুধ বা চিজ হজমে সমস্যা তৈরি করে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিরিক্ত গরমে যদি মাথা ঘোরা, বমিভাব, প্রচণ্ড ক্লান্তি বা বিভ্রান্তি দেখা দেয়, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগীদের এই সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- গরম বনাম ভারী বৃষ্টি: আর কত দিন চলবে আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনা?
- শনিবার রাজধানীর ১৬ স্পটে খাদ্য বিতরণ করবে তারেক রহমান
- গুঁড়া মসলার ভিড়ে আস্ত মসলার গরুর মাংস: ঝক্কিহীন স্বাদের আড়ালে কিছু রন্ধন ত্রুটি
- জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতের মেগা প্রস্তুতি সম্পন্ন
- এআই ট্রাফিক মামলার নামে ‘ফিলিপাইনি’ ফাঁদ: ওটিপি ছাড়াই কার্ডের টাকা ওড়ানোর ছক
- জলদি জলদি ভাগো, জামাই নাকি! সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর তীব্র কটাক্ষ
- শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি সস্তা ‘স্ট্যান্ডবাজি’ ছাড়া আর কিছু নয়: রিজভী
- সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা
- চুক্তি করেছেন আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দায় কেন আমাদের?: আসিফ মাহমুদ
- তীব্র অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকিতে এনসিপি নেতা: মতিঝিলের অস্থায়ী কার্যালয় তড়িঘড়ি বন্ধের সিদ্ধান্ত
- কাতার সেমিফাইনালের সেই নায়ক এবারও আর্জেন্টিনাকে মেগা আনন্দে ভাসাতে মরিয়া
- শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ বিভাগেই ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছেন: জ্বালানিমন্ত্রী
- আমি কিচেন ক্যাবিনেটের সদস্য ছিলাম না: এনসিপি
- যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই কি ঘুচবে ২৪ বছরের খরা? ব্রাজিলের হেক্সা মিশন নিয়ে জোর জল্পনা
- আমেরিকা ও ইসরায়েলের পতন আসন্ন: হজের বাণীতে মোজতবা খামেনির হুঙ্কার
- মহামারি রূপ নিচ্ছে হাম, আক্রান্ত ছাড়াল কয়েক হাজার
- হজের খুতবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের কড়া বার্তা দিলেন শায়খ হুজাইফি
- সন্ত্রাসীদের কোনো অভয়ারণ্য থাকতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরানে মার্কিন হামলার পর বিশ্ববাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে তেলের দাম
- ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে স্বস্তির ঈদযাত্রা: কোনো ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরছে মানুষ
- বিদায় হজের স্মৃতিবিজড়িত জাবালে রহমতে গুনাহ মাফের আকুল কান্নায় ভাসলেন হাজিরা
- জামালপুরের পশুর হাটে পাগলা মহিষের আক্রমণ: নিহত ২
- ইরানের সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের আলটিমেটাম দিলেন ট্রাম্প
- যুদ্ধবিরতি ভেস্তে দিয়ে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক বোমাবর্ষণ
- ঢাকাসহ ৯ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ওলটপালট আন্তর্জাতিক বাজার
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ২৬ মে ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: দক্ষিণ ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান হামলা
- আজ পবিত্র হজের মূল দিন: লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাতের ঐতিহাসিক ময়দান
- ম্যাচের আগে চার্জ দিতে হবে বল! অ্যাডিডাসের তৈরি স্মার্ট বলে কাঁপবে বিশ্বকাপ
- ভারতের উত্তর প্রদেশে কঠোর বিধিনিষেধের ঘেরাটোপে ২০২৬ সালের ঈদুল আজহা
- শিশু রামিসা হত্যার বিচার শুরু ১ জুন থেকে: আইনমন্ত্রী
- পদ্মায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ২৩টি কোরবানির গরুসহ ব্যবসায়ী নিখোঁজ
- রাজধানীর কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: তীব্র পানির সংকটে নেভাতে হিমশিম ফায়ার সার্ভিস
- আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বর্তমান সরকার: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- কালিগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগ,প্রাণনাশের হুমকির দাবি
- হাসনাত-সারজিসের বিরুদ্ধে বেইমানির বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন
- ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন দ্বিগুণ করার প্রস্তাব: স্বস্তিতে লাখ লাখ সাধারণ কর্মচারী
- গাণিতিক মডেলের বিস্ফোরক পূর্বাভাস: ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস!
- একটি গরুর দাম ৫৯ কোটি টাকা! গিনেস বুকে নাম তুলে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়
- দেড় বছরেও দিকভ্রান্ত আওয়ামী লীগ: শেখ হাসিনার অনড় অবস্থানে মৃত সংস্কারের সম্ভাবনা
- পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা: ৪৭ পৃষ্ঠার চার্জশিটে পৈশাচিকতার লোমহর্ষক বিবরণ
- ইরানকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা: স্বার্থের অনুকূলে না হলে চুক্তি করবে না ওয়াশিংটন
- ফেসবুক পোস্টে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ, নতুন কর্মসূচির জল্পনা
- চীনের নতুন রপ্তানি নীতিতে তোলপাড়: হুমকির মুখে ভারতের ১২০ বিলিয়ন ডলারের মেগা স্বপ্ন
- দেশে হামের ভয়াবহ তাণ্ডব: আক্রান্ত ও মৃত্যুতে শীর্ষে ঢাকা বিভাগ
- মার্কিন ডলারকে বড় ধাক্কা: ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থানে চীনের ইউয়ান
- ফ্রিজের শক্ত বরফ জমা মাংস দ্রুত গলানোর ৪টি বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ ঘরোয়া কৌশল
- রামিসা থেকে আবদুল্লাহ: শিশু যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে নীরবতার অবসান হোক
- ইরানে ধাক্কা খেয়ে চীনের সামনে দুর্বল আমেরিকা?
- ইরান যুদ্ধে ড্রোন ধ্বংসে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
- ঈদের দিনে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
- রামিসার মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে আজ রাতেই পল্লবীর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আজ সূর্যাস্ত কখন? নামাজের সময় জানুন একনজরে
- ২০ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজ দুপুরের মধ্যে দেশের তিন বিভাগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- লাশ উদ্ধারের ৫ দিনের মাথায় চূড়ান্ত অভিযোগপত্র: রামিসা হত্যায় দ্রুততম বিচারের রেকর্ড
- রামিসা হত্যার খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- ২০ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








