জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে সংকট

‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ চূড়ান্ত করার শেষ পর্যায়ে রয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ৭ দফার ভিত্তিতে তৈরি চূড়ান্ত খসড়াটি গত বৃহস্পতিবার রাতেই রাজনৈতিক দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। এই সনদে স্বাক্ষর করার জন্য প্রতিটি দলকে দুজন করে নেতার নাম আজ শনিবারের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে। তবে সনদ ঘোষণা করার চেয়ে এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়েই সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সংবিধান সম্পর্কিত বিষয়গুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ ও জটিলতা রয়ে গেছে।
ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, সনদের চূড়ান্ত খসড়ায় সব মতের প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে মতভিন্নতা রয়ে গেছে। এই সংকট নিরসনে কমিশন আগামী রোববার দলগুলোর সঙ্গে আবারও আলোচনা করবে।
ভিন্নমত ও বাস্তবায়নের বিকল্প পদ্ধতি
সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক মতভিন্নতা রয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তিন ধরনের পদ্ধতির কথা বলছে।
বিএনপি: সংবিধান সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো আগামী জাতীয় সংসদ গঠনের দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের পক্ষে বিএনপি। তাদের মতে, সাংবিধানিক আদেশ জারি বা গণভোটের মতো প্রস্তাবগুলো অগ্রহণযোগ্য। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এখন সনদ কার্যকর হলে দেশে দুটি সংবিধান চলমান থাকবে, যা আইনগতভাবে টেকসই নয়।”
জামায়াত ও এনসিপি: জামায়াত ইসলামী ও এনসিপিসহ কিছু দল চায় আগামী নির্বাচনের আগেই রাষ্ট্রপতির বিশেষ আদেশ বা গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন হোক। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “সংস্কার আগামী সংসদের হাতে ছেড়ে দিলে গণঅভ্যুত্থানের প্রতি অবিচার করা হবে।” এনসিপি গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে সনদের বাস্তবায়ন চায়।
অন্যান্য দল: বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, সংস্কার প্রস্তাবগুলো টেকসই ও আইনসম্মতভাবে বাস্তবায়ন হওয়া উচিত, যা সংসদ বা অধ্যাদেশ দ্বারা করা যেতে পারে। অন্যদিকে, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া গণভোট বা গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে এই সনদের বাস্তবায়ন চান।
জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়া
সনদের চূড়ান্ত খসড়ার পটভূমি এবং অঙ্গীকারনামায় বেশকিছু নতুন বিষয় যুক্ত হয়েছে। এতে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তর সালের নির্বাচনসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের উল্লেখ রয়েছে। তবে সনদ বাস্তবায়নের আইনি বাধ্যবাধকতার সুপারিশ চূড়ান্ত খসড়ায় নেই।
ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করে সরকারকে সুপারিশ করা হবে। সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে, কোন পদ্ধতিতে সনদ বাস্তবায়ন হবে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাবুল হক বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী রাজনৈতিক মাইলফলক, যদি এটিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সুবিধাবাদী সমঝোতার বাইরে নিয়ে গিয়ে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ করা যায়।
মক্কা-মদিনায় হামলার চেষ্টা হলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়বে মুসলমানরা: ধর্মমন্ত্রী
পবিত্র মক্কা মুকাররমা ও মদিনা মুনাওয়ারার নিরাপত্তার প্রতি কোনো ধরনের হুমকি বা হামলার অপচেষ্টা চালানো হলে বিশ্বের মুসলমানেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মক্কা ও মদিনা বিশ্ব মুসলিমের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ইবাদতের স্থান এবং গোটা মুসলিম উম্মাহর আবেগ, বিশ্বাস ও ভালোবাসার মূল কেন্দ্র। ফলে এই দুই পবিত্র নগরীতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন, হামলা কিংবা নিরাপত্তার প্রতি হুমকি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। হারামাইনের (মক্কা ও মদিনা) দুই প্রধান ইমামের বক্তব্যের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে তিনি বলেন, পবিত্র এই ভূমির মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা বিশ্বের প্রতিটি মুসলিমের সম্মিলিত দায়িত্ব; প্রয়োজনে লাখো মুসলমান জীবন দিয়ে হলেও পবিত্র ভূমির সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।
ধর্মমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ সম্পূর্ণ আপসহীন। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষাপটে পবিত্র দুই নগরীর বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও হামলার অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে তিনি সব ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বের মুসলিম দেশ ও জনগোষ্ঠীকে এক কাতারে শামিল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি পবিত্র দুই নগরীর স্থায়ী নিরাপত্তা এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সংহতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করেন।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু, সরকারি দপ্তরগুলোতে আসছে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের বিপ্লব
আগামী ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজ বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশের সব প্রস্তুত ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দিয়ে শুরু করে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সৌরবিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে দেশের প্রস্তুত থাকা ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিষদ কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
সরকারের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে তিনি আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষদ সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ 'নেট মিটারিং' ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার সুযোগও বিস্তৃত করা হবে।
/আশিক
নারী শিক্ষা নিয়ে তারেক রহমানের নতুন প্রস্তাবের কথা জানালেন রিজভী
বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী শিক্ষার প্রসারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, নারীদের যথাযথ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারলে তার সুফল শুধু একটি পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং গোটা সমাজ ও রাষ্ট্র উপকৃত হয়। নারী শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার পরিধি স্নাতক (অনার্স) শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ও প্রস্তাব দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বক্তব্যে দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে রুহুল কবীর রিজভী অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরে শিক্ষাঙ্গনে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে শিক্ষার্থীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে জাতীয় পর্যায়ে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে পাস করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা শিক্ষার সার্বিক মানকে ধ্বংস করেছে বলে তিনি দাবি করেন। বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক অবকাঠামো, ডিজিটাল সরঞ্জাম এবং জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে সরকারের মেগা ঋণ কর্মসূচি, মিলবে সাশ্রয়ী সুদে
বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি বড় অর্থায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে এ অর্থ ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামষ্টিক অর্থনীতি অনুবিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়েছে, সুবিধাভোগী পর্যায়ে সব ধরনের ফি ও চার্জসহ ঋণের কার্যকর বার্ষিক সুদের হার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের দিক থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বার্ষিক ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ১০ বছর মেয়াদে এই ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে গ্রেস পিরিয়ড থাকবে এক বছর।
অর্থায়নের কাঠামো অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল পুনর্বিন্যাস করে ১ হাজার কোটি টাকা এবং পরিচালন ঋণ থেকে বাকি ৫০০ কোটি টাকা সংস্থান করা হবে। এই অর্থায়ন সমানভাবে পাবে তিনটি নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান—ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল), বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৫০০ কোটি টাকা করে পাবে এবং তারা সরাসরি কিংবা সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তবে গ্রাহকের ঋণখেলাপির সমুদয় ঝুঁকি সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে।
অনুমোদিত এই ঋণের অর্থ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, নেট মিটারিং সংযোগ, সোলার হোম সিস্টেম, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, সৌরচালিত সেচপাম্প, ইনভার্টার, আধুনিক মিটার ও ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থা স্থাপন বা আধুনিকায়নে ব্যবহার করা যাবে। তবে জমি বা শেয়ার কেনা, পুরোনো ঋণ পরিশোধ, পুনঃঅর্থায়ন, ব্যক্তিগত ভোগ কিংবা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক খরচে এই তহবিল ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
/আশিক
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও কাদের সিদ্দিকীর গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ, যা আলোচনা হলো
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান কাদের সিদ্দিকী।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিনন্দনের জন্য কাদের সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ জানান এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং সমসাময়িক দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন।
/আশিক
৬ জুনের মধ্যে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার ভোট সম্পন্ন করার লক্ষ্য ইসির
আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে দেশের সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে ২৬টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও বিভিন্ন সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক সমন্বয় সভা শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচন কমিশনার জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলেই পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আগামী নভেম্বর মাস থেকেই নির্বাচন শুরু হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সমন্বয় সভা থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পরবর্তী কমিশন সভায় মূল্যায়নের পর চূড়ান্ত দিনক্ষণ প্রকাশ করা হবে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশব্যাপী বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা রয়েছে।
পরবর্তীতে জানুয়ারিতে কিছুটা ফাঁকা সময় মিললেও এর পরপরই পবিত্র মাহে রমজান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মতো বড় পাবলিক পরীক্ষাগুলো শুরু হবে। ফলে এই আঁটসাঁট সময়সূচির মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে কমিশন কৌশলগত কাজ করছে।
এদিনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, অর্থ, আইন, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বাংলাদেশ ব্যাংক, সিআইবি, বিএফআইইউ, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর (ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে চলতি মাসে তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
/আশিক
আগামী মাসে রূপপুর থেকে গ্রিডে আসবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: রুশ রাষ্ট্রদূত
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আগামী মাসের মধ্যে প্রথম ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে পুরোদমে কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রদূত জানান, প্রকল্পের যাবতীয় কারিগরি বিষয় দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে বর্তমানে প্রায় চার হাজার রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত করতে মস্কো চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে যৌথ ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এর পাশাপাশি মস্কোতে একটি ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগামী নভেম্বরের শুরুতে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃসরকার কমিশনের বৈঠকে আসতে পারে বলে জানান রাষ্ট্রদূত। এই ফোরামে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য সরাসরি বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) বৈঠকসহ বিশেষ নেটওয়ার্কিং সেশনের ব্যবস্থা থাকবে।
বৈঠকে এফবিসিসিআই প্রশাসক তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, সিরামিক এবং দক্ষ মানবসম্পদ রাশিয়ায় রপ্তানির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে জেনেরিক ওষুধ আমদানির প্রক্রিয়াগত ও আইনি দিকগুলো দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করছে এবং রাশিয়ার আবহাওয়োপযোগী ভারী জুতো ও চামড়াজাত পণ্যেরও বিপুল চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া কৃষি, মৎস্য, জাহাজ নির্মাণ ও সেবা খাতে সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে রাশিয়ার ভিসা প্রদান করা হয়েছে। উভয় পক্ষই সরকারি ও বেসরকারি সমন্বয়ে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
২০৩১ সালের মধ্যে চালু হচ্ছে নতুন ইলেকট্রিক ট্রেন, মেগা বরাদ্দ একনেকে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে একটি আধুনিক ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর মেগা প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি সরকারের ভবিষ্যৎ যোগাযোগ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ঢাকা, এর আশপাশের অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আরও মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে, যা সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩১ সালের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। ডলারের অবমূল্যায়নের ফলে বিভিন্ন প্রকল্পের মোট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করেন যে, দ্রুত এসব প্রকল্পের কাজ শেষ না করা গেলে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের পরই জাইকা তাদের ঋণের সুদের হার পরিবর্তন করতে পারে।
একনেক সভায় ইলেকট্রিক ট্রেনের পাশাপাশি একই সঙ্গে তিনটি বৃহৎ মেট্রোরেল প্রকল্পের সংশোধন ও নতুন অনুমোদন দেওয়া হয়, যা বাস্তবায়নে সব মিলিয়ে ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। প্রকল্পগুলো হলো—এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুট। এর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে চলমান এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) অংশের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এর পাশাপাশি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটিও একনেকের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন লাভ করেছে।
/আশিক
রাজধানীতে আধুনিক যোগাযোগের মহাবিপ্লব, একনেক সভায় বিপুল অর্থ বরাদ্দ
রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প এবং বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটের ইলেকট্রিক ট্রেনসহ মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। অনুমোদিত এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভায় এই বৃহৎ অর্থায়ন ও প্রকল্পগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার খোলস বদলে দেওয়ার মতো তিনটি পৃথক মেট্রোরেল প্রকল্প। এগুলো হলো—এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুট। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, দীর্ঘমেয়াদে এই তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়নে সব মিলিয়ে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।
এর আওতায় জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর অর্থায়নে চলমান এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের আওতাধীন বিমানবন্দর-কমলাপুর অংশ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুটের হেমায়েতপুর-ভাটারা অংশের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব আনুষ্ঠানিক অনুমোদন লাভ করেছে। পাশাপাশি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটিরও পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার চারপাশের শহরতলিকে আধুনিক গণপরিবহন নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে দ্রুতগতির ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উচ্চাভিলাষী প্রকল্পটি একনেক বৈঠকে ছাড়পত্র পেয়েছে। ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩১ সালের মধ্যে উক্ত রুটে সর্বসাধারণের জন্য নিয়মিত ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- ইরান যুদ্ধে বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা, তথ্য ফাঁসে ট্রাম্পের তীব্র ক্ষোভ
- ৯ দফা না মানলে ১ দফার ডাক দিতে বাধ্য হব: ডা. শফিকুর রহমান
- কিশোর অপ্রতিমের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক ও ক্ষোভে স্তব্ধ শোবিজ অঙ্গন
- তিব্বত-নেপালে বরফ ধস ও পাহাড়ি ঢল: চরম ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ আট দেশ
- রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের ওপর শতভাগ শুল্কের খাঁড়া? স্বাক্ষরিত হলো ট্রাম্পের নতুন বিল
- কালিগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক সভা
- মিরপুরে আবারও বাসে আগুন আতঙ্ক, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় ঘটনা
- প্রকাশিত হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফল, যেভাবে জানবেন মনোনীত কলেজ
- শেখ হাসিনার পথে গেলে মোদির সঙ্গে দেখা হবে: তারেক রহমানকে এনসিপির হুঁশিয়ারি
- চব্বিশ ঘণ্টার রুটিনেই মিলবে অশেষ সওয়াব, জেনে নিন ৫টি ছোট দোয়া
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গত ৬ মাসের ‘সাফল্য’ তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্যঙ্গাত্মক স্ট্যাটাস
- মক্কা-মদিনায় হামলার চেষ্টা হলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়বে মুসলমানরা: ধর্মমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু, সরকারি দপ্তরগুলোতে আসছে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের বিপ্লব
- অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় সুখবর: ৫ ধাপে বাড়ল সরকারি পেনশন, কার কত বৃদ্ধি?
- ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেগা পদক্ষেপ, নতুন আইনে সই ট্রাম্পের
- নারী শিক্ষা নিয়ে তারেক রহমানের নতুন প্রস্তাবের কথা জানালেন রিজভী
- শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ল এআই-এর জাল গোয়েন্দা রিপোর্ট, রক্ষা পেল চীন-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
- দিল্লিতে সরাসরি বৈঠকের তথ্য ফাঁস! নেতাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন শেখ হাসিনা
- পরমাণু শক্তির নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ভিয়েনায় তুলে ধরলেন মন্ত্রী
- ব্যাট হাতে রূপকথার ঝড়, রেকর্ড বই তছনছ করে এলিট ক্লাবে তরুণ ভারতীয় তারকা
- শনিবার রাজপথে নামছে ১১ দলীয় ঐক্য, চূড়ান্ত হলো লংমার্চের দিনক্ষণ ও পথনকশা
- গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
- এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাল্টে গেল চিত্র, ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে দুই তারকার সরাসরি লড়াই
- টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানী ও আশপাশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়
- সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে সরকারের মেগা ঋণ কর্মসূচি, মিলবে সাশ্রয়ী সুদে
- গাম্বিয়ার ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ব্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের ভুষি: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা
- মক্কা চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের বড় ঘোষণা, সতর্কবার্তা তেহরানের উদ্দেশে
- বাড়বে না হজের নিবন্ধনের সময়, চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
- মক্কার ড্রোন হামলার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া, যা জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
- বিদেশের আরাম নয়, দেশে ১০ বছর জেল খাটাই বেছে নেব: আসিফ মাহমুদ
- ‘শুধু পুরুষেরই কি তওবার অধিকার?’ এক সংলাপেই তোলপাড় পাকিস্তানি নাটক
- বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও কাদের সিদ্দিকীর গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ, যা আলোচনা হলো
- নিম্নমুখী প্রবণতার পরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, বাড়ল রুপার দামও
- ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত, ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
- ওয়াদা অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির
- ৬ জুনের মধ্যে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার ভোট সম্পন্ন করার লক্ষ্য ইসির
- আগামী মাসে রূপপুর থেকে গ্রিডে আসবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: রুশ রাষ্ট্রদূত
- সেপ্টেম্বরের শেষভাগে রাতের আকাশে চোখ জুড়ানো মহাজাগতিক দৃশ্য
- শেষ হতে চলেছে স্মার্টফোনের যুগ? রহস্যময় ডিভাইস নিয়ে আসছে ওপেনএআই
- তাপপ্রবাহের মাঝে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা
- এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন
- একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
- সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ ও আকাশপথে বাঘ দর্শনের মেগা পরিকল্পনা
- মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় মোড়, হুতি ঠেকাতে এক টেবিলে সৌদি ও ইসরায়েল?
- ২০৩১ সালের মধ্যে চালু হচ্ছে নতুন ইলেকট্রিক ট্রেন, মেগা বরাদ্দ একনেকে
- বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের গর্জন, আইসিসির নতুন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চমক
- ১ মিনিটের বিজ্ঞাপনে তোলপাড় নেটদুনিয়া, তীব্র সমালোচনার মুখে তারকা অভিনেত্রী
- নিম্নমুখী ধারার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, কোন পথে হাঁটছে বাজার?
- ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করল এনসিপি
- দেড় বছরেই অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার: দুর্নীতির পোস্টার বয় আসিফ মাহমুদ
- ‘শত্রুদের কোনো হুমকিকেই গুরুত্ব দেয় না ইরান’: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইবনুর রেজা
- যোগ্যতা ছিল না, দুর্নীতির গন্ধ রয়েছে: পুতুলের নিয়োগ নিয়ে তোপ উপদেষ্টার
- ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কর মামলায় চেম্বার আদালতের নতুন আদেশ
- সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনে বড় আঘাত, জ্বালানি বিশ্বে অশনিসংকেত
- ঢাকার যানজট ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর পদক্ষেপ
- গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই প্রধান কাজ: রাষ্ট্রপতি
- শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বড় ঘোষণা
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যেই পবিত্র মক্কায় বিরল সতর্কতা জারি
- আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের নতুন অভিযোগ দুদকে
- ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
- গ্যাস সংকট কাটাতে নতুন ক্ষেত্রে শেভরনকে বড় বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ১৪ দিন গ্রিন টি পানে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে: বিশেষজ্ঞের তথ্য
- কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শুরুর দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের স্মারকলিপি








