শেয়ারবাজার

ডিএসইতে সাধারণ বীমা খাতের প্রান্তিক বিশ্লেষণ:মুনাফা কমেছে ২০ কোম্পানির

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ১২ ১৭:৫৮:২১
ডিএসইতে সাধারণ বীমা খাতের প্রান্তিক বিশ্লেষণ:মুনাফা কমেছে ২০ কোম্পানির

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাধারণ বীমা খাতের মোট ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৮টি কোম্পানি ২০২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, এদের মধ্যে ২০টি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) কমে গেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায়। যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংশয় ও বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

এই কোম্পানিগুলোর আয় হ্রাস পাওয়ার পেছনে বীমা দাবি নিষ্পত্তিতে ব্যয় বৃদ্ধি, বিনিয়োগ থেকে প্রত্যাশিত আয় না পাওয়া, প্রশাসনিক ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণহীনতা এবং ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির স্থবিরতা অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে।

বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানিগুলোর তালিকা ও বিশ্লেষণ

EPS হ্রাস পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স ও দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে।

ঢাকা ইন্স্যুরেন্স গত বছর একই সময় যেখানে EPS করেছিল ৭৫ পয়সা, এবছর তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫০ পয়সায় — ২৫ পয়সার উল্লেখযোগ্য পতন।

মেঘনা ইন্স্যুরেন্স EPS হারিয়েছে ২৯ পয়সা (৬৭ → ৩৮ পয়সা), যা কার্যকরভাবে প্রায় ৪৩% হ্রাস।

দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স EPS কমেছে ২৪ পয়সা থেকে ৫ পয়সায় — প্রায় ৮০% হ্রাস, যা আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য অশনিসংকেত।

EPS হ্রাসের বিস্তারিত তালিকা (জানুয়ারি-মার্চ ২০২৫ বনাম ২০২৪)

কোম্পানির নামEPS (২০২৫)EPS (২০২৪)পরিবর্তন
ঢাকা ইন্স্যুরেন্স ৫০ পয়সা ৭৫ পয়সা -২৫ পয়সা
মেঘনা ইন্স্যুরেন্স ৩৮ পয়সা ৬৭ পয়সা -২৯ পয়সা
প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স ৩৮ পয়সা ৫৫ পয়সা -১৭ পয়সা
দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ৫ পয়সা ২৪ পয়সা -১৯ পয়সা
এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স ১.০৩ টাকা ১.২১ টাকা -১৮ পয়সা
অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স ৩৫ পয়সা ৫০ পয়সা -১৫ পয়সা
প্রাইম ইন্স্যুরেন্স ৬১ পয়সা ৭৫ পয়সা -১৪ পয়সা
পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ১.৩৬ টাকা ১.৫০ টাকা -১৪ পয়সা
সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স ৪৩ পয়সা ৫৪ পয়সা -১১ পয়সা
রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স ৪৭ পয়সা ৫৬ পয়সা -৯ পয়সা
ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স ৩৯ পয়সা ৪৮ পয়সা -৯ পয়সা
পূরবী ইন্স্যুরেন্স ৩৩ পয়সা ৪২ পয়সা -৯ পয়সা
কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ৩৯ পয়সা ৪৭ পয়সা -৮ পয়সা
নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স ৬৫ পয়সা ৭০ পয়সা -৫ পয়সা
মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ৪২ পয়সা ৪৫ পয়সা -৩ পয়সা
নিটল ইন্স্যুরেন্স ৩৯ পয়সা ৪২ পয়সা -৩ পয়সা
এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স ২৯ পয়সা ৩১ পয়সা -২ পয়সা
কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স ৬২ পয়সা ৬৪ পয়সা -২ পয়সা
ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স ২২ পয়সা ৩২ পয়সা -১০ পয়সা
প্রগতী ইন্স্যুরেন্স ১.১২ টাকা ১.১৩ টাকা -১ পয়সা

তথ্য সূত্র:ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকের আয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০টি সাধারণ বীমা কোম্পানির মুনাফা কমে যাওয়ার এই চিত্র কেবল একটি তাৎক্ষণিক ব্যর্থতা নয়—বরং এটি খাতজুড়ে বিদ্যমান কাঠামোগত দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ। প্রথমত, অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো দাবি নিষ্পত্তিতে অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রতা দূর করতে পারেনি। পলিসিধারীরা যখন ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন, তখন সেই আবেদন সঠিক সময়ে পরিশোধ না হওয়ায় গ্রাহকের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়। ফলস্বরূপ, গ্রাহকপ্রবণতা ও আস্থা কমে যায়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে প্রিমিয়াম আয়ের ওপর। দীর্ঘমেয়াদে এটি কোম্পানির আয় ও সুনামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

দ্বিতীয়ত, অদক্ষ বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনাও বড় একটি কারণ। বীমা কোম্পানিগুলোর রাজস্বের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে তাদের বিনিয়োগ কার্যক্রম থেকে—যেমন: শেয়ারবাজার, সরকারি সিকিউরিটিজ কিংবা কর্পোরেট বন্ডে বিনিয়োগ। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কিছু কোম্পানি ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ করে প্রত্যাশিত রিটার্ন অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ পোর্টফোলিও যথাযথভাবে বহুমুখীকরণ না করায় নির্দিষ্ট খাতে ক্ষতির প্রভাব পুরো আয় কাঠামোকে নড়বড়ে করে তুলছে।

তৃতীয়ত, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের ঘাটতি ও প্রশাসনিক জটিলতা সাধারণ বীমা খাতের মুনাফায় অন্যতম অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখনো অনেক কোম্পানির ক্লেইম প্রসেসিং ম্যানুয়াল এবং সময়সাপেক্ষ, যার ফলে সেবা প্রদানের গতি কমে যায় এবং প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ে। ডিজিটাল ক্লেইম ম্যানেজমেন্ট, অটোমেটেড রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ও ডেটা অ্যানালিটিকসের ব্যবহার সীমিত হওয়ায় কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনের অভাবে এই খাত দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং সময়োচিত সেবার দিক থেকে পিছিয়ে থাকছে।

কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

বর্তমান প্রান্তিকের ফলাফল থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের সাধারণ বীমা খাতের একটি বড় অংশ এখনো আর্থিক ও কাঠামোগতভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত হবে একটি সুপরিকল্পিত ও বাস্তবভিত্তিক পুনর্গঠন পরিকল্পনা গ্রহণ করা। এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেতে পারে তিনটি বিষয়: প্রথমত, পলিসিধারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা—নির্ভরযোগ্যতা এবং সময়মতো সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, দাবি নিষ্পত্তির গতিশীলতা বাড়ানো—যাতে পলিসি অনুযায়ী ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দ্রুত পাওয়া যায় এবং গ্রাহকের সন্তুষ্টি নিশ্চিত হয়। তৃতীয়ত, ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ—যার মধ্যে ই-সার্ভিস, ক্লেইম অটোমেশন এবং রিস্ক মডেলিংয়ের আধুনিকায়ন অন্তর্ভুক্ত।

এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করতে না পারলে, বর্তমান প্রবণতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা শুধুমাত্র এসব কোম্পানির নয়, বরং সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বীমা খাতের আস্থাগত ও অর্থনৈতিক ভিত্তিকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। সুতরাং, সময়োপযোগী সংস্কার ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই।


১৮ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৫:০১:৫৩
১৮ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) লেনদেনে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেলেও বাজারে কিছু ইতিবাচক বার্তা মিলেছে। বিশেষ করে বড় মূলধনের ও মৌলভিত্তিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ক্রয়চাপ বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার আংশিক প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও পতনশীল কোম্পানির সংখ্যা এখনও বেশি, তবুও সামগ্রিকভাবে বাজারে স্থিতিশীলতার একটি প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে।

দিন শেষে মোট ৩৯৬টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৭৬টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৮৫টির দর কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সংখ্যার বিচারে পতনশীল কোম্পানি বেশি থাকলেও বড় মূলধনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক পারফরম্যান্স বাজারের সার্বিক চিত্রে প্রভাব ফেলেছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এদিন মোট ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪৩টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৪৩ কোটি ৮৩ লাখের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে এবং আর্থিক মূল্যমান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। বাজারে এ পরিমাণ লেনদেন বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দিনের সবচেয়ে ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোতে। মোট ২০১টি কোম্পানির মধ্যে ১২২টির দর বেড়েছে, ৬৯টির দর কমেছে এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিকভাবে শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়ছে।

অন্যদিকে বি ক্যাটাগরিতে দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। মোট ৭৫টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ২১টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ৫১টির দর কমেছে। একইভাবে জেড ক্যাটাগরিতেও চাপ অব্যাহত রয়েছে। ১২০টি কোম্পানির মধ্যে ৬৫টির দর কমেছে এবং মাত্র ৩৩টির দর বেড়েছে। দুর্বল আর্থিক ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বাজারে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

এদিন সবচেয়ে বড় চমক ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাতে। মোট ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩০টির দর বেড়েছে। মাত্র দুটি ফান্ডের দর কমেছে এবং দুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন করে আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

দিন শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন বেড়ে প্রায় ৬৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে ইকুইটি বাজারের অবদান প্রায় ৩৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডের বাজার মূলধন প্রায় ২৬ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র বা ডেট সিকিউরিটিজের বাজার মূলধন প্রায় ৩৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৫২টি কোম্পানির শেয়ারে প্রায় ৫৩৪ কোটি ৯২ লাখ টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে, যেখানে প্রায় ১২৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণফোনে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা, ডমিনেজ স্টিলে প্রায় ৮৪ কোটি টাকা, জিকিউ বলপেনে প্রায় ৪০ কোটি টাকা এবং ড্যাফোডিল কম্পিউটারসে প্রায় ২৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজার এখনও একটি সংবেদনশীল পর্যায়ে রয়েছে। বড় ও মৌলভিত্তিক কোম্পানিগুলো বাজারকে কিছুটা সহায়তা করলেও দুর্বল আর্থিক অবস্থার কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ এখনও কাটেনি। তারা বিনিয়োগকারীদের দৈনিক ওঠানামার পরিবর্তে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা, মুনাফা অর্জনের ধারাবাহিকতা, পরিচালন দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

-রাফসান


১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৪:৫৮:৪১
১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) লেনদেনের শেষভাগে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে উৎপাদন, টেক্সটাইল, খাদ্য ও শিল্প খাতের কিছু কোম্পানি উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

দিনের সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে শ্যামপুর সুগার মিলস (SHYAMPSUG)। কোম্পানিটির শেয়ারদর একদিনে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ কমে ১৮৬ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১৬৭ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী কিছু কোম্পানিতে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এই পতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বেক্সিমকো (BEXIMCO)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ৫২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারে ধারাবাহিক ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতার মধ্যে রেখেছে।

দরপতনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইলস (REGENTTEX)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে পিএলএফএসএল (PLFSL)-এর দর ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে। আর মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক (MEGCONMILK) ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD) ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ দর হারিয়েছে।

এ ছাড়া আজিজ পাইপস (AZIZPIPES), মেঘনা পেট্রোলিয়াম (MEGHNAPET), সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট (SAPORTL) এবং নিউলাইন ক্লোথিংস (NEWLINE)-ও উল্লেখযোগ্য দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার কৌশল অনুসরণ করছেন। এর ফলে যেসব শেয়ারে কয়েকদিন আগে উত্থান হয়েছিল, সেগুলোতেই নতুন করে বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে।

-রাফসান


১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৪:৫২:২২
১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) লেনদেনের শেষ ভাগে শীর্ষ দরবৃদ্ধির তালিকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত। দিনের সেরা ১০ গেইনারের মধ্যে সাতটিই ছিল বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড, যা বাজারে এই খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দিনের লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দর বেড়ে শীর্ষে উঠে এসেছে ১ জনতা মিউচুয়াল ফান্ড (1JANATAMF)। দিনশেষে এর শেয়ারদর ৩ টাকার পরিবর্তে ৩ টাকা ৩০ পয়সায় পৌঁছায়। একই হারে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (TRUSTB1MF), যার সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা।

তৃতীয় স্থানে থাকা এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান (LRGLOBMF1)-এর দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। দিনশেষে ফান্ডটির দাম দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড (GREENDELMF) ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

মিউচুয়াল ফান্ডের আধিপত্যের মধ্যেও উৎপাদন খাতের কোম্পানি এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস (APEXSPINN) উল্লেখযোগ্য প্রত্যাবর্তন করেছে। আগের দিনের তুলনায় ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩৬১ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির প্রতি নতুন করে আগ্রহ তৈরি হওয়ায় এ ধরনের উত্থান দেখা যাচ্ছে।

এ ছাড়া আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (IFIC1STMF) ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ক্রাউন সিমেন্ট (CROWNCEMNT) ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (EBL1STMF) ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (MBL1STMF) ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড (NCCBLMF1) ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতি, তারল্য সংকট এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে মিউচুয়াল ফান্ড খাত পিছিয়ে ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলক কম দামে থাকা কিছু ফান্ডে নতুন করে বিনিয়োগ প্রবাহ তৈরি হচ্ছে।

-রাফসান


১৭ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৪:৫৭:৩২
১৭ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৭ জুন) দিনের লেনদেন শেষে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। টানা অস্থিরতার পর বাজারে ক্রেতাদের অংশগ্রহণ কিছুটা বাড়ায় অধিক সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাও কিছুটা ফিরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।

দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৮২টি কোম্পানি ও সিকিউরিটিজের দর বেড়েছে, ১৫৮টির দর কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সংখ্যার বিচারে এটি বাজারে ইতিবাচক ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আজকের লেনদেনের মোট আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ২১১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। একই সময়ে মোট ২ লাখ ৮৫ হাজার ৬৬৯টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রায় ৪৩ কোটি ৬২ লাখের বেশি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরপতনের পর বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ আবারও মৌলভিত্তি শক্তিশালী কোম্পানির দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে ব্যাংক, প্রযুক্তি, বীমা এবং কিছু নির্বাচিত উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এদিন ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭৪টির দর বেড়েছে, ৯৪টির দর কমেছে এবং ৩৩টি অপরিবর্তিত ছিল। যদিও বড় মূলধনী কিছু কোম্পানিতে বিক্রির চাপ ছিল, তবুও নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ক্রয়চাপ বাজারকে ইতিবাচক অবস্থানে রাখতে সহায়তা করেছে।

‘বি’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দেখা গেছে। এই শ্রেণির ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ২৭টির দর কমেছে এবং মাত্র ৪টি অপরিবর্তিত ছিল।

অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। এ শ্রেণির ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, যা বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ৫টির দর বেড়েছে, ৮টির দর কমেছে এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

দিন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৯৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এর মধ্যে ইকুইটি সেগমেন্টের বাজার মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটেও বড় ধরনের লেনদেন হয়েছে। মোট ৫৪টি কোম্পানির শেয়ারে প্রায় ৫৭০ কোটি টাকার ব্লক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

সবচেয়ে বড় ব্লক লেনদেন হয়েছে প্রাইম ব্যাংকের (PRIMEBANK) শেয়ারে। প্রতিষ্ঠানটির ১ কোটি ২ লাখের বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩০৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

এছাড়া আমান ফিড, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ডমিনেজ, ইসলামি ইন্স্যুরেন্স, শাহজালাল ব্যাংক, এনএফএমএল এবং ড্যাফোডিল কমিউটার্সের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লক মার্কেটে বড় অঙ্কের লেনদেন অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। তবে এটিকে বাজারের দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার একমাত্র সূচক হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।

-রফিক


১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৪:৫২:০৮
১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৭ জুন) লেনদেন শেষে বড় ধরনের বিক্রির চাপের মুখে পড়ে বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দর উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে বড় মূলধনী ও আলোচিত কিছু কোম্পানির শেয়ারে ধারাবাহিক দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

দিনের সবচেয়ে বেশি দরপতনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বেক্সিমকো (BEXIMCO)। কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৫২ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে এসেছে। দিনজুড়ে শেয়ারটি একই দামে লেনদেন হয়েছে, যা বাজারে শক্তিশালী বিক্রয়চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল (REGENTTEX)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে ৬ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুলনামূলক কম মূল্যের শেয়ারগুলোতে অস্থিরতা এখনও বেশ প্রবল।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং (PREMIERLEA)। আর্থিক খাতের এই কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮ শতাংশ কমে ২ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে এসেছে।

আর্থিক খাতের আরও তিনটি প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ফাইন্যান্স (FAREASTFIN), ফার্স্ট ফাইন্যান্স (FASFIN) এবং আইএলএফএসএল (ILFSL) সমানভাবে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ দর হারিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতের দীর্ঘমেয়াদি চাপ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।

বীমা খাতের সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স (SUNLIFEINS) ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ কমে ৬৭ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। একই সময়ে সোনারগাঁও হোটেল (SONARGAON) ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ দর হারিয়ে ৭৮ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

খাদ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতের শ্যামপুর সুগার (SHYAMPSUG) ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে বহুল আলোচিত এপেক্স স্পিনিং (APEXSPINN) ৬ দশমিক ২১ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের লুজার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়া, বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমানোর প্রবণতা এবং বাজারে নতুন বিনিয়োগের ধীরগতি দরপতনের অন্যতম কারণ হতে পারে।

-রফিক


১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৭ ১৪:৪০:১২
১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার (১৭ জুন) লেনদেনের শেষভাগে নির্বাচিত কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। যদিও পুরো বাজারে মিশ্র প্রবণতা ছিল, তারপরও নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে ক্রেতাদের শক্তিশালী আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

দিনের শীর্ষ গেইনারের তালিকায় প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে এনএফএমএল (NFML)। কোম্পানিটির শেয়ারের দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। কোনো কোনো পর্যবেক্ষকের মতে, নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি আগ্রহ বৃদ্ধির প্রভাব এই উত্থানে ভূমিকা রাখতে পারে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিডিকম (BDCOM)। তথ্যপ্রযুক্তি খাতভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ৩৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। দিনজুড়ে ৩০ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৩৩ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে শেয়ারটির লেনদেন হয়েছে।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ (SHARPIND)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ১৮ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মাঝারি মূলধনী কিছু কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহ এই উত্থানের অন্যতম কারণ হতে পারে।

চতুর্থ স্থানে থাকা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিএসএস (BBS) ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ার ১৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৬ টাকা ১০ পয়সায় পৌঁছায়।

বীমা খাতের ইসলামি ইন্স্যুরেন্স (ISLAMIINS)ও দিনটি ভালো কাটিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৫৮ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা বীমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস (SILVAPHL) ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। একই সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান জেনেক্স ইনফোসিস (GENEXIL) ৫ দশমিক ০৮ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া তালিকায় থাকা এমএইচএসএমএল (MHSML), সমরিতা হাসপাতাল (SAMORITA) এবং অগ্নি সিস্টেমস (AGNISYSL) যথাক্রমে ৪ দশমিক ৪৮, ৪ দশমিক ১৬ এবং ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের দরবৃদ্ধিকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বরং বিনিয়োগের আগে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, মুনাফা প্রবণতা, লভ্যাংশ ইতিহাস, করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক সক্ষমতা বিশ্লেষণ করা জরুরি।

-রফিক


১৬ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ১৪:৫১:২৩
১৬ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেনদেন শেষে স্পষ্টভাবে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ায় পুরো বাজারজুড়েই বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে।

দিন শেষে মোট ৩৯৬টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে মাত্র ১০৯টির দাম বেড়েছে, বিপরীতে ২৪০টির দর কমেছে এবং ৪৭টি অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি একটি কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে দুইটিরও বেশি কোম্পানি দর হারিয়েছে, যা বাজারে নেতিবাচক মনোভাবের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে। এই শ্রেণির ২০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩৫টির দাম বেড়েছে, অথচ ১৪৩টির দর কমেছে। বাকি ২৩টি প্রতিষ্ঠান অপরিবর্তিত অবস্থায় লেনদেন শেষ করেছে।

অন্যদিকে, বি ক্যাটাগরিতে কিছুটা ভারসাম্য দেখা গেলেও সেখানে পতনের চাপ পুরোপুরি কাটেনি। ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০টির দর বেড়েছে এবং ৩২টির দর কমেছে।

জেড ক্যাটাগরিতেও পরিস্থিতি খুব একটা ইতিবাচক ছিল না। ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টির মূল্য কমেছে, ৩৪টির মূল্য বেড়েছে এবং ২১টি অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিন ডিএসইতে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯৪টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। লেনদেনের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১ কোটি ৬৩ লাখ শেয়ার এবং আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৯৬ কোটি ১১ লাখ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের কয়েক কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণমূলক মনোভাব তৈরি হয়েছে। অনেকেই নতুন বিনিয়োগের পরিবর্তে ঝুঁকি কমানোর কৌশল অবলম্বন করছেন।

দিন শেষে বাজার মূলধনও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ডিএসইর মোট বাজার মূলধন নেমে এসেছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকায়, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি কম।

এর মধ্যে ইক্যুইটি মার্কেটের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫১ হাজার ২১৫ কোটি টাকায়। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের বাজার মূলধন ২ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র খাতের বাজার মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকায় অবস্থান করছে।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। এদিন ৫০টি কোম্পানির মোট ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৫৮৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডমিনেজ স্টিল (DOMINAGE)-এ। প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৩৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এরপর রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক (BRACBANK), যেখানে প্রায় ৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

এ ছাড়া আইপিডিসি (IPDC), বিডি থাই (BDTHAI), প্রাইম ব্যাংক (PRIMEBANK), ড্যাফোডিল কম্পিউটার (DAFODILCOM) এবং সিটিজেন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স (CITYGENINS)-এর ব্লক লেনদেনও উল্লেখযোগ্য ছিল।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। পাশাপাশি ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কিছু শেয়ারে বিক্রির চাপ বাজারের ওপর অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তাদের মতে, স্বল্পমেয়াদি গুজব বা অতিরিক্ত জল্পনা-কল্পনার ওপর নির্ভর না করে মৌলভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি, লভ্যাংশ সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ১৪:৪৭:৪৬
১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেনদেন শেষে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা এবং কিছু বহুল আলোচিত শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

দিনের লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে বেক্সিমকো (BEXIMCO)। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ কমে ৫৮ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে এসেছে। আগের কার্যদিবসে যার সমাপনী মূল্য ছিল ৬৫ টাকা ১০ পয়সা। টানা কয়েক কার্যদিবস ধরে এ শেয়ারটি বিক্রির চাপে রয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে মিডাস ফাইন্যান্স (MIDASFIN)-এ। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

বীমা খাতের সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স (SUNLIFEINS)-ও উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমে ৭২ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে।

টেক্সটাইল খাতের রিজেন্ট টেক্সটাইল (REGENTTEX) ৫ দশমিক ০৬ শতাংশ দর হারিয়ে ৭ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

ব্যাংক খাতের এনআরবি ব্যাংক (NRBBANK) শেয়ার ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে। একইভাবে প্রিমিয়ার ব্যাংক (PREMIERBAN) ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ দর হারিয়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সায় অবস্থান করছে।

বীমা খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স (SONALILIFE) ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৮৩ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

এর আগে আগের কার্যদিবসে শীর্ষ গেইনার তালিকায় থাকা সোনারগাঁও টেক্সটাইল (SONARGAON) মঙ্গলবার দরপতনের মুখে পড়ে ৪ শতাংশ হারিয়েছে। শেয়ারটির মূল্য ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমে ৮৪ টাকায় নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল (UNIONCAP) ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং রেনউইক যজ্ঞেশ্বর (RENWICKJA) ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ দর হারিয়ে শীর্ষ লুজারের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শেয়ারে দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি এবং আর্থিক খাতের কিছু প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান বাজারে চাপ তৈরি করছে।

-রাফসান


১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৬ ১৪:৪৩:৫৭
১৬ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেনদেন শেষে বেশ কয়েকটি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড, টেক্সটাইল, প্রকৌশল ও উৎপাদন খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ক্রয়চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দিনের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি হয়েছে আইসিবিইপিএমএফ১এস১ (ICBEPMF1S1) ইউনিটে। ইউনিটটির দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ৬ টাকা ৬০ পয়সায় পৌঁছেছে। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী মূল্য ছিল ৬ টাকা।

দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড (NFML)। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ১৯ টাকায় পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম (BDTHAI)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ দরও ছিল একই পর্যায়ে, যা শক্তিশালী ক্রয়চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

একই হারে দরবৃদ্ধি হয়েছে ভিএফ স্টিল (VFSTDL)-এর শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ার ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ১৭ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে।

দিনের আলোচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইটিএল (ETL)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছেছে।

প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ডিএসএসএল (DSSL)-ও ইতিবাচক প্রবণতা দেখিয়েছে। এর শেয়ারদর ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD) বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কোম্পানিটির শেয়ার ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ৩০ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

এদিকে টেক্সটাইল খাতের এমএল ডাইং (MLDYEING) শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকায় পৌঁছেছে।

জীবন বীমা খাতের প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স (PRIMELIFE) ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ৪৪ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

অন্যদিকে, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড (AIBL1STIMF) ৫ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মিউচুয়াল ফান্ড, ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানি এবং কিছু নির্বাচিত উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে। তবে স্বল্পমেয়াদি দরবৃদ্ধিকে স্থায়ী প্রবণতা হিসেবে দেখার আগে মৌলভিত্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্ভাবনা মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: