তেহরানজুড়ে ইসরায়েল-মার্কিন বিমান হামলা: বিস্ফোরণে প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১৭:১৮:০৪
তেহরানজুড়ে ইসরায়েল-মার্কিন বিমান হামলা: বিস্ফোরণে প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে ভয়াবহ বিমান হামলা ও শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) তেহরানের মধ্যাঞ্চলসহ রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিম অংশে একের পর এক বিস্ফোরণে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার বিকট শব্দ শোনা গেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে একাধিক বড় শহরে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে।

বার্তা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর আব্বাসে একটি রাষ্ট্রীয় রেডিও সম্প্রচারকেন্দ্রে সরাসরি হামলায় অন্তত একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’ (আইআরআইবি) নিশ্চিত করেছে যে, পারস্য উপসাগরীয় এই সম্প্রচার কেন্দ্রের একটি এএম ট্রান্সমিটার লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়।

এছাড়া খোররামাবাদ ও উর্মিয়া শহরের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ইসফাহান, কারাজ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে; যেখানে একটি হাসপাতালও হামলার শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এক ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানিয়েছে, চলমান এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫০০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং খোদ রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব স্থাপনা। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান থেকেও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন এবং উপকূলীয় শহর নেতানিয়ার আকাশে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের আলোকচ্ছটা দেখা গেছে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণে মধ্যপ্রাচ্যে এক প্রলয়ংকরী যুদ্ধের বিভীষিকা ছড়িয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র : আল জাজিরা, এএফপি, দ্য গার্ডিয়ান


মার্কিন সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুত কিউবা: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১১:৪৮:২৩
মার্কিন সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুত কিউবা: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের মুখে দেশজুড়ে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের শিকার হওয়া কিউবা ঘোষণা করেছে যে, তারা ওয়াশিংটনের যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) কিউবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও এনবিসি নিউজের এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কিউবা ঐতিহাসিকভাবেই যেকোনো হামলা ঠেকাতে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দ্বীপরাষ্ট্রটি ‘দখল’ করার যে হুমকি দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় ডি কসিও জানান যে, কিউবা প্রস্তুতি ছাড়া বসে থাকার মতো ‘বোকা’ নয়। যদিও তিনি মনে করেন এমন আক্রমণের সম্ভাবনা খুব বেশি নয়, তবুও তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কিউবার জরাজীর্ণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর মার্কিন অবরোধের প্রভাবে গত এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার এবং মার্চ মাসে তৃতীয়বারের মতো দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। শনিবারের এই মহাবিপর্যয়ের পর রোববার সকাল পর্যন্ত হাভানার ২০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ৭২ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কিউবার খনিজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কামাগুয়ে প্রদেশের ‘নুয়েভিতাস’ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বিকল হওয়ায় পুরো জাতীয় গ্রিড অচল হয়ে পড়ে। গত তিন মাস ধরে বিদেশি কোনো উৎস থেকে তেল না পাওয়া এবং অভ্যন্তরীণভাবে চাহিদার মাত্র ৪০ শতাংশ জ্বালানি উৎপাদিত হওয়ায় কিউবার অর্থনীতি এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।

গত ১৬ মার্চ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন যে কিউবার শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে এবং তিনি দেশটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ‘সম্মান’ অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এর আগে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই কিউবার ওপর তেল সরবরাহ বন্ধের কঠোর নির্দেশ দেন তিনি। তবে কিউবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় কিউবার রাজনৈতিক কাঠামো বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই।

অন্যদিকে, মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল ফ্রান্সিস ডনোভান জানিয়েছেন, তাদের সৈন্যরা কিউবা দখলের কোনো মহড়া দিচ্ছে না, তবে মার্কিন দূতাবাস ও গুয়ান্তানামো বে ঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সদা প্রস্তুত। বর্তমানে তেল অবরোধের প্রতিবাদে কিউবা সরকার মার্কিন দূতাবাসের জেনারেটরের জন্য ডিজেল আমদানির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা


ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম: ট্রাম্পের আল্টিমেটামে বিশ্ববাজারে কাঁপন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১১:০৬:৩০
ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম: ট্রাম্পের আল্টিমেটামে বিশ্ববাজারে কাঁপন
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার কঠোর আল্টিমেটাম এবং ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) বাজার খোলার পরপরই অপরিশোধিত তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দিলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকটের পূর্বাভাস দিচ্ছে।

দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় রোববার রাত ১০টায় আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দামে উল্লম্ফন দেখা দেয়। মে মাসের সরবরাহের জন্য মার্কিন অপরিশোধিত তেল ডব্লিউটিআই (WTI)-এর মূল্য ১.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।

যদিও লেনদেনের কিছু সময় পর এটি ৯৯ ডলারের কাছাকাছি স্থিতিশীল হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড (Brent Crude) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩.৪৪ ডলারে পৌঁছায়, যা পরে সামান্য কমে ১১২ ডলারে অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগের দিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল যথাক্রমে ৬৭.০২ এবং ৭২.৪৮ ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস ও সিটি ব্যাংকের বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

/আশিক


৪২ বছরের ইতিহাসে বড় ধাক্কা: হরমুজ প্রণালি বন্ধে অন্ধকারে ডুবছে বিশ্ব অর্থনীতি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১০:৫৩:০৭
৪২ বছরের ইতিহাসে বড় ধাক্কা: হরমুজ প্রণালি বন্ধে অন্ধকারে ডুবছে বিশ্ব অর্থনীতি
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফতিহ বিরল বর্তমান বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে এক ভয়াবহ সতর্কতা জারি করেছেন। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গেছে। তার মতে, বিশ্ব অর্থনীতি এখন এক ‘বিশাল হুমকির’ মুখে দাঁড়িয়ে আছে এবং কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না।

ফতিহ বিরল এই পরিস্থিতিকে দুটি বড় তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আইইএ-র তথ্যমতে, ১৯৭০-এর দশকের সংকটে প্রতিদিন ১ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান সংকটে প্রতিদিন ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেছে। চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে ওই অঞ্চলের অন্তত ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই সংকট মোকাবিলায় আইইএ ইতোমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তাদের জরুরি তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এর আগে চলতি মাসের ১১ মার্চ আইইএ সদস্য দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন (৪০ কোটি) ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল, যা সংস্থাটির ইতিহাসে বৃহত্তম পদক্ষেপ।

আইইএ প্রধান আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন হলে তারা আরও মজুত তেল ছাড়তে প্রস্তুত আছেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিয়মিত সরবরাহ পুনরায় শুরু করা। এই সংকট নিরসনে তিনি এখন বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন।

/আশিক


ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ০৯:৩৮:৩৯
ইসরায়েলের আকাশ এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে? যুদ্ধবিরতিতে ৬ কঠিন শর্ত তেহরানের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধের জন্য কঠোর ছয় দফা পূর্বশর্ত দিয়েছে ইরান। রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রধান শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।

তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং বহুমুখী প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে, যা কয়েক মাস আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। বর্তমানে উচ্চমাত্রার ‘কৌশলগত ধৈর্য’ নিয়ে তারা এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এবং লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।

লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়াদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা এবং রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করার পর এখন ইসরায়েলের আকাশসীমায় ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করেছে ইরান। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, আগ্রাসনকারীদের শাস্তি দেওয়ার নীতি ততক্ষণ চলবে, যতক্ষণ না ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির দাঁতভাঙা জবাব এবং তাদের একটি ‘ঐতিহাসিক শিক্ষা’ দেওয়া যায়। বিভিন্ন আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পাঠালেও ইরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

ইরানের দেওয়া ছয় দফা প্রধান শর্তসমূহ

১. ভবিষ্যতে যেন পুনরায় কোনো যুদ্ধ না বাধে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা প্রদান।

২. মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে সব মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থায়ীভাবে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে বন্ধ করা।

৩. চলমান যুদ্ধের ফলে ইরানের যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান।

৪. পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে সব ধরনের যুদ্ধ ও বৈরী সামরিক তৎপরতা চিরতরে বন্ধ করা।

৫. কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে একটি নতুন আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো তৈরি করা।

৬. ইরানবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নির্দিষ্ট কিছু গণমাধ্যম ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করা এবং তাদের ইরানের হাতে প্রত্যর্পণ করা।

ইরান সরকার মনে করছে, এই শর্তগুলো একটি নতুন আইনি ও কৌশলগত কাঠামোর অংশ, যা দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণের মতো শর্তগুলো ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের জন্য মেনে নেওয়া প্রায় অসম্ভব। বেলারুশের প্রেসিডেন্টের মতো মিত্র দেশগুলো ইরানের বিজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও, তেহরানের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে এক বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: মেহের নিউজ


ক্লাস্টার বোমায় লণ্ডভণ্ড ইসরায়েলের শহর: বাঙ্কারে আশ্রয় নিল লাখো মানুষ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ০৯:২৬:১৫
ক্লাস্টার বোমায় লণ্ডভণ্ড ইসরায়েলের শহর: বাঙ্কারে আশ্রয় নিল লাখো মানুষ
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরান কর্তৃক অত্যন্ত তীব্র ও বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী জেরুজালেম এবং মধ্য ইসরায়েলসহ দক্ষিণ ইসরায়েলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে একাধিক সতর্ক সংকেত বা সাইরেন জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানার খবর আসার পরপরই ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সাধারণ জনগণকে দ্রুত ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে বা আন্ডারগ্রাউন্ড শেল্টারে যাওয়ার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে।

বর্তমানে ইসরায়েলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের খবর আসছে। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, এই হামলায় ইরান বিশেষ ধরনের ‘ক্লাস্টার’ বা গুচ্ছ-বোমা ব্যবহার করেছে। এই ধরনের মারণাস্ত্র আকাশ থেকে পড়ার সময় শত শত ছোট ছোট বোমা চারদিকে ছড়িয়ে দেয়, যা ব্যাপক এলাকা জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের অন্তত আটটি পৃথক স্থানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক পড়ার ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অনেক জায়গায় আগুন ধরে গেছে এবং স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর আগে উত্তর ইসরায়েলের অনেক এলাকায় সতর্ক সাইরেন বাজানো হলেও পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হওয়ায় সেই নির্দেশ সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছিল। সেখানকার বাসিন্দাদের শেল্টার থেকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হলেও পুনরায় হামলার শঙ্কায় আতঙ্ক কাটছে না। মূলত গত রোববার থেকেই ইসরায়েলে এই হামলার ধারা বিরতিহীনভাবে অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ইসরায়েল এখন এক ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে। কারণ এই এলাকাটি এখন কেবল ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলারই লক্ষ্যবস্তু নয়, বরং লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহরও নিয়মিত হামলার শিকার হচ্ছে। দুই দিক থেকে আসা এই সাঁড়াশি আক্রমণে পুরো ইসরায়েল এখন যুদ্ধকালীন এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: আল–জাজিরা


খামেনি হত্যাকে ‘নিষ্ঠুর’ আখ্যা দিয়ে ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুতিনের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ০৯:০৯:২৮
খামেনি হত্যাকে ‘নিষ্ঠুর’ আখ্যা দিয়ে ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুতিনের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের নতুন বছর নওরোজ উপলক্ষে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পুতিন ইরানি জনগণকে এই কঠিন পরীক্ষা মর্যাদার সঙ্গে মোকাবিলা করার শুভকামনা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, বর্তমানের এই সংকটময় সময়ে মস্কো তেহরানের পাশে এক বিশ্বস্ত বন্ধু ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অটল রয়েছে।

রাশিয়া মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই হামলা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে এবং এর ফলে তৈরি হয়েছে একটি বিশাল বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট। এমনকি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে অত্যন্ত 'নিষ্ঠুর' হিসেবে বর্ণনা করেছে রুশ পক্ষ।

তবে মস্কোর এই মৌখিক সমর্থনের গভীরতা নিয়ে খোদ ইরানি সূত্রগুলোতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেক ইরানি সূত্রের দাবি, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরান এখন তার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংকটে থাকলেও রাশিয়ার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো বাস্তব বা সামরিক সাহায্য পাওয়া যায়নি। উল্টো পলিটিকো এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, মস্কো ওয়াশিংটনকে একটি গোপন প্রস্তাব দিয়েছিল—রাশিয়া যদি ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকেও ইউক্রেনকে সহায়তা করা বন্ধ করতে হবে।

যদিও ক্রেমলিন এই প্রতিবেদনকে 'ভুয়া' বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে হামলার ফলে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়া অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে এবং রাশিয়া ও ইরানের বর্তমান কৌশলগত চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার কোনো সুনির্দিষ্ট ধারা নেই। এমনকি মস্কো বারবার স্পষ্ট করেছে যে, তারা চায় না ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করুক, কারণ এতে মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্রের নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে।

/আশিক


হরমুজ নিয়ে আর কোনো আপস নয়: মার্কিন সামরিক অভিযানের নতুন লক্ষ্য স্থির

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ০৯:০২:৫৪
হরমুজ নিয়ে আর কোনো আপস নয়: মার্কিন সামরিক অভিযানের নতুন লক্ষ্য স্থির
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে।

এনবিসি নিউজকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সফলতা পেয়েছে এবং ইতোমধ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। বেসেন্ট আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানের এই ঘাঁটিগুলো সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের পদক্ষেপ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারণার কঠোর সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন যে মার্কিনিদের কাছে যুদ্ধের সঠিক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে না।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসী অবস্থানের বিপরীতে ইরানও বড় ধরনের পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, যদি ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়, তবে তারা বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণরূপে’ বন্ধ করে দেবে।

তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, আক্রান্ত স্থাপনাগুলো পুনরায় নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ আর খোলা হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির জবাবে ইরানের এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে এক প্রলয়ংকরী যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

/আশিক


হরমুজ প্রণালী চিরতরে বন্ধের হুমকি ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২২ ২১:২০:৩৯
হরমুজ প্রণালী চিরতরে বন্ধের হুমকি ইরানের
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন এক ভয়াবহ 'ব্ল্যাকআউট' বা অন্ধকারচ্ছন্ন ভবিষ্যতের দিকে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের জবাবে পাল্টা চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যদি তাদের দেশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বা জ্বালানি স্থাপনাও আক্রান্ত হয়, তবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে। এবং সেই পথ ততক্ষণ খোলা হবে না, যতক্ষণ না ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন হয়।

আইআরজিসি-র এই বার্তায় আরও ভয়াবহ কিছু লক্ষ্যবস্তুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। এমনকি যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এই হুমকির সুর আরও চড়িয়ে বলেছেন, ইরানের ওপর আঘাত এলে পুরো অঞ্চলের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের মুখে পড়বে। ট্রাম্পের 'সম্পূর্ণ ধ্বংস' করার হুমকির বিপরীতে ইরানের এই 'মহাপ্রলয়' ডাকার সংকেত বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে।

/আশিক


ইসরায়েল ও আমিরাত লক্ষ্য করে ইরানের ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২২ ২১:০৯:৪৫
ইসরায়েল ও আমিরাত লক্ষ্য করে ইরানের ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনার চূড়ায়। রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ফের বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরানের এই নতুন ধাপের হামলায় ইসরায়েলজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেরুজালেম ও তেল আবিবসহ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

অন্যদিকে, ইরানের এই ‘প্রকাশ্য আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতও (ইউএই) বড় ধরনের সাফল্য দাবি করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার তারা ইরান থেকে ছোড়া ৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইউএই-র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোট ৩৪৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১,৭৭৩টি ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে এক্স (পূর্বের টুইটার) বার্তায় জানানো হয়েছে। ওদিকে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের দিমোনা ও আরাদ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে, যাতে অন্তত ২০০ জন আহত হয়েছেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: