পাত্রীর দেওয়া চা খেয়ে অচেতন পাত্র,এরপর যা ঘটল

বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন এক যুবক। ঘটকালির ওয়েবসাইটে পরিচয় হয় এক নারীর সঙ্গে। কথাবার্তা ও ছবি বিনিময়ের পর সিদ্ধান্ত হয়, সামনাসামনি দেখা করে নিজেদের আরও ভালোভাবে জানবেন। সেই অনুযায়ী, ১ জুলাই ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার একটি হোটেলে তাদের দেখা হয়।
প্রথমে সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও, চা খাওয়ার পরই নাটকীয় মোড় নেয় ঘটনা। পাত্রীর দেওয়া চা পান করার পর অচেতন হয়ে পড়েন যুবক। জ্ঞান ফেরার পর দেখেন, তার মানিব্যাগ ও মোবাইল খোয়া গেছে, পাত্রীও উধাও। এরপর তিনি সোজা যান থানায়।
পুলিশ জানায়, প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত নারীর নাম জিয়া সিংহ। অভিযোগকারী যুবক সুদীপ বসু নিউ ব্যারাকপুরের লেনিনগড় এলাকার বাসিন্দা। সুদীপের অভিযোগের ভিত্তিতে এয়ারপোর্ট থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৩, ৩০৩ (২), ৩১৬ (২) ও ৩১৮ (৪) ধারায় মামলা হয়। পরে পুলিশ জিয়াকে গ্রেপ্তার করে।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, জিয়া ওই চুরি করা মোবাইল বিক্রি করে দেন এক বাংলাদেশি যুবকের কাছে। তার নাম হাসান, বাড়ি রাজশাহীতে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয় কলকাতার দমদম এলাকা থেকে। পুলিশের জেরায় হাসান স্বীকার করেন, তিনি জিয়ার কাছ থেকে মোট ১০টি চুরি করা মোবাইল কিনেছিলেন এবং সেগুলো বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করেছেন।
পুলিশ আরও জানায়, ৪০ বছর বয়সী হাসান দীর্ঘদিন ধরে চুরি করা মোবাইল পাচারের সঙ্গে যুক্ত। দমদম স্টেশন থেকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আগে পার্ক স্ট্রিটসহ কলকাতার বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করেছিলেন।
হাসানের কাছে বৈধ কাগজপত্র আছে কি না এবং এই চক্রে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আদালতের কাছে জিয়াকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ।
/আশিক
কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ৩৪ বছরের মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
ভারতের কেরালা রাজ্যের রাজনীতিতে এক অভাবনীয় ইতিহাস গড়েছেন ৩৪ বছর বয়সী তরুণ আইনজীবী ফাতিমা তাহিলিয়া। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত ‘পেরাম্ব্রা’ আসনে জয়ী হয়ে তিনি ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লীগের (আইইউএমএল) প্রথম নারী বিধায়ক হিসেবে রাজ্য আইনসভায় নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। মঙ্গলবারের (৫ মে) এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’ এই ঐতিহাসিক বিজয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কেরালার এই আসনটি দীর্ঘকাল ধরে বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। সেখানে ফাতিমা তাহিলিয়া সিপিআইএম-এর হেভিওয়েট নেতা তথা এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করে রাজনৈতিক মহলে চমক সৃষ্টি করেছেন। নির্বাচনে ফাতিমা মোট ৮১ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন এবং ৫ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছেন। গত ২০২১ সালের নির্বাচনে এই একই আসনে রামকৃষ্ণন যেখানে ২২ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন, সেখানে ফাতিমার এই বিজয় বাম শিবিরের জন্য এক বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফাতিমার এই জয় কেরালা, বিশেষ করে মালাবার অঞ্চলের ভোটারদের মানসিক পরিবর্তনের এক বড় ইঙ্গিত। মূলত ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণী মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) নারী শাখা ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ছাত্রজীবনে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হাতে নারী কর্মীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি দমে যাননি। এই হার না মানা মনোভাবই তাকে আজ ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে সাহায্য করেছে।
আইইউএমএল-এর মতো রক্ষণশীল দলে নারী প্রার্থীদের সুযোগ পাওয়ার ইতিহাস খুব একটা সুখকর ছিল না। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০২১ সালে মাত্র দুইজন নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও তারা জয়ের মুখ দেখেননি। ফলে ফাতিমা তাহিলিয়ার এই বিজয় কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং মুসলিম তরুণীদের রাজনীতিতে আসার ক্ষেত্রে এক নতুন আশার আলো। নির্বাচনী প্রচারণায় তাকে সমর্থন জানাতে রাহুল গান্ধী নিজেই পেরাম্ব্রায় উপস্থিত হয়েছিলেন, যা তার জয়ের পথকে আরও প্রশস্ত করেছিল।
পেশায় কোঝিকোড জেলা আদালতের এই আইনজীবী দীর্ঘকাল ধরে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে এবং মুসলিম নারীদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে সোচ্চার। হিজাবকে নিজের পরিচয়ের অংশ হিসেবে রক্ষা করার পাশাপাশি সামাজিক সংস্কারের পক্ষেও তিনি অত্যন্ত সাহসী অবস্থান নিয়েছেন। ২০২০ সালে কাউন্সিলর হিসেবে যাত্রা শুরু করা ফাতিমা এবার সরাসরি রাজ্য আইনসভায় প্রবেশ করে প্রমাণ করলেন যে, আদর্শ ও সাহসের কাছে অভিজ্ঞতার অভাব বা রাজনৈতিক বাধা কোনোটিই বড় নয়।
/আশিক
হারিনি, ভোট লুট হয়েছে: পদত্যাগ করবেন না বলে সাফ জানালেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে পদত্যাগ না করার বিষয়ে নিজের অনড় অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে এই পরাজয় কোনো স্বাভাবিক জনমতের প্রতিফলন নয়; বরং এর নেপথ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং কেন্দ্রীয় শক্তির পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও কারসাজি সক্রিয় ছিল। মঙ্গলবার (৫ মে) কলকাতার কালীঘাটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দলীয় এই অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী কবে পদত্যাগ করছেন— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি এখনই ইস্তফা দিচ্ছেন না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন যে, কেন তিনি পদত্যাগ করবেন? তাঁর মতে, তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে হারেনি, বরং শক্তির অপব্যবহার করে ভোট লুট করা হয়েছে। ফলে পরাজয় মেনে নিয়ে সরে দাঁড়ানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিদায়ী এই মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, এই লড়াইটি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে ছিল না, বরং লড়াইটি ছিল একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এমন অসম ও বৈরী পরিবেশে ময়দান ছেড়ে চলে যাওয়া মানে অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করা। তাই গণতান্ত্রিক লড়াইকে আরও বেগবান করতে এবং পরাজয়ের পেছনের প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে আনতে তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।
রাজনৈতিক মহলে তাঁর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ এবং ইস্তফা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চললেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণা পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিয়েছে। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশেও রাজপথ এবং আইনি লড়াই জারি রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য সিনিয়র নেতারা।
/আশিক
মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
প্রায় দেড় দশক ধরে চলা তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের ইতি টেনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রাথমিক ফলাফলের ইঙ্গিত বলছে, এক সময় বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই রাজ্যে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই পরাজয়ের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল নির্বাচনী কৌশলে অতিরিক্তভাবে আই-প্যাকের ওপর নির্ভরতা।
অতীতে এই সংস্থার পরিকল্পনা দলকে সুবিধা দিলেও, এবার কার্যকর দিকনির্দেশনার অভাব পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। এছাড়া মুসলিম ভোটব্যাংকে ভাঙনও বড় একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে এই ভোটের বড় অংশ তৃণমূলের দখলে থাকলেও, এবার ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ও অন্যান্য ছোট দলের উত্থানে তা বিভক্ত হয়ে যায়, যার প্রভাব সরাসরি নির্বাচনের ফলে পড়ে। অন্যদিকে হিন্দু ভোটের একটি বড় অংশ বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি গ্রামীণ ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। বিজেপির এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গত কয়েক বছরে দলটি নীরবে নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করেছে এবং এবারের নির্বাচনে বহিরাগত নেতাদের বদলে স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা গেছে।
এছাড়া ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ‘ভুয়া’ ও ‘বহিরাগত’ ভোটার বাদ পড়াও নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নতুন সরকার গঠনের পর সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সমন্বয় এবং সীমান্তসংক্রান্ত নানা ইস্যুতে কী ধরনের অবস্থান নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? ধারণা করা হচ্ছে, যদি শুভেন্দু অধিকারী গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পান, তাহলে তিনি এই দৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারেন। এছাড়া রাজ্য বিজেপির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রায়ই চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নেয়। তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
/আশিক
১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ঐতিহাসিক সাফল্যের মুখে দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফলাফল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। সোমবার (৪ মে) কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই নির্বাচনী ফলকে সরাসরি ‘লুট’ এবং ‘অনৈতিক বিজয়’ বলে আখ্যা দেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় বিজেপি রাজ্যের ১০০টিরও বেশি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেন, গণনায় কারচুপি করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় তৃণমূলের জয় স্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও শংসাপত্র দিতে গড়িমসি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এটি কোনো ‘নৈতিক জয়’ নয়, বরং কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কমিশনের যোগসাজশে ঘটা একটি লুণ্ঠনমূলক কাণ্ড। তবে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস এই বিপর্যয় কাটিয়ে ভবিষ্যতে আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।
অন্যদিকে, এই জয়কে ‘জনগণের শক্তির বিজয়’ হিসেবে দেখছে বিজেপি শিবির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সাফল্যকে ‘সুশাসনের রাজনীতির জয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের এই নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং রাজ্যে প্রথমবারের মতো বিজেপির একক সরকার গঠন নিশ্চিত হয়েছে।
ভোট গণনা চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস বারবার কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দলটির অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট এবং বর্ধমান উত্তরের মতো কেন্দ্রগুলোতে গণনায় ইচ্ছাকৃত বিলম্ব ও শংসাপত্র প্রদানে কারচুপি করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে গণনা থামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ইভিএম মেশিনে অমিল পাওয়া গেছে। তাঁর দাবি, এটি তৃণমূলের পরাজয় নয়, বরং একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি ১৯৮টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮৯টি আসন। এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছরের মমতা যুগের অবসান হতে যাচ্ছে। বিজেপির সদর দপ্তরে এখন উৎসবের আমেজ, অন্যদিকে তৃণমূল শিবির লড়ছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।
গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে উচ্ছ্বসিত ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (৪ মে) আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশাল এই জয়ের পর দলীয় কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, “গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর—সর্বত্র পদ্ম ফুটেছে। বিহার নির্বাচনের দিনই বলেছিলাম, গঙ্গা বিহার হয়ে গঙ্গাসাগরে যায়, আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।”
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের ৯৩ শতাংশ ভোটদানের হারকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি গণতন্ত্র এবং সংবিধানের জয়। এই জয়ের মধ্য দিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হলো এবং সেখানে পরিবর্তনের সূচনা হলো।” নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে।
এদিকে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি ১৯৮টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করায় এখন সবার নজর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮৯টি আসনে থমকে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন একজন ভূমিপুত্র। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে সবচাইতে এগিয়ে আছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তালিকায় আরও রয়েছেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ এবং স্বপন দাশগুপ্তর মতো নেতারা।
বিশ্লেষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মানবিক রাজনীতি’ এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প সত্ত্বেও তৃণমূলের এই ভরাডুবির মূলে রয়েছে মাঠপর্যায়ের পুঞ্জীভূত জনঅসন্তোষ। ২০১১ সাল থেকে ‘বাংলার ঘরের মেয়ে’ হিসেবে মমতার যে আবেগ কাজ করত, এবার তার বিপরীতে বিজেপির সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক গণিত কাজ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো অ-আঞ্চলিক দল হিসেবে বিজেপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, যা ভারতীয় রাজনীতিতে ‘পদ্মফুলের উত্থান’ হিসেবে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
/আশিক
দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের যবনিকা ঘটল। ২০১১ সাল থেকে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর এবার বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বাংলার মেয়ে’ হিসেবে যে আবেগের দেওয়াল মমতা তুলেছিলেন, দুর্নীতির অভিযোগ আর প্রশাসনিক স্থবিরতার ধাক্কায় তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজেপি ১৯৮টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের ‘ম্যাজিক ফিগার’ (১৪৮) অনায়াসেই পার করে গেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস থমকে গেছে মাত্র ৮৯টি আসনে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির মূল শক্তি ছিল সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে সংযোগ। কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী বা রূপশ্রীর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে দেখা গেল, সাধারণ মানুষের সেই ‘মায়া’ আর কাজ করেনি।
মাটির নিচে জমে থাকা পুঞ্জীভূত ক্ষোভ, বেকারত্ব এবং মাঠপর্যায়ে তৃণমূলের দলীয় ক্যাডারদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে মানুষ এবার নিঃশব্দ বিপ্লব ঘটিয়েছে। রাজনীতির সেই নির্মম আয়নায় আজ ধরা পড়ল যে, কেবল জনকল্যাণের ভাষা দিয়ে সবসময় ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখা যায় না, যদি সেখানে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের অভাব থাকে।
পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। একে কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং বাংলার রাজনৈতিক দর্শনের এক আমূল পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বাম আমলের ৩৪ বছর আর মমতার ১৫ বছর—সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধশতাব্দীর আঞ্চলিক ও বামপন্থী ঘরানার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে বাংলা এখন ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের পথে। ক্ষমতার এই রং বদল যতটা নিশ্চিত ছিল, তার চেয়েও বেশি চমকপ্রদ হলো মমতার মতো একজন জননেত্রীর এমন শোচনীয় পরাজয়।
/আশিক
তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
তামিলনাড়ুর রাজনীতির দীর্ঘদিনের মেরুকরণ ভেঙে এবার নতুন এক শক্তির উত্থান ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন থালাপতি বিজয়ের দলের প্রার্থীরা। কাভুন্দামপালায়ম কেন্দ্রের প্রার্থী কানিমোঝি সন্থোষ সোমবার পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই নির্বাচনে বিজয়ের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই প্রধান ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। তাঁর মতে, মানুষ বিজয়কে কেবল একজন নেতা হিসেবে নয়, বরং হৃদয়ের মানুষ হিসেবে গ্রহণ করেছে।
সাক্ষাৎকারে কানিমোঝি বলেন, “আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি মানুষ থালাপতির সঙ্গে মানসিকভাবে কতটা গভীরভাবে যুক্ত। এটি বিজয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে।” তিনি আরও জানান যে, ভোট গণনার শুরু থেকে যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে সন্ধ্যা নাগাদ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের ‘তামিলাগা ভেত্রি কাড়ঘম’ (টিভিকে) এক অভাবনীয় বিজয় উদযাপন করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের এই প্রবল আবেগ এবং কানিমোঝির মতো প্রার্থীরা যেভাবে জয়ের পথ পরিষ্কার হওয়ার দাবি করছেন, তাতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। আজকের দিনের প্রথমার্ধ শেষ হতেই বিজয়ের দলের এই অগ্রগামিতা তামিল রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। সিনেমার পর্দা ছেড়ে রাজনীতিতে নামা জোসেফ বিজয় এখন তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে। সোমবার (৪ মে, ২০২৬) বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, থালাপতি বিজয়ের দল 'তামিলাগা ভেত্রি কাড়ঘম' (টিভিকে) রাজ্যের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-কে পেছনে ফেলে দিয়েছে।
তামিলনাড়ুর ২৩৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। ভারতীয় গণমাধ্যম 'দ্য হিন্দু'-র তথ্য অনুযায়ী, বিজয়ের দল টিভিকে বর্তমানে প্রায় ১০০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এআইএডিএমকে ৭৫টি এবং ক্ষমতাসীন ডিএমকে মাত্র ৫০টি আসনে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, বিজয় ৮৯টি আসনে লিড দিচ্ছেন। যদিও এখনো চূড়ান্ত ফলাফল আসেনি, তবে প্রাথমিক এই জোয়ার বিজয়ের পক্ষেই কথা বলছে।
ক্যারিয়ারের সেরা সময়েই অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন থালাপতি বিজয়। ২০২৪ সালে দল গঠনের মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০২৬ সালের এই নির্বাচনেই তিনি বাজিমাত করতে চলেছেন। তাঁর এই অভাবনীয় উত্থানকে ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ‘বিজয় বিপ্লব’ হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা বিজয়ের ওপর ভরসা রাখাতেই রাজ্যের প্রথাগত দ্রাবিড় রাজনীতির মেরুকরণ বদলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজয় এগিয়ে থাকলেও লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ১১৮টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁকে আরও কিছু আসন নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো সময় এই ফল ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর এই ভরাডুবি তামিল রাজনীতির জন্য এক বিশাল বড় বার্তা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত থালাপতি বিজয় কি তামিলনাড়ুর মসনদে বসে নতুন কোনো চিত্রনাট্য লেখেন কি না।
/আশিক
ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: শুভেন্দুর তান্ডবে কি তবে সিংহাসন হারাবেন মমতা?
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের গণনার শুরুর দিকেই রাজ্যে বিজেপির বড় ধরনের উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৮ হলেও বিজেপি ইতিমধ্যে ১৬৯টি আসনে এগিয়ে থেকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ১১৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বাম-কংগ্রেস জোটও কয়েকটি আসনে এগিয়ে থেকে তাদের খাতা খুলেছে।
সবচাইতে আলোচিত ভবানীপুর আসনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়ছেন তাঁর একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং বর্তমানে বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী। গণনার শুরুর দিকে মমতা এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী ১,৫৫৪ ভোটে এগিয়ে যান। উল্লেখ্য, শুভেন্দু এই নির্বাচনে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম—উভয় আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নন্দীগ্রামেও শুভেন্দু তাঁর লিড ধরে রেখেছেন।
২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মাত্র ১,৯৫৬ ভোটে হেরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী পদ ধরে রাখতে তিনি ভবানীপুর আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন। কিন্তু ২০২৬ সালের এই সাধারণ নির্বাচনে শুভেন্দু সরাসরি মমতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ভবানীপুরেও প্রার্থী হন। নির্বাচনী প্রচারণায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ এবং সহিংসতার অভিযোগ থাকলেও ভোটাররা শেষ পর্যন্ত গেরুয়া শিবিরের দিকেই ঝুঁকেছেন বলে প্রাথমিক ট্রেন্ডে মনে হচ্ছে।
কলকাতা জেলার অন্তর্গত ভবানীপুর আসনটি তৃণমূলের জন্য 'প্রেস্টিজ ফাইট'। ২০১১ সাল থেকে মমতা এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করলেও এবার শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও হিন্দু ভোটের মেরুকরণ তৃণমূলের এই দুর্গে ফাটল ধরিয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যদিও এখনো চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবে বিজেপির এই বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মমতার টানা চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
- কেমন পশু কিনলে কুরবানি শুদ্ধ হবে না? শরিয়তের কড়া নির্দেশনা দেখে নিন
- রাতেই ধেয়ে আসছে ৬০ কিমি বেগে ঝড়: ১১ অঞ্চলে আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
- ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান
- বাড়ি ফিরতে দুশ্চিন্তা শেষ! দেখে নিন আপনার রুটের ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী
- পুলিশে বড় রদবদল: চট্টগ্রামের নতুন এসপি আলোচিত মাসুদ আলম
- টাকা নষ্টের মেগা প্রকল্প আর নয়: সেতুমন্ত্রী
- অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মুরাদনগরে পুলিশের অ্যাকশন: ২ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে ধরা দুই ভাই!
- কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ৩৪ বছরের মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
- সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন হলে আর ছাড় নয়! ভারতকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
- লুটপাট বন্ধে ডিসিদের হাতে বিশেষ ক্ষমতা? নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল
- হারিনি, ভোট লুট হয়েছে: পদত্যাগ করবেন না বলে সাফ জানালেন মমতা
- যুদ্ধের উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: আমিরাত সংকটে ইরানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- ৫ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৫ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- লোডশেডিংমুক্ত এক সপ্তাহ: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন স্বস্তি
- অনলাইন লেনদেনে সাবধান! কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি নির্দেশনা জারি
- নবম পে-স্কেল নিয়ে পুনর্গঠিত কমিটির নতুন পরিকল্পনা ফাঁস
- কেন দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে আপনার শখের আইফোন? ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না
- সতীর্থকে চড় মারার অভিযোগ: নতুন বিতর্কে নেইমার জুনিয়র
- ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
- মার্কিন হামলায় ইরানের ছয় যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি, উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- যুদ্ধ শেষ নয়, ইরান হামলার ছক এখনো টেবিলে
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?








