শেখ হাসিনার মামলার বিচার শেষ পর্যায়, রায় শীঘ্রইে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার বিচার এখন শেষ পর্যায়ে। মাত্র ৯ দিনে ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্যে ৬ জন শহীদ আন্দোলনকারীর বাবা-মা ও ভাইসহ আহত আন্দোলনকারী এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়েছেন। সাক্ষীরা সবাই এক কণ্ঠে বলেছেন—হাজারো মানুষ হত্যার জন্য শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের ফাঁসি হওয়া উচিত।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, মামলায় আরও অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন সাক্ষী আদালতে হাজির হবেন। অবশিষ্ট সাক্ষ্যগ্রহণে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে। এরপর উভয় পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে। প্রসিকিউশনের মতে, সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার কথা। এরপর ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য দিন ঘোষণা করবে।
এই মামলায় মোট সাক্ষী রয়েছেন ৮১ জন, যাদের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা ও একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকও আছেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। ট্রাইব্যুনালের জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ অক্টোবরের মধ্যেই সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হবে এবং এরপর আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণা করবে।
তিনি আরও জানান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ইতোমধ্যেই দোষ স্বীকার করেছেন এবং রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হিসেবে সাক্ষ্য দেবেন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আইনজীবীরা চূড়ান্ত যুক্তি উপস্থাপন করবেন।
গত ১০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট ৫টি অভিযোগে বিচার শুরু করার আদেশ দেয়। অভিযোগগুলো হলো: ১,৪০০ আন্দোলনকারীকে হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনা, ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ এবং ‘জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ’।
এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। চৌধুরী আল-মামুন মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।
চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ করছে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এছাড়া, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরও দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর একটি হলো আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম-খুনের ঘটনা, অন্যটি রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রথম প্রসিকিউটরের বিদায়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আইনজীবী সাইমুম রেজা তালুকদার। আজ সোমবার (৯ মার্চ) তিনি চিফ প্রসিকিউটর বরাবর নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জমা দেন। চিফ প্রসিকিউটর তাঁর এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।
ব্যক্তিগত কারণ এবং নিজের আগের পেশায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে সাইমুম রেজা তালুকদার বলেন, মূলত শিক্ষকতা বা পূর্বের পেশাগত জীবনে ফেরার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ নেই। গত রবিবার ছিল ট্রাইব্যুনালে তাঁর শেষ কর্মদিবস। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার পতনের পর ৮ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগের আগে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাইমুম রেজা তালুকদার রামপুরা, লক্ষ্মীপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদায় এই পদে নিয়োগ দিয়েছিল, যার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি গত কয়েক মাস আইনি কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এদিকে সাইমুম রেজা তালুকদারের বিদায়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমে নতুন করে আরও দুইজন প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন মর্জিনা রায়হান মদিনা ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
/আশিক
মির্জা আব্বাসকে ‘গডফাদার’ বলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে এই আবেদন জমা দেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই বিবাদী একের পর এক মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে আসছেন।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এবং সেই নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত হন। অভিযোগ রয়েছে যে, নির্বাচনের সময় থেকেই তিনি মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অবমাননাকর ও মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন।
তবে নির্বাচনে পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে তাঁর এই অপপ্রচার ও হুমকির মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ ফেসবুকে এবং বেশ কিছু অনলাইন নিউজ মিডিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয় যেখানে তিনি মির্জা আব্বাসকে 'বাংলাদেশের ক্রিমিনাল র্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
আবেদনে বাদী দাবি করেছেন যে, মির্জা আব্বাসের মতো একজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও নিন্দনীয় বক্তব্য তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। এই বক্তব্যগুলো ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হওয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে মির্জা আব্বাসের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযুক্তের এমন আচরণ সব ধরনের শিষ্টাচার ও সভ্য সমাজের রীতিনীতি বহির্ভূত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। মির্জা আব্বাস ও মামলার বাদী নিজে এই ঘটনায় বিস্মিত ও সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন যাতে ইচ্ছাকৃতভাবে মানহানি করার এই কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।
/আশিক
দীর্ঘ ৩ মাস পর কারামুক্তির পথে সাংবাদিক আনিস আলমগীর
সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন, আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির করেন আইনজীবী আসলাম মিয়া। পরে তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়। ওইদিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়।আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
/আশিক
টিউলিপকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আদেশ
ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি এবং ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই নজিরবিহীন আদেশ প্রদান করেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর শুনানিতে জানান যে, টিউলিপ সিদ্দিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই আবাসন কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের কাছ থেকে অবৈধ পারিতোষিক হিসেবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণ করেছেন। হস্তান্তরযোগ্য নয় এমন একটি প্লটে ওই কোম্পানিকে বহুতল ভবন নির্মাণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি এই ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয় যে, টিউলিপ সিদ্দিক এই মামলার আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগেই দেশত্যাগ করেছেন এবং বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ সিদ্দিকসহ রাজউকের সাবেক দুই আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুলশানের একটি সংরক্ষিত প্লট জালিয়াতি ও ফ্ল্যাট ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে দুদক। ১৯৬৩ সালের সরকারি লিজ চুক্তি অনুযায়ী যে প্লটটি ৯৯ বছরের মধ্যে হস্তান্তর বা বিক্রি নিষিদ্ধ ছিল, সেই প্লটেই অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে এই ব্রিটিশ এমপির বিরুদ্ধে এবার আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পথে হাঁটল আদালত।
/আশিক
১৭ বছর পর নতুন মোড়: বিডিআর মামলায় এবার আসামি শেখ হাসিনা
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক মামলায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। এবার এই মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মির্জা আজমসহ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) বোরহান উদ্দিন গণমাধ্যমকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্পেশাল পিপি বোরহান উদ্দিন জানান, বিস্ফোরক মামলার দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ১ হাজার ২০০ সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক সাক্ষীর জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তৎকালীন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল। তিনি আরও জানান, সাক্ষীদের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
২০০৯ সালের সেই অভিশপ্ত দিনে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলাটি এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায় ৮৫০ জন আসামির এই মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে আছে। উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই মামলার কয়েকশ আসামি ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন। ১৭ বছর পর নতুন করে শীর্ষ নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
/আশিক
২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট কয়েকটি সড়ক ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপত্তা বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে।
শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রোড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। অন্য কোনো পথ দিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর বা চাঁনখানপুল হয়ে বের হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জনসমাগম সুশৃঙ্খল থাকে।
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা সন্দেহজনক বস্তু বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বিদেশি কূটনীতিকদের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সর্বসাধারণের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, দিবসটি ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নজরদারিতে থাকবেন। বিশেষায়িত ইউনিট যেমন সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মোবাইল নজরদারি টিমের মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, যাতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন থাকে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
প্রশাসন সকলকে নির্দেশনা মেনে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
-রফিক
আদালতে দেখা হবে! গণভোটের আইনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে শিশির মনিরের হুঙ্কার
অ্যাডভোকেট শিশির মনির 'জুলাই জাতীয় সনদ' ও গণভোট সংক্রান্ত সম্ভাব্য আইনি চ্যালেঞ্জগুলো আদালতে মোকাবিলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই জাতীয় সনদ কিংবা গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যদি কোনো পক্ষ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে তিনি তাঁর আইনজীবী বন্ধুদের সাথে নিয়ে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সাথে তা আইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিহত করবেন।
ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট শিশির মনির সংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করে লিখেছেন, এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি ও তাঁর সহযোগীরা যেকোনো আইনি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন। রাজনৈতিক ও আইনি মহলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এই 'জুলাই জাতীয় সনদ' নিয়ে যখন নানা আলোচনা ও বিতর্ক চলছে, তখন এই আইনজীবীর এমন প্রকাশ্য ঘোষণা বিষয়টিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। তাঁর এই বার্তা মূলত গণভোট ও সনদের পক্ষশক্তিকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
/আশিক
টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে বেঁচে ছিল শিশুটি
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সদ্য সাবেক এমডি সাফিকুর রহমানের বাসায় ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীর ওপর চালানো নির্যাতনের রোমহর্ষক ও লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে আদালতের শুনানিতে। পিঠে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা থেকে শুরু করে চোখে মরিচের গুঁড়া দেওয়া—এমন সব অমানবিক আচরণের তথ্য শুনে খোদ বিচারকও স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামিদের রিমান্ড শুনানির সময় এসব তথ্য তুলে ধরেন।
রিমান্ড শুনানির একপর্যায়ে বিচারক ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দির অংশবিশেষ পড়ে শোনান। সেখানে উঠে আসে যে, শিশুটিকে খাবার না দিয়ে বাথরুমে আটকে রাখা হতো। খিদের জ্বালায় সে টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে দিন পার করেছে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও তাকে কোনো গরম কাপড় দেওয়া হয়নি এবং দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকতে বাধ্য করায় তার পায়ে পচন ধরেছে। শিশুটির শরীরে মুখ থেকে গলা পর্যন্ত লম্বা পোড়া দাগ, কপালে লাঠির আঘাত এবং উরুতে গরম খুন্তির ছ্যাঁকার অসংখ্য চিহ্ন পাওয়া গেছে। এমনকি তার মাথার চুল ধরে টানার কারণে শিশুটি প্রচণ্ড মাথাব্যথায় ভুগছে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত বিমান বাংলাদেশের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও গৃহকর্মী রূপালী খাতুনকে ৫ দিনের রিমান্ড এবং সাফিকুরের স্ত্রী বীথিকে ৭ দিন ও অপর গৃহকর্মী সুফিয়া বেগমের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিতে অংশ নেওয়া আইনজীবীরা বলেন, সরকারি উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তার বাসায় এমন পাশবিক নির্যাতন দেশ ও জাতির জন্য চরম লজ্জাজনক।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে দাবি করেন যে, সাফিকুর রহমান অফিসে ব্যস্ত থাকতেন এবং এসব বিষয়ে অবগত ছিলেন না। তবে শিশুটির বাবা, যিনি একজন হোটেল কর্মচারী, গত ১ ফেব্রুয়ারি চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গত ২ ফেব্রুয়ারি তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
ভোটের দুই দিন আগে সুসংবাদ: বিএনপির ৩ প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে জটিলতা শেষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন বিএনপির তিন হেভিওয়েট প্রার্থী। ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে ঢাকা-১১, কুমিল্লা-৩ এবং বগুড়া-১ আসনের এই তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে করা লিভ টু আপিলের শুনানি আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে তাঁদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চে এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত শুনানির জন্য আজকের দিনটি ধার্য করেছিলেন।
ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে গত ২ ফেব্রুয়ারি রিট করেছিলেন এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। আবেদনে দাবি করা হয়েছিল, কাইয়ুম ভানুয়াতো নামক দেশের নাগরিক। হাইকোর্ট গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই রিট সরাসরি খারিজ করে দিলে নাহিদ ইসলাম লিভ টু আপিল করেন। তবে আপিল বিভাগ আজ আদেশ দিয়েছেন যে, এই আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে লড়তে কাইয়ুমের কোনো বাধা নেই।
কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল উচ্চ আদালতে রিট ও পরবর্তীতে লিভ টু আপিল করেছিলেন। আদালত আজ ইউসুফ সোহেলের সেই আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছিলেন জামায়াত প্রার্থী সাহাবুদ্দিন। আদালত আজ এই মামলার শুনানিও নির্বাচনের পরে অনুষ্ঠিত হবে বলে আদেশ দেন। ফলে রফিকুল ইসলামের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ সুগম হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে উচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোর বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পাঠকের মতামত:
- আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
- কেমন পশু কিনলে কুরবানি শুদ্ধ হবে না? শরিয়তের কড়া নির্দেশনা দেখে নিন
- রাতেই ধেয়ে আসছে ৬০ কিমি বেগে ঝড়: ১১ অঞ্চলে আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
- ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান
- বাড়ি ফিরতে দুশ্চিন্তা শেষ! দেখে নিন আপনার রুটের ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী
- পুলিশে বড় রদবদল: চট্টগ্রামের নতুন এসপি আলোচিত মাসুদ আলম
- টাকা নষ্টের মেগা প্রকল্প আর নয়: সেতুমন্ত্রী
- অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মুরাদনগরে পুলিশের অ্যাকশন: ২ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে ধরা দুই ভাই!
- কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ৩৪ বছরের মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
- সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন হলে আর ছাড় নয়! ভারতকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
- লুটপাট বন্ধে ডিসিদের হাতে বিশেষ ক্ষমতা? নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল
- হারিনি, ভোট লুট হয়েছে: পদত্যাগ করবেন না বলে সাফ জানালেন মমতা
- যুদ্ধের উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: আমিরাত সংকটে ইরানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- ৫ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৫ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- লোডশেডিংমুক্ত এক সপ্তাহ: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন স্বস্তি
- অনলাইন লেনদেনে সাবধান! কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি নির্দেশনা জারি
- নবম পে-স্কেল নিয়ে পুনর্গঠিত কমিটির নতুন পরিকল্পনা ফাঁস
- কেন দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে আপনার শখের আইফোন? ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না
- সতীর্থকে চড় মারার অভিযোগ: নতুন বিতর্কে নেইমার জুনিয়র
- ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
- মার্কিন হামলায় ইরানের ছয় যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি, উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- যুদ্ধ শেষ নয়, ইরান হামলার ছক এখনো টেবিলে
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?








