মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পার হলো চীনা ট্যাংকার!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নৌ-অবরোধ এবং আকাশছোঁয়া উত্তেজনার মাঝেই একটি দুঃসাহসিক ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা একটি চীনা তেলবাহী ট্যাংকার মার্কিন নৌবাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, 'রিচ স্টারি' নামের এই জাহাজটি অবরোধ শুরু হওয়ার পর প্রথম ট্যাংকার হিসেবে প্রণালিটি পার হয়ে পারস্য উপসাগর ত্যাগ করল। এলএসইজি, মেরিনট্রাফিক ও কেপলারের মতো আন্তর্জাতিক শিপিং ডেটা সংস্থাগুলো এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই জাহাজটির মালিক প্রতিষ্ঠান সাংহাই জুয়ানরুন শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের ওপর ইরানের সঙ্গে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে আগে থেকেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মাঝারি আকারের এই ট্যাংকারটি প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল মিথানল বহন করছে, যা সর্বশেষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দর থেকে লোড করা হয়েছিল।
জাহাজটিতে চীনা মালিকানার পাশাপাশি সব নাবিকই চীনা নাগরিক বলে জানা গেছে। ট্রাম্পের অবরোধের মুখে এই চীনা জাহাজের পার হয়ে যাওয়া ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
/আশিক
সময়ের কাঁটায় বন্দি শান্তি চুক্তি: ২০ বছর বনাম ৫ বছরের লড়াইয়ে উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক বৈঠকটি কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে, যার মূলে রয়েছে পারমাণবিক কার্যক্রমের সময়সীমা নিয়ে দুই দেশের আকাশপাতাল ব্যবধান।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন যেখানে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে, সেখানে তেহরান মাত্র ৫ বছরের সীমাবদ্ধতার কথা বলছে। সময়ের এই বিশাল ফারাক এবং একে অপরের প্রতি তীব্র আস্থাহীনতাই মূলত ৮০ শতাংশ অগ্রগতি হওয়ার পরও আলোচনাকে ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীর অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পায়। পাকিস্তানের ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই বৈঠক পরিচালিত হয়, যেখানে প্রতিনিধিদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থাহীনতার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কূটনৈতিক আলোচনার মাঝেই হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বিশ্বাসের পরিবেশ আশা করে? জেনেভা বৈঠকের পর ইরানের ওপর হামলার ঘটনাটি তেহরানের সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে।
যদিও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেওয়া হবে না, তবুও দুই পক্ষই আলোচনার পথ খোলা রেখেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, একটি মধ্যপন্থা হিসেবে ১২ বছরের একটি সমঝোতায় আসার সুযোগ রয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান আবারও যোগাযোগ করেছে এবং তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। খুব শিগগিরই দ্বিতীয় দফা সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! ১৫টি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ইরানকে ঘেরাও করল আমেরিকা
হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা এখন চরম তুঙ্গে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে মার্কিন সামরিক অবরোধ শুরু হওয়ার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি এবং ইরানের পাল্টা যুদ্ধের হুঁশিয়ারিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করলে যেকোনো ইরানি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। মাদক চোরাচালান দমনে ব্যবহৃত কঠোর কৌশল এবার ইরানি নৌবহরের ওপর প্রয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এই অভিযান সফল করতে পারস্য উপসাগরে ইতিমধ্যে ১৫টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। অন্যদিকে, ইরান এই পদক্ষেপকে সরাসরি যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, তাদের জলসীমার কাছে কোনো বিদেশি জাহাজ এলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।
মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাত এবং পরবর্তী ৪০ দিনের যুদ্ধের পর ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় পরিস্থিতি এই পর্যায়ে ঠেকেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ হয়, ফলে এই রুটটি অবরুদ্ধ হওয়া মানে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগা। দুই পক্ষের এই মুখোমুখি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘমেয়াদী এবং ভয়াবহ সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
/আশিক
বল এখন ইরানের কোর্টে: তেহরানকে চূড়ান্ত বার্তা দিলেন জে ডি ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এখন পুরোপুরি তেহরানের সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলে আছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আলোচনার টেবিলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা এখন ইরানের মর্জির ওপর নির্ভর করছে। ভ্যান্সের ভাষায়, ‘বল এখন ইরানের কোর্টে।’
ভ্যান্স জানান, ওয়াশিংটন ইরানের কাছ থেকে এমন এক চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি চায় যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে তবে উভয় দেশের জন্যই একটি ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক চুক্তি করা সম্ভব। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের ফলাফল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, সেই সময় ইরানি প্রতিনিধি দল কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অবস্থানে ছিল না। মূলত তেহরানের উচ্চপর্যায়ের গ্রিন সিগন্যাল বা অনুমোদনের অভাবেই সেখানে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হয়নি।
যদিও ইসলামাবাদের সেই বৈঠক থেকে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা আসেনি, তবুও মার্কিন প্রশাসন বিষয়টিকে একেবারে ব্যর্থ বলে মনে করছে না। জে ডি ভ্যান্সের মতে, আলোচনায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে যা আগামী দিনে একটি সফল চুক্তির পথ প্রশস্ত করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ওয়াশিংটনের এই শর্ত মেনে নিয়ে তেহরান পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে কি না।
সূত্র : সিএনএন
ইরানে হামলা মানে তুরস্কের ওপর হামলা: এরদোগান
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, লেবানন বা ইরানের ওপর যেকোনো হামলাকে তুরস্কের ওপর হামলা হিসেবেই বিবেচনা করবে আঙ্কারা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এরদোগান সতর্ক করেন যে, পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত ভয়াবহ এবং ইসরায়েলকে অবিলম্বে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ বন্ধ করতে হবে।
এরদোগান বলেন, আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করার জন্য ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে। তিনি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দিলেও হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি কূটনৈতিক পথ ব্যর্থ হয়, তবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে উঠবে। বিশেষ করে তিনি তুরস্কের অতীত সামরিক অভিযানের উদাহরণ টেনে বলেন, আঙ্কারা যেভাবে কারাবাখ ও লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করেছে, প্রয়োজনে ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও তেমন পদক্ষেপ নিতে তুরস্ক পিছপা হবে না।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রশংসা করে এরদোগান উল্লেখ করেন যে, ইসলামাবাদ যদি এই শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত না থাকত, তবে তুরস্ক হয়তো ইতিমধ্যেই বড় কোনো পদক্ষেপ নিয়ে ফেলত। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, নেতানিয়াহু রক্ত নিয়ে হোলি খেলছেন এবং ঘৃণা ছড়াচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির সময়েও লেবাননে নিরস্ত্র ও নিরীহ মানুষ হত্যার তীব্র সমালোচনা করে এরদোগান জানান, এর জন্য নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হবে।
সূত্র: সামা টিভি
ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা! হরমুজ প্রণালিতে শনাক্ত ৪টি রহস্যময় জাহাজ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নৌ-অবরোধের হুঁশিয়ারি আর সেন্টকমের কড়া নজরদারির তোয়াক্কা না করেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। গতরাত থেকে অন্তত চারটি বড় জাহাজের চলাচল শনাক্ত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, এই জাহাজগুলোর চলাচল নতুন করে রহস্য ও উত্তেজনা তৈরি করেছে।
মেরিন ট্র্যাফিকের ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শনাক্ত হওয়া চারটি জাহাজই মূলত তেল, গ্যাস বা রাসায়নিকবাহী ট্যাঙ্কার। যদিও এই জাহাজগুলোর সাথে ইরানের কোনো সরাসরি বাণিজ্যিক বা কৌশলগত সংযোগ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি কোনো জাহাজই তাদের গন্তব্য হিসেবে ইরানি বন্দরের নাম উল্লেখ করেনি। ফলে এগুলো ঠিক কোন উদ্দেশ্যে এবং কার অনুমোদনে এই উত্তপ্ত জলপথ অতিক্রম করছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হতে চাওয়া জাহাজগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরান আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। সেন্টকমের সময়সীমা পার হওয়ার পর এই জাহাজগুলোর অবস্থান শনাক্ত হওয়ায় পারস্য উপসাগরে এখন চরম স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র কি এই জাহাজগুলোকে আটক করবে, নাকি এগুলোকে ছেড়ে দেবে—তা এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: বিবিসি
ব্যর্থতার মাঝেও আশার আলো: আবারও কি আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হলেও, এখনই আশা ছাড়ছেন না মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ব্রিটিশ বিশ্লেষক এইচ. এ. হেলিয়ার। সিএনএন-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছেন, বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু না হওয়াটা ইতিবাচক এবং আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে, যা আলোচনার সুযোগ টিকিয়ে রেখেছে।
তবে হেলিয়ার সতর্ক করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের কৌশল হিতে বিপরীত হতে পারে। তার মতে, ইরানিরা চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে লড়াই করে টিকে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। এদিকে, লোহিত সাগরের বাব-এল-মানদেব প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। হেলিয়ারের আশঙ্কা, মার্কিন অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা এই জাহাজগুলোতে পুনরায় হামলা চালাতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।
গত ২৮ মার্চ হুতিরা ইসরাইলের দিকে মিসাইল ছুড়ে যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। ফলে হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি এখন বাব-এল-মানদেব প্রণালি নিয়েও বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সূত্র: সিএনএন।
ব্যর্থ শান্তি বৈঠক, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ ইরানের
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বহু প্রতীক্ষিত এই বৈঠক চুক্তির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেও সমঝোতায় রূপ নিতে পারেনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় ওয়াশিংটন কোনো ধরনের নমনীয়তা দেখায়নি এবং বারবার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে সমঝোতার পরিবেশ নষ্ট করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গত প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সংলাপ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান পূর্ণ সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সদিচ্ছার প্রতিদান সদিচ্ছা হওয়া উচিত, কিন্তু যদি শত্রুতার পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে তার জবাবও একইভাবে দেওয়া হবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-ও একই সুরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের একতরফা ও কর্তৃত্ববাদী অবস্থান থেকে সরে এসে ইরানের সার্বভৌম অধিকারের প্রতি সম্মান দেখায়, তাহলে এখনো সমঝোতার সুযোগ রয়েছে।
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরপরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন। তার এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, নির্ধারিত সময় থেকে ইরানের সব বন্দরের ওপর এই অবরোধ কার্যকর হবে, যদিও কিছু নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু থাকার সুযোগ রাখা হবে।
এই ঘোষণার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, এ ধরনের চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে কোনোভাবেই নত করা সম্ভব নয়।
গালিবাফের ভাষায়, আলোচনার টেবিলে তেহরান ইতিবাচক প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি সরাসরি সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পথ বেছে নেয়, তাহলে ইরানও সেই পথেই প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।
তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ইরানের সক্ষমতা পরীক্ষা করার চেষ্টা করলে এর ফলাফল আরও কঠোর হতে পারে। এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
-রাফসান
ধর্মগুরু বনাম প্রেসিডেন্ট: পোপ লিও’র সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও’র মধ্যে শুরু হয়েছে নজিরবিহীন বাকযুদ্ধ। পোপের বৈদেশিক ও অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প তাকে অত্যন্ত ‘দুর্বল’ ও ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করে সরাসরি আক্রমণ করেছেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প এই কড়া মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের অভিযোগ, অপরাধ দমনে পোপ অত্যন্ত নমনীয় এবং তার অভিবাসন নীতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পোপের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়ার বিষয়টি যিনি সমর্থন করেন, এমন কোনো ধর্মগুরুকে আমি পোপ হিসেবে দেখতে চাই না।’ হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালেও তিনি একই অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করেন।
এই বাদানুবাদ এমন এক সময়ে শুরু হলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর হতে যাচ্ছে। পোপ লিও মানবিক দিক বিবেচনা করে ট্রাম্পের কিছু কঠোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় প্রেসিডেন্ট এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখালেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক মন্তব্য ভ্যাটিকান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্কে এক নতুন ফাটল তৈরি করল। এই ঘটনায় ধর্মীয় মহলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল
চুক্তির খুব কাছে গিয়েও কেন ফিরল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র? পর্দার আড়ালের রহস্য
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ায় নতুন করে ঘনীভূত হয়েছে যুদ্ধের মেঘ। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান এখনও তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেনি। বিবিসিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন যে তেহরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
ট্রাম্পের মতে, আলোচনার টেবিলে ইরান তাদের পারমাণবিক লক্ষ্য অর্জনের ব্যাপারে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে। তিনি জানান, সরাসরি আলোচনায় ব্যর্থতার প্রধান কারণই ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে অনাগ্রহ। ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থানের পর পারস্য উপসাগরে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও তীব্র হয়েছে।
পাল্টা জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, দুই পক্ষ একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। তবে তার দাবি অনুযায়ী, মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত দাবি, বারবার শর্ত পরিবর্তন এবং নতুন করে অবরোধ আরোপের হুমকি’র কারণেই শেষ মুহূর্তে আলোচনা ভেস্তে গেছে। দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পার হলো চীনা ট্যাংকার!
- সময়ের কাঁটায় বন্দি শান্তি চুক্তি: ২০ বছর বনাম ৫ বছরের লড়াইয়ে উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- ১০ ধরনের সুবিধা নিয়ে আসছে কৃষক কার্ড: কৃষি খাতে নতুন যুগের সূচনা
- নতুন ভোরের প্রতীক ‘মোরগ’: চারুকলার শোভাযাত্রায় ফুটে উঠল আগামীর স্বপ্ন
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! ১৫টি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ইরানকে ঘেরাও করল আমেরিকা
- পহেলা বৈশাখে বজ্রবৃষ্টির দুঃসংবাদ! ৩ অঞ্চলে ঝোড়োহাওয়ার পূর্বাভাস
- ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
- ৪ হাজার টাকার বেশি দাম কমল স্বর্ণের! জেনে নিন আজকের সর্বশেষ রেট
- বল এখন ইরানের কোর্টে: তেহরানকে চূড়ান্ত বার্তা দিলেন জে ডি ভ্যান্স
- নতুন বছরের প্রথম দিন: দেখে নিন ১৪ এপ্রিলের নামাজের পূর্ণাঙ্গ সূচি
- ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
- ধারণক্ষমতার ৪ গুণ যানবাহন চলাচল দেবে যাচ্ছে সড়ক বাড়ছে যানজট-দুর্ঘটনা
- ইরানে হামলা মানে তুরস্কের ওপর হামলা: এরদোগান
- ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা! হরমুজ প্রণালিতে শনাক্ত ৪টি রহস্যময় জাহাজ
- জুলাই না থাকলে আমাদের অস্তিত্ব থাকত না: জামায়াত আমির
- ব্যর্থতার মাঝেও আশার আলো: আবারও কি আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?
- পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক: শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী
- ব্যর্থ শান্তি বৈঠক, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ ইরানের
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৪ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের লোকসানে যেসব শেয়ার
- ১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আমেরিকার জন্য অপেক্ষা করছে বড় বিপর্যয়! হরমুজ নিয়ে লড়াকু অবস্থানে তেহরান
- ধর্মগুরু বনাম প্রেসিডেন্ট: পোপ লিও’র সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
- চুক্তির খুব কাছে গিয়েও কেন ফিরল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র? পর্দার আড়ালের রহস্য
- হরমুজ সংকটে জাপানের হাই-অ্যালার্ট: পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর টোকিওর
- ১৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ: আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তায় দুঃসংবাদ!
- ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু: রণক্ষেত্রে রূপ নিচ্ছে পারস্য উপসাগর
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস! এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে মিলছে মূল্যবান ধাতু
- সোমবার ঢাকার কোন কোন মার্কেট ও এলাকা বন্ধ? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- আজকের ঢাকা: কোথায় কী কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- আজ ১৩ এপ্রিলের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার মাশুল! ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার
- ‘যুদ্ধ চাইলে যুদ্ধই হবে’: ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ইরানের
- "ইরানের কাছে হেরে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যে আর ফিরতে পারবে না আমেরিকা"
- নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান
- ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে বাধ্য ব্যাংক! অমান্য করলেই ব্যবস্থা
- এক দিনেই ইরানকে শেষ করে দেব: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- নাসায় একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যমৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ!
- বিএনপি আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়: জামায়াত আমির
- হরমুজ প্রণালি কি এবার রণক্ষেত্র? ট্রাম্পের অবরোধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক
- হরমুজে পেতে রাখা মাইন হারিয়ে ফেলেছে ইরান! নজিরবিহীন সংকটে বিশ্ব তেলপথ
- পুতিন-পেজেশকিয়ান ফোনালাপ: মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন মোড় ঘটাবে রাশিয়া?
- কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী
- হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের! এবার কি সরাসরি সামরিক সংঘাত?
- ধর্মমন্ত্রীর ঘোষণা: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সত্ত্বেও যথাসময়ে শুরু হচ্ছে হজের সফর
- বিরোধী দল ভুল তথ্য দিচ্ছে: অধ্যাদেশ বিতর্কে কড়া জবাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- বাইপাস রুটে সৌদি তেল: হরমুজ সংকটের মাঝেই বিকল্প পথ সচল করল রিয়াদ
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বনাম ইরানের বাস্তবতা: কার দখলে বিশ্বের প্রধান তেলপথ?
- ১২ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- টানা দুই দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইরান যুদ্ধে কৌশলগত ব্যর্থতায় ইসরাইল, প্রশ্ন নেতৃত্বে
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় পাকিস্তান
- ৪০ দিন পর খুলল আল-আকসা, আবেগে ভাসলেন মুসল্লিরা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন বিস্তারিত
- আজকের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
- রাতে ইউরোপ মাতাবে হাইভোল্টেজ ফুটবল, জানুন আজকের খেলাধুলা সূচি
- ৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার








