নীলফামারীতে হাঁড়িভাঙা আমে ভরপুর মৌসুম, ব্যস্ততা পাইকারি বাজারে

নীলফামারী ও আশপাশের এলাকায় মৌসুমি আমের বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। পাইকারি ও খুচরা বিক্রিতে জমে উঠেছে হাঁড়িভাঙা, আম্রপালি, বারী-৪ ও অন্যান্য জাতের আম। বর্তমানে হাঁড়িভাঙা আম প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা খুচরা বাজারে কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।
জেলার সৈয়দপুরের রেলঘুনটি এলাকার বাজারে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু হয় আম বেচাকেনা। বিশেষ করে রংপুরের বদরগঞ্জে স্টেশন রোড এলাকায় ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বসছে বড় পাইকারি বাজার। এখান থেকে আম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে কুরিয়ারের মাধ্যমে।
পাইকারি বাজারে প্রতিমণ হাঁড়িভাঙা আম বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকায়। স্থানীয় কৃষক অহিদুল হক জানান, শুরুর দিকে ভালো দাম পেলেও বর্তমানে কিছুটা দাম কমেছে। তবে বাজারে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বিক্রির সুবিধায় আমদানি বেড়েছে।
ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “একসময় রিকশা চালালেও এখন বাগান করে ও অনলাইনে আম বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়েছি। আমার বাগানে অনেক বেকারও কাজ করছে।”
সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কের কেলোকার সামনে, বদরগঞ্জ-পার্বতীপুর সড়কের ডারারপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে গড়ে উঠেছে আমের বাজার। হোন্ডা, রিকশা, ভ্যানের যাত্রীরাও এ বাজার থেকে আম কিনছেন। চাষি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা বলছেন, আমের এমন বাজার যেন এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে।
সত্য প্রতিবেদন/আশিক
রংপুরে চাপা উত্তেজনা: জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ মুখোমুখি
শুক্রবার ঢাকায় জাতীয় পার্টি, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনার জেরে রংপুর নগরীতে দিনভর চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে। পাল্টাপাল্টি মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করায় জাতীয় পার্টি এবং গণ অধিকার পরিষদ—উভয় দলের নেতাকর্মীরাই মাঠে অবস্থান নেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সংঘাত ছাড়াই দল দুটি তাদের কর্মসূচি পালন করায় জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উভয় দলের কর্মসূচি
গতকাল রাতেই জাতীয় পার্টির জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতারা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নেতাকর্মীদের সকাল ১১টার মধ্যে নগরীর দলীয় কার্যালয়ে জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দুপুর ১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শাহী মসজিদের গলিতে জমায়েত ডাকা হয়।
দুপুরের পর গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শহিদ আবু সাঈদ চত্বরে গিয়ে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দলের নেতাকর্মীরা অবরোধ তুলে নেন।
অন্যদিকে, সকাল থেকেই জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয়ে শক্ত অবস্থান নেন। জাতীয় পার্টির অফিসে গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা হামলা চালাতে পারে—এমন গুজব নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। এই খবর শোনার পর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা আরও বেশি সংখ্যায় জমায়েত হন এবং প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।
জাতীয় পার্টির বক্তব্য
দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও রংপুরের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার মোস্তফা বলেন, “এখন যদি নির্বাচন হয়, তাহলে বিএনপি সরকারে আসবে। বিএনপি যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে, এ জন্য বিএনপিকে কিভাবে আলাদা করে রাখা যায়, সেই চেষ্টা চলছে।” তিনি অভিযোগ করেন, ‘স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি’ বিএনপিকে কালিমা লেপনের চেষ্টা করছে। তার মতে, ‘মুক্তিযুদ্ধের শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা’ নির্বাচন পেছানো এবং বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার কাজে ব্যস্ত আছে।
বিকালে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আরেক সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, “ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর তার কার্যকলাপের কারণে কোথাও গিয়ে আটক হচ্ছেন, আবার যেখানে সেখানে মার খাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এই ভিপি নুর একসময় শেখ হাসিনাকে ‘মা’ বলে পা ছুঁয়ে সালাম করেছিল, অথচ এখন তারাই ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির হাতিয়ার। আমরা যারা নির্বাচন করেছি, তারা হয়ে গেছি ফ্যাসিস্টদের দোসর। এই হলো বর্তমান অবস্থা।”
রংপুরের রাজনীতি নিয়ে মোস্তাফিজার মোস্তফা বলেন, “কেউ যদি মনে করে রংপুরে জাতীয় পার্টি দুর্বল, তাহলে একবার এসে দেখুক। তাদের যদি শক্তিসামর্থ থাকে, আরও যদি তাদের কেউ থাকে, তাদের নিয়ে আসুক। তাদের হাত-পা ভেঙে দেব। আমরা অন্যায়কে বরদাস্ত করব না, আমরা কাউকে ছাড়ও দেব না।” তিনি বলেন, “আমরা আমাদের পার্টি অফিস রক্ষা করব। এতে আমি জেলে যেতে পারি, আমি মারাও যেতে পারি, তবু অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিগত সময়েও জাতীয় পার্টি একাই নির্বাচন করেছে, আগামীতেও একাই নির্বাচন করবে। নিজস্ব শক্তিতে বলিয়ান হয়ে জাতীয় পার্টি মাঠে লড়বে।”
/আশিক
আগে গণপরিষদ নির্বাচন ও সংবিধান সংশোধন, তারপর জাতীয় নির্বাচন: আখতার হোসেন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছে গণসংযোগ করার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দাবি জানান।
আখতার হোসেন বলেন, “আমরা চাই গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করে তারপর জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু অনেকেই শুধু চায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এসব বিষয় নিয়ে সরকারকে একটা সিদ্ধান্তে আসতে হবে।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটি নতুন সংবিধানের বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। এনসিপি এই দাবির পক্ষে জনমত তৈরি করতে মাঠে কাজ করছে। তার মতে, একটি নতুন রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর আবির্ভাবের ফলে গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতান্ত্রিক কাঠামো তৈরিতে ভূমিকা রাখা জরুরি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার যে সময়সীমা দিয়েছে, সেই সময়ে নির্বাচন হতে পারে, তবে তার আগে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা, বিচারকে দৃশ্যমান পর্যায়ে উন্নীত করা, মাঠ পর্যায়ের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। যত দ্রুত সরকার এসব নিশ্চিত করতে পারবে, তত দ্রুত নির্বাচন সম্ভব হবে।
এসময় এনসিপির মহানগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী আলমগীর নয়ন, জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী এন আই সুমনসহ রংপুর জেলা ও মহানগর এনসিপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
আবারও দুই প্রতিবন্ধীকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাল বিএসএফ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে আবার দুই প্রতিবন্ধীকে ঠেলে পাঠিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (১৬ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের পঁয়ষট্টিবাড়ী সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশ-ইন করা হয়।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ঠেলে পাঠানো এই দুই ব্যক্তি হলেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার আবু সিদ্দিক (৫০) এবং নড়াইলের কালিয়া উপজেলার রানু মোল্লা (৬০)। দুজনই শারীরিকভাবে পঙ্গু। সিদ্দিকের ডান পা হাঁটুর নিচ থেকে নেই এবং রানু মোল্লার ডান হাত কবজি থেকে কাটা।
জানা যায়, কোচবিহার জেলার বিএসবাড়ী ক্যাম্পের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা প্রধান সীমান্ত পিলার ৮৪৫-এর কাছে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায়। পরে ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) পঁয়ষট্টিবাড়ী ক্যাম্পের টহল দল তাদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
আটক দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে তারা অবৈধভাবে ভারতের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছিলেন এবং সেখানে গুজরাটে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বিজিবি তাদের কাছে ওই দুই ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছে। তাদের আত্মীয়স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, একই বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা গত ১৩ আগস্ট দুই শিশুসহ ৯ বাংলাদেশিকে ঠেলে পাঠিয়েছিল।
মহসিনের যন্ত্রণার গল্প: গুলিবিদ্ধ, স্বীকৃতি নেই, সহায়তাও মেলেনি
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঘোড়াবান্ধা বালুখোলা গ্রামের তরুণ মহসিন সরকার মিঠুন ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ২০২২ সালে এসএসসি পাস করার পর বাবার ব্রেইন স্ট্রোকের কারণে লেখাপড়া ছাড়তে হয় তাকে। জীবিকার খোঁজে চলে যান গাজীপুরে, সেখানে শ্রমিকের কাজ নেন। কিন্তু হৃদয়ে লুকানো ছিল একটি স্বপ্ন—স্বৈরাচারবিরোধী লড়াইয়ে দেশের পাশে দাঁড়ানো।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট, গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে অংশ নেন মহসিন। আনসার একাডেমির সামনে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন তিনি। তার শরীরে ঢুকে পড়ে দুই শতাধিক গুলি। দীর্ঘ চিকিৎসার পর অনেক গুলি অপসারণ করা সম্ভব হলেও এখনো শরীরে রয়েছে ৩০টির বেশি গুলি। প্রতিদিন সেগুলোর যন্ত্রণাই তাকে মনে করিয়ে দেয় সেই দিনটির কথা।
চিকিৎসা শেষে এখন তিনি গাইবান্ধায় ফিরে এসেছেন। অভাব আর অবহেলার জীবনেই চলছে তার প্রতিদিনের লড়াই। ‘জুলাইযোদ্ধা’ হিসেবে এখনো স্বীকৃতি পাননি তিনি। নেই কোনো সরকারি সহায়তাও। তার মা চোখে জল ধরে বলেন, “মহসিনকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল, সবকিছু ভেঙে গেছে।”
স্থানীয়রা বলছেন, দেশের জন্য এমন ত্যাগ যিনি করেছেন, তার ন্যায্য স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা সদস্যসচিব বায়োজিদ বোস্তামী জীম জানিয়েছেন, বাদ পড়াদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ বলেছেন, “আবেদন পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিমান নিয়ে মহসিন বলেন, “সবার কাছে বলেছি, কোনো কাজ হয়নি। শুধু চাই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার সুযোগ, অন্য কিছু না।”
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে দাঁড়ানো এই তরুণের প্রশ্ন—দ্বিতীয় স্বাধীনতার লড়াইয়ে তার এই ত্যাগ কি অবশেষে কোনো সম্মান পাবে? রাষ্ট্র কি মনে রাখবে তার নাম?
/আশিক
রাতে ‘নৌকা’ ঝুলিয়ে রাখায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ কর্মী
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে রাতের আঁধারে রাস্তার পাশে বাঁশ ও কাপড় দিয়ে তৈরি ‘নৌকা’ ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কুড়ার পাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি ময়নাল হক (৩৫), যিনি স্থানীয় মৃত আকাব আলীর ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে আরেকজন জড়িত আছেন—মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে বারেক (৫৫)। দুজনেই স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুড়ার পাড় বাজার এলাকায় বাঁশ ও কাপড় দিয়ে তৈরি একটি নৌকা রাস্তার পাশে ঝুলিয়ে দেন ময়নাল ও বারেক। সেই নৌকার সঙ্গে একটি ডিজিটাল ব্যানারে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানসহ নিজেদের ছবি লাগানো ছিল।
শুক্রবার সকালে ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যানারে থাকা ছবি দেখে ময়নাল হককে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে এবং নৌকাটি থানায় নিয়ে যায়।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল হেলাল মাহমুদ জানান, ময়নালের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করা হয়েছে এবং শুক্রবার দুপুরে তাকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত অপর ব্যক্তিকে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
/আশিক
জাগপার রংপুর সমাবেশে তীব্র সমালোচনায় রাশেদ প্রধান, দিল্লির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন
ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়ে বুধবার (১৬ জুলাই) রংপুরের পায়রা চত্বরে বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। শহীদ আবু সাইদের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, দিল্লির আশ্বাসে আওয়ামী লীগ এখনো আস্ফালন করছে। পুলিশ হত্যার বিচারের কথা বললেও তারাই আবার পুলিশের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, “এই দেশ এখন আর খুনি হাসিনার নয়, এই দেশ এখন আবু সাইদদের, ওয়াসিমদের, মুগ্ধদের।”
গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের প্রসঙ্গে রাশেদ বলেন, “আওয়ামী লীগ বারবার প্রমাণ করেছে তারা জনগণের নয়, বরং প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করে তারা একটি নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “গোপালকে দিল্লি পাঠিয়ে গোপালগঞ্জকে আবুসাইদগঞ্জ বানাতে হবে।”
সমাবেশে ভারতীয় হস্তক্ষেপ ও আধিপত্যবাদেরও কড়া সমালোচনা করেন জাগপা নেতারা। রাশেদ প্রধান বলেন, “আমরা শপথ নিই, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের আগ পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না।”
জাগপা আগামী ৬ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তারা এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতীয় আধিপত্যের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে অভিহিত করে তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাবে।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জাগপা প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, শামীম আকতার পাইলট, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক শ্যামল চন্দ্র সরকার, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, শ্রমিক জাগপার সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও ও নীলফামারীর নেতৃবৃন্দ।
/আশিক
শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও প্রতিজ্ঞা
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপাড়ায় তাঁর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। দুপুরে কবরস্থানে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ দলের নেতারা।
এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল মালুম, সহ-সভাপতি এম এম মুসা, যুগ্ম সম্পাদক সালেহ মো. আদনান, ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতি রবিন খানসহ বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তব্যে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিমরা দেশের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আজ এক বছর পরেও কেন এই শহীদদের হত্যাকারীরা বিচারের মুখ দেখেনি, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শহীদদের হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমরা কখনোই বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে দেবো না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখতে পাচ্ছি, সেই পুরনো হিংস্রতা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।”
এদিন বিকেলে রংপুর শহরের গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ে ছাত্রদলের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ অন্যান্য নেতারা। তারা সরকারকে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে আগামী দিনে ছাত্রজনতা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
/আশিক
মনোনয়ন না পেয়ে হামলা? মাঠেই মুখোমুখি বিএনপির দুই পক্ষ
দিনাজপুর-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব রূপ নিয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। মনোনয়নপ্রত্যাশী কর্নেল (অব.) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর পক্ষ ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে এ উত্তেজনা শুক্রবার রাতে গড়িয়ে পড়ে সহিংসতায়। সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন, ভাঙচুর করা হয়েছে অর্ধ-শতাধিক মোটরসাইকেল।
জানা যায়, কর্নেল মোস্তাফিজুরের অনুসারীরা ভাবকী ইউনিয়নের তিনটি স্থানে তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি প্রচারের উদ্যোগ নেন। এ উপলক্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে আব্দুল জলিল শাহের নাম ব্যবহার করে বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়। তবে আব্দুল জলিল শাহের পদ নিয়ে বিরোধ আছে দলীয় ভেতরে। সাবেক সভাপতি হিসেবে তিনি এখন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, দাবি করেন মিয়া গ্রুপের নেতারা। তাদের মতে, ভাবকী ইউনিয়নের দায়িত্বে বর্তমানে রয়েছেন নাসির উদ্দিন, সেলিম শাহ, তহিদুল ইসলাম ও জাকারিয়া ইসলাম।
এই নেতৃত্ব বিরোধ ঘনীভূত হয় শুক্রবার সকালে। কর্নেল পক্ষের নেতা আব্দুল জলিল শাহ ও আশরাফ আলীকে মিয়া গ্রুপের নেতারা মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তারা হাসপাতালে ভর্তি হন। সন্ধ্যায় কর্নেল মোস্তাফিজুরের নেতৃত্বে কাচিনীয়া বাজারে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। কিন্তু সভা শেষ হতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মিয়া গ্রুপের অনুসারীরা সভাস্থলে এসে অতর্কিতে হামলা চালায়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন শ্রমিক নেতা মহসিন আলী, ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান মানিকসহ অন্তত ২৫ জন। হামলার সময় কর্নেল মোস্তাফিজুর ও মিজানুর রহমান চৌধুরী দেড় ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ ছিলেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি শান্ত করে।
এ বিষয়ে কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, গণতান্ত্রিক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রতিপক্ষের হামলা পরিকল্পিত ছিল এবং সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান মিয়ার নির্দেশেই তা হয়েছে। তিনি জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অন্যদিকে, ঘটনার কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব মিয়া গ্রুপের অনুসারী এবং ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, নির্বাচনের আগে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ একমাত্র প্রতিপক্ষ নয়, বরং নিজেরাই নিজেদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। grassroots পর্যায়ে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব দলকে কতটা বিপদে ফেলতে পারে, দিনাজপুরের ঘটনাই তার বাস্তব প্রমাণ।
হিমাগার ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে সড়কে আলু ফেলে চাষিদের অবরো
কুড়িগ্রামে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে সড়কে আলু ফেলে অনন্য প্রতিবাদ জানিয়েছেন আলুচাষি ও আলু ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি বাজারে কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১২টার দিকে আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় আলু ছড়িয়ে দিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অবরোধ সরিয়ে নেন। পরে আন্দোলনকারীরা সড়কের পাশে মানববন্ধন করেন এবং দুপুর ২টা পর্যন্ত কর্মসূচি চালান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চলতি মৌসুমে আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি কৃষকের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২২ টাকা। হিমাগারে সংরক্ষণের জন্য ভাড়া বাড়িয়ে ৪ টাকা থেকে ৬ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রতি কেজিতে বাড়ানো হয়েছে ২ টাকা ৭৫ পয়সা। সব মিলিয়ে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা। অথচ বাজারে এখন আলুর কেজিপ্রতি দাম ১৫ টাকা, ফলে প্রতি কেজিতে ১৪ টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া আলুচাষি আরিফুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, ফয়জার হোসেন প্রমুখ বলেন, “এই পরিস্থিতিতে কৃষকের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব। অতিরিক্ত হিমাগার ভাড়া না কমানো হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- চাটখিলে কোরবানি হাটের মূল আকর্ষণ ৩০ মণের নোয়াখালীর বস
- কোরবানির পশুতেই দেওয়া যাবে সন্তানের আকিকা: জেনে নিন সঠিক নিয়ম
- ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- ১৬০ গান ও ১২০ কবিতার জন্মভূমি; দৌলতপুরে নজরুল-নার্গিসের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি
- সুবর্ণ কার্ডধারী প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য মেট্রোরেলে বড় ছাড়
- এনসিপি নেতা তানাইমের বাসার গেট ভেঙে গ্রেপ্তারের চেষ্টা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ফ্যাসিবাদী শক্তি পালালেও দেশ এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি: জামায়াত আমির
- বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আর্জেন্টিনার কাছে ব্রাজিলের অন্যরকম হার!
- অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে আসছে সম্পূর্ণ নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিশেষ শোক চিঠি পাঠালেন ড. ইউনূস
- শিশু রামিসা হত্যা: ঘাতক সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরুর দিন ধার্য
- শিশু রামিসা হত্যা মামলা বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি
- পাইপলাইন মেরামত: সোমবার ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না বেশ কিছু এলাকায়
- যুদ্ধ বন্ধে ঐতিহাসিক চুক্তির দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
- ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মেহেরপুরে যুবকের মৃত্যুদণ্ড
- ২৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সিলেটের বিশ্বনাথে জমে উঠেছে পশুর হাট
- তথ্যের জগৎ আর প্রথাগত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নেই: তথ্যমন্ত্রী
- আলোচনার টেবিলেও শত্রুর সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে ইরান
- আগামীকাল থেকে নামছে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন: রেলমন্ত্রী
- মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যায় ডিএনএ রিপোর্টে মিলল ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন প্রবাসী মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ইসরায়েলি জেনারেলের চাঞ্চল্যকর দাবি: সংঘর্ষে জয়ী হয়েছে ইরান
- রাজধানীতে আজ সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততা
- দেশের চার জেলায় দুপুর ১টার মধ্যে ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি: আবহাওয়া অফিসের মেগা অ্যালার্ট
- তেজাবি সোনার বাজারে ধস: ৩ দিন আগের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করলো বাজুস
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১ মাসে ৩ বার ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা! হোয়াইট হাউসে আত্মঘাতী হামলা
- কুমিল্লা সরানো হলো ১৩১ বছরের স্কুল আঙিনার কবরস্থানের সাইনবোর্ড
- রামিসা হত্যা ও ফারিয়া ধর্ষণের প্রতিবাদ: চট্টগ্রামে ফুলেশ্বরী অ্যাসোসিয়েশনের মিছিল
- নিসাব কার বেশি? জেনে নিন ঠিক যেসব নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জের: ফেঁসে গেলেন ২২ এনসিপি নেতা
- তেলাপোকা’র আতঙ্কে মোদী সরকার, টুইটারের পর বন্ধ হলো সিজেপির ওয়েবসাইট
- লাশ উদ্ধারের ৫ দিনের মাথায় চূড়ান্ত অভিযোগপত্র: রামিসা হত্যায় দ্রুততম বিচারের রেকর্ড
- এটাই এনসিপির মূল বসন্ত, মামলা খেয়ে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর রহস্যময় অভিনন্দন
- আড়াই কোটি মানুষ ও কোরবানির পশুর পরিবহন এবার মেগা চ্যালেঞ্জ: সেতুমন্ত্রী
- কালিগঞ্জে পোস্ট অফিসের চোরাই গ্রিল উদ্ধার: ভাঙারি ব্যবসায়ী ও নাইটগার্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- আগামীকাল টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- চব্বিশের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেবো না: মির্জা ফখরুল
- রামিসা হত্যার খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- ইরানের আঘাতে মার্কিন ড্রোন বহরে মেগা বিপর্যয়
- শাহজালাল বিমানবন্দরে বেক্সিমকোর হেলিকপ্টার গায়েব করে সাবেক উপদেষ্টার তুঘলকি কাণ্ড!
- পতিত স্বৈরাচারের সাথে ভেতরের গোষ্ঠীর গোপন যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- আচেহ প্রদেশে শরিয়া আইন লঙ্ঘন: প্রকাশ্যে ১০০ বেত্রাঘাতে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন নারী
- ঈদের আগে উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক পেতে রূপবিশেষজ্ঞদের বিশেষ রূপচর্চা গাইড
- সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই, ভারতে আত্মপ্রকাশ করল তেলাপোকা জনতা পার্টি
- স্ত্রীর দেনমোহর বাকি রেখে কি কোরবানি দেওয়া যাবে? জেনে নিন ইসলামের স্পষ্ট ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও অতিরিক্ত দাবির কারণেই সংলাপে অচলাবস্থা: ইরান
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রামিসা থেকে আবদুল্লাহ: শিশু যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে নীরবতার অবসান হোক
- ইরানে ধাক্কা খেয়ে চীনের সামনে দুর্বল আমেরিকা?
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইরান যুদ্ধে ড্রোন ধ্বংসে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের
- দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- যে ৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আশঙ্কা
- ঘরেই বানান মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার
- আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রামিসার মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে আজ রাতেই পল্লবীর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ঈদের দিনে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া








