তাসের ঘরের মতো বিধ্বস্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা: মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক সক্ষমতার এক চাঞ্চল্যকর দাবি তুলেছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেখারচি জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটির সবগুলোই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ইরানি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে জেনারেল শেখারচি দাবি করেন, "পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র যে ১৭টি ঘাঁটি স্থাপন করেছিল, ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতে তার প্রতিটিই এখন বিধ্বস্ত। আমেরিকানরা তাদের ঘাঁটি ও সেনাবাহিনী রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর ইরান তাদের প্রতিরক্ষা নীতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছে। বর্তমানে তেহরান 'আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা' নীতি অনুসরণ করছে, যার অর্থ হলো—কোনো দেশ ইরানকে আক্রমণ করলে পাল্টা আঘাতে সেই শক্তিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত ইরান থামবে না।
হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন এই মুখপাত্র। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের পরিস্থিতি আর আগের মতো থাকবে না। ইরান কিছু নির্দিষ্ট শর্ত নির্ধারণ করেছে এবং এই অঞ্চলে চলাচলকারী দেশগুলোকে সেই শর্তগুলো পুরোপুরি মেনে চলতে হবে। এছাড়া আঞ্চলিক মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনীকে আর আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। শেখারচি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে এই অঞ্চলের দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করেছে এবং তাদের অর্থ দিয়েই এসব ঘাঁটি তৈরি করেছিল।
/আশিক
বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) রাতে পরিচালিত এই হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার মতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে এটি তৃতীয় দফার হামলা। তবে প্রাথমিক প্রতিবেদনে কোনো হতাহত বা কেন্দ্রের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও আল-জাজিরার তথ্যমতে, একই রাতে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের আরও বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর পরমাণু স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে একটি ইউরেনিয়াম উৎপাদনকেন্দ্র এবং ভারী পানির একটি চুল্লি রয়েছে। এ ছাড়া ইসফাহানের দুটি ইস্পাত কারখানাও হামলার শিকার হয়েছে। এই নজিরবিহীন হামলার পর ইরান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এর জন্য ইসরায়েলকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক বার্তায় জানান, ইসরায়েল দাবি করছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল। এদিকে, এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের দ্রুত কর্মস্থল ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে চরম সতর্কতা জারি করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন হরমুজ প্রণালি ছাড়িয়ে পারমাণবিক স্থাপনা পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
/আশিক
আকাশে মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমানের চরম পরিণতি: চাবাহার উপকূলে বড় ধামাকা
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় নজিরবিহীন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের আকাশসীমার কাছে চাবাহার উপকূলে একটি মার্কিন এফ-১৮ (F-18) যুদ্ধবিমানে আঘাত হেনেছে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এতে বিমানটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনী যৌথভাবে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের ৮১তম ধাপে ‘এমাদ’, ‘কিয়াম’, ‘খোররামশাহর-৪’ এবং ‘কদর’—এর মতো শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের হাইফা, দিমোনা ও হাদেরাসহ ৭০টিরও বেশি কৌশলগত স্থানে আঘাত হানা হয়েছে। একই সময়ে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়।
খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তরের মুখপাত্র আরও জানান, তাঁদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ‘আলি আল সালেম’, ‘ক্যাম্প আরিফজান’ এবং ‘মুয়াফফাক সালতি’। এছাড়া এরবিলে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইরানি নৌবাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকির মুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
/আশিক
ইসরায়েলের পরমাণু কেন্দ্র ও জেরুজালেম কমান্ড সেন্টারে ইরানের ভয়াবহ হামলা
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কড়া নজরদারি এড়িয়ে এবার সরাসরি ইসরায়েলের সামরিক হৃদপিণ্ড জেরুজালেমের ‘মিলিটারি কমান্ড সেন্টার’ এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানার দাবি করল ইরান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) ভোরে আইআরজিসি-র পরিচালিত এই হামলায় বেশ কয়েকটি আত্মঘাতী ড্রোন ও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত কয়েক দিনের তীব্র উত্তেজনার মাঝে এটিই ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ইরানের চালানো সবচেয়ে বড় ও সরাসরি আঘাত।
ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত সাগরের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলি পরমাণু কেন্দ্রে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরান দাবি করছে, তাদের এই হামলা সফল হয়েছে এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা কবচ ‘আয়রণ ডোম’ ও ‘অ্যারো’ সিস্টেম এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। আইআরজিসি-র একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, “আমাদের কমান্ডারদের হত্যার যে দুঃসাহস জায়নিস্টরা দেখিয়েছে, এটি তার কেবল শুরু। আমাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল তাদের কমান্ড সেন্টার এবং পারমাণবিক শক্তির উৎস।”
এদিকে, জেরুজালেমে আইডিএফ-এর কমান্ড দপ্তরে হামলার খবরের পর শহরজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সরাসরি কোনো ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার না করলেও দেশটির গণমাধ্যমগুলো আকাশসীমায় দফায় দফায় বিস্ফোরণের খবর দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু স্থাপনা এবং কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারকে লক্ষ্যবস্তু করায় মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন এক ভয়ংকর ও নিয়ন্ত্রণহীন মোড় নিল।
/আশিক
হরমুজ প্রণালির ‘মাস্টারমাইন্ড’ তাংসিরিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার এবং হরমুজ প্রণালির ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচিত আলিরেজা তাংসিরি ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) ভোরে বান্দর আব্বাসে এক ‘ল্যাথাল’ বা মারাত্মক অভিযানে তাকে ও তাঁর বেশ কয়েকজন সহযোগীকে ‘নির্মূল’ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তবে তেহরান এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান একে একে তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানির মতো শীর্ষ নেতাদের হারিয়েছে। এই তালিকায় তাংসিরি হলেন সর্বশেষ হাই-প্রোফাইল টার্গেট। ২০১৮ সাল থেকে আইআরজিসি-র নৌপ্রধানের দায়িত্বে থাকা তাংসিরি গত কয়েক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিচ্ছিলেন এবং তাঁর নির্দেশেই বিশ্ববাজারের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহকারী এই পথটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল।
হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে, ইরান সামরিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং তারা এখন একটি চুক্তির জন্য ‘বেগিং’ বা ভিক্ষা করছে। এদিকে, তাংসিরির মৃত্যুর খবরের পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে আরও অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বান্দর আব্বাসের একটি গোপন ডেরায় তাংসিরি যখন নৌ-কৌশল নিয়ে বৈঠক করছিলেন, ঠিক তখনই ৩টি নিখুঁত মিসাইল আঘাত হানে।
/আশিক
তেল আবিবের আকাশে হাজারো কাকের রহস্যময় মহড়া: ইসরায়েলজুড়ে মহাপ্রলয়ের আতঙ্ক
তেল আবিবের আকাশে হঠাৎ হাজারো কাকের রহস্যময় ওড়াউড়ি নিয়ে ইসরায়েলজুড়ে চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) বিকেলে শহরের সুউচ্চ আজরিয়েলি টাওয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর ওপর বিশাল এক ঝাঁক কাককে চক্কর দিতে দেখা যায়। এই নাটকীয় দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা ও ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই এই ঘটনাকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কোনো ‘মহাবিপর্যয়ের সংকেত’ বা অশুভ লক্ষণ হিসেবে অভিহিত করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দৃশ্যকে কেন্দ্র করে ধর্মতাত্ত্বিক আলোচনাও তুঙ্গে উঠেছে। অনেক ব্যবহারকারী বাইবেলের ‘বুক অব রেভেলেশন’-এর ১৯তম অধ্যায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করছেন, এটি হয়তো ‘আর্মাগেডন’ বা চূড়ান্ত যুদ্ধের সেই ক্ষণ, যেখানে পাখিদের ‘ঈশ্বরের মহাভোজে’ জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, কাকের এই বিশাল বাহিনী তেল আবিবের আকাশকে এমনভাবে ঢেকে ফেলেছিল যে মনে হচ্ছিল কালো মেঘ একদিক থেকে অন্যদিকে ছুটে যাচ্ছে, যা শহরবাসীর মধ্যে গভীর উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।
তবে জনসাধারণের এই ভীতি আর অলৌকিক বিশ্বাসের বিপরীতে বিজ্ঞানীরা একে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেছেন। পাখি গবেষকদের মতে, এটি কোনো অতিপ্রাকৃত বা অশুভ লক্ষণ নয়; বরং ইসরায়েল ভৌগোলিকভাবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান পরিযায়ী পাখি চলাচল পথের ওপর অবস্থিত। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রতি বছর বসন্তকালে প্রায় ৫০ কোটি পাখি ইসরায়েলের আকাশপথ ব্যবহার করে যাতায়াত করে। এই সময়ে বিশেষ করে ‘হুডেড’ জাতের কাকগুলো দলবদ্ধভাবে উঁচু এলাকায় জড়ো হয় এবং আকাশে এমন মহড়া দেয়। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে যা ‘মহাপ্রলয়ের সংকেত’ মনে হচ্ছে, বিজ্ঞানীদের মতে তা প্রকৃতির এক নিয়মিত বার্ষিক প্রক্রিয়া মাত্র।
সূত্র- ডেইলি মেইল
ট্রাম্পের ১৫ দফার প্রস্তাব ‘ছুড়ে ফেলে দিল’ ইরান: পাল্টা কঠিন শর্তে বিপাকে হোয়াইট হাউস
মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাত অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১৫ দফার উচ্চাভিলাষী ‘শান্তি পরিকল্পনা’ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো এই প্রস্তাব পাওয়ার পর তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ট্রাম্পের দেওয়া শর্তগুলো তাদের কাছে মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
এর পরিবর্তে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির দেশ যুদ্ধ বন্ধের জন্য নিজস্ব একগুচ্ছ কঠোর ও একগুঁয়ে দাবি পেশ করেছে। এর আগে ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার দাবি করলেও ইরান শুরু থেকেই কোনো ধরনের যোগাযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল। তবে বুধবার ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা পুরোপুরি নাকচ করে দেওয়ার খবরটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে জোরালোভাবে উঠে এসেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরান তার পরিকল্পনার প্রধান বিষয়গুলোতে যেমন পারমাণবিক অস্ত্রের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে তেহরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও প্রেস টিভি এই দাবিকে বাস্তববিবর্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে তেহরানের শাসনব্যবস্থায় প্রবল প্রভাব বিস্তারকারী ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সব মার্কিন ঘাঁটি প্রত্যাহার এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত তারা তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে এক চুলও নড়বে না।
এছাড়া ইরান এখন থেকে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ‘হরমুজ প্রণালির’ ওপর তাদের পূর্ণ আইনি ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছে। তেহরানের পরিকল্পনা হলো মিসর যেভাবে সুয়েজ খাল থেকে শুল্ক আদায় করে, ইরানও সেভাবে এই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে নিয়মিত ফি সংগ্রহ করবে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১৫ দফার মধ্যে ১৪টি পয়েন্টে মূলত ইরানকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা ছিল। সেখানে বলা হয়েছিল ইরানকে তাদের বিদ্যমান সব পারমাণবিক সক্ষমতা ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ আইএইএ-র কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এছাড়া নাতানজ, ইসফাহান ও ফোরদোর মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করার শর্ত দেওয়া হয়েছিল।
হিজবুল্লাহসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির পাল্লা ও পরিমাণ সীমিত করার প্রস্তাবও ছিল সেখানে। বিনিময়ে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর থেকে সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার এবং ইরানের বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে ইরান এই ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনায় বসতে বা এটি সীমিত করতে স্পষ্টভাবে রাজি হয়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা ইরানের এই পাল্টা দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ অবাস্তব বলে অভিহিত করেছেন। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এ প্রকাশিত ট্রাম্পের প্রস্তাবগুলোর সঙ্গে ইরানের এই নতুন দাবিগুলোর সরাসরি সংঘাত তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে যে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং ইরানের আয়ের একটি নতুন স্থায়ী উৎস নিশ্চিত করতে হবে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি কোনো আলোচনায় না বসায় পুরো শান্তি প্রক্রিয়াটি এখন মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর করছে। তেহরান জানিয়ে দিয়েছে যে তাদের নিজস্ব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কেবল তারা যুদ্ধ সমাপ্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে ইরানি হামলার লক্ষ্য কী? বিবিসির বিশেষ বিশ্লেষণ
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে সংঘাতের মাত্রা ছাড়িয়ে এবার প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর চড়াও হয়েছে ইরান। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) সকালে সৌদি আরব ও কুয়েতসহ অঞ্চলের একাধিক দেশে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইনও এই অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছে। বিশেষ করে এই দেশগুলোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনা এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করায় পুরো অঞ্চলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করার পর থেকেই ইরান পাল্টা আঘাত হানা শুরু করে। যদিও প্রাথমিক কিছু হামলার পর তেহরান প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছিল, তবে সাম্প্রতিক এই ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। বিবিসির সংবাদদাতা বারবারা প্লেট-আশার এই পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ‘নিরাপদ ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক কেন্দ্র’ হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তি ধূলিসাৎ করতে চাইছে। এছাড়া বিশ্ববাজারের জন্য অপরিহার্য তেল ও গ্যাস খাতে বিঘ্ন ঘটিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে কৌশলগত চাপ তৈরি করাই ইরানের মূল লক্ষ্য।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর এই আক্রমণের মাধ্যমে ইরান আসলে আরব বিশ্বকে একটি কড়া বার্তা দিতে চাইছে। তেহরান চায়, আরব দেশগুলো তাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করুক। এই বহুমুখী সংঘাত এখন আর কেবল আঞ্চলিক সীমাবদ্ধতায় নেই, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ ঝুঁকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বুধবার সকালের এই হামলার পর সৌদি ও কুয়েতি কর্তৃপক্ষ তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
তেল উত্তোলনে বড় ধস: উত্তাল পারস্য উপসাগরে জাহাজে হামলার জেরে কুয়েতের পিছুটান
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলমান নিরাপত্তা সংকটের জেরে খনিজ তেল উত্তোলন ব্যাপক হারে কমানোর ঘোষণা দিয়েছে কুয়েত। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কৌশলগত এই জলপথে জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে উৎপাদন কমিয়ে আনার এই কৃচ্ছ্রসাধনমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।
সরকারি সূত্রগুলো বলছে, গত ১০ মার্চ কুয়েতের দৈনিক তেল উত্তোলনের পরিমাণ ছিল মাত্র ৫ লাখ ব্যারেল, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। উল্লেখ্য যে, কুয়েত সাধারণত প্রতিদিন ৩০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল উৎপাদন করে থাকে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই এই উৎপাদন হ্রাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
প্রতিদিন বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী জাহাজ এই হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই রুটে একাধিক তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান এই সংকটে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী দেশগুলোকে তারা ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচনা করছে।
ইরান সতর্ক করে দিয়েছে যে, যতদিন যুদ্ধ চলবে, ততদিন এসব দেশের পতাকাবাহী বা সংশ্লিষ্ট জাহাজের ওপর হামলা অব্যাহত থাকতে পারে। হরমুজ প্রণালিতে কুয়েতের এই উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
/আশিক
যুদ্ধের প্রভাবে থমকে গেছে দুবাইয়ের প্রোপার্টি মার্কেট: বিনিয়োগকারীদের পিছুটান
মধ্যপ্রাচ্যে মাসব্যাপী চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দুবাইয়ের আবাসন খাতে। দীর্ঘকাল ধরে বিনিয়োগকারীদের কাছে ‘নিরাপদ স্বর্গ’ হিসেবে পরিচিত এই শহরের প্রোপার্টি মার্কেটে ধস নামার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় গত কয়েক সপ্তাহে আবাসন খাতের লেনদেনে ব্যাপক বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিশেষ করে দুবাইয়ের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও ভিলা বিক্রির পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় নাটকীয়ভাবে কমেছে।
মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের একটি সাম্প্রতিক নোট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চের প্রথম ১২ দিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবাসন খাতে লেনদেনের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ৩৭ শতাংশ কমেছে। এমনকি গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় এই পতনের হার ৪৯ শতাংশ বা প্রায় অর্ধেক।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করা যাচ্ছে বুর্জ খলিফার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইমার প্রোপার্টিজের শেয়ারের দরেও; যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুবাই শেয়ারবাজারে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ২৬ শতাংশেরও বেশি কমেছে। আবাসন এজেন্টদের বরাতে জানা গেছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির বিক্রয়মূল্য ১২ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে 'কুইক সেল' বা দ্রুত বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
সিটি ব্যাংকের বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ দুবাইয়ের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রত্যাশায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। গত কয়েক বছর ধরে বার্ষিক ৪ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ২০২৬ সালে তা ১ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মন্দা যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত দুবাইয়ের প্রোপার্টি মার্কেটে প্রতি বছর গড়ে ৭ শতাংশ হারে দাম কমতে পারে। দীর্ঘ পাঁচ বছরের আকাশচুম্বী উত্থানের পর দুবাইয়ের আবাসন খাত এখন তার ইতিহাসের অন্যতম কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- তাসের ঘরের মতো বিধ্বস্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা: মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের
- বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি: সংকটের মুখে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাক: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে লাখো মানুষ
- খেলাধুলা নিয়ে রাজনীতি নয়: আইপিএল সম্প্রচার নিয়ে ইতিবাচক তথ্যমন্ত্রী
- নেপালে ওলি যুগের অবসান:শপথের পরদিনই গ্রেপ্তার হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী
- আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: ২৮ মার্চ ২০২৬: কোন দেশের কত টাকা?
- কেন্দুয়ায় রামপুর বাজারে বড় অভিযান: গোপন গুদাম থেকে বিপুল পেট্রোল জব্দ!
- নকল হলে ব্যবস্থা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও: এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারি
- বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা
- মুক্তিযুদ্ধ কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, এটি ছিল সম্মিলিত জনযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন জরুরি তথ্য
- সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা
- ২৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
- ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা
- হরমুজ প্রণালির নতুন নাম ‘ট্রাম্প প্রণালি’? মিয়ামিতে ট্রাম্পের বিদ্রূপাত্মক ঘোষণা
- কালিগঞ্জে চুরির ঘটনায় সংঘবদ্ধ হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- ইরান যুদ্ধে রাশিয়ার গোপন সহায়তার নতুন তথ্য
- ইসরায়েলে রাজনৈতিক সংকট, চাপ বাড়ছে নেতানিয়াহুর
- চীনের চিপ সরঞ্জাম যাচ্ছে ইরানে, অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের
- শাওয়ালের ৬ রোজায় এক বছরের সওয়াবসহ নানা ফজিলত
- খামেনির শেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করল ইরান
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ইরানে ১২ বছর বয়সিদের যুদ্ধে যুক্ত করার ঘোষণা
- সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক বিস্ফোরণ
- যুদ্ধ থামাতে ইরানকেই এগোতে হবে: ট্রাম্প
- এবার ইরানে প্রকাশ্যেই উঠছে পারমাণবিক বোমা তৈরির জোর দাবি
- সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়সহ আজকের নামাজের সময় এক নজরে
- রাতে বড় ম্যাচ, এক নজরে আজকের খেলার তালিকা
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- ইরানে ২৭ দিনের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বাড়ছে দুর্ভোগ
- ঢাকায় আজ আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানুন বিস্তারিত
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- ইরান বোকা নয়, কিছু ক্ষেত্রে খুবই বুদ্ধিমান: ট্রাম্প
- স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লাশের মিছিল
- আকাশে মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমানের চরম পরিণতি: চাবাহার উপকূলে বড় ধামাকা
- রিলস ভিডিওতে বৈপ্লবিক ফিচার আনছে মেটা; বদলে যাবে আপনার অভিজ্ঞতা
- কালবৈশাখীর সাথে ধেয়ে আসছে শিলাবৃষ্টি: কোন অঞ্চলে কবে ঝড় জেনে নিন
- হামজা-শমিতদের নিয়ে গড়া একাদশও ব্যর্থ: র্যাংকিংয়ের ব্যবধান ফুটে উঠল মাঠে
- ইসরায়েলের পরমাণু কেন্দ্র ও জেরুজালেম কমান্ড সেন্টারে ইরানের ভয়াবহ হামলা
- হরমুজ প্রণালির ‘মাস্টারমাইন্ড’ তাংসিরিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
- একবার সময় পেরিয়ে গেলে আর ফেরার পথ নেই: ট্রাম্প
- তারেক রহমানকে মাইনাস করার নীল নকশা দিয়েছিল এজেন্সিগুলো: আসিফ
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের জন্য সেফ প্যাসেজ: বিশেষ পাহারায় চলবে জাহাজ
- মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের উত্তাপ: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
- দৌলতদিয়া বাস ট্র্যাজেডি: নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ
- তেল আবিবের আকাশে হাজারো কাকের রহস্যময় মহড়া: ইসরায়েলজুড়ে মহাপ্রলয়ের আতঙ্ক
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন সেনা মোতায়েন করছে?
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
- তেজাবি স্বর্ণের বাজারে ধস: ঈদের কেনাকাটায় স্বস্তি নিয়ে এল নতুন দাম
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- নিজের রক্ষকই যখন ভক্ষক: বাহরাইনে মার্কিন প্যাট্রিয়ট বিপর্যয়ের গোপন খবর ফাঁস
- ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- রমজানের পর কেন রাখবেন শাওয়ালের ৬ রোজা? হাদিসের আলোকে বিশেষ ফজিলত
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে








