পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ২১:৪৮:১২
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র বিদ্যমান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর এখন মুক্ত বাংলাদেশে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জনগণের কাছে অত্যন্ত বোধগম্য।

তারেক রহমান তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া না হলেও, ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী আমাদের সম্মান ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, আজ আমাদের সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ বর্তমানে চলমান। বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও তিনি মনে করিয়ে দেন যে, এই ঘটনার পর নানা ধরনের অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। শহীদদের মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোই হোক এই দিবসের মূল প্রত্যয়।

/আশিক


৫ আগস্টের পর নিরীহদের আসামি করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৯:৩৫:৫৭
৫ আগস্টের পর নিরীহদের আসামি করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া নেতাকর্মীদের জন্য বড় সুখবর দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা আরও ১ হাজার ২০২টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে এবং সুবিধা হাসিলের জন্য নিরীহ মানুষকে আসামি করে যে সব ‘হয়রানিমূলক’ মামলা করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “কিছু সুবিধাবাদী শ্রেণি ব্যক্তিগত সুবিধা চরিতার্থ করতে নিরীহ লোকদের আসামি করেছে, যা আমাদের নজরে এসেছে। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর; কেউ যাতে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, তা যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত করা হবে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, ঢালাওভাবে সব মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। হত্যা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো এই তালিকার বাইরে থাকবে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলোই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর আগে ১ হাজার ৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। মামলাগুলো প্রকৃতপক্ষেই রাজনৈতিক কি না, তা আরও সতর্কতার সাথে যাচাই করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে এবং আজ-কালের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

/আশিক


জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৯:২২:৫৮
জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) জাকাত ও সদকায়ে ফিতরের নেসাব এবং পরিমাণ ঘোষণা করেছে রাজধানীর জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার ফতোয়া বিভাগ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রতিষ্ঠানটির দারুল ইফতা থেকে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ইসলামি শরিয়তের মানদণ্ড অনুযায়ী ৫২.৫ ভরি রুপার বর্তমান বাজারমূল্য ধরে এ বছর জাকাতের নেসাব ধরা হয়েছে ২,৩০,০০০ টাকা।

স্বর্ণালংকারের জাকাত আদায়ের হিসাব

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী, স্বর্ণের খাদ ও মজুরি বাদ দিয়ে জাকাতযোগ্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট স্বর্ণমূল্যের ওপর ২.৫% হারে জাকাত প্রদান করতে হবে।

স্বর্ণের মান বাজারমূল্য (প্রতি ভরি) ১৫% বাদে জাকাতযোগ্য মূল্য
২২ ক্যারেট ২৫৮,৮২৫ টাকা ২,২০,০০০ টাকা
২১ ক্যারেট ২৪৭,১০০ টাকা ২,১০,০০০ টাকা
১৮ ক্যারেট ২১১,৭৬০ টাকা ১,৮০,০০০ টাকা
সনাতন ১৭৩,৩৩০ টাকা ১,৫০,০০০ টাকা

সদকায়ে ফিতরের হিসাব

সামর্থ্য অনুযায়ী আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনিরের যেকোনো একটির মাধ্যমে ফিতরা আদায় করা যাবে। জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার হিসাব অনুযায়ী এ বছরের ফিতরার হার হলো

খাদ্যদ্রব্য পরিমাণ প্রতি কেজি দর ১টি ফিতরা
গম/ আটা ১.৬৫ কেজি ৬০/- ১০০/-
যব ৩.৩ কেজি ১৩৬/- ৪৫০/-
খেজুর ৩.৩ কেজি ৬০৬/- ২,০০০/-
পনির ৩.৩ কেজি ৮০৩/- ২,৬৫০/-
কিশমিশ ৩.৩ কেজি ৮৫০/- ২,৮০০/-

দারুল ইফতার প্রধান মুফতি মনসূরুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রুপার বাজারদর এলাকাভেদে ভিন্ন হতে পারে, তাই নিজ নিজ এলাকার দর যাচাই করে জাকাত পরিশোধ করা উত্তম। উল্লেখ্য, জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ বছরের শুরু ও শেষে থাকা শর্ত, তবে ফিতরা ওয়াজিব হওয়ার জন্য ঈদের দিন সকালে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকাই যথেষ্ট।

/আশিক


পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল: আলী হোসেন ফকিরের হাতে নতুন মিশন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৬:০৯:৫২
পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল: আলী হোসেন ফকিরের হাতে নতুন মিশন
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর প্রধান মো. আলী হোসেন ফকির। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে তাঁকে। বিসিএস (পুলিশ) ১৫তম ব্যাচের এই চৌকস কর্মকর্তার আইজিপি পদে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টি পুলিশ বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বাগেরহাটের সন্তান মো. আলী হোসেন ফকিরের কর্মজীবন ছিল চড়াই-উতরাইয়ে পূর্ণ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তিনি প্রথম দফায় চাকরি হারান। পরবর্তীতে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। দীর্ঘ সময় বঞ্চনার শিকার হওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে চাকরিতে ফেরার সুযোগ পান।

পুনরায় চাকরিতে ফেরার পর প্রথমে এসপি পদমর্যাদায় দায়িত্ব পান তিনি। এরপর যোগ্যতার ভিত্তিতে সুপার নিউমারারি ডিআইজি এবং গত বছরের ১১ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি (গ্রেড-২) পদে পদোন্নতি লাভ করেন। সর্বশেষ এপিবিএন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আজ সরকার তাঁকে বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে আসীন করল। পুলিশ সংস্কার এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি আজ থেকেই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

/আশিক


১০ মার্চ থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মাসে পাবে যত টাকা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৫:২৬:০৪
১০ মার্চ থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মাসে পাবে যত টাকা
ছবি: সংগৃহীত

সরকার আগামী ১০ মার্চ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৪টি উপজেলায় এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কার্ডধারী পরিবারের গৃহকর্ত্রীদের প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে ১৫ সদস্যের কমিটি অংশ নেয়। সভা শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পটি প্রথমে চার মাসের জন্য পাইলট আকারে পরিচালিত হবে। এই সময়ের অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী পর্যায়ে সারাদেশে কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, উপকারভোগী নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা রাখা হবে না। একটি ওয়ার্ডে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত সকল পরিবারকে কার্ড দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপকারভোগী নির্ধারণের দায়িত্ব থাকবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত স্থানীয় কমিটির ওপর। স্থানীয় প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করবে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা।

অর্থায়ন প্রসঙ্গে সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে থোক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী অর্থবছর থেকে জাতীয় বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য পৃথক বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এদিন একই স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বিষয়েও একটি পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি নবনিযুক্ত ছয়জন সিটি প্রশাসকও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোকে ক্লিন ও গ্রীন সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

নীতিনির্ধারকদের মতে, সরাসরি নগদ সহায়তা কর্মসূচি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো তাৎক্ষণিক আর্থিক স্বস্তি পেতে পারে। তবে সঠিক তথ্যভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন, ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত অডিট নিশ্চিত করা না গেলে কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

সরকারি সূত্রের দাবি, ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগটি সামাজিক সুরক্ষা জাল বিস্তারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা দীর্ঘমেয়াদে দারিদ্র্য বিমোচন এবং নারীর আর্থিক ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

-রফিক


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া নির্দেশ ছয় সিটি প্রশাসকের কাছে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৫:২১:৩৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কড়া নির্দেশ ছয় সিটি প্রশাসকের কাছে
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের নগর ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সেবামুখী করতে মশক নিধন, বনায়ন কর্মসূচি জোরদার এবং পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নবনিযুক্ত ছয়টি সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বৈঠক শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-এর নতুন প্রশাসক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার ফলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত দলীয় প্রভাবাধীন হয়ে পড়েছিল এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া কার্যকর ছিল না।

তিনি বলেন, নাগরিকদের প্রাপ্য সেবা নিশ্চিত করার পরিবর্তে পূর্ববর্তী সময়ে প্রশাসনিক কাঠামো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণে ব্যবহৃত হয়েছে। এর ফলে জনগণের মৌলিক নাগরিক সুবিধা বিঘ্নিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে হারিয়ে যাওয়া নাগরিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং সিটি করপোরেশনগুলোকে প্রকৃত অর্থে সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা।

ডিএসসিসির প্রশাসক আরও জানান, দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি নির্দেশনা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার, নগর পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নাগরিক সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

বৈঠকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা, এবং নাগরিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করে নাগরিক অভিযোগ দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যেসব সমস্যা স্থানীয়ভাবে সমাধান সম্ভব নয়, সেগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে।

নতুন প্রশাসনের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ঘোষিত নির্দেশনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন এবং নাগরিক আস্থা পুনর্গঠন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক শাসন নিশ্চিত করা গেলে রাজধানীসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


অনলাইনে ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেন টিকিট বিক্রি যেদিন থেকে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৪:০৩:২২
অনলাইনে ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেন টিকিট বিক্রি যেদিন থেকে
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন ও পরিকল্পিত করতে অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময়সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৩ মার্চ থেকে অনলাইনে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। শুধুমাত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে স্টেশনকেন্দ্রিক ভিড় কমানো এবং অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৩ মার্চ থেকে। সাধারণত ঈদের আগে ও পরে কয়েকদিন ট্রেনের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। সে বিবেচনায় আগেভাগেই টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা ভ্রমণ পরিকল্পনা নির্ধারণ করতে পারেন।

এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অঞ্চলভিত্তিক দুই ভাগে বিক্রি হবে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর টিকিট সকালবেলায় উন্মুক্ত করা হবে, আর পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুরে। এই বিভাজনের মূল উদ্দেশ্য হলো একযোগে অতিরিক্ত চাপ এড়ানো এবং সার্ভার স্থিতিশীল রাখা। রেলওয়ের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইন সিস্টেমের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং সার্ভার মনিটরিং জোরদার থাকবে।

ঈদযাত্রায় বাড়তি চাপ সামাল দিতে নিয়মিত আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন, অর্থাৎ মোট ২০টি স্পেশাল সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব বিশেষ ট্রেন প্রধানত ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-খুলনা ও অন্যান্য ব্যস্ত রুটে চলাচল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের সুযোগ তৈরি হবে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টিকিট কালোবাজারি ও জালিয়াতি রোধে জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক নিবন্ধন ব্যবস্থা বজায় থাকবে। একজন যাত্রী নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি টিকিট কিনতে পারবেন না। পাশাপাশি টিকিট কেনার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা বাতিল বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিবছর ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রাজধানী থেকে বিভিন্ন জেলায় লাখো মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কপথের পাশাপাশি রেলপথকে তুলনামূলক নিরাপদ ও আরামদায়ক বিবেচনা করায় ট্রেনের চাহিদা বেশি থাকে। তাই আগাম টিকিট বিক্রি, বিশেষ ট্রেন সংযোজন এবং অনলাইন ব্যবস্থাপনা জোরদার এই তিনটি পদক্ষেপ যাত্রীসেবায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে কেবল টিকিট বিক্রিই যথেষ্ট নয় স্টেশন ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, সময়ানুবর্তিতা এবং অতিরিক্ত কোচ সংযোজনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

-রফিক


ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে স্বস্তির খবর দিলেন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১১:৪২:২৬
ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে স্বস্তির খবর দিলেন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ঝিমিয়ে পড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সচল করতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে রাজনৈতিক প্রশাসকদের মাধ্যমেই জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে চায় বর্তমান প্রশাসন।

মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, যেসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ আগে শেষ হবে, সেখানে নির্বাচনও আগে হবে। সেই হিসেবে রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সবার আগে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ভোট গ্রহণ করা হবে। মন্ত্রী মনে করেন, আমলাদের চেয়ে রাজনৈতিক প্রশাসকরা জনগণের পালস বেশি বোঝেন এবং তারাই মাঠ পর্যায়ে ভালো কাজ করতে সক্ষম।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি আগের মতো দলীয় প্রতীকে হবে না কি নির্দলীয় হবে—এই দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটতে যাচ্ছে আগামী ১২ মার্চ। মন্ত্রী জানিয়েছেন, সেদিনই বসতে যাচ্ছে বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশনে আলোচনার মাধ্যমেই দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। নতুন সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে দেশবাসী।

সূত্র : নিউজ টোয়েন্টিফোর


৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১১:১১:৫০
৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
ছবি : সংগৃহীত

৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক দুপুরে বঙ্গভবনের অন্দরে আসলে কী ঘটেছিল? শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের নাটকীয় সেই মুহূর্তগুলোর বর্ণনা দিলেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি যদি চায় তবেই তিনি পদে থাকবেন, অন্যথায় তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের মানসিক চাপ ও অপমানে ক্ষুব্ধ হয়ে একসময় দেশ ছাড়ার কথা ভাবলেও, এখন তিনি দেশের স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিচ্ছেন।

রাষ্ট্রপতি জানান, ওই দিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেউ জানতেন না কী হতে যাচ্ছে। ১২টার দিকে তাঁকে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসছেন, এমনকি হেলিকপ্টারও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ঠিক ১২টা ৩০ মিনিটে খবর আসে তিনি আসছেন না। এর মাত্র ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে পুরো দৃশ্যপট বদলে যায় এবং জানা যায় শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিকেল ৩টার দিকে ফোন করে রাষ্ট্রপতিকে পরিস্থিতি অবহিত করেন এবং টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন।

বিকেলে তিন বাহিনীর প্রধানরা বঙ্গভবনে এসে রাষ্ট্রপতির সাথে দীর্ঘ দুই-তিন ঘণ্টা আলোচনা করেন। এরপর রাজনৈতিক দল ও ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের নিয়ে শুরু হয় দ্বিতীয় দফা বৈঠক। রাষ্ট্রপতি জানান, বৈঠকে তিনটি প্রস্তাব এসেছিল—তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 'ওয়ান-ইলেভেন' বা দীর্ঘমেয়াদী সরকারের বিতর্ক এড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের সম্মতিতে 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকার' গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এরপরই রাত ১১টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি উল্লেখ করেন, সেই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে সবাই 'কিংকর্তব্যবিমূঢ়' থাকলেও দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাটাই ছিল তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

/আশিক


বিডিআর বিদ্রোহের জট খুলছে: পুনঃতদন্তে নতুন কমিশন গঠনের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১০:২৫:১৭
বিডিআর বিদ্রোহের জট খুলছে: পুনঃতদন্তে নতুন কমিশন গঠনের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের ট্র্যাজেডি নিয়ে নতুন করে তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে তিনি এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পুনঃতদন্ত করা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। আমরা একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব।”

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বাহিনীতে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০০ কনস্টেবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ২০০৬ সালে নিয়োগবঞ্চিত সাব-ইন্সপেক্টরদের (এসআই) বিষয়টি তদন্তাধীন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া পুলিশের মনোবল বাড়াতে সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, এখন থেকে ওসি বা এসপি পদায়নে কোনো লটারি পদ্ধতি থাকবে না; বরং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হবে। পাশাপাশি এসপিদের অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রটোকল না দেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।

৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তি বা ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মব কালচার বরদাস্ত করা হবে না। মহাসড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের দিন শেষ।” এছাড়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল এবং জুলাই বিপ্লবের সময় লুট হওয়া ১০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি।

পাসপোর্ট অফিসের দালালি ও হয়রানি বন্ধে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে মন্ত্রণালয়। ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের ন্যায় পাসপোর্ট সেবাপ্রদানকারীদের তালিকাভুক্ত করা হবে, যাতে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যায়। সভায় আইজিপি বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাদ আলী এবং র্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: